আলোর পথ
10.1K subscribers
2.59K photos
716 videos
35 files
291 links
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
Download Telegram
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
১৫ ফেব্রুয়ারী জাতীয় শোক দিবস।😁
😁15
দুনিয়া থেকে সব হারিয়ে ওরা জান্নাতের দিকে যাচ্ছে, আর দুনিয়ার সবকিছু আমরা পেটে ভরে জাহান্নামের দিকে যাচ্ছি...

আমরা যেন উম্মাহর প্রতি দায়িত্ব এর কথা ভুলে না যাই। এটলিস্ট প্রতি বেলা, অবসরে দুআ জারি রাখি...
😢11🥰1
আমি পাপী গোনাহগার।
😢17
কোন মুসলমানের সন্তান তার মননে এই নিকৃষ্ট অপসংস্কৃতি লালন করতে পারেনা।
👍71🥰1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
যারা শিবিরের বিরোধিতা করে তাদের প্রতি আমাদের একরাশ ভালোবাসা 💐
- কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলাম ।💝
#shibir #islamic #jamaateislami #kibrahmonir #chatroshibir
🥰151
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
এক ব্রিটিশ মাইকে ঘোষণা দিচ্ছে,
আপনারা কেউ ইজরায়েলের পণ্য কিনবেন না।

#বয়কট_ইজরায়েল
11
রাষ্ট্রক্ষমতার উত্থান-পতনে আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার তিনটি শর্ত
14
আপনার মৃত্যু সংবাদ শোনার পর মানুষ যদি আপনার মাগফিরাতের জন্য দুআ করে, সেটাই হবে একটা সার্থক জীবন।
20
বিলাসিতা পরিহার করুন! মনোবলকে উচ্চতায় রাখুন! কষ্টকে স্বাভাবিক মনে করুন! অন্তরের দৃষ্টি দিয়ে আল্লাহর গায়েবী কুদরতের উপর নজর রাখুন!
.
— শায়খুনা হারুন ইজাহার হাফি:
21👍1
11
ইসলামী আন্দোলন: জাহেলিয়াতকে  সরিয়ে ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত করার আন্দোলন
- আবু সামিহা সিরাজুল ইসলাম

"এসো আলোর পথে" অথবা "মুক্তির পয়গাম"— ছোট্ট দুটি পুস্তিকা; কিন্তু কী শক্তিশালী বার্তাবহ শিরনাম! এই শিরনাম দেখেই আমাদের হৃদয়ে প্রচণ্ড দোলা লেগেছিল। আর সে দোলাতে আমরা আন্দোলিত হয়েছিলাম, শরীক হয়ে গিয়েছিলাম একটা আন্দোলনে, সেই শৈশব ও কৈশোরের সন্ধিক্ষণে। তারপর আমরা আলোর পথ চিনেছি, সে পথে চলছি, সে পথে অটল থাকার সংগ্রাম করে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত।

আমরা কখনো সমালোচনাও করি আজকাল। কারণ, আমরা কি মূলে আছি, নাকি ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনের মূল থেকে সরে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত— সে চিন্তা আমাদের আলোড়িত করে।

এ আন্দোলন দীন কায়েমের আন্দোলন। জাহেলিয়াতকে সরিয়ে ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত করার আন্দোলন। কায়েমী স্বার্থবাদী ও খোদাদ্রোহী নেতৃত্ব উৎখাত করে খোদাভীরু নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করার আন্দোলন। এই আন্দোলনের একটা তাত্ত্বিক ভিত্তি আছে। সে ভিত্তি হচ্ছে ইসলামকে সব-ধরনের জাহিলিয়াত থেকে আলাদা করে বুঝতে জানা। জাহিলী আদর্শগুলোর মোকাবিলায় ইসলামের শ্রেষ্টত্বের বিষয়ে ইয়াকীন রাখা ও একে প্রমান করার যোগ্যতা ধারণ করা। দীনকে জীবনোদ্দেশ্যে পরিণত করা। সর্বোপরি দীনের তাজদীদ করা।

