কাফের বলতে কাদিয়ানী, হিযবুত তাওহীদ, সেকুলার, লিবারেল ও গণতন্ত্রের মৌলিক আদর্শে বিশ্বাসী সবাই অন্তর্ভুক্ত।
বইটি যদি সংগ্রহ করতে চান আরকি,
https://www.facebook.com/photo/?fbid=1129317652538460&set=a.602514198552144
বইটি যদি সংগ্রহ করতে চান আরকি,
https://www.facebook.com/photo/?fbid=1129317652538460&set=a.602514198552144
👍48❤5😁3
সমস্ত ইহুদিদের একদিন আমরা ফিলিস্তনের ভুখণ্ডে হত্যা করবো। ওদের প্রতিটি পুরুষ-নারী-বৃদ্ধ, সবাইকেই হত্যা করবো। সেদিন কোনো সুশীলের সুশীলতা দেখার আমাদের প্রয়োজন হবে না ইনশাআল্লাহ।
.
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই ভবিষ্যদ্বানী নিয়ে ইনশাআল্লাহ সেদিন আর কোনো মুমিনের অন্তরে কোনো খটকা থাকবে না। কারণ এর আগেই মুমিন-মুনাফিকের পথ আলাদা হয়ে যাবে।
.
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই ভবিষ্যদ্বানী নিয়ে ইনশাআল্লাহ সেদিন আর কোনো মুমিনের অন্তরে কোনো খটকা থাকবে না। কারণ এর আগেই মুমিন-মুনাফিকের পথ আলাদা হয়ে যাবে।
❤100💯10❤🔥6👍6
যারা বসুন্ধারার মালিকদের মত ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসীদের গুণগান গায় তারা আর যাইহোক, এদেশের ইসলাম ও মুসলমানদের মুরব্বি হওয়ার যোগ্যতা রাখে না৷
দিলে পাথরের থেকেও ভারি কিছু রেখে হলেও এই সত্য মানতে হবে!
.
দিলে পাথরের থেকেও ভারি কিছু রেখে হলেও এই সত্য মানতে হবে!
.
❤56👍7
শাফিনের বুদ্ধিমত্তা ও মেধা বেশ ভালো। গত কয়েক দিনে ছেলেটিকে বেশ পছন্দ করে ফেলেছি। তার পর্যবেক্ষণশক্তিও চমৎকার। সে বলল-...
এখানকার ধনীদের অনেককে আপনি তুলনা করতে পারেন লখনৌর নবাবদের সাথে। ধনে কিংবা মনে-দুদিক থেকেই নবাবদের সমকক্ষ তারা। কিছু ক্ষেত্রে তো তারা নবাবদের চেয়েও এগিয়ে। নবাবরা শুধু বাইজি নাচাতেন, তারা বাইজি ও হুজুর একসাথে নাচান। তাদের বিলাসবহুল ভিলায় বাইজি ও হুজুর দু-দলকেই ডেকে নেয়া হয় সমান আন্তরিকতায়। ধর্ম কিংবা হুজুর কোনোটির প্রতিই তাদের বিশেষ আবেগ নেই, কাজ উদ্ধার হলে বাইজি ও হুজুর দু-দলকেই ছুঁড়ে ফেলা হয় সমান নির্মমতায়। ধর্ম এখানে প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার মাত্র, ধর্ম ছাড়া সামাজিক প্রভাবটা ঠিক জমে না।
এ জন্য দেখবেন সবাই-ই দু-হাতে ধর্মের পৃষ্ঠপোষকতা করছে।
আন্তর্জাতিক নাহু-সরফ সম্মেলন হোক কিংবা তারকীব মেরামত সেন্টার-সবকিছু পরিচালিত হয় তাদের বদান্যতায়। তারা আসেন বিনীত ভঙ্গিতে, অনুচ্চ স্বরে বলেন-পরকালের সঞ্চয় হিসেবে এই সামান্য কাজগুলো করছেন, আল্লাহ যদি কবুল করেন সেটাই হবে জীবনের বড় পাওয়া। মুহুর্মুহু হাততালিতে তাদের কণ্ঠ প্রায় চাপা পড়ে যায়, মালিকুদ্দৌলাহ ও ইয়ামিনুদ্দৌলাহ খেতাবে ভূষিত করা হয় তাদের, ঠিক তখনই হয়তো দুজন দরিদ্র ব্যক্তি তাদের মালিকানার জমি হারান, একজনকে উচ্ছেদ করা হয় তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে, কাউকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে খুন করা হয় নির্মমভাবে। মজলুমরা ছুটে আসেন তারকীব মেরামত সেন্টারের মালিকের কাছে; যিনি একটু আগেই জালিমকে ইয়ামিনুদ্দৌলা উপাধি দিয়েছিলেন। মেরামত সেন্টারের অধিপতিরাও খেলা শিখে গেছেন। কী করে দুদিকে সন্তুষ্ট রাখতে হয়, সেই শিক্ষা তো জালিমের কাছ থেকেই পেয়েছেন তারা। অশ্রুভেজা কণ্ঠে মজলুমকে সাথে নিয়ে মুনাজাত ধরেন তারা, আল্লাহ, জালিমকে ধ্বংস করে দিন। মজলুমের জন্য উত্তম ফয়সালা করুন। মজলুম বিদায় নিলে জালিমকে কল করে তারা জিজ্ঞেস করেন, ভাইজান, ঠিকমতো বাসায় পৌঁছাতে পেরেছেন তো? পথে কোনো সমস্যা হয়নি তো?'
