আজ ১২-ই ফেব্রুয়ারি। মিশরের অধিবাসী ইমাম হাসান আল বান্না (রহ.)-এর শাহাদাত বার্ষিকী। হাসান আল বান্না জন্মগ্রহণ করেন ১৯০৬ সালের ১৪ অক্টোবর। মুসলিমরা যখন রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও আদর্শিকসহ নানাভাবে সংকীর্ণতার জালে আবদ্ধ হয়ে পড়েছিলো। নিজেদের মন-মানসিকতা, ঈমান-আকিদা যখন সাম্রাজ্যবাদ-বস্তুবাদ-নাস্তিকতার সংস্কৃতিতে তলিয়ে যাচ্ছি্লো, যখন তাঁরা নিজেদের মত-পথ, নিজেদের আত্মপরিচয় ভুলতে বসেছিলোবা ভুলেই গিয়েছিলো হুবহু সে সময়ই ইসলামী রেনেসাঁর আওয়াজ নিয়ে আবির্ভুত হন বিগত শতাব্দির অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুজাদ্দিদ ইমাম হাসান আল-বান্না (রহিমাহুল্লাহ)।
বিংশ শতাব্দির ইসলামি রেনেসাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই ইমাম ইসলামকে বাস্তবে মানুষের একমাত্র জীবনব্যবস্থা ও কুরআনকে এই ব্যবস্থার একমাত্র সংবিধান বলে মনে করতেন। এবং সেটা তিনি ব্যক্তিগত দাওয়াতের মাধ্যমেও মানুষের সামনে তুলে ধরতেন। তিনি পাশ্চাত্যের বস্তুবাদ, ব্রিটিশদের সাম্রাজ্যবাদ এবং মিশরের কিছু ওলামায়ে 'ছু'দের সমালোচনা করেন।
এরপর এক সময় তিনি বস্তুবাদ, নাস্তিকতাবাদ, সাম্রাজ্যবাদের অসারতার বিরুদ্ধে আল্লাহর জমিনে আল্লাহর বিধানকে প্রতিষ্ঠা করার মহান উদ্দেশ্য নিয়ে ইখওয়ানুল মুসলিমিন নামক একটা সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। সেই সংগঠনের মানহাজ বা কর্ম্পদ্ধতি সম্পর্কে পীস টিভির জনপ্রিয় আলোচক শাইখ ডক্টর আব্দুস সালাম আজাদী বলেন ; “সালাফিয়্যাতের দাওয়াত, সুন্নিদের পথ, সুফীদের বাস্তবতা, রাজনৈতিক মঞ্চ, শারীরিক ভাবে ফিট থাকার একটা দল, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও সভ্যতা সংস্কৃতি চর্চার একটা লীগ, এটা একটা অর্থনৈতিক কোম্পানি এবং একটা সমাজ দর্শন।”
ইমাম হাসান আল বান্না (রহ.) তাঁর দলের বৈশিষ্ট উল্লেখ করে বলেছেন :
১। সকল ধরণের মত পার্থক্যের ক্ষেত্রগুলো থেকে দূরে থাকা।
২। সমাজ নেতা ও বিত্তশালী বড়দের থেকে সরে থাকা।
৩। নানা রকমের দল ও সংস্থা থেকে বেঁচে থাকা।
৪। নতুনত্ব আনা এবং প্লান তৈরি ও নানা পদক্ষেপে ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে যাওয়া।
৫। উৎপাদন ও কাজের দিকটাকে প্রচার ও বাগড়ম্বরতার চেয়ে প্রাধান্য দেওয়া।
৬। যুবকদের ই প্রাধান্য দিয়ে তাদেরকে কাছে রাখা।
তাঁকে এবং তার দলকে যখন জালিমশাহীর তরফ থেকে ক্ষমতালোভী বা এই সংক্রান্ত অপবাদ আরোপ করা হচ্ছে, তখন তিনি সরল-সাবলীল একটা কথা বলেন। তা আজো আল্লাহর জমীনে আল্লাহর দ্বীনের বিধান প্রতিষ্ঠাকামি মু'মিনদের মনে অনুরণ তোলে। তাঁর সে ঘোষণাটি হলো—
“আমি তোমাকে ডাকছি আল্লাহ ও রাসূলের দিকে, ডাকছি কুরআনের দিকে, যদি এটাকে তোমরা রাজনীতি বলো, তাহলে হ্যাঁ এটাই আমাদের রাজনীতি!”
ওনার এমন অসংখ্য ঈমান জাগানিয়া বিখ্যাত উক্তি আছে। তারমধ্যে আরো একটা হোলো—
"যখন তুমি দেখবে জেলের কুঠুরিগুলো তোমার জন্য তৈরি, ফাঁসির মঞ্চগুলো তোমার জন্য প্রস্তুত , তখন তুমি জানবে— তোমার দেয়া দাওয়াত ফলপ্রসূ হচ্ছে।"
দাওয়াতি কাজ ছিলো ইমাম বান্নার নেশার মতো। কী জন্যে তিনি দ্বীনের প্রচার-প্রসারের জন্যে ব্যাকুল ছিলেন, তা তার একটা কথা থেকেই ফুটে ওঠে। তার সেই প্রবল আকাঙ্ক্ষা হোলো :
"ইসলামের প্রতিটি বিধিনিষেধ এমন কঠিন বলয় সৃষ্টি করেছে , যা মানবজাতিকে সবধরনের ধংসাত্বক বিপদাপদ থেকে রক্ষা করবে। কিন্তু মানবজাতী কি সমাজে (পুণরায়) আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠা করবে?"
