আলোর পথ
9.8K subscribers
2.59K photos
718 videos
35 files
291 links
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
Download Telegram
বয়কট চলুক:

ব্র্যাকের রেপুটেশন মানুষের সামনে ধ্বসিয়ে দেওয়া মূলত দুই কারণে বেশ জরুরি।

১. বাংলাদেশে ট্র্যাশ এজেন্ডার প্রধানমত পাপেট মাস্টার এরা
২. মানুষ ব্যাপকভাবে না জানলে বয়কট সফল হবে না, এরাও বাঁকবে না

ব্র্যাককে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার অনেক সুযোগ আছে। এদের অনেক ব্যবসা এদেশে। আড়ঙ, বিকাশসহ অনেক কিছু। তাই মানুষ ব্যাপকভাবে তাদেরকে বয়কট করলে এদের অনেক পলিসি ও কাজ পরিবর্তন করা সম্ভব।

তাহলে মানুষকে কীভাবে জানাবেন ব্র্যাক সম্পর্কে? কয়েকভাবে কাজ করা যায়।

১. শুধু অনলাইনে লেখালেখি করে কাজ হবে কম। কারণ এলগরিদমের কারণে লেখা শুধু একটা নির্দিষ্ট ঘরানার মানুষের কাছেই পৌঁছায়। সেদিক থেকে ভিডিও কার্যকরী হয় বেশি। একটু বেশি রিচ পেলে ব্যাপকভাবে পৌঁছাতে শুরু করে।

২. জনপ্রিয় বক্তা ও আলিমদেরকে ব্যাপারটা নিয়ে কথা বলতে উৎসাহ করা, তাদের বক্তব্য ক্লিপ ও রিলস করা। এ ধরণের বক্তব্য অনেক বেশি পৌঁছায় মানুষের কাছে। বিশেষ করে স্ট্যাবলিশড ওয়াজ মিডিয়াগুলোর ভাইদের এগিয়ে আসতে হবে। প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমেও তাদের কাছে ব্যাপারটা পৌঁছানো যায়।

৩. ব্যাপকভাবে পোস্টারিং করা। এ কালচারটা এক্টিভিজমে নতুন। সামাজিক রিজনে পোস্টারিং এর কালচার বাংলাদেশে সেভাবে নেই। আনতে হবে। ভালো রকম পোস্টারের ডিজাইন করে রাস্তায় বাংলা সিনেমার পোস্টারের মত করে জায়গায় জায়গায় লাগানো।

সহজে করার মত কিছু কাজ এগুলো। যাই করা হোক না কেন, কয়েকটা বিষয় ক্লিয়ার করে বলা থাকতে হবে।

১. ব্র্যাক কী করেছে
২. আসিফ মাহতাব স্যারের কন্ট্রোভার্সি
৩. বয়কটের ডাক ও ব্র্যাকের ব্যবসায়ের লিস্ট

ইনশাআল্লাহ এভাবে কাজ করা যায়।

~ Irfan Sadik
7
13
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল সা. বলেছেন, যার আমানতদারী নেই তার ইমান নেই, যার পবিত্রতা নেই তার নামায নেই, যার নামাজ নেই তার দীন নেই, গোটা শরীরের মধ্যে মাথার যে মর্যাদা, দীন ইসলামে নামাযের সে মর্যাদা।
(মু'জামুস সাগীর)
👍7
একটা কথা নোট করে রেখে দেন। যে কোন মুহুর্তে ইন্টারনেট/ইথারনেট শেষ হয়ে যাবে।
ইয়ামেনের হুতিরা আজকে সিদ্ধান্ত নিয়ে নিছে লোহিত সাগরের নিচ দিয়ে যত সাবমেরিন ক্যাবল(ইন্টারনেট ক্যাবল) গেছে তারা এইগুলাতে আক্রমন চালাবে শিগ্রি। মনে রাখবেন হুতিরা গত ৫ বছর ধরে সব পর্যবেক্ষন করে রাখছে। এইবার যদি ইস্রা"ইল না থামে। তাইলে তারা ক্যাবল কেটে দিবে। আর লোহিত সাগরের নিচ দিয়ে ৯৫% ইন্টারনেট এর ক্যাবল গেছে। আর যদি তারা আক্রমন চালায় তাইলে প্রথমদিন পুরা দুনিয়ায় ১০ ট্রিলিয়ন এর বেশি ক্ষতি হবে। পুরা দুনিয়া অন্ধকার হয়ে যাবে। ১০টা পারমানবিক বো'ম্ব মারার চেয়ে বেশি ক্ষতি হবে।
লাস্ট চান্স আজকে দিয়ে দিছে আম্রিকা এবং ইস্র"লকে।


