This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
কে আছো এমন,
দাও মুছে দাও জীবনের সব কালিমা......
দাও মুছে দাও জীবনের সব কালিমা......
❤15🥰1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ইন্না-লিল্লাহ
নেদারল্যান্ডসের ইসলাম বিদ্বেষী পেগিডা গ্রুপ এর এক সদস্য প্রকাশ্যে পবিত্র কোরআন ছিড়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
উক্ত ঘটনার জেরে দেশটিতে অবস্থানরত মুসলিম কমিউনিটি প্রতিবাদ সমাবেশ করার চেষ্টা করলে ডাচ পুলিশ তাদের উপর টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে।
#Pegida
নেদারল্যান্ডসের ইসলাম বিদ্বেষী পেগিডা গ্রুপ এর এক সদস্য প্রকাশ্যে পবিত্র কোরআন ছিড়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
উক্ত ঘটনার জেরে দেশটিতে অবস্থানরত মুসলিম কমিউনিটি প্রতিবাদ সমাবেশ করার চেষ্টা করলে ডাচ পুলিশ তাদের উপর টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে।
#Pegida
🤬20
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
নর্তকীর সাথে পঞ্চগড় সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলামের নৃত্য।
আলোর পথ
Photo
আজ নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ বাহাদুর এর ১১০ তম অন্তর্ধান দিবস। তিনি ১৮৭১ সালের ৭ ই জুন ঢাকার নবাব পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পূর্ববঙ্গবাসী মুসলিমদের স্বার্থ আদায়ে বিশ শতকের গোড়ার দিকে যিনি নেতৃত্বের হাল ধরেন, তিনি হলেন নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ। তিনি ১৮৯৩ সালে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে চাকরি নেন। ১৯০১ সালে পিতা নওয়াব আহসানউল্লাহ এর মৃত্যুর পর ঢাকার নওয়াবী লাভ করেন।
নওয়াবি লাভের পরই তিনি পূর্ব বাংলার কর্মক্ষম মানুষের জন্য মহল্লায় মহল্লায় নৈশ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। পূর্ব বঙ্গের পিছিয়ে পড়া মুসলিম জনগোষ্ঠীর জন্য তিনি ব্রিটিশ সরকার এর কাছে পূর্ববঙ্গ ও আসামকে আলাদা প্রদেশ করার দাবি জানান। ফলশ্রুতিতে ১৯০৫ সালে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গের আদেশ দেয়। উপমহাদেশের মুসলিমদের রাজনৈতিক ভাবে শক্তিশালী করার উদ্দ্যেশ্যে ১৯০৬ সালে তার প্রস্তাবে গঠিত হয় নিখিল ভারত মুসলিম লীগ। ১৯১২ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ রদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য ব্রিটিশ ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের কাছে আবেদন করেন। পূর্ববঙ্গে বিশেষ করে ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি নিয়ে কলকাতা কেন্দ্রিক অনেক স্বনামধন্য বুদ্ধিজীবীগন বিরোধীতা করেন। কিন্তু নওয়াব সলিমুল্লাহ এতো বিরোধীতা সত্ত্বেও পূর্ব বাংলার মুসলিমদের অধিকার আদায়ে সচেষ্ট ছিলেন।
