কালিমার পতাকার প্রতি যে ন্যারিটিভ এদেশে ও বৈশ্বিকভাবে হয়ে আছে তা ভাঙ্গা দরকার। কিন্তু এই ন্যারিটিভ ভাঙ্গতে গিয়ে কোনো নির্ভরযোগ্য দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে আক্রমণ করা তার সামগ্রিক কল্যাণকর কাজগুলোর ব্যাপারে মানুষকে অনাস্থাশীল করাটা উচিত নয়।
.
একই কাজ ব্যক্তির সামগ্রিক জীবনের দিকে লক্ষ্য করে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা হয়, এটাই হলো উসুলের দাবী। মনে করেন, মিশরের ইসলামের শত্রু সিসিসহ জাতী রাষ্ট্রগুলো ফিলিস৩এ আক্রমণ পরিচালনা করছে না আবার তালেবরাও করছে না৷ এই দুটোকে কী আমরা এক পাল্লায় রাখবো? স্বাভাবিক কখনোই না। তার কারণ তালেবদের সামগ্রিক জীবন ও কর্মপন্থা আমাদের জানা এবং মুসলিম নামধারী শাসকগুলোর কর্মপন্থাও আমাদের জানা।
.
কেউ কালিমার পতাকা নিষেধ করা মানি অবশ্যই আব্বো মাইন্ড করবে, আবার কারো নিষেধ করার কোনো যুক্তিযুক্ত কারণ আছে, এটাও আমাদের মাথায় রাখতে হবে।
.
আর আমার কাছে পুরো ইস্যুটা এভাবে মনে হচ্ছে, দায়ীত্বশীলরা পতাকা মানা করছে, কৌশল হিসেবেই, যেনো অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটে গেলে তারা সেকুলার প্রশাসকদের এটা দেখাতে পারে, আমরা তো না করেছি। কিন্তু কেউ পতাকা নিয়ে গেলে তাকে সেখানে বাধা দেওয়া হবে বলে মনে হচ্ছে না।
.
একই কাজ ব্যক্তির সামগ্রিক জীবনের দিকে লক্ষ্য করে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা হয়, এটাই হলো উসুলের দাবী। মনে করেন, মিশরের ইসলামের শত্রু সিসিসহ জাতী রাষ্ট্রগুলো ফিলিস৩এ আক্রমণ পরিচালনা করছে না আবার তালেবরাও করছে না৷ এই দুটোকে কী আমরা এক পাল্লায় রাখবো? স্বাভাবিক কখনোই না। তার কারণ তালেবদের সামগ্রিক জীবন ও কর্মপন্থা আমাদের জানা এবং মুসলিম নামধারী শাসকগুলোর কর্মপন্থাও আমাদের জানা।
.
কেউ কালিমার পতাকা নিষেধ করা মানি অবশ্যই আব্বো মাইন্ড করবে, আবার কারো নিষেধ করার কোনো যুক্তিযুক্ত কারণ আছে, এটাও আমাদের মাথায় রাখতে হবে।
.
আর আমার কাছে পুরো ইস্যুটা এভাবে মনে হচ্ছে, দায়ীত্বশীলরা পতাকা মানা করছে, কৌশল হিসেবেই, যেনো অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটে গেলে তারা সেকুলার প্রশাসকদের এটা দেখাতে পারে, আমরা তো না করেছি। কিন্তু কেউ পতাকা নিয়ে গেলে তাকে সেখানে বাধা দেওয়া হবে বলে মনে হচ্ছে না।
👍53❤25
আপনি একদল মানুষকে পছন্দ করেন না, তারা ট্রল করে, তারা মানুষকে নিয়ে আলেমদের নিয়ে ব্যাঙ্গ করে। অথচ আপনি তাদের কাউন্টার দিচ্ছেন ট্রল আর ব্যাঙ্গাত্মক শব্দ দিয়ে।
.
কী করছেন, তা নিয়ে একটু ভাবেন।
.
কী করছেন, তা নিয়ে একটু ভাবেন।
👍36❤3
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
আল্লাহ এদেশে মেঙ্গল সাহেবের মত একজন গাইরাতবান আলেম দান করুন। আমীন।
.
নোট: করাচির মৌলবি দ্বারা সম্ভবত রশিদিয়ার মুফতি আব্দুর রহিম উদ্দেশ্য। (কিছু বলার নাই আপাতত)
.
