মালিক ইবনু দীনার (রহিমাহুল্লাহ) কে জিজ্ঞেস করা হলো,
"আজকের সকাল কীভাবে শুরু করলেন?"
তিনি বললেন,
"কমতে থাকা আয়ু আর বাড়তে থাকা গুনাহ নিয়ে।"
.
- শারহুয যারক্বানি আ'লা' মুয়াত্তা মালিক, ১/৫৪
"আজকের সকাল কীভাবে শুরু করলেন?"
তিনি বললেন,
"কমতে থাকা আয়ু আর বাড়তে থাকা গুনাহ নিয়ে।"
.
- শারহুয যারক্বানি আ'লা' মুয়াত্তা মালিক, ১/৫৪
😢8
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি
রাজিবুর রহমান ভাই 🌹🌹
রাজিবুর রহমান ভাই 🌹🌹
❤15🥰1
ইসকন কি? ইসকনের উদ্দেশ্য কি?
ইসকন এর কথা আসলে মনে করা হয়। ইসকন সনাতনদের ধর্মীয় সংগঠন। কিন্তু ইসকন কি সনাতন ধর্মীয় সংগঠন নাকি সনাতনের নাম বিক্রি করে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায়? তাহলে চলেন ইসকন সম্পর্কে একটু জেনে আসি।
ইসকনের সৃষ্টি কিন্তু ভারতে নয় আমেরিকার নিউইয়র্কে ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতার নাম ‘অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ’। অবাক হওয়ার মত বিষয়, এ ব্যক্তি ভারতে কোন হিন্দু শিক্ষালয়ে লেখাপড়া করেনি, লেখাপড়া করেছে খ্রিস্টানদের চার্চে। পেশায় সে ছিলো ফার্মাসিউটিকাল ব্যবসায়ী। যার পড়াশোনা টা হয় খ্রিস্টান চার্চে, সে ব্যক্তি কিভাবে সনাতন ধর্মীয় সংগঠন করে ধর্ম প্রচার করে। স্বামী প্রভুপাদ যখন সনাতনের নাম করে ইসকন প্রতিষ্ঠান করে। তখন মূলধারার হিন্দুরা এতে বাধা দেয়। কারণ মূলধারার হিন্দুরা বুঝতে পেরেছিলো। তাদের নাম বিক্রি করে, খ্রিস্টান এজেন্টডার হয়ে ইসকন কি করতে যাচ্ছে। বাধা দেওয়ার পরই এই ইসকন জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তার কারণ হলো ইসকন কে বাস্তবায়ন করার জন্য। কিছু খ্রিস্টান এজেন্ডার কাজ করে যাচ্ছে এখনো। মূলধারার হিন্দুদের ভাবনা যেমন ছিলো ঠিক তেমন কাজ করে যাচ্ছে ইসকন।
যেমন হিন্দুদের মন্দির ভেঙ্গে সেখানে করা হচ্ছে ইসকন মন্দির। ২০০৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রশিক রায় জিউ মন্দিরে দুর্গাপূজা নিয়ে ইসকনপন্থি ও সনাতন ধর্মালম্বীদের সংঘর্ষ হয়। এসময় ইসকন ভক্তদের হামলায় ফুলবাবু নামে একজন সনাতন নিহত হয়। তাহলে কিভাবে হলো ইসকন সনাতন ধর্মীয় সংগঠন? আসলে ইসকন হলো একটা উ/গ্র জ/ঙ্গি সংগঠন। যারা খ্রিষ্টান এজেন্ডার হয়ে কাজ করে।
তারপর ওহ কেন ইসকনের সাথে হিন্দু ধর্মের লোকদের এত মিল এত সম্পর্ক। এত এত মিল যার ফলে তারা হয়ে যাচ্ছে ইসকন সদস্য । তার কারন এক টাই ধর্মের নাম করে উ/গ্র ইসকন চায় মুসলিম হটাতে, মুসলিম হ/ত্য| করতে। যার কারনে হিন্দুদের এত মিল ইসকনের সাথে। বাংলা একটা প্রবাদ আছে চোরে চোরে খালাতো ভাই।