মুসলিম হল, ইসলামিয়া এতিমখানা, মিটফোর্ড হাসপাতাল ও সার্ভে স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব সলিমুল্লাহ অনেক অবদান রাখেন। ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ নওয়াব সলিমুল্লাহকে অনেক মর্মাহত করে। থমকে যায় তার রাজনৈতিক জীবন। নওয়াব এস্টেট ও ধীরে ধীরে তার প্রতিপত্তি হারাতে থাকে। অবশেষে ১৯১৫ সালের ১৬ জানুয়ারি নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ বাহাদুর ইন্তেকাল করেন। মাত্র ৪৪ বছরের জীবনে নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ সর্বভারতীয় পর্যায়ে যতটুকু প্রভাব ফেলতে পেরেছিলেন তা তাঁর উত্তর ও পূর্বপুরুষদের কেউই পারেননি।
নওয়াবি লাভের পরই তিনি পূর্ব বাংলার কর্মক্ষম মানুষের জন্য মহল্লায় মহল্লায় নৈশ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। পূর্ব বঙ্গের পিছিয়ে পড়া মুসলিম জনগোষ্ঠীর জন্য তিনি ব্রিটিশ সরকার এর কাছে পূর্ববঙ্গ ও আসামকে আলাদা প্রদেশ করার দাবি জানান। ফলশ্রুতিতে ১৯০৫ সালে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গের আদেশ দেয়। উপমহাদেশের মুসলিমদের রাজনৈতিক ভাবে শক্তিশালী করার উদ্দ্যেশ্যে ১৯০৬ সালে তার প্রস্তাবে গঠিত হয় নিখিল ভারত মুসলিম লীগ। ১৯১২ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ রদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য ব্রিটিশ ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের কাছে আবেদন করেন। পূর্ববঙ্গে বিশেষ করে ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি নিয়ে কলকাতা কেন্দ্রিক অনেক স্বনামধন্য বুদ্ধিজীবীগন বিরোধীতা করেন। কিন্তু নওয়াব সলিমুল্লাহ এতো বিরোধীতা সত্ত্বেও পূর্ব বাংলার মুসলিমদের অধিকার আদায়ে সচেষ্ট ছিলেন।
মুসলিম হল, ইসলামিয়া এতিমখানা, মিটফোর্ড হাসপাতাল ও সার্ভে স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব সলিমুল্লাহ অনেক অবদান রাখেন। ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ নওয়াব সলিমুল্লাহকে অনেক মর্মাহত করে। থমকে যায় তার রাজনৈতিক জীবন। নওয়াব এস্টেট ও ধীরে ধীরে তার প্রতিপত্তি হারাতে থাকে। অবশেষে ১৯১৫ সালের ১৬ জানুয়ারি নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ বাহাদুর ইন্তেকাল করেন। মাত্র ৪৪ বছরের জীবনে নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ সর্বভারতীয় পর্যায়ে যতটুকু প্রভাব ফেলতে পেরেছিলেন তা তাঁর উত্তর ও পূর্বপুরুষদের কেউই পারেননি।
😢6👍1
১: তাহাজ্জুদ পড়ার সময় যদি অদৃশ্য উর্দ্ধলোকের পর্দা উঠিয়ে দেয়া হত, আমি অবাক বিস্ময়ে দেখতাম, একদল ফিরিশতা আমাকে ঘিরে আছেন। আমার তিলাওয়া-তাসবীহ মনোযোগ দিয়ে শুনছেন। আমার দোয়ায় আমীন বলছেন। তারা আমার সম্মানেই উর্দ্ধলোক থেকে নেমে এসেছেন।