বুঝলাম, শাফিন একটু উত্তেজিত হয়ে পড়ছে। মৃদু কণ্ঠে বললাম-
'তবে তাদের দ্বারা কিছু কাজও তো হচ্ছে। এই হিসেবে বিষয়টি ইতিবাচক।'
'হ্যাঁ, অবশ্যই ইতিবাচক। ইতিবাচক বিষয়ের তালিকা তো অনেক লম্বা। সবকিছু আমার জানাও নেই। আপনি দেশে থাকাকালে যদি আন্তর্জাতিক নাহু-সরফ সম্মেলন হয়, তাহলে আপনাকে নিয়ে যাব। সেখানকার আয়োজকরা আপনাকে এমন হাজার হাজার ইতিবাচক দিক শুনাতে পারবে।' কণ্ঠে কিছুটা শ্লেষ মিশিয়ে বলল শাফিন। আমি আর কথা বাড়ালাম না।
হোটেলে ফেরার পথে শাফিনের সাথে নানা বিষয়ে আলোচনা হচ্ছিল।
কথায় কথায় সে জানাল, সমালোচনার ব্যাপারে বাংলাদেশের লোকজন কিছু অদ্ভুত ধারণা পোষণ করে। বেশিরভাগ লোকজন চায় অন্যকে প্রকাশ্যে সমালোচনা করতে; কিন্তু কেউ তার সমালোচনা করুক-এটা সে চায় না। অন্যকে সমালোচনা করার সময় তারা ইহকাকুল হক ও ইবতালুল বাতিলের শিরোনাম দেয়, এবং সবাইকে বলে দ্বীনের স্বার্থে এই সমালোচনা গ্রহণ করতে। কিন্তু তার নিজের বিপক্ষে কোনো সমালোচনা এলে সে এটাকে হিংসা-বিদ্বেষ বলে চালিয়ে দেয়। অন্যের সমালোচনা প্রকাশ্যে করতে আগ্রহী হলেও নিজের ব্যাপারে সবাই চায় সমালোচনা গোপনে হোক। শাফিন জানাল, অনেক সময় লোকজন বলে বসে, আপনি সমালোচনা করার আগে তার সাথে আলোচনা করেননি কেন? কিংবা ইনবক্সে জানাতে পারতেন। এই কথাটি তখনই বলা হয়, যখন নিজের বা নিজের দলের কারও বিরুদ্ধে সমালোচনা হয়। বিপক্ষ দলের ক্ষেত্রে প্রকাশ্য সমালোচনাকে সবাই-ই উৎসাহ দেন।
*ইবনে বাতুতার বাঙ্গালাহ সফর ২.০
লেখক: ইমরান রাইহান
প্রকাশন : উমেদ প্রকাশন
এখানকার ধনীদের অনেককে আপনি তুলনা করতে পারেন লখনৌর নবাবদের সাথে। ধনে কিংবা মনে-দুদিক থেকেই নবাবদের সমকক্ষ তারা। কিছু ক্ষেত্রে তো তারা নবাবদের চেয়েও এগিয়ে। নবাবরা শুধু বাইজি নাচাতেন, তারা বাইজি ও হুজুর একসাথে নাচান। তাদের বিলাসবহুল ভিলায় বাইজি ও হুজুর দু-দলকেই ডেকে নেয়া হয় সমান আন্তরিকতায়। ধর্ম কিংবা হুজুর কোনোটির প্রতিই তাদের বিশেষ আবেগ নেই, কাজ উদ্ধার হলে বাইজি ও হুজুর দু-দলকেই ছুঁড়ে ফেলা হয় সমান নির্মমতায়। ধর্ম এখানে প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার মাত্র, ধর্ম ছাড়া সামাজিক প্রভাবটা ঠিক জমে না।
এ জন্য দেখবেন সবাই-ই দু-হাতে ধর্মের পৃষ্ঠপোষকতা করছে।
আন্তর্জাতিক নাহু-সরফ সম্মেলন হোক কিংবা তারকীব মেরামত সেন্টার-সবকিছু পরিচালিত হয় তাদের বদান্যতায়। তারা আসেন বিনীত ভঙ্গিতে, অনুচ্চ স্বরে বলেন-পরকালের সঞ্চয় হিসেবে এই সামান্য কাজগুলো করছেন, আল্লাহ যদি কবুল করেন সেটাই হবে জীবনের বড় পাওয়া। মুহুর্মুহু হাততালিতে তাদের কণ্ঠ প্রায় চাপা পড়ে যায়, মালিকুদ্দৌলাহ ও ইয়ামিনুদ্দৌলাহ খেতাবে ভূষিত করা হয় তাদের, ঠিক তখনই হয়তো দুজন দরিদ্র ব্যক্তি তাদের মালিকানার জমি হারান, একজনকে উচ্ছেদ করা হয় তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে, কাউকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে খুন করা হয় নির্মমভাবে। মজলুমরা ছুটে আসেন তারকীব মেরামত সেন্টারের মালিকের কাছে; যিনি একটু আগেই জালিমকে ইয়ামিনুদ্দৌলা উপাধি দিয়েছিলেন। মেরামত সেন্টারের অধিপতিরাও খেলা শিখে গেছেন। কী করে দুদিকে সন্তুষ্ট রাখতে হয়, সেই শিক্ষা তো জালিমের কাছ থেকেই পেয়েছেন তারা। অশ্রুভেজা কণ্ঠে মজলুমকে সাথে নিয়ে মুনাজাত ধরেন তারা, আল্লাহ, জালিমকে ধ্বংস করে দিন। মজলুমের জন্য উত্তম ফয়সালা করুন। মজলুম বিদায় নিলে জালিমকে কল করে তারা জিজ্ঞেস করেন, ভাইজান, ঠিকমতো বাসায় পৌঁছাতে পেরেছেন তো? পথে কোনো সমস্যা হয়নি তো?'
