মাঝে মাঝে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা এমন কিছু ‘ক্ষতি’ থেকে আপনাকে ফিরিয়ে আনেন যেগুলোকে একদা আপনার কাছে ‘লাভ’ মনে হয়েছিলো।
কখনো কখনো তিনি আপনার জীবন থেকে এমন কিছু ‘বিপদ’ দূর করে দেন যেগুলোকে একদিন আপনি ‘সুযোগ’ ভেবেছিলেন।
আপনার জীবন থেকে মাঝে মাঝে তিনি এমন কিছু ‘মানুষ’কেও সরিয়ে দেন যাদেরকে একসময় আপনি ‘প্রিয়জন’ ভাবতেন।
কারণ, আপনার রব আপনাকে ভালোবাসেন৷
কারণ, তিনি ‘আল-ওয়াকীল’— আপনার নিঃস্বার্থ অভিভাবক।
কখনো কখনো তিনি আপনার জীবন থেকে এমন কিছু ‘বিপদ’ দূর করে দেন যেগুলোকে একদিন আপনি ‘সুযোগ’ ভেবেছিলেন।
আপনার জীবন থেকে মাঝে মাঝে তিনি এমন কিছু ‘মানুষ’কেও সরিয়ে দেন যাদেরকে একসময় আপনি ‘প্রিয়জন’ ভাবতেন।
কারণ, আপনার রব আপনাকে ভালোবাসেন৷
কারণ, তিনি ‘আল-ওয়াকীল’— আপনার নিঃস্বার্থ অভিভাবক।
❤12
'শরীফ থেকে শরীফা' গল্পের পাতা ছেড়ায় শিক্ষক মাহতাবকে চাকরিচ্যুত করেছে ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়। আপনি ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সিদ্ধান্ত সমর্থন করেন??
Anonymous Poll
5%
হ্যাঁ
95%
না
0%
মন্তব্য নেই
অল্প কথায় লিখে যাই জ্ঞানপাপীদের জন্য।
১। XY+টেসটিস+ মেইল সেকেন্ডারি সেক্সচুয়াল ক্যারেকটার = Male(পুরুষ)। এই পুরুষ অপারেশন করেও কখনো মা হতে পারবে না।
২। XX +ওভারি+ ফিমেল সেকেন্ডারি সেক্সুয়াল ক্যারেকটার= Female (নারী)। এই নারী অপারেশন করেও কখনো বাবা হতে পারবে না।
এখন হিজড়াতে আসি, এখানে বহু ভ্যারাইটি আছে, তবে এদেরকে মোটাদাগে ৩ভাগে ভাগ করি।
৩। কমপ্লেক্স হিজড়া ( True hermaphrodite) এদের বিষয়টা কমপ্লেক্স। অনেক সময় টেসটিস, ওভারি একসাথে থাকতে পারে। এদের প্রকৃত সেক্স ডিটারমাইন করা টাফ। এরা সংখ্যায় অতিনগন্য।
৪। মেল প্রিডমিনেন্ট হিজড়া ( Male pseudohermaphrodite) XY+টেসটিস+ ফিমেল সেকেন্ডারি। এরা ইন্টারনালি মেইল, এক্সটারনালি ফিমেল। এদের মেডিকেল ও সার্জিকাল ট্রিটমেন্টের পর বাবা হবারও সুযোগ থাকে।
৫। ফিমেল প্রিডমিনেন্ট হিজড়া ( Female pseudohermaphrodite) XX + ওভারি+ মেল সেকেন্ডারি। এরা ইন্টারনালি ফিলেম, এক্নটারনালি মেইল। মেডিকেল ও সার্জিকাল ট্রিটমেন্টের পর এদের মা হবার সুযোগ থাকছে।
এখানে ১ পুরুষ, ২ নারী, ৩,৪,৫ হিজড়া।
তাহলে গন্ডার কারা? যারা ১ থেকে ২ হতে চায় অথবা ২ থেকে ১ হতে চায় যেটা কখনোই পসিবল না। এদের কারো কারো জেন্ডার ডিস্ফোরিয়া থাকে যা একটা মানসিক সমস্যা।এটার জন্য অধিকার নয়, চিকিৎসা দরকার।
তবে বঙ্গীয় গন্ডার গ্রুপের বেশিরভাগই বটম পায়ুকামী যারা অন্য পুরুষের কাছে নিজেদের পায়ুপথ নিবেদন করে। এটাকে সুচারুরূপে করার জন্য তারা রুপান্তরের পথ বেছে নেয়।
কথা ক্লিয়ার নাকি ভিডিও লাগবে??
