একদিনের ৩টা ন্যাক্কারজনক খবরঃ
[১] পুলিশ স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে বলেছে তাদের সাথে রাত কাটাতে, স্ত্রী রাজি না হওয়ায় পরবর্তীতে মারতে মারতে স্বামীকে মেরে ফেলে!
[২] বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেছে ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের নেতারা এবং এই ধর্ষকদেরকে প্রথমে বাঁচাতে চেয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক!
[৩] রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সুন্দরী মেয়ে ও নারীদের টার্গেট করে এপিবিএন!
একজন রোহিঙ্গা এক্টিভিস্ট বলেন, ‘সুন্দরী রোহিঙ্গা মেয়ে ও নারীদের এপিবিএন পুলিশ বাহিনী টার্গেট করে। তারা যদি রাজি না হয় তাহলে তাদের পরিবারের পুরুষ সদস্যদের গ্রেপ্তার করার হুমকি দেয়া হয়। পুরুষরা দূরে থাকলে তারা শিবিরে ঢুকে নারীদের হয়রানি করে।’
কথিত নারীবাদিদের এখন আপনি খুঁজে পাবেন না! এখন তারা ইঁদুরের গর্তে লুকিয়ে থেকে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবে!
[১] পুলিশ স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে বলেছে তাদের সাথে রাত কাটাতে, স্ত্রী রাজি না হওয়ায় পরবর্তীতে মারতে মারতে স্বামীকে মেরে ফেলে!
[২] বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেছে ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের নেতারা এবং এই ধর্ষকদেরকে প্রথমে বাঁচাতে চেয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক!
[৩] রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সুন্দরী মেয়ে ও নারীদের টার্গেট করে এপিবিএন!
একজন রোহিঙ্গা এক্টিভিস্ট বলেন, ‘সুন্দরী রোহিঙ্গা মেয়ে ও নারীদের এপিবিএন পুলিশ বাহিনী টার্গেট করে। তারা যদি রাজি না হয় তাহলে তাদের পরিবারের পুরুষ সদস্যদের গ্রেপ্তার করার হুমকি দেয়া হয়। পুরুষরা দূরে থাকলে তারা শিবিরে ঢুকে নারীদের হয়রানি করে।’
কথিত নারীবাদিদের এখন আপনি খুঁজে পাবেন না! এখন তারা ইঁদুরের গর্তে লুকিয়ে থেকে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবে!
😢12❤1
মন খারাপ হলে পড়বেন
" বিসমিল্লাহি আলা কুল্লি হাল"
-অর্থ :হে আল্লাহ আমার মনের অবস্থা ভালো করে দিন।
" বিসমিল্লাহি আলা কুল্লি হাল"
-অর্থ :হে আল্লাহ আমার মনের অবস্থা ভালো করে দিন।
❤14🥰1
হে প্রিয় ভাই / বোন আমার পরিবার ছাত্রলীগ মুক্ত। আপনারও কি?
Anonymous Poll
95%
হ্যাঁ
3%
না
1%
প্রচেষ্টা চলছে
যেভাবে মনের মানুষকে খুঁজে পেয়েছিলেন সালাহুদ্দীনের বাবা
.
নাজমুদ্দীন আইয়ুব (রহ.)। সুলতান সালাহুদ্দীন আইয়ুবীর (রা.) বাবা। তার হাতে তিকরিতের শাসনভারের গুরুদায়িত্ব। কিন্তু বিয়ের বয়েস পেরিয়ে যাচ্ছে, তবুও বিয়ের নাম-গন্ধ নেই। এটা দেখে ভাই আসাদুদ্দীন শিরকুহ চিন্তিত হয়ে পড়লেন।
.
— কিরে বিয়েটা করবে না?
— মনমতো পাত্রী পাচ্ছি না তো ।
— আমি পাত্রী দেখবো তোমার জন্যে?
— পাত্রীটা কে হবে শুনি?
— মালিক শাহের মেয়ে অথবা নিযামুল মুলকের মেয়ে?
— নাহ, তারা আমার কাঙ্খিত পাত্রী নয় ।
— তোমার কাঙ্খিত পাত্রীর বৈশিষ্ট্য কী বলো তো শুনি।
.
