আলোর পথ
10.1K subscribers
2.59K photos
716 videos
35 files
291 links
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
Download Telegram
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা বলেনঃ

اِنَّمَاۤ اَمْوَالُكُمْ وَاَوْلَادُكُمْ فِتْنَةٌ ؕ وَاللّٰهُ عِنْدَهٗۤ اَجْرٌ عَظِيْمٌ

'তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি তো কেবল তোমাদের জন্য পরীক্ষাস্বরূপ, আর আল্লাহর নিকটেই রয়েছে মহা প্রতিদান।'
(আত তাগাবুন: আ/১৫)
6
ইব্রাহীম আল খাওয়্যাস [রাহ.] বলেন, "অন্তরের চিকিৎসা বা আরোগ্য রয়েছে ৫টি বিষয়ে:
১) তাদাব্বুরের সাথে কুরআন পাঠ,
২) পেট যথাসম্ভব খালি রাখা(অল্প খাওয়া/সিয়াম পালন),
৩) কিয়ামুল লাইল করা,
৪) শেষ রাতে আল্লাহর কাছে কাকুতি মিনতি করা ও
৫) নেককারদের সাথে ওঠাবসা করা।"
.
.
[ ইমাম আবু নুআঈম আল আসবাহানী (রাহ.), হিলইয়াতুল আউলিয়া: ১০/৩২৭, তাবাআতুস সাআদাহ, ১৯৭৪ ঈ.]
5
আরবের সম্ভ্রান্ত বংশের মহিলা। যেনা করলেন নিজের দাসের সাথে ৷ জিজ্ঞেস করা হলো, আপনি সম্ভ্রান্ত পরিবারের মহিলা হয়েও দাসের সাথে যেনা করলেন কেন? সে উত্তর দিল:
"طول السهاد، وقرب الوساد"
এর ভাবার্থ হলো: "তার সাথে অধিক কথাবার্তা বলা আর অধিক মেলেমেশার কারণে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি।"

সম্ভ্রান্ত মহিলা ভুলে গিয়েছিলেন যে তিনি উচ্চ বংশের লোক আর সেই দাসের মনিব। কিন্ত অধিক মেলেমেশার কারণে তার গাইরত হারিয়ে যায় এবং দাসের কাছে নিজের ব্যক্তিত্ববোধ লোপ পায়।
আরবীতে একটি প্রবাদ আছে:
"كثرة المساس تقلل الإحساس"
" অধিক স্পর্শ অনুভূতি কমিয়ে দেয়।"

নারী পুরুষের অবাধ মেলেমেশা ও চারিত্রিক অধঃপতনের এই যুগে আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন।
7
এই মুহূর্তে নফল ওমরাহর বদলে গাজার মুজাহিদদের আর্থিক সাহায্য করা উত্তম : মুফতি তাকি উসমানি
14
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ডা. শফিকুল ইসলাম
কেন্দ্রীয় আমীর
বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী

#freejammatleader
15👍2
বিখ্যাত সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযি. বলেছেন,