নিষিদ্ধ করা হোক ইসকন কে।
বাংলাদেশ একটা মুসলিম রাষ্ট্র। তার জন্য উ/গ্র সংগঠন ইসকনকে নিষিদ্ধ করা হোক। কারন ইসকনের উদ্দেশ্য মুসলিম হটানো। এ সংগঠনটির মূল উদ্দেশ্য মধ্যযুগের চৈতন্য’র থেকে আগত। চৈতন্য’র অনতম থিউরী হচ্ছে- “নির্যবন করো আজি সকল ভুবন”। যার অর্থ- সারা পৃথিবীকে যবন মানে মুসলমান মুক্ত করো। ইসকন ঠিক এটাই করে যাচ্ছে মুসলিমদের সাথে । তা নিচে তুলে ধরা হলো।
১) ২০১৪ সালে স্বামীবাগে তারাবীর নামাজে বাধা দেয় ইসকন ।
২) ২০১৬ সালে সিলেটে ইসকন মন্দির থেকে পার্শ্ববর্তী মসজিদের মুসল্লীদের উপর গুলি বর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ইসকনীদের হামলায় ডজনখানেক মুসল্লী গুরতর আহত হয়।
৩) ইসকনের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দেয়ায় ২০১৬ সালে খুন হয় সিলেটের এক মসজিদের ইমাম।
৪) ২০১৯ সালে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্কুলে ইসকন ফুড ফর লাইফের খাবার বিতরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। যেখানে দেখা যায় শিশুদের খাওয়ার পূর্বে 'হরে কৃষ্ণ' জপতে বলা হচ্ছে।
৫) বুয়েটের আলোচিত আবরার ফাহাদ হ/ত্যার মূল আসামী আমিত সাহা ইসকন এর সদস্য ছিলো।
এরুকুম আর বহু ঘটনা ঘটাচ্ছে আমাদের চোখে আড়ালে উ/গ্র সংগঠন ইসকন। বর্তমানে সব চেয়ে বেশি আলোচিত
বাংলাদেশে লাভ জিহাদ প্রতিরোধ এর নামে, যে নোংরামি করতাছে হিন্দুরা। এসব করার পিছনে সবচেয়ে বড় অবদান উ/গ্র সংগঠন ইসকনের। ইসকনের সহায়তায় বাংলাদেশে এসব হচ্ছে ।
বর্তমানে চন্দ্র নাথ পাহাড় ইসু নিয়ে মুসলিম আর হিন্দুদের মধ্যে বিবেদ সৃষ্টি করার জন্য । হিন্দুদের পাশে গিয়ে সামিল হচ্ছে ইসকন। তারা একতা বদ্ধ হয়ে মুসলিমদের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হবে। আর তার জন্যেই বলচি চোরে চোরে খালাতো ভাই
https://t.me/alolpath
ইসকন এর কথা আসলে মনে করা হয়। ইসকন সনাতনদের ধর্মীয় সংগঠন। কিন্তু ইসকন কি সনাতন ধর্মীয় সংগঠন নাকি সনাতনের নাম বিক্রি করে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায়? তাহলে চলেন ইসকন সম্পর্কে একটু জেনে আসি।
ইসকনের সৃষ্টি কিন্তু ভারতে নয় আমেরিকার নিউইয়র্কে ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতার নাম ‘অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ’। অবাক হওয়ার মত বিষয়, এ ব্যক্তি ভারতে কোন হিন্দু শিক্ষালয়ে লেখাপড়া করেনি, লেখাপড়া করেছে খ্রিস্টানদের চার্চে। পেশায় সে ছিলো ফার্মাসিউটিকাল ব্যবসায়ী। যার পড়াশোনা টা হয় খ্রিস্টান চার্চে, সে ব্যক্তি কিভাবে সনাতন ধর্মীয় সংগঠন