আমার অনুদিত মুসলিম-অমুসলিম সম্পর্ক বইটি কেনো পড়া দরকার ও বর্তমান সময়ে এর প্রয়োজনীয়তা ভাইয়ের পর্যালোচনায় সংক্ষিপ্তভাবে উঠে এসেছে। আল্লাহ ভাইকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।
https://www.facebook.com/share/p/1C29q6Ee46/
https://www.facebook.com/share/p/1C29q6Ee46/
👍17
Forwarded from Shamsul Arefin Shakti Official
কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ এখন:
১.
ধর্মপ্রাণ নারী শিক্ষক, চিকিৎসক, পেশাজীবী-দের সমন্বয়ে একটি সম্মিলিত নারী সংগঠন গড়ে তোলা। এইসব গুটিকয়েক লেজকাটা শেয়ালের হুক্কাহুয়া যে বাংলার আপামর নারীর প্রতিনিধিত্ব করে না, সেটা প্রতিষ্ঠা করা। নারীবাদীদের লেজিটিমেসি নষ্ট করতে এটা করা দরকার। এই সংগঠন নানান ইস্যুতে বিবৃতি দিবে। (বয়স্ক নারীদের পর্দার কঠোরতার ব্যাপারে শরীয়তে কিছুটা ছাড় রয়েছে। আমাদের দাওয়াহ থাকবে পরিপূর্ণ পর্দার দিকে। এর মাঝে যে যতটুকু করছেন, তা সহই তার যোগ্যতা ও অবস্থানকে ইসলামের কাজে লাগাতে হবে ড. নাসিমার মতো। দাওয়াতে কোন ছাড় নেই, বাস্তবতাকেও কাজে লাগানো)
২.
রানিং ছাত্রীদের নিয়ে আরেকটি সংগঠন হতে হবে। (এখানেও একই বক্তব্য। পর্দার ব্যাপারটা লক্ষ্য রেখেই। যেসব বোনেরা এখনও পূর্ণ পর্দা করছেন না, তাদেরকে নসীহা-সহ এক্ষেত্রে অগ্রণী রাখা ও পূর্ণ পর্দায় উদ্বুদ্ধ করা)
৩.
যাঁরা ইতোমধ্যে পরিপূর্ণ পর্দা করেন, তারা ব্যাপক অনলাইন প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। ফিমেল-অনলি গ্রুপ, পেইজ থেকে তীব্র নারীবাদ-বিরোধী ন্যারেটিভ গড়ে তুলুন। নিজ যোগ্যতা দক্ষতাকে কাজে লাগান অবসরে।
৪.
নারীবাদী নেত্রী টকশো-তে বললেন: পারিবারিক আইনে ধর্মের 'পাশাপাশি' তারা একটা সিভিল ল' অপশন রাখতে চান। ধর্মহীন সেক্যুলার মেয়েরা যেন অপশনটা ব্যবহার করতে পারে।
ওকে ফাইন, আমরাও দেওয়ানি-ফৌজদারি আইনের পাশাপাশি শরীয়া কোর্ট চাই। আপনারা ০.০০০০০১% হয়ে যদি আলাদা আইন চান, আমরাও ৯০% হয়ে কুরআনের আইন ও শরীয়া আদালত অপশনটা চাই। ধর্মীয় সকল সংগঠন এই আওয়াজটা জোরে তোলা উচিত। আর সকল দাবি রেখে কেবল শরীয়া কোর্ট প্রতিষ্ঠা করতে পারলেও আপনাদের ইসলাম কায়েমের কাজ একশ' বছর এগিয়ে যাবে।
১.
