৪ জানুয়ারি ১২৬৬ সালে আফগানিস্তান এর কালাতে জন্ম নেয়া সুলতান আলাউদ্দিন খিলজি দীর্ঘ ২০ বছর ধরে দিল্লি থেকে ভারতীয় উপমহাদেশে শাসনকার্য পরিচালনা করেন। তার পূর্বে দিল্লি সালতানাতের সুলতান ছিলেন সুলতান জালালউদ্দিন খিলজি। তার সময়ে বিশ্বাসঘাতকতা চরম পর্যায়ে পৌঁছে যায়। সুলতান আলাউদ্দিন খিলজি এমতাবস্থায় ২১ অক্টোবর ১২৯৬ সালে দিল্লি সালতানাতের সুলতান হয়ে বিশবাসঘাতকদের বিরুদ্ধে পূর্বের অভিজ্ঞতা থেকে কঠোর ব্যাবস্থা নেন।
তিনি সুলতান হওয়ার পর তার সামনে ছোটো বড় অনেক বাধা আসতে থাকে। তার মধ্যে অন্যতম ছিল কুখ্যাত মঙ্গল বাহিনী। সে সময় মঙ্গলদের নৃসংসতার ব্যাপারে কারো কোনো সন্দেহ ছিল না। তারা তাদের বিশাল বাহিনী নিয়ে সব কিছু তছনছ করে দিত। ভারত আক্রমণের জন্য তারা বিশাল মঙ্গল বাহিনী নিয়ে আসে। প্রথমেই তারা আলাউদ্দিন খিলজির মুখোমুখি হয়। সেই যুদ্ধে সুলতান তাদের অপরাজেয় বাহিনীকে শুধু পরাজিতই করেননি। তিনি ৮ হাজার মঙ্গল সেনার শিরচ্ছেদ করে দিল্লিতে নির্মান রত শ্রীফোর্ড মিনারে ইটের পরিবর্তে লাগিয়ে দেন।
আলাউদ্দিন খিলজি মধ্যযুগের এই উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম শাসক যিনি বাজার দর নিয়ন্ত্রন করার নীতি প্রবর্তন করেন, জমি পরিমাপ করার উদোগ গ্রহন করেন। সুলতান হওয়ার আগে ও পরে তিনি একাধিক বার মঙ্গল বাহিনিকে পরিজিত করেন ও হিন্দুস্থানের অনন্য শক্তিশালী বেশ কয়েকটি দূর্গ জয় করে একটি শক্তিশালী সম্রাজ্য গড়ে তুলতে সক্ষম হন। এই মহান বীর ৪ জানুয়ারি ১৩১৬ সালে বয়স ৫০ বছর বয়সে রাজধানী দিল্লিতে ইন্তেকাল করেন।
নোট: বর্তমান সময়ে ভারতের চলচিত্র ও গণমাধ্যমে তাকে নারী লোভী ও বর্বর শাসক হিসেবে দেখানো হলেও প্রকৃত পক্ষে তিনি একজন বীর শাসক ছিলেন।
তিনি সুলতান হওয়ার পর তার সামনে ছোটো বড় অনেক বাধা আসতে থাকে। তার মধ্যে অন্যতম ছিল কুখ্যাত মঙ্গল বাহিনী। সে সময় মঙ্গলদের নৃসংসতার ব্যাপারে কারো কোনো সন্দেহ ছিল না। তারা তাদের বিশাল বাহিনী নিয়ে সব কিছু তছনছ করে দিত। ভারত আক্রমণের জন্য তারা বিশাল মঙ্গল বাহিনী নিয়ে আসে। প্রথমেই তারা আলাউদ্দিন খিলজির মুখোমুখি হয়। সেই যুদ্ধে সুলতান তাদের অপরাজেয় বাহিনীকে শুধু পরাজিতই করেননি। তিনি ৮ হাজার মঙ্গল সেনার শিরচ্ছেদ করে দিল্লিতে নির্মান রত শ্রীফোর্ড মিনারে ইটের পরিবর্তে লাগিয়ে দেন।