#collected
🥰8
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
Clean Headshot! 🔥
আল্লাহু আকবার!
7
এনসিটিবির সাথে সম্পৃক্ত ভারতীয় দালালদের বক্তব্য কি? ৬ষ্ঠ শ্রেণির ইসলাম ধর্ম শিক্ষা বইতে ১২ থেকে ২৭ পৃষ্ঠা জুড়ে দেবদেবীর ছবি ও বিবরণ।

ঘটনা কি কেবলই ভুল? ভুলের মাত্রা কি পরিমান হলে সেটা ক্ষমাযোগ্য হয়?

বইগুলো কোথায় কোন দেশের ছাপাখানায় কাদেরকে দিয়ে ছাপানো হয়েছে?
🤬8
সপ্তম শ্রেণীর বইয়ে শরিফ থেকে শরীফা হওয়ার গল্প দিয়ে সমকামী মতবাদ প্রতিষ্ঠা করতেছে। আর এখন হিন্দু ছেলে আর মুসলিম মেয়েদের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করতেছে। এর কিছু ঝলক দেখে নিন:

ক্লাস ৮ এর স্বাস্থ্য সুরক্ষা বই এর ১০২ নং পেজের গল্প দুইটা দেখুন। রাহেলা আর পঙ্কজের কেমিস্ট্রি দেখুন। পিকনিকে না গেলে মন খারাপ হবে পঙ্কজের। পিকনিক থেকে ফিরতে বেশ রাত হয়ে গেল। এগুলো কী পড়ানো হচ্ছে আমাদের সন্তানদের?

১০৩ নং পেজের গল্প ৪ দেখুন। সঞ্জয় ও আমেনা বয়ঃসন্ধির চেন্জ নিয়ে আরো জানতে চায়। বন্ধুরা মিলে আলোচনা করছে। এবারের কারিকুলাম আলোচনা নির্ভর। ওরা এসব নিয়ে আলোচনা করে লজ্জা ভাঙবে, তারপর ক্লোজআপ কাছে আসার গল্প তৈরি হবে। পঙ্কজ-রাহেলা, সঞ্জয়-আমেনা জুটিগুলো কোন রিং বেল করে?

ভারতের হিন্দুত্ববাদীদের কুখ্যাত #BhagwaLoveTrap বাংলাদেশের পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে এখন এদেশে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালাচ্ছে এরা।
😢5
৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম শ্রেণীর শিল্প-সংস্কৃতি বই চারটা দেখলাম। কিছু অবজারভেশন শেয়ার করছি:

১.
সংগীতের ব্যাকরণ, স্বরলিপি, তাল কাহারবা, তাল দাদরা-তেওড়া এগুলো কেন লাখ লাখ শিক্ষার্থীর জানা প্রয়োজন? অভিভাবক নিজ উদ্যোগে বাচ্চাদের এসব শেখাতেন, যদি কেউ চান। পাঠ্যবইয়ে সবাইকে কেন এসব মুখস্ত করতে হবে?
২.
নাচের মুদ্রা, রস (মুখভঙ্গি) এসব কি এতোই গুরুত্বপূর্ণ শেখার বিষয়। এগুলো না শিখলে একজন মানুষের বিরাট ক্ষতি হয়ে যাবে? নিরেট সেক্যুলার উপকারিতার দিক থেকেও এসব গণহারে লাখ লাখ শিশুকে শেখানোর কী যৌক্তিকতা? জনগণের টাকা কি এতোই বেদামী। মানে এগুলোর জন্য পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা... বছরের পর বছর... ব্যয় করা কীভাবে যুক্তিসংগত?

