এই রমাদানের শুরুতে মারকাযুস সাহওয়াতে সিয়াসাত বিষয়ক দুইদিনের দুটো দরস নেওয়ার তাওফিক হয়েছিলো। এক ভাই দরস সম্পর্কে নিজের একটি মন্তব্য এখানে বলেছেন, তার মন্তব্য কতটুকু যথাযথ আর কতটুকু অতিরঞ্জিত তা জানি না। তবে আপনারা মুনাসিব মনে করলে শুনতে পারেন।
প্রথম মুহাজারা :
https://drive.google.com/file/d/11uun5V--u8bdCX6nTZiHD6vP379jKxBk/view
দ্বিতীয় মুহাজারা :
https://drive.google.com/file/d/13-OJRPneE5MdPcjEBFWP9kVFz7Zzp9bB/view
প্রথম মুহাজারা :
https://drive.google.com/file/d/11uun5V--u8bdCX6nTZiHD6vP379jKxBk/view
দ্বিতীয় মুহাজারা :
https://drive.google.com/file/d/13-OJRPneE5MdPcjEBFWP9kVFz7Zzp9bB/view
❤35👍7🥰5
ইমাম-মুয়াজ্জিনের নামে টাকা তুলে তা মসজিদের কাজে ব্যয় করা
ইদানিং একই সঙ্গে কয়েক জায়গা থেকে প্রশ্ন করা হয়েছে যে, ইমাম ও মুয়াজ্জিন সাহেবকে দিবে বলে অনুদান সংগ্রহ করে তা মসজিদের কাজে খরচ করা বৈধ হবে কি না? হয়তো মসজিদের ফান্ডে অর্থের ঘাটতি থাকায় কর্তৃপক্ষ এমন চিন্তা করে থাকবে।
ইমাম-মুয়াযযিনের কথা বলে উঠানো টাকা তাদের পেছনেই ব্যয় করতে হবে। ঐ টাকা মসজিদের অন্য কোনো কাজে ব্যয় করা জায়েয হবে না। কেননা দাতাগণ যে কাজের জন্য অর্থ দান করেছেন তা সে কাজেই ব্যয় করা জরুরি। তাদের সম্মতি ছাড়া অন্য কাজে তা ব্যয় করা বৈধ নয়।
আর মসজিদের ব্যয়ভার নির্বাহের জন্য মুসল্লিদেরকে সাধারণ ফান্ডে দান করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে হবে। যেন এ খাত থেকেই মসজিদের প্রয়োজনীয় কার্যাবলী আঞ্জাম দেওয়া যায়।
-ইলামুস সাজিদ ৪০১; আলমুহীতুল বুরহানী ৯/১৩৬; ফাতাওয়া খানিয়া ৩/২৯৭; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ২/৪৬১
মুফতি ইমদাদুল্লাহ
জামিয়া হাকিমুল উম্মত
ইদানিং একই সঙ্গে কয়েক জায়গা থেকে প্রশ্ন করা হয়েছে যে, ইমাম ও মুয়াজ্জিন সাহেবকে দিবে বলে অনুদান সংগ্রহ করে তা মসজিদের কাজে খরচ করা বৈধ হবে কি না? হয়তো মসজিদের ফান্ডে অর্থের ঘাটতি থাকায় কর্তৃপক্ষ এমন চিন্তা করে থাকবে।
ইমাম-মুয়াযযিনের কথা বলে উঠানো টাকা তাদের পেছনেই ব্যয় করতে হবে। ঐ টাকা মসজিদের অন্য কোনো কাজে ব্যয় করা জায়েয হবে না। কেননা দাতাগণ যে কাজের জন্য অর্থ দান করেছেন তা সে কাজেই ব্যয় করা জরুরি। তাদের সম্মতি ছাড়া অন্য কাজে তা ব্যয় করা বৈধ নয়।
আর মসজিদের ব্যয়ভার নির্বাহের জন্য মুসল্লিদেরকে সাধারণ ফান্ডে দান করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে হবে। যেন এ খাত থেকেই মসজিদের প্রয়োজনীয় কার্যাবলী আঞ্জাম দেওয়া যায়।
-ইলামুস সাজিদ ৪০১; আলমুহীতুল বুরহানী ৯/১৩৬; ফাতাওয়া খানিয়া ৩/২৯৭; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ২/৪৬১
মুফতি ইমদাদুল্লাহ
জামিয়া হাকিমুল উম্মত
👍47❤13
ঈদ উপলক্ষে পেপসি-কোকাকোলার রমরমা ব্যবসা হয়। মুসলমানের ঈদ, মুসলমানদের পকেট থেকে টাকা দিয়ে মুসলিমদের বিরুদ্ধে বোম্বিং করা হয়।
.
