Abdullah bin bashir
11.3K subscribers
425 photos
89 videos
95 files
193 links
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট
Download Telegram
তাহাজ্জুদ বিষয়ক এই বইটা দিলে বেশ আগ্রহ তৈরি করে। রমাদানের মাস, কিয়ামুল লাইলের মাস—তারাবিহ, তাহাজ্জুদের মাস।

এই অফারে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। ইনশাআল্লাহ ফায়দা হবে।

অর্ডার লিংক :

https://www.facebook.com/share/15uZ3whmsu/
28👍4
মাহফুজ এদেশের মুসলিমদের জন্য এক ভয়ংকর শত্রু৷ এবং ইসলাম ও ওয়েস্ট সম্পর্কে পড়াশোনা করা শত্রু। তার ব্যাপারে কোনো জাহালাতের ওজর চলবে না৷ তাকে শত্রু মনে করা এদেশের প্রত্যেক মুসলমানের কর্তব্য।

হাঁ, এই শত্রুর সাথে কীভাবে ডিল করা হবে, তার হাত থেকে ও তার তৈরি দলের হাত থেকে ইসলাম ও মুসলমানকে কীভাবে রক্ষা করতে হবে, এটা দায়িত্বশীলরা নিজেদের অবস্থান ও শক্তি ভেদে ভিন্নরকম সিন্ধান্ত নিবে, তবে তাকে শত্রু যারা মনে করবে না, তারা অবশ্যই এদেশের মুসলিমের প্রতিনিধি হওয়ার যোগ্যতা রাখবে না। সে ভিন্ন কোনো কমিনিটির হয়তো প্রতিনিধি, যে নিজেকে মুসলিমদের প্রতিনিধি সাজিয়ে মুসলিমদের ধোকা দিচ্ছে৷
👍80🔥184💯3🤣3
ইসলামে মুরতাদ থেকে যিন্দিকের বিধান কঠোর। কারণ মুরতাদের বিষয়টা স্পষ্ট থাকে। সবাই বুঝে, অমুকে ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করেছে। কিন্তু যান্দাকা হলো নিজের কুফরকে ইসলামের আবরণে প্রকাশ করা, যার কারণে সাধারণ মানুষ যিন্দিকদের ধোকা বুঝতে পারে না৷ ফলে তাদের ধোকায় পড়ে নিজেদের ঈমান খুইয়ে ফেলে।
.
মাহফুজ যে পালংবাদের অনুসারী ফিকহে ইসলামের দৃষ্টিতে এটা যান্দাকার অন্তর্ভুক্ত। কারণ নদিয়ার ইসলাম ইত্যাদি এগুলো মূলত কুফর, যা ইসলামের নামে মানুষকে গিলানো হয়।
.
মাহফুজ মূলত এই যান্দাকাকে খুবই চাতুরতার সাথে মানুষকে খাওয়াবে, মানুষের ঈমান হরণের চেষ্টা করবে, এবং এই সবকিছু করবে জুলাই বিপ্লবের দোহাই দিয়ে।
.
তাই মাহফুজকে শক্তিশালী হতে দেওয়ার আগেই ওর কোমর ভেঙ্গে চিরতরে পঙ্গু করে দিতে হবে৷
.
জুলাইয়ের সমন্বয়করা যদি এদেশের রাজনীতির ‘র’ও ঠিকমতো বুঝে, মানুষের ভালোবাসা নিয়ে এদেশে রাজনীতি করতে চায় তাহলে মাহফুজকে তাদের সরাতেই হবে। অন্যথায় অচিরেই তারা হাসিনার মত বা তার থেকেও বেশি ঘৃণার পাত্র হবে।
78👍19🔥10🥰3😁3
আউর এক নমরুদ আগায়া!
😁71👍5
প্রমাণ পাওয়ার পরেও কী এদেশের হুজুরদের হত্যার অপরাধে কাউকে শাস্তি দেওয়া হবে?
😢55👍2
ইফতারির খাওয়ার আগের দোয়া তো আমরা খুব পড়ি, কিন্তু ইফতারি খাওয়ার পর যে দোয়া আছে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে ইফতারি খাওয়ার পরও দোয়া পড়তেন, সে দোয়া পড়ার চর্চা আমাদের ভিতর নেই। অথচ সনদের বিচারর ইফতারির আগের দোয়া থেকে পরের দোয়া পড়ার রিওয়ায়েত বেশি মজবুত।

