‘তোমরা যেখানেই থাকো না কেনো, মৃত্যু তোমাদের নাগাল পাবেই৷ যদি তোমরা সুউচ্চ অট্টালিকার মধ্যেও থাকো—তবুও’।
— আল কুরআন, সূরা আন নিসা, আয়াত-৭৮।
— আল কুরআন, সূরা আন নিসা, আয়াত-৭৮।
😢9❤1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ইয়া আল্লাহ, আমাদের ক্ষমা করুন এবং আমাদের ওপর ক্ষমা ও দয়া প্রদর্শন করুন।
❤12
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
যুবকদের উদ্দেশ্য
আবু ত্বোহা মোহাম্মদ আদনান
আবু ত্বোহা মোহাম্মদ আদনান
❤10👍1
যাদের উপর তাওরাতের দায়িত্বভার দেয়া হয়েছিল, অতঃপর তা তারা বহন করেনি (অর্থাৎ তারা তাদের উপর ন্যস্ত দায়িত্ব পালন করেনি) তাদের দৃষ্টান্ত হল গাধার মত, যে বহু কিতাবের বোঝা বহন করে (কিন্তু তা বুঝে না)।সে সম্প্রদায়ের উপমা কতইনা নিকৃষ্ট, যারা আল্লাহর আয়াতসমূহকে অস্বীকার করে। আর আল্লাহ যালিম সম্প্রদায়কে হিদায়াত করেন না। সূরা আল-জুমু'আঃ ০৫
😢10❤1
একজন্ম
-তারাপদ রায়
অনেকদিন দেখা হবে না
তারপর একদিন দেখা হবে।
দু’জনেই দু’জনকে বলবো,
‘অনেকদিন দেখা হয়নি’।
এইভাবে যাবে দিনের পর দিন
বৎসরের পর বৎসর।
তারপর একদিন হয়ত জানা যাবে
বা হয়ত জানা যাবে না,
যে তোমার সঙ্গে আমার
অথবা আমার সঙ্গে তোমার
আর কোনদিন দেখা হবে না।
-তারাপদ রায়
অনেকদিন দেখা হবে না
তারপর একদিন দেখা হবে।
দু’জনেই দু’জনকে বলবো,
‘অনেকদিন দেখা হয়নি’।
এইভাবে যাবে দিনের পর দিন
বৎসরের পর বৎসর।
তারপর একদিন হয়ত জানা যাবে
বা হয়ত জানা যাবে না,
যে তোমার সঙ্গে আমার
অথবা আমার সঙ্গে তোমার
আর কোনদিন দেখা হবে না।
😢10🔥1
মালিক ইবনু দীনার (রহিমাহুল্লাহ) কে জিজ্ঞেস করা হলো,
"আজকের সকাল কীভাবে শুরু করলেন?"
তিনি বললেন,
"কমতে থাকা আয়ু আর বাড়তে থাকা গুনাহ নিয়ে।"
.
- শারহুয যারক্বানি আ'লা' মুয়াত্তা মালিক, ১/৫৪
"আজকের সকাল কীভাবে শুরু করলেন?"
তিনি বললেন,
"কমতে থাকা আয়ু আর বাড়তে থাকা গুনাহ নিয়ে।"
.
- শারহুয যারক্বানি আ'লা' মুয়াত্তা মালিক, ১/৫৪
😢8
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি
রাজিবুর রহমান ভাই 🌹🌹
রাজিবুর রহমান ভাই 🌹🌹
❤15🥰1
ইসকন কি? ইসকনের উদ্দেশ্য কি?
