Abdullah bin bashir
11.3K subscribers
425 photos
89 videos
95 files
193 links
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট
Download Telegram
جمہوریت عقل و نقل کی عدالت میں .pdf
3.2 MB
অন্য একটি কিতাব খুজতে গিয়ে এত সুন্দর কিতাবটি পেয়ে গেলাম।
.
গণতন্ত্র নিয়ে এই কাজটা অন্যান্য কাজ থেকে অনে ব্যতিক্রম। এটা মূলত লেখকের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ব্যক্তিদের সাথে গণতন্ত্র নিয়ে মুনাজারা, বহস হয়েছে, সেগুলোর সংকলন।
.
চমৎকার কাজটা পড়তে পারেন।
68👍9🥰4😢4
বিভিন্ন এলাকা ভিত্তিক যে সমস্ত ভাইরা দাওয়াহ সার্কেল তৈরি করেছেন, তারা অন্যান্য এক্টিভিটির পাশাপাশি বিন্দুত্ববাদ দিয়ে এলাকার জনসমাজকে সচেতনার জন্য কাজ করতে পারেন৷ বিশেষত মুসলিম মেয়েদের ফাদে ফেলার যে কাজটা চলছে, সেটা দিয়ে সহজেই এলাকায় কথা বলা যাবে। বিন্দুত্ববাদ নিয়ে কাজ করতে গেলে এলাকায় যদি বাধার সম্মুখীন হন, তাহলে কারা বাধা দিচ্ছে কোন মোটিভ থেকে বাধা দিচ্ছি এগুলোই ভাইরা নোট করে ফেলবো এবং সংরক্ষন রাখবো।
.
স্কুল কলেজগুলোর দাওয়াহ সার্কেলের ভাইরা, বিশেষত বোনরা এই বিষয়ে বিশেষ সতর্ক হোন, এবং এক্টিভিটি বাড়ান। বোনরা আড্ডার আলোচনাতে বান্ধবীদের সাথে এগুলো নিয়ে কথা বলুন৷ অমুসলিমদের সম্পর্কে আমাদের সম্পর্ক কেমন হবে এই সংক্রান্ত ইলম বৃদ্ধি করুন আল্লাহর ওয়াস্তে।
.
যদি পাশের গিন্দুত্ববাদ নিয়ে আমার আপনার মাথায় পর্যপ্ত পেরেশানি না আসে, তাহলে ফিলিস৩ নিয়ে আমার পোষ্ট আর দৌড়ঝাপ শুধুই এবং শুধু কিছু খুচরা আবেগ ছাড়া কিছুই না। এই আবেগের জন্য হয়তো ব্যক্তি নিজে কিছুটা সাওয়াবের অধিকারী হতে পারেন, কিন্তু উম্মাহের জন্য এই আবেগের সামান্য পয়সারও কোনো দাম নাই।
.
আমাদের সমাজে হিন্দুদের উপস্থিতি মৌলিক কোনো সমস্যার বিষয় না। এটা আল্লাহ পদত্তই একটা নেজাম। কিন্তু গিন্দুত্ববাদ সমাজের একটি মৌলিক সমস্যা এটার স্পষ্ট মেসেজ আমাদের সকলের কাছে পৌঁছাতে হবে।
.
👍589🤔3
রাজধানী মোগাদিশুর সবচেয়ে বড় সেনা ক্যাম্প হালানি ঘাটাতি আজ সোমালিয়ান বিদ্রোহী গোষ্ঠী আক্রমন করেছে। এই আক্রমণে আমেরিকার তিনজন নিহিত হয়েছে।
.
ইসলামি শুরার আধুনিক ভার্সন গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করতে এসে আমেরিকান সৈন্য ও নাগরিকরা আজ প্রাণ দিচ্ছে, মুসলমানদের জন্য এর থেকে লজ্জাজনক বিষয় আর কী হতে পারে!
😁6617🤓8🔥6🙈3😢1
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মানবীয় গুণাবলি ও বিশেষণ নিয়ে অনেকে সীরাত লিখেছেন। রাসুলকে রাজনীতিবিদ হিসেবে, সমরবিদ হিসেবে, রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। উলামায়ে কেরাম এই ধরণের সীরাতচর্চাকে সমস্যাজনক মনে করে এসেছেন এবং এটাকে প্রাচ্যবিদদের পদ্ধতি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