— আমি চাই একজন সুশীলা স্ত্রী, যে আমার হাত ধরে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাবে। আমাকে একটি নেক সন্তান উপহার দিবে। সে সন্তানকে যথাযথ লালন-পালন করে বড় করবে। বড় হয়ে সে ছেলে হবে একজন দুর্দান্ত ঘোড়সওয়ার, সাহসী মুজাহিদ। আরও বড় হয়ে যে মুসলমানদের জন্যে বায়তুল মুকাদ্দাস ফিরিয়ে আনবে।
.
দুই ভাইয়ে যখন কথা হচ্ছিল তখন তারা ছিলেন তিকরিতে। জেরুসালেম থেকে অনেক অনেক দূরে। বায়তুল মুকাদ্দাস ছিল ক্রুশেডারদের হাতে। কিন্তু নাজমুদ্দীনের তনুমন পড়ে ছিল আল আকসার পানে। এমনকি বিয়েটা পর্যন্ত স্বপ্নের জড়িয়ে ফেলেছিলেন। আসাদুদ্দীন ভাইয়ের কথায় আশ্বস্ত হতে পারলেন না।
.
— তুমি যেমন কনের আশায় বসে আছো, ইহজীবনে তেমনটা পাবে কিনা আমার ঘোরতর সন্দেহ আছে রে!
— যে ইখলাসের সাথে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্যে কোনো নিয়ত করে, আল্লাহ তাকে তা দিয়ে দেন।
.
উক্ত ঘটনার কয়েক দিন পর, নাজমুদ্দীন তিকরিতেরই এক শায়খের মজলিসে বসে আছেন। কথা বলছেন। এমন সময় এক যুবতী এসে পর্দার আড়াল থেকে শায়খকে সালাম দিল। শায়খ সালামের উত্তর দিয়ে বললেন, তোমার জন্যে যে পাত্রটা পাঠিয়েছিলাম, তাকে ফিরিয়ে দিলে কেন? সে কম কিসে?
.
— আপনার পাঠানো পাত্র জ্ঞানে-গরিমায় কোনো অংশেই ফেলনা নয়। রূপে-গুণে পদে-অর্থেও বাছার মতো নয়।
— তাহলে ফিরিয়ে দিলে যে?
— শায়খ! এই পাত্রের মধ্যে আমার কাঙ্খিত বৈশিষ্ট্য নেই।
— কেমন পাত্র চাও?
.
— আমি চাই এমন নেককার পাত্র, যে আমার হাত ধরে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাবে। যে আমাকে একটি নেক সন্তান উপহার দিবে। সে সন্তানকে যথাযথ লালন-পালন করে বড় করবে। বড় হয়ে সে ছেলে হবে একজন দুর্দান্ত ঘোড়সওয়ার, সাহসী মুজাহিদ। আরও বড় হয়ে যে মুসলমানদের জন্যে বায়তুল মুকাদ্দাস ফিরিয়ে আনবে।
.
নাজমুদ্দীন অবাক হয়ে দুজনের কথোপকথন শুনছিলেন। মেয়েটার শেষ কথা শুনে তিনি একেবারে বাকহারা হয়ে গেলেন। দুজন সম্পূর্ণ অপরিচিত মানুষের মনের কথা এমন অক্ষরে অক্ষরে মিলে যায় কী করে? ভাবনার অতলে হারিয়ে গেলেন। হঠাৎ করে সম্বিত ফিরে পেয়েই বলে উঠলেন, 'শায়খ! আমি এই পুণ্যবতী মানুষটাকে বিয়ে করতে চাই।'
.
— নাহ, তা কী করে সম্ভব! এই মেয়ে আমাদের মহল্লার সবচেয়ে গরীব ঘরের সন্তান। আর তুমি হলে আমাদের ওয়ালী!
.
নাজমুদ্দীন শায়খকে সব কথা খুলে বললেন। শায়খ সব শুনে অজান্তেই একটা আয়াত তিলাওয়াত করলেন,
وَمِنْ آيَاتِهِ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَاجًا لِّتَسْكُنُوا إِلَيْهَا
'আর তাঁর (আল্লাহর) অন্যতম একটা নিদর্শন হলো, তিনি তোমাদের জন্যে, তোমাদের থেকেই স্ত্রীদেরকে সৃষ্টি করেছেন । যেন তোমরা তাদের কাছে প্রশাস্তি লাভ করতে পারো।' (সূরা রূম, ২১)
.