৩.
বর্ষা উৎসব, শরত উৎসব, পৌষমেলা, বসন্তবরণ এগুলো কীভাবে সংস্কৃতি আমাদের? গ্রামেগঞ্জে মফস্বলে এসব হতে দেখেছেন কেউ? শুনেছেন? কেবল চারুকলা আর কিছু বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া এসব কোথায় কবে হয়েছে? এগুলোকে বাঙালি সংস্কৃতি বলে চালানোর কী উদ্দেশ্য।

৪.
ছেলেমেয়ে একসাথে নাচ, গান, অভিনয় করানোর ব্যাপারে অভিভাবকদের চিন্তা কি? কারিকুলামের ভিতর কেন এক্সট্রা কারিকুলার এক্টিভিটি। কারিকুলার আর এক্সট্রা কারিকুলারের মাঝে কোনো পার্থক্যই কি নেই?
👍5
আলহামদুলিল্লাহ
17
সূরা বাকারায় একটা আয়াত আছে:

رب اجعل هذا بلدا آمنا

হে আমার রব! আপনি একে এক নিরাপদ ভূমি বানিয়ে দিন।

আবার সূরা ইবরাহীমে আছে:

رب اجعل هذا البلدا آمنا

হে রব! আপনি এই ভূমিকে নিরাপদ করে দিন।

দুটোই ইবরাহীম আলাইহিস সালামের দুআ। কিন্তু একটাতে বলা হয়েছে অনির্দিষ্ট ভূমিকে নিরাপদ করার কথা। আরেকটাতে সুনির্দিষ্ট। কারণ কী?

প্রথম দুআ ছিলো কাবা পুনঃনির্মাণের আগে। যখন সেখানে জনপদ ছিলো না। দ্বিতীয়টি বসতি গড়ে উঠার পর যেন এই অঞ্চলকে নিরাপদ করা হয় সেই দুআ।
4
ভুয়া ডাক্তার সেজে সঞ্জয় চন্দ্র দেবের অভিনব প্রতারণা, গরিব ও অসহায় মানুষই যার প্রধান টার্গেট!

ডাক্তারি বিদ্যা পাস না করেও নামের আগে ‘ডাক্তার’ লিখে চেম্বারে বসে মা ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ পরিচয়ে গত দুই মাস ধরে নিয়মিত রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন।

ভুয়া ওই চিকিৎসকের নাম সঞ্জয় কুমার দেবনাথ। এর আগে গতবছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় ভুয়া ম্যাজিস্ট্রেট সেজে গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। পরে জামিনে বের হয়ে বগুড়া সদরের ফণিরমোড় এলাকায় আরাদ্ধা মেডিকেল হল খুলে বসেছেন। নিজের নাম পরিবর্তন করে রেখেছেন ‘সঞ্জয় চন্দ্র দেব’।

সঞ্জয় জানান, বর্তমানে তিনি ২৫০ শয্যা সরকারি মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন। তার সামনেই হাসপাতালটির আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. শফিক আমিন কাজলের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হয়। এসময় ওই চিকিৎসক বলেন, হাসপাতালটিতে উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার বলতে কোনো পদ নেই। এছাড়া সঞ্জয় চন্দ্র দেব নামের কোনো চিকিৎসকও সেখানে কর্মরত নেই। কেউ এ ধরনের পরিচয় ব্যবহার করে থাকলে তিনি ভুয়া।

কালেক্ট: jagonews24
😢4