ঈদ উপলক্ষে আমি আবারো জোরালোভাবে পেপসি-কোকাকোলা বয়কট করলাম ইনশাআল্লাহ।
.
ঈদ উপলক্ষে আমি আবারো জোরালোভাবে পেপসি-কোকাকোলা বয়কট করলাম ইনশাআল্লাহ।
❤52👍14💯6
ইজ^রায়েলি এই সৈন্যকে হত্যার অপরাধে(!) তুরস্ক কর্তৃক তিন উজবেক ভাইকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ফেরত পাঠানো এবং তাদেরকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান
.
সংযুক্ত আরব আমিরাতে (UAE) এক সাবেক ইজ^রায়েলি সেনা+রাবাইকে হত্যার জন্য ৩ উজবেক মুসলিম ভাইকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে সে দেশের আদালত। কমেন্টে লিংক.. [১]
ইজ^রায়েল কর্তৃক গাজায় নিষ্ঠুরতম গণহত্যা চলাকালীন সময়ে গত একুশে নভেম্বর ২০২৪ সালে তিন উজবেক ভাই এই ইজ°রা°য়েলি কুকুরকে হত্যা করেছিল।
বীরত্বপূর্ণ এ কাজটি করার পর তিন উজবেক ভাই তুরস্কে পালিয়ে গিয়েছিলেন। তুরস্ক তিনজন ভাইকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ফেরত পাঠায়। [২]
.
উম্মাহর এই ৩ বীর ফোনে তাদের সম্মানিতা মায়ের সাথে বলেছেন,
" ইনশাআল্লাহ আমরা কদরের রাতে শহীদ হচ্ছি। আল্লাহর উপর ভরসা করছি। সবকিছু ভালো হবে ইনশাআল্লাহ। "
.
এই উম্মাহর সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্যগুলোর মধ্যে সম্ভবত এটি অগ্রগণ্য হবে যে, এই উম্মাহ তার ঘরের শত্রুদেরকে চিনে না। এই মুর°তাদ শাসকরাই হচ্ছে উম্মাহর বিজয়ের পথে অন্যতম বড় বাঁধা। এরদোগানের রিদ্দাহ (মুর^তাদ হওয়া) নিয়ে আমার আর্টিকেলটি কমেন্টের লিঙ্ক থেকে পড়ুন। [৩]
©
.
সংযুক্ত আরব আমিরাতে (UAE) এক সাবেক ইজ^রায়েলি সেনা+রাবাইকে হত্যার জন্য ৩ উজবেক মুসলিম ভাইকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে সে দেশের আদালত। কমেন্টে লিংক.. [১]
ইজ^রায়েল কর্তৃক গাজায় নিষ্ঠুরতম গণহত্যা চলাকালীন সময়ে গত একুশে নভেম্বর ২০২৪ সালে তিন উজবেক ভাই এই ইজ°রা°য়েলি কুকুরকে হত্যা করেছিল।
বীরত্বপূর্ণ এ কাজটি করার পর তিন উজবেক ভাই তুরস্কে পালিয়ে গিয়েছিলেন। তুরস্ক তিনজন ভাইকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ফেরত পাঠায়। [২]
.
উম্মাহর এই ৩ বীর ফোনে তাদের সম্মানিতা মায়ের সাথে বলেছেন,
" ইনশাআল্লাহ আমরা কদরের রাতে শহীদ হচ্ছি। আল্লাহর উপর ভরসা করছি। সবকিছু ভালো হবে ইনশাআল্লাহ। "
.