বুঝলাম, শাফিন একটু উত্তেজিত হয়ে পড়ছে। মৃদু কণ্ঠে বললাম-
'তবে তাদের দ্বারা কিছু কাজও তো হচ্ছে। এই হিসেবে বিষয়টি ইতিবাচক।'
'হ্যাঁ, অবশ্যই ইতিবাচক। ইতিবাচক বিষয়ের তালিকা তো অনেক লম্বা। সবকিছু আমার জানাও নেই। আপনি দেশে থাকাকালে যদি আন্তর্জাতিক নাহু-সরফ সম্মেলন হয়, তাহলে আপনাকে নিয়ে যাব। সেখানকার আয়োজকরা আপনাকে এমন হাজার হাজার ইতিবাচক দিক শুনাতে পারবে।' কণ্ঠে কিছুটা শ্লেষ মিশিয়ে বলল শাফিন। আমি আর কথা বাড়ালাম না।
হোটেলে ফেরার পথে শাফিনের সাথে নানা বিষয়ে আলোচনা হচ্ছিল।
কথায় কথায় সে জানাল, সমালোচনার ব্যাপারে বাংলাদেশের লোকজন কিছু অদ্ভুত ধারণা পোষণ করে। বেশিরভাগ লোকজন চায় অন্যকে প্রকাশ্যে সমালোচনা করতে; কিন্তু কেউ তার সমালোচনা করুক-এটা সে চায় না। অন্যকে সমালোচনা করার সময় তারা ইহকাকুল হক ও ইবতালুল বাতিলের শিরোনাম দেয়, এবং সবাইকে বলে দ্বীনের স্বার্থে এই সমালোচনা গ্রহণ করতে। কিন্তু তার নিজের বিপক্ষে কোনো সমালোচনা এলে সে এটাকে হিংসা-বিদ্বেষ বলে চালিয়ে দেয়। অন্যের সমালোচনা প্রকাশ্যে করতে আগ্রহী হলেও নিজের ব্যাপারে সবাই চায় সমালোচনা গোপনে হোক। শাফিন জানাল, অনেক সময় লোকজন বলে বসে, আপনি সমালোচনা করার আগে তার সাথে আলোচনা করেননি কেন? কিংবা ইনবক্সে জানাতে পারতেন। এই কথাটি তখনই বলা হয়, যখন নিজের বা নিজের দলের কারও বিরুদ্ধে সমালোচনা হয়। বিপক্ষ দলের ক্ষেত্রে প্রকাশ্য সমালোচনাকে সবাই-ই উৎসাহ দেন।
*ইবনে বাতুতার বাঙ্গালাহ সফর ২.০
লেখক: ইমরান রাইহান
প্রকাশন : উমেদ প্রকাশন
🔥50👍15❤12😁2
❤34👍4
রমজানের বরকতময় দিনগুলো ইবাদত ও আমলের ছায়ায় আমরা অতিক্রম করছি, আলহামদুলিল্লাহ। তবু গাযযার মাটিতে আমাদের মুসলিম ভাই-বোনদের ওপর ইসরাইলি বর্বর আগ্রাসন অব্যাহত রয়েছে, বরং প্রতিদিন তা আরও তীব্রতর হচ্ছে। প্রিয় ভাই, এই নিষ্ঠুর বাস্তবতা যেন আপনার ইবাদতে শিথিলতা না আনে, আমলের দ্বার রুদ্ধ না করে।
মনে রাখুন, আমাদের সৃষ্টিই করা হয়েছে আল্লাহ তাআলার ইবাদতের জন্য। এটাই চূড়ান্ত উদ্দেশ্য। আমরা হয়তো আমাদের ভাইদের সাহায্য করার ইবাদতে অক্ষম-অসহায়, আর আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তিনি কাউকেই তার সাধ্যাতীত দায়িত্ব দেন না’, কিন্তু এর কারণে যে ইবাদতগুলোতে আমাদের সক্ষমতা রয়েছে, সেগুলোয় যেনো আমরা পিছে না থেকে যাই। আর আল্লাহর কাছে আমাদের দুআর দরজা তো খোলা। হতে পারে, আপনার আমার অন্তর নিংড়ানো একটি দুআ আল্লাহর রহমত হয়ে গাযযাবাসীদের উপর বর্ষিত হবে। আমরা যদি সরাসরি তাদের সাহায্যে সক্ষম না হই, তবু অন্তত ইবাদতে অবিচল থাকি—এই বরকতপূর্ণ দিনগুলোর ইবাদত আমাদের হৃদয়ে হিম্মত ও সাহস সঞ্চার করবে, অন্তর আলোকিত করবে, গাফিলতি দূর করবে এবং সম্ভব হলে, আমাদেরকে তাদের পাশে দাঁড়ানোর শক্তি যোগাবে।
আর যারা মুসলিমদের শত্রুদের সহযোগিতা করছে, কাফেরদের সাথে গাঁট বেঁধেছে, প্রকৃত লজ্জা তো তাদের পাওয়া উচিত! তাদের উচিত নিজেদের এই নিকৃষ্ট কর্মের প্রতি ঘৃণা অনুভব করা। এরা যেন জেনে রাখে—তাদের এই বিশ্বাসঘাতকতা কোনো সুফল বয়ে আনবে না; বরং এর ভয়াবহ পরিণতি তাদের নিজেদের ওপরই আপতিত হবে। এরা মূলত আল্লাহর শত্রুদের পক্ষ নিয়ে আল্লাহর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। যেভাবে আল্লাহর ইবাদত করা উচিত, তারা সেভাবে শত্রু-নেতাদের ইবাদত করছে। এরপরও এই লোকগুলো নিজেদের অন্তঃসারশূন্য এই আমলের মাধ্যমে আল্লাহর রহমত ও জান্নাত প্রত্যাশা করে! অথচ আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আল্লাহ তো শুধু মুত্তাকীদের আমলই কবুল করেন।’ তাই, এদের জন্য সর্বোত্তম হলো এখনই আল্লাহর কাছে তাওবা করা, নতুবা লাঞ্চনা ও নিন্দা তাদের অবধারিত নিয়তি।