নোট: করাচির মৌলবি দ্বারা সম্ভবত রশিদিয়ার মুফতি আব্দুর রহিম উদ্দেশ্য। (কিছু বলার নাই আপাতত)
❤54🔥12👍2👎1🥰1
রাজু চত্বরে কালেমার পতাকা, একটু পরপর জি হা দের স্লোগান! এদিকে শাহবাগিরা পোষ্ট দিয়ে কান্না করবে তাও পারতেছে না!
.
শাহবাগিদের নিরব কান্না দেখার কী আজ কেউ নাই? হিউম্যানিটি কী আজ শেষ হয়ে গেলো পৃথিবী থেকে?
.
শাহবাগিদের নিরব কান্না দেখার কী আজ কেউ নাই? হিউম্যানিটি কী আজ শেষ হয়ে গেলো পৃথিবী থেকে?
❤55😁24🔥16👀7🥰4💔2
মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব হাফি. এর
আজকের এক আজীব কারগুজারি।
বাইতুল মুকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেক হাফি. প্রোগ্রাম শেষ হবার পর স্টেজে বসে আছেন। গেস্ট সবাই চলে গেছেন একা উনিই বসা। শরীর অনেকটা অসুস্থ। সর্বশেষ উনাকে নিয়ে মন্দির গেইটে যাওয়া হয় পায়ে হেঁটে। সেখান থেকে বায়তুল মোকাররম যাবেন কিন্তু একটা গাড়িও নেই, রিক্সাও পাওয়া যাচ্ছেনা।
অনেক কষ্টের পর একটা ছোট ভ্যান পাওয়া যায়। মুফতি আব্দুল মালেক হাফি. চালকের কাছে গিয়ে বলতেছেন ভাই কষ্ট হবে, যেতে পারবেন?!
অবশেষে হুজুর সাধারণ মানুষের মতো ভ্যানে বসে বায়তুল মোকাররম গেইটে আসেন আমাদের আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবকরা দৌড়ে হুজুরের সাথে বায়তুল মোকাররম গেইটে আসেন। হুজুর ভ্যান থেকে নামলেন পকেট থেকে একটা টাকার খাম বের করে ভ্যান চালকের হাতি দিয়ে আস্তে করে বললেন ভাই এগুলো আমাদের পক্ষ থেকে আপনাকে হাদিয়া!
সম্ভবত টাকাগুলো সভাপতি হিসেবে আজকে দেওয়া হয়েছে কিন্তু হুজুর খাম খোলেও দেখেননি!
কতটা দুনিয়া বিমুখ একটু চিন্তা করুন!
বারাকাল্লাহু ফি হায়াতিহ।
©সালিকুর রাহমান
আজকের এক আজীব কারগুজারি।
বাইতুল মুকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেক হাফি. প্রোগ্রাম শেষ হবার পর স্টেজে বসে আছেন। গেস্ট সবাই চলে গেছেন একা উনিই বসা। শরীর অনেকটা অসুস্থ। সর্বশেষ উনাকে নিয়ে মন্দির গেইটে যাওয়া হয় পায়ে হেঁটে। সেখান থেকে বায়তুল মোকাররম যাবেন কিন্তু একটা গাড়িও নেই, রিক্সাও পাওয়া যাচ্ছেনা।
অনেক কষ্টের পর একটা ছোট ভ্যান পাওয়া যায়। মুফতি আব্দুল মালেক হাফি. চালকের কাছে গিয়ে বলতেছেন ভাই কষ্ট হবে, যেতে পারবেন?!
অবশেষে হুজুর সাধারণ মানুষের মতো ভ্যানে বসে বায়তুল মোকাররম গেইটে আসেন আমাদের আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবকরা দৌড়ে হুজুরের সাথে বায়তুল মোকাররম গেইটে আসেন। হুজুর ভ্যান থেকে নামলেন পকেট থেকে একটা টাকার খাম বের করে ভ্যান চালকের হাতি দিয়ে আস্তে করে বললেন ভাই এগুলো আমাদের পক্ষ থেকে আপনাকে হাদিয়া!
সম্ভবত টাকাগুলো সভাপতি হিসেবে আজকে দেওয়া হয়েছে কিন্তু হুজুর খাম খোলেও দেখেননি!
