একজন মানুষ, একজন চিন্তক, একজন উম্মাহের প্রতি দরদ রাখা ব্যক্তি উম্মাহের বিভিন্ন বিষয়ে আপনার সাথে শত শত মাসআলায় একমত। এক দুই মাসআলায় হয়তো দ্বিমত রাখে, বা তার অবজারভেশন ভিন্ন, এতটুকুতেই যদি তাকে আমরা বিরোধি বানিয়ে ফেলি, তাহলে এটা খুবই বাজে একটা চর্চা! এই চর্চা আপনার দাওয়াতের ময়দানকে, আপনার বিজয়ের রাস্তাকে সংকীর্ণ করে ফেলবে।
এই বিষয়টিতে আমরা খুবই সতর্ক হই ভাই। খুবই মানি খুবই। বিশেষত যারা উম্মাহের সামগ্রিক বিজয় চান, উম্মাহকে এই কু*ফ*রি জীবনব্যবস্থা থেকে বের করে আনতে চান তাদের জন্য তো অন্যদের তুলনায় এটা আরো বেশি জরুরি।
সাথে, এটাও মনে রাখতে হবে, কেউ আমার কোনো কথা বা কাজের বিরোধিতা করলেই বা শক্ত প্রতিক্রিয়া দেখালেই তাকে আমার দুশমন ভাবাটাও ঠিক না৷
আমার ভুল ধরতে গিয়ে হয়তো ভাইতা কিছুটা বাড়াবাড়ি করছে, আমি নসিহার সাথে ভাইদের সাথে বিষয়গুলো ডিল করতে পারি।
আল্লাহ আমাদের উম্মাহের স্বার্থে আল্লাহর জন্য এক বানিয়ে দিক। আমীন।
এই বিষয়টিতে আমরা খুবই সতর্ক হই ভাই। খুবই মানি খুবই। বিশেষত যারা উম্মাহের সামগ্রিক বিজয় চান, উম্মাহকে এই কু*ফ*রি জীবনব্যবস্থা থেকে বের করে আনতে চান তাদের জন্য তো অন্যদের তুলনায় এটা আরো বেশি জরুরি।
সাথে, এটাও মনে রাখতে হবে, কেউ আমার কোনো কথা বা কাজের বিরোধিতা করলেই বা শক্ত প্রতিক্রিয়া দেখালেই তাকে আমার দুশমন ভাবাটাও ঠিক না৷
আমার ভুল ধরতে গিয়ে হয়তো ভাইতা কিছুটা বাড়াবাড়ি করছে, আমি নসিহার সাথে ভাইদের সাথে বিষয়গুলো ডিল করতে পারি।
আল্লাহ আমাদের উম্মাহের স্বার্থে আল্লাহর জন্য এক বানিয়ে দিক। আমীন।
❤33👍15🔥2
মাওলানা আবরার সিদ্দিকি সাহেবের সময়ের অতি গুরুত্বপূর্ণ বইটা চলে এসেছে। এই খণ্ডটা মাদরাসা আর ভার্সিটি—সকলের জন্যই জরুরি।
.
এই বইটা মূলত মাওলানা আবু সাবের আব্দুল্লাহ সাহেবের ‘রাষ্ট্র-রাজনীতি’ বইয়ের খন্ডনে লেখা প্রথম খণ্ড।
.
আচ্ছা, মাওলানা আবরার সিদ্দিকি সাহেবের তত্ত্বাবধানে এই রমাজানে সিয়াসাত বিষয়ে বিশদিন ব্যাপি গুরুত্বপূর্ণ মুহাজারা হবে৷ আগ্রহী তালেবে ইলম ভাইরা মিস দিয়েন না।
.
এই বইটা মূলত মাওলানা আবু সাবের আব্দুল্লাহ সাহেবের ‘রাষ্ট্র-রাজনীতি’ বইয়ের খন্ডনে লেখা প্রথম খণ্ড।
.
আচ্ছা, মাওলানা আবরার সিদ্দিকি সাহেবের তত্ত্বাবধানে এই রমাজানে সিয়াসাত বিষয়ে বিশদিন ব্যাপি গুরুত্বপূর্ণ মুহাজারা হবে৷ আগ্রহী তালেবে ইলম ভাইরা মিস দিয়েন না।
❤42👍7
পিলখানা হত্যাকাণ্ড নিয়ে ইলিয়াসের ভিডিও দেখলাম। ৫৭ জন আর্মির মৃত্যুর কথা জানলেও, এর পরবর্তী সময়ে হাজারো বিডিআর ও তার পরিবারের সাথে ঘটে যাওয়া অন্যায়ের বিষয়ে আমরা কজনই বা জানি!