করে ধর্ম প্রচার করে। স্বামী প্রভুপাদ যখন সনাতনের নাম করে ইসকন প্রতিষ্ঠান করে। তখন মূলধারার হিন্দুরা এতে বাধা দেয়। কারণ মূলধারার হিন্দুরা বুঝতে পেরেছিলো। তাদের নাম বিক্রি করে, খ্রিস্টান এজেন্টডার হয়ে ইসকন কি করতে যাচ্ছে। বাধা দেওয়ার পরই এই ইসকন জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তার কারণ হলো ইসকন কে বাস্তবায়ন করার জন্য। কিছু খ্রিস্টান এজেন্ডার কাজ করে যাচ্ছে এখনো। মূলধারার হিন্দুদের ভাবনা যেমন ছিলো ঠিক তেমন কাজ করে যাচ্ছে ইসকন।
যেমন হিন্দুদের মন্দির ভেঙ্গে সেখানে করা হচ্ছে ইসকন মন্দির। ২০০৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রশিক রায় জিউ মন্দিরে দুর্গাপূজা নিয়ে ইসকনপন্থি ও সনাতন ধর্মালম্বীদের সংঘর্ষ হয়। এসময় ইসকন ভক্তদের হামলায় ফুলবাবু নামে একজন সনাতন নিহত হয়। তাহলে কিভাবে হলো ইসকন সনাতন ধর্মীয় সংগঠন? আসলে ইসকন হলো একটা উ/গ্র জ/ঙ্গি সংগঠন। যারা খ্রিষ্টান এজেন্ডার হয়ে কাজ করে।
তারপর ওহ কেন ইসকনের সাথে হিন্দু ধর্মের লোকদের এত মিল এত সম্পর্ক। এত এত মিল যার ফলে তারা হয়ে যাচ্ছে ইসকন সদস্য । তার কারন এক টাই ধর্মের নাম করে উ/গ্র ইসকন চায় মুসলিম হটাতে, মুসলিম হ/ত্য| করতে। যার কারনে হিন্দুদের এত মিল ইসকনের সাথে। বাংলা একটা প্রবাদ আছে চোরে চোরে খালাতো ভাই।
নিষিদ্ধ করা হোক ইসকন কে।
বাংলাদেশ একটা মুসলিম রাষ্ট্র। তার জন্য উ/গ্র সংগঠন ইসকনকে নিষিদ্ধ করা হোক। কারন ইসকনের উদ্দেশ্য মুসলিম হটানো। এ সংগঠনটির মূল উদ্দেশ্য মধ্যযুগের চৈতন্য’র থেকে আগত। চৈতন্য’র অনতম থিউরী হচ্ছে- “নির্যবন করো আজি সকল ভুবন”। যার অর্থ- সারা পৃথিবীকে যবন মানে মুসলমান মুক্ত করো। ইসকন ঠিক এটাই করে যাচ্ছে মুসলিমদের সাথে । তা নিচে তুলে ধরা হলো।
১) ২০১৪ সালে স্বামীবাগে তারাবীর নামাজে বাধা দেয় ইসকন ।
২) ২০১৬ সালে সিলেটে ইসকন মন্দির থেকে পার্শ্ববর্তী মসজিদের মুসল্লীদের উপর গুলি বর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ইসকনীদের হামলায় ডজনখানেক মুসল্লী গুরতর আহত হয়।
৩) ইসকনের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দেয়ায় ২০১৬ সালে খুন হয় সিলেটের এক মসজিদের ইমাম।
৪) ২০১৯ সালে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্কুলে ইসকন ফুড ফর লাইফের খাবার বিতরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। যেখানে দেখা যায় শিশুদের খাওয়ার পূর্বে 'হরে কৃষ্ণ' জপতে বলা হচ্ছে।
৫) বুয়েটের আলোচিত আবরার ফাহাদ হ/ত্যার মূল আসামী আমিত সাহা ইসকন এর সদস্য ছিলো।
এরুকুম আর বহু ঘটনা ঘটাচ্ছে আমাদের চোখে আড়ালে উ/গ্র সংগঠন ইসকন। বর্তমানে সব চেয়ে বেশি আলোচিত
