This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
বিকৃত যৌ'না'চা'র, বসুন্ধরা থেকে ২ নারী গ্রেফতার
😢2👍1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
সাভারের মজিদপুরে মর্মান্তিক ঘটনা
বাবাকে
খুন করে ভিডিও করে রাখে মেয়ে, পরে নিজেই পুলিশে ফোন করে আত্মসমর্পণ
বাবাকে
খুন করে ভিডিও করে রাখে মেয়ে, পরে নিজেই পুলিশে ফোন করে আত্মসমর্পণ
👍3
ঘটনার মোড় চেঞ্জ!
অনৈতিক কাজে বাঁধা দেওয়ায় বাবাকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানোর পর হ ত্যা!
(বিস্তারিত কমেন্টবক্সে)
অথচ আমরা ভিডিও দেখে মেয়েটির জন্য আফসোস করলাম। পিতাকে চরিত্রহীন ভেবে ভাবলাম মেয়েটি হয়তো বাধ্য হয়ে এমনটা করেছে! আসলে দুনিয়াতে কি চলে বুঝা মুশকিল।
তাছাড়া মেয়েটির বেশভূষা খেয়াল করুন! একটা সভ্য মেয়ের এমন পোশাকআশাক হতে পারে না! এজন্য মেয়েটি তার বাবা সম্পর্কে যেসব অভিযোগ করেছে, সেগুলো সহজে বিশ্বাস করা উচিত হবে না।
যাইহোক প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের দাবী জানাই এবং মেয়েটি দোষী প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী জানাই।
অনৈতিক কাজে বাঁধা দেওয়ায় বাবাকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানোর পর হ ত্যা!
(বিস্তারিত কমেন্টবক্সে)
অথচ আমরা ভিডিও দেখে মেয়েটির জন্য আফসোস করলাম। পিতাকে চরিত্রহীন ভেবে ভাবলাম মেয়েটি হয়তো বাধ্য হয়ে এমনটা করেছে! আসলে দুনিয়াতে কি চলে বুঝা মুশকিল।
তাছাড়া মেয়েটির বেশভূষা খেয়াল করুন! একটা সভ্য মেয়ের এমন পোশাকআশাক হতে পারে না! এজন্য মেয়েটি তার বাবা সম্পর্কে যেসব অভিযোগ করেছে, সেগুলো সহজে বিশ্বাস করা উচিত হবে না।
যাইহোক প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের দাবী জানাই এবং মেয়েটি দোষী প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী জানাই।
👍6❤1
মেয়ে বলে, "আরো ২/ ১ বার আসতে হবে আমার বই-খাতার জন্য"
"না! বই-খাতার জন্যও আসতে পারবি না। প্রয়োজনে বই পাঠিয়ে দিবো তুই যেখানে থাকবি।"
স্টাম্পে সিগনেচার নিতে নিতে এভাবে পিতা তার মেয়েকে ত্যাজ্য করে দিচ্ছেন।
পিতা আরো বলে, "তোকে কি জোর করে ঘর থেকে বের করে দিচ্ছি?"
মেয়ে বলে, "না।"
"তোর থেকে কি জোর করে স্টাম্পে সিগনেচার নিচ্ছি?"
মেয়ে বলে, "না।"
"যা, এবার তুই কোথায় যাবি, কার সাথে যাবি, আমাদের আর দেখার বিষয় নয়।।"
ঘটনাটি ঘটেছে ফেনীতে।
মেয়ে ঘর থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর, মা-বাবা যখন জানতে পারে, তখন বাবা খুজতে বের হয়ে যায় মেয়েকে।
খুজতে খুজতে ফেনীর "হক টাওয়ার" এর সামনে মেয়ের দেখা পায়। কোনো এক ছেলের সাথে পালিয়ে যাচ্ছিলো। বাবা যখন মেয়েটিকে তার সাথে বাসায় ফিরে আসতে বলে, মেয়েটি বলে "আমি বাসায় যাবো না"। বাবা তখন মেয়ের হাত ধরে টেনে বাসায় নিয়ে আসার চেষ্টা করছিলো। তখন মেয়েটি চিৎকার করা শুরু করে, আর বলে, "এই লোকটি আমাকে জোর করে ধরে নিয়ে যাচ্ছে।"
বাবার মাথায় তখন আকাশ ভেংগে পড়ে।
ইতিমধ্যে লোকজন জড়ো হয়ে গিয়েছিলো। মেয়েটিকে সবাই জিজ্ঞেস করে, "তুমি কি লোকটিকে চিনো?"