.
https://youtu.be/L8kEtIZCXXY?si=ehRixqBUms-wxpS6
.
https://youtu.be/L8kEtIZCXXY?si=ehRixqBUms-wxpS6
YouTube
শ্বা'সরু'দ্ধকর ৩৩ ঘন্টা ও পরের ১৬ বছর #eliashossain #পিলখানা #bdr #বিডিআর #সেনা
নিচে দেয়া লিংক এর বাইরে আমার কোন ফেইসবুক পেইজ নেই। বিভ্রান্তি এড়াতে লাইক-ফলে দিয়ে সাথে থাকুন ধন্যবাদ৷
https://www.facebook.com/eyeeliashossain
Twitter Account : https://twitter.com/EliasHo29283472
আমার ২য় ইউটিউব চ্যানেল লিংকঃ- https://www.youtube.co…
https://www.facebook.com/eyeeliashossain
Twitter Account : https://twitter.com/EliasHo29283472
আমার ২য় ইউটিউব চ্যানেল লিংকঃ- https://www.youtube.co…
👍22❤6
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
আমাদের মুরব্বি হযরত Ismail Bin Abdul Wahhab সাহেব দা.বা.-এর এই আলোচনাটি আমাদের সকলের হৃদয়ঙ্গম করা দরকার।
.
আল্লাহ হযরতকে জাযায়ে খায়ের দান করুন।
.
আল্লাহ হযরতকে জাযায়ে খায়ের দান করুন।
🔥37❤9👍6
কাফেরদের মসজিদে প্রবেশের বিধান
কাফেরদের জন্য মুসলমানদের মসজিদে প্রবেশের অধিকার রয়েছে কি না, এই বিষয়ে মুজতাহিদ আলেমদের মাঝে মতানৈক্য রয়েছে।
ইমাম মালেক, শাফেয়ি ও আরও বেশ কিছু আলেমের মত হলো, কাফেররা মুসলমানদের মসজিদে প্রবেশ করতে পারবে না। মুসলমানদের দায়িত্ব হলো, কাফেরদের মসজিদে প্রবেশ থেকে দূরে রাখবে। অন্যদিকে ইমাম আবু হানিফা ও অন্য ইমামদের মত হলো, কাফেরদের মসজিদে প্রবেশ নিষিদ্ধ নয়। তবে মসজিদে প্রবেশে তাদেরকে মসজিদের পূর্ণ আদব ও সম্মানের প্রতি লক্ষ রাখতে হবে এবং কোনোরকম বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা না থাকতে হবে।
হানাফি ফকিহ ইমাম কাসানি রহিমাহুল্লাহ লেখেন,
ولا بأس بدخول أهل الذمة المساجد عندنا وقال مالك رحمه الله والشافعي لا يحل لهم دخول المسجد الحرام. (بدائع الصنائع ٨٢١/٥، كتاب الاستحسان، ط. دار الكتب العلمية)
আমাদের হানাফি উলামায়ে কেরামের নিকট জিম্মিদের মসজিদে প্রবেশে কোনো সমস্যা নেই। ইমাম মালেক ও শাফেয়ি বলেন, জিম্মিদের মসজিদে হারামে প্রবেশ বৈধ নয়।
বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক
লেখক : মুফতি উবাইদুর রহমান
অনুবাদ : আব্দুল্লাহ বিন বশির
চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত
কাফেরদের জন্য মুসলমানদের মসজিদে প্রবেশের অধিকার রয়েছে কি না, এই বিষয়ে মুজতাহিদ আলেমদের মাঝে মতানৈক্য রয়েছে।
ইমাম মালেক, শাফেয়ি ও আরও বেশ কিছু আলেমের মত হলো, কাফেররা মুসলমানদের মসজিদে প্রবেশ করতে পারবে না। মুসলমানদের দায়িত্ব হলো, কাফেরদের মসজিদে প্রবেশ থেকে দূরে রাখবে। অন্যদিকে ইমাম আবু হানিফা ও অন্য ইমামদের মত হলো, কাফেরদের মসজিদে প্রবেশ নিষিদ্ধ নয়। তবে মসজিদে প্রবেশে তাদেরকে মসজিদের পূর্ণ আদব ও সম্মানের প্রতি লক্ষ রাখতে হবে এবং কোনোরকম বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা না থাকতে হবে।
হানাফি ফকিহ ইমাম কাসানি রহিমাহুল্লাহ লেখেন,
ولا بأس بدخول أهل الذمة المساجد عندنا وقال مالك رحمه الله والشافعي لا يحل لهم دخول المسجد الحرام. (بدائع الصنائع ٨٢١/٥، كتاب الاستحسان، ط. دار الكتب العلمية)
