দুইটার যেটাই হয়, ইমাম জুয়াইনি থেকে ইদরিস কান্ধলবিসহ জমহুর ওলামাদের রায় হলো শাসনকার্য পরিচালনায় নারীদের সাক্ষ্যগ্রহণ করা যাবে না৷ তাহলে গণতন্ত্রের নির্বাচনে নারীর সাক্ষ্য পূর্ণরূপে গ্রহনীয় হয়, তাহলে তা শাহাদাতের সাথে কিভাবে মিললো? আর যদি মিলে তাহলে কিভাবে?
২. ইসলামে শরীয়তে সর্বসম্মত মত হলো, নারীর শাহাদাত পুরুষের অর্ধেক। কিন্তু গ*ণ*তন্ত্রের নির্বাচনে নারী-পুরুষের ভোট সমান।
শাহাদাত যদি হয় তাহলে কিভাবে নারী-পুরুষের সাক্ষ্য সমান হওয়া কোন দলিলের ভিত্তিতে বিবেচিত হলো?
৩. নারী পার্থীদের ভোট দেওয়ার বিধান কী? পুরুষ বিদ্যমান থাকা অবস্থায় নারীর বিষয়ে সাক্ষ্য দেওয়ার কী বিধান?
৪. মানলাম এই যুগে আদালাতের পূর্ণ শর্ত পাওয়া যাবে না। তাই বলে স্পষ্ট মদখোর, ঘুষখোর, গাঞ্জাখোর, দুর্নীতিবাজ যাদের বিষয়গুলো সকলেই জানে, তাদের সাক্ষ্য আর একজন ন্যায়পরায়ণ নামাজি ব্যক্তির সাক্ষ্যি এক হয়ে যাচ্ছে, গ*ণ*তন্ত্রে কি এই ধরনের খারাপ মানুষের সাক্ষ্য নেওয়া হবে না বলে কোনো বক্তব্য আছে?
৫. পাঁচ বছর মেয়াদি সাক্ষ্যের ইসলামি শরীয়তের কোন দলিলের আলোকে হচ্ছে।
দিলের খবর আল্লাহ জানে। গ*ণ*তন্ত্রের নির্বাচনকে শাহাদাতের সাথে তাকয়িফ করা থেকে এই প্রশ্নগুলো মাথায় ঘুরছে।
২. ইসলামে শরীয়তে সর্বসম্মত মত হলো, নারীর শাহাদাত পুরুষের অর্ধেক। কিন্তু গ*ণ*তন্ত্রের নির্বাচনে নারী-পুরুষের ভোট সমান।
শাহাদাত যদি হয় তাহলে কিভাবে নারী-পুরুষের সাক্ষ্য সমান হওয়া কোন দলিলের ভিত্তিতে বিবেচিত হলো?
৩. নারী পার্থীদের ভোট দেওয়ার বিধান কী? পুরুষ বিদ্যমান থাকা অবস্থায় নারীর বিষয়ে সাক্ষ্য দেওয়ার কী বিধান?
৪. মানলাম এই যুগে আদালাতের পূর্ণ শর্ত পাওয়া যাবে না। তাই বলে স্পষ্ট মদখোর, ঘুষখোর, গাঞ্জাখোর, দুর্নীতিবাজ যাদের বিষয়গুলো সকলেই জানে, তাদের সাক্ষ্য আর একজন ন্যায়পরায়ণ নামাজি ব্যক্তির সাক্ষ্যি এক হয়ে যাচ্ছে, গ*ণ*তন্ত্রে কি এই ধরনের খারাপ মানুষের সাক্ষ্য নেওয়া হবে না বলে কোনো বক্তব্য আছে?
৫. পাঁচ বছর মেয়াদি সাক্ষ্যের ইসলামি শরীয়তের কোন দলিলের আলোকে হচ্ছে।
দিলের খবর আল্লাহ জানে। গ*ণ*তন্ত্রের নির্বাচনকে শাহাদাতের সাথে তাকয়িফ করা থেকে এই প্রশ্নগুলো মাথায় ঘুরছে।
❤23👍3
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
আসলেই বিষাক্ত মেডিসিনের বাস্তবতা জানা নেই। তবে পুজিবাদি এই পৃথিবীতে এটা অসম্ভব নয়। গ্রুপে যদি এ বিষয়ে কোনো বিশেষজ্ঞ থাকেন বা কারো পরিচিত কোনো বিশেষজ্ঞ থাকে তাহলে এই বিষয়টি একটু তাহকিক করার অনুরোধ রইলো। কারন ড্রাগন ফল বর্তমান এদেশের সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় একটি ফল। আমাদেত ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রশ্ন এটি।
❤14👍4🤔1
পুরো পৃথিবী আমেরিকার গোলাম
আমেরিকার প্রভুতত্ত্ব
.
এবিষয়গুলো শায়খ রহ. দুই যুগ আগেই উম্মতের সামনে পেশ করে গিয়েছেন। উম্মতের শার্দুলরা সে তত্ত্বে আন্দোলিত হয়েছিলো এবং এখনো হচ্ছে।
আজ শাইখুল ইসলামের পাক যবানেও আল্লাহ সে তত্ত্বগুলো বের করলেন, ইনশাআল্লাহ উম্মত এবার আরো বড় পরিসরে আন্দোলিত হবে।
আমেরিকার প্রভুতত্ত্ব
.