কতটা দুনিয়া বিমুখ একটু চিন্তা করুন!
বারাকাল্লাহু ফি হায়াতিহ।
©সালিকুর রাহমান
❤203🔥15👍10💯2
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
এই ভিডিও দেখে আমার অনুভূতি, হারুন ইজহার সাহেবের নামে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দেওয়া হোক।
❤91🔥7😁5👍4
এই চ্যানেলটা মাদরাসার তালেবে ইলম ভাইরা নিয়মিত শুনতে পারেন৷
https://youtu.be/Dg94Rvcofyc?si=QdB2CU3MBWjhS5Oi
https://youtu.be/Dg94Rvcofyc?si=QdB2CU3MBWjhS5Oi
YouTube
سنكين فاتح.. مسيرة الرجل الذي أذل أمريكا.
Enjoy the videos and music you love, upload original content, and share it all with friends, family, and the world on YouTube.
❤36👍6
ড. আয়মান এক ভিডিওতে বলেছিলেন, ফিলিস৩ এবং ডারতের পরিণতি ও করনীয় একই।
.
সশস্ত্র প্রতিরোধের সামর্থ্য না থাকা আর ইচ্ছা না থাকা বা ইচ্ছা বাস্তবায়নের জন্য সামর্থ্যের মধ্যে কিছু করতে না থাকা, এই দুয়ের মাঝে রয়েছে আকাশ পাতাল পার্থক্য।
.
মূলত জি হা দের কথা যারা বলে, তাদের আর অন্যদের মৌলিক ইখতিলাফ এখানেই।
.
সশস্ত্র প্রতিরোধের সামর্থ্য না থাকা আর ইচ্ছা না থাকা বা ইচ্ছা বাস্তবায়নের জন্য সামর্থ্যের মধ্যে কিছু করতে না থাকা, এই দুয়ের মাঝে রয়েছে আকাশ পাতাল পার্থক্য।
.
মূলত জি হা দের কথা যারা বলে, তাদের আর অন্যদের মৌলিক ইখতিলাফ এখানেই।
👍57❤28
আরবদের মাধ্যমেই আল্লাহ ফিলিস৩ মুক্তি করাবেন এমন কোনো ওয়াদা নাই। আল্লাহর ওয়াদা হলো মুমিনদের সাথে। সুতরাং, বঙ্গদেশের একজন মুসলমানও হতে পারে বাইতুল মাকদিস বিজেতা।
.
আজ থেকে নিজেকে, নিজের সন্তানকে নিজের অধিনস্তদের এই কথার উপর বড় করুন, তোমাকে ফিলিস৩ বিজয় করতে হবে। আর এক্ষেত্রে ছেলেদের থেকে বড় ভূমিকা রাখতে হবে আমাদের বোন-মায়েদের।
.
মুসলমানদের এখন শুধু একটিই আলোচনা একটিই লক্ষ্য, বাইতুল মাকদিস বিজয় করতে হবে। এরপথে যেই বাধা হবে, চাই তা ব্যক্তি হোক বা রাষ্ট্র সব আমরা উপড়ে ফেলবো।
.
আজ থেকে নিজেকে, নিজের সন্তানকে নিজের অধিনস্তদের এই কথার উপর বড় করুন, তোমাকে ফিলিস৩ বিজয় করতে হবে। আর এক্ষেত্রে ছেলেদের থেকে বড় ভূমিকা রাখতে হবে আমাদের বোন-মায়েদের।
.