আলাউদ্দিন খিলজি মধ্যযুগের এই উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম শাসক যিনি বাজার দর নিয়ন্ত্রন করার নীতি প্রবর্তন করেন, জমি পরিমাপ করার উদোগ গ্রহন করেন। সুলতান হওয়ার আগে ও পরে তিনি একাধিক বার মঙ্গল বাহিনিকে পরিজিত করেন ও হিন্দুস্থানের অনন্য শক্তিশালী বেশ কয়েকটি দূর্গ জয় করে একটি শক্তিশালী সম্রাজ্য গড়ে তুলতে সক্ষম হন। এই মহান বীর ৪ জানুয়ারি ১৩১৬ সালে বয়স ৫০ বছর বয়সে রাজধানী দিল্লিতে ইন্তেকাল করেন।
নোট: বর্তমান সময়ে ভারতের চলচিত্র ও গণমাধ্যমে তাকে নারী লোভী ও বর্বর শাসক হিসেবে দেখানো হলেও প্রকৃত পক্ষে তিনি একজন বীর শাসক ছিলেন।
❤12
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
লিল্লাহি তাকবির আল্লাহু আকবার ⚔️⚔️
যে ইউরোপ ন্যাটোর মাধ্যমে মুসলিম নিধন করছে,
সেই ইউরোপের প্রাণকেন্দ্র থেকেই নতুন বছর উপলক্ষে তাকবিরের ধ্বনি ছড়িয়ে পড়ছে আলহামদুলিল্লাহ।
আল্লাহু আক্ববার..!
তাকবীর ধ্বনিতে জেগে উঠুক প্রাণ
t.me/alolpath
যে ইউরোপ ন্যাটোর মাধ্যমে মুসলিম নিধন করছে,
সেই ইউরোপের প্রাণকেন্দ্র থেকেই নতুন বছর উপলক্ষে তাকবিরের ধ্বনি ছড়িয়ে পড়ছে আলহামদুলিল্লাহ।
আল্লাহু আক্ববার..!
তাকবীর ধ্বনিতে জেগে উঠুক প্রাণ
t.me/alolpath
❤19
দ্বীন মানতে গিয়ে যখন দ্বীন আর সামাজিকতা মুখোমুখি হবে তখন সামাজিকতা কে বুড়ো আঙুল দেখাবেন।
হাতের টা না, পায়ের টা। নাহয় সামাজিকতা আপনাকে দ্বীনের উপর থাকতে দিবে না।
আর যদি কম্প্রোমাইজ শুরু করেন দুনিয়া আখিরাত দুইটা ই বরবাদ।
হাতের টা না, পায়ের টা। নাহয় সামাজিকতা আপনাকে দ্বীনের উপর থাকতে দিবে না।
আর যদি কম্প্রোমাইজ শুরু করেন দুনিয়া আখিরাত দুইটা ই বরবাদ।
❤21
পাত্রপাত্রী নির্বাচনের সময় এই বিষয়টিও মাথায় রাখবেন,
" আমি যার সাথে জান্নাতের অসীম সময় ধরে সংসার করবো, তাকে খুঁজছি! "
.
- সংগৃহীত
" আমি যার সাথে জান্নাতের অসীম সময় ধরে সংসার করবো, তাকে খুঁজছি! "
.
- সংগৃহীত
❤10
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
যাদেরকে লোকেরা বলেছিল যে, তোমাদের বিরুদ্ধে লোক জমায়েত হয়েছে। সুতরাং তোমরা তাদেরকে ভয় কর। কিন্তু এ (কথা) তাদের বিশ্বাস বর্ধিত করেছিল এবং তারা বলেছিল, আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি উত্তম কর্মবিধায়ক।
( সূরা আল ইমরান -১৭৩)
জনগণ জাগলেই পালিয়ে যাবে স্বৈরাচার!
গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার সংগ্রামী মানুষগুলোর জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও দোয়া
👉https://t.me/alolpath
( সূরা আল ইমরান -১৭৩)
জনগণ জাগলেই পালিয়ে যাবে স্বৈরাচার!
গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার সংগ্রামী মানুষগুলোর জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও দোয়া
👉https://t.me/alolpath
❤9
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
জয়পুরহাট-২ আসন:
কালাই উপজেলার মোলামগাড়ি হাট উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র
কালাই উপজেলার মোলামগাড়ি হাট উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র
😁13
স্বৈরাচার হাসিনার অধীনে এই ডামি নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে ভোটার না থাকলেও প্রতিবারের ন্যায় কুকুরের পাশাপাশি হাস-মুরগী ও ছাগলের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
ডামি ভোট - ২০২৪
#DummyVote
#BangladeshElections
#BangladeshUnderFascism
#StepDownHasina
ডামি ভোট - ২০২৪
#DummyVote
#BangladeshElections
#BangladeshUnderFascism
#StepDownHasina
😁10❤1
যারা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়, তারা যদি মনে করে রক্ত জীবন সম্পদ ব্যতীত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে বাংলাদেশে, তাহলে তারা ভুলের মধ্যে আছেন।
ইসলামী শরিয়ত প্রতিষ্ঠার জন্য কতো রক্ত দিতে হবে তার হিসেব করে লাভ নেই একজন মুসলমানের। এটা ভিন্ন হিসেব। কারণ, মুসলমানরা মনে করেন সকল মুসলমানের জীবনের চেয়েও আল্লাহর শরীয়তের মান-মর্যাদা বহু বহু ঊর্ধ্বে। তাই ইসলামের জন্য কতো রক্ত, কতো জীবন কুরবানি করলে দীন প্রতিষ্ঠা হবে; সেটা আমরা মাথায় আনি না। আমরা মনে করি আমাদের দরকার কাজ করে যাওয়া। দীনকে বিজয়ী করার মালিক আল্লাহ। তিনি যখন চান, তখন তা প্রতিষ্ঠিত হবে।
কিন্তু গণতান্ত্রিক রাজনীতি করেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হোক চান, অথবা জীবন দিতে চান না। এটা হলো না ভাই।
কমিউনিজম প্রতিষ্ঠার জন্যেও অগণিত মানুষ জীবন দিয়েছে। এখনো কেউ তা প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে দিতে হবে।
পুজিবাদ কায়েমেও সাময়িক সময়ের জন্য হলেও পুজি কুরবানি দিতে হয়, হয়েছে।
পৃথিবীতে কোনো আদর্শ, কোনো মতবাদ, কোনো কিছুই রক্ত জীবন ও সম্পদ বিসর্জন ছাড়া প্রতিষ্ঠা হয়নি।
যখন থেকে আধুনিক গণতন্ত্রের সূচনা হয়েছিল, তখনও কিন্তু রক্ত দিয়েই এই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কায়েম করতে হয়েছিল।
অথচ আপনি গণতন্ত্র গণতন্ত্র বলে চিৎকার করেন, কিন্তু জীবন দিতে, সম্পদ দিতে, রক্ত ঝরাতে রাজি হন না, তাহলে আপনার শখের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে কী করে?
হাসিনা স্বৈরাচার ঠিক আছে। এই স্বৈরাচার আপনার আমার বক্তব্যে বিদায় নেবে না। সে খুব সহজে বিদায় নেবার জন্যও ক্ষমতায় বসেনি।
আপনি তাকে সরিয়ে গণতন্ত্র কায়েম করবেন মুখের কথায়? রাস্তায় না নেমে? চোরাগোপ্তা মিছিল করে?
