১৯৯২ সালের ৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারতের অযোধ্যায় যেখানে প্রায় ৫০০ বছর পুরনো বাবরি মসজিদ ছিল, সেই জায়গাতেই ২০২০ সালের ৫ আগস্ট নরেন্দ্র মোদী রামমন্দির নির্মানের সূচনা করেছিল। যেটি মহাসমারোহে আজ (২২শে জানুয়ারি, ২০২৪) উদ্বোধন হবে।
প্রাণের বাবরি মসজিদ (১৫২৮ থেকে ১৯৯২)
#BabriMosque
প্রাণের বাবরি মসজিদ (১৫২৮ থেকে ১৯৯২)
#BabriMosque
😢13
আলোর পথ
Photo
বাবরি তোমার মিনার হতে
আবার আজান হবে—
আমরা লড়েছি; লড়বে ওরাও
আসছে যারা ভবে।
• আবার আজান হবে— ইনশাআল্লাহ!
আবার আজান হবে—
আমরা লড়েছি; লড়বে ওরাও
আসছে যারা ভবে।
• আবার আজান হবে— ইনশাআল্লাহ!
❤17
বেশি কিছু লাগবে না ব্র্যাকের দুইটা প্রতিষ্ঠান আড়ং আর বিকাশ বয়কট করুন, তাদের ব্যাংকে লেনদেন করা বন্ধ করে দিন, এক সপ্তাহের ভিতর এরা ক্ষমা চাইতে বাধ্য হবে।
মনে আছে?
আড়ংয়ে একজনের চাকরি হয়নি, শুধু দাঁড়ি থাকার কারণে! আপনারা প্রতিবাদ করছিলেন, একদিন পর আড়ং ক্ষমা চাইতে বাধ্য হয়েছিল।
#BoycottBkash
#BoycottBracBank
#BoycottAarong
#BoycottBracUniversity
মনে আছে?
আড়ংয়ে একজনের চাকরি হয়নি, শুধু দাঁড়ি থাকার কারণে! আপনারা প্রতিবাদ করছিলেন, একদিন পর আড়ং ক্ষমা চাইতে বাধ্য হয়েছিল।
#BoycottBkash
#BoycottBracBank
#BoycottAarong
#BoycottBracUniversity
Telegram
আলোর পথ
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
❤4
পৃথিবীর প্রতিটি কোণে স্থাপিত প্রতিটি মসজিদ আমাদের জাতিসত্তার পরিচয়। প্রতিটি মসজিদ আমাদের হৃদয়ের সুড়ঙ্গের একেকটি শিকড়। ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ভেঙ্গে তদস্থলে রাম মন্দির স্থাপন কোনো স*ভ্যের কাজ হতে পারে না। এটি ভারত ও মোদি সরকারের সাম্প্রদায়িক সংকীর্ণতার স্পষ্ট দৃষ্টান্ত।
#BabriMasjid
#BabriMasjid
❤16
পুজিবাদের একমাত্র খোদা হলো টাকা। এই খোদাকে পেতে ওরা মানুষের গু খেতেও রাজি, আবার গু খাওয়াতেও রাজি। ব্রাক এনজিও নামে হলেও এরা একটা পুজিবাদি সংস্থান। তাই তাদের টাকার খোদাকে আপনি নাড়া দিন তাদের সমস্ত সত্তা নেড়ে উঠবে।
.
ব্রাকের বিকাশকে অবশ্যই হয়তো অনেকের সারাজীবনের জন্য বয়কট সম্ভব না। হয়তো আপনার অনেক ব্যবসা এটার মাধ্যমে হয়। কিন্তু আপনি একদিন, দুইদিন, তিনদিন বা আপনার যতদিনের সাধ্য আছে সে কয়দিনের জন্যই করুন। আপনি একদিনের জন্য হলেও আপনার সমস্ত টাকা বিকাশ থেকে উঠিয়ে নিন। পরে আবার রাখেন। কিন্তু মনে রাখবেন এই সামান্য সময়ে ওদের মনে যেমন ভয় ঢুকবে তেমনি মুসলমানরা একটা সাময়িক শক্তি পাবে। বিশ্বাস করেন, রাজপথের আন্দোলন আর মিছিল-মিটিংয়ের চেয়ে ওদের সম্পদ কামানোর উৎসগুলোতে আঘাত ওদেরকে আপনার পায়ের কাছে আরো বেশি মাথানুয়াতে বাধ্য করবে। - আব্দুল্লাহ বিন বশির
🍀বেশ কিছুদিন আগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর মুখ (হিজাব না খোলায়) না দেখানোর কারণে ভাইবা নেয়া হয়নি।
🍀গতকালকের আর্টিকেল গুলো পড়লে দেখবেন গুটিকয়েক আমেরিকা, ইস-রা/য়েল দের গোলাম গুলো আমাদেরকে স্বাধীনতার বুলি শেখায়, ওরাই বলবে পোশাকের স্বাধীনতা চাই আবার ওরাই বলবে হিজাব পরা যাবে না। গত ক বছর ধরে এসব হচ্ছে?