আর প্রথম দুই দলের ব্যাপারে কথা হলো, ‘কল্যাণময় কাজে আপনারা পরষ্পর প্রতিযোগিতা করুন, সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করুন।’
-ইয়াদ আল-কুনাইবি
অনুবাদ : জাহিদ হাসান
মনে রাখুন, আমাদের সৃষ্টিই করা হয়েছে আল্লাহ তাআলার ইবাদতের জন্য। এটাই চূড়ান্ত উদ্দেশ্য। আমরা হয়তো আমাদের ভাইদের সাহায্য করার ইবাদতে অক্ষম-অসহায়, আর আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তিনি কাউকেই তার সাধ্যাতীত দায়িত্ব দেন না’, কিন্তু এর কারণে যে ইবাদতগুলোতে আমাদের সক্ষমতা রয়েছে, সেগুলোয় যেনো আমরা পিছে না থেকে যাই। আর আল্লাহর কাছে আমাদের দুআর দরজা তো খোলা। হতে পারে, আপনার আমার অন্তর নিংড়ানো একটি দুআ আল্লাহর রহমত হয়ে গাযযাবাসীদের উপর বর্ষিত হবে। আমরা যদি সরাসরি তাদের সাহায্যে সক্ষম না হই, তবু অন্তত ইবাদতে অবিচল থাকি—এই বরকতপূর্ণ দিনগুলোর ইবাদত আমাদের হৃদয়ে হিম্মত ও সাহস সঞ্চার করবে, অন্তর আলোকিত করবে, গাফিলতি দূর করবে এবং সম্ভব হলে, আমাদেরকে তাদের পাশে দাঁড়ানোর শক্তি যোগাবে।
আর যারা মুসলিমদের শত্রুদের সহযোগিতা করছে, কাফেরদের সাথে গাঁট বেঁধেছে, প্রকৃত লজ্জা তো তাদের পাওয়া উচিত! তাদের উচিত নিজেদের এই নিকৃষ্ট কর্মের প্রতি ঘৃণা অনুভব করা। এরা যেন জেনে রাখে—তাদের এই বিশ্বাসঘাতকতা কোনো সুফল বয়ে আনবে না; বরং এর ভয়াবহ পরিণতি তাদের নিজেদের ওপরই আপতিত হবে। এরা মূলত আল্লাহর শত্রুদের পক্ষ নিয়ে আল্লাহর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। যেভাবে আল্লাহর ইবাদত করা উচিত, তারা সেভাবে শত্রু-নেতাদের ইবাদত করছে। এরপরও এই লোকগুলো নিজেদের অন্তঃসারশূন্য এই আমলের মাধ্যমে আল্লাহর রহমত ও জান্নাত প্রত্যাশা করে! অথচ আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আল্লাহ তো শুধু মুত্তাকীদের আমলই কবুল করেন।’ তাই, এদের জন্য সর্বোত্তম হলো এখনই আল্লাহর কাছে তাওবা করা, নতুবা লাঞ্চনা ও নিন্দা তাদের অবধারিত নিয়তি।
আর প্রথম দুই দলের ব্যাপারে কথা হলো, ‘কল্যাণময় কাজে আপনারা পরষ্পর প্রতিযোগিতা করুন, সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করুন।’
-ইয়াদ আল-কুনাইবি
অনুবাদ : জাহিদ হাসান
❤48👍7🥰2👏1
বিস্তারিত তো বই পড়ার পরেই বলা যাবে, তবে বইয়ের মূল লেখক ড. সামে আমেরিকে পূর্বে যতটুকু পড়েছি, তা থেকে এতটুকু বলতে পারবো, সে যে বিষয়ে কলম ধরে সে বিষয়ে সেটাই হয় সবচেয়ে বেষ্ট। আর বিজ্ঞানবাদ নিয়ে তো বাংলাভাষায় কোনো কাজ নেই বললেই চলে। তাই এটা মিস দিয়েন না। এটা প্রতিটি বিজ্ঞানমনস্ক ছাত্রদের কাছে পৌঁছে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব।
❤60👍16🥰2
এই রমাদানের শুরুতে মারকাযুস সাহওয়াতে সিয়াসাত বিষয়ক দুইদিনের দুটো দরস নেওয়ার তাওফিক হয়েছিলো। এক ভাই দরস সম্পর্কে নিজের একটি মন্তব্য এখানে বলেছেন, তার মন্তব্য কতটুকু যথাযথ আর কতটুকু অতিরঞ্জিত তা জানি না। তবে আপনারা মুনাসিব মনে করলে শুনতে পারেন।
প্রথম মুহাজারা :
https://drive.google.com/file/d/11uun5V--u8bdCX6nTZiHD6vP379jKxBk/view
দ্বিতীয় মুহাজারা :
https://drive.google.com/file/d/13-OJRPneE5MdPcjEBFWP9kVFz7Zzp9bB/view
প্রথম মুহাজারা :