পৃথিবীতে যা কিছুই প্রতিষ্ঠা করতে চান, আপনার জীবন কুরবানি করতেই হবে। এবং ক্ষমতা পেতেই হবে। সরাসরি ক্ষমতা না পেয়েও আপনি ক্ষমতাসীনদের ওপর প্রভাব বিস্তার করে আপনার আদর্শ প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে পারেন। কিন্তু গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা অগণতান্ত্রিক শাসকদের ওপর স্রেফ প্রভাব বিস্তার করেই করা যায় না। ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতার শক্তিকে আপনি আপনার শক্তি দিয়ে চ্যালেঞ্জ করলেই তখন স্বৈরাচার ও একনায়কতান্ত্রিক শক্তি গণতন্ত্র পিপাসুদের কাছে ক্ষমতা ছাড়বে। এর আগে নয়।
ইসলামী শরিয়ত প্রতিষ্ঠার জন্য কতো রক্ত দিতে হবে তার হিসেব করে লাভ নেই একজন মুসলমানের। এটা ভিন্ন হিসেব। কারণ, মুসলমানরা মনে করেন সকল মুসলমানের জীবনের চেয়েও আল্লাহর শরীয়তের মান-মর্যাদা বহু বহু ঊর্ধ্বে। তাই ইসলামের জন্য কতো রক্ত, কতো জীবন কুরবানি করলে দীন প্রতিষ্ঠা হবে; সেটা আমরা মাথায় আনি না। আমরা মনে করি আমাদের দরকার কাজ করে যাওয়া। দীনকে বিজয়ী করার মালিক আল্লাহ। তিনি যখন চান, তখন তা প্রতিষ্ঠিত হবে।
কিন্তু গণতান্ত্রিক রাজনীতি করেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হোক চান, অথবা জীবন দিতে চান না। এটা হলো না ভাই।
কমিউনিজম প্রতিষ্ঠার জন্যেও অগণিত মানুষ জীবন দিয়েছে। এখনো কেউ তা প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে দিতে হবে।
পুজিবাদ কায়েমেও সাময়িক সময়ের জন্য হলেও পুজি কুরবানি দিতে হয়, হয়েছে।
পৃথিবীতে কোনো আদর্শ, কোনো মতবাদ, কোনো কিছুই রক্ত জীবন ও সম্পদ বিসর্জন ছাড়া প্রতিষ্ঠা হয়নি।
যখন থেকে আধুনিক গণতন্ত্রের সূচনা হয়েছিল, তখনও কিন্তু রক্ত দিয়েই এই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কায়েম করতে হয়েছিল।
অথচ আপনি গণতন্ত্র গণতন্ত্র বলে চিৎকার করেন, কিন্তু জীবন দিতে, সম্পদ দিতে, রক্ত ঝরাতে রাজি হন না, তাহলে আপনার শখের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে কী করে?
হাসিনা স্বৈরাচার ঠিক আছে। এই স্বৈরাচার আপনার আমার বক্তব্যে বিদায় নেবে না। সে খুব সহজে বিদায় নেবার জন্যও ক্ষমতায় বসেনি।
আপনি তাকে সরিয়ে গণতন্ত্র কায়েম করবেন মুখের কথায়? রাস্তায় না নেমে? চোরাগোপ্তা মিছিল করে?
পৃথিবীতে যা কিছুই প্রতিষ্ঠা করতে চান, আপনার জীবন কুরবানি করতেই হবে। এবং ক্ষমতা পেতেই হবে। সরাসরি ক্ষমতা না পেয়েও আপনি ক্ষমতাসীনদের ওপর প্রভাব বিস্তার করে আপনার আদর্শ প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে পারেন। কিন্তু গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা অগণতান্ত্রিক শাসকদের ওপর স্রেফ প্রভাব বিস্তার করেই করা যায় না। ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতার শক্তিকে আপনি আপনার শক্তি দিয়ে চ্যালেঞ্জ করলেই তখন স্বৈরাচার ও একনায়কতান্ত্রিক শক্তি গণতন্ত্র পিপাসুদের কাছে ক্ষমতা ছাড়বে। এর আগে নয়।
❤3