১৯৪৯ সালের এইদিনই দাওয়াতি কাজ ১৯৪৯ সালের এইদিনই দাওয়াতি কাজ শেষে ইমাম হাসান আল বান্না বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে ত্বাগুতের দল ওনার ওপর গুলি চালায়। বুলেটের আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত করে দেয়া হয় ওনার বুককে । বাতিলের সেই বুলেটের নির্মম আঘাতেই শাহাদাতের কোলে ঢলে পড়েন তিনি। শাদাতের অমিয় সুধাপানে ধন্য হয়ে তিনি পৌঁছে গেলেন রব্বে কারিমের দরবারে। তাঁর লাশের প্রতিও ছিলো সাম্রাজ্যবাদীদের প্রবল ভয়। মানুষজনকে ঠিকমতো জানাযায়ও অংশগ্রহণ করতে দেয়া হোলো না।
তরুণ-যুবকদের প্রতিও ছিলেন তিনি যথেষ্ট সতর্ক-সচেতন। বিশ্ব-ইসলামী আন্দোলনের অন্যতম এই সিপাহসালার যুবকদের উদ্দেশ্যে বলেন—
“হে যুবকেরা প্রস্তুত হও ! তৈরী হও !! আজ যদি প্রচেষ্টা না চালাও, তবে ভবিষ্যতে কাজ করার জন্য কর্মশক্তি পর্যাপ্ত হবে না।”
যুবকদের পড়াশোনার প্রতি গুরুত্বারোপ করে ইমাম বান্না রহ. বলেন— "ছোটো করে হলেও নিজস্ব একটা লাইব্রেরি গড়ে তুলবে এবং নির্দিষ্ট একটি বিষয়ে গভীর জ্ঞানের অধিকারী হওয়ার চেষ্টা করবে।"
ইসলামি রেনেসাঁর এই ইমাম মুসলমান যুবকদের কেমন দেখতে চেয়েছিলেন তাঁর এই বক্তব্যেই ফুটে ওঠে। তিনি বলেন—
“আমাদের এমন প্রজন্ম প্রয়োজন যারা ইসলামকে আঁকড়ে ধরে রাখবে, ইসলাম তাদেরকে ধরে রাখবে এমন নয়।”
আচ্ছা, আমরা মুসলিম উম্মাহর যুবকদ সদস্যরা কি আজতক এমন যুবক হিসেবে গড়ে উঠতে পেরেছি? আত্মসমালোচনার আয়নায় নিজেকে দেখলে মনে হয় ইসলামকে নিজের জীবনে যতোটা আঁকড়ে ধরার প্রয়োজন, তার কিঞ্চিৎও আমরা ধরিনি। অন্তত আমার দ্বারা তো সম্ভব হয়নি। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদেরকে ক্ষমা করুন।
বিংশ শতাব্দির ইসলামি রেনেসাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই ইমাম ইসলামকে বাস্তবে মানুষের একমাত্র জীবনব্যবস্থা ও কুরআনকে এই ব্যবস্থার একমাত্র সংবিধান বলে মনে করতেন। এবং সেটা তিনি ব্যক্তিগত দাওয়াতের মাধ্যমেও মানুষের সামনে তুলে ধরতেন। তিনি পাশ্চাত্যের বস্তুবাদ, ব্রিটিশদের সাম্রাজ্যবাদ এবং মিশরের কিছু ওলামায়ে 'ছু'দের সমালোচনা করেন।
এরপর এক সময় তিনি বস্তুবাদ, নাস্তিকতাবাদ, সাম্রাজ্যবাদের অসারতার বিরুদ্ধে আল্লাহর জমিনে আল্লাহর বিধানকে প্রতিষ্ঠা করার মহান উদ্দেশ্য নিয়ে ইখওয়ানুল মুসলিমিন নামক একটা সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। সেই সংগঠনের মানহাজ বা কর্ম্পদ্ধতি সম্পর্কে পীস টিভির জনপ্রিয় আলোচক শাইখ ডক্টর আব্দুস সালাম আজাদী বলেন ; “সালাফিয়্যাতের দাওয়াত, সুন্নিদের পথ, সুফীদের বাস্তবতা, রাজনৈতিক মঞ্চ, শারীরিক ভাবে ফিট থাকার একটা দল, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও সভ্যতা সংস্কৃতি চর্চার একটা লীগ, এটা একটা অর্থনৈতিক কোম্পানি এবং একটা সমাজ দর্শন।”
ইমাম হাসান আল বান্না (রহ.) তাঁর দলের বৈশিষ্ট উল্লেখ করে বলেছেন :
১। সকল ধরণের মত পার্থক্যের ক্ষেত্রগুলো থেকে দূরে থাকা।
২। সমাজ নেতা ও বিত্তশালী বড়দের থেকে সরে থাকা।
৩। নানা রকমের দল ও সংস্থা থেকে বেঁচে থাকা।
৪। নতুনত্ব আনা এবং প্লান তৈরি ও নানা পদক্ষেপে ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে যাওয়া।
৫। উৎপাদন ও কাজের দিকটাকে প্রচার ও বাগড়ম্বরতার চেয়ে প্রাধান্য দেওয়া।
৬। যুবকদের ই প্রাধান্য দিয়ে তাদেরকে কাছে রাখা।
তাঁকে এবং তার দলকে যখন জালিমশাহীর তরফ থেকে ক্ষমতালোভী বা এই সংক্রান্ত অপবাদ আরোপ করা হচ্ছে, তখন তিনি সরল-সাবলীল একটা কথা বলেন। তা আজো আল্লাহর জমীনে আল্লাহর দ্বীনের বিধান প্রতিষ্ঠাকামি মু'মিনদের মনে অনুরণ তোলে। তাঁর সে ঘোষণাটি হলো—
“আমি তোমাকে ডাকছি আল্লাহ ও রাসূলের দিকে, ডাকছি কুরআনের দিকে, যদি এটাকে তোমরা রাজনীতি বলো, তাহলে হ্যাঁ এটাই আমাদের রাজনীতি!”
