যারা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়, তারা যদি মনে করে রক্ত জীবন সম্পদ ব্যতীত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে বাংলাদেশে, তাহলে তারা ভুলের মধ্যে আছেন।
ইসলামী শরিয়ত প্রতিষ্ঠার জন্য কতো রক্ত দিতে হবে তার হিসেব করে লাভ নেই একজন মুসলমানের। এটা ভিন্ন হিসেব। কারণ, মুসলমানরা মনে করেন সকল মুসলমানের জীবনের চেয়েও আল্লাহর শরীয়তের মান-মর্যাদা বহু বহু ঊর্ধ্বে। তাই ইসলামের জন্য কতো রক্ত, কতো জীবন কুরবানি করলে দীন প্রতিষ্ঠা হবে; সেটা আমরা মাথায় আনি না। আমরা মনে করি আমাদের দরকার কাজ করে যাওয়া। দীনকে বিজয়ী করার মালিক আল্লাহ। তিনি যখন চান, তখন তা প্রতিষ্ঠিত হবে।
কিন্তু গণতান্ত্রিক রাজনীতি করেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হোক চান, অথবা জীবন দিতে চান না। এটা হলো না ভাই।
কমিউনিজম প্রতিষ্ঠার জন্যেও অগণিত মানুষ জীবন দিয়েছে। এখনো কেউ তা প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে দিতে হবে।
পুজিবাদ কায়েমেও সাময়িক সময়ের জন্য হলেও পুজি কুরবানি দিতে হয়, হয়েছে।
পৃথিবীতে কোনো আদর্শ, কোনো মতবাদ, কোনো কিছুই রক্ত জীবন ও সম্পদ বিসর্জন ছাড়া প্রতিষ্ঠা হয়নি।
যখন থেকে আধুনিক গণতন্ত্রের সূচনা হয়েছিল, তখনও কিন্তু রক্ত দিয়েই এই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কায়েম করতে হয়েছিল।
অথচ আপনি গণতন্ত্র গণতন্ত্র বলে চিৎকার করেন, কিন্তু জীবন দিতে, সম্পদ দিতে, রক্ত ঝরাতে রাজি হন না, তাহলে আপনার শখের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে কী করে?
হাসিনা স্বৈরাচার ঠিক আছে। এই স্বৈরাচার আপনার আমার বক্তব্যে বিদায় নেবে না। সে খুব সহজে বিদায় নেবার জন্যও ক্ষমতায় বসেনি।
আপনি তাকে সরিয়ে গণতন্ত্র কায়েম করবেন মুখের কথায়? রাস্তায় না নেমে? চোরাগোপ্তা মিছিল করে?
পৃথিবীতে যা কিছুই প্রতিষ্ঠা করতে চান, আপনার জীবন কুরবানি করতেই হবে। এবং ক্ষমতা পেতেই হবে। সরাসরি ক্ষমতা না পেয়েও আপনি ক্ষমতাসীনদের ওপর প্রভাব বিস্তার করে আপনার আদর্শ প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে পারেন। কিন্তু গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা অগণতান্ত্রিক শাসকদের ওপর স্রেফ প্রভাব বিস্তার করেই করা যায় না। ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতার শক্তিকে আপনি আপনার শক্তি দিয়ে চ্যালেঞ্জ করলেই তখন স্বৈরাচার ও একনায়কতান্ত্রিক শক্তি গণতন্ত্র পিপাসুদের কাছে ক্ষমতা ছাড়বে। এর আগে নয়।
