রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
যে ব্যক্তি তার মুমিন ভাইকে বিপদে শান্তনা দিবে কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা তাকে সম্মানের পোশাক পরিধান করাবেন।
যে ব্যক্তি তার মুমিন ভাইকে বিপদে শান্তনা দিবে কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা তাকে সম্মানের পোশাক পরিধান করাবেন।
ইবনে মাযাহ- ১৬০১
🥰11❤3
আলোর পথ
Photo
কী এই এল-নিনো? 😮
এর সাথে জড়িত আছে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের একটা ঘটনা। দক্ষিণ-পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকা উপকূল বরাবর দক্ষিণায়ন বায়ু বা south-east trade wind এর প্রভাবে মধ্য প্রশান্ত মহাসাগরীয় গরম পানি অস্ট্রেলিয়া উপকূল বরাবর চলে আসে। গরম পানি বাতাসে গরম করে উপরে তুলে দিয়ে শূন্যস্থান তৈরি করে ফলে শীতল বাতাস জড়ো হয়। এভাবে অস্ট্রেলিয়া উপকূলে নিম্নচাপীয় অবস্থা বিরাজ করে যা সে এলাকায় প্রচুর বৃষ্টিপাত। দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের আমেরিকা উপকূলে ঠান্ডা পানির সমারোহে উচ্চচাপীয় অবস্থা থাকে। এটা হলো স্বাভাবিক অবস্থা।
কোনো কারণে দক্ষিণায়ন বায়ু দুর্বল হয়ে মধ্য প্রশান্ত মহাসাগরের গরম পানি উল্টো দিকে আমেরিকা উপকূলে জমা হয়ে সেখানে নিম্নচাপ তৈরি করে এবং অস্ট্রেলিয়া অঞ্চলে উচ্চচাপ তৈরি হয়। একে El-Nino বা এল-নিনো বলে। এ সময় উচ্চচাপের কারণে অস্ট্রেলিয়া অঞ্চল মেঘহীন ও বৃষ্টিহীন হয়ে প্রচণ্ড গরম অবস্থা তৈরি করে যার ফলে অস্ট্রেলিয়ায় বড় বড় দাবানল দেখা দেয়। অস্ট্রেলিয়া অঞ্চলের উচ্চচাপের তীব্রতা মাসকিরিন দ্বীপপুঞ্জের উচ্চচাপীয় অবস্থাকেও ছাড়িয়ে যায় ফলে সে কোনো মেঘ ভারত উপমহাদেশে পাঠাতে পারে না তাই ভরা বর্ষাতেও বৃষ্টি কম হয়ে ভারত উপমহাদেশে প্রচণ্ড গরম পড়ে।
সবশেষ ২০১৫-২০১৬ সালে শক্তিশালী এল-নিনো তৈরি হয়েছিল। ২০২৩-২৪ এল-নিনো অারও ভয়াবহ হতে যাচ্ছে বলে আবহাওয়াবিদদের মত। ২০২৪ সাল সম্ভবত উষ্ণতম বছর হবে। লক্ষণীয়, ১৯৭২-৭৩ এল-নিনোতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠেছিল যা এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ।
#science #bee #facts #nino #bangladesh
এর সাথে জড়িত আছে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের একটা ঘটনা। দক্ষিণ-পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে দক্ষিণ ও মধ্য আমেরিকা উপকূল বরাবর দক্ষিণায়ন বায়ু বা south-east trade wind এর প্রভাবে মধ্য প্রশান্ত মহাসাগরীয় গরম পানি অস্ট্রেলিয়া উপকূল বরাবর চলে আসে। গরম পানি বাতাসে গরম করে উপরে তুলে দিয়ে শূন্যস্থান তৈরি করে ফলে শীতল বাতাস জড়ো হয়। এভাবে অস্ট্রেলিয়া উপকূলে নিম্নচাপীয় অবস্থা বিরাজ করে যা সে এলাকায় প্রচুর বৃষ্টিপাত। দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের আমেরিকা উপকূলে ঠান্ডা পানির সমারোহে উচ্চচাপীয় অবস্থা থাকে। এটা হলো স্বাভাবিক অবস্থা।
