Abdullah bin bashir
11.3K subscribers
425 photos
89 videos
95 files
193 links
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট
Download Telegram
ঈমান হেফাজত করি প্রত্যেকের।
92👍9😢6
টিটিপি পাকিস্তানকে পাক-ভারত এই যুদ্ধের সময় কঠিন মাইর দিছে। এটা নিয়ে কিছু আবেগিদের কান্দনের শেষ নেই। কিরে ভাই, এত মূর্খের মত আচরণ করলে কী হবে? টিটিপির সাথে কী পাকিস্তান যুদ্ধ বন্ধের কোনো চুক্তি হয়েছে? যদি না হয়ে থাকে তাহলে কেনো তারা শত্রুকে আক্রমণ থেকে বিরত থাকবে? আচ্ছা, ভারতের সাথে যুদ্ধবস্থায় পাক বাহিনী যদি টিটিপির কোথাও আক্রমণের সুযোগ পায় তাহলে কী টিটিপিকে ছেড়ে দিবে? সুতরাং এই ধরনের তামাশার কান্না বন্ধ করেন! টিটিপি-ইমারা ভারত পাকিস্তানের এই যুদ্ধকে ধর্মীয় যুদ্ধ হিসেবেই দেখে না। সুতরাং ধর্মের কারণ দেখিয়ে পাকিদের যে আবেগি খেলা, এটার কোনো দাম টিটিপি বা ইমারার কাছে নেই।
.
যুদ্ধের নিজস্ব ভাষা আছে, সেই ভাষাতেই কথা হবে আলোচনা হবে। এখানে আবেগের দাম নেই।
👍86🔥2916🤮3🤬1
যুদ্ধের নামে ভারত-পাকিস্তানের নাটক অবশেষে শেষ হলো!
.
আমেরিকা আব্বোর বাধ্যগত দুই সন্তান—ভারত-পাকিস্তান, আব্বোর নির্দেশে যুদ্ধ বন্ধের ঘোষণা দিলো। আব্বোর নির্দেশে পাকিস্তানের গাযওয়াতুল হিন্দ আপাতত শেষ হলো। ইনশাআল্লাহ আব্বো আবার নির্দেশ দিলে আবার পাকিস্তান গাযওয়াতুল হিন্দের ডাক দিবে।
.
সবকিছুর পর এই যুদ্ধের মূল পাঠ ছিলো নাপাক আর্মি কর্তৃক মাসুদ আযহার সাহেবের পরিবারের কোরবানি। এবং বরাবরই মাসুদ আযহার সাহেব আবারো ম্রা খাইলো৷
😢78😭12👍85😁2🤨1
অনেকে বলেন পাকিস্তান সরকার আমেরিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধে তালেবানকে আশ্রয় দিয়েছে অথচ বাস্তবতা হলো তালেবানের শাসনকে ধ্বংস করতে আমেরিকা থেকে পাকিস্তান দুই কদম আগে ছিলো। এবং এখনো পর্যন্ত আমেরিকার নেক দৃষ্টি অর্জন করার জন্য তালেবানকে ধ্বংস করতে পাকিস্তান সরকার পরিপূর্ণভাবে আমেরিকার সাথে যুদ্ধে শরীক রয়েছে।

-মাওলানা ফজল মুহাম্মদ ইউসুফযায়ী
সিনিয়র মুহাদ্দিস, বানুরীটাউন
🔥51👍1813😭8🏆1
বানুরীটাউনের মুহাদ্দিস ফজল মুহাম্মদ ইউজুফযায়ী সাহেবের এই লেখাটা বড় হলেও আশা করি সকল তালেবে ইলম ভাইরা পুরো লেখাটা পড়বেন এবং নিজের জন্য প্রয়োজনীয় নোট রাখবেন। লেখাটা অত্যান্ত জরুরি।

https://alsharia.org/2009/may/mujahideen-aetirazaat-maulana-fazal-muhammad
30👍5
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
পাকিস্তানের আলেমদের সর্বসম্মত যে ফতোয়া—পয়গামে পাকিস্তান ছিলো আলেমদের হত্যার দস্তাবেজ। সেই দস্তাবেজে সাইন করার জন্য সামিউল হক হক্কানী রহিমাহুল্লাহকে নাপাক আর্মি প্রধান সর্বোচ্চ চাপ দিয়েছে। কিন্তু মুজাহিদদের রক্তের বৈধতার এই নিকৃষ্ট কাগজে তিনি সাইন করেননি।
👍53🔥2318
ধর্ম বলবে মমতার কথা,