ইসলামী শরিয়ত প্রতিষ্ঠার জন্য কতো রক্ত দিতে হবে তার হিসেব করে লাভ নেই একজন মুসলমানের। এটা ভিন্ন হিসেব। কারণ, মুসলমানরা মনে করেন সকল মুসলমানের জীবনের চেয়েও আল্লাহর শরীয়তের মান-মর্যাদা বহু বহু ঊর্ধ্বে। তাই ইসলামের জন্য কতো রক্ত, কতো জীবন কুরবানি করলে দীন প্রতিষ্ঠা হবে; সেটা আমরা মাথায় আনি না। আমরা মনে করি আমাদের দরকার কাজ করে যাওয়া। দীনকে বিজয়ী করার মালিক আল্লাহ। তিনি যখন চান, তখন তা প্রতিষ্ঠিত হবে।
কিন্তু গণতান্ত্রিক রাজনীতি করেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হোক চান, অথবা জীবন দিতে চান না। এটা হলো না ভাই।
কমিউনিজম প্রতিষ্ঠার জন্যেও অগণিত মানুষ জীবন দিয়েছে। এখনো কেউ তা প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে দিতে হবে।
পুজিবাদ কায়েমেও সাময়িক সময়ের জন্য হলেও পুজি কুরবানি দিতে হয়, হয়েছে।
পৃথিবীতে কোনো আদর্শ, কোনো মতবাদ, কোনো কিছুই রক্ত জীবন ও সম্পদ বিসর্জন ছাড়া প্রতিষ্ঠা হয়নি।
যখন থেকে আধুনিক গণতন্ত্রের সূচনা হয়েছিল, তখনও কিন্তু রক্ত দিয়েই এই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কায়েম করতে হয়েছিল।
অথচ আপনি গণতন্ত্র গণতন্ত্র বলে চিৎকার করেন, কিন্তু জীবন দিতে, সম্পদ দিতে, রক্ত ঝরাতে রাজি হন না, তাহলে আপনার শখের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে কী করে?
হাসিনা স্বৈরাচার ঠিক আছে। এই স্বৈরাচার আপনার আমার বক্তব্যে বিদায় নেবে না। সে খুব সহজে বিদায় নেবার জন্যও ক্ষমতায় বসেনি।
আপনি তাকে সরিয়ে গণতন্ত্র কায়েম করবেন মুখের কথায়? রাস্তায় না নেমে? চোরাগোপ্তা মিছিল করে?
পৃথিবীতে যা কিছুই প্রতিষ্ঠা করতে চান, আপনার জীবন কুরবানি করতেই হবে। এবং ক্ষমতা পেতেই হবে। সরাসরি ক্ষমতা না পেয়েও আপনি ক্ষমতাসীনদের ওপর প্রভাব বিস্তার করে আপনার আদর্শ প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে পারেন। কিন্তু গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা অগণতান্ত্রিক শাসকদের ওপর স্রেফ প্রভাব বিস্তার করেই করা যায় না। ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতার শক্তিকে আপনি আপনার শক্তি দিয়ে চ্যালেঞ্জ করলেই তখন স্বৈরাচার ও একনায়কতান্ত্রিক শক্তি গণতন্ত্র পিপাসুদের কাছে ক্ষমতা ছাড়বে। এর আগে নয়।
❤3
গণবিপ্লব সৃষ্টির নেতৃত্ব সংকটে ভুগছে জনপদ
মাত্র ২০% জনসমর্থন নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করতে সক্ষম হলেও ৮০% জনগণের ভালোবাসা কাজে লাগিয়ে গনঅভ্যুত্থান করতে পারলোনা বিএনপি সহ সমমনা দলগুলো। এটি নিঃসন্দেহে বড় ধরনের পরাজয় যা জনগনের আস্থার সংকট তৈরিতে মূখ্য ভূমিকা রাখবে।
বর্তমান বিশ্বের ভূ-রাজনীতির প্রেক্ষাপটে এতটুকু স্পষ্ট " আগামী ২০ বছরের মধ্যে বিএনপির মত মধ্যমপন্থী দলগুলো বিলুপ্ত হয়ে ইসলামপন্থী দলের আর্বিভাব ঘটবে যেখানে ডানপন্থী ব্লকের বর্তমান জনসমর্থন তাদের ভোট ব্যাংক হিসেবে কাজ করবে অপরদিকে আওয়ামী লীগ সহ সমমনা দলগুলোর একটি শক্তিশালী প্লাটফর্ম থাকবে। "