ধর্মপ্রাণ নারী শিক্ষক, চিকিৎসক, পেশাজীবী-দের সমন্বয়ে একটি সম্মিলিত নারী সংগঠন গড়ে তোলা। এইসব গুটিকয়েক লেজকাটা শেয়ালের হুক্কাহুয়া যে বাংলার আপামর নারীর প্রতিনিধিত্ব করে না, সেটা প্রতিষ্ঠা করা। নারীবাদীদের লেজিটিমেসি নষ্ট করতে এটা করা দরকার। এই সংগঠন নানান ইস্যুতে বিবৃতি দিবে। (বয়স্ক নারীদের পর্দার কঠোরতার ব্যাপারে শরীয়তে কিছুটা ছাড় রয়েছে। আমাদের দাওয়াহ থাকবে পরিপূর্ণ পর্দার দিকে। এর মাঝে যে যতটুকু করছেন, তা সহই তার যোগ্যতা ও অবস্থানকে ইসলামের কাজে লাগাতে হবে ড. নাসিমার মতো। দাওয়াতে কোন ছাড় নেই, বাস্তবতাকেও কাজে লাগানো)
২.
রানিং ছাত্রীদের নিয়ে আরেকটি সংগঠন হতে হবে। (এখানেও একই বক্তব্য। পর্দার ব্যাপারটা লক্ষ্য রেখেই। যেসব বোনেরা এখনও পূর্ণ পর্দা করছেন না, তাদেরকে নসীহা-সহ এক্ষেত্রে অগ্রণী রাখা ও পূর্ণ পর্দায় উদ্বুদ্ধ করা)
৩.
যাঁরা ইতোমধ্যে পরিপূর্ণ পর্দা করেন, তারা ব্যাপক অনলাইন প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। ফিমেল-অনলি গ্রুপ, পেইজ থেকে তীব্র নারীবাদ-বিরোধী ন্যারেটিভ গড়ে তুলুন। নিজ যোগ্যতা দক্ষতাকে কাজে লাগান অবসরে।
৪.
নারীবাদী নেত্রী টকশো-তে বললেন: পারিবারিক আইনে ধর্মের 'পাশাপাশি' তারা একটা সিভিল ল' অপশন রাখতে চান। ধর্মহীন সেক্যুলার মেয়েরা যেন অপশনটা ব্যবহার করতে পারে।
ওকে ফাইন, আমরাও দেওয়ানি-ফৌজদারি আইনের পাশাপাশি শরীয়া কোর্ট চাই। আপনারা ০.০০০০০১% হয়ে যদি আলাদা আইন চান, আমরাও ৯০% হয়ে কুরআনের আইন ও শরীয়া আদালত অপশনটা চাই। ধর্মীয় সকল সংগঠন এই আওয়াজটা জোরে তোলা উচিত। আর সকল দাবি রেখে কেবল শরীয়া কোর্ট প্রতিষ্ঠা করতে পারলেও আপনাদের ইসলাম কায়েমের কাজ একশ' বছর এগিয়ে যাবে।
❤66👍11🔥1
মধ্যপ্রাচ্যের দুটো সংখ্যা কর্তৃপক্ষ হাদিয়া পাঠিয়েছে। আল্লাহ তাদের জাযায়ে খায়ের দান করুন।
.
এখন পর্যন্ত এদের হিম্মত ও কাজের মান, উভয়টাই অনেক আশা জাগানিয়া। অল্প বয়স্ক তরুন কিছু ছেলের হিম্মত ও কাজের মান সত্যিই যত দেখছি মুগ্ধ হচ্ছি। আল্লাহ তাদেরকে ইস্তিকামাত দান করুক ও সিরাতে মুস্তাকিমের উপর রাখুন।
.
আমাদের উচিত প্রত্যেকেই যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী মধ্যপ্রাচ্যে কর্তৃপক্ষকে সাহায্য করা—পত্রিকা সংগ্রহ করে, প্রচার করে, পরামর্শ দিয়ে।
.
এখন পর্যন্ত এদের হিম্মত ও কাজের মান, উভয়টাই অনেক আশা জাগানিয়া। অল্প বয়স্ক তরুন কিছু ছেলের হিম্মত ও কাজের মান সত্যিই যত দেখছি মুগ্ধ হচ্ছি। আল্লাহ তাদেরকে ইস্তিকামাত দান করুক ও সিরাতে মুস্তাকিমের উপর রাখুন।
.