আমাদের হানাফি উলামায়ে কেরামের নিকট জিম্মিদের মসজিদে প্রবেশে কোনো সমস্যা নেই। ইমাম মালেক ও শাফেয়ি বলেন, জিম্মিদের মসজিদে হারামে প্রবেশ বৈধ নয়।
বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক
লেখক : মুফতি উবাইদুর রহমান
অনুবাদ : আব্দুল্লাহ বিন বশির
চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত
❤18👍5
এইযে সংস্কার চলছে। সংস্কারের প্রথম সাড়ির কাজগুলোর মধ্যে একটা হলো, রসূল অবমাননাকারী, ধর্ম অবমাননাকারী, ইসলামের কোনো একটা নিদর্শনের অবমাননাকারীদের বিচারকে নিশ্চিত করা। এটা সবচে বড় সংস্কার। সবকিছু করা হলো কিন্তু এটা করা হলো না তাহলে হবে না।
এটা মনে রাখতে হবে যে, স্বাধীনতার ভুল ব্যবহার এটা জাহান্নামের রাস্তা। এবং ধ্বংসের রাস্তা। ৭১ এর যুদ্ধের রক্তের অবমাননা হয়েছে কিনা এদেশে? হয়েছে। যারা অবমাননা করেছে ওরা রক্ষা পেয়েছে? রক্ষা পায়নি। জুলাই-আগস্টের যে শহীদ, তাদের রক্তের যদি অবমাননা করা হয় , যেই করবে সে রক্ষা পাবে না। আবু সাঈদসহ যারা ছিল এরা কি ধর্ম অবমাননাকারী ছিল! না। ইসলামের নিদর্শনগুলোর অবমাননাকারী ছিল? না। তাহাজ্জুদের নামাযের বা আখেরী নবীর অবমাননাকারী ছিল! না। না তারা ধার্মিক ছিল? ধার্মিক ছিল। ইসলামের শরীয়তের অনুসারী ছিল। হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মত ছিল। তো তাদের রক্তের ফলে যা কিছু অর্জিত হয়েছে তার সাথে গাদ্দারি করে কোনো কিছু টেকানো যাবে না। ঐটা কখনো থাকবে না। আল্লাহ তাআলা আমাদের তাওফীক দান করুন। নবীর মুহাম্মাদ দান করুন। ইসলামের নিদর্শনগুলোর মুহাব্বাত দান করুন। অমীন।
#মিম্বারের ধ্বনি
#বায়তুল মোকাররম
২৮।০২।২৫
এটা মনে রাখতে হবে যে, স্বাধীনতার ভুল ব্যবহার এটা জাহান্নামের রাস্তা। এবং ধ্বংসের রাস্তা। ৭১ এর যুদ্ধের রক্তের অবমাননা হয়েছে কিনা এদেশে? হয়েছে। যারা অবমাননা করেছে ওরা রক্ষা পেয়েছে? রক্ষা পায়নি। জুলাই-আগস্টের যে শহীদ, তাদের রক্তের যদি অবমাননা করা হয় , যেই করবে সে রক্ষা পাবে না। আবু সাঈদসহ যারা ছিল এরা কি ধর্ম অবমাননাকারী ছিল! না। ইসলামের নিদর্শনগুলোর অবমাননাকারী ছিল? না। তাহাজ্জুদের নামাযের বা আখেরী নবীর অবমাননাকারী ছিল! না। না তারা ধার্মিক ছিল? ধার্মিক ছিল। ইসলামের শরীয়তের অনুসারী ছিল। হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মত ছিল। তো তাদের রক্তের ফলে যা কিছু অর্জিত হয়েছে তার সাথে গাদ্দারি করে কোনো কিছু টেকানো যাবে না। ঐটা কখনো থাকবে না। আল্লাহ তাআলা আমাদের তাওফীক দান করুন। নবীর মুহাম্মাদ দান করুন। ইসলামের নিদর্শনগুলোর মুহাব্বাত দান করুন। অমীন।
#মিম্বারের ধ্বনি
#বায়তুল মোকাররম
২৮।০২।২৫
❤39👍6🔥1
আজ আমাদের এলাকায় মাগরিবের নামাজের পর পাটেরবাগ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে দাওয়াতে তাবলিগ ও এলাকার পঞ্চায়েত কমিটির পক্ষ থেকে এলাকার সকল হোটেল, চা-বিড়ির দোকানে গাশত করা হয়েছে। উদ্দেশ্য ছিলো, পবিত্র রমাদান উপলক্ষ্যে দিনের বেলা যেনো এই সকল দোকানগুলো বন্ধ রাখা হয়। আলহামদুলিল্লাহ, দোকানদারদের পক্ষ থেকে বেশ ইতিবাচক সারা পাওয়া গিয়েছে।
.
আল্লাহ, আমর বিল মারুফ ও নাহি আনিল মুনকারের এই কাজটি কবুল করে নিক। এলাকার পঞ্চায়েত কমিটিকে দ্বীনের জন্য আরো কাজ করার তাওফিক দান করুন।
#এই_দ্বীন_আমার
#এই_জমিন_আমার
.