আমাদের ইফতারির আগের দোয়া পড়ার মত পরের দোয়া পড়ারও একটা পরিবেশ করে তুলতে হবে।

-মুফতি আব্দুস সালাম সাহেব দা.বা.
ফরিদাবাদ মাদরাসা
👍4031
দ্বীনকে বিজয় করতে চাই এমন প্রত্যেক ভাই কেনো আমরা ইতেকাফ করবো?
.
আপনি যে কালিমা বিশ্বাস করেন, এই কালিমাই আপনাকে পুরো পৃথিবীর সকল শক্তির শত্রুতে পরিনত করেছে। একজন মুসলমান যতই নিজেকে সুশীল ও সহনশীল ইত্যাদি হাবিজাবি পরিচয় দিক, সে শুধু একটি কালিমা—লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ, এই কথাটুকু বিশ্বাস করার কারণে শত্রুতে পরিনত হয়েছে তামাম দুনিয়ার সকল শক্তির সাথে। এই শত্রুতা এই কালিমা ত্যাগ করা পর্যন্ত চলতেই থাকবে।

কালিমার এই শত্রুদের শক্তির ব্যাপারে আমাদের ধারণা নাই বললেই চলে। আমি যতই সচেতন হই, পৃথিবীর যেখানে ও যত সুরক্ষিত জায়গায় থাকি, এই কালিমার শত্রুরা আমাকে ধ্বংস করার সক্ষমতা রাখে।

.
বিপরীত দিকে এই কালিমার মাধ্যমে আমি বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে নিয়েছি এমন এক মহান শক্তিধর সত্তাকে, যিনি আসমান ও যমীনের সৃষ্টিকর্তা। যার আদেশ ছাড়া একটি গাছের পাতাও নড়ে না৷ কালিমার শত্রুদের সকল শক্তি যদি এক সাথে করা হয়, তাহলে কালিমা পড়ার দ্বারা যাকে বন্ধু বানিয়েছি, তার সামনে একটি মাছির ডানার সমানও কোনো মূল্য রাখে না৷

এই বন্ধু যদি সিন্ধান্ত নেন আমাকে জীবিত রাখার, তাহলে তামাম দুনিয়ার সকল শত্রু তাদের হাজারো প্রচেষ্ঠার সবটুকুর সর্বোচ্চ দিলেও আমার একটি পশমও ছিড়তে পারবে না৷