২. শেষরাতের আঁধারে, ঘরের গহীন কোণে, তাহাজ্জুদরত আমি ফিরিশতার চোখে এক উজ্জ্বল তারকাসদৃশ। আমি যেমন আঁধার রাতে আকাশে জ্বলজ্বলে তারার দিকে বিমুগ্ধ নয়নে চেয়ে থাকি, ফিরিশতাগনও আমার দিকে চেয়ে থাকেন। ফিরিশতাগনের প্রভাবে আমার উপর প্রশান্তি বর্ষিত হতে থাকে। আমার চারপাশে বিরাজ করতে থাকে, সুখদ এক আবহ।
৩. বারবার বিরতিহীনভাবে দরজায় টোকা দিতে থাকলে, একসময় না একসময় গেরস্ত দরজা খোলেই। আমি তাহাজ্জুদের পর, ফিরিশিতাবেষ্টিত আবহে আল্লাহর কাছে দোয়া করলে, ফিরিশতাদের আমীনের বরকতে রাব্বে কারীম আমার দোয়া কবুল করেই নেবেন।
৪: দু’হাত তুলে দোয়া করার সময়, শুন্য দুই তালুর প্রতি খেয়াল করে দেখব। কী অসহায়, নিঃসম্বল উজাড় দুটি হাত। কী অক্ষম আর অসহায়। অপরদিকে আল্লাহ? কী অপরিসীম শক্তিশালী। কী বিশাল খাজানার মালিক।
৫. আল্লাহর যিকিরের কী যে অপরিমেয় উপকারিতা, কিয়ামুল লাইলে দাঁড়ানো ব্যক্তি যদি তা জানত, আল্লাহর যিকির কতভাবে বান্দাকে বিপদাপদ থেকে রক্ষা করে, তা যদি যিকিরকারী জানত, তাহলে তার একটি নিঃশ্বাসও আল্লাহর যিকিরবিহীন কাটত না। একটি রাতও তাহাজ্জুদ ছেড়ে ঘুমুত না। - Sh. Atiq Ullah
🍀ফিলিস্তিন এর জন্য দুআ করব অবশ্যই। ইন শা আল্লাহ
২. শেষরাতের আঁধারে, ঘরের গহীন কোণে, তাহাজ্জুদরত আমি ফিরিশতার চোখে এক উজ্জ্বল তারকাসদৃশ। আমি যেমন আঁধার রাতে আকাশে জ্বলজ্বলে তারার দিকে বিমুগ্ধ নয়নে চেয়ে থাকি, ফিরিশতাগনও আমার দিকে চেয়ে থাকেন। ফিরিশতাগনের প্রভাবে আমার উপর প্রশান্তি বর্ষিত হতে থাকে। আমার চারপাশে বিরাজ করতে থাকে, সুখদ এক আবহ।
৩. বারবার বিরতিহীনভাবে দরজায় টোকা দিতে থাকলে, একসময় না একসময় গেরস্ত দরজা খোলেই। আমি তাহাজ্জুদের পর, ফিরিশিতাবেষ্টিত আবহে আল্লাহর কাছে দোয়া করলে, ফিরিশতাদের আমীনের বরকতে রাব্বে কারীম আমার দোয়া কবুল করেই নেবেন।
৪: দু’হাত তুলে দোয়া করার সময়, শুন্য দুই তালুর প্রতি খেয়াল করে দেখব। কী অসহায়, নিঃসম্বল উজাড় দুটি হাত। কী অক্ষম আর অসহায়। অপরদিকে আল্লাহ? কী অপরিসীম শক্তিশালী। কী বিশাল খাজানার মালিক।
৫. আল্লাহর যিকিরের কী যে অপরিমেয় উপকারিতা, কিয়ামুল লাইলে দাঁড়ানো ব্যক্তি যদি তা জানত, আল্লাহর যিকির কতভাবে বান্দাকে বিপদাপদ থেকে রক্ষা করে, তা যদি যিকিরকারী জানত, তাহলে তার একটি নিঃশ্বাসও আল্লাহর যিকিরবিহীন কাটত না। একটি রাতও তাহাজ্জুদ ছেড়ে ঘুমুত না। - Sh. Atiq Ullah
🍀ফিলিস্তিন এর জন্য দুআ করব অবশ্যই। ইন শা আল্লাহ
❤8
ইব্রাহীম আল খাওয়্যাস [রাহ.] বলেন, "অন্তরের চিকিৎসা বা আরোগ্য রয়েছে ৫টি বিষয়ে:
১) তাদাব্বুরের সাথে কুরআন পাঠ,
২) পেট যথাসম্ভব খালি রাখা(অল্প খাওয়া/সিয়াম পালন),
৩) কিয়ামুল লাইল করা,
৪) শেষ রাতে আল্লাহর কাছে কাকুতি মিনতি করা ও
৫) নেককারদের সাথে ওঠাবসা করা।"
.
.
[ ইমাম আবু নুআঈম আল আসবাহানী (রাহ.), হিলইয়াতুল আউলিয়া: ১০/৩২৭, তাবাআতুস সাআদাহ, ১৯৭৪ ঈ.]
১) তাদাব্বুরের সাথে কুরআন পাঠ,
২) পেট যথাসম্ভব খালি রাখা(অল্প খাওয়া/সিয়াম পালন),
৩) কিয়ামুল লাইল করা,
৪) শেষ রাতে আল্লাহর কাছে কাকুতি মিনতি করা ও
৫) নেককারদের সাথে ওঠাবসা করা।"
.
