বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির— লাখো তরুণের হৃদয়াবেগের প্রতিটি ঢেউয়ের সাথে মিশে থাকা একটি নাম।
আল্লাহর এ জমিনে সকল প্রকার জুলুম-নির্যাতনের মূলোচ্ছেদ করে আল কুরআন ও আল হাদিসের আলোকে ভ্রাতৃত্ব ও ন্যায়ের সৌধের ওপর এক আদর্শ ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠার মহান ও পবিত্র লক্ষ্যকে সামনে রেখে এগিয়ে চলছে সত্য ও সুন্দর সমাজ বিনির্মাণের প্রত্যয়দীপ্ত এ কাফেলা।
তরুণদের স্বপ্নের ঠিকানা ইসলামী ছাত্রশিবির। এ কাফেলা ঘুণেধরা সমাজকে পরিবর্তন করে একটি সুন্দর সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে যুবক-তরুণদের স্বপ্ন দেখাতে সক্ষম হয়েছে ইতিমধ্যে। ছাত্রশিবির তরুণদের দক্ষ, যোগ্য, দেশপ্রেমিক ও আল্লাহভীরু মানুষ হিসেবে গড়ে তুলছে; যারা আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে ইনশাআল্লাহ।
নাস্তিক্যবাদী শিক্ষাব্যবস্থায় গড়ে ওঠা ভোগের সাগরে গা ভাসানো তরুণদের উন্নত নৈতিক চরিত্রের মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা ছাত্রশিবিরের প্রধানতম চ্যালেঞ্জ। এ পথ মসৃণ নয়, বরং কাঁটা দিয়ে পরিপূর্ণ। অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর পাহাড়ের মতো অটল বিশ্বাস নিয়ে মহান আল্লাহ তায়ালার ওপর ভরসা করে ইসলামবিরোধী শক্তির হাজারো বাধা-বিপত্তি, ক্রমাগত নির্যাতন নিষ্পেষণ মাড়িয়ে দ্বীনের বিজয় আনতে দৃপ্ত শপথ নিয়ে এগিয়ে চলতে হবে এ কাফেলার সকল পর্যায়ের নেতৃত্বকে।
বহুগুণে গুণান্বিত বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় সভাপতি প্রাণাধিক প্রিয় মঞ্জুরুল ইসলাম ভাই এবং নব মনোনীত সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলাম ভাইকে আল্লাহ তায়ালা তাঁর রহমের চাদরে আবৃত রেখে জবাবদিহিতার পূর্ণ অনুভূতি নিয়ে দ্বীন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের সুমহান এ দায়িত্ব পালনের তাওফিক দান করুন। আমীন।
নবীজি (সা.) কখনও ব্যক্তিগত কোনো কষ্টের প্রতিশোধ নেননি। ক্ষমাই করেছেন জীবনভর। সকল কষ্ট, ব্যথা-বেদনা ভুলে আপনাদের ভাইয়ের জন্য দুয়া করবেন। আপনাদের সবার প্রতি অগণন ভালোবাসা ও অফুরন্ত দুয়া রইলো। আমাদের পথচলার শেষ মঞ্জিল হোক জান্নাত।
-মুহতারাম রাজিবুর রহমান পলাশ ভাই
সদ্য বিদায়ী কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির
আল্লাহর এ জমিনে সকল প্রকার জুলুম-নির্যাতনের মূলোচ্ছেদ করে আল কুরআন ও আল হাদিসের আলোকে ভ্রাতৃত্ব ও ন্যায়ের সৌধের ওপর এক আদর্শ ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠার মহান ও পবিত্র লক্ষ্যকে সামনে রেখে এগিয়ে চলছে সত্য ও সুন্দর সমাজ বিনির্মাণের প্রত্যয়দীপ্ত এ কাফেলা।