আমাদের উদ্বেগের কারণ হচ্ছে এই তাত্ত্বিক ভিত্তিকে হারিয়ে ফেলা, একে না বুঝা এবং দীনের তাজদীদকে হৃদয়ঙ্গম করতে ব্যর্থ হওয়া। যার ফলে জাহিলী রসম-রেওয়াজে লিপ্ত হয়ে পড়া; সর্বোপরি ট্র্যাডিশনাল ইসলামী জ্ঞানের ধারার সাথে ভালো করে সংযুক্ত হবার পরিবর্তে ধীরে ধীরে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া।

মনে রাখতে হবে ইসলামী আন্দোলনের জন্ম ইসলামের তাজদীদের জন্য, নিজে কোন দীনে পরিবর্তিত হবার জন্য নয়। তাজদীদ হল সব সময় উৎসে ফিরে গিয়ে তাকে সজীব করা ও সময়োপযোগী পন্থায় বাস্তবায়ন করা, কিন্তু দীন বিরোধী জাহিলিয়াতকে (বিদʿআত) আত্মীকরণ করা নয়।

সেজন্য সময়ে সময়ে নতুন নতুন আন্দোলনের জন্ম হবে। কারণ রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: "নিশ্চয় আল্লাহ প্রতি শতাব্দীতে এই উম্মতের জন্য এমন ব্যক্তিদের উত্থান ঘটাবেন, যারা এর দীনকে তাজদীদ করবে।", অথবা পুরোনো আন্দোলনগুলো নিজেদের নবায়ন করবে। নিজদের আন্দোলনের শুরুর ধারায় ফিরে যাবে এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে প্র্যাকটিকালী নতুন করে অনুধাবন করার জন্য।

ফলে এখন আমাদের ভাইদের উচিৎ হবে— "একটি সত্যনিষ্ঠ দলের প্রয়োজন", "ইসলাম ও জাহিলিয়াত", "ইসলামী রেনেসাঁ আন্দোলন", "ইসলামী বিপ্লবের পথ", জামাʿআতের প্রতিষ্ঠাকালীন গঠনতন্ত্র, এর শুরুর দিকের কার্য-বিবরনী, ইত্যাদির  পুনর্পাঠ করা।

মনে রাখতে হবে আমাদের তাত্ত্বিক অবস্থান সব সময় একই থাকবে। তবে একে নবায়ন করতে হবে বার বার। আপনার কর্মসূচী ও কর্মপদ্ধতির পরিবর্তন হতে পারে সময়ে সময়ে, যতক্ষণ না তা তাত্ত্বিক অবস্থানের সাথে সাংঘর্ষিক হবে।
উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী শের মুহাম্মদ আব্বাস স্টানিকজাই হাফিযাহুল্লাহ তার বক্তৃতায় বলেন, “আমাদের পূর্বসূরিরা যেভাবে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, আমরাও ত্যাগ স্বীকার করব এবং দেশ ও জাতির সেবা করব। আমাদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যেন আমাদের জাতি আমাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে পারে।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য ব্যক্তিরাও সদ্য স্নাতকদের ওপর অর্পিত বিভিন্ন দায়িত্ব সম্পর্কে উপদেশমূলক বক্তব্য প্রদান করেন। সবশেষ জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মৌলভী মুহাম্মদ ইয়াকুব মু*জাহিদ হাফিজাহুল্লাহ স্নাতকদের মাঝে সার্টিফিকেট প্রদানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।
5
আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট জাভিয়ের মিলেই ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান আল আকসা মসজিদ ভেঙে ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন।

Argentina President Javier Milei called for the demolition of Al Aqsa mosque, the third holiest site in Islam.
🤬13
এইতো সেদিন উমরাহ, মাসজিদ আল হারামে ইতিকাফ আর আরব দেশে ঈদ করে ফিরেছি। উমরাহর কাপড়চোপড়ে এখনো সম্ভবত আতরের গন্ধ লেগে আছে৷

অথচ—আজ থেকে শুরু হয়ে গেলো পবিত্র শা’বান মাস৷ আর ঠিক একমাস পরে আরেকটা নতুন রামাদান ধরণীতে ধরা দেবে।

কতো অবিশ্বাস্য দ্রুত গতিতে ফুরিয়ে যাচ্ছে হায়াতের দিন!

