ত্রিশ বছরের জীবনে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়গুলো নিয়ে দোয়া করেছি, তার একটিও নিজের ইচ্ছে মত হয় নি। যা চেয়েছি,তার ধারেকাছেও পায় নি। মাঝে মাঝে হীনমন্যতা আসতো, খারাপ লাগতো, যখন দেখতাম একই জিনিসগুলো অনেকে না চাইতেই পেয়ে গিয়েছে। বরং যোগ্যতার থেকেও যখন কাউকে বেশি পেতে দেখতাম, নিজের অজান্তেই মন খারাপ হয়ে যেত। না এটা হিংসা ছিল না, বিদ্বেষও ছিল না। শুধু একটা আফসোস ছিল, তাঁর মত আমিও কেন পেলাম না।
কিন্তু একটা দিন এলো। কেউ একজন সেদিন বললো, অনেক তো হল, না পাওয়ার হিসেব কষা। আজ চল না পাওয়া জিনিসগুলোর হিসেব করি। কী সেই বিষয়গুলো যা লাভ করার জন্য আমি একবারও হাত উঠায়নি, কিন্তু তিনি আমাকে না চাইতেই দিয়েছেন।
প্রথমেই মনে পড়লো একটি সুন্দর সুস্থ মনের কথা। যেই মন আজ মন খারাপের ভারে ন্যুজ, এই সুস্থ স্বাভাবিক মনটা কে দিলেন? কত বার চাওয়ার পর দিলেন? ঐ যে মানসিক রোগীটাকে দেখা যায়। রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে। শরীরের সব কিছুই তো ঠিক আছে। মনটাই যে শুধু নেই। তার হাসিতে কোন আনন্দ নেই, কান্নাতে নেই কোন বেদনা। জীবন থাকা না থাকাই কি তাঁর জন্য তাহলে সমান নয়? একটি স্বাভাবিক মনের জন্য একবারও তো চাই নি। আমিও কি তাহলে এরকম হতে পারতাম না?
ঐ যে মানুষটি ক্যান্সারে আক্রান্ত। বয়সটা আমারই মত। বাচার সম্ভাবনা খুব ক্ষীণ। প্রতিদিনই সে ধীরে নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু আমি যে আজও দিব্যি সুস্থ প্রানবন্ত।
আরও মনে পড়লো, আমার বন্ধুটির কথা। আমার জন্মদিনেই যার জন্ম। হকার হয়ে যে বাস-স্ট্যান্ড পেপার বেচে, সে তো আমার মতই একদিন মায়ের পেটেই ছিল। সেই নয় মাসের জীবনে আমরা দুজন সমান আরামেই ছিলাম। খেতাম, ঘুমাতাম, মাঝে মাঝে মায়ের পেটে গুঁতোও দিতাম। পৃথিবীতে নেমেই হয়ে গেল দুজনের জীবন পথ আলাদা। একবারও কি বলেছিলাম, আমি যেন মাথার উপর একটি ছাদ পাই, খাওয়ার মত দু বেলা খাবার পাই। আমার বন্ধুটির মত কষ্টের জীবন যেন আমার না হয়।
হা আমি পাই নি, যা চেয়েছিলাম। কিন্তু এরকম অজস্র নিয়ামতে আমি ধন্য, যা আমি কখনও চাই নি। এরকম অজস্র অনুগ্রহে আমি সিক্ত, যা পাওয়ার জন্য আজও পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে অনেকে হাত উঠিয়ে কেঁদে চলছেন।
বড় অবুঝ ছিলাম আমি। সমস্ত প্রশংসা তাঁর জন্য, হতাশার অশ্রুগুলোকে যিনি পালটে দিলেন কৃতজ্ঞতার অশ্রু দিয়ে।
#collected
কিন্তু একটা দিন এলো। কেউ একজন সেদিন বললো, অনেক তো হল, না পাওয়ার হিসেব কষা। আজ চল না পাওয়া জিনিসগুলোর হিসেব করি। কী সেই বিষয়গুলো যা লাভ করার জন্য আমি একবারও হাত উঠায়নি, কিন্তু তিনি আমাকে না চাইতেই দিয়েছেন।
প্রথমেই মনে পড়লো একটি সুন্দর সুস্থ মনের কথা। যেই মন আজ মন খারাপের ভারে ন্যুজ, এই সুস্থ স্বাভাবিক মনটা কে দিলেন? কত বার চাওয়ার পর দিলেন? ঐ যে মানসিক রোগীটাকে দেখা যায়। রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে। শরীরের সব কিছুই তো ঠিক আছে। মনটাই যে শুধু নেই। তার হাসিতে কোন আনন্দ নেই, কান্নাতে নেই কোন বেদনা। জীবন থাকা না থাকাই কি তাঁর জন্য তাহলে সমান নয়? একটি স্বাভাবিক মনের জন্য একবারও তো চাই নি। আমিও কি তাহলে এরকম হতে পারতাম না?