~লিখেছেন : ডাক্তার মেহেদী হাসান
১। XY+টেসটিস+ মেইল সেকেন্ডারি সেক্সচুয়াল ক্যারেকটার = Male(পুরুষ)। এই পুরুষ অপারেশন করেও কখনো মা হতে পারবে না।
২। XX +ওভারি+ ফিমেল সেকেন্ডারি সেক্সুয়াল ক্যারেকটার= Female (নারী)। এই নারী অপারেশন করেও কখনো বাবা হতে পারবে না।
এখন হিজড়াতে আসি, এখানে বহু ভ্যারাইটি আছে, তবে এদেরকে মোটাদাগে ৩ভাগে ভাগ করি।
৩। কমপ্লেক্স হিজড়া ( True hermaphrodite) এদের বিষয়টা কমপ্লেক্স। অনেক সময় টেসটিস, ওভারি একসাথে থাকতে পারে। এদের প্রকৃত সেক্স ডিটারমাইন করা টাফ। এরা সংখ্যায় অতিনগন্য।
৪। মেল প্রিডমিনেন্ট হিজড়া ( Male pseudohermaphrodite) XY+টেসটিস+ ফিমেল সেকেন্ডারি। এরা ইন্টারনালি মেইল, এক্সটারনালি ফিমেল। এদের মেডিকেল ও সার্জিকাল ট্রিটমেন্টের পর বাবা হবারও সুযোগ থাকে।
৫। ফিমেল প্রিডমিনেন্ট হিজড়া ( Female pseudohermaphrodite) XX + ওভারি+ মেল সেকেন্ডারি। এরা ইন্টারনালি ফিলেম, এক্নটারনালি মেইল। মেডিকেল ও সার্জিকাল ট্রিটমেন্টের পর এদের মা হবার সুযোগ থাকছে।
এখানে ১ পুরুষ, ২ নারী, ৩,৪,৫ হিজড়া।
তাহলে গন্ডার কারা? যারা ১ থেকে ২ হতে চায় অথবা ২ থেকে ১ হতে চায় যেটা কখনোই পসিবল না। এদের কারো কারো জেন্ডার ডিস্ফোরিয়া থাকে যা একটা মানসিক সমস্যা।এটার জন্য অধিকার নয়, চিকিৎসা দরকার।
তবে বঙ্গীয় গন্ডার গ্রুপের বেশিরভাগই বটম পায়ুকামী যারা অন্য পুরুষের কাছে নিজেদের পায়ুপথ নিবেদন করে। এটাকে সুচারুরূপে করার জন্য তারা রুপান্তরের পথ বেছে নেয়।
কথা ক্লিয়ার নাকি ভিডিও লাগবে??
