বনী ইসরাইলের মতো এই উম্মাহ বিভক্ত হবে। বনী ইসরাইলে দল ছিল ৭২টি, এই উম্মাহতে দল হবে ৭৩টি। তাদের থেকে একটি বেশি। এই ৭৩ দলের মাত্র ১টি দল থাকবে হকের ওপর। বাকিগুলো ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত।
জান্নাতি হওয়ার রেশিও খুব মারাত্মক। প্রতি ১ হাজারে মাত্র ১জন হবেন জান্নাতি মানুষ। বাকি ৯৯৯ জনই জাহান্নামী। কথাগুলো বলে গেছেন আমাদের রাসূল ﷺ।
হেদায়েতের পথটা যে কতটা কঠিন এবং তা পেতে যে কী পরিমাণ সাধনার প্রয়োজন, তা আর ব্যাখ্যার দাবি রাখে না। মুমিনের একটা মুহূর্তও দ্বীন এবং শরীয়াহর বাইরে চিন্তা করার সুযোগ নেই। শরীয়াহর বাইরে গিয়ে হাঁটতে গেলেই পা ফসকে আগুনের গর্তে যে পড়ে যাবে না, নিশ্চিয়তা কী?
সাবধান ভাইয়েরা, খুব সাবধান!
কাঁচের ওপর সাবানের ফেনা মাখা পথ দিয়ে হেঁটেই কিন্তু দ্বীনে টিকে থাকতে হবে। "দ্বীন সহজ" বলে গা-ছাড়া ভাব নিলেই সর্বনাশ হয়ে যেতে পারে।
জান্নাতি হওয়ার রেশিও খুব মারাত্মক। প্রতি ১ হাজারে মাত্র ১জন হবেন জান্নাতি মানুষ। বাকি ৯৯৯ জনই জাহান্নামী। কথাগুলো বলে গেছেন আমাদের রাসূল ﷺ।
হেদায়েতের পথটা যে কতটা কঠিন এবং তা পেতে যে কী পরিমাণ সাধনার প্রয়োজন, তা আর ব্যাখ্যার দাবি রাখে না। মুমিনের একটা মুহূর্তও দ্বীন এবং শরীয়াহর বাইরে চিন্তা করার সুযোগ নেই। শরীয়াহর বাইরে গিয়ে হাঁটতে গেলেই পা ফসকে আগুনের গর্তে যে পড়ে যাবে না, নিশ্চিয়তা কী?
সাবধান ভাইয়েরা, খুব সাবধান!
কাঁচের ওপর সাবানের ফেনা মাখা পথ দিয়ে হেঁটেই কিন্তু দ্বীনে টিকে থাকতে হবে। "দ্বীন সহজ" বলে গা-ছাড়া ভাব নিলেই সর্বনাশ হয়ে যেতে পারে।
😢10👍1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
প্রেরনা
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রতিষ্ঠাকালীন কেন্দ্রীয় সভাপতি মীর কাসেম আলী মিন্টু ভাইয়ের স্মৃতিচারণ
মুফতি আমীর হামজা
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রতিষ্ঠাকালীন কেন্দ্রীয় সভাপতি মীর কাসেম আলী মিন্টু ভাইয়ের স্মৃতিচারণ
মুফতি আমীর হামজা
🥰18
মানুষ অনেক অজানা বিপদ, বালা-মুসিবতের আশঙ্কা করে, ভয় পায়। অথচ সেগুলো তার জীবনে আসবে এমন নিশ্চয়তা নেই। কিন্তু যে বিপদের ব্যাপারে মানুষকে সতর্ক করা হয়েছে এবং যিনি সতর্ককারী তিনি মিথ্যাবাদীও নন —সেই বিপদ নিয়ে চিন্তা করার ফুরসত আমাদের নেই। অথচ মানুষের মাথার ওপর জাহান্নামের চেয়ে অধিক বড় কোনো বিপদ ঝুলে নেই।
😢10
আজকের হাদিসঃ
‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর (মদীনায়) আগমনের পূর্বে মুহাজিরগণের প্রথম দল যখন কুবা এলাকার কোন এক স্থানে এলেন, তখন আবূ হুযাইফা (রাঃ)-এর আযাদকৃত গোলাম সালিম (রাঃ) তাঁদের ইমামত করতেন। তাঁদের মধ্যে তিনি কুর’আন সম্পর্কে অধিক অভিজ্ঞ ছিলেন।
সহিহ বুখারী, ৬৯২
হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস
‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন যে, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর (মদীনায়) আগমনের পূর্বে মুহাজিরগণের প্রথম দল যখন কুবা এলাকার কোন এক স্থানে এলেন, তখন আবূ হুযাইফা (রাঃ)-এর আযাদকৃত গোলাম সালিম (রাঃ) তাঁদের ইমামত করতেন। তাঁদের মধ্যে তিনি কুর’আন সম্পর্কে অধিক অভিজ্ঞ ছিলেন।
সহিহ বুখারী, ৬৯২
হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস
❤5
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
যারা শিবিরের বিরোধিতা করে তাদের প্রতি আমাদের একরাশ ভালোবাসা 💐
- কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলাম ।💝
#shibir #islamic #jamaateislami #kibrahmonir #chatroshibir
- কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলাম ।💝
#shibir #islamic #jamaateislami #kibrahmonir #chatroshibir
🥰15❤1
আপনার মৃত্যু সংবাদ শোনার পর মানুষ যদি আপনার মাগফিরাতের জন্য দুআ করে, সেটাই হবে একটা সার্থক জীবন।
❤20
বিলাসিতা পরিহার করুন! মনোবলকে উচ্চতায় রাখুন! কষ্টকে স্বাভাবিক মনে করুন! অন্তরের দৃষ্টি দিয়ে আল্লাহর গায়েবী কুদরতের উপর নজর রাখুন!
.
— শায়খুনা হারুন ইজাহার হাফি:
.
— শায়খুনা হারুন ইজাহার হাফি:
❤21👍1
ইসলামী আন্দোলন: জাহেলিয়াতকে সরিয়ে ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত করার আন্দোলন
- আবু সামিহা সিরাজুল ইসলাম
"এসো আলোর পথে" অথবা "মুক্তির পয়গাম"— ছোট্ট দুটি পুস্তিকা; কিন্তু কী শক্তিশালী বার্তাবহ শিরনাম! এই শিরনাম দেখেই আমাদের হৃদয়ে প্রচণ্ড দোলা লেগেছিল। আর সে দোলাতে আমরা আন্দোলিত হয়েছিলাম, শরীক হয়ে গিয়েছিলাম একটা আন্দোলনে, সেই শৈশব ও কৈশোরের সন্ধিক্ষণে। তারপর আমরা আলোর পথ চিনেছি, সে পথে চলছি, সে পথে অটল থাকার সংগ্রাম করে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত।
আমরা কখনো সমালোচনাও করি আজকাল। কারণ, আমরা কি মূলে আছি, নাকি ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনের মূল থেকে সরে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত— সে চিন্তা আমাদের আলোড়িত করে।
এ আন্দোলন দীন কায়েমের আন্দোলন। জাহেলিয়াতকে সরিয়ে ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত করার আন্দোলন। কায়েমী স্বার্থবাদী ও খোদাদ্রোহী নেতৃত্ব উৎখাত করে খোদাভীরু নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করার আন্দোলন। এই আন্দোলনের একটা তাত্ত্বিক ভিত্তি আছে। সে ভিত্তি হচ্ছে ইসলামকে সব-ধরনের জাহিলিয়াত থেকে আলাদা করে বুঝতে জানা। জাহিলী আদর্শগুলোর মোকাবিলায় ইসলামের শ্রেষ্টত্বের বিষয়ে ইয়াকীন রাখা ও একে প্রমান করার যোগ্যতা ধারণ করা। দীনকে জীবনোদ্দেশ্যে পরিণত করা। সর্বোপরি দীনের তাজদীদ করা।