ঐ যে মানুষটি ক্যান্সারে আক্রান্ত। বয়সটা আমারই মত। বাচার সম্ভাবনা খুব ক্ষীণ। প্রতিদিনই সে ধীরে নিস্তেজ হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু আমি যে আজও দিব্যি সুস্থ প্রানবন্ত।
আরও মনে পড়লো, আমার বন্ধুটির কথা। আমার জন্মদিনেই যার জন্ম। হকার হয়ে যে বাস-স্ট্যান্ড পেপার বেচে, সে তো আমার মতই একদিন মায়ের পেটেই ছিল। সেই নয় মাসের জীবনে আমরা দুজন সমান আরামেই ছিলাম। খেতাম, ঘুমাতাম, মাঝে মাঝে মায়ের পেটে গুঁতোও দিতাম। পৃথিবীতে নেমেই হয়ে গেল দুজনের জীবন পথ আলাদা। একবারও কি বলেছিলাম, আমি যেন মাথার উপর একটি ছাদ পাই, খাওয়ার মত দু বেলা খাবার পাই। আমার বন্ধুটির মত কষ্টের জীবন যেন আমার না হয়।
হা আমি পাই নি, যা চেয়েছিলাম। কিন্তু এরকম অজস্র নিয়ামতে আমি ধন্য, যা আমি কখনও চাই নি। এরকম অজস্র অনুগ্রহে আমি সিক্ত, যা পাওয়ার জন্য আজও পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে অনেকে হাত উঠিয়ে কেঁদে চলছেন।
বড় অবুঝ ছিলাম আমি। সমস্ত প্রশংসা তাঁর জন্য, হতাশার অশ্রুগুলোকে যিনি পালটে দিলেন কৃতজ্ঞতার অশ্রু দিয়ে।
#collected
❤6👍1
এই উম্মাহ কখনো সংখ্যাধিক্য বা নিজস্ব শক্তিবলে বিজিত হয় না বরং বিজয় তো আসে পরমকরুনাময়তা মহান আল্লাহ ﷻ তরফ থেকে। আর আল্লাহ কখনো পাপে নিমজ্জিত জাতিকে সাহায্য করেন না যতক্ষন না তারা নিজে সংশোধিত হয়।
আজ সব জায়গায় গুনাহই গুনাহ! প্রকাশ্যে কত ধরনের পাপ সংঘটিত হচ্ছে। ওয়াল্লাহি যতদিন না সংশোধন হচ্ছি এই উম্মাহর বিজয় আসবে না.. আল্লাহুমাগফিরলী।
আজ সব জায়গায় গুনাহই গুনাহ! প্রকাশ্যে কত ধরনের পাপ সংঘটিত হচ্ছে। ওয়াল্লাহি যতদিন না সংশোধন হচ্ছি এই উম্মাহর বিজয় আসবে না.. আল্লাহুমাগফিরলী।
😢6
জীবনটাকে যদি খুব ছন্দহারা মনে হয়, তিনটা জিনিস ঠিকঠাক আছে কী না দেখে নিন৷
১. সালাতের সাথে আপনার সম্পর্ক।
২. কুরআনের সাথে আপনার সম্পর্ক।
৩. বাবা-মা’র সাথে আপনার সম্পর্ক।
১. সালাতের সাথে আপনার সম্পর্ক।
২. কুরআনের সাথে আপনার সম্পর্ক।
৩. বাবা-মা’র সাথে আপনার সম্পর্ক।
❤14👍2
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর টু/iন টাওয়ারে হামলার পর আমেরিকা “ওয়ার ON টেরর” নামে একটা বিশেষ ডক্ট্রিন গ্রহণ করে। যেখানে আমেরিকার উদ্দেশ্য সন্ত্রা/সবাদ দমন থাকলেও এটি ছিলো এক প্রকার কূটকৌশল। প্রথমে সন্ত্রা/সবাদ দমনের নামে আ-FগাNI/স্তাN তারপর “উইপন অব মাস ডিস্ট্রাকশন” পাওয়ার অভিযোগে ইরাক আক্রমণ করে। এভাবে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে। এই ওয়ার ON টেররে অনেক মুসলিম দেশ যেমন বলির পাঠা হয়েছে তেমনি অনেক মুসলিম গবেষক, বিজ্ঞানী ও মনীষীরাও গ্রেপ্তার, হেনস্তার শিকার হয়েছিলো। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশী অত্যাচারিত ও নিগৃহীত হয়েছিলেন ড. আফিয়া সিদ্দিকী।