বিশ্বাস করুন—অন্তত তিনজন মানুষকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি যারা গত রামাদানেও জীবিত ছিলেন, যাপিত জীবন নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন, কিন্তু এই রামাদান আসার পূর্বেই তারা চলে গেছেন অনন্তের পথে। তাদের সামনে আর কোনো সুযোগ নেই একটা সিয়াম রাখার, রামাদান মাসে একপাতা কুরআন তিলাওয়াত করার, তাহাজ্জুদে কপাল ঠেকিয়ে বুক ভরে একবার ‘আল্লাহুম্মাগফিরলি’ বলার।

জীবন তো মাগরিবের আযান আর ইকামাতের মধ্যকার সময়ের মতোই— সংক্ষিপ্ত।

এইসব কোলাহল, ব্যস্ততা, দৌঁড়ঝাপ—এগুলো কখনোই আমাদের পিঁছু ছাড়বে না। এসব নিয়েই আমাদের জীবন। এরমধ্যেই আমাদেরকে সময় করতে হবে অনন্তের জীবনের জন্য।

শা’বান মাস শুরু হলো৷ চলুন একটা সুন্দর পরিকল্পনা গুছিয়ে ফেলি এই গোটা মাস কীভাবে কাটাবো তা নিয়ে। আমরা খুব ভালোভাবেই জানি আমাদের কী কী করতে হবে আর কী কী বাদ দিতে হবে৷ শুধু, প্রচণ্ড ইচ্ছা আর মনোবল নিয়ে শুরুটা করতে হবে।

শা’বান মাসে যদি আপনি ১০ এর মধ্যে ৮ পেয়ে যান, খুব সম্ভাবনা—রামাদানে আপনি ১০ এ ১০ পাবেন।

কতো সুন্দর বলেছেন আমাদের পূর্বসূরিগণ—

‘রজব হলো ফসল বপনের মাস৷ শা’বান হলো সেচ দেওয়ার মাস, আর রামাদান হলো ফসল উত্তোলনের মাস’।

সেচ দেওয়ার মাসটা কিন্তু হাজির হয়েছে৷ আপনি কি পানির বালতি নিয়ে দাঁড়িয়ে যাবেন না?
10
"যুবকদের প্রতি শহীদ হাসান আল-বান্নার ২০ টি উপদেশ"

১. তোমরা যে অবস্থায় থাক না কেন, আযান শোনার সাথে সাথে নামাযের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করবে।

২. কোরআনকে পাঠ কর এবং এটা নিয়ে গবেষণা কর। যত কম সময়ই হোক না কেন সেটাকে আজেবাজে কাজে ব্যয় কর না।

৩. সবসময় স্পষ্টবাদী হওয়ার চেষ্টা কর, কেননা এর দ্বারাই প্রমাণ হবে তুমি মুসলিম। আরবি শেখার চেষ্টা কর, কেননা কেবলমাত্র আরবি ভাষার মাধ্যমেই কুরআনকে ভালোভাবে বোঝা সম্ভব।

৪. কোনো বিষয়েই মাত্রাতিরিক্ত তর্কে জড়াবে না, কেননা তর্ক কোন সময় সফলতা বয়ে আনে না।

৫. কখনোই বেশি হাসবে না, কেননা আল্লাহর সাথে সম্পর্কিত আত্মা সবসময় শান্তচিত্ত ও ভারী হয়।

৬. কখনোই মশকরা করো না, কেননা একটি মুজাহিদ জাতি গাম্ভীরতা ছাড়া অন্য কিছু হতে পারে না।

৭. শ্রোতা যতটুকু পছন্দ করে ততটুকুই তোমার আওয়াজকে বুলন্দ কর, কেননা এটা স্বার্থপরতা ও অন্যকে নিপীড়ন করার শামিল।

৮. কখনোই কাউকে ছোট করো না। কল্যাণ কর ছাড়া অন্য কোন ব্যাপারে কথা বল না।

৯. তোমার প্রতিবেশী কোনো ভাই তোমার সাথে পরিচয় হতে না চাইলেও তার সাথে পরিচিত হয়ে নাও।