এবিষয়গুলো শায়খ রহ. দুই যুগ আগেই উম্মতের সামনে পেশ করে গিয়েছেন। উম্মতের শার্দুলরা সে তত্ত্বে আন্দোলিত হয়েছিলো এবং এখনো হচ্ছে।
আজ শাইখুল ইসলামের পাক যবানেও আল্লাহ সে তত্ত্বগুলো বের করলেন, ইনশাআল্লাহ উম্মত এবার আরো বড় পরিসরে আন্দোলিত হবে।
❤17🔥3👍2
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
শাইখুল ইসলামের এই ঐতিহাসিক বয়ান ইউটিউব কর্তৃপক্ষ সরিয়ে দিচ্ছে। এখানে সংগ্রহ হিসেবে থাকুক। ইনশাআল্লাহ, এই বয়ান উম্মতকে আন্দোলিত করবে।
❤46😁1
অবাক বিষয় খেয়াল করলাম এত আলোচনা সমালোচনা উপেক্ষা করেও পাঠ্যপুস্তকের ইতিহাসবিকৃতি থেমে নেই। বিষেশত, পঞ্চম-ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে শুরু করে একেবারে মাধ্যমিক পর্যায়ে পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রতিটি পাঠ্যপুস্তকে নজিরবিহীন ইতিহাস বিকৃতি ঘটেছে।
একজন শিক্ষকের পাশাপাশি ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্বের গবেষক এবং অবশ্যই কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলা আমি নিজের দায়িত্ব মনে করছি। সুপ্রিয় পাঠক এবং শ্রোতা দর্শক আপনাদের আগ্রহ থাকলে আমি প্রতিটি ক্লাসের ইতিহাস বই নিয়ে তার ভুলের জায়গাগুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই।
প্রথম পাতা জুড়ে অন্তত ডজন খানেক লেখকের নাম থাকলেও সেখানে কোন সম্পাদক নেই। অথচ শিশুদের বই লেখার ক্ষেত্রে নানা ধাপে সম্পাদনা থাকা জরুরি। এমনকি কপি এডিটর এবং ভাষাগত সম্পাদনার জন্য আলাদা মানুষ থাকতে হবে। প্রথমে লেখকের হাতে বই তার নিজস্ব গতিতে তৈরি হবে। পান্ডুলিপি হিসেবে বই হাতে পাওয়ার পর কপি এডিটর পুরো বইটি পড়ে দেখে নানা স্থানে প্রয়োজনীয় সংস্কার করবেন।
পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের সবথেকে জটিল এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজটি হল বইয়ের ভাষাগত সম্পাদনা এবং সুখপাঠ্য করা। বর্তমান গ্রন্থগুলো হাতে নিলে অভিজ্ঞ মানুষ মাত্র বুঝতে পারবেন এখানে ভাষাগত সম্পাদনা কিংবা বইকে সুখপাঠ্য করার কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। অথচ অবাক করার বিষয় হলেও সত্য আমরা এই বইগুলোই শিশুদের পড়ার জন্য তাদের হাতে তুলে দিতে যাচ্ছি।
বইগুলো কোনরকম সম্পাদনা করা হয়নি তার বড় প্রমাণ বইয়ের প্রথম পাতাতেই রাখা হয়েছে। অজ্ঞাত ক্ষমতা বলে যারা লেখক হয়েছেন তারাই নিজের লেখার সম্পাদক হিসেবে সরাসরি উপরে উল্লেখ করেছেন 'রচনা ও সম্পাদনা' শীর্ষক অংশ। আমি সবথেকে ভয় পেলাম একটা কারণে যে এখানে এমন ব্যক্তিও লেখক হিসেবে আছেন; যিনি জটিল বাক্যের কারণে তার লেখা নিজে পড়ে ব্যাখ্যা করতে গেলেও প্রতিবার ভিন্ন রকম অর্থকরে গুলিয়ে ফেলবেন।
যাই হোক ইতিহাসবিকৃতির এই ভয়াবহতা নিয়ে আমাদের এখনই মুখ খোলা উচিৎ। এমনিতেই প্রাচীন এবং মধ্যযুগের বাংলার ইতিহাস দিয়ে তেমন গবেষণা হয় না বললেই চলে। অধ্যাপক আহমেদ হাসান দানী, অধ্যাপক আব্দুল মমিন চৌধুরী, অধ্যাপক আব্দুল করিম, অধ্যাপক একেএম ইয়াকুব আলী, অধ্যাপক মোফাখখারুল ইসলাম, অধ্যাপক এবিএম হোসেন, অধ্যাপক শাহানারা হোসেন, অধ্যাপক একেএম শাহনাওয়াজ, অধ্যাপক মোজাহিদুল ইসলাম কিংবা সম্প্রতি ইফতেখার ইকবালের পর বাংলাদেশের প্রাচীন ও মধ্যযুগের ইতিহাস নিয়ে সুস্পষ্ট ধারণা আছে এমন ব্যক্তির সংখ্যা খুঁজে পাওয়া কম।
বিশেষকরে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সুবিধা প্রাপ্তির আশা শিক্ষার্থীদের বাধ্য করে প্রাচীন ও মধ্যযুগ বাদ দিয়ে উপনিবেশিক সময়কালের পর থেকে স্বাধীন বাংলাদেশ নিয়ে গবেষণা করতে। ফলে আমাদের প্রজন্মের কাছে প্রাচীন এবং মধ্যযুগ পুরোপুরি অবহেলিত থেকে যায়। এর ফলাফল কতটা ভয়াবহ তা আমি অনুমান করতে পেরেছিলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সিনিয়র অধ্যাপিকা যখন অধ্যাপক শাহনাওয়াজ স্যারকে প্রশ্ন করেছিলেন 'স্যার বখতিয়ার খলজি আলাউদ্দিন হোসেন সাহের আগে নাকি পরে?
