সপ্তম শ্রেণীর বইয়ে শরিফ থেকে শরীফা হওয়ার গল্প দিয়ে সমকামী মতবাদ প্রতিষ্ঠা করতেছে। আর এখন হিন্দু ছেলে আর মুসলিম মেয়েদের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করতেছে। এর কিছু ঝলক দেখে নিন:
ক্লাস ৮ এর স্বাস্থ্য সুরক্ষা বই এর ১০২ নং পেজের গল্প দুইটা দেখুন। রাহেলা আর পঙ্কজের কেমিস্ট্রি দেখুন। পিকনিকে না গেলে মন খারাপ হবে পঙ্কজের। পিকনিক থেকে ফিরতে বেশ রাত হয়ে গেল। এগুলো কী পড়ানো হচ্ছে আমাদের সন্তানদের?
১০৩ নং পেজের গল্প ৪ দেখুন। সঞ্জয় ও আমেনা বয়ঃসন্ধির চেন্জ নিয়ে আরো জানতে চায়। বন্ধুরা মিলে আলোচনা করছে। এবারের কারিকুলাম আলোচনা নির্ভর। ওরা এসব নিয়ে আলোচনা করে লজ্জা ভাঙবে, তারপর ক্লোজআপ কাছে আসার গল্প তৈরি হবে। পঙ্কজ-রাহেলা, সঞ্জয়-আমেনা জুটিগুলো কোন রিং বেল করে?
ভারতের হিন্দুত্ববাদীদের কুখ্যাত #BhagwaLoveTrap বাংলাদেশের পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে এখন এদেশে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালাচ্ছে এরা।
ক্লাস ৮ এর স্বাস্থ্য সুরক্ষা বই এর ১০২ নং পেজের গল্প দুইটা দেখুন। রাহেলা আর পঙ্কজের কেমিস্ট্রি দেখুন। পিকনিকে না গেলে মন খারাপ হবে পঙ্কজের। পিকনিক থেকে ফিরতে বেশ রাত হয়ে গেল। এগুলো কী পড়ানো হচ্ছে আমাদের সন্তানদের?
১০৩ নং পেজের গল্প ৪ দেখুন। সঞ্জয় ও আমেনা বয়ঃসন্ধির চেন্জ নিয়ে আরো জানতে চায়। বন্ধুরা মিলে আলোচনা করছে। এবারের কারিকুলাম আলোচনা নির্ভর। ওরা এসব নিয়ে আলোচনা করে লজ্জা ভাঙবে, তারপর ক্লোজআপ কাছে আসার গল্প তৈরি হবে। পঙ্কজ-রাহেলা, সঞ্জয়-আমেনা জুটিগুলো কোন রিং বেল করে?
ভারতের হিন্দুত্ববাদীদের কুখ্যাত #BhagwaLoveTrap বাংলাদেশের পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে এখন এদেশে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালাচ্ছে এরা।
😢5
৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম শ্রেণীর শিল্প-সংস্কৃতি বই চারটা দেখলাম। কিছু অবজারভেশন শেয়ার করছি:
১.
সংগীতের ব্যাকরণ, স্বরলিপি, তাল কাহারবা, তাল দাদরা-তেওড়া এগুলো কেন লাখ লাখ শিক্ষার্থীর জানা প্রয়োজন? অভিভাবক নিজ উদ্যোগে বাচ্চাদের এসব শেখাতেন, যদি কেউ চান। পাঠ্যবইয়ে সবাইকে কেন এসব মুখস্ত করতে হবে?
২.
নাচের মুদ্রা, রস (মুখভঙ্গি) এসব কি এতোই গুরুত্বপূর্ণ শেখার বিষয়। এগুলো না শিখলে একজন মানুষের বিরাট ক্ষতি হয়ে যাবে? নিরেট সেক্যুলার উপকারিতার দিক থেকেও এসব গণহারে লাখ লাখ শিশুকে শেখানোর কী যৌক্তিকতা? জনগণের টাকা কি এতোই বেদামী। মানে এগুলোর জন্য পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা... বছরের পর বছর... ব্যয় করা কীভাবে যুক্তিসংগত?
৩.
বর্ষা উৎসব, শরত উৎসব, পৌষমেলা, বসন্তবরণ এগুলো কীভাবে সংস্কৃতি আমাদের? গ্রামেগঞ্জে মফস্বলে এসব হতে দেখেছেন কেউ? শুনেছেন? কেবল চারুকলা আর কিছু বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া এসব কোথায় কবে হয়েছে? এগুলোকে বাঙালি সংস্কৃতি বলে চালানোর কী উদ্দেশ্য।
৪.