১০. আমাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব আমাদের যে সময় দেওয়া হয়েছে তার চেয়ে অনেক বেশী। অন্য জনের সময় বাঁচানোর জন্য সবসময় ব্রত হও। যদি তোমার উপর কোন দায়িত্ব অর্পিত হয় সেটাকে সব চেয়ে সহজ পন্থায় ও সুন্দর করে করার চেষ্টা কর।

১১. সবসময় পরিষ্কার পরিছন্নতার দিকে নজর দিবে। তোমাদের ঘর-বাড়ি, পোশাক-পরিচ্ছদ, শরীর ও তোমাদের কাজের জায়গাকে পরিচ্ছন্ন রাখ। কেননা এই দ্বীন পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার উপরেই নির্মিত হয়েছে।

১২. তোমাদের ওয়াদা রক্ষার ব্যাপারে সর্বদা সচেষ্ট থাকবে। কথা ও কাজে সবসময় মিল রাখবে। শর্ত যাই হোক না কেন সর্বদা এর উপর অটল অবিচল থাকবে।

১৩. পড়ালেখায় মনোযোগ দাও। মুসলিমদের প্রকাশিত পত্র-পত্রিকা ও ম্যাগাজিন নিয়ে পারস্পারিক আলোচনা কর। ছোট করে হলেও নিজস্ব একটা লাইব্রেরি গড়ে তোলো। নির্দিষ্ট একটি বিষয়ে গভীর জ্ঞানের অধিকারী হওয়ার চেষ্টা করো।

১৪. কখনো সরকারের মুখাপেক্ষী হবে না, কেননা রিজিকের সবচেয়ে সংকীর্ণ দরজা হল তাদের দরজা। তবে তোমাদের কে যদি সুযোগ সুবিধা দেয় সেটাকে প্রত্যাখ্যান করো না। তোমাদের দাওয়াতকে ও তোমাদের নিজস্ব গতিকে স্তব্ধ করে না দেওয়া পর্যন্ত এর থেকে পৃথক হবে না।

১৫. তোমাদের সম্পদের একটা অংশ সংগঠনে দান কর। আর ফরজ যাকাত একসাথে করে দাও। সেটার পরিমান যত সল্পই হোক না কেন সেখান থেকে গরীব দুঃখীদের দান কর।

১৬. অপ্রত্যাশিত বিপদ আসার আগেই স্বল্প পরিমান হলেও সম্পদের একটা অংশ কে সঞ্চয় করে রাখ। এবং কখনোই জাঁকজমক পূর্ণ আসবাব পত্র ক্রয়ে সম্পদ ব্যয় কর না।

১৭. সকল অবস্থায় তাওবা ও ইস্তিগফার পাঠ কর। রাতে ঘুমানোর আগে কয়েক মিনিট আত্মসমালোচনা কর। হারাম থেকে বেঁচে থাকার জন্য সন্দেহজনক বিষয় থেকে বেঁচে থাক।

১৮. বিনোদনের জায়গা থেকে এই ভেবে দূরে থাক যে, এর বিরুদ্ধেই আমার সংগ্রাম। সকল প্রকার প্রসন্নতা ও আরামদায়ক বিষয় থেকে দূরে থাক।

১৯. সকল জায়গায় তোমার দাওয়াতকে বুলন্দ করার চেষ্টা করবে। নিজের নফসের সাথে এমন আচরন কর যাতে সে তোমাকে মেনে চলতে বাধ্য হয়। তোমাদের চোখকে হারাম থেকে বিরত রাখ। নিজের আবেগের উপর প্রাধান্য বিস্তার কর।

২০. নিজেকে সর্বদায় সংগঠনের কাজের সাথে সম্পর্কিত রাখ এবং একজন নিবেদিত প্রাণ সেনার মত নেতার আদেশ মানতে সর্বদায় প্রস্তুত থাক।