কারণ প্রাচ্যবিদরাও রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মানবীয় বিভিন্ন দিকের স্বীকৃতি দিয়ে তার জীবনের মূল ব্যাপারটাকে এড়িয়ে যায়। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মূল শ্রেষ্ঠত্ব তিনি একজন নবী, আল্লাহর পক্ষ থেকে তিনি ওহী প্রাপ্ত হয়েছেন। এটাই তার জীবনের মূল স্প্রিরিট। এটাই তার জীবনের একমাত্র মিশন, একমাত্র লক্ষ্য। এটার ভিত্তিতেই তিনি দুনিয়াতে এসে সমাজে মেরুকরণ করেছেন, যুদ্ধ- বিগ্রহ ও দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন।

সীরাত চর্চার এই দিকটা নিয়ে আমাদের অনেক মুহাক্কিক আলেমই লিখেছেন, বই রচনা করেছেন। এই পয়েন্টটিকে আমি একটি রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে ফীট করতে চাই।

ইসলামী ইমারাহ/ রাষ্ট্রের নানাভিদ কল্যানকর দিক আছে। এটা স্বয়ং অনেক অমুসলিমও স্বীকৃতি দেয়। কিন্তু ইসলামী রাষ্ট্র হিসেবে সেটার মূল ভিত্তি কী, মূল পরিচয় কী, মূল বৈশিষ্ট্য কী? অবশ্যই তাওহীদের স্বীকৃতি ও ওহী। এই জিনিসটা না থাকলে সেই রাষ্ট্রের কোন গ্রহণযোগ্যতা ও স্বীকৃতি ইসলামে নেই।

এজন্য ফিকহী তুরাসি রাষ্ট্রের কেন্দ্রে এদুটি থাকার পর কিছু জুলুম বা অনিয়ম থাকলে সেটার বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণে অনুৎসাহ আছে। কিন্তু রাষ্ট্রের কেন্দ্র থেকে তাওহিদ ও ওহী হারিয়ে গেলে ফিকহী তুরাসে সেটাকে স্বীকৃতিই দেয়া হয়নি এবং সেই রাষ্ট্রকে মানার আবশ্যিকতাকেও স্বীকার করা হয়নি। বরং সেটার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও ji হা দের বৈধতা দেয়া হয়েছে। যাই হোক সেটা ভিন্ন আলোচনার বিষয়।

কল্যান রাষ্ট্র ইত্যাদি পরিভাষা থেকে আমার কাছে মনে হয় এই গ্যাপটা তৈরি হয়, যেটা উলামায়ে কেরাম সীরাতচর্চার ক্ষেত্রে বলেছেন। মনে হয়, এটা তাওহীদ ও ওহীর প্রশ্নকে প্রচ্ছন্ন করে দেয়। তাওহীদ ও শিরক এবং ওহী ও প্রবৃত্তির দ্বন্দ্বকে অস্পষ্ট করে তুলে। যেটা ইসলামের মূল স্প্রিরিট ও বার্তা।