.
[ ইমাম আবু নুআঈম আল আসবাহানী (রাহ.), হিলইয়াতুল আউলিয়া: ১০/৩২৭, তাবাআতুস সাআদাহ, ১৯৭৪ ঈ.]
❤5
আরবের সম্ভ্রান্ত বংশের মহিলা। যেনা করলেন নিজের দাসের সাথে ৷ জিজ্ঞেস করা হলো, আপনি সম্ভ্রান্ত পরিবারের মহিলা হয়েও দাসের সাথে যেনা করলেন কেন? সে উত্তর দিল:
"طول السهاد، وقرب الوساد"
এর ভাবার্থ হলো: "তার সাথে অধিক কথাবার্তা বলা আর অধিক মেলেমেশার কারণে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি।"
সম্ভ্রান্ত মহিলা ভুলে গিয়েছিলেন যে তিনি উচ্চ বংশের লোক আর সেই দাসের মনিব। কিন্ত অধিক মেলেমেশার কারণে তার গাইরত হারিয়ে যায় এবং দাসের কাছে নিজের ব্যক্তিত্ববোধ লোপ পায়।
আরবীতে একটি প্রবাদ আছে:
"كثرة المساس تقلل الإحساس"
" অধিক স্পর্শ অনুভূতি কমিয়ে দেয়।"
নারী পুরুষের অবাধ মেলেমেশা ও চারিত্রিক অধঃপতনের এই যুগে আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন।
"طول السهاد، وقرب الوساد"
এর ভাবার্থ হলো: "তার সাথে অধিক কথাবার্তা বলা আর অধিক মেলেমেশার কারণে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি।"
সম্ভ্রান্ত মহিলা ভুলে গিয়েছিলেন যে তিনি উচ্চ বংশের লোক আর সেই দাসের মনিব। কিন্ত অধিক মেলেমেশার কারণে তার গাইরত হারিয়ে যায় এবং দাসের কাছে নিজের ব্যক্তিত্ববোধ লোপ পায়।
আরবীতে একটি প্রবাদ আছে:
"كثرة المساس تقلل الإحساس"
" অধিক স্পর্শ অনুভূতি কমিয়ে দেয়।"
নারী পুরুষের অবাধ মেলেমেশা ও চারিত্রিক অধঃপতনের এই যুগে আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন।
❤7
যারা তাহাজ্জুদ পড়তে পারেন না, তারা অন্তত “কিয়ামুল লাইল” আদায় করুন। এটি তুলনামূলক সহজ। তাহাজ্জুদের সমান না হলেও এর অনেক গুরুত্ব ও ফজিলত রয়েছে। কিয়ামুল লাইল যথার্থভাবে আদায় করার রূপরেখা তুলে ধরছি, ইনশাআল্লাহ।
.
❑ কিয়ামুল লাইলের পরিচয়:
.
“কিয়ামুল লাইল” শব্দ দুটোর অর্থ হলো, রাতে (ইবাদতের জন্য) দাঁড়ানো বা দণ্ডায়মান হওয়া। ইবাদতের মাধ্যমে রাতে (রাতের যেকোনো প্রহরে যতটুকু সময় ইচ্ছা) জেগে থাকাকে কিয়ামুল লাইল বলে। সেই ইবাদত হতে পারে নফল নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, যিকর, ইস্তিগফার, দু‘আ, দরুদ, ইলম চর্চা করা ইত্যাদি। অধিকাংশ হাদিসে তাহাজ্জুদ নামাজকে “কিয়ামুল লাইল” হিসেবে সম্বোধন করা হয়েছে। তাহাজ্জুদের জন্য ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া শর্ত হলেও কিয়ামুল লাইলে এই শর্ত নেই। তাই, কিয়ামুল লাইল আদায় করা অনেক সহজ।
.
❑ কিয়ামুল লাইলের মর্যাদা ও গুরুত্ব:
.
আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি রাতের বিভিন্ন প্রহরে সিজদাবনত হয়ে ও দাঁড়িয়ে আনুগত্য প্রকাশ করে, আখিরাতকে ভয় করে এবং তার রবের অনুগ্রহ প্রত্যাশা করে... (সে কি তার সমান, যে তা করে না?)।” [সুরা যুমার, আয়াত: ০৯]
.
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘তোমাদের নিয়মিত কিয়ামুল লাইল (তাহাজ্জুদ) আদায় করা উচিত। এটি তোমাদের পূর্ববর্তী সৎকর্মশীল লোকদের অভ্যাস। এটি তোমাদেরকে তোমাদের রবের নিকট পৌঁছে দেবে। এটি ভুল-ত্রুটির মার্জনা এবং গুনাহের প্রতিবন্ধক।’’ [ইমাম তিরমিযি, আস-সুনান: ৩৫৪৯; এটি মুয়াবিয়া ইবনু সলিহের বর্ণনা, তাই হাদিসটি সহিহ। ঠিক এর পূর্বেই গত হয়েছে মুহাম্মাদ আল কুরাশির বর্ণনা; সেই হাদিসটি দুর্বল। সেটি আমরা এখানে উল্লেখ করিনি]
.
খুব ভালোভাবে জেনে রাখতে হবে যে, অধিকাংশ আলিমের মতে, রাতে ঘুম থেকে জেগে নফল নামাজ পড়লে তাহাজ্জুদও আদায় হয় আবার কিয়ামুল লাইলও আদায় হয়। কিন্তু ঘুম থেকে না জেগে ইবাদত করলে শুধু কিয়ামুল লাইল হয়; তাহাজ্জুদ হয় না।
.
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবিগণের সাধারণ অভ্যাস ছিলো, তাঁরা রাতে ঘুম থেকে জেগে ইবাদত করতেন। তাই এটিই সর্বোৎকৃষ্ট পদ্ধতি। কিন্তু কেউ রাতে জাগ্রত হতে না পারলে রাতের যেকোনো সময়ে ২/৪/৬/৮/১০ রাকাত নফল পড়ে ঘুমাতে পারেন। তাহাজ্জুদের সমান না হলেও কিয়ামুল লাইল হিসেবে এর অনেক প্রতিদান পাওয়া যাবে। পাশাপাশি রাতের বেলায় কুরআন তিলাওয়াত, যিকর, দরুদ, দু‘আ, ইস্তিগফার, ইলম অর্জন ইত্যাদি নেক আমলও কিয়ামুল লাইল (রাত্রিকালীন ইবাদত) হিসেবে গণ্য হবে। তবে, হাদিসে বর্ণিত ফজিলত উপকারগুলো পরিপূর্ণভাবে পেতে চাইলে গভীর রাতে অথবা শেষ রাতে কিয়ামুল লাইল আদায় করতে হবে। না হয় শতভাগ ফজিলত পাওয়া যাবে না।
.
❑ একটি রূপরেখা:
.
আমরা যারা শেষ রাতে ওঠতে পারি না, সেজন্য রাতের প্রথমাংশে বা ঘুমানোর আগে উত্তমরূপে কিয়ামুল লাইল (রাত্রিকালীন ইবাদত) আদায় করতে চাই, তারা মাগরিব অথবা ইশার নামাজের পর কয়েক রাকাত নফল নামাজ পড়ে নিতে পারি। এরপর (অথবা ঘুমের আগে) কুরআনের কিছু অংশ তিলাওয়াত করতে পারি। বিশেষত সুরা মুলক ও সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত গুরুত্বের সাথে পড়া উচিত। কুরআন থেকে ১০০ আয়াত পড়তে পারলে সর্বোত্তম কাজ হবে। এর বিশাল ফজিলতের কথা হাদিসে এসেছে। এরপর কিছু সময় দরুদ, ইস্তিগফার ও দু‘আ করা যেতে পারে। সেটা এমনও হতে পারে যে, ২০ বার দরুদ, ৫০ বার ইস্তিগফার, ১০ মিনিট দু‘আ-মুনাজাত অথবা যেকোনো পরিমাণ। সর্বশেষ, ঘুমানোর পূর্বের আমলগুলো করতে করতে অজু অবস্থায় ঘুমিয়ে যাবো। ঘুমানোর আগে তাহাজ্জুদের জন্য জাগ্রত হওয়ার পাক্কা নিয়ত করে ঘুমাবো। তাহলে, উঠতে না পারলেও শুধু সৎ নিয়তের কারণে তাহাজ্জুদের সওয়াব পেয়ে যাবো, ইনশাআল্লাহ।
.