দয়ার কথা। এ কেমন ধর্ম, যা প্রাণ হত্যার কথা বলে? ঠিক আছে, প্রাণিহত্যা করা যাবে; কিন্তু প্রাণ হত্যা করে উৎসব কেন! কারও জীবন কেড়ে নিয়ে উৎসব-এটা কেমন নৈতিকতা! ইসলাম কত নির্মম ধর্ম, কত অমানবিক!

মানবিক মানে 'যা মানুষের মানায়'। অমানবিক মানে 'মানুষের যা মানায় না', 'যা মানুষের করা উচিত না'।

তার মানে, প্রাণীকে হত্যা করা মানুষের মানায় না, মানুষ হিসেবে এটা করা উচিত না। এসব প্রশ্ন যারা করে তাদের মূল উদ্দেশ্য ইসলামের বিরোধিতা করা। এদের নিজেদের কোনো স্থিরতা নেই। এরা দাবি করে নিজেরা বিজ্ঞানমনস্ক, অথচ এদের উদ্দেশ্যের বিরুদ্ধে গেলে বিজ্ঞানকেও আর গুনবে না।

যুক্তি ও বিজ্ঞানের আলোকে তাদের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন লেখক ডা. শামসুল আরেফীন।
👍5715
এটা স্পষ্ট এখন দিবালোকের মত সত্য নাহিদ-মাহফুজ-আসিফরাই জুলাইয়ের রক্তকে বিক্রি করে দিছে। এনসিপিই হলো জুলাইয়ের সবচেয়ে স্বীকৃত ও বড় গাদ্দার।
এটা এখন আরো স্পষ্ট হলো রঠা ও পাকিস্তানপন্থী নামে নতুন বিভাজনের রাজনীতির মাধ্যমে।

এনসিপির কোনো ডাকে সাড়া দেওয়ার আর কোনো নৈতিক দিক আছে বলে মনে হয় না৷ এবং এদের সাথে সামনে সবগুলো ডিল করতে হবে, এনিমি হিসেবে।
.
আর জাশির ভাইদের জন্য প্রচুর দুঃখ লাগে। শত্রুর কাছে ভালো সেজে এত ম্রা খাওয়ার পরেও উনারা শিক্ষা নিতে পারছেন না্!
😢61👍24💯6
মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক বই থেকে
53👍13
ভাই বিশ্বাস করেন এখনো আমি জুলানির উপর আস্থা রাখার পক্ষে। যতক্ষন পর্যন্ত মুজাহিদরা জুলানির বিরুদ্ধে অফিসিয়াল স্টেটমেন্ট না দিবে ততক্ষণ আমি জুলানির প্রতি আস্থা রাখার পক্ষে। কারণ বাস্তব ময়দানে কি হচ্ছে সেটা আমাদের থেকে উনারাই ভালো জানেন। সুতরাং আমি এখনো জুলানির প্রতি আস্থা রাখার পক্ষে।
👍70🥰1710🤝4😁2
১। সিরিয়াতে জুলানি ছাড়া বৈশ্বিক খেলোয়াড়দের হাতে অন্য অপশন নাই। কারণ বাশার এমনভাবে তার বিরোধিদের দমন করেছে যে, তার পরবর্তীতে পশ্চিমাদের জন্য ক্ষমতার লড়াইয়ে তার বিকল্প কিছুই নাই৷ যার কারণে পশ্চিমারা বাশারকে পছন্দ না করলেও তাকে ক্ষমতায় রাখতে বাধ্য ছিলো। আর এই সবকিছুই তছনছ হয়ে গেছে জুলানির হাতে। ফলে পশ্চিমাদের শক্তির সবমারা সারা।

