Abdullah bin bashir
11.3K subscribers
425 photos
89 videos
95 files
193 links
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট
Download Telegram
আরবের শাসকগুলো গাদ্দারসহ ইত্যাদি বহু কিছু আমরা বলি। কিন্তু কাতার,কুয়েত, সৌদি, এখানের প্রত্যেকটা শাসক আর মুসলিমদের উলিল আমর নয়। এদেরকে গদি থেকে হঠানো সেখানকার মুসলমানদের জন্য ওয়াজিব। কুওয়াত না থাকলে কুওয়াত অর্জন করা ওয়াজিব। সরানো সম্ভব না হলেও বিভিন্নভাবে এদের শাসনকে দূর্বল করা সেখানকার প্রত্যেক মুসলিম নাগরিকদের জন্য সামর্থ্যনুযায়ী ওয়াজিব ইত্যাদি, এই শাসকদের ব্যাপারে ফিকহি সঠিক ও আসল বিধানটুকু বলতে সাহস করি না।

এর কারণ হয়তো, এখনো তাদের বিষয় আমাদের ক্লিয়ার না। অথবা আমাদের প্রত্যেকের ভিতরেই মূলত বিভিন্ন ছুপা মাদখালির বসবাস। অথবা ফিলিস্তিন নিয়ে আমাদের শুধু কিছু মুখরোচক আবেগ আছে, বাস্তবতা কিছুই নেই! আল্লাহু আলাম।
68👍13😢6💯3💩1
এত সহজ সত্যটা এভাবে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখানোর পরও আমরা চোখ কেনো বন্ধ করে রেখেছি, তা আল্লাহই জানে!
71🔥7👍3❤‍🔥1💯1
একটা বার কল্পনা করেন, টিটিপির আক্রমণে এই বাচ্চা দুটো মারা গেছে। এরপর পাকিস্তানের মিডিয়া, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের কিছু আলেম কী কী করতো!

অথচ, নাপাক আর্মির এই আক্রমণে পুরো দুনিয়া এমনভাবে চুপ মেরে থাকবে, যেনো গাজ্জার বাচ্চাদের মত এই শিশুগুলোর রক্তও বৈধ!
.
মনে আছে, আর্মি স্কুলের কথিত শিশুদের হত্যার কাহিনী? যেটা দিয়ে এখনো পর্যন্ত কিছু মাওলানারা টিটিপিকে জঘন্য ভাষায় আক্রমণ করে থাকে! অথচ এগুলোর বিষয়ে তাদের ভাষা থাকা কতটা নসিহাসূলভ!
😢45👍32
আমার দীর্ঘ মোতালাআর অভিজ্ঞতা আপনাদের বলতেছি, পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর মত সেনাবাহিনী যদি বাগদাদে, স্পেনে মুসলমানদের থাকতো তাহলে এই অঞ্চলগুলোতে মুসলমানদের পতন কখনোই হতো না!

-মুফতি আব্দুর রহিম সাহেব
মুহতামিম জামিয়াতুর রশিদ

(হাসবো না কান্না করবো ঠিক করতে পারতেছি না।)
🤣90👍6🤔3😢1🤮1
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
বানুরীটাউনের ফারেগ পাকিস্তানি আলেম মাওলানা সাইদ আদনান সাহেবের এই বয়ানটা খুবই মনোযোগ সহকারে শুনি। যাদের সম্ভব হয় উর্দুটা অনুবাদ করে বিভিন্ন মানুষের কাছে পৌঁছাই।

জাযাকাল্লাহ খাইরান।
70👍7
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
আফগানদের নারী বিষয়ক পশ্চিম যতটা চিন্তিত তার থেকে বেশি চিন্তিত কিছু মুসলিম গবেষক। তবে এদের চিন্তা ঠিক তেমনই, শব্দও ঠিক তেমনই যেমনটা পশ্চিম চিন্তা করে ও শব্দ বলে!
.
অথচ ঐদিকে আফগানের বাস্তবতা হলো এই!
👍3722
মাহফুজের মাফ চাওয়ার নাটক দেখে যতটুকু বিরক্ত হচ্ছি তার থেকেও বেশি বিরক্ত হচ্ছি ঐ সকল বুদ্ধিজীবিদের দেখে, যারা মাহফুজের পোষ্টকে ইতিবাচক নিয়ে আবেগ ঝাড়তেছেন।