আল্লাহ, আমর বিল মারুফ ও নাহি আনিল মুনকারের এই কাজটি কবুল করে নিক। এলাকার পঞ্চায়েত কমিটিকে দ্বীনের জন্য আরো কাজ করার তাওফিক দান করুন।
#এই_দ্বীন_আমার
#এই_জমিন_আমার
❤36👍12
রমাদান মাস কুরআন তিলাওয়াতের মাস। তাই প্রতিটি মুসলিম এই মাসে প্রধান কর্ম ব্যস্থতা কুরআনই রাখবো। তবে মাদরাসার তালেবে ইলম ভাইরা, বিশেষত উপরের দিকের তালেবে ইলম ভাইরা এই মাসে কুরআনের মাসগালার পাশাপাশি নিজেদের জাহালাত কাটানোর পিছনে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। বিশেষত, আমাদের নেসাবে যে বিষয়গুলো অবহেলিত, কিন্তু বিষয়গুলোর জাহালাত কাটানো সময়ের চাহিদানুযায়ী একান্ত জরুরি হয়ে গিয়েছে, সেগুলোতে যদি এই একমাস সময় দেই আমরা তাহলে একটা প্রাথমিক জাহালাত আমাদের কেটে যাবে ইনশাআল্লাহ। আমি কয়েকটি বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
১। ইসলামি সিয়াসাত। এই বিষয়ের জাহালাত কাটাতে এই রমাদানে মারকাযুস সাহওয়ার সিয়াসাত বিষয়ক তাদরিবটা করতে পারেন৷
২। আকিদা। এই বিষয়ে জাহালাত কাটাতে মারকাযু আহলিস সুন্নাহের তাদরিবটা করা যেতে পারে।
৩। উলুমুল কুরআন। উলুমুল কুরআন নিয়ে রমাদান মাস ব্যাপি কোথাও তাদরিব হচ্ছে কি না জানা নেই। তবে না হলেও ব্যক্তি উদ্যোগে এটা জরুরি।
৪। উচ্চতর আরবী ভাষা শিক্ষা। আরবী ভাষা দ্বারা ইবারত পড়তে পারি আর তরজমা তুলতে পারি, এটাকে যথেষ্ঠ মনে করা বর্তমান সময়েত অন্যতম ধোঁকা। এই বিষয়ে বিস্তারিত লেখব ইনশাআল্লাহ।
৫৷ ইংরেজি ভাষা শিক্ষা।
১। ইসলামি সিয়াসাত। এই বিষয়ের জাহালাত কাটাতে এই রমাদানে মারকাযুস সাহওয়ার সিয়াসাত বিষয়ক তাদরিবটা করতে পারেন৷
২। আকিদা। এই বিষয়ে জাহালাত কাটাতে মারকাযু আহলিস সুন্নাহের তাদরিবটা করা যেতে পারে।
৩। উলুমুল কুরআন। উলুমুল কুরআন নিয়ে রমাদান মাস ব্যাপি কোথাও তাদরিব হচ্ছে কি না জানা নেই। তবে না হলেও ব্যক্তি উদ্যোগে এটা জরুরি।
৪। উচ্চতর আরবী ভাষা শিক্ষা। আরবী ভাষা দ্বারা ইবারত পড়তে পারি আর তরজমা তুলতে পারি, এটাকে যথেষ্ঠ মনে করা বর্তমান সময়েত অন্যতম ধোঁকা। এই বিষয়ে বিস্তারিত লেখব ইনশাআল্লাহ।
৫৷ ইংরেজি ভাষা শিক্ষা।
👍33❤6🥰1😁1
Noor_Book_com_أصول_العلاقات_الدولية_في_فقه_الإمام_محمد_بن_الحسن.pdf
22.5 MB
ইসালামি সিয়াসাত, ইসলামি দণ্ডবিধি, এগুলো নিয়ে পড়াশোনা করতে ব্যাপক আগ্রহ পাই। সেই আগ্রহের জায়গা থেকে উস্তাদের পরামর্শে অনেকটা একাই এই পথ চলা শুরু করি।
.
শাসন পরিচালনার একটু গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো একটি ভূখণ্ডের সাথে অপর ভূখণ্ডের সম্পর্ক, যাকে আধুনিক ভাষায় পররাষ্ট্রনীতি, যা প্রাচীন যুগ থেকেই চলে আসছে।
.
ইসলামের পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে প্রাচীনতম কাজ হলো ইমাম মুহাম্মদ রহিমাহুল্লাহের ‘সিয়ারে কাবির’।
.
ইমাম মুহাম্মদ রহিমাহুল্লাহের সিয়ারে কাবিরের আলোকে ইসলামের আলোকে বর্তমান পৃথিবীরে আধুনিক পররাষ্ট্রনীতি কীভাবে ফ্যাংশন করবে এই নিয়ে ১২শ+ পৃষ্ঠার এই কাজটি যত পড়ছি মুগ্ধ হচ্ছি। কাজটি সম্পর্কে বিস্তারিত বলবো ইনশাআল্লাহ।
.
ইসলামি পররাষ্ট্রনীতি, ইসলামি ভুখণ্ডে অমুসলিমদের অধিকার, ইত্যাদি বিষয়গুলো নিয়ে মারকাযুস সহওয়া আলইসলামিয়াতে মুহাজারার দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে মুরব্বিদের পক্ষ থেকে। বারবার অপারগতা পেশ করার পরেও উস্তাদের পরামর্শ হলো আল্লাহর নাম নিয়ে শুরু করো, ইনশাআল্লাহ তোমার নিজেরই ফায়দা হবে।
.
.
শাসন পরিচালনার একটু গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো একটি ভূখণ্ডের সাথে অপর ভূখণ্ডের সম্পর্ক, যাকে আধুনিক ভাষায় পররাষ্ট্রনীতি, যা প্রাচীন যুগ থেকেই চলে আসছে।
.