মেয়ে বলে, "না।"
লোকজন তখন প্রায় উত্তেজিত। অনেকেই বাবার উপর আক্রমণ করতে চেয়েছিল। আবার কয়েকজন বাবার কথা শুনতে চাইলো। বাবা তখন বিষয়টা খুলে বললো। সৌভাগ্যবশত অনেক কষ্ট করে বাবা তখন তাদেরকে বিশ্বাস করাতে সক্ষম হয়েছিল যে, এটি তার নিজের মেয়ে। নির্ঘাত গণপিটুনি থেকে রক্ষা পেয়ে, মেয়েটিকে বাসায় এনে ক্ষোভে-দু:খে-অপমানে মেয়েটিকে স্টাম্পে সিগনেচার নিয়ে ঘর থেকে বের করে দিতে বাধ্য হলো। মেয়েটিও বাবার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে দ্বিমত করেনি।
ঘটনাটা কেমন হৃদয়বিদারক, একজন পিতার জন্য! মেয়েটির জন্যও অবশ্যই কষ্টের একটি বিষয়, কিন্তু মেয়েটি এই মূহূর্তে তা উপলব্ধি করতে পারছে না।
এর পর কি হবে, ভবিষ্যতই বলে দেবে। তবে এমন কষ্টের দাগ সহজে উঠবার নয়........ 😪
"না! বই-খাতার জন্যও আসতে পারবি না। প্রয়োজনে বই পাঠিয়ে দিবো তুই যেখানে থাকবি।"
স্টাম্পে সিগনেচার নিতে নিতে এভাবে পিতা তার মেয়েকে ত্যাজ্য করে দিচ্ছেন।
পিতা আরো বলে, "তোকে কি জোর করে ঘর থেকে বের করে দিচ্ছি?"
মেয়ে বলে, "না।"
"তোর থেকে কি জোর করে স্টাম্পে সিগনেচার নিচ্ছি?"
মেয়ে বলে, "না।"
"যা, এবার তুই কোথায় যাবি, কার সাথে যাবি, আমাদের আর দেখার বিষয় নয়।।"
ঘটনাটি ঘটেছে ফেনীতে।
মেয়ে ঘর থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর, মা-বাবা যখন জানতে পারে, তখন বাবা খুজতে বের হয়ে যায় মেয়েকে।
খুজতে খুজতে ফেনীর "হক টাওয়ার" এর সামনে মেয়ের দেখা পায়। কোনো এক ছেলের সাথে পালিয়ে যাচ্ছিলো। বাবা যখন মেয়েটিকে তার সাথে বাসায় ফিরে আসতে বলে, মেয়েটি বলে "আমি বাসায় যাবো না"। বাবা তখন মেয়ের হাত ধরে টেনে বাসায় নিয়ে আসার চেষ্টা করছিলো। তখন মেয়েটি চিৎকার করা শুরু করে, আর বলে, "এই লোকটি আমাকে জোর করে ধরে নিয়ে যাচ্ছে।"
বাবার মাথায় তখন আকাশ ভেংগে পড়ে।
ইতিমধ্যে লোকজন জড়ো হয়ে গিয়েছিলো। মেয়েটিকে সবাই জিজ্ঞেস করে, "তুমি কি লোকটিকে চিনো?"