আধ্যাত্মিক বিপর্যয় ইসলামী দলগুলোর প্রধান সংকট।
Huntington, জওহরলাল নেহেরু বা ইউসুফ আল কারযাভীর মত চিন্তাশীল নেতৃত্বের পাশাপাশি গণআন্দোলন তৈরি করতে সক্ষম এমন একসেট মাঠের নেতা ব্যতিত ভারতীয় কলোনী হতে এ জাতিকে মুক্ত করা প্রায় অসম্ভব।।
- আজাদ
মাত্র ২০% জনসমর্থন নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করতে সক্ষম হলেও ৮০% জনগণের ভালোবাসা কাজে লাগিয়ে গনঅভ্যুত্থান করতে পারলোনা বিএনপি সহ সমমনা দলগুলো। এটি নিঃসন্দেহে বড় ধরনের পরাজয় যা জনগনের আস্থার সংকট তৈরিতে মূখ্য ভূমিকা রাখবে।
বর্তমান বিশ্বের ভূ-রাজনীতির প্রেক্ষাপটে এতটুকু স্পষ্ট " আগামী ২০ বছরের মধ্যে বিএনপির মত মধ্যমপন্থী দলগুলো বিলুপ্ত হয়ে ইসলামপন্থী দলের আর্বিভাব ঘটবে যেখানে ডানপন্থী ব্লকের বর্তমান জনসমর্থন তাদের ভোট ব্যাংক হিসেবে কাজ করবে অপরদিকে আওয়ামী লীগ সহ সমমনা দলগুলোর একটি শক্তিশালী প্লাটফর্ম থাকবে। "
আধ্যাত্মিক বিপর্যয় ইসলামী দলগুলোর প্রধান সংকট।
Huntington, জওহরলাল নেহেরু বা ইউসুফ আল কারযাভীর মত চিন্তাশীল নেতৃত্বের পাশাপাশি গণআন্দোলন তৈরি করতে সক্ষম এমন একসেট মাঠের নেতা ব্যতিত ভারতীয় কলোনী হতে এ জাতিকে মুক্ত করা প্রায় অসম্ভব।।
- আজাদ
❤9
হঠাৎ করে কেন "যমুনা টিভি" এত সাধু হয়ে গেল?
যমুনা গ্রুপের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে প্রয়াত নুরুল ইসলাম বাবুলের স্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম। যিনি ঢাকা-১ আসনে শেখ হাসিনার বেসরকারি বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে ডামি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছে।
আজ ডামি ভোট শুরু হওয়ার পর থেকেই ঢাকা-১ আসনের ভোটকেন্দ্রে এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন লাঙ্গলের প্রার্থী সালমা ইসলাম। লাঙ্গলের প্রার্থী সালমা ইসলাম সকাল থেকে বিভিন্ন কেন্দ্রে ঘুরে আজ সকালেই অভিযোগ করেছিলেন, “গত রাতে অনেক জায়গায় লাঙ্গলের এজেন্টদের মারধর করা হয়েছে। অনেকের বাড়িঘর ভেঙে ফেলেছে। এজন্য ভয়ে তারা কেন্দ্রে আসতে পারেনি।”
আজকের এই ডামি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী সালমান এফ রহমান ওরফে দরবেশ বাবার বিরুদ্ধে জাতীয় পার্টির নেত্রী লাঙ্গলের প্রার্থী সালমা ইসলাম প্রতিদ্বন্ধিতা করে ব্যাপক জালিয়াতির শিকার হয়েই মূলত তার মালিকানাধীন মিডিয়ায় এই ভোট নিয়ে কিছুটা সত্য নিউজ করাচ্ছেন। যদিও বেশিরভাগ নিউজ দেখবেন ঢাকা-১ (দোহার এবং নবাবগঞ্জ উপজেলা) সংক্রান্ত। যমুনা নিউজের ফেসবুক পাতায় কিংবা ইউটিউবে একটু স্ক্রল করলেই বিষয়টা আরো ভালভাবে বুঝবেন।