সেকুলারিজম, লিবারেলিজম, ডেমোক্রেসি ইত্যাদি বিদ্যমান ইজমের সাথে মুসলিমদের মূল দ্বন্দ্বটা কিসের? তাওহিদ আর ওহীরও তো। এসব ইজম তাওহীদ আর ওহীকেই তো ছুড়ে ফেলে এবং একে গৌন বিষয় বানিয়ে দেয়। তাওহীদ আর ওহীর সাথেই তো এগুলোর মূল সংঘর্ষ। মুসলিম সমাজে এই স্প্রিরিট, বার্তা ও দ্বন্দ্বকে সুস্পষ্ট ও মূল আলোচ্য বিষয় না বানাতে পারলে, বিদ্যমান রাষ্ট্রকাঠামোর আমূল পরিবর্তন ও ইসলামী রাষ্ট্রকল্প নির্মাণ সম্ভব হবে বলে মনে করা যায় না।

©ইফতেখার সিফাত হাফিজাহুল্লাহ
👍4318🔥3😁1
তালেবদের ইস্যু, ইমরান খান ইস্যুসহ অসংখ্য বিষয়ের কারণে গত কয়েক বছরে পাক আর্মির সামাজিক অবস্থান ও সমর্থন পাকিস্তানের জনসাধারণের নিকট ব্যাপক তলানিতে ঠেকেছে। কিন্তু কাশ্মীরের ঘটনার পর পাক-ভারত যুদ্ধের আওয়াজের সাথে সাথে তা আবার অনেকটা কেটে যাচ্ছে।
.
পাকিরা আফগানের সাথে ব্যবসায়ীক ও কূটনৈতিক বিভিন্ন অন্যায় ও অত্যাচার করার কারণে তালেবরা পালটা ফলিসি ও পাককে চাপে রাখার জন্য ইন্ডিয়ার সাথে ব্যবসায়িক লেনদেন স্বাভাবিক করছে। এছাড়া আমেরিকা যাওয়ার আগে ইন্ডিয়ারে ভুলভাল বুঝিয়ে আফগানে প্রচুর ইনভেস্ট করিয়েছিলো, যেগুলো উদ্ধার করার জন্য তালেবদের কাছে নমনীয় হওয়া ছাড়া ইন্ডিয়ার কোনো উপায় নেই, এই সব মিলিয়ে ব্যবসায়ীকভাবে ভারতের সাথে ইমারার এখন সম্পর্ক ভালো৷ পাকিস্তানের গোদি মিডিয়া ও নাপাক আর্মি পুরো পাকিস্তান জুড়ে ঘৃণ্য একটি ন্যারেটিভ চালাচ্ছে, পাক-ভারত যুদ্ধে তালেবরা ইন্ডিয়ার পক্ষে নিবে। তালেবারা এখন মূলত ইন্ডিয়ার এজেন্ট ইত্যাদি৷ এতে তারেক মাসউদের মত আলেমরাও শরিক!!!
এর দ্বারা আফগানিদের তেমন ক্ষতি না হলেও পাকিস্তানের জনসমাজে তালেবদের প্রতি আলাদা যে শ্রদ্ধা তা প্রচুর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং এতে সামাজিকভাবে তেহরিক ভালোই ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করি।
.
যুদ্ধ বাধবে না, এটা নিশ্চিত এখনো। তবে এই যুদ্ধের নামে পাকিরা তাদের বড় দুইটা মনস্তাত্ত্বিক স্বার্থ উদ্ধার করছে।
.
যদি আমরা ধরে নেই পাক-ভারতের পরস্পরে এখন যা চলছে তা নাটক নয়, এবং কিছু হলে বাস্তবিকই তারা যুদ্ধ করতে চায় আর পাক আর্মির মাথায় সামান্য ঘিলুও থাকে তাহলে উপরের ধরে নেওয়া ফলাফলে পাক আর্মি অবশ্যই তেহরিকের সাথে বড়ধরনের সমঝোতা চুক্তিতে যেতে হবে৷ বা চুক্তির জন্য চেষ্টা করে যেতে হবে। নাহলে ঘরের ভিতর এত বড় এনিমি নিয়ে ভারতের সাথে যুদ্ধে যাওয়া পাগলামি ছাড়া কিছুই নয়৷
.
আর যদি ধরে নেই যুদ্ধ বেধে যাবে (যদিও সামান্যতম সম্ভবনাও এখনো দেখছি না) তাহলে এই যুদ্ধে কাশ্মীরি সশস্ত্র গ্রুপ, পাকিস্তানের সশস্ত্রগ্রুপ, তেহরিক ও সবেচেয়ে বেশি লাভবান হবে আফগান ইমারাহ।