আর ইতেকাফ হলো সে শক্তিধর রবের সাথে সম্পর্ক করার সবচেয়ে সহজ একটি মাধ্যম। পুরো দশটিদিন সে মহান রবের ঘরে, দুনিয়ার সকল সম্পর্ক ছিন্ন করে আমি তাকে পাওয়ার জন্য যখন বসে যাবো, তখন অবশ্যই তিনিই হয়ে যাবেন আমার জন্য যথেষ্ট। এটাই হলো ইতিকাফের গূঢ় রহস্য। দেখুন ইবনে রজম হাম্বলি ইতিকাফের এই গূঢ় রহস্যের কথাই বলছেন ইতিকাফের পরিচয়ে,
قطع العلائق عن الخلائق للاتصال بالخالق
স্রষ্টার সাথে সম্পর্ক স্থাপন করার জন্য সৃষ্টির সাথে সকল সম্পর্ক ছিন্ন করাই হলো ইতেকাফ। -লাতায়েফুল মাআরেফ
.
মনে রাখবেন, কালিমার এত বিশাল শক্তিধর শত্রুর বিরুদ্ধে লড়তে হলে কালিমার মাধ্যমে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে নেওয়া আমার রব আল্লাহ সুবহানু ওয়া তাআলার সাথে সম্পর্ক বাড়ানো ছাড়া আমাদের হাতে বিকল্প কোনো অপশন নেই। রবের সাথে সম্পর্ক ছাড়া এক মুহুর্তও আমি আমার শত্রুর বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারবো না। আর যখন সম্পর্ক হয়ে যাবে, তখন আমার শত্রু হয়ে যাবে আমার সামনে মৃতজন্তুরূপ!
.
তাই দ্বীনের বিজয় যদি বাস্তবিকই আমি চাই, আমার জন্য ইতেকাফে বসা বাধ্যতামূলক করে নিতে হবে।
.
এতটুকুই কী আমাদের জন্য যথেষ্ট নয়, যে রাসুলকে সে মহান রব দ্বীনকে বিজয়ের জন্য প্রেরণ করেছেন, যার ব্যাপারে ঘোষণা করেছেন, মহান শক্তিধর রব তাকে নিজে সকল বিপদ থেকে রক্ষা করবেন, সে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি মদিনায় যাওয়ার পর কখনো ইতিকাফ ছাড়েন নি। দ্বীনকে বিজয় করার মহান দায়িত্ব ও ব্যস্ততা তাকে ইতিকাফ থেকে কখনোই বিরত রাখতে পারেননি! তাহলে আমি কেনো ইতিকাফ ছেড়ে দিবো? কোন অজুহাতে ছাড়বো!...
.
আল্লাহ আমাদের প্রতিটি ভাইকে দ্বীনের বিজয়ী সৈনিক হিসেবে কবুল করুক। আমীন৷
👍6240🔥1😁1👌1
হাটহাজারী মাদরাসার দাওয়াহ বিভাগের দায়িত্বশীল মাওলানা সাইদ আহমদ সাহেব, এই ফতোয়া দিয়েছেন। শুধু, এই ধরনের কথা বলার কারণে কত আলেমকে দাঁড়িটুপি পড়া মানুষরা...
😢6430🔥18👍5🥰1
কাফের বলতে কাদিয়ানী, হিযবুত তাওহীদ, সেকুলার, লিবারেল ও গণতন্ত্রের মৌলিক আদর্শে বিশ্বাসী সবাই অন্তর্ভুক্ত।

বইটি যদি সংগ্রহ করতে চান আরকি,

https://www.facebook.com/photo/?fbid=1129317652538460&set=a.602514198552144
👍485😁3
মুসলিম-অমুসলিম সম্পর্ক বই থেকে...
53💯3
সমস্ত ইহুদিদের একদিন আমরা ফিলিস্তনের ভুখণ্ডে হত্যা করবো। ওদের প্রতিটি পুরুষ-নারী-বৃদ্ধ, সবাইকেই হত্যা করবো। সেদিন কোনো সুশীলের সুশীলতা দেখার আমাদের প্রয়োজন হবে না ইনশাআল্লাহ।
.
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই ভবিষ্যদ্বানী নিয়ে ইনশাআল্লাহ সেদিন আর কোনো মুমিনের অন্তরে কোনো খটকা থাকবে না। কারণ এর আগেই মুমিন-মুনাফিকের পথ আলাদা হয়ে যাবে।
100💯10❤‍🔥6👍6
যারা বসুন্ধারার মালিকদের মত ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসীদের গুণগান গায় তারা আর যাইহোক, এদেশের ইসলাম ও মুসলমানদের মুরব্বি হওয়ার যোগ্যতা রাখে না৷
দিলে পাথরের থেকেও ভারি কিছু রেখে হলেও এই সত্য মানতে হবে!
.
56👍7
শাফিনের বুদ্ধিমত্তা ও মেধা বেশ ভালো। গত কয়েক দিনে ছেলেটিকে বেশ পছন্দ করে ফেলেছি। তার পর্যবেক্ষণশক্তিও চমৎকার। সে বলল-...