অথচ ওই অধ্যাপিকা স্বঘোষিত বিরাট নারীবাদী এবং তার সাগরেদদের বর্ণনায় বাংলাদেশের সেরা ইতিহাসবিদের একজন। কিন্তু মধ্যযুগের ইতিহাস নিয়ে এই ন্যূনতম ধারণাটুকু তিনি রাখেন না। ধারণা না রাখা সমস্যার কিছু না। মূল ভেজালের জায়গা হচ্ছে হাঁটু পানিতে নামার সক্ষমতা না থাকা মানুষগুলো যখন লুঙ্গি কাছা মেরে কিংবা ল্যাংটা হয়ে অক্সিজেন সিলিন্ডার ছাড়া গভীর সমুদ্রে স্কুবা ডাইভিং শুরু করে।
ইতিহাস থেকে কি ধরনের ভয়াবহ তথ্য বিকৃতি ঘটেছে এবং বর্ণনার ক্ষেত্রে কতটা সাম্প্রদায়িকতা এবং নগ্ন জাতিবিদ্বেষ প্রবেশ করানো হয়েছে আমি সে বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতে চাই। সুপ্রিয় শ্রোতা দর্শক এবং প্রিয় পাঠক আপনারা কোন বিষয়ে ফোকাস করলে ভালো হয় এ বিষয়ে মন্তব্যে জানাতে পারেন। এতে আমার পক্ষে আলোচনা সহজ সাবলীল এবং সবার জন্য বোধগম্য করা সম্ভব হবে।
কারিকুলাম নিয়ে কথা বলবেন শিক্ষা গবেষকরা, এটা নিয়ে কথা বলার অধিকার আমার নাই। কারণ বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক অনুষদে এটি নিয়ে ব্যাপক গবেষণা ও পাঠদান করা হয়। তারপরেও বাংলাদেশের শিক্ষানীতি প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত থাকার নামান্তে দু পয়সা ইনকামের ধান্দায় যারা গায়ের জোরে কম্বলের মধ্যে পা ঢুকিয়ে দেন তারা এক অর্থে অসভ্য। তাদের ব্যাপারে কথা বলে মুখ নষ্ট করার আগ্রহ আমার নাই।
©
একজন শিক্ষকের পাশাপাশি ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্বের গবেষক এবং অবশ্যই কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে এই বিষয়টি নিয়ে কথা বলা আমি নিজের দায়িত্ব মনে করছি। সুপ্রিয় পাঠক এবং শ্রোতা দর্শক আপনাদের আগ্রহ থাকলে আমি প্রতিটি ক্লাসের ইতিহাস বই নিয়ে তার ভুলের জায়গাগুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই।
প্রথম পাতা জুড়ে অন্তত ডজন খানেক লেখকের নাম থাকলেও সেখানে কোন সম্পাদক নেই। অথচ শিশুদের বই লেখার ক্ষেত্রে নানা ধাপে সম্পাদনা থাকা জরুরি। এমনকি কপি এডিটর এবং ভাষাগত সম্পাদনার জন্য আলাদা মানুষ থাকতে হবে। প্রথমে লেখকের হাতে বই তার নিজস্ব গতিতে তৈরি হবে। পান্ডুলিপি হিসেবে বই হাতে পাওয়ার পর কপি এডিটর পুরো বইটি পড়ে দেখে নানা স্থানে প্রয়োজনীয় সংস্কার করবেন।
পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের সবথেকে জটিল এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজটি হল বইয়ের ভাষাগত সম্পাদনা এবং সুখপাঠ্য করা। বর্তমান গ্রন্থগুলো হাতে নিলে অভিজ্ঞ মানুষ মাত্র বুঝতে পারবেন এখানে ভাষাগত সম্পাদনা কিংবা বইকে সুখপাঠ্য করার কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। অথচ অবাক করার বিষয় হলেও সত্য আমরা এই বইগুলোই শিশুদের পড়ার জন্য তাদের হাতে তুলে দিতে যাচ্ছি।
বইগুলো কোনরকম সম্পাদনা করা হয়নি তার বড় প্রমাণ বইয়ের প্রথম পাতাতেই রাখা হয়েছে। অজ্ঞাত ক্ষমতা বলে যারা লেখক হয়েছেন তারাই নিজের লেখার সম্পাদক হিসেবে সরাসরি উপরে উল্লেখ করেছেন 'রচনা ও সম্পাদনা' শীর্ষক অংশ। আমি সবথেকে ভয় পেলাম একটা কারণে যে এখানে এমন ব্যক্তিও লেখক হিসেবে আছেন; যিনি জটিল বাক্যের কারণে তার লেখা নিজে পড়ে ব্যাখ্যা করতে গেলেও প্রতিবার ভিন্ন রকম অর্থকরে গুলিয়ে ফেলবেন।
যাই হোক ইতিহাসবিকৃতির এই ভয়াবহতা নিয়ে আমাদের এখনই মুখ খোলা উচিৎ। এমনিতেই প্রাচীন এবং মধ্যযুগের বাংলার ইতিহাস দিয়ে তেমন গবেষণা হয় না বললেই চলে। অধ্যাপক আহমেদ হাসান দানী, অধ্যাপক আব্দুল মমিন চৌধুরী, অধ্যাপক আব্দুল করিম, অধ্যাপক একেএম ইয়াকুব আলী, অধ্যাপক মোফাখখারুল ইসলাম, অধ্যাপক এবিএম হোসেন, অধ্যাপক শাহানারা হোসেন, অধ্যাপক একেএম শাহনাওয়াজ, অধ্যাপক মোজাহিদুল ইসলাম কিংবা সম্প্রতি ইফতেখার ইকবালের পর বাংলাদেশের প্রাচীন ও মধ্যযুগের ইতিহাস নিয়ে সুস্পষ্ট ধারণা আছে এমন ব্যক্তির সংখ্যা খুঁজে পাওয়া কম।
বিশেষকরে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সুবিধা প্রাপ্তির আশা শিক্ষার্থীদের বাধ্য করে প্রাচীন ও মধ্যযুগ বাদ দিয়ে উপনিবেশিক সময়কালের পর থেকে স্বাধীন বাংলাদেশ নিয়ে গবেষণা করতে। ফলে আমাদের প্রজন্মের কাছে প্রাচীন এবং মধ্যযুগ পুরোপুরি অবহেলিত থেকে যায়। এর ফলাফল কতটা ভয়াবহ তা আমি অনুমান করতে পেরেছিলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সিনিয়র অধ্যাপিকা যখন অধ্যাপক শাহনাওয়াজ স্যারকে প্রশ্ন করেছিলেন 'স্যার বখতিয়ার খলজি আলাউদ্দিন হোসেন সাহের আগে নাকি পরে?