~লিখেছেন : ডাক্তার মেহেদী হাসান
❤5👍3
❛কিয়ামতের দিন স্ত্রী তার স্বামীর ব্যাপারে আল্লাহর কাছে অভিযোগ করে বলবেঃ সে আমাকে শিষ্টাচার ও ধর্মীয় কিছু শিক্ষা দিতো না ৷ হাট-বাজার থেকে শুধু রুটি-রুজি নিয়ো আসতো!❜
[তাফসীর আছ-সামআনী: ৫/৪৭৫]
সংগৃহীত
[তাফসীর আছ-সামআনী: ৫/৪৭৫]
সংগৃহীত
😢10
কোনো ছাত্রসংগঠনের ওপর রাষ্ট্রীয়ভাবে হত্যা, গুম ও সর্বগ্রাসী জুলুমের ইতিহাস বিরল। তবুও ছাত্রশিবির আল্লাহর সাহায্যে স্বমহিমায় টিকে আছে এবং সব বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে চলেছে। এর মূল কারণ আমরা মহান আল্লাহর প্রতি অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস রেখে পথ চলি। আমাদের জনশক্তিদের রক্ত পিচ্ছিল পথ আমাদের ভীত করে না; বরং ইমানিয়াতের সাথে শক্তি জোগায়। আমাদের ভ্রাতৃত্ব ও ভালোবাসা আমাদের চলার পথকে আরো মজবুত করে।
আমাদের শিক্ষা আন্দোলন ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখায়। আমরা মনজিলে পৌঁছানো আগপর্যন্ত সামান্য সময়ের জন্য ক্ষান্ত হবো না। দাওয়াতি কাজের মাধ্যমে সংগঠনের বিস্তৃতি ও মজবুতির পাশাপাশি দেশ, ইসলাম ও শিক্ষাবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রাম আরো তীব্র হবে, ইনশাআল্লাহ।”
মুহতারাম মঞ্জুরুল ইসলাম
কেন্দ্রীয় সভাপতি
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির
আমাদের শিক্ষা আন্দোলন ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখায়। আমরা মনজিলে পৌঁছানো আগপর্যন্ত সামান্য সময়ের জন্য ক্ষান্ত হবো না। দাওয়াতি কাজের মাধ্যমে সংগঠনের বিস্তৃতি ও মজবুতির পাশাপাশি দেশ, ইসলাম ও শিক্ষাবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রাম আরো তীব্র হবে, ইনশাআল্লাহ।”
মুহতারাম মঞ্জুরুল ইসলাম
কেন্দ্রীয় সভাপতি
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির
❤15
~আল্লাহর অভিশাপ এদের উপর!সম*ক|মিত|র শ|স্তি হলো সম*ক|মী উভয়কে হ/ত্যা করা।
•ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, নবী কারীম (সাঃ) বলেছেন, “তোমরা যাকে লূত (আঃ)-এর সম্প্রদায়ের মত পুরুষে পুরুষে অ*প*ক*র্ম করতে দেখবে তাদের উভয়কে হ/ত্যা করো।”
[তিরমিযী হা/১৪৫৬; আবুদাঊদ হা/৪৪৬২; মিশকাত হা/৩৫৭৫]
.
•তিনি আরো বলেন, “আল্লাহ তা’আলা কওমে লূতের ন্যায় অ*প*ক*র্মকারীদের প্রতি লা*নত করেছেন, তিনি একথাটি তিনবার বললেন।”
[আহমাদ হা/২৯১৫; ছহীহ হা/৩৪৬২]
•ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, নবী কারীম (সাঃ) বলেছেন, “তোমরা যাকে লূত (আঃ)-এর সম্প্রদায়ের মত পুরুষে পুরুষে অ*প*ক*র্ম করতে দেখবে তাদের উভয়কে হ/ত্যা করো।”
[তিরমিযী হা/১৪৫৬; আবুদাঊদ হা/৪৪৬২; মিশকাত হা/৩৫৭৫]
.
•তিনি আরো বলেন, “আল্লাহ তা’আলা কওমে লূতের ন্যায় অ*প*ক*র্মকারীদের প্রতি লা*নত করেছেন, তিনি একথাটি তিনবার বললেন।”
[আহমাদ হা/২৯১৫; ছহীহ হা/৩৪৬২]
😢10
"শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমেই একটি সৎ দক্ষ যোগ্য জাতি গড়ে তোলা যায়। বর্তমান শিক্ষাক্রম এই প্রজন্মকে ইসলাম বিদ্বেষী করে তুলবে। সমাজব্যবস্থা ধ্বংস ও অপরাধ বৃদ্ধির এটাই কারণ।"
- মঞ্জুরুল ইসলাম
কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির
#SaveEducation
#SaveGeneration
#ReformEducation
- মঞ্জুরুল ইসলাম
কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির
#SaveEducation
#SaveGeneration
#ReformEducation
❤11
"আমি তোমাদের মাঝে দুটি জিনিস রেখে যাচ্ছি,যতক্ষন তোমরা এই দুটিকে আকড়ে ধরে রাখবে ততক্ষন তোমরা কেউ পথভ্রষ্ট হবে না| আর তা হলো আল্লাহর কিতাব ও আমার সুন্নাহ।"
.