এখানকার ধনীদের অনেককে আপনি তুলনা করতে পারেন লখনৌর নবাবদের সাথে। ধনে কিংবা মনে-দুদিক থেকেই নবাবদের সমকক্ষ তারা। কিছু ক্ষেত্রে তো তারা নবাবদের চেয়েও এগিয়ে। নবাবরা শুধু বাইজি নাচাতেন, তারা বাইজি ও হুজুর একসাথে নাচান। তাদের বিলাসবহুল ভিলায় বাইজি ও হুজুর দু-দলকেই ডেকে নেয়া হয় সমান আন্তরিকতায়। ধর্ম কিংবা হুজুর কোনোটির প্রতিই তাদের বিশেষ আবেগ নেই, কাজ উদ্ধার হলে বাইজি ও হুজুর দু-দলকেই ছুঁড়ে ফেলা হয় সমান নির্মমতায়। ধর্ম এখানে প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার মাত্র, ধর্ম ছাড়া সামাজিক প্রভাবটা ঠিক জমে না।

এ জন্য দেখবেন সবাই-ই দু-হাতে ধর্মের পৃষ্ঠপোষকতা করছে।

আন্তর্জাতিক নাহু-সরফ সম্মেলন হোক কিংবা তারকীব মেরামত সেন্টার-সবকিছু পরিচালিত হয় তাদের বদান্যতায়। তারা আসেন বিনীত ভঙ্গিতে, অনুচ্চ স্বরে বলেন-পরকালের সঞ্চয় হিসেবে এই সামান্য কাজগুলো করছেন, আল্লাহ যদি কবুল করেন সেটাই হবে জীবনের বড় পাওয়া। মুহুর্মুহু হাততালিতে তাদের কণ্ঠ প্রায় চাপা পড়ে যায়, মালিকুদ্দৌলাহ ও ইয়ামিনুদ্দৌলাহ খেতাবে ভূষিত করা হয় তাদের, ঠিক তখনই হয়তো দুজন দরিদ্র ব্যক্তি তাদের মালিকানার জমি হারান, একজনকে উচ্ছেদ করা হয় তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে, কাউকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে খুন করা হয় নির্মমভাবে। মজলুমরা ছুটে আসেন তারকীব মেরামত সেন্টারের মালিকের কাছে; যিনি একটু আগেই জালিমকে ইয়ামিনুদ্দৌলা উপাধি দিয়েছিলেন। মেরামত সেন্টারের অধিপতিরাও খেলা শিখে গেছেন। কী করে দুদিকে সন্তুষ্ট রাখতে হয়, সেই শিক্ষা তো জালিমের কাছ থেকেই পেয়েছেন তারা। অশ্রুভেজা কণ্ঠে মজলুমকে সাথে নিয়ে মুনাজাত ধরেন তারা, আল্লাহ, জালিমকে ধ্বংস করে দিন। মজলুমের জন্য উত্তম ফয়সালা করুন। মজলুম বিদায় নিলে জালিমকে কল করে তারা জিজ্ঞেস করেন, ভাইজান, ঠিকমতো বাসায় পৌঁছাতে পেরেছেন তো? পথে কোনো সমস্যা হয়নি তো?'

বুঝলাম, শাফিন একটু উত্তেজিত হয়ে পড়ছে। মৃদু কণ্ঠে বললাম-

'তবে তাদের দ্বারা কিছু কাজও তো হচ্ছে। এই হিসেবে বিষয়টি ইতিবাচক।'

'হ্যাঁ, অবশ্যই ইতিবাচক। ইতিবাচক বিষয়ের তালিকা তো অনেক লম্বা। সবকিছু আমার জানাও নেই। আপনি দেশে থাকাকালে যদি আন্তর্জাতিক নাহু-সরফ সম্মেলন হয়, তাহলে আপনাকে নিয়ে যাব। সেখানকার আয়োজকরা আপনাকে এমন হাজার হাজার ইতিবাচক দিক শুনাতে পারবে।' কণ্ঠে কিছুটা শ্লেষ মিশিয়ে বলল শাফিন। আমি আর কথা বাড়ালাম না।