এই উম্মাহর সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্যগুলোর মধ্যে সম্ভবত এটি অগ্রগণ্য হবে যে, এই উম্মাহ তার ঘরের শত্রুদেরকে চিনে না। এই মুর°তাদ শাসকরাই হচ্ছে উম্মাহর বিজয়ের পথে অন্যতম বড় বাঁধা। এরদোগানের রিদ্দাহ (মুর^তাদ হওয়া) নিয়ে আমার আর্টিকেলটি কমেন্টের লিঙ্ক থেকে পড়ুন। [৩]
©
😢61👍21
শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেছে, একটি নিউজ দেখে আম্মাকে জানালাম। আম্মা মুহুর্তে কান্না করে দিয়ে বলতেছে, আগামী বছর আর বাঁচুমনি! পবিত্র রমজান মাস আর পামুনি।
এইদিকে আমার কিছু একটা হারিয়ে ফেলার সামান্যতম অনূভুতিও অন্তরে জাগ্রত হচ্ছে না! কিছু ইলম হয়তো আমার মা-বাবা থেকে অনেক বেশি শিখেছি, কিন্তু আমলের রূহ আর তড়প, জানিনা কবে অর্জন করতে পারবো!
.
ভাইলোক, আজ দোয়া কবুলের রাত, আজকের রাতটা খামখেয়ালীর সাথে না কাটাই। জীবনের হাজারো অপূর্ণতা রয়েছে। আজকে তা আল্লাহর কাছে মঞ্জুরি করিয়ে নিন।
এইদিকে আমার কিছু একটা হারিয়ে ফেলার সামান্যতম অনূভুতিও অন্তরে জাগ্রত হচ্ছে না! কিছু ইলম হয়তো আমার মা-বাবা থেকে অনেক বেশি শিখেছি, কিন্তু আমলের রূহ আর তড়প, জানিনা কবে অর্জন করতে পারবো!
.
ভাইলোক, আজ দোয়া কবুলের রাত, আজকের রাতটা খামখেয়ালীর সাথে না কাটাই। জীবনের হাজারো অপূর্ণতা রয়েছে। আজকে তা আল্লাহর কাছে মঞ্জুরি করিয়ে নিন।
❤87😢21👍3
দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিদের সামনে আজ জাতীয় ঈদগাহে মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব বিশেষভাবে গা*জা ও সেখানের মু]জাহি*দদের জন্য দোয়া চেয়েছেন৷
.
হযরতের মুখে মু*জা*হি]দ শব্দ শুনে এত ভালো লেগেছে, যা বলে বুঝাতে পারবো না।
.
হযরতের মুখে মু*জা*হি]দ শব্দ শুনে এত ভালো লেগেছে, যা বলে বুঝাতে পারবো না।
❤140🔥8👍6
আগামীকাল আমাদের মাদরাসাতু আলীতে ভর্তি ইমতিহান ইনশাআল্লাহ। যে সমস্ত মুহাব্বতের ভাইরা ছাত্র পাঠাবেন বলে যোগাযোগ করেছেন, বা যারা এখানে ভর্তি ইচ্ছা করে রমাদান থেকে যোগাযোগ করেছেন, তারা আগামীকাল যথাসময়ে চলে আসবেন ইনশাআল্লাহ।
.
মাদরাসাতু আলীর জায়গার সীমাবদ্ধতা ও প্রয়োজনীয় যোগ্যতা না থাকার কারণে আমরা দুবছরের বাধ্যতামূলক ইফতা বিভাগ করতে পারছি না৷ তাখাসসুসের শিরোনামে এত অল্প সময়ের পড়াশোনাকে এখানের সকল উস্তাদই অপছন্দ করেন৷ যার ফলে এখানে পুরো ছাত্রদের আরো অধিক পড়াশোনা করার জন্য বিশেষভাবে তারগিব দেওয়া হয়। আলহামদুলিল্লাহ কিছু ফলও আমরা পেয়েছি। যাইহোক, না চাইতেও আমরা যা অপছন্দ করি তা আমাদের করতে হচ্ছে।
.
যেহেতু বাধ্যতামূলক এক বছর রাখতেই হচ্ছি, তাই আমরা যথাসম্ভব চেষ্টা করি এই একবছরে যেনো তালেবে ইলম ভাইদের ইফতার সাথে সাথে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন বিষয়ের জাহালাতগুলোর একটা তালিকা করে দেওয়া যায়, আর দুই একটির সম্পর্কে প্রাথমিক কিছু ধারণা তাদের মধ্যে তৈরি হয়। সে হিসেবেই এখানে সিয়াসাতুশ শারয়িয়্যাহ, হিদায়া থেকে সিয়ার, প্রাচ্যবাদ, পশ্চিমা সভ্যতা ইত্যাদি আরো কিছু বিষয় মুল নেসাবে রয়েছে।
.