https://drive.google.com/file/d/11uun5V--u8bdCX6nTZiHD6vP379jKxBk/view
দ্বিতীয় মুহাজারা :
https://drive.google.com/file/d/13-OJRPneE5MdPcjEBFWP9kVFz7Zzp9bB/view
❤35👍7🥰5
ইমাম-মুয়াজ্জিনের নামে টাকা তুলে তা মসজিদের কাজে ব্যয় করা
ইদানিং একই সঙ্গে কয়েক জায়গা থেকে প্রশ্ন করা হয়েছে যে, ইমাম ও মুয়াজ্জিন সাহেবকে দিবে বলে অনুদান সংগ্রহ করে তা মসজিদের কাজে খরচ করা বৈধ হবে কি না? হয়তো মসজিদের ফান্ডে অর্থের ঘাটতি থাকায় কর্তৃপক্ষ এমন চিন্তা করে থাকবে।
ইমাম-মুয়াযযিনের কথা বলে উঠানো টাকা তাদের পেছনেই ব্যয় করতে হবে। ঐ টাকা মসজিদের অন্য কোনো কাজে ব্যয় করা জায়েয হবে না। কেননা দাতাগণ যে কাজের জন্য অর্থ দান করেছেন তা সে কাজেই ব্যয় করা জরুরি। তাদের সম্মতি ছাড়া অন্য কাজে তা ব্যয় করা বৈধ নয়।
আর মসজিদের ব্যয়ভার নির্বাহের জন্য মুসল্লিদেরকে সাধারণ ফান্ডে দান করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে হবে। যেন এ খাত থেকেই মসজিদের প্রয়োজনীয় কার্যাবলী আঞ্জাম দেওয়া যায়।
-ইলামুস সাজিদ ৪০১; আলমুহীতুল বুরহানী ৯/১৩৬; ফাতাওয়া খানিয়া ৩/২৯৭; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ২/৪৬১
মুফতি ইমদাদুল্লাহ
জামিয়া হাকিমুল উম্মত
ইদানিং একই সঙ্গে কয়েক জায়গা থেকে প্রশ্ন করা হয়েছে যে, ইমাম ও মুয়াজ্জিন সাহেবকে দিবে বলে অনুদান সংগ্রহ করে তা মসজিদের কাজে খরচ করা বৈধ হবে কি না? হয়তো মসজিদের ফান্ডে অর্থের ঘাটতি থাকায় কর্তৃপক্ষ এমন চিন্তা করে থাকবে।
ইমাম-মুয়াযযিনের কথা বলে উঠানো টাকা তাদের পেছনেই ব্যয় করতে হবে। ঐ টাকা মসজিদের অন্য কোনো কাজে ব্যয় করা জায়েয হবে না। কেননা দাতাগণ যে কাজের জন্য অর্থ দান করেছেন তা সে কাজেই ব্যয় করা জরুরি। তাদের সম্মতি ছাড়া অন্য কাজে তা ব্যয় করা বৈধ নয়।
আর মসজিদের ব্যয়ভার নির্বাহের জন্য মুসল্লিদেরকে সাধারণ ফান্ডে দান করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে হবে। যেন এ খাত থেকেই মসজিদের প্রয়োজনীয় কার্যাবলী আঞ্জাম দেওয়া যায়।
-ইলামুস সাজিদ ৪০১; আলমুহীতুল বুরহানী ৯/১৩৬; ফাতাওয়া খানিয়া ৩/২৯৭; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ২/৪৬১
মুফতি ইমদাদুল্লাহ
জামিয়া হাকিমুল উম্মত
👍47❤13
ঈদ উপলক্ষে পেপসি-কোকাকোলার রমরমা ব্যবসা হয়। মুসলমানের ঈদ, মুসলমানদের পকেট থেকে টাকা দিয়ে মুসলিমদের বিরুদ্ধে বোম্বিং করা হয়।
.
ঈদ উপলক্ষে আমি আবারো জোরালোভাবে পেপসি-কোকাকোলা বয়কট করলাম ইনশাআল্লাহ।
.
ঈদ উপলক্ষে আমি আবারো জোরালোভাবে পেপসি-কোকাকোলা বয়কট করলাম ইনশাআল্লাহ।
❤52👍14💯6
ইজ^রায়েলি এই সৈন্যকে হত্যার অপরাধে(!) তুরস্ক কর্তৃক তিন উজবেক ভাইকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ফেরত পাঠানো এবং তাদেরকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান
.
সংযুক্ত আরব আমিরাতে (UAE) এক সাবেক ইজ^রায়েলি সেনা+রাবাইকে হত্যার জন্য ৩ উজবেক মুসলিম ভাইকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে সে দেশের আদালত। কমেন্টে লিংক.. [১]
ইজ^রায়েল কর্তৃক গাজায় নিষ্ঠুরতম গণহত্যা চলাকালীন সময়ে গত একুশে নভেম্বর ২০২৪ সালে তিন উজবেক ভাই এই ইজ°রা°য়েলি কুকুরকে হত্যা করেছিল।
বীরত্বপূর্ণ এ কাজটি করার পর তিন উজবেক ভাই তুরস্কে পালিয়ে গিয়েছিলেন। তুরস্ক তিনজন ভাইকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ফেরত পাঠায়। [২]
.