ইসকন এর কথা আসলে মনে করা হয়। ইসকন সনাতনদের ধর্মীয় সংগঠন। কিন্তু ইসকন কি সনাতন ধর্মীয় সংগঠন নাকি সনাতনের নাম বিক্রি করে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায়? তাহলে চলেন ইসকন সম্পর্কে একটু জেনে আসি।
ইসকনের সৃষ্টি কিন্তু ভারতে নয় আমেরিকার নিউইয়র্কে ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতার নাম ‘অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ’। অবাক হওয়ার মত বিষয়, এ ব্যক্তি ভারতে কোন হিন্দু শিক্ষালয়ে লেখাপড়া করেনি, লেখাপড়া করেছে খ্রিস্টানদের চার্চে। পেশায় সে ছিলো ফার্মাসিউটিকাল ব্যবসায়ী। যার পড়াশোনা টা হয় খ্রিস্টান চার্চে, সে ব্যক্তি কিভাবে সনাতন ধর্মীয় সংগঠন করে ধর্ম প্রচার করে। স্বামী প্রভুপাদ যখন সনাতনের নাম করে ইসকন প্রতিষ্ঠান করে। তখন মূলধারার হিন্দুরা এতে বাধা দেয়। কারণ মূলধারার হিন্দুরা বুঝতে পেরেছিলো। তাদের নাম বিক্রি করে, খ্রিস্টান এজেন্টডার হয়ে ইসকন কি করতে যাচ্ছে। বাধা দেওয়ার পরই এই ইসকন জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তার কারণ হলো ইসকন কে বাস্তবায়ন করার জন্য। কিছু খ্রিস্টান এজেন্ডার কাজ করে যাচ্ছে এখনো। মূলধারার হিন্দুদের ভাবনা যেমন ছিলো ঠিক তেমন কাজ করে যাচ্ছে ইসকন।
যেমন হিন্দুদের মন্দির ভেঙ্গে সেখানে করা হচ্ছে ইসকন মন্দির। ২০০৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রশিক রায় জিউ মন্দিরে দুর্গাপূজা নিয়ে ইসকনপন্থি ও সনাতন ধর্মালম্বীদের সংঘর্ষ হয়। এসময় ইসকন ভক্তদের হামলায় ফুলবাবু নামে একজন সনাতন নিহত হয়। তাহলে কিভাবে হলো ইসকন সনাতন ধর্মীয় সংগঠন? আসলে ইসকন হলো একটা উ/গ্র জ/ঙ্গি সংগঠন। যারা খ্রিষ্টান এজেন্ডার হয়ে কাজ করে।
তারপর ওহ কেন ইসকনের সাথে হিন্দু ধর্মের লোকদের এত মিল এত সম্পর্ক। এত এত মিল যার ফলে তারা হয়ে যাচ্ছে ইসকন সদস্য । তার কারন এক টাই ধর্মের নাম করে উ/গ্র ইসকন চায় মুসলিম হটাতে, মুসলিম হ/ত্য| করতে। যার কারনে হিন্দুদের এত মিল ইসকনের সাথে। বাংলা একটা প্রবাদ আছে চোরে চোরে খালাতো ভাই।
নিষিদ্ধ করা হোক ইসকন কে।
বাংলাদেশ একটা মুসলিম রাষ্ট্র। তার জন্য উ/গ্র সংগঠন ইসকনকে নিষিদ্ধ করা হোক। কারন ইসকনের উদ্দেশ্য মুসলিম হটানো। এ সংগঠনটির মূল উদ্দেশ্য মধ্যযুগের চৈতন্য’র থেকে আগত। চৈতন্য’র অনতম থিউরী হচ্ছে- “নির্যবন করো আজি সকল ভুবন”। যার অর্থ- সারা পৃথিবীকে যবন মানে মুসলমান মুক্ত করো। ইসকন ঠিক এটাই করে যাচ্ছে মুসলিমদের সাথে । তা নিচে তুলে ধরা হলো।
১) ২০১৪ সালে স্বামীবাগে তারাবীর নামাজে বাধা দেয় ইসকন ।
২) ২০১৬ সালে সিলেটে ইসকন মন্দির থেকে পার্শ্ববর্তী মসজিদের মুসল্লীদের উপর গুলি বর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ইসকনীদের হামলায় ডজনখানেক মুসল্লী গুরতর আহত হয়।