অথচ ওই অধ্যাপিকা স্বঘোষিত বিরাট নারীবাদী এবং তার সাগরেদদের বর্ণনায় বাংলাদেশের সেরা ইতিহাসবিদের একজন। কিন্তু মধ্যযুগের ইতিহাস নিয়ে এই ন্যূনতম ধারণাটুকু তিনি রাখেন না। ধারণা না রাখা সমস্যার কিছু না। মূল ভেজালের জায়গা হচ্ছে হাঁটু পানিতে নামার সক্ষমতা না থাকা মানুষগুলো যখন লুঙ্গি কাছা মেরে কিংবা ল্যাংটা হয়ে অক্সিজেন সিলিন্ডার ছাড়া গভীর সমুদ্রে স্কুবা ডাইভিং শুরু করে।
ইতিহাস থেকে কি ধরনের ভয়াবহ তথ্য বিকৃতি ঘটেছে এবং বর্ণনার ক্ষেত্রে কতটা সাম্প্রদায়িকতা এবং নগ্ন জাতিবিদ্বেষ প্রবেশ করানো হয়েছে আমি সে বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতে চাই। সুপ্রিয় শ্রোতা দর্শক এবং প্রিয় পাঠক আপনারা কোন বিষয়ে ফোকাস করলে ভালো হয় এ বিষয়ে মন্তব্যে জানাতে পারেন। এতে আমার পক্ষে আলোচনা সহজ সাবলীল এবং সবার জন্য বোধগম্য করা সম্ভব হবে।
কারিকুলাম নিয়ে কথা বলবেন শিক্ষা গবেষকরা, এটা নিয়ে কথা বলার অধিকার আমার নাই। কারণ বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক অনুষদে এটি নিয়ে ব্যাপক গবেষণা ও পাঠদান করা হয়। তারপরেও বাংলাদেশের শিক্ষানীতি প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত থাকার নামান্তে দু পয়সা ইনকামের ধান্দায় যারা গায়ের জোরে কম্বলের মধ্যে পা ঢুকিয়ে দেন তারা এক অর্থে অসভ্য। তাদের ব্যাপারে কথা বলে মুখ নষ্ট করার আগ্রহ আমার নাই।
©
❤30👍5
আবদুর রহমান ইবনে আবু নুম রাহিমাহুল্লাহর মাথায় প্রচুর উকুন ছিলো। উকুনের কারণে তিনি অতিষ্ঠ ছিলেন। উকুন নিধনের জন্য অনেককিছু করলেন, কোনো লাভ হলো না।
একদিন তিনি আল্লাহর কাছে দু’আ করলেন- “হে আল্লাহ! আমার মাথায় অনেক উকুন। উকুন থেকে আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই।”
আল্লাহ তার দু’আ কবুল করলেন। দু’আ শেষ করতে না করতেই তার মাথা থেকে বলের মতো উকুনগুলো ঝরে পড়লো।
আমরা ছোটোখাটো বিষয়ে কি আল্লাহর কাছে দু’আ করি? মাথায় খুশকি আছে, স্যাম্পু ব্যবহার করে কাজ হচ্ছে না। আল্লাহর কাছে কি দু’আ করি- “আল্লাহ! আমার মাথার খুশকি দূর করে দিন?”
ছোটোখাটো ব্যাপারে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাই না কেনো? আমাদের কি মনে হয় ছোটোখাটো ব্যাপারে আল্লাহ সাহায্য করেন না? কিংবা এসব ছোটোখাটো ব্যাপারে আল্লাহর কাছে চেয়ে কী হবে?
সালাফগণ ‘ছোটোখাটো’ ব্যাপারেও আল্লাহর কাছে সাহায্যপ্রার্থনা করতেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
“তোমাদের প্রত্যেকেই যেন তার প্রতিটি অভাব পূরণের উদ্দেশ্যে তার রবের নিকটে প্রার্থনা করে, এমনকি তার জুতার ফিতা ছিঁড়ে গেলে তাও যেন তাঁর নিকটে চায়।” [জামে আত-তিরমিজি: ৩৬০৪]
@কপি
একদিন তিনি আল্লাহর কাছে দু’আ করলেন- “হে আল্লাহ! আমার মাথায় অনেক উকুন। উকুন থেকে আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই।”
আল্লাহ তার দু’আ কবুল করলেন। দু’আ শেষ করতে না করতেই তার মাথা থেকে বলের মতো উকুনগুলো ঝরে পড়লো।
আমরা ছোটোখাটো বিষয়ে কি আল্লাহর কাছে দু’আ করি? মাথায় খুশকি আছে, স্যাম্পু ব্যবহার করে কাজ হচ্ছে না। আল্লাহর কাছে কি দু’আ করি- “আল্লাহ! আমার মাথার খুশকি দূর করে দিন?”
ছোটোখাটো ব্যাপারে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাই না কেনো? আমাদের কি মনে হয় ছোটোখাটো ব্যাপারে আল্লাহ সাহায্য করেন না? কিংবা এসব ছোটোখাটো ব্যাপারে আল্লাহর কাছে চেয়ে কী হবে?
সালাফগণ ‘ছোটোখাটো’ ব্যাপারেও আল্লাহর কাছে সাহায্যপ্রার্থনা করতেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
“তোমাদের প্রত্যেকেই যেন তার প্রতিটি অভাব পূরণের উদ্দেশ্যে তার রবের নিকটে প্রার্থনা করে, এমনকি তার জুতার ফিতা ছিঁড়ে গেলে তাও যেন তাঁর নিকটে চায়।” [জামে আত-তিরমিজি: ৩৬০৪]
@কপি
❤35
প্রচলিত গণতান্ত্রিক নির্বাচন নিয়ে একটি লেখা কিছুদিন আগে গ্রুপে দিয়েছিলাম, সে লেখাটি আমার সাইটে আপলোড করা হয়েছে। যারা সাইটে পড়তে আগ্রহি তারা এখান থেকে দেখে নিতে পারেন।
https://abdullahbinbashir.me/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d/
https://abdullahbinbashir.me/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%97%e0%a6%a3%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d/
❤23
দ্বীন ও শরীয়তের বিষয়াদি নিয়ে যারা গবেষণা করেন, বিশেষত একেবারে স্পর্শকাতর বিষয়গুলো নিয়ে যারা কথা বলেন, তারা যদি ছোট থেকে ছোট কোনো বিষয়েও বাচ্চাদের তাহকীক ও গবেষণার উপর নির্ভর করে কথা বলেন এবং নিজে সরাসরি বিষয়গুলো তাহকীক না করেন, তাহলে এক দিকে তা দ্বীন ও ইলমে দ্বীনের সঙ্গে খেয়ানতের শামিল হবে, অন্য দিকে তা মহান ব্যক্তির ব্যক্তিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে দেবে এবং তাঁর নির্ভরযোগ্যতাকেও নড়বড়ে করে দেবে।
মাওলানা যুবায়ের হোসাইন হাফিজাহুল্লাহ
মাওলানা যুবায়ের হোসাইন হাফিজাহুল্লাহ
❤31
মাদরাসা থেকে বাসায় আসার জন্য বাসে উঠলাম, পাশের দুইসিটে দুজন কলেজে পড়ুয়া ছেলে ছিলো। তারা কওমী মাদরাসার শিক্ষা বর্তমান সময়ে কেন অনুপযোগী তা নিয়ে তাত্ত্বিক আলাপ করতেছিলো। আগ্রহ নিয়ে শুনতেছিলাম। একজন বললো, “কুরআনের কোথায় বলা আছে সারাদিন শুধু কুরআন নিয়ে বসে থাকতে হবে!? অথচ দেশের মাদরাসাগুলোতে দেখ সারাদিন শুধু কুরআন পড়ায়!” পাশেরজন বেশ সহমত ভাই হয়ে মাথা নাড়তেছে আর ‘হুম’ করতেছে খেয়াল করলাম। ছেলেটা আরো জোড়ালো যুক্তি উপস্থাপন করে বললো, “মাদরাসাগুলোতে ফার্সি পড়ায়, বল এদেশে ফ্রান্সের ভাষা শিখানোর কোনো মানি আছে!? ফ্রান্সের ভাষা কেন শিখবে!”