২। সিরিয়া ভূরাজনৈতিকভাবে এমন জায়গায় পড়ছে, বৈশ্বিক অনেক বড় বড় খেলায় এই জায়গা হাতে রাখা খেলোয়াড়দের জন্য জরুরি।
এখন ইচ্ছা না থাকলেও এমন গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গার ক্ষমতার মূলকেন্দ্রে বসে আছে জুলানি। আর বর্তমান সিরিয়ার যে অবস্থা, জুলানির সাথে হাত মিলানো ছাড়া বৈশ্বিক খেলোয়াড়দের কোনো বিকল্প নাই। তুরস্ক বলেন, সৌদি বলেন, বা আমেরিকা বলেন।

৩। বৈশ্বিক খেলোয়াড়দের নিজেদের স্বার্থে সিরিয়া লাগবে। আর সিরিয়াতে কিছু করতে হলে জুলানিকে লাগবে। এখন জুলানিকে দূরে ঠেলে দিলে তাদেরই লস কয়েকদিক থেকে। এজন্য জুলানিকে কাছে এনে যদি জুলানির পরবর্তী লোকদের থেকে দূরে সরানো যায় তাহলে বৈশ্বিক শক্তিরই লাভ। এজন্য দেখেননা, ট্রাম্প জুলানির কাছে যতগুলো দাবী করেছে তার মাঝে একটা ছিলো সিরিয়ার বাহিরের লোকদের সিরিয়া থেকে তাড়াতে হবে!
মোটকথা, জুলানি যেমন অনেকদিক খেলোয়াড়দের কাছে ঠেকা, তেমনি বৈশ্বিক শক্তিরাও তার কাছে ঠেকে। আর জুলানি এই সুযোগটাই সম্ভবত কাজে লাগাচ্ছে।

৪। এবার এই পয়েন্টটা বুঝেন, জুলানির পরবর্তীতে রাষ্ট্রের শক্তিশালী যে পদগুলো আছে, যেটা মূলভাবে শক্তি বহন করে এই সবগুলো পদেই প্রচলিত অর্থে জঙ্গিরা বসে আছে। যারা শরীয়া ছাড়া বিকল্প কোনো কিছুতে আপোস করবে না। জুলানি যদি খুবই ভয়ংকরভাবেই শরীয়া থেকে বিচ্যুত হয়, তাহলে সিরিয়ায় পালটা বিপ্লব হবে এটা আমার আপনার থেকে জুলানি ভালো বুঝে।
এবার পয়েন্টগুলো মিলিয়ে দেখেন,
আমি কেনো বলছি, মুজাহিদদের অফিসিয়াল স্টেটমেন্ট ছাড়া আমি জুলানির প্রতি আস্থা রাখার পক্ষে!
.
সিরিয়া নিয়ে এটাই হলো এখন পর্যন্ত আমার বুঝ, বাকি আল্লাহু আলাম।
👍5622😁3💯2🔥1
মাহফুজ খুব ভয়ংকর এক স্বৈরাচারের ভূমিকায় আবির্ভাব হচ্ছে! সে ঠান্ডা মাথায় ছাত্র-সমাজকে যেভাবে হুমকি দিলো আজকে, এটা দেখার পরও যারা এই সহজ কথাটা বুঝবে না— ছাত্র নামক এই রক্ত বিক্রেতাগুলো ক্ষমতার মজা খুব ভালোভাবেই পেয়ে গেছে এবং গাদ্দারগুলো সহজে ক্ষমতা ছাড়বে না, তারা হয় বেকুব না হয় স্বার্থবাজ!
.
এদেশের মুসলমানদেরকে ছাত্র নামক এই গাদ্দারগুলো অস্ত্রের মুখে সেকুলার ও নারীবাদী বানানোর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে!
👍63💯17
আগামীকাল নারী মৈত্রী নামে যে অনুষ্ঠান হচ্ছে, সেখানে যে বিশ্বাস ও চিন্তার দিকে আহবান করছে এবং বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছে তার অধিকাংশই সরাসরি ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক। কোনো মুসলমান সেচ্ছায় এমন অনুষ্ঠানের সাথে ঐক্যমত পোষন করলে সে ইসলামের গণ্ডি থেকে বের হয়ে যাবে।