৩) ইসকনের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দেয়ায় ২০১৬ সালে খুন হয় সিলেটের এক মসজিদের ইমাম।
৪) ২০১৯ সালে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্কুলে ইসকন ফুড ফর লাইফের খাবার বিতরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। যেখানে দেখা যায় শিশুদের খাওয়ার পূর্বে 'হরে কৃষ্ণ' জপতে বলা হচ্ছে।
৫) বুয়েটের আলোচিত আবরার ফাহাদ হ/ত্যার মূল আসামী আমিত সাহা ইসকন এর সদস্য ছিলো।
এরুকুম আর বহু ঘটনা ঘটাচ্ছে আমাদের চোখে আড়ালে উ/গ্র সংগঠন ইসকন। বর্তমানে সব চেয়ে বেশি আলোচিত
বাংলাদেশে লাভ জিহাদ প্রতিরোধ এর নামে, যে নোংরামি করতাছে হিন্দুরা। এসব করার পিছনে সবচেয়ে বড় অবদান উ/গ্র সংগঠন ইসকনের। ইসকনের সহায়তায় বাংলাদেশে এসব হচ্ছে ।
বর্তমানে চন্দ্র নাথ পাহাড় ইসু নিয়ে মুসলিম আর হিন্দুদের মধ্যে বিবেদ সৃষ্টি করার জন্য । হিন্দুদের পাশে গিয়ে সামিল হচ্ছে ইসকন। তারা একতা বদ্ধ হয়ে মুসলিমদের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হবে। আর তার জন্যেই বলচি চোরে চোরে খালাতো ভাই
https://t.me/alolpath
ইসকন এর কথা আসলে মনে করা হয়। ইসকন সনাতনদের ধর্মীয় সংগঠন। কিন্তু ইসকন কি সনাতন ধর্মীয় সংগঠন নাকি সনাতনের নাম বিক্রি করে তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায়? তাহলে চলেন ইসকন সম্পর্কে একটু জেনে আসি।
ইসকনের সৃষ্টি কিন্তু ভারতে নয় আমেরিকার নিউইয়র্কে ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতার নাম ‘অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ’। অবাক হওয়ার মত বিষয়, এ ব্যক্তি ভারতে কোন হিন্দু শিক্ষালয়ে লেখাপড়া করেনি, লেখাপড়া করেছে খ্রিস্টানদের চার্চে। পেশায় সে ছিলো ফার্মাসিউটিকাল ব্যবসায়ী। যার পড়াশোনা টা হয় খ্রিস্টান চার্চে, সে ব্যক্তি কিভাবে সনাতন ধর্মীয় সংগঠন করে ধর্ম প্রচার করে। স্বামী প্রভুপাদ যখন সনাতনের নাম করে ইসকন প্রতিষ্ঠান করে। তখন মূলধারার হিন্দুরা এতে বাধা দেয়। কারণ মূলধারার হিন্দুরা বুঝতে পেরেছিলো। তাদের নাম বিক্রি করে, খ্রিস্টান এজেন্টডার হয়ে ইসকন কি করতে যাচ্ছে। বাধা দেওয়ার পরই এই ইসকন জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তার কারণ হলো ইসকন কে বাস্তবায়ন করার জন্য। কিছু খ্রিস্টান এজেন্ডার কাজ করে যাচ্ছে এখনো। মূলধারার হিন্দুদের ভাবনা যেমন ছিলো ঠিক তেমন কাজ করে যাচ্ছে ইসকন।
যেমন হিন্দুদের মন্দির ভেঙ্গে সেখানে করা হচ্ছে ইসকন মন্দির। ২০০৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রশিক রায় জিউ মন্দিরে দুর্গাপূজা নিয়ে ইসকনপন্থি ও সনাতন ধর্মালম্বীদের সংঘর্ষ হয়। এসময় ইসকন ভক্তদের হামলায় ফুলবাবু নামে একজন সনাতন নিহত হয়। তাহলে কিভাবে হলো ইসকন সনাতন ধর্মীয় সংগঠন? আসলে ইসকন হলো একটা উ/গ্র জ/ঙ্গি সংগঠন। যারা খ্রিষ্টান এজেন্ডার হয়ে কাজ করে।