আমাদের এক বছরের নেসাবটা বেশ লম্বা, অনেক তালেবে ইলম ভাইরা বলেন, এক বছরে দের বছর/পোনে দুই বছরের পড়া নাকি হয়ে যায়।
.
যাইহোক, যারা আসবেন, তারা একটা বিষয় মাথায় রেখে আসবেন, মাত্র একবছরে আমাদের অনেকগুলো কাজ করতে হয়। চলতে হয় খুব দ্রুত, আমরা চাইলেও কিছুটা দূর্বল ছাত্র নিতে পারি না। কিন্তু অনেক সময় দাখেলা ইমতিহানে যোগ্যদের নির্ণয় সম্ভব হয় না। ফলে ঐ সকল ছাত্র পুরো বছরই বেশ ভালো ভুগান্তিতে থাকেন!
.
.
মাদরাসাতু আলীর জায়গার সীমাবদ্ধতা ও প্রয়োজনীয় যোগ্যতা না থাকার কারণে আমরা দুবছরের বাধ্যতামূলক ইফতা বিভাগ করতে পারছি না৷ তাখাসসুসের শিরোনামে এত অল্প সময়ের পড়াশোনাকে এখানের সকল উস্তাদই অপছন্দ করেন৷ যার ফলে এখানে পুরো ছাত্রদের আরো অধিক পড়াশোনা করার জন্য বিশেষভাবে তারগিব দেওয়া হয়। আলহামদুলিল্লাহ কিছু ফলও আমরা পেয়েছি। যাইহোক, না চাইতেও আমরা যা অপছন্দ করি তা আমাদের করতে হচ্ছে।
.
যেহেতু বাধ্যতামূলক এক বছর রাখতেই হচ্ছি, তাই আমরা যথাসম্ভব চেষ্টা করি এই একবছরে যেনো তালেবে ইলম ভাইদের ইফতার সাথে সাথে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন বিষয়ের জাহালাতগুলোর একটা তালিকা করে দেওয়া যায়, আর দুই একটির সম্পর্কে প্রাথমিক কিছু ধারণা তাদের মধ্যে তৈরি হয়। সে হিসেবেই এখানে সিয়াসাতুশ শারয়িয়্যাহ, হিদায়া থেকে সিয়ার, প্রাচ্যবাদ, পশ্চিমা সভ্যতা ইত্যাদি আরো কিছু বিষয় মুল নেসাবে রয়েছে।
.
আমাদের এক বছরের নেসাবটা বেশ লম্বা, অনেক তালেবে ইলম ভাইরা বলেন, এক বছরে দের বছর/পোনে দুই বছরের পড়া নাকি হয়ে যায়।
.
যাইহোক, যারা আসবেন, তারা একটা বিষয় মাথায় রেখে আসবেন, মাত্র একবছরে আমাদের অনেকগুলো কাজ করতে হয়। চলতে হয় খুব দ্রুত, আমরা চাইলেও কিছুটা দূর্বল ছাত্র নিতে পারি না। কিন্তু অনেক সময় দাখেলা ইমতিহানে যোগ্যদের নির্ণয় সম্ভব হয় না। ফলে ঐ সকল ছাত্র পুরো বছরই বেশ ভালো ভুগান্তিতে থাকেন!
.
❤24👍8
তুফানুল আকসা.pdf
3.1 MB
এখনো পর্যন্ত ফিলিস্তিন ইস্যুতে সবচেয়ে কার্যকরী যে লেখাটি পড়েছি, তা হলো এটি। গতকাল এক ভাই ইনবক্সে বইটি দিয়ে আমার মন্তব্য জানতে চেয়েছেন, আমি শুধু এতটুকুই বলবো, আমার সামর্থ্য থাকলে আমি এই বইটি লিফলেট করে ফ্রি বিতরণ করতাম।
❤141🔥10👍8👏2
ইয়াসির আরাফাত আল হিন্দির ব্যাপারে আল্লাহর ওয়াস্তে আমাকে কেউ জিজ্ঞাসা করবেন না। ওর মত একটা মিথ্যুক আর প্রতারক আর গালিবাজ নিয়ে আমি কিছুই বলতে চাই না। এরকম এক অজানা ফাত্তান নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় আমার নাই। শুধু এতটুকু বলি, সে ইন্ডিয়ায় থাকে, ইন্ডিয়ার মুসলিমরা ইতিহাস সবচেয়ে কঠিন সময় অতিক্রম করছে, তাকে এখনো পর্যন্ত ইন্ডিয়া নিয়ে কোনো লেখা লেখতে দেখেছেন? ওয়াকফ বিলের মত এত বড় ঘটনা ভারতে ঘটলো একটা সাধারন পোষ্টও কী তাকে দিতে দেখেছেন কেউ? অথচ সারাদিন তুরস্কের মধ্য-ট্যাঙ চাটা আর কাইদার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার আর অসম্পূর্ণ তথ্য দেওয়া তার একমাত্র এজেন্ডা!