এরমধ্যেই অসংখ্য ঈমান বিধ্বংসী দাবীর মাঝে দুটো হলো,

১। নারী পুরুষের মিরাসের ভাগ সমান চাওয়া।
২। নারীদের জন্য যৌনতার স্বাধীনতা।
.
এছাড়া তারা যে শ্লোগানগুল তৈরি করেছে, সেগুলোর উল্লেখযোগ্য অংশও কুফরি বাক্য স্পষ্ট, যা জেনে বুঝে মুখে উচ্চারণ করলেও একজন মুসলমানের ঈমান ধ্বংস হয়ে যাবে৷
.
সুতরাং আগামীকাল প্রতিটি মুসলমানের উচিত এই অনুষ্ঠান থেকে নিজে বিরত থাকা এবং নিজের পরিবার-পরিজনকেও বিরত রাখা। এবং এই অনুষ্ঠানকে প্রত্যেকের সামর্থ্য অনুযায়ী প্রতিরোধের চেষ্ঠা করা। এর মাঝে সর্বনিম্ন স্তর হলো অন্তর দিয়ে এই অনুষ্ঠানকে ঘৃণা করা। কেউ যদি বুঝে-শুনে এই অনুষ্ঠানকে সমর্থনও করে সেও ইসলামের গণ্ডি থেকে বের হয়ে যাবে।

তাই, এই সকল মিষ্টি শ্লোগানে ঈমান হারিয়ে নিজের ও পরিবারকে ধ্বংস মুখে ঠেলে দিবো না আমরা ইনশাআল্লাহ।
👍56💯15
হযরত আবুল বাশার সাইফুল সাহেবের গা*জ*ওয়াতুল হিন্দ নিয়ে কথাগুলো বেশ আশ্চর্যজনক!
.
খুবই দুঃখের সাথে বলতে হিয় কিছুক্ষণ আগে বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ আলেমে দ্বীন আবুল বাশার সাইফুল সাহেবের একটি বক্তব্য আসে জামিয়াতুল উলুমিল ইসলামিয়ার পরিচালিত রিসালাতুল ইসলাম বিডির ইউটিউব চ্যানেল থেকে। ভিডিওটি শুনে আমি অনেক্ষণ বিশ্বাস করতে পারি নাই, এমন বক্তব্য এমন চ্যালেন থেকে বা এমন ব্যক্তি থেকে আসতে পারে! পরে কয়েকজন সাথী ভাইকে দিলাম! তারাও আশ্চর্য হলো!
.
হযরত উক্ত ভিডিওতে অনেকগুলো দাবী করা হয়েছে, যেগুলো শুনে শুধু আশ্চর্যই হয়নি, বিশ্বাস হচ্ছে না!

১। //সাওবান রা. ছাড়া গাযওয়াতুল হিন্দ সংক্রান্ত যত হাদিস আছে কোনোটাই সহিহ না//
অথচ, হযরত আবু হুরাইরা রা.-এর হাদিসটাও বিভিন্ন সনিদে বর্ণিত হয়েছে, যেটার সামষ্টিক সনদকে সহিহ বলতে হবে। অর্থাৎ, মতনকে যয়ীফ বলার কোনো সুযোগই নেই।

২। //গাযওয়াতুল হিন্দ হয়ে গেছে//
এটার সপক্ষে হযরত কয়েকটা ঘটনা বলেছেন, আমার প্রশ্ন হলো, সেই ঘটনার কোনটা গাযওয়াতুল হিন্দ ছিলো? নাকি সবগুলোই? যদি সবগুলোই হয়, তাহলে সামনেরগুলোকে গাযাওয়াতুল হিন্দ বলা যাবে না এটার দলিল কোথায়?

অথচ সাওবান রা.-এর ঐ হাদিসকে অন্যান্য বর্ণনার আলোকে দেখলে শেষ জামানায় এটা হবে তাই বেশি শক্তিশালী বলেই অনেক মুহাক্কিক মত দিয়েছেন।

৩। //দীর্ঘ ৮০০ বছরের শাসনামলে আমাদের মুসলিম শাসকরা এদেশে দ্বীন প্রচারের জন্য কোনো কাজ করেনি, যা করেছেন সব সুফিরা নিজ উদ্যোগে করেছেন//

এটা অনেক জঘন্য একটা অবাস্তব কথা। জানিনা হযরত এই কথাগুলো কোন দৃষ্টিতে বলেছেন! ভূখণ্ড বিজয় করা কী দ্বীনের কাজ নয়? রাষ্ট্রিয় মদদে ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া লেখা দ্বীনের কাজ নয়? ইসলামি শরীয়ার আলোকে বিচার, ব্যবসা, জিযিয়া উত্তোলন ইত্যাদি এগুলো দ্বীনের কাজ নয়? ওলি মাশায়েখদের সাচ্ছন্দ্য দ্বীনের কাজ করতে দেওয়া, তাদের খানকাহের জন্য বড় বড় বরাদ্দ দেওয়া দ্বীনের কাজ নয়?