#collected
যমুনা গ্রুপের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে প্রয়াত নুরুল ইসলাম বাবুলের স্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম। যিনি ঢাকা-১ আসনে শেখ হাসিনার বেসরকারি বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে ডামি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছে।
আজ ডামি ভোট শুরু হওয়ার পর থেকেই ঢাকা-১ আসনের ভোটকেন্দ্রে এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন লাঙ্গলের প্রার্থী সালমা ইসলাম। লাঙ্গলের প্রার্থী সালমা ইসলাম সকাল থেকে বিভিন্ন কেন্দ্রে ঘুরে আজ সকালেই অভিযোগ করেছিলেন, “গত রাতে অনেক জায়গায় লাঙ্গলের এজেন্টদের মারধর করা হয়েছে। অনেকের বাড়িঘর ভেঙে ফেলেছে। এজন্য ভয়ে তারা কেন্দ্রে আসতে পারেনি।”
আজকের এই ডামি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী সালমান এফ রহমান ওরফে দরবেশ বাবার বিরুদ্ধে জাতীয় পার্টির নেত্রী লাঙ্গলের প্রার্থী সালমা ইসলাম প্রতিদ্বন্ধিতা করে ব্যাপক জালিয়াতির শিকার হয়েই মূলত তার মালিকানাধীন মিডিয়ায় এই ভোট নিয়ে কিছুটা সত্য নিউজ করাচ্ছেন। যদিও বেশিরভাগ নিউজ দেখবেন ঢাকা-১ (দোহার এবং নবাবগঞ্জ উপজেলা) সংক্রান্ত। যমুনা নিউজের ফেসবুক পাতায় কিংবা ইউটিউবে একটু স্ক্রল করলেই বিষয়টা আরো ভালভাবে বুঝবেন।
#collected
❤4👍1
আনাস ইব্নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বিকেলের খাবার পরিবেশন করা হলে মাগরিবের সালাতের পূর্বে তা খেয়ে নিবে। খাওয়া রেখে সালাতে তাড়াহুড়া করবে না।
সহিহ বুখারী, ৬৭২
হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস
আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ বিকেলের খাবার পরিবেশন করা হলে মাগরিবের সালাতের পূর্বে তা খেয়ে নিবে। খাওয়া রেখে সালাতে তাড়াহুড়া করবে না।
সহিহ বুখারী, ৬৭২
হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস
❤6
আরবিতে খুব সুন্দর একটা কথা আছে—
‘আল্লাহর দেওয়া কোনো নেয়ামতকে যদি জীবনে দীর্ঘ সময় ধরে রাখতে চান, তাহলে সেই নিয়ামতের কথা মানুষকে বলে বেড়ানো থেকে যথাসম্ভব বিরত থাকুন’।
‘আল্লাহর দেওয়া কোনো নেয়ামতকে যদি জীবনে দীর্ঘ সময় ধরে রাখতে চান, তাহলে সেই নিয়ামতের কথা মানুষকে বলে বেড়ানো থেকে যথাসম্ভব বিরত থাকুন’।
❤18
আগামী একশ বছর পর আমাদের গল্পগুলো হয়তো কেউ কখনো আর পড়বে না। রাস্তার পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় আমার কবর পানে তাকিয়ে কেউ হয়তো অতীত হাতড়াবে না। আমারও যে এককালে একটা জীবন ছিল, তারুণ্য ছিল; ছিল শৈশব-সে কি আর কেউ বিশ্বাস করবে?
