Abdullah bin bashir
11.3K subscribers
426 photos
89 videos
95 files
193 links
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট
Download Telegram
মোল্লা ওমরের অফিসিয়াল জীবনী বাংলাভাষায় আসতেছে।
.
মূল বইটি তৈরি করা হয়েছে মোল্লা ওমরের ছেলে বর্তমান ইমারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোল্লা ইয়াকুবের তত্ত্বাবধানে।
.
প্রকাশ করছে চেতনা প্রকাশন।
🥰12049🔥25👍9😱7
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
পুঁজিবাদী জীবনব্যবস্থায় শুধু ঐ জিনিষটাই সম্মানিত হয় যা মানুষকে আরো টাকা কামাতে সাহায্য করে।
💯26👍11
ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের প্রধান বিচারপতি আবদুল হাকিম হক্কানী হাফি. এর কিতাব الإمارة الاسلامية و نظامها এবং উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী আব্দুল বাকী হক্কানী হাফি. এর কিতাব السياسة و الإدارة في الإسلام অবলম্বনে আসলাফ একাডেমির নতুন কোর্স 'ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা'
.
ইন্সট্রাক্টর : মাওলানা আবূ উসামা জাফর
.
অফার চলাকালীন কোর্সটিতে এনরোল করা যাবে মাত্র ৪৪০ টাকায়।
.
কোর্স কন্টেন্ট ওপেন করা হবে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ইন শা আল্লাহ।

লিংক : https://aslafacademy.com/courses/imarate-islam/?fbclid=IwY2xjawHqMYxleHRuA2FlbQIxMAABHT7mTDhhmpHF6Y3WcQyK8I4h1kEZWeLlbq2yS7xq0pwT-Nn1Rs9D7MNA0w_aem_35_7khPf4j81Wtv_t3nfEg
👍4124🔥1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ক্যালিফোর্নিয়া পুড়ছে, আমার অনুভূতি একদম এই ছেলে যা করতেছে তাই...

আল্লাহ তুমি বারাকাহ দেওয়ার মালিক। সেখানের আগুনে আরো বারাকাহ দিয়ে ওয়াশিংটন ডিসি পর্যন্ত পৌঁছিয়ে দেও।
109🤣20🔥8👍3😁2
ইসরাইলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে ফ্রান্সের মন্ত্রীর সাথে হাতমেলাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলো। পুরো দুনিয়ার সামান্যতম কোনো হাউকাউ দেখেছেন? অথচ দুদিন আগে শামে কী হয়েছিলো তা তো জানেন।

বাস্তবতা হলো, প্রশ্নটা নারীর সম্মান বা ইজ্জতের না, প্রশ্ন আল্লাহ মনোনীত একমাত্র সত্যধর্ম ইসলামকে ফুতকার দিয়ে উড়িয়ে দেওয়ার যে প্রচেষ্টা, সেটা। । অবশ্য এতে তারা চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছে ও হবে।
.
আমাদের কতক মুসলিম ‘বৃহত্তম স্বার্থে একটু হাত মিলালে কী এমন ক্ষতি হবে’ বলে চিরস্থায়ী ধোঁকা খেয়েই যাচ্ছে!
👍7221
আলিম ও দাঈরা ফরহাদ মজহারের সঙ্গে বসছেন, একসঙ্গে কথা বলছেন। ভালো কথা। কিন্তু ফরহাদ কি তার 'এবাদত নামা' বই থেকে তাওবা করেছেন। নাকি তারা তার সঙ্গে তাদের পার্থক্যকে স্রেফ শব্দ ও চিন্তার বৈচিত্র্য হিসেবে দেখছেন? কবিতার ভাষার উদাম স্বাধীনতাবোধ থেকে কবিকে ক্ষমা করে দিচ্ছেন।