কোনো কারণে দক্ষিণায়ন বায়ু দুর্বল হয়ে মধ্য প্রশান্ত মহাসাগরের গরম পানি উল্টো দিকে আমেরিকা উপকূলে জমা হয়ে সেখানে নিম্নচাপ তৈরি করে এবং অস্ট্রেলিয়া অঞ্চলে উচ্চচাপ তৈরি হয়। একে El-Nino বা এল-নিনো বলে। এ সময় উচ্চচাপের কারণে অস্ট্রেলিয়া অঞ্চল মেঘহীন ও বৃষ্টিহীন হয়ে প্রচণ্ড গরম অবস্থা তৈরি করে যার ফলে অস্ট্রেলিয়ায় বড় বড় দাবানল দেখা দেয়। অস্ট্রেলিয়া অঞ্চলের উচ্চচাপের তীব্রতা মাসকিরিন দ্বীপপুঞ্জের উচ্চচাপীয় অবস্থাকেও ছাড়িয়ে যায় ফলে সে কোনো মেঘ ভারত উপমহাদেশে পাঠাতে পারে না তাই ভরা বর্ষাতেও বৃষ্টি কম হয়ে ভারত উপমহাদেশে প্রচণ্ড গরম পড়ে।
সবশেষ ২০১৫-২০১৬ সালে শক্তিশালী এল-নিনো তৈরি হয়েছিল। ২০২৩-২৪ এল-নিনো অারও ভয়াবহ হতে যাচ্ছে বলে আবহাওয়াবিদদের মত। ২০২৪ সাল সম্ভবত উষ্ণতম বছর হবে। লক্ষণীয়, ১৯৭২-৭৩ এল-নিনোতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠেছিল যা এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ।
#science #bee #facts #nino #bangladesh
😢6
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
জামায়াত ইসলামীর নেতাদের উপর যে অন্যায় করা হয়েছে এটা-ই তার প্রমাণ।।
সত্যের জয় হবে-ই হবে ইনশাআল্লাহ।
সত্যের জয় হবে-ই হবে ইনশাআল্লাহ।
🥰8
"হারাম রিলেশন বাদ দিয়েছি, সে প্রথম ভালোবাসা ছিল, অনেক স্বপ্ন দেখেছিলাম একসাথে কিন্তু আমি এটা হারাম জানার পর ছেড়ে চলে আসি কিন্তু তার ফেইসবুক পোস্ট সহ অনেক একটিভিটি এটাই প্রমাণ করে যে সে আমাকে অভিশাপ দেয়। এখন তার অভিশাপ কি আমার লাগবে? এই রিলেটেড অনেক ইনসিকিউরিটি ফিল হয়"
HRB: প্রথমত, বোন একজন নন-মাহরামের আইডি তে ঢুকার কোনো প্রয়োজন নেই। অনেকেই এভাবে ফিতনায় পরে যায়। আরো বেশি মোহে জড়িয়ে পরে। এছাড়া সে আপনার সাবেক হারাম সঙ্গী ছিল। তাই আপনি তার আইডিতে আর ঢুকবেন না। তাকে ব্লক করুন, প্রয়োজনে আপনার সিম চেঞ্জ করুন, আইডি পরিবর্তন করুন।
.
দ্বিতীয়ত, আল্লাহর নির্দেশ মানা বান্দার জন্য ফরজ। আল্লাহর নির্দেশ মানতে গিয়ে কেউ কষ্ট পেলে বা অভিশাপ দিলে, এতে আপনি আল্লাহর আরো বেশি প্রিয় হয়ে যাবেন ইনশা-আল্লাহ। কেননা আপনি মানুষ কে সন্তুষ্ট না করে আল্লাহর নির্দেশ মেনে আল্লাহ কে সন্তষ্ট করার চেষ্টা করছেন। এটা অনেক বড় ঈমাণের পরিচয় আলহামদুলিল্লাহ।
.
[সুনানে তিরমিযী :২৪১৪]
.
সুতরাং তার কোনো কথায় কান দিবেন না। আল্লাহর কাছে ভুলের জন্য তাওবা করুন। ঠিকভাবে ইসলাম প্যাক্টিস করুন। আমরা দো'আ করি আল্লাহ সেই অবুঝ ছেলেেটিকেও হেদায়েত দান করুন, আপনাকে হেফাজত রাখুন, আমিন।
.
[শারহুল আকীদা আল ওয়াসেতীয়াহ :৩০৪]
HRB: প্রথমত, বোন একজন নন-মাহরামের আইডি তে ঢুকার কোনো প্রয়োজন নেই। অনেকেই এভাবে ফিতনায় পরে যায়। আরো বেশি মোহে জড়িয়ে পরে। এছাড়া সে আপনার সাবেক হারাম সঙ্গী ছিল। তাই আপনি তার আইডিতে আর ঢুকবেন না। তাকে ব্লক করুন, প্রয়োজনে আপনার সিম চেঞ্জ করুন, আইডি পরিবর্তন করুন।
.