-মুয়াত্তা ইমাম মালেক, হাঃ ৩৩৩৮
.
-মুয়াত্তা ইমাম মালেক, হাঃ ৩৩৩৮
❤11
একদিন এক ছোট মসজিদে মাগরিবের সালাত আদায়ের জন্য দাঁড়িয়ে আছি। আজান হয়ে গেছে। দেখলাম জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান ভারপ্রাপ্ত আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান ঢুকলেন। ঢুকেই আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, ২ রাকাত সলাত কি আদায় করবো?
আমি জবাব দিলাম, "ঈমাম সাহেব দাড়িয়ে যান কিনা"!
বিনয়ের সাথে তিনি বললেন- "তাহলে থাক, সবাই অভ্যস্ত না হলে"
আমি শিক্ষা পেলাম- নফল আমলের জন্য ফেতনা সৃষ্টি না হয়। (বাংলাদেশে মাগরিবের আজানের পরে জামায়াতের আগে নফল সালাতে মানুষ অভ্যস্ত না) চেষ্টা করা উচিত এসব বিলুপ্ত আমল সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা। কিন্তু ফেতনা ছড়ানো উচিত নয়।
তাঁর সাথে যে দুই একজন ছিলেন তারা যার সাথেই পরিচয় করিয়ে দিলেন সকলকেই তিনি জানতে চাইলেন "কুরআন অর্থসহ পড়া হয়? এটা পড়তেই হবে নাহয় কেয়ামতের দিন অন্ধ হিসেবে উঠতে হবে"।
চমৎকার নসিহতটি আমার অন্তরে গেঁথে গেল।
তাঁর সুন্দর করে কথা বলা, আচরণ আমাকে মুগ্ধ করেছে। জামায়াতের মত এত বড় একটা সংগঠনের প্রথম ব্যক্তি, নাই কোন অহংকার, চলা ফেরা সাবলিল, সাথে নাই বড় কোন দলবল। আল্লাহ তা'য়ালা তাকে হায়াতে তাইয়্যেবাহ দান করুন। সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেয়ার তৌফিক দিন।
- হাসান নোমান
আমি জবাব দিলাম, "ঈমাম সাহেব দাড়িয়ে যান কিনা"!
বিনয়ের সাথে তিনি বললেন- "তাহলে থাক, সবাই অভ্যস্ত না হলে"
আমি শিক্ষা পেলাম- নফল আমলের জন্য ফেতনা সৃষ্টি না হয়। (বাংলাদেশে মাগরিবের আজানের পরে জামায়াতের আগে নফল সালাতে মানুষ অভ্যস্ত না) চেষ্টা করা উচিত এসব বিলুপ্ত আমল সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা। কিন্তু ফেতনা ছড়ানো উচিত নয়।
তাঁর সাথে যে দুই একজন ছিলেন তারা যার সাথেই পরিচয় করিয়ে দিলেন সকলকেই তিনি জানতে চাইলেন "কুরআন অর্থসহ পড়া হয়? এটা পড়তেই হবে নাহয় কেয়ামতের দিন অন্ধ হিসেবে উঠতে হবে"।
চমৎকার নসিহতটি আমার অন্তরে গেঁথে গেল।
তাঁর সুন্দর করে কথা বলা, আচরণ আমাকে মুগ্ধ করেছে। জামায়াতের মত এত বড় একটা সংগঠনের প্রথম ব্যক্তি, নাই কোন অহংকার, চলা ফেরা সাবলিল, সাথে নাই বড় কোন দলবল। আল্লাহ তা'য়ালা তাকে হায়াতে তাইয়্যেবাহ দান করুন। সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেয়ার তৌফিক দিন।