জানিনা, হযরতের বক্তব্যগুলো সেকুলারদের টোনে কেন হয়! আমি বলছি না, আমাদের ইতিহাসের সব শাসকরাই ভালোছিলো, বা দ্বীনের ব্যাপারে তাদের একটা দায়বদ্ধতা ছিলো। কিন্তু তারমানে এটাও না, তারা বর্তমান সেকুলার শাসকদের মত দ্বীন বিদ্বেষী ছিলো। হযরতের এই বক্তব্যটা মূলত মডারেট একদল মৌলবিদের মত মিলে যায়, যারা বিদ্যমান পুজিবাদি জীবনব্যবস্থায় মুসলিমদের জীবনকে আগের শাসকদের অধিনে থাকা থেকেও ভালো বলার জন্য মুসলিম শাসকদের বদনাম করে!
.
৪। // গাযওয়াতুল হিন্দ হয়ে গেছে, সুতরাং এখন এগুলোর আলোচনা করা ভারতের মুসলমানদের জন্য অকল্যাণ ছাড়া কোনো কল্যাণ বয়ে আনবে না, বরং এগুলো উসকানীমূলক কথা//

আমি শেষের এই কথাগুলো শুনে অনেক্ষণ বিশ্বাস করতে পারি নাই! ঠিক মোদি সরকার যে শব্দগুলো মুসলমানরা উচ্চারণ করুক চায় না, ভারতের গোদিয়া মিডিয়া যে শব্দগুলো উচ্চারণ করলে ফিতনা হিসেবে চিহ্নিত করে ঠিক হুজুরও সেই শব্দগুলোকে উসকানি বললেন! আশ্চর্য হলো, বাংলাদেশের মানুষ এগুলো বললে উসকানি হবে, ভারতের মুসলমানরা অনিরাপদ হয়ে যাবে (তারা এখন তো খুবই নিরাপত্তার সাথে আছে!) আর পাকিস্তানের হুজুররা/আলেমরা বললে উসকানি হবে না? নিরাপত্তাহীনতা কী হবে না?

ভারত দখল, ভারতে আক্রমন এই ধরনের কথাকে হুজুর স্পষ্ট উসকানি ও ফিতনা হিসেবে চিহ্নিত করলেন! ঠিক যেমনটা আবু বকর জাকারিয়ারা বলতে চায়!

হযরত সেখানে শুধু দাওয়াতের মাধ্যমে দ্বীনকে বিজয়ের কথা বললেন! এই সত্তর আশি বছর সেখানে এত এত দাওয়াতের পরেও আজ কেনো মুসলিমদের এই করুন অবস্থা?

আর সবচেয়ে বড় কথা দ্বীন বিজয়ের সাথে দাওয়াত আর জি হা দ কি সাংঘর্ষিক বিষয় নাকি? দুইটাই কী এক সাথে করা যাবে না? একটা করা অবস্থায় আরেকটা করা যাবে না, এগুলোর দলিল কী?

জি হা দের বিষয়ে একটু বাড়াবাড়ি বক্তব্য হয়ে গেলো হযরত বিভিন্ন আশং্খাবোধ করেন, কিন্তু দাওয়াতকে বড় করে দেখিয়ে জি হা দকে এভাবে অনেকটা নাই করে দেওয়াকে কী অন্যরা আশংখার চোখে দেখতে পারবে না?