এটাই সময় নিজ জায়গা থেকে প্রতিবাদ করুন। এটলিস্ট একটা করে ফেসবুক পোস্ট করুন, বাসার সবাইকে জানান। ক্লাস ৬,৭ এ পড়ুয়া কেউ থাকলে তার বাসায় গিয়ে অভিাবককে বইগুলো পড়ে শোনান। সে বইয়ের পাতা ছিড়ে ফেলে দিন।
এখনই সময় প্রতিবাদের, কাল কিয়ামতের দিন যেন আমরা বলতে পারি,ইয়া আল্লাহ আমরা ঘৃণা করেই বসে থাকিনি, আমরা প্রতিবাদ করেছি, আমরা এসব নষ্ট জিনিস নিজ হাতে ধ্বংস করেছি। আমাদের হাত, মুখ যেনো সাক্ষ্য দেয়... ইন শা আল্লাহ। (বয়কট বিক্যাশ টু)
.
ব্রাকের বিকাশকে অবশ্যই হয়তো অনেকের সারাজীবনের জন্য বয়কট সম্ভব না। হয়তো আপনার অনেক ব্যবসা এটার মাধ্যমে হয়। কিন্তু আপনি একদিন, দুইদিন, তিনদিন বা আপনার যতদিনের সাধ্য আছে সে কয়দিনের জন্যই করুন। আপনি একদিনের জন্য হলেও আপনার সমস্ত টাকা বিকাশ থেকে উঠিয়ে নিন। পরে আবার রাখেন। কিন্তু মনে রাখবেন এই সামান্য সময়ে ওদের মনে যেমন ভয় ঢুকবে তেমনি মুসলমানরা একটা সাময়িক শক্তি পাবে। বিশ্বাস করেন, রাজপথের আন্দোলন আর মিছিল-মিটিংয়ের চেয়ে ওদের সম্পদ কামানোর উৎসগুলোতে আঘাত ওদেরকে আপনার পায়ের কাছে আরো বেশি মাথানুয়াতে বাধ্য করবে। - আব্দুল্লাহ বিন বশির
🍀বেশ কিছুদিন আগে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর মুখ (হিজাব না খোলায়) না দেখানোর কারণে ভাইবা নেয়া হয়নি।
🍀গতকালকের আর্টিকেল গুলো পড়লে দেখবেন গুটিকয়েক আমেরিকা, ইস-রা/য়েল দের গোলাম গুলো আমাদেরকে স্বাধীনতার বুলি শেখায়, ওরাই বলবে পোশাকের স্বাধীনতা চাই আবার ওরাই বলবে হিজাব পরা যাবে না। গত ক বছর ধরে এসব হচ্ছে?