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি রাতে (ওঠে) নামাজ আদায়ের ইচ্ছা করা সত্ত্বেও ঘুম তাকে পরাভূত করে দিলো (অর্থাৎ ওঠতে পারলো না), তার আমলনামায় রাতে নামাজ আদায়ের সওয়াব লিখা হবে। তার জন্য ঘুম (আল্লাহর পক্ষ থেকে) সাদাকাহ (বিশেষ উপহার) হিসেবে গণ্য হবে।’’ [ইমাম আবু দাউদ, আস-সুনান: ১৩১৪; ইমাম নাসায়ি, আস-সুনান: ১৭৮৪; হাদিসটি সহিহ]
.
.
❑ কিয়ামুল লাইলের পরিচয়:
.
“কিয়ামুল লাইল” শব্দ দুটোর অর্থ হলো, রাতে (ইবাদতের জন্য) দাঁড়ানো বা দণ্ডায়মান হওয়া। ইবাদতের মাধ্যমে রাতে (রাতের যেকোনো প্রহরে যতটুকু সময় ইচ্ছা) জেগে থাকাকে কিয়ামুল লাইল বলে। সেই ইবাদত হতে পারে নফল নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, যিকর, ইস্তিগফার, দু‘আ, দরুদ, ইলম চর্চা করা ইত্যাদি। অধিকাংশ হাদিসে তাহাজ্জুদ নামাজকে “কিয়ামুল লাইল” হিসেবে সম্বোধন করা হয়েছে। তাহাজ্জুদের জন্য ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া শর্ত হলেও কিয়ামুল লাইলে এই শর্ত নেই। তাই, কিয়ামুল লাইল আদায় করা অনেক সহজ।
.
❑ কিয়ামুল লাইলের মর্যাদা ও গুরুত্ব:
.
আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি রাতের বিভিন্ন প্রহরে সিজদাবনত হয়ে ও দাঁড়িয়ে আনুগত্য প্রকাশ করে, আখিরাতকে ভয় করে এবং তার রবের অনুগ্রহ প্রত্যাশা করে... (সে কি তার সমান, যে তা করে না?)।” [সুরা যুমার, আয়াত: ০৯]
.
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘তোমাদের নিয়মিত কিয়ামুল লাইল (তাহাজ্জুদ) আদায় করা উচিত। এটি তোমাদের পূর্ববর্তী সৎকর্মশীল লোকদের অভ্যাস। এটি তোমাদেরকে তোমাদের রবের নিকট পৌঁছে দেবে। এটি ভুল-ত্রুটির মার্জনা এবং গুনাহের প্রতিবন্ধক।’’ [ইমাম তিরমিযি, আস-সুনান: ৩৫৪৯; এটি মুয়াবিয়া ইবনু সলিহের বর্ণনা, তাই হাদিসটি সহিহ। ঠিক এর পূর্বেই গত হয়েছে মুহাম্মাদ আল কুরাশির বর্ণনা; সেই হাদিসটি দুর্বল। সেটি আমরা এখানে উল্লেখ করিনি]
.
খুব ভালোভাবে জেনে রাখতে হবে যে, অধিকাংশ আলিমের মতে, রাতে ঘুম থেকে জেগে নফল নামাজ পড়লে তাহাজ্জুদও আদায় হয় আবার কিয়ামুল লাইলও আদায় হয়। কিন্তু ঘুম থেকে না জেগে ইবাদত করলে শুধু কিয়ামুল লাইল হয়; তাহাজ্জুদ হয় না।
.