আমাদের উচিত প্রত্যেকেই যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী মধ্যপ্রাচ্যে কর্তৃপক্ষকে সাহায্য করা—পত্রিকা সংগ্রহ করে, প্রচার করে, পরামর্শ দিয়ে।
❤98🔥7👍4😁1
বাংলাদেশের একজন শীর্ষ পর্যায়ের আলেমের জিহাদ বিষয়ক লেখা প্রায় ছয়শত পৃষ্ঠার অপ্রকাশিত একটা বই হাতে এসেছে। লেখক এখনো পর্যন্ত কেনো বইটা অপ্রকাশিত রেখেছে, এটা জিজ্ঞালা করলে লেখকের শাগরেদ জানান, সমালোচনা হওয়ার ভয়।
.
বইটির উল্লেখযোগ্য অংশ নেড়েচেড়ে দেখার পর যেটা বুঝলাম, বাস্তবিকই লেখক প্রচুর সমালোচনার স্বীকার হবে! কারণ বইটিতে ঘুরে ফিরে সেই একই আলাপ, শাসক ছাড়া জিহাদ করা যাবে না, বাংলাদেশ দারুল ইসলাম, জিহাদের জন্য ইমাম, বাইতুল মাল, দারুল কাজা(?) শর্ত
!
খুবই আফসোস লাগলো বইটির জায়গাগুলো দেখে!
.
যাইহোক, বইতে লেখক বিভিন্ন দিকের প্রচুর নস জমা করেছেন। বিভিন্ন বিষয় এক জায়গায় পাওয়া যাবে, এতটুকু ফায়দা হয়েছে বইটি সংগ্রহ করে!
লেখক জিহাদ বিষয়ক প্রচুর মুতালাআ করেছেন এটা বই থেকে স্পষ্ট।
.
বইটির উল্লেখযোগ্য অংশ নেড়েচেড়ে দেখার পর যেটা বুঝলাম, বাস্তবিকই লেখক প্রচুর সমালোচনার স্বীকার হবে! কারণ বইটিতে ঘুরে ফিরে সেই একই আলাপ, শাসক ছাড়া জিহাদ করা যাবে না, বাংলাদেশ দারুল ইসলাম, জিহাদের জন্য ইমাম, বাইতুল মাল, দারুল কাজা(?) শর্ত
!
খুবই আফসোস লাগলো বইটির জায়গাগুলো দেখে!
.
যাইহোক, বইতে লেখক বিভিন্ন দিকের প্রচুর নস জমা করেছেন। বিভিন্ন বিষয় এক জায়গায় পাওয়া যাবে, এতটুকু ফায়দা হয়েছে বইটি সংগ্রহ করে!
লেখক জিহাদ বিষয়ক প্রচুর মুতালাআ করেছেন এটা বই থেকে স্পষ্ট।
👍57
কোনো প্রমাণ নাই তবে পাক আর্মির পিছনের রেকর্ড থেকে যদি বলি তাহলে এতটুকু বলতে পারি, মাসুদ আযহারের পরিবারের কুরবানি পাক আর্মি দিয়েছে। আর মাসুদ আযহার সাহেব পাক আর্মিকে ভরসা করে আরো একবার ম্রা খাইলো!
👍38🤮2😡2
বয়কটের শরয়ী বিধান.pdf
422.4 KB
বয়কট নিয়ে তো কত লেখা পড়লেন কিন্তু ফিকহি গভিরতা ও ঈমানি গাইরাতের এই সমন্বয় বর্তমান পৃথিবীতে মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান হাফিজাহুল্লাহকে অনন্য করে দিচ্ছেন।
.
বয়কট সংক্রান্ত মাসআলা বলার সময় বেশ সংখ্যক আলেমগণ কিছু ভুল বলেন। সেই ভুলগুলো কী, এবং সেগুলোর ফিকহি দৃষ্টিতে সমাধান কী, এটা খুবই চমৎকার ভাবে তুলে ধরেছেন মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান হাফিজাহুল্লাহ।
প্রত্যেক ইফতার তালেবে ইলমদের এই লেখাটি অবশ্যই পড়া দরকার।
.