মেয়ে বলে, "না।"
লোকজন তখন প্রায় উত্তেজিত। অনেকেই বাবার উপর আক্রমণ করতে চেয়েছিল। আবার কয়েকজন বাবার কথা শুনতে চাইলো। বাবা তখন বিষয়টা খুলে বললো। সৌভাগ্যবশত অনেক কষ্ট করে বাবা তখন তাদেরকে বিশ্বাস করাতে সক্ষম হয়েছিল যে, এটি তার নিজের মেয়ে। নির্ঘাত গণপিটুনি থেকে রক্ষা পেয়ে, মেয়েটিকে বাসায় এনে ক্ষোভে-দু:খে-অপমানে মেয়েটিকে স্টাম্পে সিগনেচার নিয়ে ঘর থেকে বের করে দিতে বাধ্য হলো। মেয়েটিও বাবার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে দ্বিমত করেনি।
ঘটনাটা কেমন হৃদয়বিদারক, একজন পিতার জন্য! মেয়েটির জন্যও অবশ্যই কষ্টের একটি বিষয়, কিন্তু মেয়েটি এই মূহূর্তে তা উপলব্ধি করতে পারছে না।
এর পর কি হবে, ভবিষ্যতই বলে দেবে। তবে এমন কষ্টের দাগ সহজে উঠবার নয়........ 😪
😢1
ঈমান হোক পর্বতসম, নিয়ত হোক স্বচ্ছ
(একটি সত্য ঘটনা)
একজন লিবিয়ান যুবক, নাম তার আমের, সৌদি আরব যাচ্ছিল হজ করার জন্য।
যেইমাত্র সে এয়ারপোর্টে পৌঁছালো, তার নাম নিয়ে নিরাপত্তা-সংক্রান্ত একটি সমস্যা দেখা দিল।
নিরাপত্তা বাহিনীর লোকেরা তাকে বলল:
“একটু অপেক্ষা করো, আমরা চেষ্টা করছি সমস্যাটা সমাধান করতে।”
এই সময়ে অন্য সব হাজিরা তাদের প্রক্রিয়া শেষ করে প্লেনে উঠে পড়ল, আর প্লেনের দরজা বন্ধ হয়ে গেল।
কিছুক্ষণ পর সমস্যা ঠিক হয়… কিন্তু পাইলট দরজা খুলতে রাজি হল না। প্লেন চলতে শুরু করল এবং আমেরকে ফেলে রেখে উড়ে গেল!
অফিসার তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলল:
“মন খারাপ কোরো না, হয়তো এটা তোমার কপালে ছিল না।”
কিন্তু আমেরের ছিল অটল বিশ্বাস। সে উত্তর দিল:
“আমার নিয়ত হজের, ইনশাআল্লাহ আমি যাবোই।”
হঠাৎ… খবর এলো, প্লেনটিতে যান্ত্রিক সমস্যা হয়েছে এবং তা ফিরে আসছে!
প্লেন ফিরে এলো, মেরামত করা হলো… কিন্তু তাও পাইলট আমেরের জন্য দরজা খুলতে রাজি হল না।
অফিসার আবার বলল:
“হয়তো তোমার ভাগ্যে নেই।”
কিন্তু আমের ছিল দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, স্থির ও দৃঢ়চেতা। সে বলল:
“আমার নিয়ত হজের, ইনশাআল্লাহ আমি যাবোই।”
প্লেন আবার উড়ে গেল… কিছুক্ষণ পর আরেকটি খবর এলো:
প্লেনে আবারও সমস্যা হয়েছে!
এবার নিজেই পাইলট বললেন:
“আমি আর উড়ব না, যতক্ষণ না আমের প্লেনে ওঠে।”
শেষ পর্যন্ত… আমের প্লেনে উঠল, সৌদি এয়ারপোর্ট থেকে সে একটি ভিডিও করল —
তার আনন্দ ছিল বর্ণনার বাইরে!