উম্মাহর এই ৩ বীর ফোনে তাদের সম্মানিতা মায়ের সাথে বলেছেন,
" ইনশাআল্লাহ আমরা কদরের রাতে শহীদ হচ্ছি। আল্লাহর উপর ভরসা করছি। সবকিছু ভালো হবে ইনশাআল্লাহ। "
.
এই উম্মাহর সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্যগুলোর মধ্যে সম্ভবত এটি অগ্রগণ্য হবে যে, এই উম্মাহ তার ঘরের শত্রুদেরকে চিনে না। এই মুর°তাদ শাসকরাই হচ্ছে উম্মাহর বিজয়ের পথে অন্যতম বড় বাঁধা। এরদোগানের রিদ্দাহ (মুর^তাদ হওয়া) নিয়ে আমার আর্টিকেলটি কমেন্টের লিঙ্ক থেকে পড়ুন। [৩]
©
.
সংযুক্ত আরব আমিরাতে (UAE) এক সাবেক ইজ^রায়েলি সেনা+রাবাইকে হত্যার জন্য ৩ উজবেক মুসলিম ভাইকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে সে দেশের আদালত। কমেন্টে লিংক.. [১]
ইজ^রায়েল কর্তৃক গাজায় নিষ্ঠুরতম গণহত্যা চলাকালীন সময়ে গত একুশে নভেম্বর ২০২৪ সালে তিন উজবেক ভাই এই ইজ°রা°য়েলি কুকুরকে হত্যা করেছিল।
বীরত্বপূর্ণ এ কাজটি করার পর তিন উজবেক ভাই তুরস্কে পালিয়ে গিয়েছিলেন। তুরস্ক তিনজন ভাইকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ফেরত পাঠায়। [২]
.
উম্মাহর এই ৩ বীর ফোনে তাদের সম্মানিতা মায়ের সাথে বলেছেন,
" ইনশাআল্লাহ আমরা কদরের রাতে শহীদ হচ্ছি। আল্লাহর উপর ভরসা করছি। সবকিছু ভালো হবে ইনশাআল্লাহ। "
.
এই উম্মাহর সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্যগুলোর মধ্যে সম্ভবত এটি অগ্রগণ্য হবে যে, এই উম্মাহ তার ঘরের শত্রুদেরকে চিনে না। এই মুর°তাদ শাসকরাই হচ্ছে উম্মাহর বিজয়ের পথে অন্যতম বড় বাঁধা। এরদোগানের রিদ্দাহ (মুর^তাদ হওয়া) নিয়ে আমার আর্টিকেলটি কমেন্টের লিঙ্ক থেকে পড়ুন। [৩]
©
😢61👍21
শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেছে, একটি নিউজ দেখে আম্মাকে জানালাম। আম্মা মুহুর্তে কান্না করে দিয়ে বলতেছে, আগামী বছর আর বাঁচুমনি! পবিত্র রমজান মাস আর পামুনি।
এইদিকে আমার কিছু একটা হারিয়ে ফেলার সামান্যতম অনূভুতিও অন্তরে জাগ্রত হচ্ছে না! কিছু ইলম হয়তো আমার মা-বাবা থেকে অনেক বেশি শিখেছি, কিন্তু আমলের রূহ আর তড়প, জানিনা কবে অর্জন করতে পারবো!
.
ভাইলোক, আজ দোয়া কবুলের রাত, আজকের রাতটা খামখেয়ালীর সাথে না কাটাই। জীবনের হাজারো অপূর্ণতা রয়েছে। আজকে তা আল্লাহর কাছে মঞ্জুরি করিয়ে নিন।
এইদিকে আমার কিছু একটা হারিয়ে ফেলার সামান্যতম অনূভুতিও অন্তরে জাগ্রত হচ্ছে না! কিছু ইলম হয়তো আমার মা-বাবা থেকে অনেক বেশি শিখেছি, কিন্তু আমলের রূহ আর তড়প, জানিনা কবে অর্জন করতে পারবো!
.
ভাইলোক, আজ দোয়া কবুলের রাত, আজকের রাতটা খামখেয়ালীর সাথে না কাটাই। জীবনের হাজারো অপূর্ণতা রয়েছে। আজকে তা আল্লাহর কাছে মঞ্জুরি করিয়ে নিন।
❤87😢21👍3
দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিদের সামনে আজ জাতীয় ঈদগাহে মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব বিশেষভাবে গা*জা ও সেখানের মু]জাহি*দদের জন্য দোয়া চেয়েছেন৷
.
হযরতের মুখে মু*জা*হি]দ শব্দ শুনে এত ভালো লেগেছে, যা বলে বুঝাতে পারবো না।
.
হযরতের মুখে মু*জা*হি]দ শব্দ শুনে এত ভালো লেগেছে, যা বলে বুঝাতে পারবো না।
❤140🔥8👍6
আগামীকাল আমাদের মাদরাসাতু আলীতে ভর্তি ইমতিহান ইনশাআল্লাহ। যে সমস্ত মুহাব্বতের ভাইরা ছাত্র পাঠাবেন বলে যোগাযোগ করেছেন, বা যারা এখানে ভর্তি ইচ্ছা করে রমাদান থেকে যোগাযোগ করেছেন, তারা আগামীকাল যথাসময়ে চলে আসবেন ইনশাআল্লাহ।
.