সশস্ত্রগ্রুপগুলো লাভবান হবে মূলত, যুদ্ধের কারণে অস্ত্রের সহজলভ্যতা। এছাড়া পাক আর্মি যুদ্ধে শক্ত অবস্থানের থাকার জন্য বিভিন্ন গ্রুপগুলোকে অবশ্যই অস্ত্র ও ট্রেনিং দিবেই দিবে। এটা পাকেও দিবে ভারতেও দিবে৷ কারণ পাক আর্মির এটাই সবচেয়ে বড় হাতিয়ার। এখানে পাক আর্মির অনিচ্ছা থাকলেও এমন অনেককে ট্রেনিং দেওয়াতে হবে যেটা তারা চায় না৷ আর এতে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ভালোই উপকৃত হবে যদি তারা সঠিক চাল দিতে পারে৷

আর তালেবরা লাভবান হবে, মূলত পাক-গোয়ান্দা আর ফরেন ফলিসি ইত্যাদি সবকিছু তখন স্বাভাবিকভাবেই ভারত নিয়েই ব্যস্ত হয়ে যাবে। ইমারাহ নিয়ে তাদের স্বাভাবিক চক্রান্ত বাধাগ্রস্ত হবে। এছাড়া যুদ্ধের কারণে পাকিরা আফগানের সাথে বিভিন্ন চুক্তি—ব্যবসায়িক-সামরিক, করতে বাধ্য হবে। আফগানিরা উপরে থেকে পাকিদের সাথে তখন অনেক কিছু উদ্ধার করে নিতে পারবে।
.
একটা কথা আমি বিশ্বাস করি, বর্তমান আধুনিক পৃথিবীতে জাতীরাষ্ট্রগুলো যেখানেই যুদ্ধ জড়াবে, চাই তা কা*ফের জাতীরাষ্ট্র হোক বা মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতীরাষ্ট্র হোক, এতে মুসলিমরাই উপকৃত হবে। কেনো, কীভাবে, তা কোনো এক আড্ডায় বলবো ইনশাআল্লাহ। শুধু এতটুকু বলি, এক ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধেই ইসলামি ইমারাহগুলো ব্যাপকভাবে উপকৃত হয়েছে বিভিন্ন দিক থেকে তা বিশ্লেষকদের কাছে অজানা নয়।
👍7922😁1
হিজরাইল আগুনে পুড়ছে আর আপনারা পুরো পৃথিবীর মুসলমানরা তা নিয়ে উল্লাস করছেন, একটি বারও কী চিন্তা করেছেন, এভাবে উল্লাস করার দ্বারা কালিমার পতাকার মত সারা পৃথিবীতে মুসলমানদের ব্যাপারে একটা ভুল মেসেজ যাবে—ইসলাম অন্যের কষ্টে খুশি হয়! আপনাদের জযবা দেখলে আফসোস হয়। জানি না, ইসলাম বিরোধী কোন এজেন্সির স্বার্থ আপনারা উদ্ধার করছেন, পুরো পৃথিবীতে মুসলমানদের বদনাম করে!!
.
আল্লাহ আপনাদের থেকে ইসলামকে হেফাজত করুক।
🤣95🔥7👍6😁6😢43😭3
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
“ডারতের সেনাবাহিনী যদি বর্ডার রক্ষায় ক্লান্ত হয়ে যায়, তাহলে আমাদের আলেম-মাদরাসার মানুষদের বর্ডারে পাঠিয়ে দিন। আমরা এমনভাবে তা রক্ষা করবো, যদি জিব্রিলও পাকিস্তান থেকে আসে, তাকেও ঢুকতে দিবো না।”
.
এগুলো শুধুই মঞ্চ কাপানো কথা না, ভারতের মুসলমানদের মধ্য এই জাতীয়তাবাদ খুবই ভয়ংকরভাবে রোপিত! এরা ব্যাপকভাবেও ডারতের গেন্দুদের নিজেদের জন্য যতটা আপন মনে করে তার শিখিভাগ আপন পাকিস্তান বা বাংলাদেশের মুসলমানদের মনে করে না! আমার নিজের কয়েকটা অভিজ্ঞতা যার সাক্ষি!
😁32😢20👍10🤬7🤔5
সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ তুলে তিউনিসিয়ার নাহদা পার্টির সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ৩৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে সেখানের আদলত!
.
সন্ত্রাসবাদ সন্ত্রাসবাদ করে করে ঘানুশির নাহদা পার্টি ইসলামের কাটছাট করলো, এই ট্যাগ যেনো না লাগে, তাই পশ্চিমরা ইসলামের যে বিধানকেই সন্ত্রাসবাদের আলামত হিসেবে চিহ্নিত করেছে, সেটাকেই ঘানুশি ও তার পার্টি পরিত্যাগ করেছে, বিকৃত করেছে!