দুজন মহৎপ্রাণ যুবক-যুবতীর বিয়ে হয়ে গেল। তাদের ইখলাস ও নিয়্যাতের বরকতে আল্লাহ তাদেরকে দান করলেন একটি অনন্য উপহার! অপূর্ব এক সন্তান। সুলতান সালাহুদ্দীন আইয়ুবীর।
.
'ইতিহাসের স্বর্ণরেনু' বই থেকে
লেখক: মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ
.
নাজমুদ্দীন আইয়ুব (রহ.)। সুলতান সালাহুদ্দীন আইয়ুবীর (রা.) বাবা। তার হাতে তিকরিতের শাসনভারের গুরুদায়িত্ব। কিন্তু বিয়ের বয়েস পেরিয়ে যাচ্ছে, তবুও বিয়ের নাম-গন্ধ নেই। এটা দেখে ভাই আসাদুদ্দীন শিরকুহ চিন্তিত হয়ে পড়লেন।
.
— কিরে বিয়েটা করবে না?
— মনমতো পাত্রী পাচ্ছি না তো ।
— আমি পাত্রী দেখবো তোমার জন্যে?
— পাত্রীটা কে হবে শুনি?
— মালিক শাহের মেয়ে অথবা নিযামুল মুলকের মেয়ে?
— নাহ, তারা আমার কাঙ্খিত পাত্রী নয় ।
— তোমার কাঙ্খিত পাত্রীর বৈশিষ্ট্য কী বলো তো শুনি।
.
— আমি চাই একজন সুশীলা স্ত্রী, যে আমার হাত ধরে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাবে। আমাকে একটি নেক সন্তান উপহার দিবে। সে সন্তানকে যথাযথ লালন-পালন করে বড় করবে। বড় হয়ে সে ছেলে হবে একজন দুর্দান্ত ঘোড়সওয়ার, সাহসী মুজাহিদ। আরও বড় হয়ে যে মুসলমানদের জন্যে বায়তুল মুকাদ্দাস ফিরিয়ে আনবে।
.
দুই ভাইয়ে যখন কথা হচ্ছিল তখন তারা ছিলেন তিকরিতে। জেরুসালেম থেকে অনেক অনেক দূরে। বায়তুল মুকাদ্দাস ছিল ক্রুশেডারদের হাতে। কিন্তু নাজমুদ্দীনের তনুমন পড়ে ছিল আল আকসার পানে। এমনকি বিয়েটা পর্যন্ত স্বপ্নের জড়িয়ে ফেলেছিলেন। আসাদুদ্দীন ভাইয়ের কথায় আশ্বস্ত হতে পারলেন না।
.
— তুমি যেমন কনের আশায় বসে আছো, ইহজীবনে তেমনটা পাবে কিনা আমার ঘোরতর সন্দেহ আছে রে!
— যে ইখলাসের সাথে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্যে কোনো নিয়ত করে, আল্লাহ তাকে তা দিয়ে দেন।
.
উক্ত ঘটনার কয়েক দিন পর, নাজমুদ্দীন তিকরিতেরই এক শায়খের মজলিসে বসে আছেন। কথা বলছেন। এমন সময় এক যুবতী এসে পর্দার আড়াল থেকে শায়খকে সালাম দিল। শায়খ সালামের উত্তর দিয়ে বললেন, তোমার জন্যে যে পাত্রটা পাঠিয়েছিলাম, তাকে ফিরিয়ে দিলে কেন? সে কম কিসে?
.
— আপনার পাঠানো পাত্র জ্ঞানে-গরিমায় কোনো অংশেই ফেলনা নয়। রূপে-গুণে পদে-অর্থেও বাছার মতো নয়।
— তাহলে ফিরিয়ে দিলে যে?
— শায়খ! এই পাত্রের মধ্যে আমার কাঙ্খিত বৈশিষ্ট্য নেই।
— কেমন পাত্র চাও?
.