ছেলেমেয়ে একসাথে নাচ, গান, অভিনয় করানোর ব্যাপারে অভিভাবকদের চিন্তা কি? কারিকুলামের ভিতর কেন এক্সট্রা কারিকুলার এক্টিভিটি। কারিকুলার আর এক্সট্রা কারিকুলারের মাঝে কোনো পার্থক্যই কি নেই?
১.
সংগীতের ব্যাকরণ, স্বরলিপি, তাল কাহারবা, তাল দাদরা-তেওড়া এগুলো কেন লাখ লাখ শিক্ষার্থীর জানা প্রয়োজন? অভিভাবক নিজ উদ্যোগে বাচ্চাদের এসব শেখাতেন, যদি কেউ চান। পাঠ্যবইয়ে সবাইকে কেন এসব মুখস্ত করতে হবে?
২.
নাচের মুদ্রা, রস (মুখভঙ্গি) এসব কি এতোই গুরুত্বপূর্ণ শেখার বিষয়। এগুলো না শিখলে একজন মানুষের বিরাট ক্ষতি হয়ে যাবে? নিরেট সেক্যুলার উপকারিতার দিক থেকেও এসব গণহারে লাখ লাখ শিশুকে শেখানোর কী যৌক্তিকতা? জনগণের টাকা কি এতোই বেদামী। মানে এগুলোর জন্য পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা... বছরের পর বছর... ব্যয় করা কীভাবে যুক্তিসংগত?
৩.
বর্ষা উৎসব, শরত উৎসব, পৌষমেলা, বসন্তবরণ এগুলো কীভাবে সংস্কৃতি আমাদের? গ্রামেগঞ্জে মফস্বলে এসব হতে দেখেছেন কেউ? শুনেছেন? কেবল চারুকলা আর কিছু বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া এসব কোথায় কবে হয়েছে? এগুলোকে বাঙালি সংস্কৃতি বলে চালানোর কী উদ্দেশ্য।
৪.
ছেলেমেয়ে একসাথে নাচ, গান, অভিনয় করানোর ব্যাপারে অভিভাবকদের চিন্তা কি? কারিকুলামের ভিতর কেন এক্সট্রা কারিকুলার এক্টিভিটি। কারিকুলার আর এক্সট্রা কারিকুলারের মাঝে কোনো পার্থক্যই কি নেই?
👍5
সূরা বাকারায় একটা আয়াত আছে:
رب اجعل هذا بلدا آمنا
হে আমার রব! আপনি একে এক নিরাপদ ভূমি বানিয়ে দিন।
আবার সূরা ইবরাহীমে আছে:
رب اجعل هذا البلدا آمنا
হে রব! আপনি এই ভূমিকে নিরাপদ করে দিন।
দুটোই ইবরাহীম আলাইহিস সালামের দুআ। কিন্তু একটাতে বলা হয়েছে অনির্দিষ্ট ভূমিকে নিরাপদ করার কথা। আরেকটাতে সুনির্দিষ্ট। কারণ কী?
প্রথম দুআ ছিলো কাবা পুনঃনির্মাণের আগে। যখন সেখানে জনপদ ছিলো না। দ্বিতীয়টি বসতি গড়ে উঠার পর যেন এই অঞ্চলকে নিরাপদ করা হয় সেই দুআ।
رب اجعل هذا بلدا آمنا
হে আমার রব! আপনি একে এক নিরাপদ ভূমি বানিয়ে দিন।
আবার সূরা ইবরাহীমে আছে:
رب اجعل هذا البلدا آمنا
হে রব! আপনি এই ভূমিকে নিরাপদ করে দিন।
দুটোই ইবরাহীম আলাইহিস সালামের দুআ। কিন্তু একটাতে বলা হয়েছে অনির্দিষ্ট ভূমিকে নিরাপদ করার কথা। আরেকটাতে সুনির্দিষ্ট। কারণ কী?
প্রথম দুআ ছিলো কাবা পুনঃনির্মাণের আগে। যখন সেখানে জনপদ ছিলো না। দ্বিতীয়টি বসতি গড়ে উঠার পর যেন এই অঞ্চলকে নিরাপদ করা হয় সেই দুআ।
❤4
ভুয়া ডাক্তার সেজে সঞ্জয় চন্দ্র দেবের অভিনব প্রতারণা, গরিব ও অসহায় মানুষই যার প্রধান টার্গেট!