ওনার এমন অসংখ্য ঈমান জাগানিয়া বিখ্যাত উক্তি আছে। তারমধ্যে আরো একটা হোলো—
"যখন তুমি দেখবে জেলের কুঠুরিগুলো তোমার জন্য তৈরি, ফাঁসির মঞ্চগুলো তোমার জন্য প্রস্তুত , তখন তুমি জানবে— তোমার দেয়া দাওয়াত ফলপ্রসূ হচ্ছে।"
দাওয়াতি কাজ ছিলো ইমাম বান্নার নেশার মতো। কী জন্যে তিনি দ্বীনের প্রচার-প্রসারের জন্যে ব্যাকুল ছিলেন, তা তার একটা কথা থেকেই ফুটে ওঠে। তার সেই প্রবল আকাঙ্ক্ষা হোলো :
"ইসলামের প্রতিটি বিধিনিষেধ এমন কঠিন বলয় সৃষ্টি করেছে , যা মানবজাতিকে সবধরনের ধংসাত্বক বিপদাপদ থেকে রক্ষা করবে। কিন্তু মানবজাতী কি সমাজে (পুণরায়) আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠা করবে?"
১৯৪৯ সালের এইদিনই দাওয়াতি কাজ ১৯৪৯ সালের এইদিনই দাওয়াতি কাজ শেষে ইমাম হাসান আল বান্না বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে ত্বাগুতের দল ওনার ওপর গুলি চালায়। বুলেটের আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত করে দেয়া হয় ওনার বুককে । বাতিলের সেই বুলেটের নির্মম আঘাতেই শাহাদাতের কোলে ঢলে পড়েন তিনি। শাদাতের অমিয় সুধাপানে ধন্য হয়ে তিনি পৌঁছে গেলেন রব্বে কারিমের দরবারে। তাঁর লাশের প্রতিও ছিলো সাম্রাজ্যবাদীদের প্রবল ভয়। মানুষজনকে ঠিকমতো জানাযায়ও অংশগ্রহণ করতে দেয়া হোলো না।
তরুণ-যুবকদের প্রতিও ছিলেন তিনি যথেষ্ট সতর্ক-সচেতন। বিশ্ব-ইসলামী আন্দোলনের অন্যতম এই সিপাহসালার যুবকদের উদ্দেশ্যে বলেন—
“হে যুবকেরা প্রস্তুত হও ! তৈরী হও !! আজ যদি প্রচেষ্টা না চালাও, তবে ভবিষ্যতে কাজ করার জন্য কর্মশক্তি পর্যাপ্ত হবে না।”
যুবকদের পড়াশোনার প্রতি গুরুত্বারোপ করে ইমাম বান্না রহ. বলেন— "ছোটো করে হলেও নিজস্ব একটা লাইব্রেরি গড়ে তুলবে এবং নির্দিষ্ট একটি বিষয়ে গভীর জ্ঞানের অধিকারী হওয়ার চেষ্টা করবে।"
ইসলামি রেনেসাঁর এই ইমাম মুসলমান যুবকদের কেমন দেখতে চেয়েছিলেন তাঁর এই বক্তব্যেই ফুটে ওঠে। তিনি বলেন—
“আমাদের এমন প্রজন্ম প্রয়োজন যারা ইসলামকে আঁকড়ে ধরে রাখবে, ইসলাম তাদেরকে ধরে রাখবে এমন নয়।”
আচ্ছা, আমরা মুসলিম উম্মাহর যুবকদ সদস্যরা কি আজতক এমন যুবক হিসেবে গড়ে উঠতে পেরেছি? আত্মসমালোচনার আয়নায় নিজেকে দেখলে মনে হয় ইসলামকে নিজের জীবনে যতোটা আঁকড়ে ধরার প্রয়োজন, তার কিঞ্চিৎও আমরা ধরিনি। অন্তত আমার দ্বারা তো সম্ভব হয়নি। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদেরকে ক্ষমা করুন।
যা হোক, বলছিলাম ইমাম হাসান আলবান্নার কথা। ইমাম বান্না ইসলামি বিশ্বের অজস্র প্রতিভাবান ব্যক্তিত্বদের প্রভাবিত করেছেন। হাসান আল বান্না দ্বারা প্রভাবিত বিশ্ব ইসলামি ব্যক্তিত্বদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন—