মুসলমানদের এখন শুধু একটিই আলোচনা একটিই লক্ষ্য, বাইতুল মাকদিস বিজয় করতে হবে। এরপথে যেই বাধা হবে, চাই তা ব্যক্তি হোক বা রাষ্ট্র সব আমরা উপড়ে ফেলবো।
❤104🔥17👍8😁1🫡1
মাওলানা গুনবি সাহেব মুখলিস একজন দায়ী। মাশা-আল্লাহ উনাদের সম্মেলিত মেহনতে এই বছর এই মাদরাসায় চারজন পাহাড়ি নওমুসলিম ভাই ফরজে আইন বিভাগে ভর্তি হয়েছে। যাদের থাকা খাওয়া সম্পূর্ণ মাদরাসার জিম্মায়।
একথা বলার উদ্দেশ্য হলো মাঠপর্যায়ে উনাদের অভিজ্ঞতাগুলোকেই উনারা সপ্তাহিক এই দাওয়াহ তাদরিবে তালেবে ইলম ভাইদের শিখাবেন। তাই আগ্রহী ও সময় আছে এমন তালেবে ইলম ভাইরা মিস দিয়েন না।
বি.দ্র. : উক্ত তাদরিবে পশ্চিমা সভ্যতা নিয়ে ইনশাআল্লাহ কোনো এক শুক্রবার আমার কিছু মুজাকারা করার তাওফিক হবে ইনশাআল্লাহ।
একথা বলার উদ্দেশ্য হলো মাঠপর্যায়ে উনাদের অভিজ্ঞতাগুলোকেই উনারা সপ্তাহিক এই দাওয়াহ তাদরিবে তালেবে ইলম ভাইদের শিখাবেন। তাই আগ্রহী ও সময় আছে এমন তালেবে ইলম ভাইরা মিস দিয়েন না।
বি.দ্র. : উক্ত তাদরিবে পশ্চিমা সভ্যতা নিয়ে ইনশাআল্লাহ কোনো এক শুক্রবার আমার কিছু মুজাকারা করার তাওফিক হবে ইনশাআল্লাহ।
❤51🔥10👍9😁2
আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাতের মাঝে ‘আল্লাহর আইন ছাড়া অন্য আইনে শাসন’-এর ক্ষেত্রে এই বিষয়ে কোনো ইখতিলাফ নেই যে, কেউ যদি আল্লাহর আইনকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে, অথবা আল্লাহর আইন থেকে অন্য আইনকে প্রাধান্য দেয় বা আল্লাহর আইন থেকে অন্য আইনকে উত্তম মনে করে তাহলে তারা কা*ফে*র হয়ে যাবে।
সুতরাং, প্রধান উপদেষ্টা বরাবর আজকে যারা এই প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, “ধর্মীয় বিধান থাকার কারণে নারীরা বৈষম্যের স্বীকার” তারা পূর্বে থেকে ঈমানদার হয়ে থাকলে এই কথার কারণে ঈমানে গণ্ডি থেকে বের হয়ে গেছে, এটাই উসুলের দাবী। নির্দিষ্ট কারো ক্ষেত্রে শরয়ী উসুল পাওয়া গেলে তা ভিন্ন।
সুতরাং, প্রধান উপদেষ্টা বরাবর আজকে যারা এই প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, “ধর্মীয় বিধান থাকার কারণে নারীরা বৈষম্যের স্বীকার” তারা পূর্বে থেকে ঈমানদার হয়ে থাকলে এই কথার কারণে ঈমানে গণ্ডি থেকে বের হয়ে গেছে, এটাই উসুলের দাবী। নির্দিষ্ট কারো ক্ষেত্রে শরয়ী উসুল পাওয়া গেলে তা ভিন্ন।
❤58👍21
ইসলাম ও ঈমানের একমাত্র দাবি হলো কু'ফর ও আহলে কুফ'রদের সাথে বন্ধুত্ব ও ভালোবাসা পরিহার করা। অর্থাৎ যদি কোনো ব্যক্তি বাস্তব অর্থে ইসলাম এবং ঈমানের সৌভাগ্যে দীক্ষিত হয়, তাহলে সে কু'ফর ও আহলে কুফ'রদের সাথে বন্ধুত্ব ও ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারে না। কু'ফর ও ঈ'মান বিপরীতমুখী দুই জিনিস, যেখানে একটির প্রতি ভালোবাসা অন্যটির প্রতি ঘৃণা জন্মায়।
বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক
লেখক : মুফতি উবাইদুর রহমান
অনুবাদ : আব্দুল্লাহ বিন বশির
চেতনা প্রকাশন। ভাবনায় বিশুদ্ধতা
বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক
লেখক : মুফতি উবাইদুর রহমান
অনুবাদ : আব্দুল্লাহ বিন বশির
চেতনা প্রকাশন। ভাবনায় বিশুদ্ধতা
❤56👍8
যৌনকর্মীদের শ্রমিক হিসেবে 'মর্যাদা' দেওয়ার ব্যাপারটা 'মানবিকতা' হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও ব্যাপারটা শতভাগ অর্থনৈতিক।
সেক্স ইন্ডাস্ট্রি অনেক বড় একটা ইন্ডাস্ট্রি। আমরা হয়তো গলিঘুপচির নিম্নশ্রেণির পতিতালয়ের বাইরে এর পরিসর চিন্তা করছি না কিন্তু যেসব দেশে এই ইন্ডাস্ট্রি আছে এটা কল্পনাতীত আকার ধারণ করেছে। ব্রথেল, পর্নোগ্রাফি, অনলাইন প্রস্টিটিউশন, ক্যামিং, ক্লাবিং, সেক্স-টয় সহ অ্যাডাল্ট এন্টারটেইনমেন্ট সম্পর্কীত শত শত সেক্সুয়াল সার্ভিস আর প্রোডাক্ট আছে এই ইন্ডাস্ট্রিতে। এই ইন্ডাস্ট্রি থেকে 'বৈধ'ভাবেই অ্যামেরিকা ও ইউরোপিয়ান দেশের সরকারগুলো মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার ট্যাক্স লাভ করে। আর যারা এই ইন্ডাস্ট্রি চালায় তাদের পকেট তো ভারি হয়ই।
সেকুলার সিস্টেমে ভালো-মন্দের বিবেক বলে কিছু থাকতে নেই। অর্থপ্রবাহের সম্ভাবনা আছে এমন যেকোনো কিছুকে সে এক্সপ্লয়েট করে পূজনীয় বানায়। এজন্য সে সেক্সকে ঘিরে বিরাট ইন্ডাস্ট্রি বানিয়ে ফেলেছে। একান্ত গোপন, ব্যক্তিগত, নৈতিক একটা বিষয়, যেটা মানুষের খুব জৈবিক চাহিদা -- সেটাকে সে জঘন্যভাবে এক্সপ্লয়েট করেছে। এজন্য লজ্জা, গোপনীয়তা, লয়ালটি, সামাজিক দায়বদ্ধতা সবকিছুকে এক পাশে ঠেলে সেক্সকে বিক্রয়যোগ্য পণ্যে পরিণত করেছে। এটার জন্য আর্থিক, আত্মিক, মানসিক আর সামাজিক চড়া মূল্য দেয় বেশিরভাগ মানুষ আর পকেট ভারি করে এই সমাজের 'দেবতারা'৷ এই প্রচণ্ড অমানবিক বিষয়টার স্বাভাবিকীকরণকে মেনে নিয়েছে প্রগতিশীল পুরোহিতরা।
মানুষের কাছে এই প্রোডাক্ট বিক্রি ও সহজলভ্য করার জন্য সেকুলারিজম আপনার কাছে প্রচার করে 'মানবাধিকার' আর 'প্রগতি'। এই বিষ সরাসরি গিলে ফেললে নারীদেহের সর্বোচ্চ অপমানকে 'শ্রম' হিসেবে স্বীকৃতি দিতে আর বাঁধে না, 'ওনলিফ্যান্স' এ সার্ভিস দেওয়া মেয়েটাকে মনে হয় 'এমপাওয়ারড উম্যান'। অল্প ডোজে এই বিষ পান করলে চোখের সামনে আসা সকল অশ্লীলতা আর অপকর্মকে 'অধিকার' হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া ছাড়া উপায় থাকে না। এই বিষের জাস্ট গন্ধ নিলেও মনে হয় স্ত্রী আর মা হওয়া দুনিয়ার সবচাইতে বড় অকাজ।
এই বিষ মানুষকে দিয়ে মানুষের পূজা করায়। কিন্তু এই পূজাকে যেন মানুষ পূজা না ভেবে প্রগতি মনে করে, সেজন্য আপনার-আমার কিছু 'সংস্কার' প্রয়োজন। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিশ্বাস করতে হবে, 'মানবিকতা' মানে হোলো যৌনকর্মকে 'শ্রম' হিসেবে 'মর্যাদা' দেওয়া। (এক লাইনে অসংখ্য আয়রনি!)