মাদরাসাতু আলীর জায়গার সীমাবদ্ধতা ও প্রয়োজনীয় যোগ্যতা না থাকার কারণে আমরা দুবছরের বাধ্যতামূলক ইফতা বিভাগ করতে পারছি না৷ তাখাসসুসের শিরোনামে এত অল্প সময়ের পড়াশোনাকে এখানের সকল উস্তাদই অপছন্দ করেন৷ যার ফলে এখানে পুরো ছাত্রদের আরো অধিক পড়াশোনা করার জন্য বিশেষভাবে তারগিব দেওয়া হয়। আলহামদুলিল্লাহ কিছু ফলও আমরা পেয়েছি। যাইহোক, না চাইতেও আমরা যা অপছন্দ করি তা আমাদের করতে হচ্ছে।
.
যেহেতু বাধ্যতামূলক এক বছর রাখতেই হচ্ছি, তাই আমরা যথাসম্ভব চেষ্টা করি এই একবছরে যেনো তালেবে ইলম ভাইদের ইফতার সাথে সাথে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন বিষয়ের জাহালাতগুলোর একটা তালিকা করে দেওয়া যায়, আর দুই একটির সম্পর্কে প্রাথমিক কিছু ধারণা তাদের মধ্যে তৈরি হয়। সে হিসেবেই এখানে সিয়াসাতুশ শারয়িয়্যাহ, হিদায়া থেকে সিয়ার, প্রাচ্যবাদ, পশ্চিমা সভ্যতা ইত্যাদি আরো কিছু বিষয় মুল নেসাবে রয়েছে।
.
আমাদের এক বছরের নেসাবটা বেশ লম্বা, অনেক তালেবে ইলম ভাইরা বলেন, এক বছরে দের বছর/পোনে দুই বছরের পড়া নাকি হয়ে যায়।
.
যাইহোক, যারা আসবেন, তারা একটা বিষয় মাথায় রেখে আসবেন, মাত্র একবছরে আমাদের অনেকগুলো কাজ করতে হয়। চলতে হয় খুব দ্রুত, আমরা চাইলেও কিছুটা দূর্বল ছাত্র নিতে পারি না। কিন্তু অনেক সময় দাখেলা ইমতিহানে যোগ্যদের নির্ণয় সম্ভব হয় না। ফলে ঐ সকল ছাত্র পুরো বছরই বেশ ভালো ভুগান্তিতে থাকেন!
.
.
মাদরাসাতু আলীর জায়গার সীমাবদ্ধতা ও প্রয়োজনীয় যোগ্যতা না থাকার কারণে আমরা দুবছরের বাধ্যতামূলক ইফতা বিভাগ করতে পারছি না৷ তাখাসসুসের শিরোনামে এত অল্প সময়ের পড়াশোনাকে এখানের সকল উস্তাদই অপছন্দ করেন৷ যার ফলে এখানে পুরো ছাত্রদের আরো অধিক পড়াশোনা করার জন্য বিশেষভাবে তারগিব দেওয়া হয়। আলহামদুলিল্লাহ কিছু ফলও আমরা পেয়েছি। যাইহোক, না চাইতেও আমরা যা অপছন্দ করি তা আমাদের করতে হচ্ছে।
.
যেহেতু বাধ্যতামূলক এক বছর রাখতেই হচ্ছি, তাই আমরা যথাসম্ভব চেষ্টা করি এই একবছরে যেনো তালেবে ইলম ভাইদের ইফতার সাথে সাথে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন বিষয়ের জাহালাতগুলোর একটা তালিকা করে দেওয়া যায়, আর দুই একটির সম্পর্কে প্রাথমিক কিছু ধারণা তাদের মধ্যে তৈরি হয়। সে হিসেবেই এখানে সিয়াসাতুশ শারয়িয়্যাহ, হিদায়া থেকে সিয়ার, প্রাচ্যবাদ, পশ্চিমা সভ্যতা ইত্যাদি আরো কিছু বিষয় মুল নেসাবে রয়েছে।
.
আমাদের এক বছরের নেসাবটা বেশ লম্বা, অনেক তালেবে ইলম ভাইরা বলেন, এক বছরে দের বছর/পোনে দুই বছরের পড়া নাকি হয়ে যায়।
.
যাইহোক, যারা আসবেন, তারা একটা বিষয় মাথায় রেখে আসবেন, মাত্র একবছরে আমাদের অনেকগুলো কাজ করতে হয়। চলতে হয় খুব দ্রুত, আমরা চাইলেও কিছুটা দূর্বল ছাত্র নিতে পারি না। কিন্তু অনেক সময় দাখেলা ইমতিহানে যোগ্যদের নির্ণয় সম্ভব হয় না। ফলে ঐ সকল ছাত্র পুরো বছরই বেশ ভালো ভুগান্তিতে থাকেন!
.