“আল-কাহّহার” — এটি আল্লাহর সুন্দর নামসমূহের একটি।
এর অর্থ:
তিনি কারণগুলোকেও পরাস্ত করেন।
আপনার জন্য সব নিয়ম ভেঙে দিতে পারেন, কেবল আপনাকে সন্তুষ্ট করার জন্য।
তাই “কীভাবে”, “কখন” — এসব নিয়ে বেশি চিন্তা কোরো না…
যতক্ষণ তোমার বিশ্বাস থাকে যে আল্লাহ সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান,
বিশ্বাস করো…
তিনি পরিস্থিতি উল্টে দেবেন, তোমার পথ সহজ করে দেবেন,
এমনকি অসম্ভবকেও বাস্তবে রূপ দেবেন।
শর্ত একটাই:
নিয়ত হোক পবিত্র, আর ঈমান হোক অটল।
শায়েখ আবু বকর হাফিঃ র পোস্ট থেকে নেওয়া।
(একটি সত্য ঘটনা)
একজন লিবিয়ান যুবক, নাম তার আমের, সৌদি আরব যাচ্ছিল হজ করার জন্য।
যেইমাত্র সে এয়ারপোর্টে পৌঁছালো, তার নাম নিয়ে নিরাপত্তা-সংক্রান্ত একটি সমস্যা দেখা দিল।
নিরাপত্তা বাহিনীর লোকেরা তাকে বলল:
“একটু অপেক্ষা করো, আমরা চেষ্টা করছি সমস্যাটা সমাধান করতে।”
এই সময়ে অন্য সব হাজিরা তাদের প্রক্রিয়া শেষ করে প্লেনে উঠে পড়ল, আর প্লেনের দরজা বন্ধ হয়ে গেল।
কিছুক্ষণ পর সমস্যা ঠিক হয়… কিন্তু পাইলট দরজা খুলতে রাজি হল না। প্লেন চলতে শুরু করল এবং আমেরকে ফেলে রেখে উড়ে গেল!
অফিসার তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বলল:
“মন খারাপ কোরো না, হয়তো এটা তোমার কপালে ছিল না।”
কিন্তু আমেরের ছিল অটল বিশ্বাস। সে উত্তর দিল:
“আমার নিয়ত হজের, ইনশাআল্লাহ আমি যাবোই।”
হঠাৎ… খবর এলো, প্লেনটিতে যান্ত্রিক সমস্যা হয়েছে এবং তা ফিরে আসছে!
প্লেন ফিরে এলো, মেরামত করা হলো… কিন্তু তাও পাইলট আমেরের জন্য দরজা খুলতে রাজি হল না।
অফিসার আবার বলল:
“হয়তো তোমার ভাগ্যে নেই।”
কিন্তু আমের ছিল দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, স্থির ও দৃঢ়চেতা। সে বলল:
“আমার নিয়ত হজের, ইনশাআল্লাহ আমি যাবোই।”
প্লেন আবার উড়ে গেল… কিছুক্ষণ পর আরেকটি খবর এলো:
প্লেনে আবারও সমস্যা হয়েছে!
এবার নিজেই পাইলট বললেন:
“আমি আর উড়ব না, যতক্ষণ না আমের প্লেনে ওঠে।”
শেষ পর্যন্ত… আমের প্লেনে উঠল, সৌদি এয়ারপোর্ট থেকে সে একটি ভিডিও করল —
তার আনন্দ ছিল বর্ণনার বাইরে!