আল্লাহ শহীদ হাসান আল বান্না রা. কে- শহীদ হিসেবে কবুল করুন। উনার উপদেশ গুলো আমল করার তৌফিক দান করুন।
👍6
আগামী ১৩-০২-২০২৪ থেকে ১৫-০২-২০২৪ পর্যন্ত কাদিয়ানীদের ৯৯ তম সালনা জলসা হবে। এই উপলক্ষ্যে পঞ্চগড় জেলায় আনুমানিক ৩০+ হাজার প্রশাসন উপস্থিত করা হয়েছে। আর জেলার স্বনামধন্য মাধ্যমিক বিদ্যাপীঠসহ অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আগামী রবিবার পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এটাই হচ্ছে প্রিয় বাংলাদেশ 🥲🥲
😢6
বানভুলপুরার ‘মালিক কা বাগিচার’ বাসিন্দা নাজমা খানম (২১) বলেন, “পুলিশ যখন বুলডোজার নিয়ে আসে তখন পুরুষরা বাইরে কাজে ছিল। আমরা মহিলারা যখন বাধা দিতে যাই তখন তারা আমাদের উপর লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে” ।

হালদওয়ানির ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শাকিল আহমাদ বলেন, “হাইকোর্ট এখনও এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি। শুনানির পরবর্তী তারিখ ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি। প্রশাসন যখন এসেছিল তখন আমরা তাদের অভিযান বন্ধ রাখার অনুরোধ করি। আমরা তাদের বলি যে, আদালতের সিদ্ধান্ত যদি আমাদের বিরুদ্ধে যায় তবে আমরা আপনাদের কাজে বাধা দেব না। কিন্তু তারা কোন কথা শোনেনি। তারা যদি হাইকোর্টের চূড়ান্ত রায়ের জন্য অপেক্ষা করতো তাহলে আজ কোনো সমস্যাই হতো না।”

‘দেখামাত্র গুলি’র নির্দেশ

এদিকে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি বলেছে, সরকার দা*ঙ্গাকারী ও দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

এক বিবৃতিতে সে বলেছে, “উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশকে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অগ্নিসংযোগ ও পাথর ছোড়ার ঘটনায় জড়িত প্রত্যেক দা*ঙ্গাকারীকে চিহ্নিত করা হচ্ছে। সম্প্রীতি ও শান্তি বিনষ্টকারী কোনো দুর্বৃত্তকেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

এছাড়া রাস্তায় বিক্ষোভকারীদের ‘দেখামাত্র গুলি চালানোর’ নির্দেশও জারি করেছে উত্তরাখণ্ডের হি*ন্দু^ত্ব*বা-দী সরকার। নির্দেশ জারির কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ৬ জন মুসলিমকে গুলি করে মেরেছে হি*ন্দু^ত্ব*বা-দী প্রশাসন।

ভাইরাল হওয়া ঘটনাসমূহ

এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ঘটনার বেশ কিছু ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে হি*ন্দু^ত্ব*বা-দী প্রশাসনকে ভারী গুলি বর্ষণ করতে দেখা গেছে।

দেখামাত্র গুলির নির্দেশ থাকার পরও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপর এক ভিডিওতে উগ্র হি*ন্দু^ত্ব*বা-দীদের মুসলিমদের দোকান ও বাড়িঘর লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়তে দেখা যায়। সেসময় তাদেরকে ‘কাটুয়া (মুসলিমদের বিরুদ্ধে অপমানসূচক শব্দ), আমরা তোদের বোনদের ধর্ষণ করবো’ বলতে শোনা যায়।

এছাড়া আরও কিছু ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যেখানে হি*ন্দু^ত্ব*বা-দী প্রশাসন ও হিন্দু সন্ত্রা*সীদের মুসলিম নারীদের লাঠিপেটা, গুলি বর্ষণ, মুসলিমদের বাড়িঘরে পাথর নিক্ষেপ এবং মসজিদ ও মাদ্রাসা বুলডোজার দিয়ে ধ্বংস করতে দেখা গেছে।