দ্বিতীয়ত, আল্লাহর নির্দেশ মানা বান্দার জন্য ফরজ। আল্লাহর নির্দেশ মানতে গিয়ে কেউ কষ্ট পেলে বা অভিশাপ দিলে, এতে আপনি আল্লাহর আরো বেশি প্রিয় হয়ে যাবেন ইনশা-আল্লাহ। কেননা আপনি মানুষ কে সন্তুষ্ট না করে আল্লাহর নির্দেশ মেনে আল্লাহ কে সন্তষ্ট করার চেষ্টা করছেন। এটা অনেক বড় ঈমাণের পরিচয় আলহামদুলিল্লাহ।
.
"যে ব্যক্তি মানুষকে অসন্তুষ্ট করে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করে, তার জন্য মানুষের মুকাবেলায় আল্লাহই যথেষ্ট হয়ে যান। আর যে ব্যক্তি আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করে মানুষকে সন্তুষ্ট করে মানুষেরা আল্লাহর মুকাবেলায় তার কোনে উপকারে আসবে না।"
[সুনানে তিরমিযী :২৪১৪]
.
সুতরাং তার কোনো কথায় কান দিবেন না। আল্লাহর কাছে ভুলের জন্য তাওবা করুন। ঠিকভাবে ইসলাম প্যাক্টিস করুন। আমরা দো'আ করি আল্লাহ সেই অবুঝ ছেলেেটিকেও হেদায়েত দান করুন, আপনাকে হেফাজত রাখুন, আমিন।
.
"যে ব্যক্তি মানুষকে নারাজ করে আল্লাহর সন্তুষ্টি চায়, তার উপর আল্লাহ সন্তুষ্ট থাকেন, আর মানুষকেও তার প্রতি সন্তুষ্ট করে দেন। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি আল্লাহকে নারাজ করে মানুষের সন্তুষ্টি চায়, তার উপর আল্লাহও অসন্তুষ্ট হন এবং মানুষকেও তার প্রতি অসন্তুষ্ট করে দেন।"
[শারহুল আকীদা আল ওয়াসেতীয়াহ :৩০৪]
❤10👍1🥰1
বয়কট চলুক:
ব্র্যাকের রেপুটেশন মানুষের সামনে ধ্বসিয়ে দেওয়া মূলত দুই কারণে বেশ জরুরি।
১. বাংলাদেশে ট্র্যাশ এজেন্ডার প্রধানমত পাপেট মাস্টার এরা
২. মানুষ ব্যাপকভাবে না জানলে বয়কট সফল হবে না, এরাও বাঁকবে না
ব্র্যাককে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার অনেক সুযোগ আছে। এদের অনেক ব্যবসা এদেশে। আড়ঙ, বিকাশসহ অনেক কিছু। তাই মানুষ ব্যাপকভাবে তাদেরকে বয়কট করলে এদের অনেক পলিসি ও কাজ পরিবর্তন করা সম্ভব।
তাহলে মানুষকে কীভাবে জানাবেন ব্র্যাক সম্পর্কে? কয়েকভাবে কাজ করা যায়।
১. শুধু অনলাইনে লেখালেখি করে কাজ হবে কম। কারণ এলগরিদমের কারণে লেখা শুধু একটা নির্দিষ্ট ঘরানার মানুষের কাছেই পৌঁছায়। সেদিক থেকে ভিডিও কার্যকরী হয় বেশি। একটু বেশি রিচ পেলে ব্যাপকভাবে পৌঁছাতে শুরু করে।
২. জনপ্রিয় বক্তা ও আলিমদেরকে ব্যাপারটা নিয়ে কথা বলতে উৎসাহ করা, তাদের বক্তব্য ক্লিপ ও রিলস করা। এ ধরণের বক্তব্য অনেক বেশি পৌঁছায় মানুষের কাছে। বিশেষ করে স্ট্যাবলিশড ওয়াজ মিডিয়াগুলোর ভাইদের এগিয়ে আসতে হবে। প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমেও তাদের কাছে ব্যাপারটা পৌঁছানো যায়।
৩. ব্যাপকভাবে পোস্টারিং করা। এ কালচারটা এক্টিভিজমে নতুন। সামাজিক রিজনে পোস্টারিং এর কালচার বাংলাদেশে সেভাবে নেই। আনতে হবে। ভালো রকম পোস্টারের ডিজাইন করে রাস্তায় বাংলা সিনেমার পোস্টারের মত করে জায়গায় জায়গায় লাগানো।