.
মুফতি তাকী উসমানি হাফিজাহুল্লাহর ব্যাপারে কেউ অযাচিত* শব্দ দিয়ে ফেসবুকে পোষ্ট দিলে ফেসবুকে প্রসিদ্ধ আদাবুল ইখতিলাফের ডিলাররা সব উল্টায়া ফেলেন, যারা করেন তাদের থেকে বারাআতের জন্য হুলস্থুল বাধিয়ে ফেলেন, অথচ এই হিন্দি ছেলেটা সারাটাদিন ওসামা রহিমাহুল্লাহসহ অসং্খ্য মুজা হি দ দের ব্যাপারে আবোলতাবোল বকতেই থাকে, কোই আদাবুল ইখতিলাফের ঠিকাদার ভাইরা তো কোনোদিন এই মিথ্যুক ফিতনাবাজ থেকে বারায়াত করেন নাই! তার পোষ্টের বিরোধিতা করেন নাই? বরং এই হিন্দির সাথে দহরম মহরম, তারে প্রমোট করাসহ তার বই এদেশ থেকে ছাপানোর জন্য বহু ভাইরা কত প্রচেষ্টা!
.
বাস্তবতা হলো, ফেসবুকের কথিত আদাবুল ইখতিলাফের ঝান্ডাবাহীদের অধিকাংশগুলোই আমার দেখামতে মাসলাকবাজ। এদের পুরো আদব শুধুই এবং শুধু মাসলাকের পক্ষে। মাসলাকের ভিন্ন আলেম হোক বা মুজা হি দ, তাদের নিয়ে নোংরা গালিগালাজ করলেও এই আদাবুল ইখতিলাফের ঝান্ডাবাহীদের চেতনা দণ্ডে দাঁড়ায় না।
.
*নির্ভরযোগ্য ও উম্মাহের কল্যাণকামী যেকোনো ব্যক্তি নিয়ে অযাচিত কথাবার্তা বলা তাদের ইজ্জত নষ্ট করার জন্য অযথা সমালোচনা করা সবটাই নিন্দনীয়। এমন কাজ যেই করুক, আমরা সেগুলোর বিরোধিতা করি এবং করতে থাকবো ইনশাআল্লাহ।
.
মুফতি তাকী উসমানি হাফিজাহুল্লাহর ব্যাপারে কেউ অযাচিত* শব্দ দিয়ে ফেসবুকে পোষ্ট দিলে ফেসবুকে প্রসিদ্ধ আদাবুল ইখতিলাফের ডিলাররা সব উল্টায়া ফেলেন, যারা করেন তাদের থেকে বারাআতের জন্য হুলস্থুল বাধিয়ে ফেলেন, অথচ এই হিন্দি ছেলেটা সারাটাদিন ওসামা রহিমাহুল্লাহসহ অসং্খ্য মুজা হি দ দের ব্যাপারে আবোলতাবোল বকতেই থাকে, কোই আদাবুল ইখতিলাফের ঠিকাদার ভাইরা তো কোনোদিন এই মিথ্যুক ফিতনাবাজ থেকে বারায়াত করেন নাই! তার পোষ্টের বিরোধিতা করেন নাই? বরং এই হিন্দির সাথে দহরম মহরম, তারে প্রমোট করাসহ তার বই এদেশ থেকে ছাপানোর জন্য বহু ভাইরা কত প্রচেষ্টা!
.
বাস্তবতা হলো, ফেসবুকের কথিত আদাবুল ইখতিলাফের ঝান্ডাবাহীদের অধিকাংশগুলোই আমার দেখামতে মাসলাকবাজ। এদের পুরো আদব শুধুই এবং শুধু মাসলাকের পক্ষে। মাসলাকের ভিন্ন আলেম হোক বা মুজা হি দ, তাদের নিয়ে নোংরা গালিগালাজ করলেও এই আদাবুল ইখতিলাফের ঝান্ডাবাহীদের চেতনা দণ্ডে দাঁড়ায় না।
.