আল্লাহর সাহায্যের আশা হারিয়ে ফেলা নিকৃষ্ট পাপের অন্তর্ভুক্ত

আল-তাবারী, আল-তাফসীর (কুরআন ৪:৩১)
😢8
যারা তাহাজ্জুদ পড়তে পারেন না, তারা অন্তত “কিয়ামুল লাইল” আদায় করুন। এটি তুলনামূলক সহজ। তাহাজ্জুদের সমান না হলেও এর অনেক গুরুত্ব ও ফজিলত রয়েছে। কিয়ামুল লাইল যথার্থভাবে আদায় করার রূপরেখা তুলে ধরছি, ইনশাআল্লাহ।
.
❑ কিয়ামুল লাইলের পরিচয়:
.
“কিয়ামুল লাইল” শব্দ দুটোর অর্থ হলো, রাতে (ইবাদতের জন্য) দাঁড়ানো বা দণ্ডায়মান হওয়া। ইবাদতের মাধ্যমে রাতে (রাতের যেকোনো প্রহরে যতটুকু সময় ইচ্ছা) জেগে থাকাকে কিয়ামুল লাইল বলে। সেই ইবাদত হতে পারে নফল নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, যিকর, ইস্তিগফার, দু‘আ, দরুদ, ইলম চর্চা করা ইত্যাদি। অধিকাংশ হাদিসে তাহাজ্জুদ নামাজকে “কিয়ামুল লাইল” হিসেবে সম্বোধন করা হয়েছে। তাহাজ্জুদের জন্য ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া শর্ত হলেও কিয়ামুল লাইলে এই শর্ত নেই। তাই, কিয়ামুল লাইল আদায় করা অনেক সহজ।
.
❑ কিয়ামুল লাইলের মর্যাদা ও গুরুত্ব:
.
আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি রাতের বিভিন্ন প্রহরে সিজদাবনত হয়ে ও দাঁড়িয়ে আনুগত্য প্রকাশ করে, আখিরাতকে ভয় করে এবং তার রবের অনুগ্রহ প্রত্যাশা করে... (সে কি তার সমান, যে তা করে না?)।” [সুরা যুমার, আয়াত: ০৯]
.
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘তোমাদের নিয়মিত কিয়ামুল লাইল (তাহাজ্জুদ) আদায় করা উচিত। এটি তোমাদের পূর্ববর্তী সৎকর্মশীল লোকদের অভ্যাস। এটি তোমাদেরকে তোমাদের রবের নিকট পৌঁছে দেবে। এটি ভুল-ত্রুটির মার্জনা এবং গুনাহের প্রতিবন্ধক।’’ [ইমাম তিরমিযি, আস-সুনান: ৩৫৪৯; এটি মুয়াবিয়া ইবনু সলিহের বর্ণনা, তাই হাদিসটি সহিহ। ঠিক এর পূর্বেই গত হয়েছে মুহাম্মাদ আল কুরাশির বর্ণনা; সেই হাদিসটি দুর্বল। সেটি আমরা এখানে উল্লেখ করিনি]
.
খুব ভালোভাবে জেনে রাখতে হবে যে, অধিকাংশ আলিমের মতে, রাতে ঘুম থেকে জেগে নফল নামাজ পড়লে তাহাজ্জুদও আদায় হয় আবার কিয়ামুল লাইলও আদায় হয়। কিন্তু ঘুম থেকে না জেগে ইবাদত করলে শুধু কিয়ামুল লাইল হয়; তাহাজ্জুদ হয় না।
.