ইসলামের পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে প্রাচীনতম কাজ হলো ইমাম মুহাম্মদ রহিমাহুল্লাহের ‘সিয়ারে কাবির’।
.
ইমাম মুহাম্মদ রহিমাহুল্লাহের সিয়ারে কাবিরের আলোকে ইসলামের আলোকে বর্তমান পৃথিবীরে আধুনিক পররাষ্ট্রনীতি কীভাবে ফ্যাংশন করবে এই নিয়ে ১২শ+ পৃষ্ঠার এই কাজটি যত পড়ছি মুগ্ধ হচ্ছি। কাজটি সম্পর্কে বিস্তারিত বলবো ইনশাআল্লাহ।
.
ইসলামি পররাষ্ট্রনীতি, ইসলামি ভুখণ্ডে অমুসলিমদের অধিকার, ইত্যাদি বিষয়গুলো নিয়ে মারকাযুস সহওয়া আলইসলামিয়াতে মুহাজারার দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে মুরব্বিদের পক্ষ থেকে। বারবার অপারগতা পেশ করার পরেও উস্তাদের পরামর্শ হলো আল্লাহর নাম নিয়ে শুরু করো, ইনশাআল্লাহ তোমার নিজেরই ফায়দা হবে।
.
❤38👍8
আমি নির্দিষ্ট টপিকে গুছিয়ে কথা বলতে তেমন পারি না। এক বিষয়ে কথা বলতে গেলে বিভিন্ন দিকে চলে যাই, অনেক সময় কথার খেই হারিয়ে ফেলি। এটা আমার একটা বড় দূর্বলতা। বিভিন্ন সেমিনারে দাওয়াত পাওয়ার পরেও না যাওয়ার পিছনে এটাও একটা অন্যতম কারণ।
.
উস্তাদে মুহতারাম বেলাল সাহেবের পরামর্শে গত দুইদিন মারকাযুস সাহওয়াতে সিয়াসাত বিষয়ে দুটো মুহাজারা দিয়েছি৷ সেখানেও কথাগুলো ছিলো অগোছালো। সেগুলো রেকর্ড হয়েছে। কিছু ভাই শুনে বললো তাদের ফায়দা হয়েছে। অগোছালো আলাপগুলো শুনে দেখতে পারেন৷ কোনো ভুল নজরে পড়লে বা কোনো বিশেষ পরামর্শ দিলে উপকৃত হবো।
জাযাকাল্লাহ খাইরান
.
প্রথম মুহাজারা :
https://drive.google.com/file/d/11uun5V--u8bdCX6nTZiHD6vP379jKxBk/view
.
উস্তাদে মুহতারাম বেলাল সাহেবের পরামর্শে গত দুইদিন মারকাযুস সাহওয়াতে সিয়াসাত বিষয়ে দুটো মুহাজারা দিয়েছি৷ সেখানেও কথাগুলো ছিলো অগোছালো। সেগুলো রেকর্ড হয়েছে। কিছু ভাই শুনে বললো তাদের ফায়দা হয়েছে। অগোছালো আলাপগুলো শুনে দেখতে পারেন৷ কোনো ভুল নজরে পড়লে বা কোনো বিশেষ পরামর্শ দিলে উপকৃত হবো।
জাযাকাল্লাহ খাইরান
.
প্রথম মুহাজারা :
https://drive.google.com/file/d/11uun5V--u8bdCX6nTZiHD6vP379jKxBk/view
👍22❤14
একজন মানুষের জন্য যিল্লতি আর অপদস্ততা কাকে বলে?
একজন মানুষকে তার বিশ্বাসের বিপরীত, কোনো আইন দিয়ে পরিচালনা করা। তার বিশ্বাসের বিপরীত আইন দিয়ে তাকে চলতে বাধ্য করা।
দেখুন, ইবনে হাজার আসকালানী রহিমাহুল্লাহ কী বলে দেখুন,
الحكم على الشخص بما لا يعتقده ويضطر إلى احتماله يستلزم الذل. فتح الباري للعسقلاني، كتاب الجزية، باب الجزية والموادعة مع أهل الذمة والحرب، ٤٧٤/٩)
ব্যক্তি যেটি বিশ্বাস করে না সে অনুযায়ী তাকে বিধান দেওয়া এবং তা গ্রহণ করতে বাধ্য হওয়া লাঞ্ছনাকে আবশ্যক করে। -ফাতহুল বারী ৯/৪৭৪
.
আর মুসলিম উম্মাহকে তাদের বিশ্বাস শরীয়ার বাহিরে আজ কত বছর আইননুযায়ী চলতে বাধ্য করা হচ্ছে!
এরপরেও কীভাবে আমরা মুসলিমরা বলি, আমরা ভালোই আছি!