যাদের খুশি করতে এতকিছু করলো আজ তারাই সেই সন্ত্রাসবাদের একই শিরোনামে নাহদা পার্টিকে খেয়ে দিচ্ছে।
.
প্যাটার্নটি খেয়াল করেছেন, ৯/১১ এর পর এদেশে জাশির নেতা ও পোলাপানরাও ঠিক একই কাজ করেছে। বিএনপির সাথে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে তাল মিলিয়ে ইসলামের জি হা দকে কত জঘন্যভাবে ক্রিমিনালাইজ করেছে। অতপর আওয়ামীলীগ আসলো। বাকি ইতিহাস সকলের জানা।

এদেশে ঘানুশির চর্চা শুরু করে জাশির কিছু ভাইরা। এরপর এই নষ্টমালের পুরো টেন্ডার নেয় চরমোনাইয়ের ফজলুল করিম মারুফরা। ঘানুশি চর্চার মাধ্যমে এদেশে মুসলমানদের মুক্তির স্বপ্ন দেখে মারুফরা, যেখানে ঘানুশি ও তার দল চূড়ান্ত ব্যর্থ।
.
এই ঘানুশি পশ্চিমের কাছে ও সেদেশের শাহবাগি শুয়রগুলোর কাছে ইসলামের যৌক্তিকতা তুলে ধরতে ইসলামের মৌলিক সকল বিধানেই আপোষ করেছে ও বিকৃত সাধান করেছে! নারীর পর্দা থেকে নিয়ে ইসলামি সিয়াসাতের প্রায় সকল পরিভাষাকেই ঘানুশি বিকৃত করেছে। কিছুদিন পূর্বে চর্মোনাইয়ের মারুফের—গণতন্ত্র হলো ইসলামি শুরার আধুনিক ভার্সন, এই বিকৃতও মারুফের নিজের না৷ ঘানুশি থেকে ধার করাই!

বুঝতে পারছেন কিছু!
.
বি.দ্র. ঘানুশির ইসলাম ও গণতন্ত্রের বিকৃতের একটা নমুনা দেখেন।

https://www.facebook.com/share/p/1GZKax1xpR/

বি.দ্র. ২ : চরমোনাইয়ের ফজলুল করিম মারুফের ঘানুশি প্রেমের একটা নমুনা হলো, ইসলাম এলজিবিটিদেরও মুসলিমদের সাথে মেনে নেয়!