তারপর ওহ কেন ইসকনের সাথে হিন্দু ধর্মের লোকদের এত মিল এত সম্পর্ক। এত এত মিল যার ফলে তারা হয়ে যাচ্ছে ইসকন সদস্য । তার কারন এক টাই ধর্মের নাম করে উ/গ্র ইসকন চায় মুসলিম হটাতে, মুসলিম হ/ত্য| করতে। যার কারনে হিন্দুদের এত মিল ইসকনের সাথে। বাংলা একটা প্রবাদ আছে চোরে চোরে খালাতো ভাই।
নিষিদ্ধ করা হোক ইসকন কে।
বাংলাদেশ একটা মুসলিম রাষ্ট্র। তার জন্য উ/গ্র সংগঠন ইসকনকে নিষিদ্ধ করা হোক। কারন ইসকনের উদ্দেশ্য মুসলিম হটানো। এ সংগঠনটির মূল উদ্দেশ্য মধ্যযুগের চৈতন্য’র থেকে আগত। চৈতন্য’র অনতম থিউরী হচ্ছে- “নির্যবন করো আজি সকল ভুবন”। যার অর্থ- সারা পৃথিবীকে যবন মানে মুসলমান মুক্ত করো। ইসকন ঠিক এটাই করে যাচ্ছে মুসলিমদের সাথে । তা নিচে তুলে ধরা হলো।
১) ২০১৪ সালে স্বামীবাগে তারাবীর নামাজে বাধা দেয় ইসকন ।
২) ২০১৬ সালে সিলেটে ইসকন মন্দির থেকে পার্শ্ববর্তী মসজিদের মুসল্লীদের উপর গুলি বর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ইসকনীদের হামলায় ডজনখানেক মুসল্লী গুরতর আহত হয়।
৩) ইসকনের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দেয়ায় ২০১৬ সালে খুন হয় সিলেটের এক মসজিদের ইমাম।
৪) ২০১৯ সালে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্কুলে ইসকন ফুড ফর লাইফের খাবার বিতরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। যেখানে দেখা যায় শিশুদের খাওয়ার পূর্বে 'হরে কৃষ্ণ' জপতে বলা হচ্ছে।
৫) বুয়েটের আলোচিত আবরার ফাহাদ হ/ত্যার মূল আসামী আমিত সাহা ইসকন এর সদস্য ছিলো।
এরুকুম আর বহু ঘটনা ঘটাচ্ছে আমাদের চোখে আড়ালে উ/গ্র সংগঠন ইসকন। বর্তমানে সব চেয়ে বেশি আলোচিত
বাংলাদেশে লাভ জিহাদ প্রতিরোধ এর নামে, যে নোংরামি করতাছে হিন্দুরা। এসব করার পিছনে সবচেয়ে বড় অবদান উ/গ্র সংগঠন ইসকনের। ইসকনের সহায়তায় বাংলাদেশে এসব হচ্ছে ।
বর্তমানে চন্দ্র নাথ পাহাড় ইসু নিয়ে মুসলিম আর হিন্দুদের মধ্যে বিবেদ সৃষ্টি করার জন্য । হিন্দুদের পাশে গিয়ে সামিল হচ্ছে ইসকন। তারা একতা বদ্ধ হয়ে মুসলিমদের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হবে। আর তার জন্যেই বলচি চোরে চোরে খালাতো ভাই
https://t.me/alolpath
Telegram
আলোর পথ
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
👍9❤1
হাসান বাসরি রহ. বলেন, উমার রদ্বিয়াল্লাহু আনহুর যুগে এক যুবক ছিল। মসজিদমুখী, ইবাদতগুজার বান্দা। একটা মেয়ে ছিল, যুবককে পছন্দ করত।
.
একদিন তাকে একাকী পেলে মেয়েটি পথ আটকায় এবং কথা বলে। শুধু কথাই হয়েছিল তাদের মধ্যে। কিন্তু বিষয়টা যুবকের মনে অস্থিরতা সৃষ্টি করে। সে খুব কাঁদতে লাগল। কাঁদতে কাঁদতে একসময় বেহুঁশও হয়ে পড়ল।
.