বুঝি না, বোকা বা বলদের কী কোনো লিমিটেশন নাই!? নাকি কে কার থেকে বড় বোকা বা বলদ এটা প্রমাণের আয়োজন চলছে!
🔥53👍17😢1
এনসিপি ভারতের বিরুদ্ধে জাতীকে ঐক্যবদ্ধের যে আহবান এটা স্পষ্ট ধোকা ছাড়া এবং ওদের নিজের স্বার্থ ছাড়া কিছুই নয়। এর অন্যতম কারণ হলো, ভারতের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে এদেশে ভারতের উপনিবেশের সবচেয়ে বড় প্রমাণ রঠার সংগীতের বিরুদ্ধে বলবে না, তারমানে এগুলো বাটপারি ছাড়া কিছুই না।

সুতরাং তারা তাদের দাবীতে সৎ হতে হলে তারা নিজের পক্ষে প্রমাণ দিক। আর এর নূন্যতম হলো রঠার এই সংগীতের বিরুদ্ধে সম্মেলিত বক্তব্য। অন্যথায় এদেশের মুসলমানদের উচিত বাটপারগুলোর থেকে সতর্ক থাকা।
👍7313💯13
খুব পড়ি ভাই। বিশেষত যারা এই দুনিয়ায় দ্বীনের বিজয় চান তারা তো দরুদ আর ইসতিগফার ছাড়া সময় কাটানো একদমই ঠিক নয়।
109🔥12
এক তালেবে ইলমের রোজনামচা