একজন মানুষকে তার বিশ্বাসের বিপরীত, কোনো আইন দিয়ে পরিচালনা করা। তার বিশ্বাসের বিপরীত আইন দিয়ে তাকে চলতে বাধ্য করা।
দেখুন, ইবনে হাজার আসকালানী রহিমাহুল্লাহ কী বলে দেখুন,
الحكم على الشخص بما لا يعتقده ويضطر إلى احتماله يستلزم الذل. فتح الباري للعسقلاني، كتاب الجزية، باب الجزية والموادعة مع أهل الذمة والحرب، ٤٧٤/٩)
ব্যক্তি যেটি বিশ্বাস করে না সে অনুযায়ী তাকে বিধান দেওয়া এবং তা গ্রহণ করতে বাধ্য হওয়া লাঞ্ছনাকে আবশ্যক করে। -ফাতহুল বারী ৯/৪৭৪
.
আর মুসলিম উম্মাহকে তাদের বিশ্বাস শরীয়ার বাহিরে আজ কত বছর আইননুযায়ী চলতে বাধ্য করা হচ্ছে!
এরপরেও কীভাবে আমরা মুসলিমরা বলি, আমরা ভালোই আছি!
👍32❤16😭7
বর্তমানে প্রকাশনীর জগতে গুরুত্বপূর্ণ বইসমূহের মধ্যে যে বইটা আমি সবার জন্য পড়াকে বাধ্যতামূলক মনে করি তার মধ্যে মুশাজারাতুস সাহাবা বইটি অন্যতম। আপনি টাকা দিয়ে সংগ্রহ করে পড়ুন বা কারো থেকে নিয়ে পড়ুন অবশ্যই পড়ুন।
.
চেতনা প্রকাশনীর অর্ধযুগ পূর্তি উপলক্ষে বিশেষ অফারে বেশ ভালোই ছাড় দিচ্ছে। এই সময়ে অল্পতে চাইলে সংগ্রহ করে নিতে পারবেন৷
.
চেতনা প্রকাশনীর অর্ধযুগ পূর্তি উপলক্ষে বিশেষ অফারে বেশ ভালোই ছাড় দিচ্ছে। এই সময়ে অল্পতে চাইলে সংগ্রহ করে নিতে পারবেন৷
🔥43❤7👍5
মারকাযুস সাহওয়াতে সিয়াসাত বিষয়ে আমার দ্বিতীয় মুহাজারার লিংক, (শুনার আগে অবশ্যই মনে রাখবেন, এগুলো আমার অগোছালো কিছু পড়াশোনার অগোছালো কিছু কথাবার্তা। আর কোনো ভুল নজরে পড়লে অবশ্যই জানাবেন ইনশাআল্লাহ। চির কৃতজ্ঞ থাকবো)
https://drive.google.com/file/d/13-OJRPneE5MdPcjEBFWP9kVFz7Zzp9bB/view
https://drive.google.com/file/d/13-OJRPneE5MdPcjEBFWP9kVFz7Zzp9bB/view
❤21🔥4
প্রকাশনীর পক্ষ থেকে বইয়ের জন্য ক্যাপশন লেখে দিতে বলেছে। বলে দিলাম।
দেখেন আপনারা যা ভালো মনে করেন।
বই অর্ডারের লিংক :
https://www.facebook.com/photo/?fbid=1129317652538460&set=a.602514198552144
দেখেন আপনারা যা ভালো মনে করেন।
বই অর্ডারের লিংক :
https://www.facebook.com/photo/?fbid=1129317652538460&set=a.602514198552144
🤣55❤4😎4😁2👍1🔥1
মুসলিম উম্মাহের উপর জিহাদ ফরজ একটি বিধান—হয় তা ফরজে কিফায়াহ হিসেবে হবে অথবা ফরজে আইন, এই বিধান কুরআন, সুন্নাহ ও উম্মাহের সর্বসম্মত মত। কেউ যদি জিহাদের ফরজিয়াতকে অস্বীকার করে তাহলে সে কাফের হয়ে যাবে।
বিশিষ্ট হানাফি ফকিহ মাওসিলি রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ৬৮৩) লেখেন,
والجهاد فريضةٌ مُحكَمةٌ يَكْفُرُ جَاحِدُها، ثَبَتَتْ فَرضيَّتُهُ بالكتاب والسُّنةِ وإجماع الأمة.
জিহাদ একটি মুহকাম ফরজ বিধান, যার ফরজিয়াত কুরআন, সুন্নাহ ও উম্মতের ইজমা দ্বারা প্রমাণিত, কেউ এর ফরজিয়াতকে অস্বীকার করলে কাফের হয়ে যাবে। -আল-ইখতিয়ার লি-তালিলিল মুখতার ৭/৭, সলাহ আবুল হাজের তাহকিককৃত নুসখা
বিশিষ্ট হানাফি ফকিহ মাওসিলি রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ৬৮৩) লেখেন,
والجهاد فريضةٌ مُحكَمةٌ يَكْفُرُ جَاحِدُها، ثَبَتَتْ فَرضيَّتُهُ بالكتاب والسُّنةِ وإجماع الأمة.