ডাক্তারি বিদ্যা পাস না করেও নামের আগে ‘ডাক্তার’ লিখে চেম্বারে বসে মা ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ পরিচয়ে গত দুই মাস ধরে নিয়মিত রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন।
ভুয়া ওই চিকিৎসকের নাম সঞ্জয় কুমার দেবনাথ। এর আগে গতবছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট সেজে গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। পরে জামিনে বের হয়ে বগুড়া সদরের ফণিরমোড় এলাকায় আরাদ্ধা মেডিকেল হল খুলে বসেছেন। নিজের নাম পরিবর্তন করে রেখেছেন ‘সঞ্জয় চন্দ্র দেব’।
সঞ্জয় জানান, বর্তমানে তিনি ২৫০ শয্যা সরকারি মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন। তার সামনেই হাসপাতালটির আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শফিক আমিন কাজলের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হয়। এসময় ওই চিকিৎসক বলেন, হাসপাতালটিতে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার বলতে কোনো পদ নেই। এছাড়া সঞ্জয় চন্দ্র দেব নামের কোনো চিকিৎসকও সেখানে কর্মরত নেই। কেউ এ ধরনের পরিচয় ব্যবহার করে থাকলে তিনি ভুয়া।
কালেক্ট: jagonews24
ডাক্তারি বিদ্যা পাস না করেও নামের আগে ‘ডাক্তার’ লিখে চেম্বারে বসে মা ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ পরিচয়ে গত দুই মাস ধরে নিয়মিত রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন।
ভুয়া ওই চিকিৎসকের নাম সঞ্জয় কুমার দেবনাথ। এর আগে গতবছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট সেজে গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। পরে জামিনে বের হয়ে বগুড়া সদরের ফণিরমোড় এলাকায় আরাদ্ধা মেডিকেল হল খুলে বসেছেন। নিজের নাম পরিবর্তন করে রেখেছেন ‘সঞ্জয় চন্দ্র দেব’।
সঞ্জয় জানান, বর্তমানে তিনি ২৫০ শয্যা সরকারি মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন। তার সামনেই হাসপাতালটির আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শফিক আমিন কাজলের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হয়। এসময় ওই চিকিৎসক বলেন, হাসপাতালটিতে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার বলতে কোনো পদ নেই। এছাড়া সঞ্জয় চন্দ্র দেব নামের কোনো চিকিৎসকও সেখানে কর্মরত নেই। কেউ এ ধরনের পরিচয় ব্যবহার করে থাকলে তিনি ভুয়া।
কালেক্ট: jagonews24
😢4
দুশ্চিন্তা ও পেরেশানিতে পতিত ব্যক্তির দোয়া
আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্র রাসূল (ﷺ) বলেন, “কোনও বান্দা যদি কোনও দুশ্চিন্তা বা পেরেশানির মুখোমুখি হয়ে বলে -
اَللَّهُمَّ إِنِّي عَبْدُكَ، وَابْنُ عَبْدِكَ، وَابْنُ أَمَتِكَ، نَاصِيَتِي بِيَدِكَ، مَاضٍ فِيَّ حُكْمُكَ، عَدْلٌ فِيَّ قَضَاؤُكَ، أَسْأَلُكَ بِكُــــلِّ اسْمٍ هُوَ لَكَ، سَمَّيْتَ بِهِ نَفْسَكَ، أَوْ أَنْزَلْتَهُ فِي كِتَابِكَ، أَوْ عَلَّمْتَهُ أَحَدًا مِنْ خَلْقِكَ، أَوِ اسْتَأْثَرْتَ بِهِ فِي عِلْمِ الْغَيْبِ عِنْدَكَ، أَنْ تَجْعَلَ الْقُرْآنَ رَبِيعَ قَلْبِي، وَنُورَ صَدْرِي، وَجَلَاءَ حُزْنِي، وَذَهَابَ هَمِّي
হে আল্লাহ্! আমি তোমার দাস, তোমার এক দাসের ছেলে এবং তোমার এক দাসীর ছেলে; আমি পুরোপুরি তোমার নিয়ন্ত্রণে; তোমার সিদ্ধান্তই আমার উপর কার্যকর হয়; আমার ব্যাপারে তুমি যে সিদ্ধান্ত দাও, তা ন্যায়সংগত৷ তোমার প্রত্যেকটি নামের ওসীলা দিয়ে তোমার কাছে চাই, যে নামে তুমি নিজেকে নামকরণ করেছ, কিংবা যে নাম তুমি তোমার সৃষ্টির কাউকে শিখিয়েছ, অথবা যে নাম তুমি তোমার কিতাবে নাযিল করেছ, অথবা তোমার অদৃশ্য-জ্ঞানে যে নাম তুমি নিজের জন্য গ্রহণ করেছ, তুমি কুরআনকে বানিয়ে দাও আমার অন্তরের বসন্তকাল এবং আমার বক্ষের আলো, আমার দুশ্চিন্তার নির্বাসন এবং আমার পেরেশানি-দূরকারী!