বাংলাদেশে লাভ জিহাদ প্রতিরোধ এর নামে, যে নোংরামি করতাছে হিন্দুরা। এসব করার পিছনে সবচেয়ে বড় অবদান উ/গ্র সংগঠন ইসকনের। ইসকনের সহায়তায় বাংলাদেশে এসব হচ্ছে ।
বর্তমানে চন্দ্র নাথ পাহাড় ইসু নিয়ে মুসলিম আর হিন্দুদের মধ্যে বিবেদ সৃষ্টি করার জন্য । হিন্দুদের পাশে গিয়ে সামিল হচ্ছে ইসকন। তারা একতা বদ্ধ হয়ে মুসলিমদের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হবে। আর তার জন্যেই বলচি চোরে চোরে খালাতো ভাই
https://t.me/alolpath
Telegram
আলোর পথ
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
👍9❤1
হাসান বাসরি রহ. বলেন, উমার রদ্বিয়াল্লাহু আনহুর যুগে এক যুবক ছিল। মসজিদমুখী, ইবাদতগুজার বান্দা। একটা মেয়ে ছিল, যুবককে পছন্দ করত।
.
একদিন তাকে একাকী পেলে মেয়েটি পথ আটকায় এবং কথা বলে। শুধু কথাই হয়েছিল তাদের মধ্যে। কিন্তু বিষয়টা যুবকের মনে অস্থিরতা সৃষ্টি করে। সে খুব কাঁদতে লাগল। কাঁদতে কাঁদতে একসময় বেহুঁশও হয়ে পড়ল।
.
যুবকের চাচা রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন তখন। ভাতিজাকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে দ্রুত ছুটে গেলেন এবং বাসায় নিয়ে আসলেন।
.
যুবকটার যখন হুঁশ ফিরল, বলল, 'চাচাজান, আপনি আমার সালাম নিয়ে খলিফা উমারের কাছে যান। তাঁকে জিজ্ঞেস করুন, যে তার রবের সামনে দাঁড়ানোকে ভয় করে, তার পুরস্কার কী?'
.
ভাতিজার প্রশ্ন নিয়ে চাচা গেলেন খলিফার দরবারে। উমার শুনলেন তার কথা। এরপর যুবককে দেখতে চাচার সাথে বাড়িতে গেলেন। গিয়ে দেখেন যুবক এখনও কাঁদছে। এত বেশি কাঁদছিল যে, এভাবেই সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল। বেচারা। প্রশ্নের উত্তরটাও শোনা হলো না তার।
.
উমার (রদ্বি.) নিথর দেহটার সামনে গিয়ে দাঁড়ালেন। বললেন, 'তোমার জন্য দুটো জান্নাত। এটাই তোমার উত্তর।'
.
বই: যাম্মুল হাওয়া, ইবনুল জাওযী (রহ.)
#ভাবানুবাদ
©
.
একদিন তাকে একাকী পেলে মেয়েটি পথ আটকায় এবং কথা বলে। শুধু কথাই হয়েছিল তাদের মধ্যে। কিন্তু বিষয়টা যুবকের মনে অস্থিরতা সৃষ্টি করে। সে খুব কাঁদতে লাগল। কাঁদতে কাঁদতে একসময় বেহুঁশও হয়ে পড়ল।
.
যুবকের চাচা রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন তখন। ভাতিজাকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে দ্রুত ছুটে গেলেন এবং বাসায় নিয়ে আসলেন।
.
যুবকটার যখন হুঁশ ফিরল, বলল, 'চাচাজান, আপনি আমার সালাম নিয়ে খলিফা উমারের কাছে যান। তাঁকে জিজ্ঞেস করুন, যে তার রবের সামনে দাঁড়ানোকে ভয় করে, তার পুরস্কার কী?'