*নির্ভরযোগ্য ও উম্মাহের কল্যাণকামী যেকোনো ব্যক্তি নিয়ে অযাচিত কথাবার্তা বলা তাদের ইজ্জত নষ্ট করার জন্য অযথা সমালোচনা করা সবটাই নিন্দনীয়। এমন কাজ যেই করুক, আমরা সেগুলোর বিরোধিতা করি এবং করতে থাকবো ইনশাআল্লাহ।
❤52👍15🔥1
একটা কমন কথা সবসময় শুনে থাকবেন, ‘আলেমরা জি হা দের ডাক দিক। সবার সামনের কাতারে আমরাই থাকবো’।
.
ইন্টারন্যাশনাল মুফতি সাহেবরা জি হা দের ফতোয়া দিলো, কোই কারো কোনো সারাশব্দ দেখেছেন? দেখবেনও না। এক্ষেত্রে সাইদ আহমদ পালনপুরী রহিমাহুল্লাহের কথাটা মনে রাখবেন, ‘যারা করতে চায়, তারা ফতোয়ার আশায় বসে থাকে না, আর যারা করবো না, তারাই সারদিন জিজ্ঞাসা করে, জি হা দ ফরজ হয়েছে কি না’। (সারমর্ম কথা এটাই)
.
বরং ফতোয়ার পর উলটো চিত্র দেখা গেছে, মিশরের আলেম এই ফতোয়ার খণ্ডনে লিপ্ত হয়ে গেছে! জি, এটাই বাস্তব। এমনটাই হবে। আলেমদের জি হা দের ফতোয়ার আশায় বসে থাকবেন, আর যখন আসবে, তখন হয় বেকার বসে থাকবেন, আর নাহয় ফতোয়া ভুল বলে সেই আলেমদের বিরোধিয় লিপ্ত হবে, অত জযবা বলে উড়িয়ে দিবেন!
.
জি হা দ শুধু ডাক দেওয়ার বিষয় না। এটা একটা দীর্ঘ প্রস্তুতির বিষয়, এজন্যই আল্লাহ বলেছেন, যদি বাস্তবিকই তাদের জি হা দে বের হওয়ার ইচ্ছা থাকতো, তাহলে অবশ্যই তারা কিছু না কিছু প্রস্তুতি নিয়ে রাখতো। এই আয়াত পড়লে নিজেকে মুনাফিক ছাড়া কিছুই মনে হয় না। আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করুক।
.
ইন্টারন্যাশনাল মুফতি সাহেবরা জি হা দের ফতোয়া দিলো, কোই কারো কোনো সারাশব্দ দেখেছেন? দেখবেনও না। এক্ষেত্রে সাইদ আহমদ পালনপুরী রহিমাহুল্লাহের কথাটা মনে রাখবেন, ‘যারা করতে চায়, তারা ফতোয়ার আশায় বসে থাকে না, আর যারা করবো না, তারাই সারদিন জিজ্ঞাসা করে, জি হা দ ফরজ হয়েছে কি না’। (সারমর্ম কথা এটাই)
.
বরং ফতোয়ার পর উলটো চিত্র দেখা গেছে, মিশরের আলেম এই ফতোয়ার খণ্ডনে লিপ্ত হয়ে গেছে! জি, এটাই বাস্তব। এমনটাই হবে। আলেমদের জি হা দের ফতোয়ার আশায় বসে থাকবেন, আর যখন আসবে, তখন হয় বেকার বসে থাকবেন, আর নাহয় ফতোয়া ভুল বলে সেই আলেমদের বিরোধিয় লিপ্ত হবে, অত জযবা বলে উড়িয়ে দিবেন!
.
জি হা দ শুধু ডাক দেওয়ার বিষয় না। এটা একটা দীর্ঘ প্রস্তুতির বিষয়, এজন্যই আল্লাহ বলেছেন, যদি বাস্তবিকই তাদের জি হা দে বের হওয়ার ইচ্ছা থাকতো, তাহলে অবশ্যই তারা কিছু না কিছু প্রস্তুতি নিয়ে রাখতো। এই আয়াত পড়লে নিজেকে মুনাফিক ছাড়া কিছুই মনে হয় না। আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করুক।
🔥77👍26😢19❤5👏1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ওলীপুরী সাহেব এগুলো কী বলে!