জিহাদ একটি মুহকাম ফরজ বিধান, যার ফরজিয়াত কুরআন, সুন্নাহ ও উম্মতের ইজমা দ্বারা প্রমাণিত, কেউ এর ফরজিয়াতকে অস্বীকার করলে কাফের হয়ে যাবে। -আল-ইখতিয়ার লি-তালিলিল মুখতার ৭/৭, সলাহ আবুল হাজের তাহকিককৃত নুসখা
👍36❤32
মাহফুজের বিরোধিতা আমি কেন করি এবং কেন তাকে ক্ষতিকর মনে করি? একটা ঘটনা বলি৷ তাহলে বুঝবেন।
আপনারা জানেন যে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন সংস্কার নিয়ে আমরা জুলাই-পরবর্তী সময়ে কিছুদিন আন্দোলন করেছিলাম। এই সংস্কারের জন্য অনেকগুলো বিষয়ের সাথে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় ছিল ইফাতে যোগ্য একজন ডিজির নিয়োগ। এটা হলে সংস্কারের কাজ অনেক সহজ হতো এবং ইফা তার মূল চরিত্রে ফিরে আসতে পারত। কারণ সরকারী এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অতীতে বহু খেদমত হয়েছে, এখনো হবার মতো প্রচুর সুযোগ আছে। কিন্তু অযোগ্য আর দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের কারণে সেটা হচ্ছে না৷ আমরা ধর্ম উপদেষ্টার কাছেও লিখিতভাবে এই দাবীগুলো পেশ করেছিলাম। তিনিও আশ্বাস দিয়েছিলেন এবং চেষ্টার ব্যাপারে আন্তরিক ছিলেন।
সেই সময় ঢাকা ইউনিভার্সিটির একজন অধ্যাপক, যিনি আবার আলেমও, ইফার ডিজি হিসেবে নিয়োগের কাজ অনেকদূর এগিয়ে যায়। তিনি ধর্মীয় এবং জেনারেল উভয় লাইনেই পড়াশোনা করা মানুষ হবার পাশাপাশি জুলাই আন্দোলনেও সরব ছিলেন। সবমিলিয়ে তার নিয়োগপত্র প্রায় চূড়ান্ত ছিল৷ তার নিয়োগের ব্যাপারে ধর্মউপদেষ্টার পক্ষ থেকে সাক্ষরকৃত ফাইল চলে যায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে। আমরা চূড়ান্ত মুহুর্তের জন্য অপেক্ষা করতে থাকি। কিন্তু সেই মুহুর্ত আর আসে না৷ পরে জানতে পারি, মাহফুজ আলমের কারণে সেই ফাইল ওখানে আটকে দেওয়া হয় এবং ইফার ডিজি হিসেবে তার নিয়োগও স্থগিত হয়৷ এর পরিবর্তে কিছুদিনের জন্য একজন সচিবকে সাময়িক সময়ের জন্য ডিজির পদে নিয়োগ দেওয়া হয়, পরে অন্য একজন আসে।
মাহফুজ চায়নি এই প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি ঐতিহ্যবাদী কোন 'মোল্লা' এর হাতে চলে যাক। এতে করে ইসলামপন্থীরা শক্তিশালী হবে ও তাদের কর্মতৎপরতা বৃদ্ধি পাবে৷ এটা সে কোনভাবেই চায় না৷ হয়ত এর কারণে তার 'নদীয়ার ইসলাম' প্রচার-প্রসার বাধাগ্রস্ত হবে৷ (তার এই না চাওয়ার আরো একটা ঘটনা আপনারা অনেকেই জানেন৷ যেটা লিখেও পরে আবার কোন এক কারণে সরিয়ে ফেলতে হয়েছিল আমাদেরকে।)
ইফার মাধ্যমে ইসলামের জন্য এদেশে সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক কী পরিমাণ কাজ করা সম্ভব এটা আমাদের কল্পনারও বাইরে। কিন্তু বছরের পর বছর এই প্রতিষ্ঠানটাকে পঙ্গু বানিয়ে রাখা হয়েছে। পঙ্গুত্ব কাটিয়ে ওঠার যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল সেটাকেও মাহফুজ গং গলা টিপে হত্যা করেছিল।
আব্দুল্লাহ আল মাসুদ
আপনারা জানেন যে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন সংস্কার নিয়ে আমরা জুলাই-পরবর্তী সময়ে কিছুদিন আন্দোলন করেছিলাম। এই সংস্কারের জন্য অনেকগুলো বিষয়ের সাথে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় ছিল ইফাতে যোগ্য একজন ডিজির নিয়োগ। এটা হলে সংস্কারের কাজ অনেক সহজ হতো এবং ইফা তার মূল চরিত্রে ফিরে আসতে পারত। কারণ সরকারী এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অতীতে বহু খেদমত হয়েছে, এখনো হবার মতো প্রচুর সুযোগ আছে। কিন্তু অযোগ্য আর দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের কারণে সেটা হচ্ছে না৷ আমরা ধর্ম উপদেষ্টার কাছেও লিখিতভাবে এই দাবীগুলো পেশ করেছিলাম। তিনিও আশ্বাস দিয়েছিলেন এবং চেষ্টার ব্যাপারে আন্তরিক ছিলেন।