তরুণদের স্বপ্নের ঠিকানা ইসলামী ছাত্রশিবির। এ কাফেলা ঘুণেধরা সমাজকে পরিবর্তন করে একটি সুন্দর সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে যুবক-তরুণদের স্বপ্ন দেখাতে সক্ষম হয়েছে ইতিমধ্যে। ছাত্রশিবির তরুণদের দক্ষ, যোগ্য, দেশপ্রেমিক ও আল্লাহভীরু মানুষ হিসেবে গড়ে তুলছে; যারা আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেবে ইনশাআল্লাহ।
নাস্তিক্যবাদী শিক্ষাব্যবস্থায় গড়ে ওঠা ভোগের সাগরে গা ভাসানো তরুণদের উন্নত নৈতিক চরিত্রের মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা ছাত্রশিবিরের প্রধানতম চ্যালেঞ্জ। এ পথ মসৃণ নয়, বরং কাঁটা দিয়ে পরিপূর্ণ। অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর পাহাড়ের মতো অটল বিশ্বাস নিয়ে মহান আল্লাহ তায়ালার ওপর ভরসা করে ইসলামবিরোধী শক্তির হাজারো বাধা-বিপত্তি, ক্রমাগত নির্যাতন নিষ্পেষণ মাড়িয়ে দ্বীনের বিজয় আনতে দৃপ্ত শপথ নিয়ে এগিয়ে চলতে হবে এ কাফেলার সকল পর্যায়ের নেতৃত্বকে।
বহুগুণে গুণান্বিত বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় সভাপতি প্রাণাধিক প্রিয় মঞ্জুরুল ইসলাম ভাই এবং নব মনোনীত সেক্রেটারি জেনারেল জাহিদুল ইসলাম ভাইকে আল্লাহ তায়ালা তাঁর রহমের চাদরে আবৃত রেখে জবাবদিহিতার পূর্ণ অনুভূতি নিয়ে দ্বীন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের সুমহান এ দায়িত্ব পালনের তাওফিক দান করুন। আমীন।
নবীজি (সা.) কখনও ব্যক্তিগত কোনো কষ্টের প্রতিশোধ নেননি। ক্ষমাই করেছেন জীবনভর। সকল কষ্ট, ব্যথা-বেদনা ভুলে আপনাদের ভাইয়ের জন্য দুয়া করবেন। আপনাদের সবার প্রতি অগণন ভালোবাসা ও অফুরন্ত দুয়া রইলো। আমাদের পথচলার শেষ মঞ্জিল হোক জান্নাত।
-মুহতারাম রাজিবুর রহমান পলাশ ভাই
সদ্য বিদায়ী কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির
❤14👍1
"তুমি তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করো অথবা না করো, উভয়টি তাদের ক্ষেত্রে সমান।আল্লাহ তাদেরকে কখনো ক্ষমা করবেন না।অবশ্যই আল্লাহ পাপাচারী সম্প্রদায়কে হেদায়াত দেন না।"
(সূরা মুনাফিকূন,আয়াত:৬)
(সূরা মুনাফিকূন,আয়াত:৬)
😢11
সে জান্নাতে যেতে চায়,
কিন্তু দুনিয়ার মায়াজালে আবদ্ধ!
সে আল্লাহকে দেখতে চায়,
কিন্তু এখনও আল্লাহর অবাধ্য!
ভেসে চলেছে সে ফিতনার স্রোতে,
আর ভাবছে...
এভাবেই পৌঁছে যাবে জান্নাতে!
.
কিন্তু দুনিয়ার মায়াজালে আবদ্ধ!
সে আল্লাহকে দেখতে চায়,
কিন্তু এখনও আল্লাহর অবাধ্য!
ভেসে চলেছে সে ফিতনার স্রোতে,
আর ভাবছে...
এভাবেই পৌঁছে যাবে জান্নাতে!
.
😢15
বদভ্যাস ছাড়াঃ
.