❤24👍8
তুফানুল আকসা.pdf
3.1 MB
এখনো পর্যন্ত ফিলিস্তিন ইস্যুতে সবচেয়ে কার্যকরী যে লেখাটি পড়েছি, তা হলো এটি। গতকাল এক ভাই ইনবক্সে বইটি দিয়ে আমার মন্তব্য জানতে চেয়েছেন, আমি শুধু এতটুকুই বলবো, আমার সামর্থ্য থাকলে আমি এই বইটি লিফলেট করে ফ্রি বিতরণ করতাম।
❤141🔥10👍8👏2
ইয়াসির আরাফাত আল হিন্দির ব্যাপারে আল্লাহর ওয়াস্তে আমাকে কেউ জিজ্ঞাসা করবেন না। ওর মত একটা মিথ্যুক আর প্রতারক আর গালিবাজ নিয়ে আমি কিছুই বলতে চাই না। এরকম এক অজানা ফাত্তান নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় আমার নাই। শুধু এতটুকু বলি, সে ইন্ডিয়ায় থাকে, ইন্ডিয়ার মুসলিমরা ইতিহাস সবচেয়ে কঠিন সময় অতিক্রম করছে, তাকে এখনো পর্যন্ত ইন্ডিয়া নিয়ে কোনো লেখা লেখতে দেখেছেন? ওয়াকফ বিলের মত এত বড় ঘটনা ভারতে ঘটলো একটা সাধারন পোষ্টও কী তাকে দিতে দেখেছেন কেউ? অথচ সারাদিন তুরস্কের মধ্য-ট্যাঙ চাটা আর কাইদার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার আর অসম্পূর্ণ তথ্য দেওয়া তার একমাত্র এজেন্ডা!
.
মুফতি তাকী উসমানি হাফিজাহুল্লাহর ব্যাপারে কেউ অযাচিত* শব্দ দিয়ে ফেসবুকে পোষ্ট দিলে ফেসবুকে প্রসিদ্ধ আদাবুল ইখতিলাফের ডিলাররা সব উল্টায়া ফেলেন, যারা করেন তাদের থেকে বারাআতের জন্য হুলস্থুল বাধিয়ে ফেলেন, অথচ এই হিন্দি ছেলেটা সারাটাদিন ওসামা রহিমাহুল্লাহসহ অসং্খ্য মুজা হি দ দের ব্যাপারে আবোলতাবোল বকতেই থাকে, কোই আদাবুল ইখতিলাফের ঠিকাদার ভাইরা তো কোনোদিন এই মিথ্যুক ফিতনাবাজ থেকে বারায়াত করেন নাই! তার পোষ্টের বিরোধিতা করেন নাই? বরং এই হিন্দির সাথে দহরম মহরম, তারে প্রমোট করাসহ তার বই এদেশ থেকে ছাপানোর জন্য বহু ভাইরা কত প্রচেষ্টা!
.
বাস্তবতা হলো, ফেসবুকের কথিত আদাবুল ইখতিলাফের ঝান্ডাবাহীদের অধিকাংশগুলোই আমার দেখামতে মাসলাকবাজ। এদের পুরো আদব শুধুই এবং শুধু মাসলাকের পক্ষে। মাসলাকের ভিন্ন আলেম হোক বা মুজা হি দ, তাদের নিয়ে নোংরা গালিগালাজ করলেও এই আদাবুল ইখতিলাফের ঝান্ডাবাহীদের চেতনা দণ্ডে দাঁড়ায় না।
.
*নির্ভরযোগ্য ও উম্মাহের কল্যাণকামী যেকোনো ব্যক্তি নিয়ে অযাচিত কথাবার্তা বলা তাদের ইজ্জত নষ্ট করার জন্য অযথা সমালোচনা করা সবটাই নিন্দনীয়। এমন কাজ যেই করুক, আমরা সেগুলোর বিরোধিতা করি এবং করতে থাকবো ইনশাআল্লাহ।
.
মুফতি তাকী উসমানি হাফিজাহুল্লাহর ব্যাপারে কেউ অযাচিত* শব্দ দিয়ে ফেসবুকে পোষ্ট দিলে ফেসবুকে প্রসিদ্ধ আদাবুল ইখতিলাফের ডিলাররা সব উল্টায়া ফেলেন, যারা করেন তাদের থেকে বারাআতের জন্য হুলস্থুল বাধিয়ে ফেলেন, অথচ এই হিন্দি ছেলেটা সারাটাদিন ওসামা রহিমাহুল্লাহসহ অসং্খ্য মুজা হি দ দের ব্যাপারে আবোলতাবোল বকতেই থাকে, কোই আদাবুল ইখতিলাফের ঠিকাদার ভাইরা তো কোনোদিন এই মিথ্যুক ফিতনাবাজ থেকে বারায়াত করেন নাই! তার পোষ্টের বিরোধিতা করেন নাই? বরং এই হিন্দির সাথে দহরম মহরম, তারে প্রমোট করাসহ তার বই এদেশ থেকে ছাপানোর জন্য বহু ভাইরা কত প্রচেষ্টা!
.
বাস্তবতা হলো, ফেসবুকের কথিত আদাবুল ইখতিলাফের ঝান্ডাবাহীদের অধিকাংশগুলোই আমার দেখামতে মাসলাকবাজ। এদের পুরো আদব শুধুই এবং শুধু মাসলাকের পক্ষে। মাসলাকের ভিন্ন আলেম হোক বা মুজা হি দ, তাদের নিয়ে নোংরা গালিগালাজ করলেও এই আদাবুল ইখতিলাফের ঝান্ডাবাহীদের চেতনা দণ্ডে দাঁড়ায় না।
.
*নির্ভরযোগ্য ও উম্মাহের কল্যাণকামী যেকোনো ব্যক্তি নিয়ে অযাচিত কথাবার্তা বলা তাদের ইজ্জত নষ্ট করার জন্য অযথা সমালোচনা করা সবটাই নিন্দনীয়। এমন কাজ যেই করুক, আমরা সেগুলোর বিরোধিতা করি এবং করতে থাকবো ইনশাআল্লাহ।
❤52👍15🔥1