.
ভাতিজার প্রশ্ন নিয়ে চাচা গেলেন খলিফার দরবারে। উমার শুনলেন তার কথা। এরপর যুবককে দেখতে চাচার সাথে বাড়িতে গেলেন। গিয়ে দেখেন যুবক এখনও কাঁদছে। এত বেশি কাঁদছিল যে, এভাবেই সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল। বেচারা। প্রশ্নের উত্তরটাও শোনা হলো না তার।
.
উমার (রদ্বি.) নিথর দেহটার সামনে গিয়ে দাঁড়ালেন। বললেন, 'তোমার জন্য দুটো জান্নাত। এটাই তোমার উত্তর।'
.
বই: যাম্মুল হাওয়া, ইবনুল জাওযী (রহ.)
#ভাবানুবাদ
©
❤12
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
কে আছো এমন,
দাও মুছে দাও জীবনের সব কালিমা......
দাও মুছে দাও জীবনের সব কালিমা......
❤15🥰1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ইন্না-লিল্লাহ
নেদারল্যান্ডসের ইসলাম বিদ্বেষী পেগিডা গ্রুপ এর এক সদস্য প্রকাশ্যে পবিত্র কোরআন ছিড়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
উক্ত ঘটনার জেরে দেশটিতে অবস্থানরত মুসলিম কমিউনিটি প্রতিবাদ সমাবেশ করার চেষ্টা করলে ডাচ পুলিশ তাদের উপর টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে।
#Pegida
নেদারল্যান্ডসের ইসলাম বিদ্বেষী পেগিডা গ্রুপ এর এক সদস্য প্রকাশ্যে পবিত্র কোরআন ছিড়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
উক্ত ঘটনার জেরে দেশটিতে অবস্থানরত মুসলিম কমিউনিটি প্রতিবাদ সমাবেশ করার চেষ্টা করলে ডাচ পুলিশ তাদের উপর টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে।
#Pegida
🤬20
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
নর্তকীর সাথে পঞ্চগড় সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলামের নৃত্য।
আলোর পথ
Photo
আজ নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ বাহাদুর এর ১১০ তম অন্তর্ধান দিবস। তিনি ১৮৭১ সালের ৭ ই জুন ঢাকার নবাব পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পূর্ববঙ্গবাসী মুসলিমদের স্বার্থ আদায়ে বিশ শতকের গোড়ার দিকে যিনি নেতৃত্বের হাল ধরেন, তিনি হলেন নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ। তিনি ১৮৯৩ সালে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে চাকরি নেন। ১৯০১ সালে পিতা নওয়াব আহসানউল্লাহ এর মৃত্যুর পর ঢাকার নওয়াবী লাভ করেন।
নওয়াবি লাভের পরই তিনি পূর্ব বাংলার কর্মক্ষম মানুষের জন্য মহল্লায় মহল্লায় নৈশ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। পূর্ব বঙ্গের পিছিয়ে পড়া মুসলিম জনগোষ্ঠীর জন্য তিনি ব্রিটিশ সরকার এর কাছে পূর্ববঙ্গ ও আসামকে আলাদা প্রদেশ করার দাবি জানান। ফলশ্রুতিতে ১৯০৫ সালে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গের আদেশ দেয়। উপমহাদেশের মুসলিমদের রাজনৈতিক ভাবে শক্তিশালী করার উদ্দ্যেশ্যে ১৯০৬ সালে তার প্রস্তাবে গঠিত হয় নিখিল ভারত মুসলিম লীগ। ১৯১২ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ রদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য ব্রিটিশ ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের কাছে আবেদন করেন। পূর্ববঙ্গে বিশেষ করে ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি নিয়ে কলকাতা কেন্দ্রিক অনেক স্বনামধন্য বুদ্ধিজীবীগন বিরোধীতা করেন। কিন্তু নওয়াব সলিমুল্লাহ এতো বিরোধীতা সত্ত্বেও পূর্ব বাংলার মুসলিমদের অধিকার আদায়ে সচেষ্ট ছিলেন।