হোটেলে ফেরার পথে শাফিনের সাথে নানা বিষয়ে আলোচনা হচ্ছিল।

কথায় কথায় সে জানাল, সমালোচনার ব্যাপারে বাংলাদেশের লোকজন কিছু অদ্ভুত ধারণা পোষণ করে। বেশিরভাগ লোকজন চায় অন্যকে প্রকাশ্যে সমালোচনা করতে; কিন্তু কেউ তার সমালোচনা করুক-এটা সে চায় না। অন্যকে সমালোচনা করার সময় তারা ইহকাকুল হক ও ইবতালুল বাতিলের শিরোনাম দেয়, এবং সবাইকে বলে দ্বীনের স্বার্থে এই সমালোচনা গ্রহণ করতে। কিন্তু তার নিজের বিপক্ষে কোনো সমালোচনা এলে সে এটাকে হিংসা-বিদ্বেষ বলে চালিয়ে দেয়। অন্যের সমালোচনা প্রকাশ্যে করতে আগ্রহী হলেও নিজের ব্যাপারে সবাই চায় সমালোচনা গোপনে হোক। শাফিন জানাল, অনেক সময় লোকজন বলে বসে, আপনি সমালোচনা করার আগে তার সাথে আলোচনা করেননি কেন? কিংবা ইনবক্সে জানাতে পারতেন। এই কথাটি তখনই বলা হয়, যখন নিজের বা নিজের দলের কারও বিরুদ্ধে সমালোচনা হয়। বিপক্ষ দলের ক্ষেত্রে প্রকাশ্য সমালোচনাকে সবাই-ই উৎসাহ দেন।

*ইবনে বাতুতার বাঙ্গালাহ সফর ২.০
লেখক: ইমরান রাইহান
প্রকাশন : উমেদ প্রকাশন
🔥50👍1512😁2
এই ইউটিউব চ্যানেলটার কাজগুলো বেশ চমৎকার।

https://youtu.be/2CiyZBuRHWw?si=fLtp5rY2RBG08ltY
34👍4
রমজানের বরকতময় দিনগুলো ইবাদত ও আমলের ছায়ায় আমরা অতিক্রম করছি, আলহামদুলিল্লাহ। তবু গাযযার মাটিতে আমাদের মুসলিম ভাই-বোনদের ওপর ইসরাইলি বর্বর আগ্রাসন অব্যাহত রয়েছে, বরং প্রতিদিন তা আরও তীব্রতর হচ্ছে। প্রিয় ভাই, এই নিষ্ঠুর বাস্তবতা যেন আপনার ইবাদতে শিথিলতা না আনে, আমলের দ্বার রুদ্ধ না করে।
মনে রাখুন, আমাদের সৃষ্টিই করা হয়েছে আল্লাহ তাআলার ইবাদতের জন্য। এটাই চূড়ান্ত উদ্দেশ্য। আমরা হয়তো আমাদের ভাইদের সাহায্য করার ইবাদতে অক্ষম-অসহায়, আর আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তিনি কাউকেই তার সাধ্যাতীত দায়িত্ব দেন না’, কিন্তু এর কারণে যে ইবাদতগুলোতে আমাদের সক্ষমতা রয়েছে, সেগুলোয় যেনো আমরা পিছে না থেকে যাই। আর আল্লাহর কাছে আমাদের দুআর দরজা তো খোলা। হতে পারে, আপনার আমার অন্তর নিংড়ানো একটি দুআ আল্লাহর রহমত হয়ে গাযযাবাসীদের উপর বর্ষিত হবে। আমরা যদি সরাসরি তাদের সাহায্যে সক্ষম না হই, তবু অন্তত ইবাদতে অবিচল থাকি—এই বরকতপূর্ণ দিনগুলোর ইবাদত আমাদের হৃদয়ে হিম্মত ও সাহস সঞ্চার করবে, অন্তর আলোকিত করবে, গাফিলতি দূর করবে এবং সম্ভব হলে, আমাদেরকে তাদের পাশে দাঁড়ানোর শক্তি যোগাবে।
আর যারা মুসলিমদের শত্রুদের সহযোগিতা করছে, কাফেরদের সাথে গাঁট বেঁধেছে, প্রকৃত লজ্জা তো তাদের পাওয়া উচিত! তাদের উচিত নিজেদের এই নিকৃষ্ট কর্মের প্রতি ঘৃণা অনুভব করা। এরা যেন জেনে রাখে—তাদের এই বিশ্বাসঘাতকতা কোনো সুফল বয়ে আনবে না; বরং এর ভয়াবহ পরিণতি তাদের নিজেদের ওপরই আপতিত হবে। এরা মূলত আল্লাহর শত্রুদের পক্ষ নিয়ে আল্লাহর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। যেভাবে আল্লাহর ইবাদত করা উচিত, তারা সেভাবে শত্রু-নেতাদের ইবাদত করছে। এরপরও এই লোকগুলো নিজেদের অন্তঃসারশূন্য এই আমলের মাধ্যমে আল্লাহর রহমত ও জান্নাত প্রত্যাশা করে! অথচ আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আল্লাহ তো শুধু মুত্তাকীদের আমলই কবুল করেন।’ তাই, এদের জন্য সর্বোত্তম হলো এখনই আল্লাহর কাছে তাওবা করা, নতুবা লাঞ্চনা ও নিন্দা তাদের অবধারিত নিয়তি।
আর প্রথম দুই দলের ব্যাপারে কথা হলো, ‘কল্যাণময় কাজে আপনারা পরষ্পর প্রতিযোগিতা করুন, সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করুন।’