পা নাড়ানো। আমাদের অনেকেরই এই বদভ্যাস আছে। নাফিসেরও একই অবস্থা। অফিসে যখন কোনো গুরুত্বপূর্ণ মিটিং চলে, সে পা নাড়ায়। তার স্ত্রী যখন তার সাথে কোনো সিরিয়াস বিষয় নিয়ে কথা বলে, তখনও সে পা নাড়ায়। যেখানে গিয়েই স্থির হয়ে বসে, সেখানেই সে পা নাড়ায়। তার মন স্থির হয়ে যায়, কিন্তু পা স্থির হয় না।
একসময় সে বুঝতে পারে, এটা তার একটা বদভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এর ফলে তার মনোযোগ কমে যাচ্ছে। অফিসে বসের ঝাড়ি খেতে হয়। বাসায় স্ত্রীর সাথে মনোমালিন্য হয়। ছোট একটা ব্যাপার কিন্তু সমস্যা সৃষ্টি করছে নানা ধরণের।
তাই নাফিস সিদ্ধান্ত নিল সে পা নাড়ানো বন্ধ করবে। প্রথমেই সে ভাবতে লাগল কখন এবং কোন পরিস্থিতিতে সে পা নাড়ায়। নোট করে রাখল- “কেউ আমাকে গুরুত্বপূর্ণ কথা বলার সময় আমি মনোযোগ দিয়ে শুনব, পা নাড়াবো না। একা বসে কিছু চিন্তা করার সময় পা নাড়াবো না।” এভাবে অন্যান্য সব পরিস্থিতির কথাও সে নোট করল।
এর পর থেকে যতদিনই পা নাড়ানোর মত পরিস্থিতি আসত, তার চোখের সামনে ডায়রিতে লিখে রাখা নোটগুলো ভেসে উঠত। পা নড়লে, মূহুর্তেই বন্ধ হয়ে যেত। ছোট এই পদক্ষেপটাই নাফিসকে ধীরে ধীরে একটা বদভ্যাস ছাড়তে সাহায্য করেছিল।
আসক্তি থেকে মুক্তির ক্ষেত্রেও প্রথম পদক্ষেপটা এমনই। আপনাকে সমস্যার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। প্রথমত কাজটাকে যাচাই করতে হবে। আসক্তিকে আসক্তি বলে চিনতে হবে। দেখুন, ওপরে নাফিসের যে গল্প আপনাদের বললাম এটা খুবই সাধারণ একটা সমস্যা। কিন্তু সে সমস্যাটা বুঝতে পেরেছে। অন্তর থেকে বিশ্বাস করেছে যে এ বদভ্যাস তাকে ছাড়তে হবে। তাই সে সমস্যার গভীরে গিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপগুলো নিয়েছে।
আর যারা পর্ন আসক্তিকে ক্ষতিকরই ভাবে না তাদের জন্যই আমাদের এই সচেতনতামূলক পোষ্টগুলো দেওয়া। কারণ, আজ আপনি পর্ন দেখছেন। নিয়মিত মাস্টারবেট করছেন। প্রাথমিক অবস্থায় এর কোনো সমস্যা আপনার চোখে পড়ছে না। কিন্তু আর কয়েক বছর পর আপনি ঠিকই টের পাবেন। বিয়ে করলে আরও ভালোভাবে টের পাবেন। তাই আজই পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিন। পা নাড়ানোর মতো বদভ্যাস ছাড়া দিয়েই শুরু করুন। আসক্তি যদি নিয়ন্ত্রণের বাহিরে হয় তাহলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। নিজের অবস্থা বুঝতে না পারলে, আমাদের মেসেজ করুন। আমরা আপনার পাশে থাকব। ইনশা আল্লাহ্।
.