সহজে করার মত কিছু কাজ এগুলো। যাই করা হোক না কেন, কয়েকটা বিষয় ক্লিয়ার করে বলা থাকতে হবে।
১. ব্র্যাক কী করেছে
২. আসিফ মাহতাব স্যারের কন্ট্রোভার্সি
৩. বয়কটের ডাক ও ব্র্যাকের ব্যবসায়ের লিস্ট
ইনশাআল্লাহ এভাবে কাজ করা যায়।
~ Irfan Sadik
ব্র্যাকের রেপুটেশন মানুষের সামনে ধ্বসিয়ে দেওয়া মূলত দুই কারণে বেশ জরুরি।
১. বাংলাদেশে ট্র্যাশ এজেন্ডার প্রধানমত পাপেট মাস্টার এরা
২. মানুষ ব্যাপকভাবে না জানলে বয়কট সফল হবে না, এরাও বাঁকবে না
ব্র্যাককে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার অনেক সুযোগ আছে। এদের অনেক ব্যবসা এদেশে। আড়ঙ, বিকাশসহ অনেক কিছু। তাই মানুষ ব্যাপকভাবে তাদেরকে বয়কট করলে এদের অনেক পলিসি ও কাজ পরিবর্তন করা সম্ভব।
তাহলে মানুষকে কীভাবে জানাবেন ব্র্যাক সম্পর্কে? কয়েকভাবে কাজ করা যায়।
১. শুধু অনলাইনে লেখালেখি করে কাজ হবে কম। কারণ এলগরিদমের কারণে লেখা শুধু একটা নির্দিষ্ট ঘরানার মানুষের কাছেই পৌঁছায়। সেদিক থেকে ভিডিও কার্যকরী হয় বেশি। একটু বেশি রিচ পেলে ব্যাপকভাবে পৌঁছাতে শুরু করে।
২. জনপ্রিয় বক্তা ও আলিমদেরকে ব্যাপারটা নিয়ে কথা বলতে উৎসাহ করা, তাদের বক্তব্য ক্লিপ ও রিলস করা। এ ধরণের বক্তব্য অনেক বেশি পৌঁছায় মানুষের কাছে। বিশেষ করে স্ট্যাবলিশড ওয়াজ মিডিয়াগুলোর ভাইদের এগিয়ে আসতে হবে। প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমেও তাদের কাছে ব্যাপারটা পৌঁছানো যায়।
৩. ব্যাপকভাবে পোস্টারিং করা। এ কালচারটা এক্টিভিজমে নতুন। সামাজিক রিজনে পোস্টারিং এর কালচার বাংলাদেশে সেভাবে নেই। আনতে হবে। ভালো রকম পোস্টারের ডিজাইন করে রাস্তায় বাংলা সিনেমার পোস্টারের মত করে জায়গায় জায়গায় লাগানো।
সহজে করার মত কিছু কাজ এগুলো। যাই করা হোক না কেন, কয়েকটা বিষয় ক্লিয়ার করে বলা থাকতে হবে।
১. ব্র্যাক কী করেছে
২. আসিফ মাহতাব স্যারের কন্ট্রোভার্সি
৩. বয়কটের ডাক ও ব্র্যাকের ব্যবসায়ের লিস্ট
ইনশাআল্লাহ এভাবে কাজ করা যায়।
~ Irfan Sadik
❤7
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল সা. বলেছেন, যার আমানতদারী নেই তার ইমান নেই, যার পবিত্রতা নেই তার নামায নেই, যার নামাজ নেই তার দীন নেই, গোটা শরীরের মধ্যে মাথার যে মর্যাদা, দীন ইসলামে নামাযের সে মর্যাদা।
(মু'জামুস সাগীর)
(মু'জামুস সাগীর)
👍7
একটা কথা নোট করে রেখে দেন। যে কোন মুহুর্তে ইন্টারনেট/ইথারনেট শেষ হয়ে যাবে।