মুসলিম হল, ইসলামিয়া এতিমখানা, মিটফোর্ড হাসপাতাল ও সার্ভে স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব সলিমুল্লাহ অনেক অবদান রাখেন। ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ নওয়াব সলিমুল্লাহকে অনেক মর্মাহত করে। থমকে যায় তার রাজনৈতিক জীবন। নওয়াব এস্টেট ও ধীরে ধীরে তার প্রতিপত্তি হারাতে থাকে। অবশেষে ১৯১৫ সালের ১৬ জানুয়ারি নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ বাহাদুর ইন্তেকাল করেন। মাত্র ৪৪ বছরের জীবনে নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ সর্বভারতীয় পর্যায়ে যতটুকু প্রভাব ফেলতে পেরেছিলেন তা তাঁর উত্তর ও পূর্বপুরুষদের কেউই পারেননি।
নওয়াবি লাভের পরই তিনি পূর্ব বাংলার কর্মক্ষম মানুষের জন্য মহল্লায় মহল্লায় নৈশ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। পূর্ব বঙ্গের পিছিয়ে পড়া মুসলিম জনগোষ্ঠীর জন্য তিনি ব্রিটিশ সরকার এর কাছে পূর্ববঙ্গ ও আসামকে আলাদা প্রদেশ করার দাবি জানান। ফলশ্রুতিতে ১৯০৫ সালে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গের আদেশ দেয়। উপমহাদেশের মুসলিমদের রাজনৈতিক ভাবে শক্তিশালী করার উদ্দ্যেশ্যে ১৯০৬ সালে তার প্রস্তাবে গঠিত হয় নিখিল ভারত মুসলিম লীগ। ১৯১২ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ রদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য ব্রিটিশ ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের কাছে আবেদন করেন। পূর্ববঙ্গে বিশেষ করে ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি নিয়ে কলকাতা কেন্দ্রিক অনেক স্বনামধন্য বুদ্ধিজীবীগন বিরোধীতা করেন। কিন্তু নওয়াব সলিমুল্লাহ এতো বিরোধীতা সত্ত্বেও পূর্ব বাংলার মুসলিমদের অধিকার আদায়ে সচেষ্ট ছিলেন।
মুসলিম হল, ইসলামিয়া এতিমখানা, মিটফোর্ড হাসপাতাল ও সার্ভে স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব সলিমুল্লাহ অনেক অবদান রাখেন। ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ নওয়াব সলিমুল্লাহকে অনেক মর্মাহত করে। থমকে যায় তার রাজনৈতিক জীবন। নওয়াব এস্টেট ও ধীরে ধীরে তার প্রতিপত্তি হারাতে থাকে। অবশেষে ১৯১৫ সালের ১৬ জানুয়ারি নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ বাহাদুর ইন্তেকাল করেন। মাত্র ৪৪ বছরের জীবনে নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ সর্বভারতীয় পর্যায়ে যতটুকু প্রভাব ফেলতে পেরেছিলেন তা তাঁর উত্তর ও পূর্বপুরুষদের কেউই পারেননি।
😢6👍1