— আমি চাই এমন নেককার পাত্র, যে আমার হাত ধরে জান্নাতের দিকে নিয়ে যাবে। যে আমাকে একটি নেক সন্তান উপহার দিবে। সে সন্তানকে যথাযথ লালন-পালন করে বড় করবে। বড় হয়ে সে ছেলে হবে একজন দুর্দান্ত ঘোড়সওয়ার, সাহসী মুজাহিদ। আরও বড় হয়ে যে মুসলমানদের জন্যে বায়তুল মুকাদ্দাস ফিরিয়ে আনবে।
.
নাজমুদ্দীন অবাক হয়ে দুজনের কথোপকথন শুনছিলেন। মেয়েটার শেষ কথা শুনে তিনি একেবারে বাকহারা হয়ে গেলেন। দুজন সম্পূর্ণ অপরিচিত মানুষের মনের কথা এমন অক্ষরে অক্ষরে মিলে যায় কী করে? ভাবনার অতলে হারিয়ে গেলেন। হঠাৎ করে সম্বিত ফিরে পেয়েই বলে উঠলেন, 'শায়খ! আমি এই পুণ্যবতী মানুষটাকে বিয়ে করতে চাই।'
.
— নাহ, তা কী করে সম্ভব! এই মেয়ে আমাদের মহল্লার সবচেয়ে গরীব ঘরের সন্তান। আর তুমি হলে আমাদের ওয়ালী!
.
নাজমুদ্দীন শায়খকে সব কথা খুলে বললেন। শায়খ সব শুনে অজান্তেই একটা আয়াত তিলাওয়াত করলেন,
وَمِنْ آيَاتِهِ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَاجًا لِّتَسْكُنُوا إِلَيْهَا
'আর তাঁর (আল্লাহর) অন্যতম একটা নিদর্শন হলো, তিনি তোমাদের জন্যে, তোমাদের থেকেই স্ত্রীদেরকে সৃষ্টি করেছেন । যেন তোমরা তাদের কাছে প্রশাস্তি লাভ করতে পারো।' (সূরা রূম, ২১)
.
দুজন মহৎপ্রাণ যুবক-যুবতীর বিয়ে হয়ে গেল। তাদের ইখলাস ও নিয়্যাতের বরকতে আল্লাহ তাদেরকে দান করলেন একটি অনন্য উপহার! অপূর্ব এক সন্তান। সুলতান সালাহুদ্দীন আইয়ুবীর।
.
'ইতিহাসের স্বর্ণরেনু' বই থেকে
লেখক: মুহাম্মাদ আতীক উল্লাহ
❤11👍1
কোনো মন্তব্য যুক্ত করা ছাড়াই একটা ঘটনা বলি আপনাদের:
-
এক ভদ্রলোক রাত সাড়ে নয়টায় বাজার করতে বাসা থেকে বের হন। পথিমধ্যে পুলিশ তাকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যায় কোনো কারন ছাড়াই।
ঘন্টাখানেক পর সেই ভদ্রলোক নিজের স্ত্রীকে কল দিয়ে বলেন-
"আমাকে পুলিশ তুলে নিয়ে এসেছে।ওরা আমাকে অনেক মারধর করেছে। তুমি তাড়াতাড়ি থানায় আসো"
.
ভদ্রলোকের স্ত্রী থানায় গিয়ে দেখেন উনার স্বামীকে চেয়ারে বেধে নির্যাতন করেছে জালিম শুয়োরেরা। উনাকে জানানো হয়, উনার স্বামীর নিকট নাকি গাঁজা পাওয়া গেছে।
ছাড়িয়ে নিতে হলে এক লাখ টাকা দিতে হবে। স্ত্রী এত টাকা নাই বলে অপারগতা জানালে পুলিশ বলে-
"আপনি অনেক সুন্দর। আমাদের সঙ্গে রাত যাপন করলে আপনার স্বামীকে ছেড়ে দেব"
এমনকি কথার এক পর্যায়ে ভদ্রলোকের স্ত্রী শুয়োরদের পায়ে ধরে বলছেন-
"আমাকে মাফ করেন স্যার। আমার স্বামীর টাকায় আমার সংসার চলে। আমার তিন বাচ্চা। দুইজন মাদরাসায় পড়ে। আমার স্বামী ছাড়া কেউ নাই স্যার। তাকে ছেড়ে দেন"
শুয়োরদের মন গলে নি তাতেও।
রাত শেষ হয় এভাবে পুলিশের সঙ্গে ভদ্রলোকের স্ত্রীর নানা রকমের বার্গেনিং করে।
.