সেই সময় ঢাকা ইউনিভার্সিটির একজন অধ্যাপক, যিনি আবার আলেমও, ইফার ডিজি হিসেবে নিয়োগের কাজ অনেকদূর এগিয়ে যায়। তিনি ধর্মীয় এবং জেনারেল উভয় লাইনেই পড়াশোনা করা মানুষ হবার পাশাপাশি জুলাই আন্দোলনেও সরব ছিলেন। সবমিলিয়ে তার নিয়োগপত্র প্রায় চূড়ান্ত ছিল৷ তার নিয়োগের ব্যাপারে ধর্মউপদেষ্টার পক্ষ থেকে সাক্ষরকৃত ফাইল চলে যায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে। আমরা চূড়ান্ত মুহুর্তের জন্য অপেক্ষা করতে থাকি। কিন্তু সেই মুহুর্ত আর আসে না৷ পরে জানতে পারি, মাহফুজ আলমের কারণে সেই ফাইল ওখানে আটকে দেওয়া হয় এবং ইফার ডিজি হিসেবে তার নিয়োগও স্থগিত হয়৷ এর পরিবর্তে কিছুদিনের জন্য একজন সচিবকে সাময়িক সময়ের জন্য ডিজির পদে নিয়োগ দেওয়া হয়, পরে অন্য একজন আসে।
মাহফুজ চায়নি এই প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি ঐতিহ্যবাদী কোন 'মোল্লা' এর হাতে চলে যাক। এতে করে ইসলামপন্থীরা শক্তিশালী হবে ও তাদের কর্মতৎপরতা বৃদ্ধি পাবে৷ এটা সে কোনভাবেই চায় না৷ হয়ত এর কারণে তার 'নদীয়ার ইসলাম' প্রচার-প্রসার বাধাগ্রস্ত হবে৷ (তার এই না চাওয়ার আরো একটা ঘটনা আপনারা অনেকেই জানেন৷ যেটা লিখেও পরে আবার কোন এক কারণে সরিয়ে ফেলতে হয়েছিল আমাদেরকে।)
ইফার মাধ্যমে ইসলামের জন্য এদেশে সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক কী পরিমাণ কাজ করা সম্ভব এটা আমাদের কল্পনারও বাইরে। কিন্তু বছরের পর বছর এই প্রতিষ্ঠানটাকে পঙ্গু বানিয়ে রাখা হয়েছে। পঙ্গুত্ব কাটিয়ে ওঠার যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল সেটাকেও মাহফুজ গং গলা টিপে হত্যা করেছিল।
আব্দুল্লাহ আল মাসুদ
👍36❤11🔥4😁1😱1
তাহাজ্জুদ বিষয়ক এই বইটা দিলে বেশ আগ্রহ তৈরি করে। রমাদানের মাস, কিয়ামুল লাইলের মাস—তারাবিহ, তাহাজ্জুদের মাস।
এই অফারে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। ইনশাআল্লাহ ফায়দা হবে।
অর্ডার লিংক :
https://www.facebook.com/share/15uZ3whmsu/
এই অফারে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। ইনশাআল্লাহ ফায়দা হবে।
অর্ডার লিংক :
https://www.facebook.com/share/15uZ3whmsu/
❤28👍4
মাহফুজ এদেশের মুসলিমদের জন্য এক ভয়ংকর শত্রু৷ এবং ইসলাম ও ওয়েস্ট সম্পর্কে পড়াশোনা করা শত্রু। তার ব্যাপারে কোনো জাহালাতের ওজর চলবে না৷ তাকে শত্রু মনে করা এদেশের প্রত্যেক মুসলমানের কর্তব্য।
হাঁ, এই শত্রুর সাথে কীভাবে ডিল করা হবে, তার হাত থেকে ও তার তৈরি দলের হাত থেকে ইসলাম ও মুসলমানকে কীভাবে রক্ষা করতে হবে, এটা দায়িত্বশীলরা নিজেদের অবস্থান ও শক্তি ভেদে ভিন্নরকম সিন্ধান্ত নিবে, তবে তাকে শত্রু যারা মনে করবে না, তারা অবশ্যই এদেশের মুসলিমের প্রতিনিধি হওয়ার যোগ্যতা রাখবে না। সে ভিন্ন কোনো কমিনিটির হয়তো প্রতিনিধি, যে নিজেকে মুসলিমদের প্রতিনিধি সাজিয়ে মুসলিমদের ধোকা দিচ্ছে৷
হাঁ, এই শত্রুর সাথে কীভাবে ডিল করা হবে, তার হাত থেকে ও তার তৈরি দলের হাত থেকে ইসলাম ও মুসলমানকে কীভাবে রক্ষা করতে হবে, এটা দায়িত্বশীলরা নিজেদের অবস্থান ও শক্তি ভেদে ভিন্নরকম সিন্ধান্ত নিবে, তবে তাকে শত্রু যারা মনে করবে না, তারা অবশ্যই এদেশের মুসলিমের প্রতিনিধি হওয়ার যোগ্যতা রাখবে না। সে ভিন্ন কোনো কমিনিটির হয়তো প্রতিনিধি, যে নিজেকে মুসলিমদের প্রতিনিধি সাজিয়ে মুসলিমদের ধোকা দিচ্ছে৷
👍80🔥18❤4💯3🤣3