https://www.facebook.com/share/v/1AdY5ekmp5/
👍331
আমার অনুদিত মুসলিম-অমুসলিম সম্পর্ক বইটি কেনো পড়া দরকার ও বর্তমান সময়ে এর প্রয়োজনীয়তা ভাইয়ের পর্যালোচনায় সংক্ষিপ্তভাবে উঠে এসেছে। আল্লাহ ভাইকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।

https://www.facebook.com/share/p/1C29q6Ee46/
👍17
কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ এখন:

১.
ধর্মপ্রাণ নারী শিক্ষক, চিকিৎসক, পেশাজীবী-দের সমন্বয়ে একটি সম্মিলিত নারী সংগঠন গড়ে তোলা। এইসব গুটিকয়েক লেজকাটা শেয়ালের হুক্কাহুয়া যে বাংলার আপামর নারীর প্রতিনিধিত্ব করে না, সেটা প্রতিষ্ঠা করা। নারীবাদীদের লেজিটিমেসি নষ্ট করতে এটা করা দরকার। এই সংগঠন নানান ইস্যুতে বিবৃতি দিবে। (বয়স্ক নারীদের পর্দার কঠোরতার ব্যাপারে শরীয়তে কিছুটা ছাড় রয়েছে। আমাদের দাওয়াহ থাকবে পরিপূর্ণ পর্দার দিকে। এর মাঝে যে যতটুকু করছেন, তা সহই তার যোগ্যতা ও অবস্থানকে ইসলামের কাজে লাগাতে হবে ড. নাসিমার মতো। দাওয়াতে কোন ছাড় নেই, বাস্তবতাকেও কাজে লাগানো)
২.
রানিং ছাত্রীদের নিয়ে আরেকটি সংগঠন হতে হবে। (এখানেও একই বক্তব্য। পর্দার ব্যাপারটা লক্ষ্য রেখেই। যেসব বোনেরা এখনও পূর্ণ পর্দা করছেন না, তাদেরকে নসীহা-সহ এক্ষেত্রে অগ্রণী রাখা ও পূর্ণ পর্দায় উদ্বুদ্ধ করা)
৩.
যাঁরা ইতোমধ্যে পরিপূর্ণ পর্দা করেন, তারা ব্যাপক অনলাইন প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। ফিমেল-অনলি গ্রুপ, পেইজ থেকে তীব্র নারীবাদ-বিরোধী ন্যারেটিভ গড়ে তুলুন। নিজ যোগ্যতা দক্ষতাকে কাজে লাগান অবসরে।
৪.
নারীবাদী নেত্রী টকশো-তে বললেন: পারিবারিক আইনে ধর্মের 'পাশাপাশি' তারা একটা সিভিল ল' অপশন রাখতে চান। ধর্মহীন সেক্যুলার মেয়েরা যেন অপশনটা ব্যবহার করতে পারে।