ফরহাদের 'এবাদত নামা' বইটি আগাগোড়া ইলহাদ, যানদাকা, সাব্ব ও শাতমে ভরপুর। আল্লাহ, রাসূল, কুরআন, ইসলামের নামাজ, হজ্জ ইত্যাদি থেকে শুরু করে কোনো বিষয়ে বিদ্রুপ-ব্লাসফেমি (হিজা) বাদ দেননি। অথচ কা'ব বিন আশরাফসহ আহদে নববীতে যতোজন শা*তিমকে হ*ত্যা করা হয়েছে তাদের বেশিরভাগ কবিই ছিল। কবিতাতেই তারা প্রিয় নবীজীকে হাজও তথা ব্যঙ্গ ও সমালোচনা করতো। নিকট অতীতে রঙিলা রাসূলসহ একাধিক শাতিমের বইয়ে কবিতাকে আশ্রয় করে সাব্ব-শাতম করা হয়েছে। কারণ এই কাজের জন্য গদ্যের চেয়ে পদ্যের ভাষা অধিক যু‌ৎসই। কুরআনে কবিদের সমালোচনার অন্যতম কারণ কবিত্বের এই শয়তানী দিক। তাহলে কবিতার ভাষা বিবেচনায় ফরহাদ মজহারের শয়তানীকে নযরান্দায করে গেলে কীভাবে হবে?

ফরহাদ নতুন বাংলাদেশে আকাশে উড়ছেন। মরেছে ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষ। অথচ তিনি নিজেকে স্বাধীনতার জনক ভাবছেন। অতীতের এসব কুকর্মের শাস্তি না হওয়াতে উলামা-দাঈদের থোড়াই কেয়ার করছেন। মুখোশ খুলে লালনবাদ প্রচার করছেন, পৌত্তলিকদের পক্ষ নিচ্ছেন। দার্শনিক সেজে আকীদা ও শরীয়াহর বিরুদ্ধে যাচ্ছেতাই বকছেন। প্রকাশ্যে ইসলামী রাজনীতি, কুরআনী শাসন, ইসলাম ভিত্তিক রাষ্ট্রচিন্তার বিরোধিতা করছেন। মুলহিদ-যিন্দীক সাব্যস্ত হতে আর কী কী লাগে? তার ব্যাপারে আলিম ও দাঈরা কী ভাবছেন?

মাওলানা মিজান হারুন হাফি.
78👍6
সিরিয়ায় আমল বিল মারুফ নাহি আনিল মুনকার বিভাগের দায়িত্বশীল মহিলারা পার্কে ঘুরে ঘুরে মহিলাদের মাঝে দাওয়াতের কাজ করছে এবং বেগানা নারীদের নেকাব পড়িয়ে দিচ্ছেন! (মুখ খোলা হিজাব নয়)

এই দৃশ্য পশ্চিমকে যেমন ভীত করবে, তেমনি পশ্চিমের মানসিক দাস কিছু মডারেটদেরও ভীত করবে। আল্লাহ মর্ডানিজমের ফিতনা থেকে আমাদের হিফাজত করুন। আমীন
156👍10
আকাবীরে আসলাফের সামনে মাথা নামিয়ে বসে থাকা যেমন আদব আমরা মাদরাসা থেকে শিখি, তেমনি বাতিলের সামনে মাথা উঁচু করে হাটার আদবও আমরা মাদরাসা থেকে শিখি। দুটোই আদব।

-মাওলানা আওরঙ্গজেব ফারুকী হাফিজাহুল্লাহ
👍67🔥3213
ঢাকার মোট বর্গ কিলোমিটার হলো ৩২০+ আর ক্যালোফোর্নিয়ায় এখন পর্যন্ত জ্বলে গেছে ১৬৪ বর্গ কিলোমিটার। অর্থাৎ, পুরো ঢাকা সিটির অর্ধেক এখন পর্যন্ত জ্বলে গেছে অফিসিয়াল নিউজনুযায়ী।
"নিশ্চয় আল্লাহর পাকড়াও বড় কঠিন"
87🔥10👍6
মুফতি তাকী উসমানী দা.বা. যৌবন বয়সে একবার খুব শক্ত ভাষায় কারো খণ্ডনে একটি দুইশ পৃষ্ঠার বই লেখে ফেলেন। তা উনার পিতা মুফতি শফি রহিমাহুল্লাহকে দেখালে, শফি সাহেব ছেলেকে বললেন, 'মাশাআল্লাহ, তোমার রদ সুন্দর হয়েছে। বাকি, তোমার এই লেখা দ্বারা যদি উদ্দেশ্য হয়, নিজের লোকদের বাহবাহ কুড়ানো, লোকে তোমায় বলবে, তাকী তো খুব শক্ত খণ্ডন করেছেন, ইটের জবাব পাথর দিয়ে দিয়েছেন। তাহলে তোমার উদ্দেশ্য এই লেখার মাধ্যমে অর্জন হয়ে যাবে। তবে যদি তোমার উদ্দেশ্য হয়, বিরোধী মতের লোকের ইসলাহ করা, তাদেরকে সত্য ও হক বুঝানো তাহলে তা কখনোই অর্জন হবে না এই লেখার দ্বারা। একটি কথা খুব মনে রাখবে, জীবনে যা কিছু তুমি অন্যের ব্যাপারে লেখবে তা এমনভাবে লেখবে যে, তা যদি আদালতে উঠে তাহলে তুমি তা প্রমাণ করতে পারবে। যদি এমন প্রমাণ তোমার কাছে না থাকে তাহলে কারো ব্যাপারে লেখবে না। অন্যথায় দুনিয়ার আদলতে বেঁচে গেলেও আখেরাতের আদলতের পাকরাও তো রয়েই গেছে।'