- হাসান নোমান
❤13
ভারতের হিন্দুত্ববাদীদের দ্বারা বাবরি মসজিদ ভেঙ্গে সেখানে রামমন্দির প্রতিষ্ঠা করায় বাংলাদেশ থেকে যারা বুনো উল্লাস করছে তাদের চিহ্নিত করুন। এরা এদেশের মুসলমানদের চিরশত্রু।
#BabriMosque
#BabriZindaHai
#BabriMosque
#BabriZindaHai
🥰8👍4
❝নিশ্চয় যারা তাদের পালনকর্তাকে না দেখে ভয় করে, তাদের জন্যে রয়েছে ক্ষমা ও মহাপুরস্কার।❞
[সূরা আল-মুলক
আয়াত- ১২]
[সূরা আল-মুলক
আয়াত- ১২]
❤15
প্রাচীন রোমে যখন রোমান সেনাবাহিনী যুদ্ধজয় করে ফিরত, তখন একদল লোক বিজয়ী সৈন্যদের কানে কানে বলতো— Memento Mori। অর্থাৎ— ‘মনে রেখো, একদিন কিন্তু তুমিও মরবে।’
‘আমরা অমর’— যুদ্ধজয়ের ফলে রোমান সৈন্যবাহিনীর মনে যেন এ ধারণা বদ্ধমূল হয়ে না যায় সে কারণে এই ব্যবস্থা। যাতে তাদের পা মাটিতে থাকে, অহংকার আর অহমিকায় তারা যেন জীবনের পরম সত্য ‘মৃত্যু’কে ভুলে না যায়।
‘আমরা অমর’— যুদ্ধজয়ের ফলে রোমান সৈন্যবাহিনীর মনে যেন এ ধারণা বদ্ধমূল হয়ে না যায় সে কারণে এই ব্যবস্থা। যাতে তাদের পা মাটিতে থাকে, অহংকার আর অহমিকায় তারা যেন জীবনের পরম সত্য ‘মৃত্যু’কে ভুলে না যায়।
❤10👍1
~ শরিফার গল্প ~
ছোটোবেলা থেকেই আমি অন্যদের মতো না। মা-বাবা আমাকে সবার আড়ালে আড়ালে রাখতো। বাসায় মেহমান এলে আমার ভাই-বোন সামনে যেত, কিন্তু আমাকে যেতে দিতো না। আমি তাদের সামনে গেলে মা রাগ করতো, এতে নাকি তাদের মানসম্মান নষ্ট হয়। আমি তখন বুঝতাম না, কেন আমার সাথে এমন করা হচ্ছে। মনে ভীষণ কষ্ট পেতাম।
আমাকে বকা দেবার সময় মা-বাবা নিজেরাও কাঁদতেন। আমি বুঝতাম আমাকে নিয়ে তারা লজ্জায় পড়ে যান। একসময় সবকিছু থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিলাম। বড় হতে হতে বুঝলাম, আমি আমার বোনের মতোও (নারীও) না, আবার ভাইয়ের মতোও (পুরুষও) না। ছেলেদের মতো পোশাকআশাক পরতাম, কিন্তু চালচলনে মেয়েদের মতো কিছু বৈশিষ্ট্য ছিল বলে ছেলেরা টিজ করতো, কষ্ট পেতাম। মেয়েরাও মিশতে চাইতো না কিছু ছেলে-ছেলে বৈশিষ্ট্য ছিল বলে।
আত্মীয়-স্বজন, পাড়াপ্রতিবেশীরাও দূর দূর করতো। তারা চাইতো না, আমি তাদের বাচ্চাদের সাথে খেলি, তাদের বাসায় যাই। এভাবেই কেটে গেল শৈশব-কৈশোর।