করাচী তে পানির ব্যাপক সংকট। সপ্তাহে কম করে হলেও দুয়েকবার এই ভোগান্তি আমাদের পোহাতে হয়। তবে সমস্যার ষোলকলা পূর্ণ করে এই ভোগান্তি চলাকালীন সময়ে দুর্গতির বড়ভাই হিসেবে আবির্ভূত হওয়া নির্দিষ্ট দুয়েকটা কলের পানি। মানে করাচীকে কটু কথা শোনাতে শোনাতে তায়াম্মুম দিয়ে কাজ চালিয়ে দেয়ার পরিবর্তে অন্তহীন লাইনে দাঁড়িয়ে পূর্বোক্ত ওজিফা পাঠে মনোযোগী হতে হয়। তেমনি আজকের দিনটা শুরু হয়েছে ফজরে ইমাম সাহেবের সালাম ফেরানোর আওয়াজ অজুর লাইনে দাঁড়িয়ে শ্রবণ করার মতো অতিব সুলভ মুহুর্তের মধ্য দিয়ে।
.
দো আন্ডে ফুল ফ্রাই, হাফ ছোলে, এক চাপাতি, এক চায়ে দিয়ে কোনমতে নাস্তা টা সেরে খোশ মেজাজে রুমে ফিরছি। মনে মনে পাক্কা ইরাদা—জমিয়ে একটা ঘুম দিবো মাইকে শেখ সাহেবের আওয়াজ বেজে উঠার আগ পর্যন্ত। সেই স্বাদ আর মিটলো কই। রুমে তো রীতিমতো গল্পের আসর বসে জমে ক্ষীর হওয়ার পথে। পাঁচ সিট বিশিষ্ট কামরায় আমাদের থাকা হয়। আমি অপর এক দেশি সাথি এক ওয়াজিরিস্তানী আর দুই কেপিকের বাসিন্দা। মূলত গল্পটা আজ জমলো আমার আর ওয়াজিরিস্তানীর মাঝে। গত দুদিন আগে তাদের ওখানে আবার ড্রোন হাম/লা হয়েছে। শহীদ হয়েছে ফুলের মতো দুইটা বাচ্চা। একদম পয়লা দিন থেকেই ওয়াজিরিস্তানীর সাথে খাতির লাগানোর মিশন টা এতদিনে অনেকটা সফলের পথে। সে যেই ব্যাথায় কাঁদে তার অনুভূতি খানিকটা হলেও আমার মাঝে আছে দেখতে পেয়েই কিনা টুকটাক মুখ খুলে ইদানিং। বহু বছর ধরে ওই অঞ্চলে চলতে থাকা এই জুলুমের গল্পে তাদের সমবেদী কেউ নেই। গত দুদিনের জমা কষ্ট আজ যেন অনেকটাই উগড়ে দিলো সে। বলতে থাকলো— 'ফলাস্তিনে ইজ্রে/লের জুলুম নিপিড়নের কথা আমরা জানি, শুনি। ইয়া/হুদী জালিমদের হাতে শহীদ ছোট বাচ্চার ছবি দেখে পুরো মুসলিম উম্মাহর হৃদয় ব্যাথিত হয়। আর কিছু করতে না পারি এই ব্যাথা এই কলজে পোড়া আহাজারি তো অন্তত প্রকাশ করতে পারি। অথচ দেখ, আমাদের সেই অধিকারটুকুও নেই। বছর বছর ধরে গুম, খু/ন, টার্গেট কিলিং, ড্রোন হামলার স্বীকার আমরা এই সিস্টেমের বিরুদ্ধে নিজেদের জান মাল হিফাজত করতে বাধ্য হয়ে হাতিয়ায় তুলে নিয়েছি বলে নিজ দেশের আলেমরাও আমাদের প্রতি নাখোশ। এসি রুমে বসে হযরতরা আমাদের কে বাগি ফতোয়া দিচ্ছেন আর ফলাস্তিনে কটা টাকা পাঠিয়ে নিজেদের দ্বীনের বড় ঠিকাদার মনে করে বসে আছেন। আমি কোনভাবেই পবিত্রভূমির ত্যাগ ও সংগ্রামের সাথে নিজেদের তুলনা করছি না। বরং শুধুই তোমাদের বোঝাতে বলছি। জানো, নিজের এলাকা ছেড়ে এখানে কেন পড়তে এসেছি? যাতে আলিম হওয়ার মাঝ পথে মরে না যাই! নিখোঁজ হয়ে না যাই!' এপর্যায়ে এসে হঠাৎই একদম চুপ হয়ে গেল ওয়াজিরিস্তানী। প্রসঙ্গ পাল্টানোর কসরত দুএকবার চালিয়ে শেষে ব্যর্থ ও ব্যাথাতুর হৃদয় নিয়ে বিছানার দিকে ফিরলাম সবাই। এখানে এসেছি কয়টাদিন হলো সবে। দিনদিন যা দেখছি, শুনছি, বুঝছি এসব হজম করতে করতেই একদিন হয়তো আমিও ভারী গুরুগম্ভীর কিসিমের হয়ে যাবো। বুক তো একটাই অথচ দিকে দিকে উম্মাহর বিপর্যয় গুলো সব তাতেই আঁচড় কাটছে। দীর্ঘশ্বাসে দাফন হচ্ছে। আয় মাবুদ আপনি রহম করুন আমাদের উপর।

তেইশ|পাঁচ|পঁচিশ
দারুল উলুম কৌরাঙ্গি, করাচী।”
😢54👍7
গাদ্দারগুলো আমাদের যেভাবে ঐক্যের আহবান করে!
💯71👍183🥰2
বাশার আলআসাদ যখন সিরিয়ার আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাতের লক্ষ মুসলমানকে হত্যা করছিলো, ইরানের প্রক্সি হিজবুল লাত (হিজবুল্লাহ) আহলুস সুন্নাহের নারীদের ধর্ষণ করছিলো, তখন বাশারের থেকে এই পরিস্থিতির জন্য মুজাহিদদের দায়ী করা ব্যক্তিরা এই কথা বললে, আমরা তো কখনোই মুজাহিদদের বিরোধি না আমরা সন্ত্রাস বিরোধী, তখন বড্ড হাসি পায়। আরো হাসি পায় সাইদ রমাদান বুতি সঠিক আর জুলানীদের সন্ত্রাস বলা ব্যক্তিরা আমাদের জিহাদের সবক দিতে আসে, আরো অট্টহাসি আসে, যখন এই ব্যক্তিরাই এই আত্মখুশিতে বসে আছে, তাদের থেকেই উম্মতের জিহাদ শিখতে হবে।