উল্লেখ্য যে, স্থানীয় মুসলিমদের অভিযোগ, হি*ন্দু^ত্ব*বা-দী প্রশাসনের সাথে স্থানীয় হিন্দু সন্ত্রা*সীরাও যৌথভাবে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে। এছাড়া ভাইরাল হওয়া বেশ কিছু ভিডিওতেও সিভিল পোশাক পরিহিত ব্যক্তিদের মুখ বাঁধতে দেখা গিয়েছে।
👍3😢1
আজ ১২-ই ফেব্রুয়ারি। মিশরের অধিবাসী ইমাম হাসান আল বান্না (রহ.)-এর শাহাদাত বার্ষিকী। হাসান আল বান্না জন্মগ্রহণ করেন ১৯০৬ সালের ১৪ অক্টোবর। মুসলিমরা যখন রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও আদর্শিকসহ নানাভাবে সংকীর্ণতার জালে আবদ্ধ হয়ে পড়েছিলো। নিজেদের মন-মানসিকতা, ঈমান-আকিদা যখন সাম্রাজ্যবাদ-বস্তুবাদ-নাস্তিকতার সংস্কৃতিতে তলিয়ে যাচ্ছি্লো, যখন তাঁরা নিজেদের মত-পথ, নিজেদের আত্মপরিচয় ভুলতে বসেছিলোবা ভুলেই গিয়েছিলো হুবহু সে সময়ই ইসলামী রেনেসাঁর আওয়াজ নিয়ে আবির্ভুত হন বিগত শতাব্দির অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুজাদ্দিদ ইমাম হাসান আল-বান্না (রহিমাহুল্লাহ)।

বিংশ শতাব্দির ইসলামি রেনেসাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই ইমাম ইসলামকে বাস্তবে মানুষের একমাত্র জীবনব্যবস্থা ও কুরআনকে এই ব্যবস্থার একমাত্র সংবিধান বলে মনে করতেন। এবং সেটা তিনি ব্যক্তিগত দাওয়াতের মাধ্যমেও মানুষের সামনে তুলে ধরতেন। তিনি পাশ্চাত্যের বস্তুবাদ, ব্রিটিশদের সাম্রাজ্যবাদ এবং মিশরের কিছু ওলামায়ে 'ছু'দের সমালোচনা করেন।

এরপর এক সময় তিনি বস্তুবাদ, নাস্তিকতাবাদ, সাম্রাজ্যবাদের অসারতার বিরুদ্ধে আল্লাহর জমিনে আল্লাহর বিধানকে প্রতিষ্ঠা করার মহান উদ্দেশ্য নিয়ে ইখওয়ানুল মুসলিমিন নামক একটা সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। সেই সংগঠনের মানহাজ বা কর্ম্পদ্ধতি সম্পর্কে পীস টিভির জনপ্রিয় আলোচক শাইখ ডক্টর আব্দুস সালাম আজাদী বলেন ; “সালাফিয়্যাতের দাওয়াত, সুন্নিদের পথ, সুফীদের বাস্তবতা, রাজনৈতিক মঞ্চ, শারীরিক ভাবে ফিট থাকার একটা দল, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও সভ্যতা সংস্কৃতি চর্চার একটা লীগ, এটা একটা অর্থনৈতিক কোম্পানি এবং একটা সমাজ দর্শন।”

ইমাম হাসান আল বান্না (রহ.) তাঁর দলের বৈশিষ্ট উল্লেখ করে বলেছেন :

১। সকল ধরণের মত পার্থক্যের ক্ষেত্রগুলো থেকে দূরে থাকা।
২। সমাজ নেতা ও বিত্তশালী বড়দের থেকে সরে থাকা।
৩। নানা রকমের দল ও সংস্থা থেকে বেঁচে থাকা।
৪। নতুনত্ব আনা এবং প্লান তৈরি ও নানা পদক্ষেপে ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে যাওয়া।
৫। উৎপাদন ও কাজের দিকটাকে প্রচার ও বাগড়ম্বরতার চেয়ে প্রাধান্য দেওয়া।
৬। যুবকদের ই প্রাধান্য দিয়ে তাদেরকে কাছে রাখা।