বড়ভায়ের প্রথম বাবু যখন হলো, এক দল হিজড়া এলো বাসায়। ওদের মাঝে একজন ছিল আমারই বয়সী, নাম রিক্তা। ওর সাথে খানিকক্ষণ গল্পসল্প করতেই বুঝলাম, আমার সমস্যাটা কী। রিক্তা আমাকে বললো, আমরা নারীও নই, পুরুষও নই। আমরা হিজড়া (৩য় লিঙ্গ)। আমাদের জন্ম থেকেই যৌনাঙ্গ স্বাভাবিক নারী-পুরুষের মতো না। বলা যায় আমরাও এক ধরনের প্রতিবন্ধী, লিঙ্গপ্রতিবন্ধী। আল্লাহ আমাদেরকে এভাবেই সৃষ্টি করেছেন। সবাইকে আল্লাহ পরীক্ষা করছেন। কাউকে সম্পদ দিয়ে, কাউকে না দিয়ে। কাউকে চোখ দিয়ে, কাউকে না দিয়ে। আমাদের জন্য পরীক্ষা এটা।
রিক্তা: শোন শরিফা, ১০০ জনে ১ জন বাচ্চা অস্পষ্ট লিঙ্গ নিয়ে জন্ম নিতে পারে। তাদের মাঝেও অধিকাংশেরই বয়ঃসন্ধিতে লিঙ্গ স্পষ্ট হয়ে যায়। তারা স্বাভাবিক জীবযাপনও করতে পারে। বিয়েশাদী, সন্তান জন্মদানও করতে পারে। তবে কারও কারও অস্পষ্টই রয়ে যায়। সেক্ষেত্রে ইসলামী নিয়ম হল, তার আচরণ-লক্ষণ-অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিচার করে তাকে নারী-পুরুষ কোনো একটা ক্যাটাগরিতে ফেলে দেয়া। অপারেশন দরকার হলে অপারেশন করে অস্পষ্টতা দূর করা। এরপর সে স্বাভাবিক নারী/পুরুষের মতোই জীবন পাবে। সমাজেই থাকবে, কোনো হিজড়াপল্লীতে না। পিতার সম্পত্তি পাবে, তথ্য গোপন না করে বিবাহশাদীও করতে পারবে।
৩য় লিঙ্গ বলে ইসলামে কিছু নেই। আর দশটা মানুষের মতো আমরাও পেতাম স্বাভাবিক জীবন, যদি আজ ইসলাম বিজয়ী থাকতো, ইসলামী শাসন থাকতো।
শরিফা : তুই এতোকিছু কীভাবে জানলি।
রিক্তা: আমাদের হিজড়াপল্লীর পাশে হুজুররা মাদরাসা খুলেছে। সেখানে জেনেছি। তুই আমাদের সাথে চল, আমার বান্ধবী হয়ে থাকবি।
সেই থেকে আমি হিজড়াপল্লীতেই থাকি। একজন গুরু-মা আমাদের সর্দার। আমি আর একা নই। এখানকার নিয়ম-কানুন, ভাষা, রীতিনীতির সাথে মানিয়ে নিয়েছি। এখানে হিজড়াদের মাদরাসা আছে, সেখানে আমরা পড়ি। কম্পিউটারের কাজ শিখেছি। ফ্রিল্যান্সিং শিখেছি। মাঝে মাঝে বাড়িতে গিয়ে বাবা-মাকে দেখে আসি। তাদের জন্য উপহার কিনে নিয়ে যাই। আমাকে খুশি দেখে তারাও খুব খুশি।
ছোটোবেলা থেকেই আমি অন্যদের মতো না। মা-বাবা আমাকে সবার আড়ালে আড়ালে রাখতো। বাসায় মেহমান এলে আমার ভাই-বোন সামনে যেত, কিন্তু আমাকে যেতে দিতো না। আমি তাদের সামনে গেলে মা রাগ করতো, এতে নাকি তাদের মানসম্মান নষ্ট হয়। আমি তখন বুঝতাম না, কেন আমার সাথে এমন করা হচ্ছে। মনে ভীষণ কষ্ট পেতাম।
আমাকে বকা দেবার সময় মা-বাবা নিজেরাও কাঁদতেন। আমি বুঝতাম আমাকে নিয়ে তারা লজ্জায় পড়ে যান। একসময় সবকিছু থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিলাম। বড় হতে হতে বুঝলাম, আমি আমার বোনের মতোও (নারীও) না, আবার ভাইয়ের মতোও (পুরুষও) না। ছেলেদের মতো পোশাকআশাক পরতাম, কিন্তু চালচলনে মেয়েদের মতো কিছু বৈশিষ্ট্য ছিল বলে ছেলেরা টিজ করতো, কষ্ট পেতাম। মেয়েরাও মিশতে চাইতো না কিছু ছেলে-ছেলে বৈশিষ্ট্য ছিল বলে।