কিন্তু বেইসলাইন রিয়েলিটি হচ্ছে আপনি এই 'মানবিকতা' চর্চা করলে বা এই কাজগুলোকে স্বীকৃতি বা মোরাল লেজিটিমেসি দিলে দেবতাদের ব্যবসা করতে সুবিধা হয়, ইন্ডাস্ট্রির আয়তন বাড়ে, ডিমান্ড-প্রোডাকশন-সাপ্লাই সবই তুঙ্গে উঠে। ক্রাইসিস হ্যান্ডেল না করে সেটাকে জিইয়ে রেখে ব্যবসা কিংবা ক্ষমতার চর্চা করা -- এটা সেকুলার ব্যবস্থার কর্নারস্টোন।
আচ্ছা, কখনও কি এই প্রশ্ন আপনারা করেন না, যে পশ্চিমা সভ্যতা পুরো বিশ্বে সবচে বেশি মানুষ হত্যা করেছে, মানুষের মর্যাদা ভুলুণ্ঠিত করেছে, মানুষের অধিকার সর্বোচ্চ মাত্রায় লঙ্ঘন করেছে, মানুষের ওপর অবর্ণনীয় দখলদারিত্ব চাপিয়েছে, সেই একই সভ্যতা, সেই একই লোকগুলো কেমন করে আপনার কাছে 'মানবিকতা', 'মানবাধিকার', 'সাম্য', 'মর্যাদা', 'স্বাধীনতা' শেখানোর জন্য একটা কল্যাণকামী শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয় কোনো ধান্ধাবাজির নিয়ত ছাড়া? মানে ঠিক কখন তারা তওবা করে ভালো মানুষ আর সভ্যতার পথপ্রদর্শক হয়ে উঠলো আর ওদের থেকেই ভালো-সভ্য মানুষ হওয়া শিখতে হবে?
আমরা এসব প্রস্তাবনা স্রেফ এই কারণে প্রত্যাখ্যান করি না কারণ এগুলো অমুক-তমুক ইসলামী আইনের বিরুদ্ধে যায়। বরং আমরা পশ্চিমাদের পুরো ফাউন্ডেশনাল ফ্রেইমওয়ার্কটাকেই প্রত্যাখ্যান করি। প্রগতি, মানবাধিকার, উন্নয়ন, মর্যাদা বলতে ওরা যা বোঝায় সেসবের কোনোটার সাথে একমত নই।
এই উপলব্ধি থেকেই মুক্তির শুরু।
লেখছেন: জীম তানভির ভাই (হাফিজাহুল্লাহ)
সেক্স ইন্ডাস্ট্রি অনেক বড় একটা ইন্ডাস্ট্রি। আমরা হয়তো গলিঘুপচির নিম্নশ্রেণির পতিতালয়ের বাইরে এর পরিসর চিন্তা করছি না কিন্তু যেসব দেশে এই ইন্ডাস্ট্রি আছে এটা কল্পনাতীত আকার ধারণ করেছে। ব্রথেল, পর্নোগ্রাফি, অনলাইন প্রস্টিটিউশন, ক্যামিং, ক্লাবিং, সেক্স-টয় সহ অ্যাডাল্ট এন্টারটেইনমেন্ট সম্পর্কীত শত শত সেক্সুয়াল সার্ভিস আর প্রোডাক্ট আছে এই ইন্ডাস্ট্রিতে। এই ইন্ডাস্ট্রি থেকে 'বৈধ'ভাবেই অ্যামেরিকা ও ইউরোপিয়ান দেশের সরকারগুলো মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার ট্যাক্স লাভ করে। আর যারা এই ইন্ডাস্ট্রি চালায় তাদের পকেট তো ভারি হয়ই।
সেকুলার সিস্টেমে ভালো-মন্দের বিবেক বলে কিছু থাকতে নেই। অর্থপ্রবাহের সম্ভাবনা আছে এমন যেকোনো কিছুকে সে এক্সপ্লয়েট করে পূজনীয় বানায়। এজন্য সে সেক্সকে ঘিরে বিরাট ইন্ডাস্ট্রি বানিয়ে ফেলেছে। একান্ত গোপন, ব্যক্তিগত, নৈতিক একটা বিষয়, যেটা মানুষের খুব জৈবিক চাহিদা -- সেটাকে সে জঘন্যভাবে এক্সপ্লয়েট করেছে। এজন্য লজ্জা, গোপনীয়তা, লয়ালটি, সামাজিক দায়বদ্ধতা সবকিছুকে এক পাশে ঠেলে সেক্সকে বিক্রয়যোগ্য পণ্যে পরিণত করেছে। এটার জন্য আর্থিক, আত্মিক, মানসিক আর সামাজিক চড়া মূল্য দেয় বেশিরভাগ মানুষ আর পকেট ভারি করে এই সমাজের 'দেবতারা'৷ এই প্রচণ্ড অমানবিক বিষয়টার স্বাভাবিকীকরণকে মেনে নিয়েছে প্রগতিশীল পুরোহিতরা।