বয়কট সংক্রান্ত মাসআলা বলার সময় বেশ সংখ্যক আলেমগণ কিছু ভুল বলেন। সেই ভুলগুলো কী, এবং সেগুলোর ফিকহি দৃষ্টিতে সমাধান কী, এটা খুবই চমৎকার ভাবে তুলে ধরেছেন মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান হাফিজাহুল্লাহ।
প্রত্যেক ইফতার তালেবে ইলমদের এই লেখাটি অবশ্যই পড়া দরকার।
👍28❤5🥰3
লিবিয়ার প্রধান মুফতির এই ফতোয়াটা গুরুত্বপূর্ণ।
//গাজায় মুজা হি দদের সাহায্যে যারাই বাধা সৃষ্টি করবে তারাই ইহুদিদের সহযোগী হিসেবে গন্য হবে।//
কাফেরের সহযোগী কাফের হবে কি না, এই বিষয়ে ইখতিলাফ থাকলেও কাফেরের সহযোগিদের সাথে যুদ্ধ করা, তাদের হত্যা করার বিষয়ে ফকিহদের মাঝে কোনো ইখতিলাফ নেই।
.
আর এটা স্পষ্ট মনে রাখতে হবে, এই ফতোয়া শুধুই মিশর ও জর্ডানের সাথেই খাস নয়। মুসলিম প্রধাণ যেকোনো ভুমির শাসক ও সেনাবাহিনীর সাথেই প্রযোজ্য
//গাজায় মুজা হি দদের সাহায্যে যারাই বাধা সৃষ্টি করবে তারাই ইহুদিদের সহযোগী হিসেবে গন্য হবে।//
কাফেরের সহযোগী কাফের হবে কি না, এই বিষয়ে ইখতিলাফ থাকলেও কাফেরের সহযোগিদের সাথে যুদ্ধ করা, তাদের হত্যা করার বিষয়ে ফকিহদের মাঝে কোনো ইখতিলাফ নেই।
.
আর এটা স্পষ্ট মনে রাখতে হবে, এই ফতোয়া শুধুই মিশর ও জর্ডানের সাথেই খাস নয়। মুসলিম প্রধাণ যেকোনো ভুমির শাসক ও সেনাবাহিনীর সাথেই প্রযোজ্য
❤95👍14
মুসলিম বিশ্বে হাজার বছরের ইতিহাসে পাকিস্তান আর্মির মত এত গোছালো ও মুনাজ্জাম সেনাবাহিনী আর আসে নাই। কেউ চাইলে আসুক আমার সাথে এই বিষয়ে বহস করতে আমি তৈয়ার আছি৷
-মুফতি আব্দুর রহিম
মুহতামিম জামিয়াতুর রশিদ
(এরপরও এই লোককে দালাল বলা যাবে না, কেনো? উনি আমার ঘরোনার আকাবির! হাহা)
-মুফতি আব্দুর রহিম
মুহতামিম জামিয়াতুর রশিদ
(এরপরও এই লোককে দালাল বলা যাবে না, কেনো? উনি আমার ঘরোনার আকাবির! হাহা)
😁59😢10❤2
পাকিস্তানের রশিদিয়া মাদরাসার উস্তাদরা ব্যাপকভাবে আর অন্যান্য কিছু নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিরাও ভারত পাকিস্তানের মারামারি লাগার পরে গাযওয়াতুল হিন্দের আলোচনা, হাদিসের ভবিষ্যৎ বানী নিয়ে আলাপ শুরু করে দিছেন। এই বিষয়ে একাধিক ভিডিওও তৈরি করে ফেলেছেন কেউ কেউ।
.