১: তাহাজ্জুদ পড়ার সময় যদি অদৃশ্য উর্দ্ধলোকের পর্দা উঠিয়ে দেয়া হত, আমি অবাক বিস্ময়ে দেখতাম, একদল ফিরিশতা আমাকে ঘিরে আছেন। আমার তিলাওয়া-তাসবীহ মনোযোগ দিয়ে শুনছেন। আমার দোয়ায় আমীন বলছেন। তারা আমার সম্মানেই উর্দ্ধলোক থেকে নেমে এসেছেন।
২. শেষরাতের আঁধারে, ঘরের গহীন কোণে, তাহাজ্জুদরত আমি ফিরিশতার চোখে এক উজ্জ্বল তারকাসদৃশ। আমি যেমন আঁধার রাতে আকাশে জ্বলজ্বলে তারার দিকে বিমুগ্ধ নয়নে চেয়ে থাকি, ফিরিশতাগনও আমার দিকে চেয়ে থাকেন। ফিরিশতাগনের প্রভাবে আমার উপর প্রশান্তি বর্ষিত হতে থাকে। আমার চারপাশে বিরাজ করতে থাকে, সুখদ এক আবহ।
৩. বারবার বিরতিহীনভাবে দরজায় টোকা দিতে থাকলে, একসময় না একসময় গেরস্ত দরজা খোলেই। আমি তাহাজ্জুদের পর, ফিরিশিতাবেষ্টিত আবহে আল্লাহর কাছে দোয়া করলে, ফিরিশতাদের আমীনের বরকতে রাব্বে কারীম আমার দোয়া কবুল করেই নেবেন।
৪: দু’হাত তুলে দোয়া করার সময়, শুন্য দুই তালুর প্রতি খেয়াল করে দেখব। কী অসহায়, নিঃসম্বল উজাড় দুটি হাত। কী অক্ষম আর অসহায়। অপরদিকে আল্লাহ? কী অপরিসীম শক্তিশালী। কী বিশাল খাজানার মালিক।
৫. আল্লাহর যিকিরের কী যে অপরিমেয় উপকারিতা, কিয়ামুল লাইলে দাঁড়ানো ব্যক্তি যদি তা জানত, আল্লাহর যিকির কতভাবে বান্দাকে বিপদাপদ থেকে রক্ষা করে, তা যদি যিকিরকারী জানত, তাহলে তার একটি নিঃশ্বাসও আল্লাহর যিকিরবিহীন কাটত না। একটি রাতও তাহাজ্জুদ ছেড়ে ঘুমুত না। - Sh. Atiq Ullah
🍀ফিলিস্তিন এর জন্য দুআ করব অবশ্যই। ইন শা আল্লাহ
২. শেষরাতের আঁধারে, ঘরের গহীন কোণে, তাহাজ্জুদরত আমি ফিরিশতার চোখে এক উজ্জ্বল তারকাসদৃশ। আমি যেমন আঁধার রাতে আকাশে জ্বলজ্বলে তারার দিকে বিমুগ্ধ নয়নে চেয়ে থাকি, ফিরিশতাগনও আমার দিকে চেয়ে থাকেন। ফিরিশতাগনের প্রভাবে আমার উপর প্রশান্তি বর্ষিত হতে থাকে। আমার চারপাশে বিরাজ করতে থাকে, সুখদ এক আবহ।
৩. বারবার বিরতিহীনভাবে দরজায় টোকা দিতে থাকলে, একসময় না একসময় গেরস্ত দরজা খোলেই। আমি তাহাজ্জুদের পর, ফিরিশিতাবেষ্টিত আবহে আল্লাহর কাছে দোয়া করলে, ফিরিশতাদের আমীনের বরকতে রাব্বে কারীম আমার দোয়া কবুল করেই নেবেন।
৪: দু’হাত তুলে দোয়া করার সময়, শুন্য দুই তালুর প্রতি খেয়াল করে দেখব। কী অসহায়, নিঃসম্বল উজাড় দুটি হাত। কী অক্ষম আর অসহায়। অপরদিকে আল্লাহ? কী অপরিসীম শক্তিশালী। কী বিশাল খাজানার মালিক।
৫. আল্লাহর যিকিরের কী যে অপরিমেয় উপকারিতা, কিয়ামুল লাইলে দাঁড়ানো ব্যক্তি যদি তা জানত, আল্লাহর যিকির কতভাবে বান্দাকে বিপদাপদ থেকে রক্ষা করে, তা যদি যিকিরকারী জানত, তাহলে তার একটি নিঃশ্বাসও আল্লাহর যিকিরবিহীন কাটত না। একটি রাতও তাহাজ্জুদ ছেড়ে ঘুমুত না। - Sh. Atiq Ullah
🍀ফিলিস্তিন এর জন্য দুআ করব অবশ্যই। ইন শা আল্লাহ
❤8
ইব্রাহীম আল খাওয়্যাস [রাহ.] বলেন, "অন্তরের চিকিৎসা বা আরোগ্য রয়েছে ৫টি বিষয়ে:
১) তাদাব্বুরের সাথে কুরআন পাঠ,
২) পেট যথাসম্ভব খালি রাখা(অল্প খাওয়া/সিয়াম পালন),
৩) কিয়ামুল লাইল করা,
৪) শেষ রাতে আল্লাহর কাছে কাকুতি মিনতি করা ও
৫) নেককারদের সাথে ওঠাবসা করা।"
.