ওকে ফাইন, আমরাও দেওয়ানি-ফৌজদারি আইনের পাশাপাশি শরীয়া কোর্ট চাই। আপনারা ০.০০০০০১% হয়ে যদি আলাদা আইন চান, আমরাও ৯০% হয়ে কুরআনের আইন ও শরীয়া আদালত অপশনটা চাই। ধর্মীয় সকল সংগঠন এই আওয়াজটা জোরে তোলা উচিত। আর সকল দাবি রেখে কেবল শরীয়া কোর্ট প্রতিষ্ঠা করতে পারলেও আপনাদের ইসলাম কায়েমের কাজ একশ' বছর এগিয়ে যাবে।
66👍11🔥1
জি, এখানে কোনো নম্রতা আর সুশীলতা নাই, যেমন সেকুলার দুনিয়া সেকুলার আইন প্রতিষ্ঠায় কোনো নম্রতা বা সুশীলতার আলাপ পারে না, জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে। ইসলামও ঠিক তেমনই। এটাই যুক্তির দাবী।
92👍20🔥12❤‍🔥2😁1
মধ্যপ্রাচ্যের দুটো সংখ্যা কর্তৃপক্ষ হাদিয়া পাঠিয়েছে। আল্লাহ তাদের জাযায়ে খায়ের দান করুন।
.
এখন পর্যন্ত এদের হিম্মত ও কাজের মান, উভয়টাই অনেক আশা জাগানিয়া। অল্প বয়স্ক তরুন কিছু ছেলের হিম্মত ও কাজের মান সত্যিই যত দেখছি মুগ্ধ হচ্ছি। আল্লাহ তাদেরকে ইস্তিকামাত দান করুক ও সিরাতে মুস্তাকিমের উপর রাখুন।
.
আমাদের উচিত প্রত্যেকেই যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী মধ্যপ্রাচ্যে কর্তৃপক্ষকে সাহায্য করা—পত্রিকা সংগ্রহ করে, প্রচার করে, পরামর্শ দিয়ে।
98🔥7👍4😁1
বাংলাদেশের একজন শীর্ষ পর্যায়ের আলেমের জিহাদ বিষয়ক লেখা প্রায় ছয়শত পৃষ্ঠার অপ্রকাশিত একটা বই হাতে এসেছে। লেখক এখনো পর্যন্ত কেনো বইটা অপ্রকাশিত রেখেছে, এটা জিজ্ঞালা করলে লেখকের শাগরেদ জানান, সমালোচনা হওয়ার ভয়।
.
বইটির উল্লেখযোগ্য অংশ নেড়েচেড়ে দেখার পর যেটা বুঝলাম, বাস্তবিকই লেখক প্রচুর সমালোচনার স্বীকার হবে! কারণ বইটিতে ঘুরে ফিরে সেই একই আলাপ, শাসক ছাড়া জিহাদ করা যাবে না, বাংলাদেশ দারুল ইসলাম, জিহাদের জন্য ইমাম, বাইতুল মাল, দারুল কাজা(?) শর্ত
!
খুবই আফসোস লাগলো বইটির জায়গাগুলো দেখে!
.
যাইহোক, বইতে লেখক বিভিন্ন দিকের প্রচুর নস জমা করেছেন। বিভিন্ন বিষয় এক জায়গায় পাওয়া যাবে, এতটুকু ফায়দা হয়েছে বইটি সংগ্রহ করে!


লেখক জিহাদ বিষয়ক প্রচুর মুতালাআ করেছেন এটা বই থেকে স্পষ্ট।
👍57
কোনো প্রমাণ নাই তবে পাক আর্মির পিছনের রেকর্ড থেকে যদি বলি তাহলে এতটুকু বলতে পারি, মাসুদ আযহারের পরিবারের কুরবানি পাক আর্মি দিয়েছে। আর মাসুদ আযহার সাহেব পাক আর্মিকে ভরসা করে আরো একবার ম্রা খাইলো!
👍38🤮2😡2
দুঃখজনক হলেও জাশির ভাইদের বিশ্লেষণ এমনই। অথচ তারা নিজেদের এদেশের সবচেয়ে এক্সপার্ট মনে করে!
👍30🤣13
বয়কটের শরয়ী বিধান.pdf
422.4 KB
বয়কট নিয়ে তো কত লেখা পড়লেন কিন্তু ফিকহি গভিরতা ও ঈমানি গাইরাতের এই সমন্বয় বর্তমান পৃথিবীতে মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান হাফিজাহুল্লাহকে অনন্য করে দিচ্ছেন।
.
বয়কট সংক্রান্ত মাসআলা বলার সময় বেশ সংখ্যক আলেমগণ কিছু ভুল বলেন। সেই ভুলগুলো কী, এবং সেগুলোর ফিকহি দৃষ্টিতে সমাধান কী, এটা খুবই চমৎকার ভাবে তুলে ধরেছেন মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান হাফিজাহুল্লাহ।