যাইহোক এই হাদিস নিয়ে আলোচনা করা তো সমস্যা না। তবে নাম বলবো না, বাংলাদেশের বেশ কিছু আহলে ইলম গাজওয়াতুল হিন্দ সংক্রান্ত হাদিসগুলো ব্যাপক দূর্বল ও এই হাদিস দিয়ে জিহাদের আহবানকে একটা ফিতনাবাজি বলে থাকে।যখন আলোচনাটা বিভিন্ন জিহাদি দলের পক্ষ থেকে হয়। এবং অনেকে তো বেশ তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে, জিহাদিদের ইলম সাতহিও বলে থাকেন, এই হাদিস সামনে রেখে জিহাদের দিকে আহবান করার কারণে। এবং এটাকে একটা দায়িত্বও মনে করেন।
কিন্তু এখন তাদের সকলকেই দেখতেছি একদম মুখে কুলুপ এটে বসে আছেন! জানি না, কেন? এখন কী ইলমি আমানত হিসেবে কী অন্তত বলা দরকার না, এই হাদিস দিয়ে এভাবে জিহাদের আহবান করা ঠিক হবে না!
.
গাযওয়াতুল হিন্দ সম্পর্কে জানতে এই পিডিএফটি পড়তে পারেন।
https://t.me/abdullahbinbashir/623
.
যাইহোক এই হাদিস নিয়ে আলোচনা করা তো সমস্যা না। তবে নাম বলবো না, বাংলাদেশের বেশ কিছু আহলে ইলম গাজওয়াতুল হিন্দ সংক্রান্ত হাদিসগুলো ব্যাপক দূর্বল ও এই হাদিস দিয়ে জিহাদের আহবানকে একটা ফিতনাবাজি বলে থাকে।যখন আলোচনাটা বিভিন্ন জিহাদি দলের পক্ষ থেকে হয়। এবং অনেকে তো বেশ তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে, জিহাদিদের ইলম সাতহিও বলে থাকেন, এই হাদিস সামনে রেখে জিহাদের দিকে আহবান করার কারণে। এবং এটাকে একটা দায়িত্বও মনে করেন।
কিন্তু এখন তাদের সকলকেই দেখতেছি একদম মুখে কুলুপ এটে বসে আছেন! জানি না, কেন? এখন কী ইলমি আমানত হিসেবে কী অন্তত বলা দরকার না, এই হাদিস দিয়ে এভাবে জিহাদের আহবান করা ঠিক হবে না!
.
গাযওয়াতুল হিন্দ সম্পর্কে জানতে এই পিডিএফটি পড়তে পারেন।
https://t.me/abdullahbinbashir/623
❤53👍9👎1😁1
টিটিপি পাকিস্তানকে পাক-ভারত এই যুদ্ধের সময় কঠিন মাইর দিছে। এটা নিয়ে কিছু আবেগিদের কান্দনের শেষ নেই। কিরে ভাই, এত মূর্খের মত আচরণ করলে কী হবে? টিটিপির সাথে কী পাকিস্তান যুদ্ধ বন্ধের কোনো চুক্তি হয়েছে? যদি না হয়ে থাকে তাহলে কেনো তারা শত্রুকে আক্রমণ থেকে বিরত থাকবে? আচ্ছা, ভারতের সাথে যুদ্ধবস্থায় পাক বাহিনী যদি টিটিপির কোথাও আক্রমণের সুযোগ পায় তাহলে কী টিটিপিকে ছেড়ে দিবে? সুতরাং এই ধরনের তামাশার কান্না বন্ধ করেন! টিটিপি-ইমারা ভারত পাকিস্তানের এই যুদ্ধকে ধর্মীয় যুদ্ধ হিসেবেই দেখে না। সুতরাং ধর্মের কারণ দেখিয়ে পাকিদের যে আবেগি খেলা, এটার কোনো দাম টিটিপি বা ইমারার কাছে নেই।
.
যুদ্ধের নিজস্ব ভাষা আছে, সেই ভাষাতেই কথা হবে আলোচনা হবে। এখানে আবেগের দাম নেই।
.
যুদ্ধের নিজস্ব ভাষা আছে, সেই ভাষাতেই কথা হবে আলোচনা হবে। এখানে আবেগের দাম নেই।
👍86🔥29❤16🤮3🤬1
যুদ্ধের নামে ভারত-পাকিস্তানের নাটক অবশেষে শেষ হলো!