“আল-কাহّহার” — এটি আল্লাহর সুন্দর নামসমূহের একটি।
এর অর্থ:
তিনি কারণগুলোকেও পরাস্ত করেন।
আপনার জন্য সব নিয়ম ভেঙে দিতে পারেন, কেবল আপনাকে সন্তুষ্ট করার জন্য।
তাই “কীভাবে”, “কখন” — এসব নিয়ে বেশি চিন্তা কোরো না…
যতক্ষণ তোমার বিশ্বাস থাকে যে আল্লাহ সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান,
বিশ্বাস করো…
তিনি পরিস্থিতি উল্টে দেবেন, তোমার পথ সহজ করে দেবেন,
এমনকি অসম্ভবকেও বাস্তবে রূপ দেবেন।
শর্ত একটাই:
নিয়ত হোক পবিত্র, আর ঈমান হোক অটল।
শায়েখ আবু বকর হাফিঃ র পোস্ট থেকে নেওয়া।
👍2
ডায়ালাসিস করার সময় লাল নল থেকে শরীর থেকে রক্ত বের করা হয়, তারপর যন্ত্র দিয়ে পাশ করে আবার নীল নল দিয়ে শরীরে ঢুকানো হয়।
একটি ডায়লাইসিস প্রত্রিুয়া প্রায় ৪ ঘন্টা স্থায়ী হয়, এবং রোগীদের সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বার এই প্রক্রিয়া পুনরাবৃত্তি করতে হয়।
যাদের কিডনি সুস্থ তাদের একই কাজ প্রতিদিন ৩৬ বার অটোমেটিকভাবে হয়ে যায়, কোন ব্যথা ছাড়াই এবং সম্পূর্ণ শিথিলতার সাথে।
তুমি জানো না আল্লাহ আমাদের উপর যখন তখন কত নেয়ামত বর্ষণ করছেন। তাই সবসময় আল্লাহকে ধন্যবাদ দিন।
অতএব তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে।
একটি ডায়লাইসিস প্রত্রিুয়া প্রায় ৪ ঘন্টা স্থায়ী হয়, এবং রোগীদের সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বার এই প্রক্রিয়া পুনরাবৃত্তি করতে হয়।
যাদের কিডনি সুস্থ তাদের একই কাজ প্রতিদিন ৩৬ বার অটোমেটিকভাবে হয়ে যায়, কোন ব্যথা ছাড়াই এবং সম্পূর্ণ শিথিলতার সাথে।
তুমি জানো না আল্লাহ আমাদের উপর যখন তখন কত নেয়ামত বর্ষণ করছেন। তাই সবসময় আল্লাহকে ধন্যবাদ দিন।
অতএব তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে।
❤15👍1
👉 ৭৫ টি ইসরায়েলের সমান ইরান!
👉 ইসরায়েলের তিন পাশে বিশাল বিশাল মুসলিম দেশগুলো,
👉 যেগুলোর কোনটি ১২৫ টি ইসরায়েলের সমান!
👉 ভাবতে অবাক লাগে সেই ইসরায়েল ইরান সহ অন্যান্য দেশের সাথে যুদ্ধ করে। হায়রে মুসলিম জাতি!
👉 ইসরায়েলের তিন পাশে বিশাল বিশাল মুসলিম দেশগুলো,
👉 যেগুলোর কোনটি ১২৫ টি ইসরায়েলের সমান!
👉 ভাবতে অবাক লাগে সেই ইসরায়েল ইরান সহ অন্যান্য দেশের সাথে যুদ্ধ করে। হায়রে মুসলিম জাতি!
❤10
এক লোক আগুনের শিখার মধ্যে থেকে একটি সাপকে পুড়তে দেখে সেটিকে আগুন থেকে মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। তিনি সাপটিকে ধরতে না ধরতেই সাপটি তাকে কামড়ায়৷
এবং এটি লোকটির যন্ত্রণাদায়ক ব্যথার কারণ হয়। লোকটি তৎক্ষণাৎ সাপটিকে ফেলে দেয় এবং সাপটি আবার জ্বলন্ত শিখায় পড়ে যায়।
এই মুহুর্তে লোকটি চারদিকে তাকাতে গিয়ে একটি ধাতব লাঠি খুঁজে পায়৷ আগুনের শিখা থেকে সাপটিকে বাঁচাতে তিনি লাঠিটি ব্যবহার করেন৷
আরেকজন ব্যক্তি, যিনি ঘটনাটি দেখছিলেন তিনি লোকটির কাছে এসে তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, এই সাপটি আপনাকে কামড়ালো! আপনি কেন তার জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করছেন?
লোকটি জবাব দেয়, সাপের স্বভাব কামড়ানো, তবে এটি আমার স্বভাব পরিবর্তন করবে না, আর আমার স্বভাব হচ্ছে সাহায্য করা,,
কারো আঘাতের কারণে আপনার স্বভাবের পরিবর্তন করবেন না। আপনার মনের পবিত্রতাকে হারাবেন না।
সাবধানতার সাথে কাজ করতে শিখুন
এবং এটি লোকটির যন্ত্রণাদায়ক ব্যথার কারণ হয়। লোকটি তৎক্ষণাৎ সাপটিকে ফেলে দেয় এবং সাপটি আবার জ্বলন্ত শিখায় পড়ে যায়।
এই মুহুর্তে লোকটি চারদিকে তাকাতে গিয়ে একটি ধাতব লাঠি খুঁজে পায়৷ আগুনের শিখা থেকে সাপটিকে বাঁচাতে তিনি লাঠিটি ব্যবহার করেন৷
আরেকজন ব্যক্তি, যিনি ঘটনাটি দেখছিলেন তিনি লোকটির কাছে এসে তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, এই সাপটি আপনাকে কামড়ালো! আপনি কেন তার জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করছেন?