পরেরদিন বিকালে ঢামেক হাস্পাতাল থেকে পুলিশের এক সদস্য ভদ্রলোকের স্ত্রীকে কল দিয়ে জানায়
"আপনার স্বামী আর বেঁচে নাই। মরদেহ নিয়ে যান"
-
মাথায় আসছে না, ঠিক কি মন্তব্য করবো।
শুধু এতটুকু বলি, আল্লাহ যেনো জালিমদের গুনে গুনে রাখেন। তাদের অপমানজনক শাস্তি দেখে যেনো মরতে পারি।
আল্লাহ আমরা যেনো মাজলুমের সহযোগী না হই। - হাম্মাদ ভাই(সামান্য পরিমার্জিত)
⛔মন্তব্য: ইয়া আল্লাহ, আমরা সক্ষমতা হারিয়েছি। আপনি আমাদের মাফ করে দিন ও জালিম থেকে মুক্তি দিন, আমীন। সবাই দুআটা করে দিই।
-
এক ভদ্রলোক রাত সাড়ে নয়টায় বাজার করতে বাসা থেকে বের হন। পথিমধ্যে পুলিশ তাকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যায় কোনো কারন ছাড়াই।
ঘন্টাখানেক পর সেই ভদ্রলোক নিজের স্ত্রীকে কল দিয়ে বলেন-
"আমাকে পুলিশ তুলে নিয়ে এসেছে।ওরা আমাকে অনেক মারধর করেছে। তুমি তাড়াতাড়ি থানায় আসো"
.
ভদ্রলোকের স্ত্রী থানায় গিয়ে দেখেন উনার স্বামীকে চেয়ারে বেধে নির্যাতন করেছে জালিম শুয়োরেরা। উনাকে জানানো হয়, উনার স্বামীর নিকট নাকি গাঁজা পাওয়া গেছে।
ছাড়িয়ে নিতে হলে এক লাখ টাকা দিতে হবে। স্ত্রী এত টাকা নাই বলে অপারগতা জানালে পুলিশ বলে-
"আপনি অনেক সুন্দর। আমাদের সঙ্গে রাত যাপন করলে আপনার স্বামীকে ছেড়ে দেব"
এমনকি কথার এক পর্যায়ে ভদ্রলোকের স্ত্রী শুয়োরদের পায়ে ধরে বলছেন-
"আমাকে মাফ করেন স্যার। আমার স্বামীর টাকায় আমার সংসার চলে। আমার তিন বাচ্চা। দুইজন মাদরাসায় পড়ে। আমার স্বামী ছাড়া কেউ নাই স্যার। তাকে ছেড়ে দেন"
শুয়োরদের মন গলে নি তাতেও।
রাত শেষ হয় এভাবে পুলিশের সঙ্গে ভদ্রলোকের স্ত্রীর নানা রকমের বার্গেনিং করে।
.
পরেরদিন বিকালে ঢামেক হাস্পাতাল থেকে পুলিশের এক সদস্য ভদ্রলোকের স্ত্রীকে কল দিয়ে জানায়
"আপনার স্বামী আর বেঁচে নাই। মরদেহ নিয়ে যান"
-
মাথায় আসছে না, ঠিক কি মন্তব্য করবো।
শুধু এতটুকু বলি, আল্লাহ যেনো জালিমদের গুনে গুনে রাখেন। তাদের অপমানজনক শাস্তি দেখে যেনো মরতে পারি।
আল্লাহ আমরা যেনো মাজলুমের সহযোগী না হই। - হাম্মাদ ভাই(সামান্য পরিমার্জিত)
⛔মন্তব্য: ইয়া আল্লাহ, আমরা সক্ষমতা হারিয়েছি। আপনি আমাদের মাফ করে দিন ও জালিম থেকে মুক্তি দিন, আমীন। সবাই দুআটা করে দিই।
😢8👍1
খাানজাহানের তরবারিতেও রাজনৈতিকতা ছিল।