.
আমেরিকা আব্বোর বাধ্যগত দুই সন্তান—ভারত-পাকিস্তান, আব্বোর নির্দেশে যুদ্ধ বন্ধের ঘোষণা দিলো। আব্বোর নির্দেশে পাকিস্তানের গাযওয়াতুল হিন্দ আপাতত শেষ হলো। ইনশাআল্লাহ আব্বো আবার নির্দেশ দিলে আবার পাকিস্তান গাযওয়াতুল হিন্দের ডাক দিবে।
.
সবকিছুর পর এই যুদ্ধের মূল পাঠ ছিলো নাপাক আর্মি কর্তৃক মাসুদ আযহার সাহেবের পরিবারের কোরবানি। এবং বরাবরই মাসুদ আযহার সাহেব আবারো ম্রা খাইলো৷
.
আমেরিকা আব্বোর বাধ্যগত দুই সন্তান—ভারত-পাকিস্তান, আব্বোর নির্দেশে যুদ্ধ বন্ধের ঘোষণা দিলো। আব্বোর নির্দেশে পাকিস্তানের গাযওয়াতুল হিন্দ আপাতত শেষ হলো। ইনশাআল্লাহ আব্বো আবার নির্দেশ দিলে আবার পাকিস্তান গাযওয়াতুল হিন্দের ডাক দিবে।
.
সবকিছুর পর এই যুদ্ধের মূল পাঠ ছিলো নাপাক আর্মি কর্তৃক মাসুদ আযহার সাহেবের পরিবারের কোরবানি। এবং বরাবরই মাসুদ আযহার সাহেব আবারো ম্রা খাইলো৷
😢78😭12👍8❤5😁2🤨1
অনেকে বলেন পাকিস্তান সরকার আমেরিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধে তালেবানকে আশ্রয় দিয়েছে অথচ বাস্তবতা হলো তালেবানের শাসনকে ধ্বংস করতে আমেরিকা থেকে পাকিস্তান দুই কদম আগে ছিলো। এবং এখনো পর্যন্ত আমেরিকার নেক দৃষ্টি অর্জন করার জন্য তালেবানকে ধ্বংস করতে পাকিস্তান সরকার পরিপূর্ণভাবে আমেরিকার সাথে যুদ্ধে শরীক রয়েছে।
-মাওলানা ফজল মুহাম্মদ ইউসুফযায়ী
সিনিয়র মুহাদ্দিস, বানুরীটাউন
-মাওলানা ফজল মুহাম্মদ ইউসুফযায়ী
সিনিয়র মুহাদ্দিস, বানুরীটাউন
🔥51👍18❤13😭8🏆1
বানুরীটাউনের মুহাদ্দিস ফজল মুহাম্মদ ইউজুফযায়ী সাহেবের এই লেখাটা বড় হলেও আশা করি সকল তালেবে ইলম ভাইরা পুরো লেখাটা পড়বেন এবং নিজের জন্য প্রয়োজনীয় নোট রাখবেন। লেখাটা অত্যান্ত জরুরি।
https://alsharia.org/2009/may/mujahideen-aetirazaat-maulana-fazal-muhammad
https://alsharia.org/2009/may/mujahideen-aetirazaat-maulana-fazal-muhammad
❤30👍5
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
পাকিস্তানের আলেমদের সর্বসম্মত যে ফতোয়া—পয়গামে পাকিস্তান ছিলো আলেমদের হত্যার দস্তাবেজ। সেই দস্তাবেজে সাইন করার জন্য সামিউল হক হক্কানী রহিমাহুল্লাহকে নাপাক আর্মি প্রধান সর্বোচ্চ চাপ দিয়েছে। কিন্তু মুজাহিদদের রক্তের বৈধতার এই নিকৃষ্ট কাগজে তিনি সাইন করেননি।
👍53🔥23❤18
ধর্ম বলবে মমতার কথা,
দয়ার কথা। এ কেমন ধর্ম, যা প্রাণ হত্যার কথা বলে? ঠিক আছে, প্রাণিহত্যা করা যাবে; কিন্তু প্রাণ হত্যা করে উৎসব কেন! কারও জীবন কেড়ে নিয়ে উৎসব-এটা কেমন নৈতিকতা! ইসলাম কত নির্মম ধর্ম, কত অমানবিক!