এটাই সময় নিজ জায়গা থেকে প্রতিবাদ করুন। এটলিস্ট একটা করে ফেসবুক পোস্ট করুন, বাসার সবাইকে জানান। ক্লাস ৬,৭ এ পড়ুয়া কেউ থাকলে তার বাসায় গিয়ে অভিাবককে বইগুলো পড়ে শোনান। সে বইয়ের পাতা ছিড়ে ফেলে দিন।
এখনই সময় প্রতিবাদের, কাল কিয়ামতের দিন যেন আমরা বলতে পারি,ইয়া আল্লাহ আমরা ঘৃণা করেই বসে থাকিনি, আমরা প্রতিবাদ করেছি, আমরা এসব নষ্ট জিনিস নিজ হাতে ধ্বংস করেছি। আমাদের হাত, মুখ যেনো সাক্ষ্য দেয়... ইন শা আল্লাহ। (বয়কট বিক্যাশ টু)
❤8
আমার ধর্ম বলে, এখন মসজিদের ভূমিতে যদি ১০০টিও মন্দির নির্মাণ করা হয়, তবুও কিয়ামত পর্যন্ত এটি মসজিদের ভূমিই থাকবে।
-সাইয়েদ আরশাদ মাদানী
জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি
-সাইয়েদ আরশাদ মাদানী
জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি
❤12
ভারতবর্ষ শোষণের ২০০ বছরে ইংরেজরা প্রায় ৪৫ ট্রিলিয়ন ডলারের সম্পদ লুট করেছে।
২০১৮ সালে কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি প্রেসের প্রকাশ করা এক গবেষণায় উঠে এসেছে যে, ১৭৬৫ থেকে ১৯৩৮ সাল পর্যন্ত ২০০ বছরেরও কম সময়ে বৃটিশরা উপমহাদেশ থেকে প্রায় পয়তাল্লিশ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের সম্পদ লুট করেছে।
পয়তাল্লিশ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে হয় ৪,৯৫০ ট্রিলিয়ন টাকা।
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজেট, অর্থাৎ ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট ছিলো ৭.৫ ট্রিলিয়ন টাকা।
যেই হিসেবে ব্রিটিশদের পাচারকৃত টাকা দিয়ে বাংলাদেশের ৬৬০ বছরের বাজেট হয়ে যেতো। এই লুট করা ডলারের অংক ব্রিটেনের বর্তমান জিডিপি থেকে প্রায় ১৬ গুণ বেশি।
২০১৮ সালে কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি প্রেসের প্রকাশ করা এক গবেষণায় উঠে এসেছে যে, ১৭৬৫ থেকে ১৯৩৮ সাল পর্যন্ত ২০০ বছরেরও কম সময়ে বৃটিশরা উপমহাদেশ থেকে প্রায় পয়তাল্লিশ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের সম্পদ লুট করেছে।
পয়তাল্লিশ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে হয় ৪,৯৫০ ট্রিলিয়ন টাকা।
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজেট, অর্থাৎ ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট ছিলো ৭.৫ ট্রিলিয়ন টাকা।
যেই হিসেবে ব্রিটিশদের পাচারকৃত টাকা দিয়ে বাংলাদেশের ৬৬০ বছরের বাজেট হয়ে যেতো। এই লুট করা ডলারের অংক ব্রিটেনের বর্তমান জিডিপি থেকে প্রায় ১৬ গুণ বেশি।
😢7
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি
রাজিবুর রহমান ভাই
রাজিবুর রহমান ভাই
❤8🥰1
মাঝে মাঝে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা এমন কিছু ‘ক্ষতি’ থেকে আপনাকে ফিরিয়ে আনেন যেগুলোকে একদা আপনার কাছে ‘লাভ’ মনে হয়েছিলো।
কখনো কখনো তিনি আপনার জীবন থেকে এমন কিছু ‘বিপদ’ দূর করে দেন যেগুলোকে একদিন আপনি ‘সুযোগ’ ভেবেছিলেন।
আপনার জীবন থেকে মাঝে মাঝে তিনি এমন কিছু ‘মানুষ’কেও সরিয়ে দেন যাদেরকে একসময় আপনি ‘প্রিয়জন’ ভাবতেন।
কারণ, আপনার রব আপনাকে ভালোবাসেন৷
কারণ, তিনি ‘আল-ওয়াকীল’— আপনার নিঃস্বার্থ অভিভাবক।
কখনো কখনো তিনি আপনার জীবন থেকে এমন কিছু ‘বিপদ’ দূর করে দেন যেগুলোকে একদিন আপনি ‘সুযোগ’ ভেবেছিলেন।
আপনার জীবন থেকে মাঝে মাঝে তিনি এমন কিছু ‘মানুষ’কেও সরিয়ে দেন যাদেরকে একসময় আপনি ‘প্রিয়জন’ ভাবতেন।
কারণ, আপনার রব আপনাকে ভালোবাসেন৷
কারণ, তিনি ‘আল-ওয়াকীল’— আপনার নিঃস্বার্থ অভিভাবক।
❤12
'শরীফ থেকে শরীফা' গল্পের পাতা ছেড়ায় শিক্ষক মাহতাবকে চাকরিচ্যুত করেছে ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়। আপনি ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সিদ্ধান্ত সমর্থন করেন??