আমাদের উদ্বেগের কারণ হচ্ছে এই তাত্ত্বিক ভিত্তিকে হারিয়ে ফেলা, একে না বুঝা এবং দীনের তাজদীদকে হৃদয়ঙ্গম করতে ব্যর্থ হওয়া। যার ফলে জাহিলী রসম-রেওয়াজে লিপ্ত হয়ে পড়া; সর্বোপরি ট্র্যাডিশনাল ইসলামী জ্ঞানের ধারার সাথে ভালো করে সংযুক্ত হবার পরিবর্তে ধীরে ধীরে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া।
মনে রাখতে হবে ইসলামী আন্দোলনের জন্ম ইসলামের তাজদীদের জন্য, নিজে কোন দীনে পরিবর্তিত হবার জন্য নয়। তাজদীদ হল সব সময় উৎসে ফিরে গিয়ে তাকে সজীব করা ও সময়োপযোগী পন্থায় বাস্তবায়ন করা, কিন্তু দীন বিরোধী জাহিলিয়াতকে (বিদʿআত) আত্মীকরণ করা নয়।
সেজন্য সময়ে সময়ে নতুন নতুন আন্দোলনের জন্ম হবে। কারণ রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: "নিশ্চয় আল্লাহ প্রতি শতাব্দীতে এই উম্মতের জন্য এমন ব্যক্তিদের উত্থান ঘটাবেন, যারা এর দীনকে তাজদীদ করবে।", অথবা পুরোনো আন্দোলনগুলো নিজেদের নবায়ন করবে। নিজদের আন্দোলনের শুরুর ধারায় ফিরে যাবে এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে প্র্যাকটিকালী নতুন করে অনুধাবন করার জন্য।
ফলে এখন আমাদের ভাইদের উচিৎ হবে— "একটি সত্যনিষ্ঠ দলের প্রয়োজন", "ইসলাম ও জাহিলিয়াত", "ইসলামী রেনেসাঁ আন্দোলন", "ইসলামী বিপ্লবের পথ", জামাʿআতের প্রতিষ্ঠাকালীন গঠনতন্ত্র, এর শুরুর দিকের কার্য-বিবরনী, ইত্যাদির পুনর্পাঠ করা।
মনে রাখতে হবে আমাদের তাত্ত্বিক অবস্থান সব সময় একই থাকবে। তবে একে নবায়ন করতে হবে বার বার। আপনার কর্মসূচী ও কর্মপদ্ধতির পরিবর্তন হতে পারে সময়ে সময়ে, যতক্ষণ না তা তাত্ত্বিক অবস্থানের সাথে সাংঘর্ষিক হবে।
- আবু সামিহা সিরাজুল ইসলাম
"এসো আলোর পথে" অথবা "মুক্তির পয়গাম"— ছোট্ট দুটি পুস্তিকা; কিন্তু কী শক্তিশালী বার্তাবহ শিরনাম! এই শিরনাম দেখেই আমাদের হৃদয়ে প্রচণ্ড দোলা লেগেছিল। আর সে দোলাতে আমরা আন্দোলিত হয়েছিলাম, শরীক হয়ে গিয়েছিলাম একটা আন্দোলনে, সেই শৈশব ও কৈশোরের সন্ধিক্ষণে। তারপর আমরা আলোর পথ চিনেছি, সে পথে চলছি, সে পথে অটল থাকার সংগ্রাম করে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত।
আমরা কখনো সমালোচনাও করি আজকাল। কারণ, আমরা কি মূলে আছি, নাকি ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনের মূল থেকে সরে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত— সে চিন্তা আমাদের আলোড়িত করে।
এ আন্দোলন দীন কায়েমের আন্দোলন। জাহেলিয়াতকে সরিয়ে ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত করার আন্দোলন। কায়েমী স্বার্থবাদী ও খোদাদ্রোহী নেতৃত্ব উৎখাত করে খোদাভীরু নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করার আন্দোলন। এই আন্দোলনের একটা তাত্ত্বিক ভিত্তি আছে। সে ভিত্তি হচ্ছে ইসলামকে সব-ধরনের জাহিলিয়াত থেকে আলাদা করে বুঝতে জানা। জাহিলী আদর্শগুলোর মোকাবিলায় ইসলামের শ্রেষ্টত্বের বিষয়ে ইয়াকীন রাখা ও একে প্রমান করার যোগ্যতা ধারণ করা। দীনকে জীবনোদ্দেশ্যে পরিণত করা। সর্বোপরি দীনের তাজদীদ করা।