ড. আফিয়া সিদ্দিকী ছিলেন জগৎবিখ্যাত মুসলিম স্নায়ুবিজ্ঞানী। তিনি ১৯৭২ সালের ২রা মার্চ পাকিস্তানের করাচির সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটকাল থেকেই আফিয়া অনেক পরিশ্রমী ও মেধাবী ছিলেন। তিনি কৃতিত্বের সাথে বিশ্বের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয় এমআইটি থেকে জীব বিজ্ঞানে স্নাতক ও ব্র্যাণ্ডেইস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নায়ু বিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি স্নায়ুবিজ্ঞানী হিসেবে বেশ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
১/১১ এর পর আমেরিকাতে মুসলিমবিদ্বেষ বৃদ্ধি পেতে থাকলে তিনি তার তিন সন্তান সহ পাকিস্তানে চলে আসেন। কিন্তু বিশেষ গোষ্ঠীর সাথে যোগাযোগ আছে এই অজুহাতে ২০০৪ সালে আফিয়া সিদ্দিকীকে তার তিন সন্তান সহ পাকিস্তানের আইএসআই অপহরণ করে। এরপর তাকে আদালতে কোনো রকম বিচার না করেই আ-FগাNI/স্তাNe মার্কিন সেনাবাহিনীর BAG/রাম ঘাটিতে নিয়ে যাওয়া হয়।
উল্লেখ্য পাকিস্তান ওয়ার ON টেররে আমেরিকান ডলারের লোভে মুনাফিকি করে আ-FগাNI/স্তাN আক্রমণে আমেরিকাকে সহায়তা দিয়েছিলো। সেখানে তাকে ৪ বছর গ্রেপ্তার করে রাখা হয়। সেনাঘাটিতে গ্রেপ্তার থাকাকালীন আফিয়া সিদ্দিকী পাশবিক নির্যাতনের শিকার হোন। তাকে কয়েকবার ধ/র্ষণ করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শী কয়েদিদের মতে আফিয়া সিদ্দিকীর চিৎকারে প্রায়ই তারা আঁতকে উঠতেন। এতোসব পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে আফিয়া সিদ্দিকী মানষিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন।
২০০৮ সালে তাকে নিউ ইয়র্কের এক জেলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে পুরুষ কয়েদিদের সাথে রাখা হয়। অবশেষে ২০১০ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি, তাকে আমেরিকান গোয়েন্দা হত্যায় জড়িত সন্দেহে আমেরিকান আদালত আফিয়াকে ৮৬ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন। #AafiaSiddiqui