এই সমস্ত তালেবে ও উস্তাদদের বলবো দুনিয়াকে এতটা সোজা ভাবার কোনো কারণ নাই আসলে বা আমাদেরও এত শর্টটাইম মেমোরির অধিকারি ভাবার কোনো কারণ নাই।

আপনাদের প্রতি একজন কল্যাণকামী হিসেবে এটাই নসিহাহ, অন্তত অন্তর থেকে হলেও দুই হাত দুলে নিজেদের সেই ঘৃণিত অবস্থানের জন্য ক্ষমা চান।
👍44🔥124😢2
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
অল্পকথায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় চলে এসেছে। আধুনিক বিশ্বব্যবস্থার গোড়াটা না বুঝলে ফিকহে যতই মাহারাত অর্জন করেন, ধোকাটা খাবেন নিশ্চিত!
👍46🔥12💯42
আফগানিস্তান তাদের বৈদেশিক বাণিজ্যে ডলারের আধিপত্য থেকে বেরিয়ে আসছে!

শিল্প ও বাণিজ্যের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী নূরউদ্দিন আযিযী ঘোষণা করেছেন যে, কাবুল ও মস্কো নিজেদের জাতীয় মুদ্রা ব্যবহার করে বাণিজ্যিক লেনদেন চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে — যা মার্কিন ডলারের পরিবর্তে হবে। এই পদক্ষেপটি আফগানিস্তানের অর্থনৈতিক স্বাতন্ত্র্য আরও জোরদার করবে।

আযিযী আরও জানিয়েছেন যে, বেইজিংয়ের সঙ্গে একই ধরনের প্রক্রিয়া চালুর বিষয়ে কাবুলে অবস্থিত চীনা দূতাবাসের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

©আবু উসামা জাফর হাফি.
🔥78👍169👏2👌1
রিসালাতুল ইসলাম বিডির গা*যওয়াতুল হিন্দ সংক্রান্ত নতুন ভিডিও দেখলাম। এই বিষয়ে আমার কিছু বলার নাই। আগ্রহও নাই। তবে একটা জায়গা একটু অস্পষ্ট লাগলো,

১। ভিডিওতে বানুরীটাউনের ব্যাপারে বলা হয়েছে, উনারা আবু হুরাইরা রা.-এর দুর্বল হাদিসের উপর ভিত্তি করে গাযওয়া শেষ জামানায় হবে, অথচ বাস্তবতা হলো উনারা শুধুই আবু হুরাইরার হাদিস নয় বরং হযরত সাওবানের সহিহ হাদিস থেকেই ইঙ্গিত নিচ্ছেন যে, শেষ জামানায় হওয়াটাই রাজেহ।

এছাড়া এই বিষয়ে আমার শেষ কয়েকটা কথা।

১। হযরতের সাওবানের সহিহ হাদিসে একটা নির্দিষ্ট দলই এই হাদিসের মিসদাক হবে বলা হইলো, এখন এই একদল আম কীভাবে হলো? আর যদি খাস হয় তাহলে এই মিসদাক তো হযরত ওমর রা.-এর আমলেই পূরণ হয়ে গেছে, এটার জন্য মুহাম্মদ বিন কাসেম পর্যন্ত আসার কী দরকার?
ভাষার দালালত হলো অন্যান্য দলিল থেকেও মজবুত, সাওবান রা.-এর সহিহ হাদিসে হিন্দে যুদ্ধ করা একটা দলের সাথেই বলা হচ্ছে, এবং এটা একটা শক্তিশালীই ইঙ্গিত। যাইহোক, এটা নিয়ে কিছু বলা আর মুনাসিব মনে করছি না।

২। গা*যওয়াতুল হিন্দের হাদিস নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে আর লেখার সামান্যতম আগ্রহ নাই। কারণ এই হাদিসের সাথে আমাদের উপর আরোপিত কোনো বিধানের সম্পর্ক নাই। যদি হতো তাহলে এটার পিছনে সময় দেওয়ার যৌক্তিকতা ছিলো।