যুবকের চাচা রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন তখন। ভাতিজাকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে দ্রুত ছুটে গেলেন এবং বাসায় নিয়ে আসলেন।
.
যুবকটার যখন হুঁশ ফিরল, বলল, 'চাচাজান, আপনি আমার সালাম নিয়ে খলিফা উমারের কাছে যান। তাঁকে জিজ্ঞেস করুন, যে তার রবের সামনে দাঁড়ানোকে ভয় করে, তার পুরস্কার কী?'
.
ভাতিজার প্রশ্ন নিয়ে চাচা গেলেন খলিফার দরবারে। উমার শুনলেন তার কথা। এরপর যুবককে দেখতে চাচার সাথে বাড়িতে গেলেন। গিয়ে দেখেন যুবক এখনও কাঁদছে। এত বেশি কাঁদছিল যে, এভাবেই সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল। বেচারা। প্রশ্নের উত্তরটাও শোনা হলো না তার।
.
উমার (রদ্বি.) নিথর দেহটার সামনে গিয়ে দাঁড়ালেন। বললেন, 'তোমার জন্য দুটো জান্নাত। এটাই তোমার উত্তর।'
.
বই: যাম্মুল হাওয়া, ইবনুল জাওযী (রহ.)
#ভাবানুবাদ
©
.
একদিন তাকে একাকী পেলে মেয়েটি পথ আটকায় এবং কথা বলে। শুধু কথাই হয়েছিল তাদের মধ্যে। কিন্তু বিষয়টা যুবকের মনে অস্থিরতা সৃষ্টি করে। সে খুব কাঁদতে লাগল। কাঁদতে কাঁদতে একসময় বেহুঁশও হয়ে পড়ল।
.
যুবকের চাচা রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন তখন। ভাতিজাকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে দ্রুত ছুটে গেলেন এবং বাসায় নিয়ে আসলেন।
.
যুবকটার যখন হুঁশ ফিরল, বলল, 'চাচাজান, আপনি আমার সালাম নিয়ে খলিফা উমারের কাছে যান। তাঁকে জিজ্ঞেস করুন, যে তার রবের সামনে দাঁড়ানোকে ভয় করে, তার পুরস্কার কী?'
.
ভাতিজার প্রশ্ন নিয়ে চাচা গেলেন খলিফার দরবারে। উমার শুনলেন তার কথা। এরপর যুবককে দেখতে চাচার সাথে বাড়িতে গেলেন। গিয়ে দেখেন যুবক এখনও কাঁদছে। এত বেশি কাঁদছিল যে, এভাবেই সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল। বেচারা। প্রশ্নের উত্তরটাও শোনা হলো না তার।
.
উমার (রদ্বি.) নিথর দেহটার সামনে গিয়ে দাঁড়ালেন। বললেন, 'তোমার জন্য দুটো জান্নাত। এটাই তোমার উত্তর।'
.
বই: যাম্মুল হাওয়া, ইবনুল জাওযী (রহ.)
#ভাবানুবাদ
©
❤12
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
কে আছো এমন,
দাও মুছে দাও জীবনের সব কালিমা......
দাও মুছে দাও জীবনের সব কালিমা......
❤15🥰1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ইন্না-লিল্লাহ
নেদারল্যান্ডসের ইসলাম বিদ্বেষী পেগিডা গ্রুপ এর এক সদস্য প্রকাশ্যে পবিত্র কোরআন ছিড়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
উক্ত ঘটনার জেরে দেশটিতে অবস্থানরত মুসলিম কমিউনিটি প্রতিবাদ সমাবেশ করার চেষ্টা করলে ডাচ পুলিশ তাদের উপর টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে।
#Pegida
নেদারল্যান্ডসের ইসলাম বিদ্বেষী পেগিডা গ্রুপ এর এক সদস্য প্রকাশ্যে পবিত্র কোরআন ছিড়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
উক্ত ঘটনার জেরে দেশটিতে অবস্থানরত মুসলিম কমিউনিটি প্রতিবাদ সমাবেশ করার চেষ্টা করলে ডাচ পুলিশ তাদের উপর টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে।
#Pegida
🤬20