হাসান আলহুদায়বী, সাইয়িদ কুতুব, মুহাম্মাদ কুতুব, মুস্তাফা মাশহুর, ইউসুফ আলক্বারাদাওয়ী, সাইয়েদ সাবেক্ব, মুহাম্মাদ আহমাদ আররাশেদ, মুহাম্মাদ আলগাযালী, যায়নাব আল গাজালি, জগলুল আলনাজ্জার, লেবাননের ফাতহি ইয়াকান, ফিলিস্তিনের আহমাদ ইয়াসিন, কুয়েতের আব্দুল্লাহ আলমুত্তাওয়াহ, সিরিয়ার ডঃ মুস্তাফা আসসিবাঈ, সাঈদ হাওয়া, ইরাকের মুহাম্মাদ মাহমূদ আসসাওয়াফ, আলজিরিয়ার মাহফূজ নাহনাহ, সুদানের হাসান আলতুরাবী, ভারতের আবুল হাসান নাদাওয়ী, মালায়েশিয়ার নিক আব্দুল আযীয প্রমুখ।
আত্মপরিচয় হারাতে থাকা মুসলিমদেরকে জাগ্রত করার এই ইমামের বাবাও ছিলেন একজন বড়ো মানের ইসলামি ব্যক্তিত্ব। তাঁর বাবার নাম ছিলো আবদুর রাহমান আল বান্না।
ইমাম বান্না একজন হাফেজে কুরআন ছিলেন। তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা শুরু হয় আট বছর বয়সে মাদরাসা আর-রাশাদ আদ-দ্বীনিয়াহ নামক একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। এভাবে একপর্যায়ে তিনি বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইউনিভার্সিটি “আল-আজহার ইউনিভার্সিটি” ভর্তি হন। ১৯২৭ সালে তাঁর সেই প্রতিষ্ঠান থেকেই আনুষ্ঠানিক শিক্ষাজীবনের সমাপ্তি ঘটে।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা ইমাম হাসান আল বান্নার প্রতি রহম করুন। ইমাম বান্না-ইমাম মওদূদীদের কারণেই আজকে লাখো-কোটি মুসলিম আল্লাহদ্রোহী শক্তিদের মোকাবেলায় নিজেদেরকে আল্লাহর দ্বীনের কাছে আত্মসমর্পন করার মধ্য দিয়ে, আত্মপরিচয় নিয়ে নতুনভাবে বেঁচে থাকার প্রত্যয়ে জেগে ওঠেছে। এবং সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে তাঁরা কাজও করে যাচ্ছে অবিরত। যদিও ধীরে ধীরে এইসব মানুষদের মধ্যেও টুকটাক বিচ্যুতির জন্ম হয়েছে।
আল্লাহ রব্বুল আলামিন ইমাম হাসান আল-বান্নার (রহঃ ভুলচুকগুলো ক্ষমা করে দিন। তাঁর কবরকে ফিরদৌসের সবুজ-শীতল বাগান হিসেবে কবুল করুন, এবং আমাদেরকেও ইমামের মতো একজন মুখলিস দা'ঈ ইলাল্লাহ হিসেবে কবুল করুন। আ-মী-ন!
হাসান আলহুদায়বী, সাইয়িদ কুতুব, মুহাম্মাদ কুতুব, মুস্তাফা মাশহুর, ইউসুফ আলক্বারাদাওয়ী, সাইয়েদ সাবেক্ব, মুহাম্মাদ আহমাদ আররাশেদ, মুহাম্মাদ আলগাযালী, যায়নাব আল গাজালি, জগলুল আলনাজ্জার, লেবাননের ফাতহি ইয়াকান, ফিলিস্তিনের আহমাদ ইয়াসিন, কুয়েতের আব্দুল্লাহ আলমুত্তাওয়াহ, সিরিয়ার ডঃ মুস্তাফা আসসিবাঈ, সাঈদ হাওয়া, ইরাকের মুহাম্মাদ মাহমূদ আসসাওয়াফ, আলজিরিয়ার মাহফূজ নাহনাহ, সুদানের হাসান আলতুরাবী, ভারতের আবুল হাসান নাদাওয়ী, মালায়েশিয়ার নিক আব্দুল আযীয প্রমুখ।
আত্মপরিচয় হারাতে থাকা মুসলিমদেরকে জাগ্রত করার এই ইমামের বাবাও ছিলেন একজন বড়ো মানের ইসলামি ব্যক্তিত্ব। তাঁর বাবার নাম ছিলো আবদুর রাহমান আল বান্না।