আল্লাহ্ অবশ্যই তার দুশ্চিন্তা ও পেরেশানি দূর করে তা আনন্দ দিয়ে বদলে দেবেন।” জিজ্ঞাসা করা হলো, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমরা কি তা শিখব না?' নবী (ﷺ) বলেন, “অবশ্যই! যে-ব্যক্তি এটি শুনে, তার উচিত তা মুখস্থ করা।”
রেফারেন্স: সহিহ। সিলসিলা সহিহাহঃ ১/৩৩৭
🛑বাংলা উচ্চারণ এ আরবি পড়লে অর্থ বিকৃত হবার সম্ভাবনা থাকে। কষ্ট করে হলেও সহীহ আরবি পড়া শিখব। এটলিস্ট দুআটা এমন কারো থেকে শিখে নিব যে সহীহ আরবি পড়তে পারেন। ইন শা আল্লাহ।
আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্র রাসূল (ﷺ) বলেন, “কোনও বান্দা যদি কোনও দুশ্চিন্তা বা পেরেশানির মুখোমুখি হয়ে বলে -
اَللَّهُمَّ إِنِّي عَبْدُكَ، وَابْنُ عَبْدِكَ، وَابْنُ أَمَتِكَ، نَاصِيَتِي بِيَدِكَ، مَاضٍ فِيَّ حُكْمُكَ، عَدْلٌ فِيَّ قَضَاؤُكَ، أَسْأَلُكَ بِكُــــلِّ اسْمٍ هُوَ لَكَ، سَمَّيْتَ بِهِ نَفْسَكَ، أَوْ أَنْزَلْتَهُ فِي كِتَابِكَ، أَوْ عَلَّمْتَهُ أَحَدًا مِنْ خَلْقِكَ، أَوِ اسْتَأْثَرْتَ بِهِ فِي عِلْمِ الْغَيْبِ عِنْدَكَ، أَنْ تَجْعَلَ الْقُرْآنَ رَبِيعَ قَلْبِي، وَنُورَ صَدْرِي، وَجَلَاءَ حُزْنِي، وَذَهَابَ هَمِّي
আল্লা-হুম্মা ইন্নী ‘আবদুকা ওয়াবনু ‘আবদিকা ওয়াবনু আমাতিকা, না-সিয়াতী বিয়াদিকা, মা-দ্বিন ফিয়্যা 'হুকমুকা, ‘আদলুন ফিয়্যা কাদ্বা-য়ুকা, আসআলুকা বিকুল্লি ইসমিন্ হুয়া লাকা সাম্মাইতা বিহি নাফসাকা, আও আনঝালতাহু ফী কিতা-বিকা আও ‘আল্লামতাহু আহাদাম্-মিন খালক্বিকা আও ইস্তা’সারতা বিহী ফী ‘ইলমিল গাইবি ‘ইনদাকা, আন্ তাজ‘আলাল ক্বুরআ-না রবী‘আ ক্বালবী, ওয়া নূরা সাদ্রী, ওয়া জালা’আ 'হুঝনী ওয়া যাহা-বা হাম্মী
হে আল্লাহ্! আমি তোমার দাস, তোমার এক দাসের ছেলে এবং তোমার এক দাসীর ছেলে; আমি পুরোপুরি তোমার নিয়ন্ত্রণে; তোমার সিদ্ধান্তই আমার উপর কার্যকর হয়; আমার ব্যাপারে তুমি যে সিদ্ধান্ত দাও, তা ন্যায়সংগত৷ তোমার প্রত্যেকটি নামের ওসীলা দিয়ে তোমার কাছে চাই, যে নামে তুমি নিজেকে নামকরণ করেছ, কিংবা যে নাম তুমি তোমার সৃষ্টির কাউকে শিখিয়েছ, অথবা যে নাম তুমি তোমার কিতাবে নাযিল করেছ, অথবা তোমার অদৃশ্য-জ্ঞানে যে নাম তুমি নিজের জন্য গ্রহণ করেছ, তুমি কুরআনকে বানিয়ে দাও আমার অন্তরের বসন্তকাল এবং আমার বক্ষের আলো, আমার দুশ্চিন্তার নির্বাসন এবং আমার পেরেশানি-দূরকারী!
আল্লাহ্ অবশ্যই তার দুশ্চিন্তা ও পেরেশানি দূর করে তা আনন্দ দিয়ে বদলে দেবেন।” জিজ্ঞাসা করা হলো, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমরা কি তা শিখব না?' নবী (ﷺ) বলেন, “অবশ্যই! যে-ব্যক্তি এটি শুনে, তার উচিত তা মুখস্থ করা।”
রেফারেন্স: সহিহ। সিলসিলা সহিহাহঃ ১/৩৩৭
🛑বাংলা উচ্চারণ এ আরবি পড়লে অর্থ বিকৃত হবার সম্ভাবনা থাকে। কষ্ট করে হলেও সহীহ আরবি পড়া শিখব। এটলিস্ট দুআটা এমন কারো থেকে শিখে নিব যে সহীহ আরবি পড়তে পারেন। ইন শা আল্লাহ।
❤6