ড. আফিয়া সিদ্দিকী ছিলেন জগৎবিখ্যাত মুসলিম স্নায়ুবিজ্ঞানী। তিনি ১৯৭২ সালের ২রা মার্চ পাকিস্তানের করাচির সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটকাল থেকেই আফিয়া অনেক পরিশ্রমী ও মেধাবী ছিলেন। তিনি কৃতিত্বের সাথে বিশ্বের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয় এমআইটি থেকে জীব বিজ্ঞানে স্নাতক ও ব্র্যাণ্ডেইস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নায়ু বিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি স্নায়ুবিজ্ঞানী হিসেবে বেশ খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
১/১১ এর পর আমেরিকাতে মুসলিমবিদ্বেষ বৃদ্ধি পেতে থাকলে তিনি তার তিন সন্তান সহ পাকিস্তানে চলে আসেন। কিন্তু বিশেষ গোষ্ঠীর সাথে যোগাযোগ আছে এই অজুহাতে ২০০৪ সালে আফিয়া সিদ্দিকীকে তার তিন সন্তান সহ পাকিস্তানের আইএসআই অপহরণ করে। এরপর তাকে আদালতে কোনো রকম বিচার না করেই আ-FগাNI/স্তাNe মার্কিন সেনাবাহিনীর BAG/রাম ঘাটিতে নিয়ে যাওয়া হয়।
উল্লেখ্য পাকিস্তান ওয়ার ON টেররে আমেরিকান ডলারের লোভে মুনাফিকি করে আ-FগাNI/স্তাN আক্রমণে আমেরিকাকে সহায়তা দিয়েছিলো। সেখানে তাকে ৪ বছর গ্রেপ্তার করে রাখা হয়। সেনাঘাটিতে গ্রেপ্তার থাকাকালীন আফিয়া সিদ্দিকী পাশবিক নির্যাতনের শিকার হোন। তাকে কয়েকবার ধ/র্ষণ করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শী কয়েদিদের মতে আফিয়া সিদ্দিকীর চিৎকারে প্রায়ই তারা আঁতকে উঠতেন। এতোসব পাশবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে আফিয়া সিদ্দিকী মানষিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন।
২০০৮ সালে তাকে নিউ ইয়র্কের এক জেলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে পুরুষ কয়েদিদের সাথে রাখা হয়। অবশেষে ২০১০ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি, তাকে আমেরিকান গোয়েন্দা হত্যায় জড়িত সন্দেহে আমেরিকান আদালত আফিয়াকে ৮৬ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন। #AafiaSiddiqui
❤3👍3😢2
ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর সেলিম উদ্দিন ভাই জালিমের কারাগার থেকে জামিনে বের হয়েছেন,
আলহামদুলিল্লাহ।
আলহামদুলিল্লাহ।
❤16
"তোমার ব্যস্ততা যেন নিজেকে কেন্দ্র করে হয়, অন্যকে কেন্দ্র করে না হয়। কারণ, যে অন্যকে কেন্দ্র করে ব্যস্ত থাকে, সে তার দ্বারা ধোঁকার শিকার হয়"।
.
~ ইমাম ফুদ্বাইল বিন ইয়াদ্ব [রাহ.]
.
[ ইমাম আবু নু'আইম আল আসবাহানী (রাহ.), হিলইয়াতুল আউলিয়া: ৮/১০২, মাতবাআতুস সাআদাহ, মিসর] p: 437
.
~ ইমাম ফুদ্বাইল বিন ইয়াদ্ব [রাহ.]
.