.
এই কথাগুলো লিখিত সংরক্ষণ রাখা প্রয়োজন, নাহলে একসময় এগুলো হারিয়ে যাবে আর একদল মৌলভি আবার তাদের বিকৃতি করেই যাবে।
.
এই কথাগুলো লিখিত সংরক্ষণ রাখা প্রয়োজন, নাহলে একসময় এগুলো হারিয়ে যাবে আর একদল মৌলভি আবার তাদের বিকৃতি করেই যাবে।
❤81🔥22👍3
মিশরের আলেমদের দরবারী ফতোয়ার বিরুদ্ধে সারা পৃথিবীর আলেমরাই লেখা শুরু করেছে আলহামদুলিল্লাহ।
.
এই লেখাটা সকল তালেবে ইলম ভাইদের পড়ার আহবান রইলো। কেউ যদি দ্রুত অনুবাদ করে ফেলতে পারেন তাহলে অনেক উপকার হবে। জাযাকাল্লাহ খাইরান।
https://www.facebook.com/share/p/15y2KUeefR/
.
এই লেখাটা সকল তালেবে ইলম ভাইদের পড়ার আহবান রইলো। কেউ যদি দ্রুত অনুবাদ করে ফেলতে পারেন তাহলে অনেক উপকার হবে। জাযাকাল্লাহ খাইরান।
https://www.facebook.com/share/p/15y2KUeefR/
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
❤43🔥12👍5
শরিয়ত ও সুস্থ বিবেকের দৃষ্টিতে কু'ফর নিজেই একটি অপরাধ আর কাফের একজন অপরাধী। বস্তুবাদের এই যুগে মানুষ এটাকে যে নামে ও শিরোনামেই ব্যক্ত করুক অথবা যে রং ও ঢঙেই উপস্থাপন করুক, শরিয়তের দৃষ্টিতে কুফ'র সাধারণ কোনো অপরাধ নয়, বরং সবচেয়ে জঘণ্য অপরাধ এবং অসংখ্য অপরাধের গোড়া। দুনিয়ার সকল আইনেই অপরাধী ও নিরপরাধ নির্ণয়ের নিজস্ব মাপকাঠি ও প্রয়োগক্ষেত্র রয়েছে। সে বিবেচনায় অপরাধী ও নিরপরাধীর সাথে আচরণে পার্থক্য করা হয়। সকলের সাথে সমান আচরণ করা হয় না। ইসলামেও কাফের ও মুসলমানের সাথে একরকম আচরণ রাখা হয়নি। বড় আফসোসের বিষয় হলো, বর্তমানে মানুষ চুরি, ডাকাতি, জিনা ও গুম-খুনকে অপরাধ মনে করে কিন্তু এটাকে অপরাধই মনে করে না। অথচ কুফর হলো এই সকল অপরাধ থেকেও আরও বড় অন্যায় ও সকল অপরাধের মূল!
বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক
লেখক : মুফতি উবাইদুর রহমান
অনুবাদ : আব্দুল্লাহ বিন বশির
চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত
বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক
লেখক : মুফতি উবাইদুর রহমান
অনুবাদ : আব্দুল্লাহ বিন বশির
চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত
👍49❤21
আমেরিকা সোমালিল্যান্ডে (সোমালিয়ায় না) গাজ্জাবাসীদের সরিয়ে নেওয়ার আলোচনা উঠিয়েছিলো। ফলে অনেক গবেষকদের কাছে এটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিলো শাবাব হলো একটা সন্ত্রাসী সংগঠন।
.
এখন তুর্কি+কাতারের মাধ্যমে গাজ্জাবাসীকে সিরিয়ায় স্থানান্তরিত করার আলোচনা শুরু হয়েছে, আলোচনায় সরাসরি অংশগ্রহণ করছে তুর্কি।
এখন গবেষকদের গবেষণা হলো তুর্কি মুসলিমদের জন্য কত কল্যাণকামী!
.
এই হলো অবস্থা! এভাবেই গবেষণা চলে আরকি!
.