হয়তো ভাববে, এ বেটা খুনখুনে বুড়ো হয়ে মরেছে। সুতরাং আমাদের হাতেও এখনো ঢের সময় আছে। অথচ, ওরা যদি কবরের সাথে লাগোয়া এপিটাফে একটিবার চোখ বুলিয়ে দেখত, তাহলে ওরা সহজেই অনুমান করতে পারত, ওদের মতো টগবগ করা যৌবনকালেই আমি এ পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছি। ত্যাগ করেছি যাপিত জীবনের সমস্ত সুখ-শান্তি আর অঢেল ঐশ্বর্য।
মৃত্যু যে বয়সের ধার ধারে না। কে ক্ষমতাশালী, কে বিত্তশালী, কে মুচি, কে মেথর-তার কেয়ার সে থোরাই করে। সে শুধু জানে, কুল্লু নাফসিন জা-ইকাতুল মাউত।
বই: জীবনের ভাঁজে ভাঁজে।
হয়তো ভাববে, এ বেটা খুনখুনে বুড়ো হয়ে মরেছে। সুতরাং আমাদের হাতেও এখনো ঢের সময় আছে। অথচ, ওরা যদি কবরের সাথে লাগোয়া এপিটাফে একটিবার চোখ বুলিয়ে দেখত, তাহলে ওরা সহজেই অনুমান করতে পারত, ওদের মতো টগবগ করা যৌবনকালেই আমি এ পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছি। ত্যাগ করেছি যাপিত জীবনের সমস্ত সুখ-শান্তি আর অঢেল ঐশ্বর্য।
মৃত্যু যে বয়সের ধার ধারে না। কে ক্ষমতাশালী, কে বিত্তশালী, কে মুচি, কে মেথর-তার কেয়ার সে থোরাই করে। সে শুধু জানে, কুল্লু নাফসিন জা-ইকাতুল মাউত।
বই: জীবনের ভাঁজে ভাঁজে।
😢8❤1👍1
গাজ্জার ভাই-বোনদেরকে আল্লাহ এত সবর দিয়েছেন এত সবর দিয়েছেন, কল্পনা করা যায় না। মাঝে মাঝে মনে হয়, আমাদের মতো দেশে এমন কিছু ঘটলে বা ঘটতে থাকলে কোটি মানুষ ভেঙ্গে পড়তেন, বসে পড়তেন, মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে যেতেন। অথচ তারা সটান দাঁড়িয়ে আছেন।
শহীদ হওয়া সন্তানের সামনে দাঁড়ানো বাবাকে পিঠ চাপড়ে চারপাশ থেকে অন্যরা বলছেন, সাব্বারাকাল্লাহ। আর তারা চোখে-মুখে অশ্রু ঝরাতে ঝরাতে বলছেন, হাসবুনাল্লাহ। এরপর হাঁটতে শুরু করেছেন। তাদের পথচলা থামছে না। এ এক অদ্ভুত আধ্যাত্মিক ও মানবিক শক্তি। আল্লাহ তাআলা যা তাদেরকে দান করেছেন।
দুনিয়ার সব মোটিভেশন, সব সান্ত্বনা ও প্রেরণা গ্রহণের পাঠ এখান থেকে হাঁটু গেড়ে শিক্ষা নিতে পারে। দুনিয়ার জীবন, তাওয়াক্কুল এবং সবরের কী অপূর্ব রূপ।
আল্লাহ তাআলা তাদের কষ্ট মুছে দিন। মুখে হাসি ফুটিয়ে দিন। দখলদার দুশমনদের কান্নার সমুদ্রে ভাসিয়ে দিন।
-মাওলানা শরীফ মুহাম্মদ (হাফি:)
লেখক, সাংবাদিক
শহীদ হওয়া সন্তানের সামনে দাঁড়ানো বাবাকে পিঠ চাপড়ে চারপাশ থেকে অন্যরা বলছেন, সাব্বারাকাল্লাহ। আর তারা চোখে-মুখে অশ্রু ঝরাতে ঝরাতে বলছেন, হাসবুনাল্লাহ। এরপর হাঁটতে শুরু করেছেন। তাদের পথচলা থামছে না। এ এক অদ্ভুত আধ্যাত্মিক ও মানবিক শক্তি। আল্লাহ তাআলা যা তাদেরকে দান করেছেন।
দুনিয়ার সব মোটিভেশন, সব সান্ত্বনা ও প্রেরণা গ্রহণের পাঠ এখান থেকে হাঁটু গেড়ে শিক্ষা নিতে পারে। দুনিয়ার জীবন, তাওয়াক্কুল এবং সবরের কী অপূর্ব রূপ।
আল্লাহ তাআলা তাদের কষ্ট মুছে দিন। মুখে হাসি ফুটিয়ে দিন। দখলদার দুশমনদের কান্নার সমুদ্রে ভাসিয়ে দিন।
-মাওলানা শরীফ মুহাম্মদ (হাফি:)
লেখক, সাংবাদিক
❤8