-ইয়াদ আল-কুনাইবি
অনুবাদ : জাহিদ হাসান
48👍7🥰2👏1
বিস্তারিত তো বই পড়ার পরেই বলা যাবে, তবে বইয়ের মূল লেখক ড. সামে আমেরিকে পূর্বে যতটুকু পড়েছি, তা থেকে এতটুকু বলতে পারবো, সে যে বিষয়ে কলম ধরে সে বিষয়ে সেটাই হয় সবচেয়ে বেষ্ট। আর বিজ্ঞানবাদ নিয়ে তো বাংলাভাষায় কোনো কাজ নেই বললেই চলে। তাই এটা মিস দিয়েন না। এটা প্রতিটি বিজ্ঞানমনস্ক ছাত্রদের কাছে পৌঁছে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব।
60👍16🥰2
এই রমাদানের শুরুতে মারকাযুস সাহওয়াতে সিয়াসাত বিষয়ক দুইদিনের দুটো দরস নেওয়ার তাওফিক হয়েছিলো। এক ভাই দরস সম্পর্কে নিজের একটি মন্তব্য এখানে বলেছেন, তার মন্তব্য কতটুকু যথাযথ আর কতটুকু অতিরঞ্জিত তা জানি না। তবে আপনারা মুনাসিব মনে করলে শুনতে পারেন।

প্রথম মুহাজারা :
https://drive.google.com/file/d/11uun5V--u8bdCX6nTZiHD6vP379jKxBk/view

দ্বিতীয় মুহাজারা :
https://drive.google.com/file/d/13-OJRPneE5MdPcjEBFWP9kVFz7Zzp9bB/view
35👍7🥰5
ইমাম-মুয়াজ্জিনের নামে টাকা তুলে তা মসজিদের কাজে ব্যয় করা

ইদানিং একই সঙ্গে কয়েক জায়গা থেকে প্রশ্ন করা হয়েছে যে, ইমাম ও মুয়াজ্জিন সাহেবকে দিবে বলে অনুদান সংগ্রহ করে তা মসজিদের কাজে খরচ করা বৈধ হবে কি না? হয়তো মসজিদের ফান্ডে অর্থের ঘাটতি থাকায় কর্তৃপক্ষ এমন চিন্তা করে থাকবে।

ইমাম-মুয়াযযিনের কথা বলে উঠানো টাকা তাদের পেছনেই ব্যয় করতে হবে। ঐ টাকা মসজিদের অন্য কোনো কাজে ব্যয় করা জায়েয হবে না। কেননা দাতাগণ যে কাজের জন্য অর্থ দান করেছেন তা সে কাজেই ব্যয় করা জরুরি। তাদের সম্মতি ছাড়া অন্য কাজে তা ব্যয় করা বৈধ নয়।