লোকটি জবাব দেয়, সাপের স্বভাব কামড়ানো, তবে এটি আমার স্বভাব পরিবর্তন করবে না, আর আমার স্বভাব হচ্ছে সাহায্য করা,,
কারো আঘাতের কারণে আপনার স্বভাবের পরিবর্তন করবেন না। আপনার মনের পবিত্রতাকে হারাবেন না।
সাবধানতার সাথে কাজ করতে শিখুন
❤16🥰2
মাল খেয়ে টাল হয়ে আছে পাখিরা।
এইগুলো মরা পাখি নয়।
মদপানে মাতাল হওয়া ওয়াক্স উইং পাখি।
কিছু কিছু ফল আছে যেগুলো পচে গেলে তাতে এলকোহল জমে। এই পাখিগুলো সেই এলকোহলওয়ালা ফল খেয়ে টাল হয়ে মাটিতে পড়ে থাকে।
পার্কে হাঁটার সময় পথচারীরা পাখিগুলোকে কুড়িয়ে নিরাপদ স্থানে রেখে দেন যাতে নেশা কেটে গেলে পাখিগুলো উড়ে যেতে পারে।
এইগুলো মরা পাখি নয়।
মদপানে মাতাল হওয়া ওয়াক্স উইং পাখি।
কিছু কিছু ফল আছে যেগুলো পচে গেলে তাতে এলকোহল জমে। এই পাখিগুলো সেই এলকোহলওয়ালা ফল খেয়ে টাল হয়ে মাটিতে পড়ে থাকে।
পার্কে হাঁটার সময় পথচারীরা পাখিগুলোকে কুড়িয়ে নিরাপদ স্থানে রেখে দেন যাতে নেশা কেটে গেলে পাখিগুলো উড়ে যেতে পারে।
👏3😁3🤓2❤1
অবশেষে সমাধান হলো বিখ্যাত ধাঁধার - ডিম আগে না মুরগী আগে?
গবেষকরা ওভোক্লেইডিন-১৭ নামের এক ধরেন প্রোটিন শনাক্ত করেছেন যা এমন একটি প্রোটিন যা ক্যালসিয়াম কার্বনেটের দ্রুত স্ফটিকীকরণকে ট্রিগার করে শক্তিশালী ডিমের খোসা তৈরি করে। এবং এটি শুধুমাত্র মুরগির মধ্যেই পাওয়া যায় বা মুরগীই তৈরি করতে পারে। অর্থাৎ OC 17 ছাড়া, আমরা যে ডিমগুলি জানি সেগুলোর অস্তিত্ব থাকতে পারত না। অর্থাৎ বিবর্তনের ইতিহাসে মুরগিকে প্রথমে আসতে হয়েছিল।
গবেষকরা ওভোক্লেইডিন-১৭ নামের এক ধরেন প্রোটিন শনাক্ত করেছেন যা এমন একটি প্রোটিন যা ক্যালসিয়াম কার্বনেটের দ্রুত স্ফটিকীকরণকে ট্রিগার করে শক্তিশালী ডিমের খোসা তৈরি করে। এবং এটি শুধুমাত্র মুরগির মধ্যেই পাওয়া যায় বা মুরগীই তৈরি করতে পারে। অর্থাৎ OC 17 ছাড়া, আমরা যে ডিমগুলি জানি সেগুলোর অস্তিত্ব থাকতে পারত না। অর্থাৎ বিবর্তনের ইতিহাসে মুরগিকে প্রথমে আসতে হয়েছিল।
❤3