পা নাড়ানো। আমাদের অনেকেরই এই বদভ্যাস আছে। নাফিসেরও একই অবস্থা। অফিসে যখন কোনো গুরুত্বপূর্ণ মিটিং চলে, সে পা নাড়ায়। তার স্ত্রী যখন তার সাথে কোনো সিরিয়াস বিষয় নিয়ে কথা বলে, তখনও সে পা নাড়ায়। যেখানে গিয়েই স্থির হয়ে বসে, সেখানেই সে পা নাড়ায়। তার মন স্থির হয়ে যায়, কিন্তু পা স্থির হয় না।
একসময় সে বুঝতে পারে, এটা তার একটা বদভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এর ফলে তার মনোযোগ কমে যাচ্ছে। অফিসে বসের ঝাড়ি খেতে হয়। বাসায় স্ত্রীর সাথে মনোমালিন্য হয়। ছোট একটা ব্যাপার কিন্তু সমস্যা সৃষ্টি করছে নানা ধরণের।
তাই নাফিস সিদ্ধান্ত নিল সে পা নাড়ানো বন্ধ করবে। প্রথমেই সে ভাবতে লাগল কখন এবং কোন পরিস্থিতিতে সে পা নাড়ায়। নোট করে রাখল- “কেউ আমাকে গুরুত্বপূর্ণ কথা বলার সময় আমি মনোযোগ দিয়ে শুনব, পা নাড়াবো না। একা বসে কিছু চিন্তা করার সময় পা নাড়াবো না।” এভাবে অন্যান্য সব পরিস্থিতির কথাও সে নোট করল।
এর পর থেকে যতদিনই পা নাড়ানোর মত পরিস্থিতি আসত, তার চোখের সামনে ডায়রিতে লিখে রাখা নোটগুলো ভেসে উঠত। পা নড়লে, মূহুর্তেই বন্ধ হয়ে যেত। ছোট এই পদক্ষেপটাই নাফিসকে ধীরে ধীরে একটা বদভ্যাস ছাড়তে সাহায্য করেছিল।
আসক্তি থেকে মুক্তির ক্ষেত্রেও প্রথম পদক্ষেপটা এমনই। আপনাকে সমস্যার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। প্রথমত কাজটাকে যাচাই করতে হবে। আসক্তিকে আসক্তি বলে চিনতে হবে। দেখুন, ওপরে নাফিসের যে গল্প আপনাদের বললাম এটা খুবই সাধারণ একটা সমস্যা। কিন্তু সে সমস্যাটা বুঝতে পেরেছে। অন্তর থেকে বিশ্বাস করেছে যে এ বদভ্যাস তাকে ছাড়তে হবে। তাই সে সমস্যার গভীরে গিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপগুলো নিয়েছে।
আর যারা পর্ন আসক্তিকে ক্ষতিকরই ভাবে না তাদের জন্যই আমাদের এই সচেতনতামূলক পোষ্টগুলো দেওয়া। কারণ, আজ আপনি পর্ন দেখছেন। নিয়মিত মাস্টারবেট করছেন। প্রাথমিক অবস্থায় এর কোনো সমস্যা আপনার চোখে পড়ছে না। কিন্তু আর কয়েক বছর পর আপনি ঠিকই টের পাবেন। বিয়ে করলে আরও ভালোভাবে টের পাবেন। তাই আজই পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিন। পা নাড়ানোর মতো বদভ্যাস ছাড়া দিয়েই শুরু করুন। আসক্তি যদি নিয়ন্ত্রণের বাহিরে হয় তাহলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। নিজের অবস্থা বুঝতে না পারলে, আমাদের মেসেজ করুন। আমরা আপনার পাশে থাকব। ইনশা আল্লাহ্।
❤10
"নামায কেনো পড়তেই হবে?"
"ওযুর জন্য পানি নেই, তায়াম্মুম করেন, তায়াম্মুমের ব্যবস্থা নেই, তায়াম্মুম ছাড়াই নামায পড়ুন।
কিবলামুখী হয়ে নামায পড়তে হয়, কিবলামুখী বুঝতে পারছেন না, যেকোনো দিক হয়েই নামায পড়ুন।
দাঁড়িয়ে নামায পড়তে পারছেন না? বসে পড়েন। বসে না পড়তে পারলে শুয়ে পড়েন।
পরিষ্কার কাপড় পড়ে নামায পড়তে হয়। পরিষ্কার কাপড় না থাকলে প্রসাব, পায়খানা লাগা কাপড় পড়েই নামায পড়েন, কোনো কাপড় না থাকলে উলংগ হয়ে নামায পড়েন।
ট্রেনের প্রচন্ড ভিরে ঝুলে আছেন, আযান দিচ্ছে সেই অবস্থাতেই নামায পড়ুন ।
নামায কি জিনিস, কি করে বুঝাই, এক আশ্চর্য ইবাদত যে ইবাদত কোনো অসুবিধা মানেনা।
আপনি অসুস্থ টাকা দিলেন সেই টাকায় হজ্জ করলো অন্যজন। আপনার সাওয়াব হবে।
আপনি অসুস্থ, ফকির কে খাওয়ালেন আপনি রোযার সাওয়াব পাবেন....
হজ্জের বিকল্প আছে, রোযার বিকল্প আছে। নামায এমন এক ইবাদত যার কোনো বিকল্প নেই।
নামায কি জিনিস কি করে বুঝাই?????"