Anonymous Poll
5%
হ্যাঁ
95%
না
0%
মন্তব্য নেই
অল্প কথায় লিখে যাই জ্ঞানপাপীদের জন্য।
১। XY+টেসটিস+ মেইল সেকেন্ডারি সেক্সচুয়াল ক্যারেকটার = Male(পুরুষ)। এই পুরুষ অপারেশন করেও কখনো মা হতে পারবে না।
২। XX +ওভারি+ ফিমেল সেকেন্ডারি সেক্সুয়াল ক্যারেকটার= Female (নারী)। এই নারী অপারেশন করেও কখনো বাবা হতে পারবে না।
এখন হিজড়াতে আসি, এখানে বহু ভ্যারাইটি আছে, তবে এদেরকে মোটাদাগে ৩ভাগে ভাগ করি।
৩। কমপ্লেক্স হিজড়া ( True hermaphrodite) এদের বিষয়টা কমপ্লেক্স। অনেক সময় টেসটিস, ওভারি একসাথে থাকতে পারে। এদের প্রকৃত সেক্স ডিটারমাইন করা টাফ। এরা সংখ্যায় অতিনগন্য।
৪। মেল প্রিডমিনেন্ট হিজড়া ( Male pseudohermaphrodite) XY+টেসটিস+ ফিমেল সেকেন্ডারি। এরা ইন্টারনালি মেইল, এক্সটারনালি ফিমেল। এদের মেডিকেল ও সার্জিকাল ট্রিটমেন্টের পর বাবা হবারও সুযোগ থাকে।
৫। ফিমেল প্রিডমিনেন্ট হিজড়া ( Female pseudohermaphrodite) XX + ওভারি+ মেল সেকেন্ডারি। এরা ইন্টারনালি ফিলেম, এক্নটারনালি মেইল। মেডিকেল ও সার্জিকাল ট্রিটমেন্টের পর এদের মা হবার সুযোগ থাকছে।
এখানে ১ পুরুষ, ২ নারী, ৩,৪,৫ হিজড়া।
তাহলে গন্ডার কারা? যারা ১ থেকে ২ হতে চায় অথবা ২ থেকে ১ হতে চায় যেটা কখনোই পসিবল না। এদের কারো কারো জেন্ডার ডিস্ফোরিয়া থাকে যা একটা মানসিক সমস্যা।এটার জন্য অধিকার নয়, চিকিৎসা দরকার।
তবে বঙ্গীয় গন্ডার গ্রুপের বেশিরভাগই বটম পায়ুকামী যারা অন্য পুরুষের কাছে নিজেদের পায়ুপথ নিবেদন করে। এটাকে সুচারুরূপে করার জন্য তারা রুপান্তরের পথ বেছে নেয়।
কথা ক্লিয়ার নাকি ভিডিও লাগবে??