ইয়ামেনের হুতিরা আজকে সিদ্ধান্ত নিয়ে নিছে লোহিত সাগরের নিচ দিয়ে যত সাবমেরিন ক্যাবল(ইন্টারনেট ক্যাবল) গেছে তারা এইগুলাতে আক্রমন চালাবে শিগ্রি। মনে রাখবেন হুতিরা গত ৫ বছর ধরে সব পর্যবেক্ষন করে রাখছে। এইবার যদি ইস্রা"ইল না থামে। তাইলে তারা ক্যাবল কেটে দিবে। আর লোহিত সাগরের নিচ দিয়ে ৯৫% ইন্টারনেট এর ক্যাবল গেছে। আর যদি তারা আক্রমন চালায় তাইলে প্রথমদিন পুরা দুনিয়ায় ১০ ট্রিলিয়ন এর বেশি ক্ষতি হবে। পুরা দুনিয়া অন্ধকার হয়ে যাবে। ১০টা পারমানবিক বো'ম্ব মারার চেয়ে বেশি ক্ষতি হবে।
লাস্ট চান্স আজকে দিয়ে দিছে আম্রিকা এবং ইস্র"লকে।
#collected
ইয়ামেনের হুতিরা আজকে সিদ্ধান্ত নিয়ে নিছে লোহিত সাগরের নিচ দিয়ে যত সাবমেরিন ক্যাবল(ইন্টারনেট ক্যাবল) গেছে তারা এইগুলাতে আক্রমন চালাবে শিগ্রি। মনে রাখবেন হুতিরা গত ৫ বছর ধরে সব পর্যবেক্ষন করে রাখছে। এইবার যদি ইস্রা"ইল না থামে। তাইলে তারা ক্যাবল কেটে দিবে। আর লোহিত সাগরের নিচ দিয়ে ৯৫% ইন্টারনেট এর ক্যাবল গেছে। আর যদি তারা আক্রমন চালায় তাইলে প্রথমদিন পুরা দুনিয়ায় ১০ ট্রিলিয়ন এর বেশি ক্ষতি হবে। পুরা দুনিয়া অন্ধকার হয়ে যাবে। ১০টা পারমানবিক বো'ম্ব মারার চেয়ে বেশি ক্ষতি হবে।
লাস্ট চান্স আজকে দিয়ে দিছে আম্রিকা এবং ইস্র"লকে।
#collected
🥰8
সপ্তম শ্রেণীর বইয়ে শরিফ থেকে শরীফা হওয়ার গল্প দিয়ে সমকামী মতবাদ প্রতিষ্ঠা করতেছে। আর এখন হিন্দু ছেলে আর মুসলিম মেয়েদের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করতেছে। এর কিছু ঝলক দেখে নিন:
ক্লাস ৮ এর স্বাস্থ্য সুরক্ষা বই এর ১০২ নং পেজের গল্প দুইটা দেখুন। রাহেলা আর পঙ্কজের কেমিস্ট্রি দেখুন। পিকনিকে না গেলে মন খারাপ হবে পঙ্কজের। পিকনিক থেকে ফিরতে বেশ রাত হয়ে গেল। এগুলো কী পড়ানো হচ্ছে আমাদের সন্তানদের?
১০৩ নং পেজের গল্প ৪ দেখুন। সঞ্জয় ও আমেনা বয়ঃসন্ধির চেন্জ নিয়ে আরো জানতে চায়। বন্ধুরা মিলে আলোচনা করছে। এবারের কারিকুলাম আলোচনা নির্ভর। ওরা এসব নিয়ে আলোচনা করে লজ্জা ভাঙবে, তারপর ক্লোজআপ কাছে আসার গল্প তৈরি হবে। পঙ্কজ-রাহেলা, সঞ্জয়-আমেনা জুটিগুলো কোন রিং বেল করে?
ভারতের হিন্দুত্ববাদীদের কুখ্যাত #BhagwaLoveTrap বাংলাদেশের পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে এখন এদেশে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালাচ্ছে এরা।
ক্লাস ৮ এর স্বাস্থ্য সুরক্ষা বই এর ১০২ নং পেজের গল্প দুইটা দেখুন। রাহেলা আর পঙ্কজের কেমিস্ট্রি দেখুন। পিকনিকে না গেলে মন খারাপ হবে পঙ্কজের। পিকনিক থেকে ফিরতে বেশ রাত হয়ে গেল। এগুলো কী পড়ানো হচ্ছে আমাদের সন্তানদের?
১০৩ নং পেজের গল্প ৪ দেখুন। সঞ্জয় ও আমেনা বয়ঃসন্ধির চেন্জ নিয়ে আরো জানতে চায়। বন্ধুরা মিলে আলোচনা করছে। এবারের কারিকুলাম আলোচনা নির্ভর। ওরা এসব নিয়ে আলোচনা করে লজ্জা ভাঙবে, তারপর ক্লোজআপ কাছে আসার গল্প তৈরি হবে। পঙ্কজ-রাহেলা, সঞ্জয়-আমেনা জুটিগুলো কোন রিং বেল করে?