আমার ভাই বোনেরা," নামায পড়ুন"
আপনার জীবনে যাই আসুক, "নামায পড়ুন।"
আপনার জীবনে যতোই খারাপ কাজ করেন না কেন, পরিমাণে যতই বেশি হোক না কেন, "নামায পড়ুন"।
কোন ছাড় নেই।
বোন বলছেন, "আপনি হিজাব পরেন না",
আমি আপনাকে বলছি "নামায পড়ুন"
বোন বলছেন, আমার কাপড় নামাযের উপযোগী নয়।আমি আপনাকে বলছি,"নামায পড়ুন"
ভাই বলছেন, "আমি মদ পান করি"
নামায পড়ুন
"আমি ড্রাগ বিক্রি করি"
নামায পড়ুন
"আমি ড্রাগ সেবন করি"
"নামায পড়ুন"
"আমার একটি মেয়ে বন্ধু আছে এবং আমি তার সাথে রাত্রি যাপন করি। "
"নামায পড়ুন"।
আপনার জীবনে যাই আসুক না কেনো নামায পড়ুন
"ভাই আমি কিভাবে পাপ কাজ করার পাশাপাশি নামায পড়বো? এটি নামাযের প্রতি অসম্মান জনক ও আমার ভন্ডতা প্রকাশ পায়"
আমি বলছিনা এজন্যই আমরা নামায পড়ি কারণ আমরা ভালো না, আমি পাপী, আমরা ভুল করছি।
আপনি তবুও নামায পড়ুন।
আল্লাহ বলেছেন, "নামায অশ্লীল ও খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে।"
"নামায পড়ুন"
কিছু মানুষ বলে আমাকে ভালো পথে আসতে দাও। ইন শা আল্লাহ আমি নামায পড়া শুরু করে দিবো।
বন্ধুরা, নামায ব্যতীত আপনি ভালো পথে আসতে পারবেন না। এজন্যই আমরা নামায পড়ি যাতে ভালো পথে আসতে পারি।
আপনার জীবনে যাই আসুক না কেনো, আপনি যেখানেই থাকেন না কেনো, নামাজ পড়ুন।
সংগৃহিত
------------------------
নামাজ : কোনো বিকল্প নেই..!!
"ওযুর জন্য পানি নেই, তায়াম্মুম করেন, তায়াম্মুমের ব্যবস্থা নেই, তায়াম্মুম ছাড়াই নামায পড়ুন।
কিবলামুখী হয়ে নামায পড়তে হয়, কিবলামুখী বুঝতে পারছেন না, যেকোনো দিক হয়েই নামায পড়ুন।
দাঁড়িয়ে নামায পড়তে পারছেন না? বসে পড়েন। বসে না পড়তে পারলে শুয়ে পড়েন।
পরিষ্কার কাপড় পড়ে নামায পড়তে হয়। পরিষ্কার কাপড় না থাকলে প্রসাব, পায়খানা লাগা কাপড় পড়েই নামায পড়েন, কোনো কাপড় না থাকলে উলংগ হয়ে নামায পড়েন।
ট্রেনের প্রচন্ড ভিরে ঝুলে আছেন, আযান দিচ্ছে সেই অবস্থাতেই নামায পড়ুন ।
নামায কি জিনিস, কি করে বুঝাই, এক আশ্চর্য ইবাদত যে ইবাদত কোনো অসুবিধা মানেনা।
আপনি অসুস্থ টাকা দিলেন সেই টাকায় হজ্জ করলো অন্যজন। আপনার সাওয়াব হবে।
আপনি অসুস্থ, ফকির কে খাওয়ালেন আপনি রোযার সাওয়াব পাবেন....
হজ্জের বিকল্প আছে, রোযার বিকল্প আছে। নামায এমন এক ইবাদত যার কোনো বিকল্প নেই।
নামায কি জিনিস কি করে বুঝাই?????"