ইমাম বান্না একজন হাফেজে কুরআন ছিলেন। তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা শুরু হয় আট বছর বয়সে মাদরাসা আর-রাশাদ আদ-দ্বীনিয়াহ নামক একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। এভাবে একপর্যায়ে তিনি বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইউনিভার্সিটি “আল-আজহার ইউনিভার্সিটি” ভর্তি হন। ১৯২৭ সালে তাঁর সেই প্রতিষ্ঠান থেকেই আনুষ্ঠানিক শিক্ষাজীবনের সমাপ্তি ঘটে।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা ইমাম হাসান আল বান্নার প্রতি রহম করুন। ইমাম বান্না-ইমাম মওদূদীদের কারণেই আজকে লাখো-কোটি মুসলিম আল্লাহদ্রোহী শক্তিদের মোকাবেলায় নিজেদেরকে আল্লাহর দ্বীনের কাছে আত্মসমর্পন করার মধ্য দিয়ে, আত্মপরিচয় নিয়ে নতুনভাবে বেঁচে থাকার প্রত্যয়ে জেগে ওঠেছে। এবং সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে তাঁরা কাজও করে যাচ্ছে অবিরত। যদিও ধীরে ধীরে এইসব মানুষদের মধ্যেও টুকটাক বিচ্যুতির জন্ম হয়েছে।
আল্লাহ রব্বুল আলামিন ইমাম হাসান আল-বান্নার (রহঃ ভুলচুকগুলো ক্ষমা করে দিন। তাঁর কবরকে ফিরদৌসের সবুজ-শীতল বাগান হিসেবে কবুল করুন, এবং আমাদেরকেও ইমামের মতো একজন মুখলিস দা'ঈ ইলাল্লাহ হিসেবে কবুল করুন। আ-মী-ন!
Telegram
আলোর পথ
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
❤6
রাখাইন রাজ্যে মিয়ানমারের সামরিক জান্তা ও সন্ত্রাসী আরাকান আর্মির মধ্য সংঘর্ষ, অসংখ্য রোহিঙ্গা বেসামরিককে হত্যা!
রাখাইন রাজ্যের বুচিডং ও ফুমালিতে রোহিঙ্গা–অধ্যুষিত এলাকায় গেল জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে মিয়ানমার সামরিক জান্তা ও সন্ত্রাসী আরাকান আর্মির মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়।যুদ্ধে রোহিঙ্গাদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে আরাকান আর্মি। আর অন্যদিকে আরাকান আর্মিকে দমনের নামে রোহিঙ্গাদের দেদারসে হত্যা করছে জান্তা বাহিনী।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর বরাত দিয়ে জানা গিয়েছে, জানুয়ারির শেষের দিকে দুপক্ষের সংঘর্ষের সময় প্রায় ২৪ জন রোহিঙ্গা বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করা হয়েছে। আহত প্রায় শতাধিক। হামলা চালানো হয়েছে গ্রামের মসজিদেও।
রাখাইন রাজ্যের বুচিডং ও ফুমালিতে রোহিঙ্গা–অধ্যুষিত এলাকায় গেল জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে মিয়ানমার সামরিক জান্তা ও সন্ত্রাসী আরাকান আর্মির মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়।যুদ্ধে রোহিঙ্গাদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে আরাকান আর্মি। আর অন্যদিকে আরাকান আর্মিকে দমনের নামে রোহিঙ্গাদের দেদারসে হত্যা করছে জান্তা বাহিনী।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর বরাত দিয়ে জানা গিয়েছে, জানুয়ারির শেষের দিকে দুপক্ষের সংঘর্ষের সময় প্রায় ২৪ জন রোহিঙ্গা বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করা হয়েছে। আহত প্রায় শতাধিক। হামলা চালানো হয়েছে গ্রামের মসজিদেও।
😢5
“যদি তোমার লজ্জা না থাকে, তাহলে তুমি যা ইচ্ছা তাই করতে পারো।”
.
-সহিহ বুখারী, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৭
.