হযরত জি হাদে মাধ্যমে দ্বীন প্রতিষ্ঠা করার মেহনতকেই কেনো সর্বদা একটু ভিন্ন চোখে দেখেন জানি না, যেখানে সালাফদের কত কত ইবারত রয়েছে, দ্বীনের বিজয়ের জন্য জি হা দকে বিধিবদ্ধ করার!
👍47😢131🤬1
gazwatul hind-f (1).pdf
805.4 KB
গাযওয়াতুল হিন্দ নিয়ে এই লেখাটা পড়তে পারেন। 

এবং আমার লেখাটা আগে পড়া না থাকলে পড়তে পারেন। 
গাযওয়াতুল হিন্দ নিয়ে আমার ছোট্ট এই লেখাটা পড়তে পারেন৷

https://t.me/abdullahbinbashir/623
24👍8
গতকাল হযরত আবুল বাশার সাইফুল ইসলাম সাহেবের ভিডিও নিয়ে আলোচনা করার পর অনেকে হাদিসের সনদ ইত্যাদি নিয়ে আলাপ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে যায়। অথচ হযরতের ঐ ভিডিওতে হাদিসের ভবিষ্যৎবানীর মিসদাক থেকেও মুসলিম শাসকদের খাটো করা, ভারত অভিযানের আলোচনা ফিতনা বলা, ভারতের মুসলমানদের জন্য দাওয়াত ছাড়া অন্যান্য কাজকে নাই করে দেওয়া এগুলো ছিলো বেশি ভয়ংকর!
👍488😢3😁1
মাদরাসার পোলাটা ভার্সিটিতে এসে জাতে উঠতে গিয়ে যখন একটা ক্যান্সারে পরিনত হয়!

আমাদের মাহফুজ তারই উৎকৃষ্ট উদাহরণ!
😁69👍11👏21
আরবের শাসকগুলো গাদ্দারসহ ইত্যাদি বহু কিছু আমরা বলি। কিন্তু কাতার,কুয়েত, সৌদি, এখানের প্রত্যেকটা শাসক আর মুসলিমদের উলিল আমর নয়। এদেরকে গদি থেকে হঠানো সেখানকার মুসলমানদের জন্য ওয়াজিব। কুওয়াত না থাকলে কুওয়াত অর্জন করা ওয়াজিব। সরানো সম্ভব না হলেও বিভিন্নভাবে এদের শাসনকে দূর্বল করা সেখানকার প্রত্যেক মুসলিম নাগরিকদের জন্য সামর্থ্যনুযায়ী ওয়াজিব ইত্যাদি, এই শাসকদের ব্যাপারে ফিকহি সঠিক ও আসল বিধানটুকু বলতে সাহস করি না।

এর কারণ হয়তো, এখনো তাদের বিষয় আমাদের ক্লিয়ার না। অথবা আমাদের প্রত্যেকের ভিতরেই মূলত বিভিন্ন ছুপা মাদখালির বসবাস। অথবা ফিলিস্তিন নিয়ে আমাদের শুধু কিছু মুখরোচক আবেগ আছে, বাস্তবতা কিছুই নেই! আল্লাহু আলাম।
68👍13😢6💯3💩1
এত সহজ সত্যটা এভাবে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখানোর পরও আমরা চোখ কেনো বন্ধ করে রেখেছি, তা আল্লাহই জানে!
71🔥7👍3❤‍🔥1💯1
একটা বার কল্পনা করেন, টিটিপির আক্রমণে এই বাচ্চা দুটো মারা গেছে। এরপর পাকিস্তানের মিডিয়া, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের কিছু আলেম কী কী করতো!

অথচ, নাপাক আর্মির এই আক্রমণে পুরো দুনিয়া এমনভাবে চুপ মেরে থাকবে, যেনো গাজ্জার বাচ্চাদের মত এই শিশুগুলোর রক্তও বৈধ!
.
মনে আছে, আর্মি স্কুলের কথিত শিশুদের হত্যার কাহিনী? যেটা দিয়ে এখনো পর্যন্ত কিছু মাওলানারা টিটিপিকে জঘন্য ভাষায় আক্রমণ করে থাকে! অথচ এগুলোর বিষয়ে তাদের ভাষা থাকা কতটা নসিহাসূলভ!
😢45👍32
আমার দীর্ঘ মোতালাআর অভিজ্ঞতা আপনাদের বলতেছি, পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর মত সেনাবাহিনী যদি বাগদাদে, স্পেনে মুসলমানদের থাকতো তাহলে এই অঞ্চলগুলোতে মুসলমানদের পতন কখনোই হতো না!

-মুফতি আব্দুর রহিম সাহেব
মুহতামিম জামিয়াতুর রশিদ

(হাসবো না কান্না করবো ঠিক করতে পারতেছি না।)
🤣90👍6🤔3😢1🤮1