আমার ভাই বোনেরা," নামায পড়ুন"
আপনার জীবনে যাই আসুক, "নামায পড়ুন।"
আপনার জীবনে যতোই খারাপ কাজ করেন না কেন, পরিমাণে যতই বেশি হোক না কেন, "নামায পড়ুন"।
কোন ছাড় নেই।
বোন বলছেন, "আপনি হিজাব পরেন না",
আমি আপনাকে বলছি "নামায পড়ুন"
বোন বলছেন, আমার কাপড় নামাযের উপযোগী নয়।আমি আপনাকে বলছি,"নামায পড়ুন"
ভাই বলছেন, "আমি মদ পান করি"
নামায পড়ুন
"আমি ড্রাগ বিক্রি করি"
নামায পড়ুন
"আমি ড্রাগ সেবন করি"
"নামায পড়ুন"
"আমার একটি মেয়ে বন্ধু আছে এবং আমি তার সাথে রাত্রি যাপন করি। "
"নামায পড়ুন"।
আপনার জীবনে যাই আসুক না কেনো নামায পড়ুন
"ভাই আমি কিভাবে পাপ কাজ করার পাশাপাশি নামায পড়বো? এটি নামাযের প্রতি অসম্মান জনক ও আমার ভন্ডতা প্রকাশ পায়"
আমি বলছিনা এজন্যই আমরা নামায পড়ি কারণ আমরা ভালো না, আমি পাপী, আমরা ভুল করছি।
আপনি তবুও নামায পড়ুন।
আল্লাহ বলেছেন, "নামায অশ্লীল ও খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে।"
"নামায পড়ুন"
কিছু মানুষ বলে আমাকে ভালো পথে আসতে দাও। ইন শা আল্লাহ আমি নামায পড়া শুরু করে দিবো।
বন্ধুরা, নামায ব্যতীত আপনি ভালো পথে আসতে পারবেন না। এজন্যই আমরা নামায পড়ি যাতে ভালো পথে আসতে পারি।
আপনার জীবনে যাই আসুক না কেনো, আপনি যেখানেই থাকেন না কেনো, নামাজ পড়ুন।
সংগৃহিত
------------------------
নামাজ : কোনো বিকল্প নেই..!!
❤7👍1
"আর মানুষ অকল্যাণের দোআ করে, যেমন তার দোআ হয় কল্যাণের জন্য। আর মানুষ তো তাড়াহুড়াপ্রবণ।"
[সূরা বনি ইসরাইল, আয়াত ১১]
[সূরা বনি ইসরাইল, আয়াত ১১]
❤2
৩ জানুয়ারি ১৭৩২ সালের আজকের এইদিনে,
তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর বাংলার একজন প্রখ্যাত মুসলিম জনহিতৈষী, যিনি দানশীলতার মহৎ গুণাবলীর জন্য দানবীর খেতাব পেয়েছিলেন। বিশাল ধন সম্পত্তির মালিক হয়েও তিনি অযৌক্তিক জীবনযাপন করেননি বরং শিক্ষা, চিকিৎসা এবং দরিদ্র মানুষের দুর্দশা দূরীকরণের জন্য তার সম্পত্তির বিশাল আত্মত্যাগ করেন। কলেজিয়েট স্কুল, হুগলি ব্রাঞ্চ স্কুল, হুগলি মাদ্রাসা, সিতাপুর মাদ্রাসা, ঢাকা চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনায় বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছিলো তার ফান্ডে। এই মহান দানবীর ১৮১২ সালে হুগলিতে মৃত্যুবরণ করলে হুগলি ইমামবাড়ার পার্শ্ববর্তী গোরস্থানে দাফন করা হয়।
👉https://t.me/alolpath
হাজী মুহম্মদ মুহসীন জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর বাংলার একজন প্রখ্যাত মুসলিম জনহিতৈষী, যিনি দানশীলতার মহৎ গুণাবলীর জন্য দানবীর খেতাব পেয়েছিলেন। বিশাল ধন সম্পত্তির মালিক হয়েও তিনি অযৌক্তিক জীবনযাপন করেননি বরং শিক্ষা, চিকিৎসা এবং দরিদ্র মানুষের দুর্দশা দূরীকরণের জন্য তার সম্পত্তির বিশাল আত্মত্যাগ করেন। কলেজিয়েট স্কুল, হুগলি ব্রাঞ্চ স্কুল, হুগলি মাদ্রাসা, সিতাপুর মাদ্রাসা, ঢাকা চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনায় বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছিলো তার ফান্ডে। এই মহান দানবীর ১৮১২ সালে হুগলিতে মৃত্যুবরণ করলে হুগলি ইমামবাড়ার পার্শ্ববর্তী গোরস্থানে দাফন করা হয়।
👉https://t.me/alolpath
Telegram
আলোর পথ
আল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
❤4
“আমি তোমাকে মনে করিয়ে দিচ্ছি,
শয়তান তোমার কাছে বিভিন্ন দরজা দিয়ে ঢুকবে। তবে
শয়তান তোমার কাছে বিভিন্ন দরজা দিয়ে ঢুকবে। তবে
প্রধানত নারীর মাধ্যমে ঢুকবে। তুমি তার থেকে দায়েমি যিকর—দৃষ্টি সংযত করা ও কুরআন তিলাওয়াত করার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও।
.