আত্মীয়-স্বজন, পাড়াপ্রতিবেশীরাও দূর দূর করতো। তারা চাইতো না, আমি তাদের বাচ্চাদের সাথে খেলি, তাদের বাসায় যাই। এভাবেই কেটে গেল শৈশব-কৈশোর।
বড়ভায়ের প্রথম বাবু যখন হলো, এক দল হিজড়া এলো বাসায়। ওদের মাঝে একজন ছিল আমারই বয়সী, নাম রিক্তা। ওর সাথে খানিকক্ষণ গল্পসল্প করতেই বুঝলাম, আমার সমস্যাটা কী। রিক্তা আমাকে বললো, আমরা নারীও নই, পুরুষও নই। আমরা হিজড়া (৩য় লিঙ্গ)। আমাদের জন্ম থেকেই যৌনাঙ্গ স্বাভাবিক নারী-পুরুষের মতো না। বলা যায় আমরাও এক ধরনের প্রতিবন্ধী, লিঙ্গপ্রতিবন্ধী। আল্লাহ আমাদেরকে এভাবেই সৃষ্টি করেছেন। সবাইকে আল্লাহ পরীক্ষা করছেন। কাউকে সম্পদ দিয়ে, কাউকে না দিয়ে। কাউকে চোখ দিয়ে, কাউকে না দিয়ে। আমাদের জন্য পরীক্ষা এটা।
রিক্তা: শোন শরিফা, ১০০ জনে ১ জন বাচ্চা অস্পষ্ট লিঙ্গ নিয়ে জন্ম নিতে পারে। তাদের মাঝেও অধিকাংশেরই বয়ঃসন্ধিতে লিঙ্গ স্পষ্ট হয়ে যায়। তারা স্বাভাবিক জীবযাপনও করতে পারে। বিয়েশাদী, সন্তান জন্মদানও করতে পারে। তবে কারও কারও অস্পষ্টই রয়ে যায়। সেক্ষেত্রে ইসলামী নিয়ম হল, তার আচরণ-লক্ষণ-অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিচার করে তাকে নারী-পুরুষ কোনো একটা ক্যাটাগরিতে ফেলে দেয়া। অপারেশন দরকার হলে অপারেশন করে অস্পষ্টতা দূর করা। এরপর সে স্বাভাবিক নারী/পুরুষের মতোই জীবন পাবে। সমাজেই থাকবে, কোনো হিজড়াপল্লীতে না। পিতার সম্পত্তি পাবে, তথ্য গোপন না করে বিবাহশাদীও করতে পারবে।
৩য় লিঙ্গ বলে ইসলামে কিছু নেই। আর দশটা মানুষের মতো আমরাও পেতাম স্বাভাবিক জীবন, যদি আজ ইসলাম বিজয়ী থাকতো, ইসলামী শাসন থাকতো।
শরিফা : তুই এতোকিছু কীভাবে জানলি।
রিক্তা: আমাদের হিজড়াপল্লীর পাশে হুজুররা মাদরাসা খুলেছে। সেখানে জেনেছি। তুই আমাদের সাথে চল, আমার বান্ধবী হয়ে থাকবি।
সেই থেকে আমি হিজড়াপল্লীতেই থাকি। একজন গুরু-মা আমাদের সর্দার। আমি আর একা নই। এখানকার নিয়ম-কানুন, ভাষা, রীতিনীতির সাথে মানিয়ে নিয়েছি। এখানে হিজড়াদের মাদরাসা আছে, সেখানে আমরা পড়ি। কম্পিউটারের কাজ শিখেছি। ফ্রিল্যান্সিং শিখেছি। মাঝে মাঝে বাড়িতে গিয়ে বাবা-মাকে দেখে আসি। তাদের জন্য উপহার কিনে নিয়ে যাই। আমাকে খুশি দেখে তারাও খুব খুশি।
❤5👍1