তাঁকে এবং তার দলকে যখন জালিমশাহীর তরফ থেকে ক্ষমতালোভী বা এই সংক্রান্ত অপবাদ আরোপ করা হচ্ছে, তখন তিনি সরল-সাবলীল একটা কথা বলেন। তা আজো আল্লাহর জমীনে আল্লাহর দ্বীনের বিধান প্রতিষ্ঠাকামি মু'মিনদের মনে অনুরণ তোলে। তাঁর সে ঘোষণাটি হলো—
“আমি তোমাকে ডাকছি আল্লাহ ও রাসূলের দিকে, ডাকছি কুরআনের দিকে, যদি এটাকে তোমরা রাজনীতি বলো, তাহলে হ্যাঁ এটাই আমাদের রাজনীতি!”

ওনার এমন অসংখ্য ঈমান জাগানিয়া বিখ্যাত উক্তি আছে। তারমধ্যে আরো একটা হোলো—
"যখন তুমি দেখবে জেলের কুঠুরিগুলো তোমার জন্য তৈরি, ফাঁসির মঞ্চগুলো তোমার জন্য প্রস্তুত , তখন তুমি জানবে— তোমার দেয়া দাওয়াত ফলপ্রসূ হচ্ছে।"

দাওয়াতি কাজ ছিলো ইমাম বান্নার নেশার মতো। কী জন্যে তিনি দ্বীনের প্রচার-প্রসারের জন্যে ব্যাকুল ছিলেন, তা তার একটা কথা থেকেই ফুটে ওঠে। তার সেই প্রবল আকাঙ্ক্ষা হোলো :

"ইসলামের প্রতিটি বিধিনিষেধ এমন কঠিন বলয় সৃষ্টি করেছে , যা মানবজাতিকে সবধরনের ধংসাত্বক বিপদাপদ থেকে রক্ষা করবে। কিন্তু মানবজাতী কি সমাজে (পুণরায়) আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠা করবে?"

১৯৪৯ সালের এইদিনই দাওয়াতি কাজ ১৯৪৯ সালের এইদিনই দাওয়াতি কাজ শেষে ইমাম হাসান আল বান্না বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমধ্যে ত্বাগুতের দল ওনার ওপর গুলি চালায়। বুলেটের আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত করে দেয়া হয় ওনার বুককে । বাতিলের সেই বুলেটের নির্মম আঘাতেই শাহাদাতের কোলে ঢলে পড়েন তিনি। শাদাতের অমিয় সুধাপানে ধন্য হয়ে তিনি পৌঁছে গেলেন রব্বে কারিমের দরবারে। তাঁর লাশের প্রতিও ছিলো সাম্রাজ্যবাদীদের প্রবল ভয়। মানুষজনকে ঠিকমতো জানাযায়ও অংশগ্রহণ করতে দেয়া হোলো না।

তরুণ-যুবকদের প্রতিও ছিলেন তিনি যথেষ্ট সতর্ক-সচেতন। বিশ্ব-ইসলামী আন্দোলনের অন্যতম এই সিপাহসালার যুবকদের উদ্দেশ্যে বলেন—
“হে যুবকেরা প্রস্তুত হও ! তৈরী হও !! আজ যদি প্রচেষ্টা না চালাও, তবে ভবিষ্যতে কাজ করার জন্য কর্মশক্তি পর্যাপ্ত হবে না।”

যুবকদের পড়াশোনার প্রতি গুরুত্বারোপ করে ইমাম বান্না রহ. বলেন— "ছোটো করে হলেও নিজস্ব একটা লাইব্রেরি গড়ে তুলবে এবং নির্দিষ্ট একটি বিষয়ে গভীর জ্ঞানের অধিকারী হওয়ার চেষ্টা করবে।"
ইসলামি রেনেসাঁর এই ইমাম মুসলমান যুবকদের কেমন দেখতে চেয়েছিলেন তাঁর এই বক্তব্যেই ফুটে ওঠে। তিনি বলেন—
“আমাদের এমন প্রজন্ম প্রয়োজন যারা ইসলামকে আঁকড়ে ধরে রাখবে, ইসলাম তাদেরকে ধরে রাখবে এমন নয়।”