-সহিহ বুখারী, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৭৭
😢8
ভ্যালেন্টাইনের বেহায়াপনা নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিবির।
আমরা ইসলামী ছাত্রশিবিরকে এমনই দেখতে চাই। আমাদের জাতিসত্তা-মূল্যবোধ, আমাদের আকিদা, আমাদের সার্বভৌমত্বের রক্ষাকবচের ভূমিকায় দেখতে চাই শিবিরকে।
ছাত্রশিবিরের সাথে আপনার হাজারো মতবিরোধ থাকতে পারে, থাকাটা আসলেই স্বাভাবিক। আমি নিজেও শিবিরের অনেক কাজ অনেক দৃষ্টিভঙ্গি অপছন্দ করি। কিন্তু ক্যাম্পাসগুলোকে অশ্লীলতা আর বেলেল্লাপনার আখড়া থেকে হেফাজত করতে ছাত্রশিবিরের বিকল্প এখন অবধি কেউ নেই।
ক্যাম্পাসে ছাত্রশিবিরশক্তিশালী হওয়া মানে ইসলাম শক্তিশালী হওয়া। আমাদের সভ্যতা সংস্কৃতি আর জাতিসত্তা শক্তিশালী হওয়া। এই মাটি এই জমিন শক্তিশালী হওয়া।
ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্রশিবিরকে এরকম ঈমান-আখলাক, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব হেফাজত করতে সব ধরনের উদ্যোগ ও আয়োজন করা উচিৎ। যাতে এই ক্ষয়িষ্ণু প্রজন্মের মধ্যে কিছুটা হলেও সচেতনতা সৃষ্টি হয়। ছাত্রদের বোধদয় হয়।
আমি মনে করি যারা ছাত্রশিবিরের কঠিন সমালোচক, তারাও অন্তত ক্যাম্পাসগুলোতে ইসলামী মূল্যবোধ শক্তিশালী করতে ছাত্রশিবিরের এমন কাজগুলোতে কোনো ধরনের হীনমন্যতা ছাড়াই প্রকাশ্যে প্রশংসা করা উচিৎ। আবার ভুলের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনে সমালোচনা হতে পারে।
আমরা ইসলামী ছাত্রশিবিরকে এমনই দেখতে চাই। আমাদের জাতিসত্তা-মূল্যবোধ, আমাদের আকিদা, আমাদের সার্বভৌমত্বের রক্ষাকবচের ভূমিকায় দেখতে চাই শিবিরকে।
ছাত্রশিবিরের সাথে আপনার হাজারো মতবিরোধ থাকতে পারে, থাকাটা আসলেই স্বাভাবিক। আমি নিজেও শিবিরের অনেক কাজ অনেক দৃষ্টিভঙ্গি অপছন্দ করি। কিন্তু ক্যাম্পাসগুলোকে অশ্লীলতা আর বেলেল্লাপনার আখড়া থেকে হেফাজত করতে ছাত্রশিবিরের বিকল্প এখন অবধি কেউ নেই।
ক্যাম্পাসে ছাত্রশিবিরশক্তিশালী হওয়া মানে ইসলাম শক্তিশালী হওয়া। আমাদের সভ্যতা সংস্কৃতি আর জাতিসত্তা শক্তিশালী হওয়া। এই মাটি এই জমিন শক্তিশালী হওয়া।
ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্রশিবিরকে এরকম ঈমান-আখলাক, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব হেফাজত করতে সব ধরনের উদ্যোগ ও আয়োজন করা উচিৎ। যাতে এই ক্ষয়িষ্ণু প্রজন্মের মধ্যে কিছুটা হলেও সচেতনতা সৃষ্টি হয়। ছাত্রদের বোধদয় হয়।
আমি মনে করি যারা ছাত্রশিবিরের কঠিন সমালোচক, তারাও অন্তত ক্যাম্পাসগুলোতে ইসলামী মূল্যবোধ শক্তিশালী করতে ছাত্রশিবিরের এমন কাজগুলোতে কোনো ধরনের হীনমন্যতা ছাড়াই প্রকাশ্যে প্রশংসা করা উচিৎ। আবার ভুলের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনে সমালোচনা হতে পারে।
❤14👍1
ছাত্রশিবির রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়'সহ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্মপ্রাণ শিক্ষার্থীগণ এমন অনৈতিক শোভাযাত্রাকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছে।
#NotOurCulture
#NotOurCulture
❤14
আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি। সুন্দরবন দিবস।
বিশ্বের অন্যতম এ ম্যানগ্রোভ বন বাংলাদেশের গর্ব। কেবল বাংলাদেশ নয়, সারা বিশ্বই চায় সুন্দরবন বেঁচে থাকুক বহু বছর। ২০০১ সাল থেকে প্রতি বছর দিবসটি পালন করা হচ্ছে।
#SaveBangladesh #14February
বিশ্বের অন্যতম এ ম্যানগ্রোভ বন বাংলাদেশের গর্ব। কেবল বাংলাদেশ নয়, সারা বিশ্বই চায় সুন্দরবন বেঁচে থাকুক বহু বছর। ২০০১ সাল থেকে প্রতি বছর দিবসটি পালন করা হচ্ছে।
#SaveBangladesh #14February
❤12
আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি। বাংলাকে ইসলামের আদলে গড়তে যারা তাদের জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন এমন একজন মহামানবের আজ শাহদাতবার্ষিকী।