এখন তুর্কি+কাতারের মাধ্যমে গাজ্জাবাসীকে সিরিয়ায় স্থানান্তরিত করার আলোচনা শুরু হয়েছে, আলোচনায় সরাসরি অংশগ্রহণ করছে তুর্কি।
এখন গবেষকদের গবেষণা হলো তুর্কি মুসলিমদের জন্য কত কল্যাণকামী!
.
এই হলো অবস্থা! এভাবেই গবেষণা চলে আরকি!
😢50❤5👍1
কালিমার পতাকার প্রতি যে ন্যারিটিভ এদেশে ও বৈশ্বিকভাবে হয়ে আছে তা ভাঙ্গা দরকার। কিন্তু এই ন্যারিটিভ ভাঙ্গতে গিয়ে কোনো নির্ভরযোগ্য দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে আক্রমণ করা তার সামগ্রিক কল্যাণকর কাজগুলোর ব্যাপারে মানুষকে অনাস্থাশীল করাটা উচিত নয়।
.
একই কাজ ব্যক্তির সামগ্রিক জীবনের দিকে লক্ষ্য করে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা হয়, এটাই হলো উসুলের দাবী। মনে করেন, মিশরের ইসলামের শত্রু সিসিসহ জাতী রাষ্ট্রগুলো ফিলিস৩এ আক্রমণ পরিচালনা করছে না আবার তালেবরাও করছে না৷ এই দুটোকে কী আমরা এক পাল্লায় রাখবো? স্বাভাবিক কখনোই না। তার কারণ তালেবদের সামগ্রিক জীবন ও কর্মপন্থা আমাদের জানা এবং মুসলিম নামধারী শাসকগুলোর কর্মপন্থাও আমাদের জানা।
.
কেউ কালিমার পতাকা নিষেধ করা মানি অবশ্যই আব্বো মাইন্ড করবে, আবার কারো নিষেধ করার কোনো যুক্তিযুক্ত কারণ আছে, এটাও আমাদের মাথায় রাখতে হবে।
.
আর আমার কাছে পুরো ইস্যুটা এভাবে মনে হচ্ছে, দায়ীত্বশীলরা পতাকা মানা করছে, কৌশল হিসেবেই, যেনো অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটে গেলে তারা সেকুলার প্রশাসকদের এটা দেখাতে পারে, আমরা তো না করেছি। কিন্তু কেউ পতাকা নিয়ে গেলে তাকে সেখানে বাধা দেওয়া হবে বলে মনে হচ্ছে না।
.
একই কাজ ব্যক্তির সামগ্রিক জীবনের দিকে লক্ষ্য করে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা হয়, এটাই হলো উসুলের দাবী। মনে করেন, মিশরের ইসলামের শত্রু সিসিসহ জাতী রাষ্ট্রগুলো ফিলিস৩এ আক্রমণ পরিচালনা করছে না আবার তালেবরাও করছে না৷ এই দুটোকে কী আমরা এক পাল্লায় রাখবো? স্বাভাবিক কখনোই না। তার কারণ তালেবদের সামগ্রিক জীবন ও কর্মপন্থা আমাদের জানা এবং মুসলিম নামধারী শাসকগুলোর কর্মপন্থাও আমাদের জানা।
.
কেউ কালিমার পতাকা নিষেধ করা মানি অবশ্যই আব্বো মাইন্ড করবে, আবার কারো নিষেধ করার কোনো যুক্তিযুক্ত কারণ আছে, এটাও আমাদের মাথায় রাখতে হবে।
.
আর আমার কাছে পুরো ইস্যুটা এভাবে মনে হচ্ছে, দায়ীত্বশীলরা পতাকা মানা করছে, কৌশল হিসেবেই, যেনো অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটে গেলে তারা সেকুলার প্রশাসকদের এটা দেখাতে পারে, আমরা তো না করেছি। কিন্তু কেউ পতাকা নিয়ে গেলে তাকে সেখানে বাধা দেওয়া হবে বলে মনে হচ্ছে না।
👍53❤25
আপনি একদল মানুষকে পছন্দ করেন না, তারা ট্রল করে, তারা মানুষকে নিয়ে আলেমদের নিয়ে ব্যাঙ্গ করে। অথচ আপনি তাদের কাউন্টার দিচ্ছেন ট্রল আর ব্যাঙ্গাত্মক শব্দ দিয়ে।
.
কী করছেন, তা নিয়ে একটু ভাবেন।
.
কী করছেন, তা নিয়ে একটু ভাবেন।
👍36❤3