মানবিক মানে 'যা মানুষের মানায়'। অমানবিক মানে 'মানুষের যা মানায় না', 'যা মানুষের করা উচিত না'।
তার মানে, প্রাণীকে হত্যা করা মানুষের মানায় না, মানুষ হিসেবে এটা করা উচিত না। এসব প্রশ্ন যারা করে তাদের মূল উদ্দেশ্য ইসলামের বিরোধিতা করা। এদের নিজেদের কোনো স্থিরতা নেই। এরা দাবি করে নিজেরা বিজ্ঞানমনস্ক, অথচ এদের উদ্দেশ্যের বিরুদ্ধে গেলে বিজ্ঞানকেও আর গুনবে না।
যুক্তি ও বিজ্ঞানের আলোকে তাদের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন লেখক ডা. শামসুল আরেফীন।
দয়ার কথা। এ কেমন ধর্ম, যা প্রাণ হত্যার কথা বলে? ঠিক আছে, প্রাণিহত্যা করা যাবে; কিন্তু প্রাণ হত্যা করে উৎসব কেন! কারও জীবন কেড়ে নিয়ে উৎসব-এটা কেমন নৈতিকতা! ইসলাম কত নির্মম ধর্ম, কত অমানবিক!
মানবিক মানে 'যা মানুষের মানায়'। অমানবিক মানে 'মানুষের যা মানায় না', 'যা মানুষের করা উচিত না'।
তার মানে, প্রাণীকে হত্যা করা মানুষের মানায় না, মানুষ হিসেবে এটা করা উচিত না। এসব প্রশ্ন যারা করে তাদের মূল উদ্দেশ্য ইসলামের বিরোধিতা করা। এদের নিজেদের কোনো স্থিরতা নেই। এরা দাবি করে নিজেরা বিজ্ঞানমনস্ক, অথচ এদের উদ্দেশ্যের বিরুদ্ধে গেলে বিজ্ঞানকেও আর গুনবে না।
যুক্তি ও বিজ্ঞানের আলোকে তাদের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন লেখক ডা. শামসুল আরেফীন।
👍57❤15
এটা স্পষ্ট এখন দিবালোকের মত সত্য নাহিদ-মাহফুজ-আসিফরাই জুলাইয়ের রক্তকে বিক্রি করে দিছে। এনসিপিই হলো জুলাইয়ের সবচেয়ে স্বীকৃত ও বড় গাদ্দার।
এটা এখন আরো স্পষ্ট হলো রঠা ও পাকিস্তানপন্থী নামে নতুন বিভাজনের রাজনীতির মাধ্যমে।
এনসিপির কোনো ডাকে সাড়া দেওয়ার আর কোনো নৈতিক দিক আছে বলে মনে হয় না৷ এবং এদের সাথে সামনে সবগুলো ডিল করতে হবে, এনিমি হিসেবে।
.
আর জাশির ভাইদের জন্য প্রচুর দুঃখ লাগে। শত্রুর কাছে ভালো সেজে এত ম্রা খাওয়ার পরেও উনারা শিক্ষা নিতে পারছেন না্!
এটা এখন আরো স্পষ্ট হলো রঠা ও পাকিস্তানপন্থী নামে নতুন বিভাজনের রাজনীতির মাধ্যমে।
এনসিপির কোনো ডাকে সাড়া দেওয়ার আর কোনো নৈতিক দিক আছে বলে মনে হয় না৷ এবং এদের সাথে সামনে সবগুলো ডিল করতে হবে, এনিমি হিসেবে।
.
আর জাশির ভাইদের জন্য প্রচুর দুঃখ লাগে। শত্রুর কাছে ভালো সেজে এত ম্রা খাওয়ার পরেও উনারা শিক্ষা নিতে পারছেন না্!
😢61👍24💯6