.
এতক্ষণের মনোযোগি মনোভাব আর ধরে রাখতে পারলাম না! ভেবেছিলাম, কওমী মাদরাসা বা এদেশের মাদরাসা শিক্ষা নিয়ে কোনো সমাধান পেয়ে যাবো! হলো না আর!
.
এতক্ষণের মনোযোগি মনোভাব আর ধরে রাখতে পারলাম না! ভেবেছিলাম, কওমী মাদরাসা বা এদেশের মাদরাসা শিক্ষা নিয়ে কোনো সমাধান পেয়ে যাবো! হলো না আর!
😁26❤1
Abdullah bin bashir
মাদরাসা থেকে বাসায় আসার জন্য বাসে উঠলাম, পাশের দুইসিটে দুজন কলেজে পড়ুয়া ছেলে ছিলো। তারা কওমী মাদরাসার শিক্ষা বর্তমান সময়ে কেন অনুপযোগী তা নিয়ে তাত্ত্বিক আলাপ করতেছিলো। আগ্রহ নিয়ে শুনতেছিলাম। একজন বললো, “কুরআনের কোথায় বলা আছে সারাদিন শুধু কুরআন নিয়ে বসে থাকতে…
শরীফ মুহাম্মদ সাহেব একবার মাদানীনগর মাদরাসার পাশে এক মাহফিলে আলোচনা প্রসঙ্গে বলেছিলেন, এদেশে কওমী মাদরাসার সিলেবাস নিয়ে চিন্তিত বুদ্ধিজীবীদের অধিকাংশই গোসলের কয় ফরজ তাই জানে না! অথচ কওমী মাদরাসায় দ্বীনের কী সিলেবাস পড়াবে এটা নিয়ে তাদের মাথা ব্যাথার শেষ নেই!
❤15
Abdullah bin bashir
Photo
সময়ের অতিপ্রয়োজনীয় একটি বই।
.
মডার্জিনম ও তার ওয়ার্ল্ডভিউ থেকে তৈরি হওয়া হাজারো ইমান বিধ্বংসী চিন্তা-বিশ্বাস আজ মুসলিম বিশ্বে ছড়িয়ে গেছে। তাতে আক্রান্ত্র হয়ে আছে আমার আপনার ধারনার চেয়েও অধিক মুসলমান! কিন্তু আমরা অসচেতন হয়ে বসে আছি। উম্মাহের ওলামায়ে কেরাম সীমিত হলেও পশ্চিমের ছোবল থেকে মুসলমানদের ঈমান বাচানোর জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন, কিন্তু দুঃখজনক হলেও যতটা ভয়াবহ এই ইমান বিধ্বংসী ফিতনা ততটা কাজ ও কাজ করা দরকার তা কেনো যেনো হচ্ছে না!
.
যাইহোক, বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে এই বিষয়ে কিছু কাজ হলেও বাংলায় একদম অসহায় ও নিঃস্ব এই দিকটি! অথচ...! যাক, হতাশার বানী বলে বলে আর কী লাভ, অল্প হলেও পশ্চিমা সভ্যতা ও তার ঈমান বিধ্বংসী চিন্তাগুলো নিয়ে বাংলাভাষায় কাজ হচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ। এই পর্যন্ত যতগুলো কাজ হয়েছে তার মাঝে অন্যতম চমৎকার কাজটি উঠে এসেছে মাওলানা ইমরান রাইহান ভাইয়ের কলম থেকে। আল্লাহ তাকে জাযায়ে খায়ের দান করুক৷
.
বইটিতে পশ্চিমে তৈরি হওয়া মূল ফিতনাগুলো নিয়ে নয় বরং সেই ফিতনাগুলোর থেকে সৃষ্ট মুসলিম মননে যে হাজারো ইলহাদি চিন্তা ছড়িয়ে গিয়েছে সেগুলোর মধ্যে মৌলিক কিছু সংশয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বইটির সূচিপত্র যদি একটু ভালো করে নজর বুলানো হয় তাহলেই একজন সচেতন মুসলমান বুঝে যাবে এখানে লেখা প্রতিটি সংশয়ের সম্মুখীন সে নিয়মিত সমাজে হচ্ছে, তাই বইটি কতটুকু প্রয়োজন তা বলে বুঝানো যাবে না!
.
বইটিতে যদি আর কোনো অধ্যায় নাও থাকতো, শুধু মুসলিম মডার্নিজম অধ্যায়টি থাকতো তাও এই বই সবার জন্য অবশ্যই সংগ্রহ তালিকায় থাকার মত হতো। প্রতিটি সচেতন মুসলিম, বিশেষত আলেম, তা*লে*বে ইলম ভাইদের কাছে আকুল আবেদন এই অংশটুকু অবশ্যই পড়ুন।
.
শেষে একটি কথা বলি, বড় দুঃখজনক হলো পশ্চিমা সভ্যতা যতটা ইমান বিধ্বংসী এবং যতটা আজ মুসলমানদের আক্রান্ত করেছে তার শতভাগের একভাগও আজ আমরা তা*লে*বে ইলমরা সচেতন না। আমি বলি না, সবাই পশ্চিমা সভ্যতা নিয়ে গবেষণা পর্যায়ের পড়াশোনা করবে। অবশ্যই বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন ফিতনা সম্পর্কে গবেষণা করবে। কিন্তু আজ যে ফিতনা আমার ঘর পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, হাজারো কোটি মানুষকে আক্রান্ত করেছে সেই ফিতনা সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণাটুকু নিতেও কেন যেন আমি ইচ্ছুক না! এটা বড়ই দুঃখজনক! বরং সত্য তো হলো পশ্চিমা সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকার কারণে সমকালীন বহু ফিকহি বিষয়ে আমাদের বিচ্যুতি ও অস্পষ্ট ফিকহি সমধান ও বহু কুফরি বিষয়কে মনে অজান্তেই ইসলামিকরণ করে যাচ্ছি! অথচ সেটাকেই ভেবে বসে আছি গভির ইলম! আল্লাহ আমাদের সঠিক বিষয় অনুধাবন করার তাওফিক দান করুক। আমীন।
.