তাঁর খানকাহী ও দাওয়াতী কর্মপন্থায়ও রাজনৈতিকতা ছিল।
মুজাদ্দেদ আলফে সানীর জায়নামাজেও রাজনৈতিকতা ছিল। তাঁর দাওয়াতী মেহনতেও রাজনৈতিকতা ছিল
নূর কুতুবুল আলমের চিঠিতেও রাজনৈতিকতা ছিল।
শাহ ওয়ালিউল্লাহর কলমেও রাজনৈতিকতা ছিল।
- ক্ষমতায় আরোহণ
- মুসলিমদের ক্ষমতা স্থায়ীকরণ
- ইসলামের বিস্তার ও জনমনে প্রোথিতকরণ
- ক্ষমতাকেই মুসলিমদের পক্ষে আনা
- ইসলামকে বিজয়ী দেখার জন্য লেখা, গবেষণা
- এসবের জন্য দুআ করে আল্লাহর সাহায্য চাওয়া
- ইদাদ (প্রস্তুতি)
- কিতাল
এসবই রাজনীতি।
কেবল পশ্চিমা ছক মেনে নির্দিষ্ট কিছু রিচুয়ালস পালনের নাম রাজনীতি না। এগুলো পালন না করলেই তারা অরাজনৈতিক, আর আমি এগুলো পালন করি বলে আমি একাই রাজনৈতিক, এটা অর্থহীন অহংকার। কোনো মুসলিমই অরাজনৈতিক হতে পারে না। ইসলাম মানে, কিন্তু ইসলামের বিজয় চায় না, বিজয়ের জন্য দুআও করে না, সুযোগ পেলে বিজয়ের জন্য কাজ করতে চায় না... এটা মুসলিমের শান না, এটা নিফাকের আলামত। ইসলামকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিকভাবে বিজয়ী দেখতে চাওয়া মুসলিমের জন্য অত্যাবশ্যক।
অহেতুক কারও পিছনে না পড়ে কাজ করি চলুন।
জাহেলিয়াতের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলি। এই জাহেলি কলোনাইজড রাষ্ট্র ও সমাজ কাঠামোর ব্যর্থতা তুলে ধরুন। শুধু কোন দল নয়, কাঠামোটাই ব্যর্থ, কারণ মানব ফিতরাত এমন না। ইসলামী সমাজ, ইসলামী রাষ্ট্রই ফিতরাতী। এভাবেই কেবল সফল ফাংশনিং সম্ভব। কোনো ~ইজম, কোনো ~ক্রেসি মানুষকে প্রকৃত মর্যাদা দিতে পারেনি, পারে না। পারে শুধু জুলুমি মেশিনারী তৈরি করতে।
প্রতিটি মানুষকে ধরে ধরে বুঝান: ভাই/বোন, তোমার কষ্টের একমাত্র কারণ এই অফিতরাতী জাহেলি ব্যবস্থা, যা জালেমকে মজলুম করে, মজলুমকেও জালেম বানায়। তোমার কষ্টের একমাত্র ওষুধ শরীয়া, যা আল্লাহ দিয়েছেন। রাজনৈতিক হোন।
#লা_হাল্লা_ইল্লা_শারিয়াতী
#শরীয়া_ছাড়া_সমাধান_নেই
তাঁর খানকাহী ও দাওয়াতী কর্মপন্থায়ও রাজনৈতিকতা ছিল।
মুজাদ্দেদ আলফে সানীর জায়নামাজেও রাজনৈতিকতা ছিল। তাঁর দাওয়াতী মেহনতেও রাজনৈতিকতা ছিল
নূর কুতুবুল আলমের চিঠিতেও রাজনৈতিকতা ছিল।
শাহ ওয়ালিউল্লাহর কলমেও রাজনৈতিকতা ছিল।
- ক্ষমতায় আরোহণ
- মুসলিমদের ক্ষমতা স্থায়ীকরণ
- ইসলামের বিস্তার ও জনমনে প্রোথিতকরণ
- ক্ষমতাকেই মুসলিমদের পক্ষে আনা
- ইসলামকে বিজয়ী দেখার জন্য লেখা, গবেষণা