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবিগণের সাধারণ অভ্যাস ছিলো, তাঁরা রাতে ঘুম থেকে জেগে ইবাদত করতেন। তাই এটিই সর্বোৎকৃষ্ট পদ্ধতি। কিন্তু কেউ রাতে জাগ্রত হতে না পারলে রাতের যেকোনো সময়ে ২/৪/৬/৮/১০ রাকাত নফল পড়ে ঘুমাতে পারেন। তাহাজ্জুদের সমান না হলেও কিয়ামুল লাইল হিসেবে এর অনেক প্রতিদান পাওয়া যাবে। পাশাপাশি রাতের বেলায় কুরআন তিলাওয়াত, যিকর, দরুদ, দু‘আ, ইস্তিগফার, ইলম অর্জন ইত্যাদি নেক আমলও কিয়ামুল লাইল (রাত্রিকালীন ইবাদত) হিসেবে গণ্য হবে। তবে, হাদিসে বর্ণিত ফজিলত উপকারগুলো পরিপূর্ণভাবে পেতে চাইলে গভীর রাতে অথবা শেষ রাতে কিয়ামুল লাইল আদায় করতে হবে। না হয় শতভাগ ফজিলত পাওয়া যাবে না।
.
❑ একটি রূপরেখা:
.
আমরা যারা শেষ রাতে ওঠতে পারি না, সেজন্য রাতের প্রথমাংশে বা ঘুমানোর আগে উত্তমরূপে কিয়ামুল লাইল (রাত্রিকালীন ইবাদত) আদায় করতে চাই, তারা মাগরিব অথবা ইশার নামাজের পর কয়েক রাকাত নফল নামাজ পড়ে নিতে পারি। এরপর (অথবা ঘুমের আগে) কুরআনের কিছু অংশ তিলাওয়াত করতে পারি। বিশেষত সুরা মুলক ও সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত গুরুত্বের সাথে পড়া উচিত। কুরআন থেকে ১০০ আয়াত পড়তে পারলে সর্বোত্তম কাজ হবে। এর বিশাল ফজিলতের কথা হাদিসে এসেছে। এরপর কিছু সময় দরুদ, ইস্তিগফার ও দু‘আ করা যেতে পারে। সেটা এমনও হতে পারে যে, ২০ বার দরুদ, ৫০ বার ইস্তিগফার, ১০ মিনিট দু‘আ-মুনাজাত অথবা যেকোনো পরিমাণ। সর্বশেষ, ঘুমানোর পূর্বের আমলগুলো করতে করতে অজু অবস্থায় ঘুমিয়ে যাবো। ঘুমানোর আগে তাহাজ্জুদের জন্য জাগ্রত হওয়ার পাক্কা নিয়ত করে ঘুমাবো। তাহলে, উঠতে না পারলেও শুধু সৎ নিয়তের কারণে তাহাজ্জুদের সওয়াব পেয়ে যাবো, ইনশাআল্লাহ।
.
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি রাতে (ওঠে) নামাজ আদায়ের ইচ্ছা করা সত্ত্বেও ঘুম তাকে পরাভূত করে দিলো (অর্থাৎ ওঠতে পারলো না), তার আমলনামায় রাতে নামাজ আদায়ের সওয়াব লিখা হবে। তার জন্য ঘুম (আল্লাহর পক্ষ থেকে) সাদাকাহ (বিশেষ উপহার) হিসেবে গণ্য হবে।’’ [ইমাম আবু দাউদ, আস-সুনান: ১৩১৪; ইমাম নাসায়ি, আস-সুনান: ১৭৮৪; হাদিসটি সহিহ]
.
❤8
আসিফাকে গণধর্ষণ ও হত্যার ৬ বছর - ১৭ই জানুয়ারী ২০১৮
#JusticeForAsifaBano #NeverForget #OnThisDay #Kashmir #India #Islamophobia #AsifaBano
#JusticeForAsifaBano #NeverForget #OnThisDay #Kashmir #India #Islamophobia #AsifaBano
😢5🤬1