মডার্জিনম ও তার ওয়ার্ল্ডভিউ থেকে তৈরি হওয়া হাজারো ইমান বিধ্বংসী চিন্তা-বিশ্বাস আজ মুসলিম বিশ্বে ছড়িয়ে গেছে। তাতে আক্রান্ত্র হয়ে আছে আমার আপনার ধারনার চেয়েও অধিক মুসলমান! কিন্তু আমরা অসচেতন হয়ে বসে আছি। উম্মাহের ওলামায়ে কেরাম সীমিত হলেও পশ্চিমের ছোবল থেকে মুসলমানদের ঈমান বাচানোর জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন, কিন্তু দুঃখজনক হলেও যতটা ভয়াবহ এই ইমান বিধ্বংসী ফিতনা ততটা কাজ ও কাজ করা দরকার তা কেনো যেনো হচ্ছে না!
.
যাইহোক, বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে এই বিষয়ে কিছু কাজ হলেও বাংলায় একদম অসহায় ও নিঃস্ব এই দিকটি! অথচ...! যাক, হতাশার বানী বলে বলে আর কী লাভ, অল্প হলেও পশ্চিমা সভ্যতা ও তার ঈমান বিধ্বংসী চিন্তাগুলো নিয়ে বাংলাভাষায় কাজ হচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ। এই পর্যন্ত যতগুলো কাজ হয়েছে তার মাঝে অন্যতম চমৎকার কাজটি উঠে এসেছে মাওলানা ইমরান রাইহান ভাইয়ের কলম থেকে। আল্লাহ তাকে জাযায়ে খায়ের দান করুক৷
.
বইটিতে পশ্চিমে তৈরি হওয়া মূল ফিতনাগুলো নিয়ে নয় বরং সেই ফিতনাগুলোর থেকে সৃষ্ট মুসলিম মননে যে হাজারো ইলহাদি চিন্তা ছড়িয়ে গিয়েছে সেগুলোর মধ্যে মৌলিক কিছু সংশয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বইটির সূচিপত্র যদি একটু ভালো করে নজর বুলানো হয় তাহলেই একজন সচেতন মুসলমান বুঝে যাবে এখানে লেখা প্রতিটি সংশয়ের সম্মুখীন সে নিয়মিত সমাজে হচ্ছে, তাই বইটি কতটুকু প্রয়োজন তা বলে বুঝানো যাবে না!
.
বইটিতে যদি আর কোনো অধ্যায় নাও থাকতো, শুধু মুসলিম মডার্নিজম অধ্যায়টি থাকতো তাও এই বই সবার জন্য অবশ্যই সংগ্রহ তালিকায় থাকার মত হতো। প্রতিটি সচেতন মুসলিম, বিশেষত আলেম, তা*লে*বে ইলম ভাইদের কাছে আকুল আবেদন এই অংশটুকু অবশ্যই পড়ুন।
.
শেষে একটি কথা বলি, বড় দুঃখজনক হলো পশ্চিমা সভ্যতা যতটা ইমান বিধ্বংসী এবং যতটা আজ মুসলমানদের আক্রান্ত করেছে তার শতভাগের একভাগও আজ আমরা তা*লে*বে ইলমরা সচেতন না। আমি বলি না, সবাই পশ্চিমা সভ্যতা নিয়ে গবেষণা পর্যায়ের পড়াশোনা করবে। অবশ্যই বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন ফিতনা সম্পর্কে গবেষণা করবে। কিন্তু আজ যে ফিতনা আমার ঘর পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, হাজারো কোটি মানুষকে আক্রান্ত করেছে সেই ফিতনা সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণাটুকু নিতেও কেন যেন আমি ইচ্ছুক না! এটা বড়ই দুঃখজনক! বরং সত্য তো হলো পশ্চিমা সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকার কারণে সমকালীন বহু ফিকহি বিষয়ে আমাদের বিচ্যুতি ও অস্পষ্ট ফিকহি সমধান ও বহু কুফরি বিষয়কে মনে অজান্তেই ইসলামিকরণ করে যাচ্ছি! অথচ সেটাকেই ভেবে বসে আছি গভির ইলম! আল্লাহ আমাদের সঠিক বিষয় অনুধাবন করার তাওফিক দান করুক। আমীন।
❤25👍6
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
শুনতে পারেন, ট্রান্সজেন্ডার ফিতনা সম্পর্কে আমাদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে আশা করি ভিডিওটি কাজে দিবে।
মূল ভিডিও লিংক:
https://fb.watch/oXR0OllUg5/?mibextid=Nif5oz
মূল ভিডিও লিংক:
https://fb.watch/oXR0OllUg5/?mibextid=Nif5oz
❤13🥰1👏1
আজকের দিনের সাথে সংশ্লিষ্ট জ্ঞান অর্জন করতে লেখাটি দেখতে পারেন।
লিংক:
https://abdullahbinbashir.me/416-2/
লিংক:
https://abdullahbinbashir.me/416-2/
❤14👍2🥰1
শীতকাল হলো আরাম-অলসতার সময়। কাজ শেষে রাত আটটা/নয়টায় কম্বল গায়ে দিয়ে মানুষ বিছানায় যায়, উঠে ভোর সাড়ে পাঁচটা থেকে পৌনে ছয়টায়। ফজরের পর থেকে অফিস/কর্মস্থলে যাওয়ার আগ পর্যন্ত আবারও বিছানায়। দিনের সময় তো দেখতে দেখতেই চলে যায়।
সাহাবা-সালাফদের কাছে শীতকাল ছিল ইবাদতের বসন্তকাল। দিন ছোট হওয়ায় নিয়ম করে রোজা রাখতেন। রাত দীর্ঘ হওয়ায় লম্বা সময় নামাজ, তেলাওয়াত করতেন। উমর ইবনুল খাত্তাব রাযিয়াল্লাহু আনহু বলতেন, "শীতকাল হলো ইবাদতগুজার মুমিনের জন্য গনিমত।"[মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা : ৩৪৪৬৭]