- এসবের জন্য দুআ করে আল্লাহর সাহায্য চাওয়া
- ইদাদ (প্রস্তুতি)
- কিতাল
এসবই রাজনীতি।
কেবল পশ্চিমা ছক মেনে নির্দিষ্ট কিছু রিচুয়ালস পালনের নাম রাজনীতি না। এগুলো পালন না করলেই তারা অরাজনৈতিক, আর আমি এগুলো পালন করি বলে আমি একাই রাজনৈতিক, এটা অর্থহীন অহংকার। কোনো মুসলিমই অরাজনৈতিক হতে পারে না। ইসলাম মানে, কিন্তু ইসলামের বিজয় চায় না, বিজয়ের জন্য দুআও করে না, সুযোগ পেলে বিজয়ের জন্য কাজ করতে চায় না... এটা মুসলিমের শান না, এটা নিফাকের আলামত। ইসলামকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিকভাবে বিজয়ী দেখতে চাওয়া মুসলিমের জন্য অত্যাবশ্যক।
অহেতুক কারও পিছনে না পড়ে কাজ করি চলুন।
জাহেলিয়াতের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলি। এই জাহেলি কলোনাইজড রাষ্ট্র ও সমাজ কাঠামোর ব্যর্থতা তুলে ধরুন। শুধু কোন দল নয়, কাঠামোটাই ব্যর্থ, কারণ মানব ফিতরাত এমন না। ইসলামী সমাজ, ইসলামী রাষ্ট্রই ফিতরাতী। এভাবেই কেবল সফল ফাংশনিং সম্ভব। কোনো ~ইজম, কোনো ~ক্রেসি মানুষকে প্রকৃত মর্যাদা দিতে পারেনি, পারে না। পারে শুধু জুলুমি মেশিনারী তৈরি করতে।
প্রতিটি মানুষকে ধরে ধরে বুঝান: ভাই/বোন, তোমার কষ্টের একমাত্র কারণ এই অফিতরাতী জাহেলি ব্যবস্থা, যা জালেমকে মজলুম করে, মজলুমকেও জালেম বানায়। তোমার কষ্টের একমাত্র ওষুধ শরীয়া, যা আল্লাহ দিয়েছেন। রাজনৈতিক হোন।
#লা_হাল্লা_ইল্লা_শারিয়াতী
#শরীয়া_ছাড়া_সমাধান_নেই
❤7👍2
সবাইকে '৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী'-র শুভেচ্ছা
আমাদের স্বপ্ন তো ইক্বামাতে দ্বীন
পৃথিবীতে ফোটানোই জাফরান ফুল,
প্রতিকূল স্রোতে ভেসে বিরামবিহীন
ইতিটানা তাগুতের প্রবাহ তুমুল।
#Shibir #Shibir47Yrs
আমাদের স্বপ্ন তো ইক্বামাতে দ্বীন
পৃথিবীতে ফোটানোই জাফরান ফুল,
প্রতিকূল স্রোতে ভেসে বিরামবিহীন
ইতিটানা তাগুতের প্রবাহ তুমুল।
#Shibir #Shibir47Yrs
❤18👍2
আমাদের হাতে
একটি মাত্র গ্রন্থ আল কুরআন,
এই পবিত্র গ্রন্থ কোনদিন, কোন অবস্থায়, কোন তৌহীদবাদীকে থামতে দেয়নি।
আমরা কি করে থামি?
-কবি আল মাহমুদ
#ISupportShibir
#KnowShibir #JoinShibir
#6Feb1977 #Shibir47Yrs
একটি মাত্র গ্রন্থ আল কুরআন,
এই পবিত্র গ্রন্থ কোনদিন, কোন অবস্থায়, কোন তৌহীদবাদীকে থামতে দেয়নি।
আমরা কি করে থামি?