~লিখেছেন : ডাক্তার মেহেদী হাসান
১। XY+টেসটিস+ মেইল সেকেন্ডারি সেক্সচুয়াল ক্যারেকটার = Male(পুরুষ)। এই পুরুষ অপারেশন করেও কখনো মা হতে পারবে না।
২। XX +ওভারি+ ফিমেল সেকেন্ডারি সেক্সুয়াল ক্যারেকটার= Female (নারী)। এই নারী অপারেশন করেও কখনো বাবা হতে পারবে না।
এখন হিজড়াতে আসি, এখানে বহু ভ্যারাইটি আছে, তবে এদেরকে মোটাদাগে ৩ভাগে ভাগ করি।
৩। কমপ্লেক্স হিজড়া ( True hermaphrodite) এদের বিষয়টা কমপ্লেক্স। অনেক সময় টেসটিস, ওভারি একসাথে থাকতে পারে। এদের প্রকৃত সেক্স ডিটারমাইন করা টাফ। এরা সংখ্যায় অতিনগন্য।
৪। মেল প্রিডমিনেন্ট হিজড়া ( Male pseudohermaphrodite) XY+টেসটিস+ ফিমেল সেকেন্ডারি। এরা ইন্টারনালি মেইল, এক্সটারনালি ফিমেল। এদের মেডিকেল ও সার্জিকাল ট্রিটমেন্টের পর বাবা হবারও সুযোগ থাকে।
৫। ফিমেল প্রিডমিনেন্ট হিজড়া ( Female pseudohermaphrodite) XX + ওভারি+ মেল সেকেন্ডারি। এরা ইন্টারনালি ফিলেম, এক্নটারনালি মেইল। মেডিকেল ও সার্জিকাল ট্রিটমেন্টের পর এদের মা হবার সুযোগ থাকছে।
এখানে ১ পুরুষ, ২ নারী, ৩,৪,৫ হিজড়া।
তাহলে গন্ডার কারা? যারা ১ থেকে ২ হতে চায় অথবা ২ থেকে ১ হতে চায় যেটা কখনোই পসিবল না। এদের কারো কারো জেন্ডার ডিস্ফোরিয়া থাকে যা একটা মানসিক সমস্যা।এটার জন্য অধিকার নয়, চিকিৎসা দরকার।
তবে বঙ্গীয় গন্ডার গ্রুপের বেশিরভাগই বটম পায়ুকামী যারা অন্য পুরুষের কাছে নিজেদের পায়ুপথ নিবেদন করে। এটাকে সুচারুরূপে করার জন্য তারা রুপান্তরের পথ বেছে নেয়।
কথা ক্লিয়ার নাকি ভিডিও লাগবে??
~লিখেছেন : ডাক্তার মেহেদী হাসান
❤5👍3
❛কিয়ামতের দিন স্ত্রী তার স্বামীর ব্যাপারে আল্লাহর কাছে অভিযোগ করে বলবেঃ সে আমাকে শিষ্টাচার ও ধর্মীয় কিছু শিক্ষা দিতো না ৷ হাট-বাজার থেকে শুধু রুটি-রুজি নিয়ো আসতো!❜
[তাফসীর আছ-সামআনী: ৫/৪৭৫]
সংগৃহীত
[তাফসীর আছ-সামআনী: ৫/৪৭৫]
সংগৃহীত
😢10
কোনো ছাত্রসংগঠনের ওপর রাষ্ট্রীয়ভাবে হত্যা, গুম ও সর্বগ্রাসী জুলুমের ইতিহাস বিরল। তবুও ছাত্রশিবির আল্লাহর সাহায্যে স্বমহিমায় টিকে আছে এবং সব বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে চলেছে। এর মূল কারণ আমরা মহান আল্লাহর প্রতি অবিচল আস্থা ও বিশ্বাস রেখে পথ চলি। আমাদের জনশক্তিদের রক্ত পিচ্ছিল পথ আমাদের ভীত করে না; বরং ইমানিয়াতের সাথে শক্তি জোগায়। আমাদের ভ্রাতৃত্ব ও ভালোবাসা আমাদের চলার পথকে আরো মজবুত করে।
আমাদের শিক্ষা আন্দোলন ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখায়। আমরা মনজিলে পৌঁছানো আগপর্যন্ত সামান্য সময়ের জন্য ক্ষান্ত হবো না। দাওয়াতি কাজের মাধ্যমে সংগঠনের বিস্তৃতি ও মজবুতির পাশাপাশি দেশ, ইসলাম ও শিক্ষাবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রাম আরো তীব্র হবে, ইনশাআল্লাহ।”
মুহতারাম মঞ্জুরুল ইসলাম
কেন্দ্রীয় সভাপতি
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির
আমাদের শিক্ষা আন্দোলন ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখায়। আমরা মনজিলে পৌঁছানো আগপর্যন্ত সামান্য সময়ের জন্য ক্ষান্ত হবো না। দাওয়াতি কাজের মাধ্যমে সংগঠনের বিস্তৃতি ও মজবুতির পাশাপাশি দেশ, ইসলাম ও শিক্ষাবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রাম আরো তীব্র হবে, ইনশাআল্লাহ।”
মুহতারাম মঞ্জুরুল ইসলাম
কেন্দ্রীয় সভাপতি
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির
❤15