নিজেকে মনে করিয়ে দাও, এই সুন্দরী মেয়ের চেহারা কিছুদিন পর একটা 'মৃতদেহে পরিণত হবে; যে দেহ কীটপতঙ্গ খেয়ে ফেলবে। আর জান্নাতে এমন হূর আছে, যাদেরকে উদীয়মান সূর্য দেখলেও লজ্জা পায়।"
❤12
৪ জানুয়ারি ১২৬৬ সালে আফগানিস্তান এর কালাতে জন্ম নেয়া সুলতান আলাউদ্দিন খিলজি দীর্ঘ ২০ বছর ধরে দিল্লি থেকে ভারতীয় উপমহাদেশে শাসনকার্য পরিচালনা করেন। তার পূর্বে দিল্লি সালতানাতের সুলতান ছিলেন সুলতান জালালউদ্দিন খিলজি। তার সময়ে বিশ্বাসঘাতকতা চরম পর্যায়ে পৌঁছে যায়। সুলতান আলাউদ্দিন খিলজি এমতাবস্থায় ২১ অক্টোবর ১২৯৬ সালে দিল্লি সালতানাতের সুলতান হয়ে বিশবাসঘাতকদের বিরুদ্ধে পূর্বের অভিজ্ঞতা থেকে কঠোর ব্যাবস্থা নেন।
তিনি সুলতান হওয়ার পর তার সামনে ছোটো বড় অনেক বাধা আসতে থাকে। তার মধ্যে অন্যতম ছিল কুখ্যাত মঙ্গল বাহিনী। সে সময় মঙ্গলদের নৃসংসতার ব্যাপারে কারো কোনো সন্দেহ ছিল না। তারা তাদের বিশাল বাহিনী নিয়ে সব কিছু তছনছ করে দিত। ভারত আক্রমণের জন্য তারা বিশাল মঙ্গল বাহিনী নিয়ে আসে। প্রথমেই তারা আলাউদ্দিন খিলজির মুখোমুখি হয়। সেই যুদ্ধে সুলতান তাদের অপরাজেয় বাহিনীকে শুধু পরাজিতই করেননি। তিনি ৮ হাজার মঙ্গল সেনার শিরচ্ছেদ করে দিল্লিতে নির্মান রত শ্রীফোর্ড মিনারে ইটের পরিবর্তে লাগিয়ে দেন।
আলাউদ্দিন খিলজি মধ্যযুগের এই উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম শাসক যিনি বাজার দর নিয়ন্ত্রন করার নীতি প্রবর্তন করেন, জমি পরিমাপ করার উদোগ গ্রহন করেন। সুলতান হওয়ার আগে ও পরে তিনি একাধিক বার মঙ্গল বাহিনিকে পরিজিত করেন ও হিন্দুস্থানের অনন্য শক্তিশালী বেশ কয়েকটি দূর্গ জয় করে একটি শক্তিশালী সম্রাজ্য গড়ে তুলতে সক্ষম হন। এই মহান বীর ৪ জানুয়ারি ১৩১৬ সালে বয়স ৫০ বছর বয়সে রাজধানী দিল্লিতে ইন্তেকাল করেন।
নোট: বর্তমান সময়ে ভারতের চলচিত্র ও গণমাধ্যমে তাকে নারী লোভী ও বর্বর শাসক হিসেবে দেখানো হলেও প্রকৃত পক্ষে তিনি একজন বীর শাসক ছিলেন।