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবিগণের সাধারণ অভ্যাস ছিলো, তাঁরা রাতে ঘুম থেকে জেগে ইবাদত করতেন। তাই এটিই সর্বোৎকৃষ্ট পদ্ধতি। কিন্তু কেউ রাতে জাগ্রত হতে না পারলে রাতের যেকোনো সময়ে ২/৪/৬/৮/১০ রাকাত নফল পড়ে ঘুমাতে পারেন। তাহাজ্জুদের সমান না হলেও কিয়ামুল লাইল হিসেবে এর অনেক প্রতিদান পাওয়া যাবে। পাশাপাশি রাতের বেলায় কুরআন তিলাওয়াত, যিকর, দরুদ, দু‘আ, ইস্তিগফার, ইলম অর্জন ইত্যাদি নেক আমলও কিয়ামুল লাইল (রাত্রিকালীন ইবাদত) হিসেবে গণ্য হবে। তবে, হাদিসে বর্ণিত ফজিলত উপকারগুলো পরিপূর্ণভাবে পেতে চাইলে গভীর রাতে অথবা শেষ রাতে কিয়ামুল লাইল আদায় করতে হবে। না হয় শতভাগ ফজিলত পাওয়া যাবে না।
.
❑ একটি রূপরেখা:
.
আমরা যারা শেষ রাতে ওঠতে পারি না, সেজন্য রাতের প্রথমাংশে বা ঘুমানোর আগে উত্তমরূপে কিয়ামুল লাইল (রাত্রিকালীন ইবাদত) আদায় করতে চাই, তারা মাগরিব অথবা ইশার নামাজের পর কয়েক রাকাত নফল নামাজ পড়ে নিতে পারি। এরপর (অথবা ঘুমের আগে) কুরআনের কিছু অংশ তিলাওয়াত করতে পারি। বিশেষত সুরা মুলক ও সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত গুরুত্বের সাথে পড়া উচিত। কুরআন থেকে ১০০ আয়াত পড়তে পারলে সর্বোত্তম কাজ হবে। এর বিশাল ফজিলতের কথা হাদিসে এসেছে। এরপর কিছু সময় দরুদ, ইস্তিগফার ও দু‘আ করা যেতে পারে। সেটা এমনও হতে পারে যে, ২০ বার দরুদ, ৫০ বার ইস্তিগফার, ১০ মিনিট দু‘আ-মুনাজাত অথবা যেকোনো পরিমাণ। সর্বশেষ, ঘুমানোর পূর্বের আমলগুলো করতে করতে অজু অবস্থায় ঘুমিয়ে যাবো। ঘুমানোর আগে তাহাজ্জুদের জন্য জাগ্রত হওয়ার পাক্কা নিয়ত করে ঘুমাবো। তাহলে, উঠতে না পারলেও শুধু সৎ নিয়তের কারণে তাহাজ্জুদের সওয়াব পেয়ে যাবো, ইনশাআল্লাহ।
.
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি রাতে (ওঠে) নামাজ আদায়ের ইচ্ছা করা সত্ত্বেও ঘুম তাকে পরাভূত করে দিলো (অর্থাৎ ওঠতে পারলো না), তার আমলনামায় রাতে নামাজ আদায়ের সওয়াব লিখা হবে। তার জন্য ঘুম (আল্লাহর পক্ষ থেকে) সাদাকাহ (বিশেষ উপহার) হিসেবে গণ্য হবে।’’ [ইমাম আবু দাউদ, আস-সুনান: ১৩১৪; ইমাম নাসায়ি, আস-সুনান: ১৭৮৪; হাদিসটি সহিহ]
.
8
ইসলামী ছাত্রশিবির আরশের অধিষ্ঠিত মহান রবের দিকে তাকিয়ে জমিনে পথ চলে। সুতরাং কোনো কঠিন পরিস্থিতি বা প্রতিকূলতাই আমাদের সামান্যতম সময়ের জন্য দমিয়ে দিতে পারেনি এবং পারবেও না, ইনশাআল্লাহ।