-কবি আল মাহমুদ
#ISupportShibir
#KnowShibir #JoinShibir
#6Feb1977 #Shibir47Yrs
❤9
১৯৭৭ সালের ৬ই ফেব্রুয়ারি আজকের এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির প্রতিষ্ঠিত হয়।
আজ বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী
#ISupportShibir
#KnowShibir #JoinShibir
#6Feb1977 #Shibir47Yrs
সেদিন ৬ জন নিয়ে গঠিত সেই কাফেলার প্রথম কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন শহীদ মীর কাশেম আলী। যিনি ইবনেসিনা, ইসলামী ব্যাংকসহ অসংখ্য প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছিলেন।
আজ বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী
#ISupportShibir
#KnowShibir #JoinShibir
#6Feb1977 #Shibir47Yrs
🥰11
২০০৯ সালে ৩২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ছাত্রশিবির রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কতৃক আয়োজিত র্যালি পরবর্তী সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সেক্রেটারি শহীদ শরীফুজ্জামান নোমানী ভাই।
(আর্কাইভ থেকে)
#ISupportShibir
#KnowShibir #JoinShibir #Shibir47Yrs #6Feb1977
(আর্কাইভ থেকে)
#ISupportShibir
#KnowShibir #JoinShibir #Shibir47Yrs #6Feb1977
😢18
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আহ্বান
কালো শাসনের হোক অবসান।
#ISupportShibir
#RuShibir #JoinShibir
#6Feb1977 #47thFoundingAnniversary
কালো শাসনের হোক অবসান।
#ISupportShibir
#RuShibir #JoinShibir
#6Feb1977 #47thFoundingAnniversary
🥰8
আমার দেশ তোমার দেশ
আল কুরআনের বাংলাদেশ।
#ISupportShibir
#RuShibir #JoinShibir
#6Feb1977 #47thFoundingAnniversary
আল কুরআনের বাংলাদেশ।
#ISupportShibir
#RuShibir #JoinShibir
#6Feb1977 #47thFoundingAnniversary
❤8🥰1
রমাদানের প্রস্তুতি
১। মানসিক : বিগত রমাদান গুলোর জন্য আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করা আর সামনের রমাদান যেন পাই সেই দোআও বেশি থেকে বেশি করা।
হয়ত এটাই হতে পারে জীবনের শেষ রমাদান!
২। জ্ঞানগত : রমাদান সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় মাসআলা জেনে নেওয়া। (এই জায়গায় দ্বীনি কমিউনিটির ব্যাপক উদাসীনতা লক্ষ্য করা যায়)
৩। চিন্তাগত : রমাদানের দিনলিপি কেমন হবে সেটার খসড়া করে আমল শুরু করা(আজ থেকেই)
৪। শারীরিক : যত বেশি সম্ভব সিয়াম রাখা এখন থেকেই। আর কুরআন হিফয শুরু করা যেন রমাদানের ক্বিয়ামটা একটু দীর্ঘ করা যায়।
৫। আর্থিক : রমাদানে যেন সদকা করতে পারি তাই এখন থেকেই অল্প অল্প করে টাকা জমানো ও দান করা।
৬। সামাজিক : পরিবার, প্রতিবেশি ও আত্বীয়দের মাঝে রমাদানের গুরুত্ব তুলে ধরা এবং তাদেরকে আমলের জন্য উৎসাহ দেওয়া।
আল্লাহ তায়ালা এই রমাদান পর্যন্ত আমাদের জীবিত রাখুন এবং গুনাহ মাফ করিয়ে, উত্তম চরিত্র গঠনের তাওফিক দান করুন। আমিন
.
#Ramadan
১। মানসিক : বিগত রমাদান গুলোর জন্য আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করা আর সামনের রমাদান যেন পাই সেই দোআও বেশি থেকে বেশি করা।
হয়ত এটাই হতে পারে জীবনের শেষ রমাদান!
২। জ্ঞানগত : রমাদান সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় মাসআলা জেনে নেওয়া। (এই জায়গায় দ্বীনি কমিউনিটির ব্যাপক উদাসীনতা লক্ষ্য করা যায়)
৩। চিন্তাগত : রমাদানের দিনলিপি কেমন হবে সেটার খসড়া করে আমল শুরু করা(আজ থেকেই)
৪। শারীরিক : যত বেশি সম্ভব সিয়াম রাখা এখন থেকেই। আর কুরআন হিফয শুরু করা যেন রমাদানের ক্বিয়ামটা একটু দীর্ঘ করা যায়।
৫। আর্থিক : রমাদানে যেন সদকা করতে পারি তাই এখন থেকেই অল্প অল্প করে টাকা জমানো ও দান করা।
৬। সামাজিক : পরিবার, প্রতিবেশি ও আত্বীয়দের মাঝে রমাদানের গুরুত্ব তুলে ধরা এবং তাদেরকে আমলের জন্য উৎসাহ দেওয়া।
আল্লাহ তায়ালা এই রমাদান পর্যন্ত আমাদের জীবিত রাখুন এবং গুনাহ মাফ করিয়ে, উত্তম চরিত্র গঠনের তাওফিক দান করুন। আমিন
.
#Ramadan
❤10👍1