আচ্ছা, আমরা মুসলিম উম্মাহর যুবকদ সদস্যরা কি আজতক এমন যুবক হিসেবে গড়ে উঠতে পেরেছি? আত্মসমালোচনার আয়নায় নিজেকে দেখলে মনে হয় ইসলামকে নিজের জীবনে যতোটা আঁকড়ে ধরার প্রয়োজন, তার কিঞ্চিৎও আমরা ধরিনি। অন্তত আমার দ্বারা তো সম্ভব হয়নি। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদেরকে ক্ষমা করুন। 
যা হোক, বলছিলাম ইমাম হাসান আলবান্নার কথা। ইমাম বান্না ইসলামি বিশ্বের অজস্র প্রতিভাবান ব্যক্তিত্বদের প্রভাবিত করেছেন। হাসান আল বান্না দ্বারা প্রভাবিত বিশ্ব ইসলামি ব্যক্তিত্বদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন—
হাসান আলহুদায়বী, সাইয়িদ কুতুব, মুহাম্মাদ কুতুব, মুস্তাফা মাশহুর, ইউসুফ আলক্বারাদাওয়ী, সাইয়েদ সাবেক্ব, মুহাম্মাদ আহমাদ আররাশেদ, মুহাম্মাদ আলগাযালী, যায়নাব আল গাজালি, জগলুল আলনাজ্জার, লেবাননের ফাতহি ইয়াকান, ফিলিস্তিনের আহমাদ ইয়াসিন, কুয়েতের আব্দুল্লাহ আলমুত্তাওয়াহ, সিরিয়ার ডঃ মুস্তাফা আসসিবাঈ, সাঈদ হাওয়া, ইরাকের মুহাম্মাদ মাহমূদ আসসাওয়াফ, আলজিরিয়ার মাহফূজ নাহনাহ, সুদানের হাসান আলতুরাবী, ভারতের আবুল হাসান নাদাওয়ী, মালায়েশিয়ার নিক আব্দুল আযীয প্রমুখ।

আত্মপরিচয় হারাতে থাকা মুসলিমদেরকে জাগ্রত করার এই ইমামের বাবাও ছিলেন একজন বড়ো মানের ইসলামি ব্যক্তিত্ব। তাঁর বাবার নাম ছিলো আবদুর রাহমান আল বান্না।

ইমাম বান্না একজন হাফেজে কুরআন ছিলেন। তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনা শুরু হয় আট বছর বয়সে মাদরাসা আর-রাশাদ আদ-দ্বীনিয়াহ নামক একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। এভাবে একপর্যায়ে তিনি বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইউনিভার্সিটি “আল-আজহার ইউনিভার্সিটি” ভর্তি হন। ১৯২৭ সালে তাঁর সেই প্রতিষ্ঠান থেকেই আনুষ্ঠানিক শিক্ষাজীবনের সমাপ্তি ঘটে।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা ইমাম হাসান আল বান্নার প্রতি রহম করুন। ইমাম বান্না-ইমাম মওদূদীদের কারণেই আজকে লাখো-কোটি মুসলিম আল্লাহদ্রোহী শক্তিদের মোকাবেলায় নিজেদেরকে আল্লাহর দ্বীনের কাছে আত্মসমর্পন করার মধ্য দিয়ে, আত্মপরিচয় নিয়ে নতুনভাবে বেঁচে থাকার প্রত্যয়ে জেগে ওঠেছে। এবং সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে তাঁরা কাজও করে যাচ্ছে অবিরত। যদিও ধীরে ধীরে এইসব মানুষদের মধ্যেও টুকটাক বিচ্যুতির জন্ম হয়েছে।

আল্লাহ রব্বুল আলামিন ইমাম হাসান আল-বান্নার (রহঃ ভুলচুকগুলো ক্ষমা করে দিন। তাঁর কবরকে ফিরদৌসের সবুজ-শীতল বাগান হিসেবে কবুল করুন, এবং আমাদেরকেও ইমামের মতো একজন মুখলিস দা'ঈ ইলাল্লাহ হিসেবে কবুল করুন। আ-মী-ন!
6