পাবনার মাওলানা আবদুস সুবহান এক অনন্য ব্যক্তিত্ব, একটি প্রতিষ্ঠান, একটি ইতিহাস। ১৯৬২ সাল থেকে এ জনপদের জনগণ তাঁর কাজের স্বীকৃতিস্বরুপ তাকে বারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন, যা পাবনার অন্য কোন নেতার ক্ষেত্রে হয়নি।
তাঁর জীবনের মিশনই ছিল জনকল্যানমূলক কাজ; শিক্ষা, সেবা ও বৃত্তিমূলক কাজের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে এলাকার জনসাধারনকে শিক্ষিত করে তোলা এবং বেকারত্ব দূর করা।
এমন একজন জনপ্রিয় আলেমে দ্বীনকে সহ্য করতে পারেনি কোনো স্বৈরাচারী সরকার। আইয়ুব, শেখ মুজিব, হাসিনা প্রতিটি মাফিয়া সরকারের বিরুদ্ধে তিনি লড়েছেন। বিনিময়ে ভয়ংকর নির্যাতনের মুখোমুখি হতে হয়েছে।
দীর্ঘদিন হাসিনা তাঁকে বন্দি রেখে, বিনা চিকিৎসায় অত্যন্ত নির্দয়ভাবে পাবনার সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতাকে ২০২০ সালে খুন করেছে। আজ মাওলানা আবদুস সুবহানের ৪র্থ শাহদাতবার্ষিকী।
জালিমদের আল্লাহ তায়ালা সর্বোচ্চ সুযোগ দেন। ছাড় দেন তবে অবশ্যই ছেড়ে দেন না। ইনশাআল্লাহ হাসিনা ও তার মাফিয়া গ্যাং ফেরাউনের পরিণতি বরণ করবে।
পাবনার মাওলানা আবদুস সুবহান এক অনন্য ব্যক্তিত্ব, একটি প্রতিষ্ঠান, একটি ইতিহাস। ১৯৬২ সাল থেকে এ জনপদের জনগণ তাঁর কাজের স্বীকৃতিস্বরুপ তাকে বারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন, যা পাবনার অন্য কোন নেতার ক্ষেত্রে হয়নি।
তাঁর জীবনের মিশনই ছিল জনকল্যানমূলক কাজ; শিক্ষা, সেবা ও বৃত্তিমূলক কাজের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে এলাকার জনসাধারনকে শিক্ষিত করে তোলা এবং বেকারত্ব দূর করা।
এমন একজন জনপ্রিয় আলেমে দ্বীনকে সহ্য করতে পারেনি কোনো স্বৈরাচারী সরকার। আইয়ুব, শেখ মুজিব, হাসিনা প্রতিটি মাফিয়া সরকারের বিরুদ্ধে তিনি লড়েছেন। বিনিময়ে ভয়ংকর নির্যাতনের মুখোমুখি হতে হয়েছে।
দীর্ঘদিন হাসিনা তাঁকে বন্দি রেখে, বিনা চিকিৎসায় অত্যন্ত নির্দয়ভাবে পাবনার সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতাকে ২০২০ সালে খুন করেছে। আজ মাওলানা আবদুস সুবহানের ৪র্থ শাহদাতবার্ষিকী।
জালিমদের আল্লাহ তায়ালা সর্বোচ্চ সুযোগ দেন। ছাড় দেন তবে অবশ্যই ছেড়ে দেন না। ইনশাআল্লাহ হাসিনা ও তার মাফিয়া গ্যাং ফেরাউনের পরিণতি বরণ করবে।
❤11
মানুষ হারাম সম্পর্কে জড়ায় মানসিক শান্তির জন্য। কিন্তু, সম্পর্কে জড়ানোর পর সে শান্তির বদলে মানসিক শাস্তি পাওয়া শুরু করে!
.
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রাহিমাহুল্লাহ চমৎকারভাবে তিনটি শাস্তির কথা উল্লেখ করেছেন।
.
তিনি বলেন,
“যে ভালোবাসা আল্লাহর জন্য হবে না তাতে তিনটি শাস্তি অবশ্যই থাকবে।”
.
১. যতক্ষণ সে তা না পাচ্ছে ততক্ষণ সে কষ্ট পাবে।
২. যখন পাবে তখন কষ্টে থাকবে কয়েক ধরনের- তা হারানোর, তা চলে যাবার, নষ্ট হওয়ার কিংবা তার বিরুদ্ধে যাওয়ার ইত্যাদি।
৩. তারপর যখন তা হাতছাড়া হবে তার কষ্ট বহু গুণ বেড়ে যাবে। এ হচ্ছে দুনিয়ার বুকে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কিছুকে ভালোবাসার তিন শাস্তি।
.
যারা হারাম প্রেমে লিপ্ত ছিলো, তাদেরকে জিজ্ঞেস করলে দেখবেন তারা বলবে, “হ্যাঁ, এই কষ্ট পেয়েছি।”
(বই: আত্মার ওষুধ, ইবনুল কাইয়্যিম)
.
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রাহিমাহুল্লাহ চমৎকারভাবে তিনটি শাস্তির কথা উল্লেখ করেছেন।
.
তিনি বলেন,
“যে ভালোবাসা আল্লাহর জন্য হবে না তাতে তিনটি শাস্তি অবশ্যই থাকবে।”
.
১. যতক্ষণ সে তা না পাচ্ছে ততক্ষণ সে কষ্ট পাবে।
২. যখন পাবে তখন কষ্টে থাকবে কয়েক ধরনের- তা হারানোর, তা চলে যাবার, নষ্ট হওয়ার কিংবা তার বিরুদ্ধে যাওয়ার ইত্যাদি।
৩. তারপর যখন তা হাতছাড়া হবে তার কষ্ট বহু গুণ বেড়ে যাবে। এ হচ্ছে দুনিয়ার বুকে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কিছুকে ভালোবাসার তিন শাস্তি।
.