৩। যারা বলছেন গাযওয়াতুল হিন্দ হয়ে গেছে, এবং এটা নিয়ে প্রচুর জোরাজোরি করছেন, তাদের কাছে হিন্দ সামনে কীভাবে মুসলমানদের করায়ত্বে আসবে, ভারতের মুসলমানরা আবার কীভাবে মাথা উচু করে আল্লাহর যমীনে আল্লাহর দ্বীনকে বিজয় করবে এমন কোনো বাস্তবিক রোডম্যাপ নাই। আর যারা বলছে হয়নি বা এটা একটি আম বিষয়, হিন্দের মুশরিকদের সাথে যেকোনো যুদ্ধই এখানের অন্তর্ভুক্ত, তারা হিন্দকে পূনরায় বিজয়ী করতে, হিন্দ বিজয় করে আকসায় পৌঁছতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ এবং সেটার জন্য পূর্ণ রোড ম্যাপ ও সে অনুযায়ী কাজে রয়েছে।

এখানে দুই জামাতের মৌলিক একটা পার্থক্যের বিষয়।
.
আল্লাহ আমাদের রাসুল সুসংবাদ অর্জন করার তাওফিক দান করুন। আমীন।
👍2712🔥2🤔2🥰1
পঞ্চগড়ের ঝুঁকি আর দশটা এলাকার মতো না। ওখানে কাদিয়ানীদের নিজস্ব গ্রাম আছে। মারকায আছে। অর্থবিত্ত আছে। তারা নানাভাবে অর্থকে ব্যবহার করে মানুষকে প্রভাবিত করে। কুরবানীর মাংসও যাদেরকে দিলে ওদের প্রতি দুর্বল হওয়ার সম্ভাবনা আছে, তাদের দেয়। এটা তাদের একটা দাওয়াতী টুল। ধীরে ধীরে এভাবেই দলে দলে মানুষকে কাদিয়ানী বানানো হয়।

অভাবের দিনে মানুষের দ্বীন ও ঈমানকেও প্রভাবিত করে। উলামায়ে কেরাম পঞ্চগড় নিয়ে এসব কারণেই বেশি পেরেশান। এসব সমস্যার সমাধানে নানামুখী উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়।

আলহামদুলিল্লাহ, গতবছর আমরা পঞ্চগড়ের মুরতাদ ও ইরতিদাদের ফিতনায় আক্রান্ত পঞ্চগড়ের নির্দিষ্ট এলাকার দরিদ্র‍ মুসলমান এবং ৩ শতাধিক দরিদ্র‍ নব মুসলিমের মাঝে ঈদে কুরবানির গোশত ও ঈদের বাজার পৌছে দেয়ার একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিলাম। মারকাযুদ্দাওয়া ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন এ ব্যাপারে কিছু সহযোগিতা করেছিলেন। বিশেষ করে আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের অবদান ছিল সবচেয়ে বেশি।
পাশাপাশি আমাদের বেশকিছু ভাই-বোন কুরবানীর জন্য অর্থ দান করেছিলেন।

এবারও ইনশাআল্লাহ আমরা সেই চেষ্টা করব।
আপনারা চাইলে নিজের, প্রবাসী ভাই বন্ধুর বা কয়েকজন মিলে এই কাজে অংশগ্রহণ করতে পারেন।
নিজেদের ওয়াজিব বা নফল কুরবানীর অংশ তুলে দিতে পারেন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের দ্বীনি ভাইবোনদের হাতে।
পরিবারে একাধিক ব্যক্তির ওপর কুরবানী ওয়াজিব হলে পরামর্শক্রমে একজনের কুরবানী দিতে পারেন পঞ্চগড়ে।
অনেকেই মরহুম মা-বাবা বা অন্যান্য কবরবাসী আত্মীয়স্বজনের নামে কুরবানী দিয়ে থাকেন। এমন কুরবানীর পুরোটাই যদি গরীব মানুষের হাতে ওঠে, তাহলে মরহুমের আমলনামা আরও সমৃদ্ধ হবে ইনশাআল্লাহ