মুহতারাম মঞ্জুরুল ইসলাম
কেন্দ্রীয় সভাপতি
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির
23😁1
আসিফাকে গণধর্ষণ ও হত্যার ৬ বছর - ১৭ই জানুয়ারী ২০১৮

#JusticeForAsifaBano #NeverForget #OnThisDay #Kashmir #India #Islamophobia #AsifaBano
😢5🤬1
একটি ভুল আমলঃ ইমামকে রুকুতে পেলেও কি ‘ছানা’ পড়তে হবে?

‘ছানা’ পড়া সুন্নত। নামাযে নিয়ত বাঁধার পর প্রথম কাজ হল ছানা পড়া। কেউ একা নামায পড়ুক বা জামাতে উভয় অবস্থায় ছানা পড়তে হয়।

কিন্তু এক্ষেত্রে অনেকের যে ভুলটা হয়ে থাকে তা হল, ইমামকে যদি রুকুতে পায় তাহলে প্রথমে তাকবীর বলে হাত বাঁধে তারপর দ্রুত ছানা পড়ে রুকুতে যায়।

অনেক সময় ছানা পড়তে পড়তে ইমামের রুকু শেষ হয়ে যায় ফলে ঐ রাকাত ছুটে যায়। এটা ঠিক নয়।
এ অবস্থায় ছানা পড়তে হবে না হাতও বাঁধতে হবে না; বরং নিয়ম হল, প্রথমে দাড়ানো অবস্থায় দুহাত তুলে তাকবীরে তাহরীমা বলে হাত ছেড়ে দেবে, তারপর দাঁড়ানো থেকে তাকবীর বলে রুকুতে যাবে।

এ ক্ষেত্রে অনেকে আরেকটি ভুল করে থাকে, ইমাম রুকুতে চলে গেছে, এখন দ্রুত রুকুতে শরীক হয়ে রাকাত ধরা দরকার,তা না করে এসময়ও আরবীতে উচ্চারণ করে নিয়ত পড়তে থাকে, ফলে ঐ রাকাত পায় না। এটা আরও বড় ভুল।

নিয়তের বিষয়ে আগেও বলা হয়েছে যে, নিয়ত অর্থ সংকল্প করা, যা দিলের কাজ। উচ্চারণ করে নিয়ত পড়ার কোনো প্রয়োজন নেই। বিষয়টি নিয়ে পূর্বে বিস্তারিত লেখা হয়েছে।

[মাসিক আলকাউসার » যিলকদ ১৪৩৩ . অক্টোবর ২০১২]

🏷️ নামাজ
12
শোক সংবাদ
ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহির রাজিউন।
পঞ্চগড় জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর ও রংপুর -দিনাজপুর অঞ্চলের টিম সদস্য এবং পঞ্চগড় সদর উপজেলার সাবেক সফল চেয়ারম্যান
মাওলানা আব্দুল খালেক দুনিয়ায় সফর শেষ করেছেন।
আল্লাহপাক প্রিয় রাহবারকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করুন।

আমিন
😢21
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন 😢
আজকে চতুর্দিকে শুধু মৃত্যুর খবর শুনতেছি...

ইসলামী আন্দোলনের দুইজন রাহবার চলে গেলেন।

👉 মরহুম ক্বারী মোঃ আব্দুল হক সিরাজী
খানসামা উপজেলার---
২নং ভেড়ভেড়ী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান।
জামায়াতে ইসলামীর খানসামা উপজেলার সাবেক আমীর।

👉 মরহুম মাওলানা আব্দুল খালেক
জামায়াতে ইসলামীর পঞ্চগড় জেলার সাবেক আমীর।
রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলের টিম সদস্য।

মহান আল্লাহ তা'য়ালা তাদের নেক আমলগুলো কবুল করে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন, আমিন।
😢12
"আল্লাহ তাআলা তোমাদের জন্য একটি বিনিময় নির্ধারণ করে রেখেছেন, সেটা হলো একমাত্র জান্নাত। এজন্য জান্নাত ছাড়া অন্য কিছুর ওপর সন্তুষ্ট হবে না।"
.
- ইমামে আজম আবু হানিফা রহিমাহুল্লাহ
11
10🥰1
সাহাবীদের যুগে দুজন সমকামী ধরা পড়লো!

তখন আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু ছিলেন খলিফা। খালিদ বিন ওয়ালিদ রাদিয়াল্লাহু আনহু চিঠির মাধ্যমে তাদের ব্যাপারে খলিফাকে অবগত করেন।

খলিফা দ্রুত মিটিং ডাকলেন। মিটিংয়ে উপস্থিত বিজ্ঞ সাহাবীগণ। সবাই মতামত দিলেন।

আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু সাহাবীদের মধ্য থেকে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর মতামত গ্রহণ করলেন।

আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছিলেন, "ইতোপূর্বে একটি জাতি এই কর্মে লিপ্ত ছিলো। আপনারা জানেন আল্লাহ তাদের সাথে কেমন আচরণ করেছেন....।"

আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু মত দিলেন, তাদেরকে যেন মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। খলিফা আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর মতের আলোকে বিচারের রায় ঘোষণা করেন। সেই দুই সমকামীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।

[ড. আলী সাল্লাবী, আলী ইবনে আবি তালিব: ১/২২৯]
11