প্রত্যেক ইফতার তালেবে ইলমদের এই লেখাটি অবশ্যই পড়া দরকার।
👍285🥰3
লিবিয়ার প্রধান মুফতির এই ফতোয়াটা গুরুত্বপূর্ণ।
//গাজায় মুজা হি দদের সাহায্যে যারাই বাধা সৃষ্টি করবে তারাই ইহুদিদের সহযোগী হিসেবে গন্য হবে।//

কাফেরের সহযোগী কাফের হবে কি না, এই বিষয়ে ইখতিলাফ থাকলেও কাফেরের সহযোগিদের সাথে যুদ্ধ করা, তাদের হত্যা করার বিষয়ে ফকিহদের মাঝে কোনো ইখতিলাফ নেই।
.
আর এটা স্পষ্ট মনে রাখতে হবে, এই ফতোয়া শুধুই মিশর ও জর্ডানের সাথেই খাস নয়। মুসলিম প্রধাণ যেকোনো ভুমির শাসক ও সেনাবাহিনীর সাথেই প্রযোজ্য
95👍14
বলেছিলাম, মাসুদ আযহারের পরিবারের কুরবানি নাপাক আর্মি দিয়েছে, এখন টিটিপিও তাই বলতেছে! হাহা!
.
এই নাপাক বাহিনির সমর্থন না দেওয়ার কারণে অনেকে তালেবদের গালি দিচ্ছে, এরা নাকি আবার এক্সপার্ট!
👍32👎10😱7🖕1
মুসলিম বিশ্বে হাজার বছরের ইতিহাসে পাকিস্তান আর্মির মত এত গোছালো ও মুনাজ্জাম সেনাবাহিনী আর আসে নাই। কেউ চাইলে আসুক আমার সাথে এই বিষয়ে বহস করতে আমি তৈয়ার আছি৷

-মুফতি আব্দুর রহিম
মুহতামিম জামিয়াতুর রশিদ

(এরপরও এই লোককে দালাল বলা যাবে না, কেনো? উনি আমার ঘরোনার আকাবির! হাহা)
😁59😢102
পাকিস্তানের রশিদিয়া মাদরাসার উস্তাদরা ব্যাপকভাবে আর অন্যান্য কিছু নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিরাও ভারত পাকিস্তানের মারামারি লাগার পরে গাযওয়াতুল হিন্দের আলোচনা, হাদিসের ভবিষ্যৎ বানী নিয়ে আলাপ শুরু করে দিছেন। এই বিষয়ে একাধিক ভিডিওও তৈরি করে ফেলেছেন কেউ কেউ।
.
যাইহোক এই হাদিস নিয়ে আলোচনা করা তো সমস্যা না। তবে নাম বলবো না, বাংলাদেশের বেশ কিছু আহলে ইলম গাজওয়াতুল হিন্দ সংক্রান্ত হাদিসগুলো ব্যাপক দূর্বল ও এই হাদিস দিয়ে জিহাদের আহবানকে একটা ফিতনাবাজি বলে থাকে।যখন আলোচনাটা বিভিন্ন জিহাদি দলের পক্ষ থেকে হয়। এবং অনেকে তো বেশ তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে, জিহাদিদের ইলম সাতহিও বলে থাকেন, এই হাদিস সামনে রেখে জিহাদের দিকে আহবান করার কারণে। এবং এটাকে একটা দায়িত্বও মনে করেন।

কিন্তু এখন তাদের সকলকেই দেখতেছি একদম মুখে কুলুপ এটে বসে আছেন! জানি না, কেন? এখন কী ইলমি আমানত হিসেবে কী অন্তত বলা দরকার না, এই হাদিস দিয়ে এভাবে জিহাদের আহবান করা ঠিক হবে না!
.
গাযওয়াতুল হিন্দ সম্পর্কে জানতে এই পিডিএফটি পড়তে পারেন।

https://t.me/abdullahbinbashir/623
53👍9👎1😁1