ছেলে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রা. নিজে ইবাদত তো করতেনই, অন্যদেরও উৎসাহ দিতেন। শীতকাল এলেই ঘোষণা করতেন, "হে কুরআনের ধারক-বাহক উম্মাহ, রাত দীর্ঘ হয়েছে তোমাদের সালাত আদায়ের সুবিধার্থে; দিন ছোট হয়েছে তোমাদের সিয়াম পালনের জন্য। এই সুযোগকে গনিমত হিসেবে লুফে নাও।"[মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা : ৯৭৪৩]
নফল সালাত, নফল রোজা পালনের মাধ্যমে শীতের মৌসুম হতে পারে মুমিনের বসন্তকাল। অথবা হতে পারে শীতের প্রকোপে পাতা ঝরে যাওয়া কোনো অসহায় গাছ। নফল সালাত-সিয়ামের পাশাপাশি যাদের ফরজ রোজা কাজা আছে, তাদের জন্যও এটা সুবর্ণ সুযোগ। ইবাদতের এই মৌসুমটা যেন আমাদের কম্বলের নিচে নিছক অলসতা-অবহেলায় কেটে না যায়।
©
সাহাবা-সালাফদের কাছে শীতকাল ছিল ইবাদতের বসন্তকাল। দিন ছোট হওয়ায় নিয়ম করে রোজা রাখতেন। রাত দীর্ঘ হওয়ায় লম্বা সময় নামাজ, তেলাওয়াত করতেন। উমর ইবনুল খাত্তাব রাযিয়াল্লাহু আনহু বলতেন, "শীতকাল হলো ইবাদতগুজার মুমিনের জন্য গনিমত।"[মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা : ৩৪৪৬৭]
ছেলে আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রা. নিজে ইবাদত তো করতেনই, অন্যদেরও উৎসাহ দিতেন। শীতকাল এলেই ঘোষণা করতেন, "হে কুরআনের ধারক-বাহক উম্মাহ, রাত দীর্ঘ হয়েছে তোমাদের সালাত আদায়ের সুবিধার্থে; দিন ছোট হয়েছে তোমাদের সিয়াম পালনের জন্য। এই সুযোগকে গনিমত হিসেবে লুফে নাও।"[মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা : ৯৭৪৩]
নফল সালাত, নফল রোজা পালনের মাধ্যমে শীতের মৌসুম হতে পারে মুমিনের বসন্তকাল। অথবা হতে পারে শীতের প্রকোপে পাতা ঝরে যাওয়া কোনো অসহায় গাছ। নফল সালাত-সিয়ামের পাশাপাশি যাদের ফরজ রোজা কাজা আছে, তাদের জন্যও এটা সুবর্ণ সুযোগ। ইবাদতের এই মৌসুমটা যেন আমাদের কম্বলের নিচে নিছক অলসতা-অবহেলায় কেটে না যায়।
©
❤33👍2
❤9👍7
ক্রিসমাস চলতেছে! কত মুমিন ঈমানবিধ্বংসি এই উতসবে অংশগ্রহণ করতেছে! জাহালাতের কারণে হয়তো কাফের হবে না! কিন্তু অজ্ঞতার দোহাই দিয়ে আর কতদিন!
অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসবে অংশগ্রহণ ও তাদের শুভেচ্ছা জানানোর বিধান নিয়ে আমার লেখা প্রবন্ধটি পড়তে পারেন।
https://abdullahbinbashir.me/%e0%a6%85%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a7%8d/
অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসবে অংশগ্রহণ ও তাদের শুভেচ্ছা জানানোর বিধান নিয়ে আমার লেখা প্রবন্ধটি পড়তে পারেন।
https://abdullahbinbashir.me/%e0%a6%85%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%ae%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a7%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b7%e0%a7%8d/
❤11👍5
বর্তমান সময়ের একটি কুফুরি ও ঈমান বিধ্বংসী আইডোলজি বা মতাদর্শ হল জেন্ডার ধারণা। নারীবাদ, সমকামিতা, ট্রান্স জেন্ডার সহ এই ধরণের মতবাদ ও আন্দোলনগুলোর মূল ভিত্তি হল এই জেন্ডার আইডোলজি।
ইসলামের দৃষ্টিতে মানুষের লিঙ্গ দুটি। নারী ও পুরুষ। এর বাইরে আর কোন লিঙ্গ নেই। আর মানুষ সৃষ্টিগতভাবেই বায়োলজিকালি নারী কিংবা পুরুষ হয়ে জন্মগ্রহণ করে। এমনকি হিজড়ারাও নারী কিংবা পুরুষ হয়েই জন্মগ্রহণ করে। মানুষের লিঙ্গ নির্ধারিত হবে তার অভ্যন্তরীণ প্রজননব্যবস্থা দ্বারা।
কিন্তু জেন্ডার আইডোলজি ইসলামের এই দৃষ্টিভঙ্গিকে অস্বীকার করে। জেন্ডার আইডোলজি মানুষের জন্মগত ও বায়োলজিক্যাল লিঙ্গের ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করে সামাজিক এক লিঙ্গের ধারণার কথা বলে।
জেন্ডার আইডোলজি মতে, মানুষ নির্দিষ্ট শারীরিক গঠন নিয়ে জন্মগ্রহণ করলে নারী হবে কিংবা পুরুষ হবে এবং তারা সেই শারীরিক গঠন অনুযায়ী তাদের জন্য নির্দিষ্ট এক্টিভিটি পরিচালনা করবে- এটি সমাজ সৃষ্ট ধারণা। এর সাথে মানুষের প্রকৃত লিঙ্গের কোন সম্পর্ক নেই। বরং মানুষের মনের চাহিদা ও কামনার লিঙ্গই তার প্রকৃত লিঙ্গ। একজন মানুষ নিজেকে মনে মনে যেই লিঙ্গে কল্পনা করবে এবং সে যেই ধরণের এক্টিভিটি পরিচালনার প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করবে, সে সেই লিঙ্গের অন্তর্ভুক্ত হবে। ( নাঊযুবিল্লাহ)