মানুষের কাছে এই প্রোডাক্ট বিক্রি ও সহজলভ্য করার জন্য সেকুলারিজম আপনার কাছে প্রচার করে 'মানবাধিকার' আর 'প্রগতি'। এই বিষ সরাসরি গিলে ফেললে নারীদেহের সর্বোচ্চ অপমানকে 'শ্রম' হিসেবে স্বীকৃতি দিতে আর বাঁধে না, 'ওনলিফ্যান্স' এ সার্ভিস দেওয়া মেয়েটাকে মনে হয় 'এমপাওয়ারড উম্যান'। অল্প ডোজে এই বিষ পান করলে চোখের সামনে আসা সকল অশ্লীলতা আর অপকর্মকে 'অধিকার' হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া ছাড়া উপায় থাকে না। এই বিষের জাস্ট গন্ধ নিলেও মনে হয় স্ত্রী আর মা হওয়া দুনিয়ার সবচাইতে বড় অকাজ।
এই বিষ মানুষকে দিয়ে মানুষের পূজা করায়। কিন্তু এই পূজাকে যেন মানুষ পূজা না ভেবে প্রগতি মনে করে, সেজন্য আপনার-আমার কিছু 'সংস্কার' প্রয়োজন। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিশ্বাস করতে হবে, 'মানবিকতা' মানে হোলো যৌনকর্মকে 'শ্রম' হিসেবে 'মর্যাদা' দেওয়া। (এক লাইনে অসংখ্য আয়রনি!)
কিন্তু বেইসলাইন রিয়েলিটি হচ্ছে আপনি এই 'মানবিকতা' চর্চা করলে বা এই কাজগুলোকে স্বীকৃতি বা মোরাল লেজিটিমেসি দিলে দেবতাদের ব্যবসা করতে সুবিধা হয়, ইন্ডাস্ট্রির আয়তন বাড়ে, ডিমান্ড-প্রোডাকশন-সাপ্লাই সবই তুঙ্গে উঠে। ক্রাইসিস হ্যান্ডেল না করে সেটাকে জিইয়ে রেখে ব্যবসা কিংবা ক্ষমতার চর্চা করা -- এটা সেকুলার ব্যবস্থার কর্নারস্টোন।
আচ্ছা, কখনও কি এই প্রশ্ন আপনারা করেন না, যে পশ্চিমা সভ্যতা পুরো বিশ্বে সবচে বেশি মানুষ হত্যা করেছে, মানুষের মর্যাদা ভুলুণ্ঠিত করেছে, মানুষের অধিকার সর্বোচ্চ মাত্রায় লঙ্ঘন করেছে, মানুষের ওপর অবর্ণনীয় দখলদারিত্ব চাপিয়েছে, সেই একই সভ্যতা, সেই একই লোকগুলো কেমন করে আপনার কাছে 'মানবিকতা', 'মানবাধিকার', 'সাম্য', 'মর্যাদা', 'স্বাধীনতা' শেখানোর জন্য একটা কল্যাণকামী শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয় কোনো ধান্ধাবাজির নিয়ত ছাড়া? মানে ঠিক কখন তারা তওবা করে ভালো মানুষ আর সভ্যতার পথপ্রদর্শক হয়ে উঠলো আর ওদের থেকেই ভালো-সভ্য মানুষ হওয়া শিখতে হবে?
আমরা এসব প্রস্তাবনা স্রেফ এই কারণে প্রত্যাখ্যান করি না কারণ এগুলো অমুক-তমুক ইসলামী আইনের বিরুদ্ধে যায়। বরং আমরা পশ্চিমাদের পুরো ফাউন্ডেশনাল ফ্রেইমওয়ার্কটাকেই প্রত্যাখ্যান করি। প্রগতি, মানবাধিকার, উন্নয়ন, মর্যাদা বলতে ওরা যা বোঝায় সেসবের কোনোটার সাথে একমত নই।
এই উপলব্ধি থেকেই মুক্তির শুরু।
লেখছেন: জীম তানভির ভাই (হাফিজাহুল্লাহ)
👍64❤19💯10