আর মসজিদের ব্যয়ভার নির্বাহের জন্য মুসল্লিদেরকে সাধারণ ফান্ডে দান করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে হবে। যেন এ খাত থেকেই মসজিদের প্রয়োজনীয় কার্যাবলী আঞ্জাম দেওয়া যায়।

-ইলামুস সাজিদ ৪০১; আলমুহীতুল বুরহানী ৯/১৩৬; ফাতাওয়া খানিয়া ৩/২৯৭; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ২/৪৬১

মুফতি ইমদাদুল্লাহ
জামিয়া হাকিমুল উম্মত
👍4713
ঈদ উপলক্ষে পেপসি-কোকাকোলার রমরমা ব্যবসা হয়। মুসলমানের ঈদ, মুসলমানদের পকেট থেকে টাকা দিয়ে মুসলিমদের বিরুদ্ধে বোম্বিং করা হয়।
.
ঈদ উপলক্ষে আমি আবারো জোরালোভাবে পেপসি-কোকাকোলা বয়কট করলাম ইনশাআল্লাহ।
52👍14💯6
‎ ইজ^রায়েলি এই সৈন্যকে হত্যার অপরাধে(!) তুরস্ক কর্তৃক তিন উজবেক ভাইকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ফেরত পাঠানো এবং তাদেরকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান
‎.
‎সংযুক্ত আরব আমিরাতে (UAE) এক সাবেক ইজ^রায়েলি সেনা+রাবাইকে হত্যার জন্য ৩ উজবেক মুসলিম ভাইকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে সে দেশের আদালত। কমেন্টে লিংক.. [১]

‎ইজ^রায়েল কর্তৃক গাজায় নিষ্ঠুরতম গণহত্যা চলাকালীন সময়ে গত একুশে নভেম্বর ২০২৪ সালে তিন উজবেক ভাই এই ইজ°রা°য়েলি কুকুরকে হত্যা করেছিল।
‎বীরত্বপূর্ণ এ কাজটি করার পর তিন উজবেক ভাই তুরস্কে পালিয়ে গিয়েছিলেন। তুরস্ক তিনজন ভাইকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ফেরত পাঠায়। [২]
‎.
‎উম্মাহর এই ৩ বীর ফোনে তাদের সম্মানিতা মায়ের সাথে বলেছেন,
‎" ইনশাআল্লাহ আমরা কদরের রাতে শহীদ হচ্ছি। আল্লাহর উপর ভরসা করছি। সবকিছু ভালো হবে ইনশাআল্লাহ। "
‎.
‎এই উম্মাহর সবচেয়ে বড় দুর্ভাগ্যগুলোর মধ্যে সম্ভবত এটি অগ্রগণ্য হবে যে, এই উম্মাহ তার ঘরের শত্রুদেরকে চিনে না। এই মুর°তাদ শাসকরাই হচ্ছে উম্মাহর বিজয়ের পথে অন্যতম বড় বাঁধা। এরদোগানের রিদ্দাহ (মুর^তাদ হওয়া) নিয়ে আমার আর্টিকেলটি কমেন্টের লিঙ্ক থেকে পড়ুন। [৩]

©
😢61👍21
শাওয়ালের চাঁদ দেখা গেছে, একটি নিউজ দেখে আম্মাকে জানালাম। আম্মা মুহুর্তে কান্না করে দিয়ে বলতেছে, আগামী বছর আর বাঁচুমনি! পবিত্র রমজান মাস আর পামুনি।

এইদিকে আমার কিছু একটা হারিয়ে ফেলার সামান্যতম অনূভুতিও অন্তরে জাগ্রত হচ্ছে না! কিছু ইলম হয়তো আমার মা-বাবা থেকে অনেক বেশি শিখেছি, কিন্তু আমলের রূহ আর তড়প, জানিনা কবে অর্জন করতে পারবো!
.
ভাইলোক, আজ দোয়া কবুলের রাত, আজকের রাতটা খামখেয়ালীর সাথে না কাটাই। জীবনের হাজারো অপূর্ণতা রয়েছে। আজকে তা আল্লাহর কাছে মঞ্জুরি করিয়ে নিন।
87😢21👍3