যারা হারাম প্রেমে লিপ্ত ছিলো, তাদেরকে জিজ্ঞেস করলে দেখবেন তারা বলবে, “হ্যাঁ, এই কষ্ট পেয়েছি।”
(বই: আত্মার ওষুধ, ইবনুল কাইয়্যিম)
❤11
রমজান ঘনিয়ে আসছে। সালাফে সালেহীন দুই মাস আগ থেকেই অর্থাৎ রজব মাস থেকেই রমজানের প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করতেন। আর শাবান এলে তো একেবারে উঠেপড়ে লাগতেন। তাদের প্রস্তুতির মধ্যে মোটাদাগে যে বিষয়গুলো থাকত তা হচ্ছে,
১. গুনাহ পরিহারে বাড়তি মনোযোগ দেওয়া।
২. কুরআনের তিলাওয়াত বৃদ্ধি করা।
৩. পুষ্টিকর খাবার খেয়ে শরীরে শক্তি যোগানো।
৪. যাকাত আদায় করা।
৫. নফল রোজা রাখা।
৬. রমজান ও রোজা সংক্রান্ত ইলমকে পুনঃপাঠের মাধ্যমে ঝালাই করে নেওয়া।
৭. অধিকহারে দুআর ইহতিমাম করা।
৮. নফল ইবাদাতের পরিমাণ বৃদ্ধি করা।
শাবানের আজ ৩ তারিখ। মানে, রমজানের বাকি আর মাত্র ২৬ দিনের মতো। সুতরাং রমজানের টুকটাক প্রস্তুতি এখন থেকেই নেওয়া শুরু করতে হবে। নইলে পূর্ব-প্রস্তুতিহীন থাকলে রমজান থেকে পরিপূূর্ণ ফায়দা হাসিল করা সম্ভব হবে না। আজ থেকেই প্রস্তুতি গ্রহণের পণ করুন। সামনের রমজান যেন বিগত সকল রমজানের থেকে শ্রেষ্ঠ হয়, সেই পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হোন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে তাওফীক দিন। আমিন।
১. গুনাহ পরিহারে বাড়তি মনোযোগ দেওয়া।
২. কুরআনের তিলাওয়াত বৃদ্ধি করা।
৩. পুষ্টিকর খাবার খেয়ে শরীরে শক্তি যোগানো।
৪. যাকাত আদায় করা।
৫. নফল রোজা রাখা।
৬. রমজান ও রোজা সংক্রান্ত ইলমকে পুনঃপাঠের মাধ্যমে ঝালাই করে নেওয়া।
৭. অধিকহারে দুআর ইহতিমাম করা।
৮. নফল ইবাদাতের পরিমাণ বৃদ্ধি করা।
শাবানের আজ ৩ তারিখ। মানে, রমজানের বাকি আর মাত্র ২৬ দিনের মতো। সুতরাং রমজানের টুকটাক প্রস্তুতি এখন থেকেই নেওয়া শুরু করতে হবে। নইলে পূর্ব-প্রস্তুতিহীন থাকলে রমজান থেকে পরিপূূর্ণ ফায়দা হাসিল করা সম্ভব হবে না। আজ থেকেই প্রস্তুতি গ্রহণের পণ করুন। সামনের রমজান যেন বিগত সকল রমজানের থেকে শ্রেষ্ঠ হয়, সেই পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হোন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে তাওফীক দিন। আমিন।
❤9
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
আমি সব থেকে আলাদা। আমার আদর্শ আলাদা, আমার রাজনীতি আলাদা, আমার সংস্কৃতি আলাদা....
~ আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী রহ.
~ আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী রহ.
❤11
গণিতবিদ আল খাওয়ারিজমিকে নারী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল! তিনি জবাবে বলেছিলেনঃ
· নারী যখন দ্বীনদার তখন তার মান ১!
· এর সাথে যখন সৌন্দর্য যোগ হয়, তখন এক এর সাথে একটা শূন্য যুক্ত হয়! ফলে মান হয় ১০!
· এরপর যখন সম্পদ যোগ হয়, তখন এর সাথে আরেকটা শূন্য যুক্ত হয়ে মান হয় ১০০!
· সর্বশেষ, যখন উপর্যুক্ত তিনটির থেকে তার বংশমর্যাদা যোগ হয়, তখন এক সাথে আরও একটি শূন্য যুক্ত হয়ে তার মান দাঁড়ায় ১০০০!
কিন্তু যখন থেকে এক নাম্বারটা (দ্বীনদারী) চলে যায়, তখন তার মান শূন্য ছাড়া আর কিছুই বাকী থাকে না!
— সংগৃহীত
· নারী যখন দ্বীনদার তখন তার মান ১!
· এর সাথে যখন সৌন্দর্য যোগ হয়, তখন এক এর সাথে একটা শূন্য যুক্ত হয়! ফলে মান হয় ১০!
· এরপর যখন সম্পদ যোগ হয়, তখন এর সাথে আরেকটা শূন্য যুক্ত হয়ে মান হয় ১০০!
· সর্বশেষ, যখন উপর্যুক্ত তিনটির থেকে তার বংশমর্যাদা যোগ হয়, তখন এক সাথে আরও একটি শূন্য যুক্ত হয়ে তার মান দাঁড়ায় ১০০০!
কিন্তু যখন থেকে এক নাম্বারটা (দ্বীনদারী) চলে যায়, তখন তার মান শূন্য ছাড়া আর কিছুই বাকী থাকে না!
— সংগৃহীত
❤18