পাশাপাশি ঈদের বাজারের জন্য অনুদান দিয়ে শরীক হতে পারেন।

গরু: প্রতি ভাগ ১২০০০/= (১২ হাজার) টাকা
ছাগল/খাসি: প্রতি ভাগ ১২-১৫ হাজার টাকা

বি: দ্র:
১. কুরবানীর বিষয়ে আগে যোগাযোগ করে পরে টাকা পাঠানোর অনুরোধ রইল।
২. সাধারণ অনুদানের জন্য জাকাত ও সদকার টাকা দেয়া যাবে। রেফারেন্সে Eid লিখে দিলে ভালো হয়।

যোগাযোগ:
বিকাশ ও নগদ পার্সোনাল
01311338237

রকেট পার্সোনাল
013113382378

ব্যাংক একাউন্ট
Mohammad hossain epu
Dutch bangla bank ltd
Uttarkhan branch
21410123583
👍4226
‘ইসলামে খলিফা হওয়ার জন্য শর্ত হলো পুরুষ হতে হবে। নারীদের জন্য খলিফা হওয়া জায়েয নেই। খারেজিদের মধ্যে একদল আছে যারা নারীদের খলিফা হওয়াকে জায়েয বলেন।” -রওজাতুল কুজাত পৃ. ৫৬

ইমাম সিমনানি রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ৪৯৯ হি.)। নিজ সময়ের অনেক বড় হানাফি হুজুর। সেলজুকি মন্ত্রী নিজামুল মুলকের আবদারে তিনি মুসলিম কাজিদের (বিচারকদের) জন্য জগত বিখ্যাত কিতাব লেখেন “রওজাতুল কুজাত ও তরিকুন নাজাত” নামে। সে কিতাবে তিনি এই কথাটি লেখেছেন।

মন্তব্য : যিন্দেগী ম্যে ক্যেয়া ক্যেয়া দেখনা প্যারতা হ্যায়!
কে কীভাবে কোথায় খারেজি হয়ে যায়! ভাভা যায় এগ্লা!
🔥427👍4😱1
ড্রোন বিশেষজ্ঞ ৫০০ নতুন সেনা পাঠাচ্ছে এরদোয়ান, সোমালিয়াকে ইসলামের হাত থেকে রক্ষা করতে।

ভালোবাসা❤️
🤬59😁107😡6😢3🤮2
মাত্র তিন মাসে সাড়ে ছয় হাজারেরও বেশি মামলার নিষ্পত্তি করেছে ইমারাতে ইসলামিয়ার আদালত। যেগুলো ছিল নারীদের অধিকারসংক্রান্ত—যেমন উত্তরাধিকার, মালিকানা, দেনমোহর এবং শরঈ দলিলপত্র নিয়ে।

এটি নিছক কােনাে পরিসংখ্যান নয়; বরং ইসলামী শরীয়াহর ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জীবন্ত উদাহরণ। শরীয়া আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ করা হলে তা যে কতটা কার্যকর ও মানবিক হতে পারে, এসব ঘটনাই তার প্রমাণ।

এ উদ্যোগ শুধু নারীদের প্রাপ্য অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা নারীর ক্ষমতায়নের এক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। ইমারাতে ইসলামিয়ার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নারীদেরকে তাদের শরয়ী অধিকার বুঝিয়ে দিতে আন্তরিকভাবে কাজ করছে।


সূত্র: আফগান বিল-আরাবিয়্যি | ভাষান্তর: সাদিক শাহরিয়ার
76
গণ তন্ত্রের মাধ্যমে দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজে যেকোনো ধরনের কাজ করা যায়। কারণ এখানে ব্যক্তির অনেক সীমাবদ্ধতা থাকে। কিন্তু জি হা দের মাধ্যমে দ্বীন প্রতিষ্ঠার মেহনতের জন্য ‘ইসমতে আম্বিয়া শর্ত’। এখানে মু জা হি দদের কোনো ভুল হলে নগদ নিজেকে সেই দল থেকে বারায়াতের ঘোষণা দিতে হবে, এবং এগুলো ইসলাম সমর্থন করে না বলে জানান দিতে হবে।

সূত্র: এসো রাজনীতি করি ৩/৪২০
32😁9👍5
গাজার প্রতি সংহতি জানিয়ে আগামী এক সপ্তাহে ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানে এক সপ্তাহব্যাপি কার্যক্রমের ঘোষণা দিয়েছে!
🔥61👍126🥰1