জেন্ডার আইডোলজি আরো মনে করে, মানুষের লিঙ্গ পুরুষ ও নারীর মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। বরং মানুষের লিঙ্গ বহুবিধ হতে পারে। এজন্য পশ্চিমা বিশ্ব জেন্ডার শব্দের অধীনে সমকামী, ট্রান্সজেন্ডার, বাইসেক্সুয়াল সহ নানা ধরণের যৌনবিকৃতি ও যৌন পরিচয়ের সংকটধর্মী রোগকে ব্যাপকভাবে প্রচার করছে। এই জেন্ডার আইডোলজির অধীনেই তারা এই সমস্ত বিকৃত চিন্তাচেতনাকে স্বাভাবিক ও লিগ্যাল হিসেবে উপস্থাপন করছে। আগে মানুষের লিঙ্গকে বুঝানোর জন্য ইংরেজিতে সেক্স শব্দের ব্যবহার হত। কিন্তু আধুনিক সময়ে এসে সেক্সের জায়গায় জেন্ডারের ধারণা প্রতিষ্ঠিত করা হচ্ছে।
সুতরাং জেন্ডার আইডোলজি একই সাথে মানুষের ঈমান ও ফিতরাত উভয়টারই বিরোধী। এরকম ঈমান ও প্রকৃতি বিরোধী কুফুরি মতাদর্শের ব্যাপারে মুসলিম সমাজকে সোচ্চার করা জরুরী।
বর্তমান বিশ্বে জেন্ডার এডুকেশন, সেক্স এডুকেশনের নামে ইউনিভার্সিটি, কলেজ ও স্কুলে নানা ধরণের কারিকুলাম ও কার্যক্রম প্রচলিত আছে এবং এসব কার্যক্রমকে আরো বিস্তৃত করা হচ্ছে। এসব কারিকুলাম ও কার্যক্রমের আলোকে ছাত্রদের মূলত ঈমানবিধ্বংসী এই জেন্ডার আইডোলজির শিক্ষা দেয়া হয়।
বিভিন্ন মুসলিম দেশে জেন্ডার আইডোলজির বিরুদ্ধে উলামায়ে কেরাম ফতোয়া প্রদান করেছেন। আমাদের দেশের উলামায়ে কেরাম ও ইফতাবোর্ডগুলোকেও এই ব্যাপারে অবগত করা এবং প্রশ্ন পাঠানো জরুরী। যেন বয়ান ও ফতোয়ার মাধ্যমে উলামায়ে কেরাম এই জাতিকে সতর্ক করতে পারেন।
©ইফতেখার সিফাত
ইসলামের দৃষ্টিতে মানুষের লিঙ্গ দুটি। নারী ও পুরুষ। এর বাইরে আর কোন লিঙ্গ নেই। আর মানুষ সৃষ্টিগতভাবেই বায়োলজিকালি নারী কিংবা পুরুষ হয়ে জন্মগ্রহণ করে। এমনকি হিজড়ারাও নারী কিংবা পুরুষ হয়েই জন্মগ্রহণ করে। মানুষের লিঙ্গ নির্ধারিত হবে তার অভ্যন্তরীণ প্রজননব্যবস্থা দ্বারা।
কিন্তু জেন্ডার আইডোলজি ইসলামের এই দৃষ্টিভঙ্গিকে অস্বীকার করে। জেন্ডার আইডোলজি মানুষের জন্মগত ও বায়োলজিক্যাল লিঙ্গের ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করে সামাজিক এক লিঙ্গের ধারণার কথা বলে।
জেন্ডার আইডোলজি মতে, মানুষ নির্দিষ্ট শারীরিক গঠন নিয়ে জন্মগ্রহণ করলে নারী হবে কিংবা পুরুষ হবে এবং তারা সেই শারীরিক গঠন অনুযায়ী তাদের জন্য নির্দিষ্ট এক্টিভিটি পরিচালনা করবে- এটি সমাজ সৃষ্ট ধারণা। এর সাথে মানুষের প্রকৃত লিঙ্গের কোন সম্পর্ক নেই। বরং মানুষের মনের চাহিদা ও কামনার লিঙ্গই তার প্রকৃত লিঙ্গ। একজন মানুষ নিজেকে মনে মনে যেই লিঙ্গে কল্পনা করবে এবং সে যেই ধরণের এক্টিভিটি পরিচালনার প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করবে, সে সেই লিঙ্গের অন্তর্ভুক্ত হবে। ( নাঊযুবিল্লাহ)
জেন্ডার আইডোলজি আরো মনে করে, মানুষের লিঙ্গ পুরুষ ও নারীর মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। বরং মানুষের লিঙ্গ বহুবিধ হতে পারে। এজন্য পশ্চিমা বিশ্ব জেন্ডার শব্দের অধীনে সমকামী, ট্রান্সজেন্ডার, বাইসেক্সুয়াল সহ নানা ধরণের যৌনবিকৃতি ও যৌন পরিচয়ের সংকটধর্মী রোগকে ব্যাপকভাবে প্রচার করছে। এই জেন্ডার আইডোলজির অধীনেই তারা এই সমস্ত বিকৃত চিন্তাচেতনাকে স্বাভাবিক ও লিগ্যাল হিসেবে উপস্থাপন করছে। আগে মানুষের লিঙ্গকে বুঝানোর জন্য ইংরেজিতে সেক্স শব্দের ব্যবহার হত। কিন্তু আধুনিক সময়ে এসে সেক্সের জায়গায় জেন্ডারের ধারণা প্রতিষ্ঠিত করা হচ্ছে।
সুতরাং জেন্ডার আইডোলজি একই সাথে মানুষের ঈমান ও ফিতরাত উভয়টারই বিরোধী। এরকম ঈমান ও প্রকৃতি বিরোধী কুফুরি মতাদর্শের ব্যাপারে মুসলিম সমাজকে সোচ্চার করা জরুরী।
বর্তমান বিশ্বে জেন্ডার এডুকেশন, সেক্স এডুকেশনের নামে ইউনিভার্সিটি, কলেজ ও স্কুলে নানা ধরণের কারিকুলাম ও কার্যক্রম প্রচলিত আছে এবং এসব কার্যক্রমকে আরো বিস্তৃত করা হচ্ছে। এসব কারিকুলাম ও কার্যক্রমের আলোকে ছাত্রদের মূলত ঈমানবিধ্বংসী এই জেন্ডার আইডোলজির শিক্ষা দেয়া হয়।
বিভিন্ন মুসলিম দেশে জেন্ডার আইডোলজির বিরুদ্ধে উলামায়ে কেরাম ফতোয়া প্রদান করেছেন। আমাদের দেশের উলামায়ে কেরাম ও ইফতাবোর্ডগুলোকেও এই ব্যাপারে অবগত করা এবং প্রশ্ন পাঠানো জরুরী। যেন বয়ান ও ফতোয়ার মাধ্যমে উলামায়ে কেরাম এই জাতিকে সতর্ক করতে পারেন।
©ইফতেখার সিফাত
❤15👍2
লিবারেলিজম_merged.pdf
69.5 MB
মুফতি ইয়াসির নাদিম আলওয়াজেদি সাহেবের লিবারেলিজম নিয়ে দরসের সংকলন।
.
.
❤22👍5😢3