তিনি সুলতান হওয়ার পর তার সামনে ছোটো বড় অনেক বাধা আসতে থাকে। তার মধ্যে অন্যতম ছিল কুখ্যাত মঙ্গল বাহিনী। সে সময় মঙ্গলদের নৃসংসতার ব্যাপারে কারো কোনো সন্দেহ ছিল না। তারা তাদের বিশাল বাহিনী নিয়ে সব কিছু তছনছ করে দিত। ভারত আক্রমণের জন্য তারা বিশাল মঙ্গল বাহিনী নিয়ে আসে। প্রথমেই তারা আলাউদ্দিন খিলজির মুখোমুখি হয়। সেই যুদ্ধে সুলতান তাদের অপরাজেয় বাহিনীকে শুধু পরাজিতই করেননি। তিনি ৮ হাজার মঙ্গল সেনার শিরচ্ছেদ করে দিল্লিতে নির্মান রত শ্রীফোর্ড মিনারে ইটের পরিবর্তে লাগিয়ে দেন।
আলাউদ্দিন খিলজি মধ্যযুগের এই উপমহাদেশের প্রথম মুসলিম শাসক যিনি বাজার দর নিয়ন্ত্রন করার নীতি প্রবর্তন করেন, জমি পরিমাপ করার উদোগ গ্রহন করেন। সুলতান হওয়ার আগে ও পরে তিনি একাধিক বার মঙ্গল বাহিনিকে পরিজিত করেন ও হিন্দুস্থানের অনন্য শক্তিশালী বেশ কয়েকটি দূর্গ জয় করে একটি শক্তিশালী সম্রাজ্য গড়ে তুলতে সক্ষম হন। এই মহান বীর ৪ জানুয়ারি ১৩১৬ সালে বয়স ৫০ বছর বয়সে রাজধানী দিল্লিতে ইন্তেকাল করেন।
নোট: বর্তমান সময়ে ভারতের চলচিত্র ও গণমাধ্যমে তাকে নারী লোভী ও বর্বর শাসক হিসেবে দেখানো হলেও প্রকৃত পক্ষে তিনি একজন বীর শাসক ছিলেন।
❤12
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
লিল্লাহি তাকবির আল্লাহু আকবার ⚔️⚔️
যে ইউরোপ ন্যাটোর মাধ্যমে মুসলিম নিধন করছে,
সেই ইউরোপের প্রাণকেন্দ্র থেকেই নতুন বছর উপলক্ষে তাকবিরের ধ্বনি ছড়িয়ে পড়ছে আলহামদুলিল্লাহ।
আল্লাহু আক্ববার..!
তাকবীর ধ্বনিতে জেগে উঠুক প্রাণ
t.me/alolpath
যে ইউরোপ ন্যাটোর মাধ্যমে মুসলিম নিধন করছে,
সেই ইউরোপের প্রাণকেন্দ্র থেকেই নতুন বছর উপলক্ষে তাকবিরের ধ্বনি ছড়িয়ে পড়ছে আলহামদুলিল্লাহ।
আল্লাহু আক্ববার..!
তাকবীর ধ্বনিতে জেগে উঠুক প্রাণ
t.me/alolpath
❤19
দ্বীন মানতে গিয়ে যখন দ্বীন আর সামাজিকতা মুখোমুখি হবে তখন সামাজিকতা কে বুড়ো আঙুল দেখাবেন।
হাতের টা না, পায়ের টা। নাহয় সামাজিকতা আপনাকে দ্বীনের উপর থাকতে দিবে না।
আর যদি কম্প্রোমাইজ শুরু করেন দুনিয়া আখিরাত দুইটা ই বরবাদ।
হাতের টা না, পায়ের টা। নাহয় সামাজিকতা আপনাকে দ্বীনের উপর থাকতে দিবে না।
আর যদি কম্প্রোমাইজ শুরু করেন দুনিয়া আখিরাত দুইটা ই বরবাদ।
❤21
পাত্রপাত্রী নির্বাচনের সময় এই বিষয়টিও মাথায় রাখবেন,
" আমি যার সাথে জান্নাতের অসীম সময় ধরে সংসার করবো, তাকে খুঁজছি! "
.
- সংগৃহীত
" আমি যার সাথে জান্নাতের অসীম সময় ধরে সংসার করবো, তাকে খুঁজছি! "
.
- সংগৃহীত
❤10