ভারতের হিন্দুত্ববাদীদের কুখ্যাত #BhagwaLoveTrap বাংলাদেশের পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে এখন এদেশে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালাচ্ছে এরা।
😢5
৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম শ্রেণীর শিল্প-সংস্কৃতি বই চারটা দেখলাম। কিছু অবজারভেশন শেয়ার করছি:
১.
সংগীতের ব্যাকরণ, স্বরলিপি, তাল কাহারবা, তাল দাদরা-তেওড়া এগুলো কেন লাখ লাখ শিক্ষার্থীর জানা প্রয়োজন? অভিভাবক নিজ উদ্যোগে বাচ্চাদের এসব শেখাতেন, যদি কেউ চান। পাঠ্যবইয়ে সবাইকে কেন এসব মুখস্ত করতে হবে?
২.
নাচের মুদ্রা, রস (মুখভঙ্গি) এসব কি এতোই গুরুত্বপূর্ণ শেখার বিষয়। এগুলো না শিখলে একজন মানুষের বিরাট ক্ষতি হয়ে যাবে? নিরেট সেক্যুলার উপকারিতার দিক থেকেও এসব গণহারে লাখ লাখ শিশুকে শেখানোর কী যৌক্তিকতা? জনগণের টাকা কি এতোই বেদামী। মানে এগুলোর জন্য পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা... বছরের পর বছর... ব্যয় করা কীভাবে যুক্তিসংগত?
৩.
বর্ষা উৎসব, শরত উৎসব, পৌষমেলা, বসন্তবরণ এগুলো কীভাবে সংস্কৃতি আমাদের? গ্রামেগঞ্জে মফস্বলে এসব হতে দেখেছেন কেউ? শুনেছেন? কেবল চারুকলা আর কিছু বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া এসব কোথায় কবে হয়েছে? এগুলোকে বাঙালি সংস্কৃতি বলে চালানোর কী উদ্দেশ্য।
৪.
ছেলেমেয়ে একসাথে নাচ, গান, অভিনয় করানোর ব্যাপারে অভিভাবকদের চিন্তা কি? কারিকুলামের ভিতর কেন এক্সট্রা কারিকুলার এক্টিভিটি। কারিকুলার আর এক্সট্রা কারিকুলারের মাঝে কোনো পার্থক্যই কি নেই?
১.
সংগীতের ব্যাকরণ, স্বরলিপি, তাল কাহারবা, তাল দাদরা-তেওড়া এগুলো কেন লাখ লাখ শিক্ষার্থীর জানা প্রয়োজন? অভিভাবক নিজ উদ্যোগে বাচ্চাদের এসব শেখাতেন, যদি কেউ চান। পাঠ্যবইয়ে সবাইকে কেন এসব মুখস্ত করতে হবে?
২.
নাচের মুদ্রা, রস (মুখভঙ্গি) এসব কি এতোই গুরুত্বপূর্ণ শেখার বিষয়। এগুলো না শিখলে একজন মানুষের বিরাট ক্ষতি হয়ে যাবে? নিরেট সেক্যুলার উপকারিতার দিক থেকেও এসব গণহারে লাখ লাখ শিশুকে শেখানোর কী যৌক্তিকতা? জনগণের টাকা কি এতোই বেদামী। মানে এগুলোর জন্য পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা... বছরের পর বছর... ব্যয় করা কীভাবে যুক্তিসংগত?
৩.
বর্ষা উৎসব, শরত উৎসব, পৌষমেলা, বসন্তবরণ এগুলো কীভাবে সংস্কৃতি আমাদের? গ্রামেগঞ্জে মফস্বলে এসব হতে দেখেছেন কেউ? শুনেছেন? কেবল চারুকলা আর কিছু বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া এসব কোথায় কবে হয়েছে? এগুলোকে বাঙালি সংস্কৃতি বলে চালানোর কী উদ্দেশ্য।
৪.
ছেলেমেয়ে একসাথে নাচ, গান, অভিনয় করানোর ব্যাপারে অভিভাবকদের চিন্তা কি? কারিকুলামের ভিতর কেন এক্সট্রা কারিকুলার এক্টিভিটি। কারিকুলার আর এক্সট্রা কারিকুলারের মাঝে কোনো পার্থক্যই কি নেই?
👍5