[ ইমাম আবু নু'আইম আল আসবাহানী (রাহ.), হিলইয়াতুল আউলিয়া: ৮/১০২, মাতবাআতুস সাআদাহ, মিসর] p: 437
দীর্ঘ ১২ বছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোন খোঁজ মেলেনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) দুই মেধাবী ছাত্র ওয়ালীউল্লাহ ও আল মুকাদ্দাসের। ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ৪ তারিখ ঢাকা থেকে ক্যাম্পাসে ফেরার পথে মধ্য রাতে বাস থেকে নামিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের গ্রেফতার করে। তাদের মা-বাবা আজও সন্তানদের ফেরার অপেক্ষায় পথ চেয়ে বসে আছে।
#BringBackOurBrothers
#FreeMuqaddas
#FreeWaliullah
#EndEnforcedDissapearances
#BringBackOurBrothers
#FreeMuqaddas
#FreeWaliullah
#EndEnforcedDissapearances
😢26
৭২০ খ্রিস্টাব্দের ৪ ফেব্রুয়ারি আজকের এইদিনে, উমাইয়া খলিফা উমর ইবনে আবদুল আজিজ মৃত্যুবরণ করেন। ন্যায়বিচার, ধর্মপরায়ণতা, সংযম, জীবনের সরলতার জন্য তাকে খুলাফায়ে রাশেদীন এর পরে স্থান এনে দিয়েছে। খলিফা হওয়ার পর তিনি সবরকমের আয়েশি জীবনকে বিদায় জানায়। ফলশ্রুতিতে পেয়েছেন ইসলামের ইতিহাসে দ্বিতীয় উমর নামের তকমা।
🥰14❤1
একদিনের ৩টা ন্যাক্কারজনক খবরঃ
[১] পুলিশ স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে বলেছে তাদের সাথে রাত কাটাতে, স্ত্রী রাজি না হওয়ায় পরবর্তীতে মারতে মারতে স্বামীকে মেরে ফেলে!
[২] বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেছে ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের নেতারা এবং এই ধর্ষকদেরকে প্রথমে বাঁচাতে চেয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক!
[৩] রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সুন্দরী মেয়ে ও নারীদের টার্গেট করে এপিবিএন!
একজন রোহিঙ্গা এক্টিভিস্ট বলেন, ‘সুন্দরী রোহিঙ্গা মেয়ে ও নারীদের এপিবিএন পুলিশ বাহিনী টার্গেট করে। তারা যদি রাজি না হয় তাহলে তাদের পরিবারের পুরুষ সদস্যদের গ্রেপ্তার করার হুমকি দেয়া হয়। পুরুষরা দূরে থাকলে তারা শিবিরে ঢুকে নারীদের হয়রানি করে।’
কথিত নারীবাদিদের এখন আপনি খুঁজে পাবেন না! এখন তারা ইঁদুরের গর্তে লুকিয়ে থেকে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবে!
[১] পুলিশ স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে বলেছে তাদের সাথে রাত কাটাতে, স্ত্রী রাজি না হওয়ায় পরবর্তীতে মারতে মারতে স্বামীকে মেরে ফেলে!
[২] বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেছে ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের নেতারা এবং এই ধর্ষকদেরকে প্রথমে বাঁচাতে চেয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক!
[৩] রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সুন্দরী মেয়ে ও নারীদের টার্গেট করে এপিবিএন!
একজন রোহিঙ্গা এক্টিভিস্ট বলেন, ‘সুন্দরী রোহিঙ্গা মেয়ে ও নারীদের এপিবিএন পুলিশ বাহিনী টার্গেট করে। তারা যদি রাজি না হয় তাহলে তাদের পরিবারের পুরুষ সদস্যদের গ্রেপ্তার করার হুমকি দেয়া হয়। পুরুষরা দূরে থাকলে তারা শিবিরে ঢুকে নারীদের হয়রানি করে।’
কথিত নারীবাদিদের এখন আপনি খুঁজে পাবেন না! এখন তারা ইঁদুরের গর্তে লুকিয়ে থেকে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবে!
😢12❤1
মন খারাপ হলে পড়বেন
" বিসমিল্লাহি আলা কুল্লি হাল"
-অর্থ :হে আল্লাহ আমার মনের অবস্থা ভালো করে দিন।
" বিসমিল্লাহি আলা কুল্লি হাল"
-অর্থ :হে আল্লাহ আমার মনের অবস্থা ভালো করে দিন।
❤14🥰1
হে প্রিয় ভাই / বোন আমার পরিবার ছাত্রলীগ মুক্ত। আপনারও কি?
Anonymous Poll
95%
হ্যাঁ
3%
না
1%
প্রচেষ্টা চলছে