আমাদের উদ্বেগের কারণ হচ্ছে এই তাত্ত্বিক ভিত্তিকে হারিয়ে ফেলা, একে না বুঝা এবং দীনের তাজদীদকে হৃদয়ঙ্গম করতে ব্যর্থ হওয়া। যার ফলে জাহিলী রসম-রেওয়াজে লিপ্ত হয়ে পড়া; সর্বোপরি ট্র্যাডিশনাল ইসলামী জ্ঞানের ধারার সাথে ভালো করে সংযুক্ত হবার পরিবর্তে ধীরে ধীরে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া।
মনে রাখতে হবে ইসলামী আন্দোলনের জন্ম ইসলামের তাজদীদের জন্য, নিজে কোন দীনে পরিবর্তিত হবার জন্য নয়। তাজদীদ হল সব সময় উৎসে ফিরে গিয়ে তাকে সজীব করা ও সময়োপযোগী পন্থায় বাস্তবায়ন করা, কিন্তু দীন বিরোধী জাহিলিয়াতকে (বিদʿআত) আত্মীকরণ করা নয়।
সেজন্য সময়ে সময়ে নতুন নতুন আন্দোলনের জন্ম হবে। কারণ রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: "নিশ্চয় আল্লাহ প্রতি শতাব্দীতে এই উম্মতের জন্য এমন ব্যক্তিদের উত্থান ঘটাবেন, যারা এর দীনকে তাজদীদ করবে।", অথবা পুরোনো আন্দোলনগুলো নিজেদের নবায়ন করবে। নিজদের আন্দোলনের শুরুর ধারায় ফিরে যাবে এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে প্র্যাকটিকালী নতুন করে অনুধাবন করার জন্য।
ফলে এখন আমাদের ভাইদের উচিৎ হবে— "একটি সত্যনিষ্ঠ দলের প্রয়োজন", "ইসলাম ও জাহিলিয়াত", "ইসলামী রেনেসাঁ আন্দোলন", "ইসলামী বিপ্লবের পথ", জামাʿআতের প্রতিষ্ঠাকালীন গঠনতন্ত্র, এর শুরুর দিকের কার্য-বিবরনী, ইত্যাদির পুনর্পাঠ করা।
মনে রাখতে হবে আমাদের তাত্ত্বিক অবস্থান সব সময় একই থাকবে। তবে একে নবায়ন করতে হবে বার বার। আপনার কর্মসূচী ও কর্মপদ্ধতির পরিবর্তন হতে পারে সময়ে সময়ে, যতক্ষণ না তা তাত্ত্বিক অবস্থানের সাথে সাংঘর্ষিক হবে।
উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী শের মুহাম্মদ আব্বাস স্টানিকজাই হাফিযাহুল্লাহ তার বক্তৃতায় বলেন, “আমাদের পূর্বসূরিরা যেভাবে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, আমরাও ত্যাগ স্বীকার করব এবং দেশ ও জাতির সেবা করব। আমাদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যেন আমাদের জাতি আমাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে পারে।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য ব্যক্তিরাও সদ্য স্নাতকদের ওপর অর্পিত বিভিন্ন দায়িত্ব সম্পর্কে উপদেশমূলক বক্তব্য প্রদান করেন। সবশেষ জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মৌলভী মুহাম্মদ ইয়াকুব মু*জাহিদ হাফিজাহুল্লাহ স্নাতকদের মাঝে সার্টিফিকেট প্রদানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য ব্যক্তিরাও সদ্য স্নাতকদের ওপর অর্পিত বিভিন্ন দায়িত্ব সম্পর্কে উপদেশমূলক বক্তব্য প্রদান করেন। সবশেষ জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মৌলভী মুহাম্মদ ইয়াকুব মু*জাহিদ হাফিজাহুল্লাহ স্নাতকদের মাঝে সার্টিফিকেট প্রদানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।
❤5