.
[ ইমাম আবু নুআঈম আল আসবাহানী (রাহ.), হিলইয়াতুল আউলিয়া: ১০/৩২৭, তাবাআতুস সাআদাহ, ১৯৭৪ ঈ.]
১) তাদাব্বুরের সাথে কুরআন পাঠ,
২) পেট যথাসম্ভব খালি রাখা(অল্প খাওয়া/সিয়াম পালন),
৩) কিয়ামুল লাইল করা,
৪) শেষ রাতে আল্লাহর কাছে কাকুতি মিনতি করা ও
৫) নেককারদের সাথে ওঠাবসা করা।"
.
.
[ ইমাম আবু নুআঈম আল আসবাহানী (রাহ.), হিলইয়াতুল আউলিয়া: ১০/৩২৭, তাবাআতুস সাআদাহ, ১৯৭৪ ঈ.]
❤5
আরবের সম্ভ্রান্ত বংশের মহিলা। যেনা করলেন নিজের দাসের সাথে ৷ জিজ্ঞেস করা হলো, আপনি সম্ভ্রান্ত পরিবারের মহিলা হয়েও দাসের সাথে যেনা করলেন কেন? সে উত্তর দিল:
"طول السهاد، وقرب الوساد"
এর ভাবার্থ হলো: "তার সাথে অধিক কথাবার্তা বলা আর অধিক মেলেমেশার কারণে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি।"
সম্ভ্রান্ত মহিলা ভুলে গিয়েছিলেন যে তিনি উচ্চ বংশের লোক আর সেই দাসের মনিব। কিন্ত অধিক মেলেমেশার কারণে তার গাইরত হারিয়ে যায় এবং দাসের কাছে নিজের ব্যক্তিত্ববোধ লোপ পায়।
আরবীতে একটি প্রবাদ আছে:
"كثرة المساس تقلل الإحساس"
" অধিক স্পর্শ অনুভূতি কমিয়ে দেয়।"
নারী পুরুষের অবাধ মেলেমেশা ও চারিত্রিক অধঃপতনের এই যুগে আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন।
"طول السهاد، وقرب الوساد"
এর ভাবার্থ হলো: "তার সাথে অধিক কথাবার্তা বলা আর অধিক মেলেমেশার কারণে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি।"
সম্ভ্রান্ত মহিলা ভুলে গিয়েছিলেন যে তিনি উচ্চ বংশের লোক আর সেই দাসের মনিব। কিন্ত অধিক মেলেমেশার কারণে তার গাইরত হারিয়ে যায় এবং দাসের কাছে নিজের ব্যক্তিত্ববোধ লোপ পায়।
আরবীতে একটি প্রবাদ আছে:
"كثرة المساس تقلل الإحساس"
" অধিক স্পর্শ অনুভূতি কমিয়ে দেয়।"
নারী পুরুষের অবাধ মেলেমেশা ও চারিত্রিক অধঃপতনের এই যুগে আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন।
❤7