মুফতি তাকী সাহেব বলেন, এই কথাগুলো শুনার পর থেকে আজ পর্যন্ত যা কিছু লেখেছি কথাগুলোর উপর আমল করার চেষ্টা করেছি।
.
আমি ও আমরা এখন যুবক। আল্লাহ এই কথাগুলো আমাকে ও আমাদেরকে আমল করার তাওফিক দান করুন। আমীন।
.
একটি অডিও থেকে শুনে খোলাসা লেখেছি। অডিও লিংক :
https://www.youtube.com/watch?v=okssSUM96rg
81👍17
দাবানলের পর ক্যালোফর্নিয়ায় এখন আগুনের টর্নেডোর আশঙ্কা করছেন মার্কিন বিশেষজ্ঞরা!
.
ইয়া আল্লাহ! তুমি মুমিনদের হৃদয় যা হলে প্রশান্ত হবে তা করে দেও। আমার রবের সামনে পুরো পৃথিবীর সকল শক্তি কত দূর্বল!
128🔥18👍3
এক দরবারে গিয়ে বলেন, আমি আমার থেকেও তালেবানকে উত্তম মুসলিম মনে করি।

আবার আরেক দরবারে গিয়ে বলেন, তালেবান থেকে সত্তরের উপর ঈমানভঙ্গের কারণ পাওয়ার দলিল আমার কাছে আছে, এমন জামাতের কাউকে হত্যা করলে (উদ্দেশ্য খলিল হক্কানী) তাহলে পুরো দেশ কেনো যে এত চিল্লাফাল্লা করে আমার বুঝে আসে না।
.
এসব তাকিয়াবাজী আর ধোঁকাবাজি ছেড়ে দেন। দাওলা খারেজি এটার পক্ষে কোনো দলিল খুঁজে পান না দেখে দাওলাকে খারেজি বলেন না, কিন্তু তালেবদের সত্তরের উপর ঈমান ভঙ্গের কারণ খুঁজে পান, আবার বলে বেড়াবেন আপনি দাওলার সমর্থক না, জাতীকে কী গাধা পাইছেন! আপনার এই সকল ভণ্ডামী দেখে নিজেদের বহু কষ্টে চুপ রাখি, কিন্তু আপনার ধোঁকাবাজী সকল সীমা অতিক্রম করছে। ভালো হয়ে যান। শীয়াদের মত ধোকাবাজী ছেড়ে দিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে আপনি যা ইচ্ছা তা করেন আমাদের কোনো আপত্তি নেই।
59👍16🔥2
মুফতি মনসুরুল হক হাফিজাহুল্লাহের বয়ান নিয়ে অনেক ধরনের লেখা নজরে পড়ছে। পুরো বয়ানের একটি বিষয় নিয়ে কেউ দৃষ্টি আকর্ষন করলো না, এটা বেশ অবাক লাগলো।

মুফতি সাহেব বয়ানের এক পর্যায়ে বলেছেন, 'আমাদেরকে আওয়ামীলীগের দালাল বলা হয়, অথচ আমরা আওয়ামীলীগকে মুরতাদ বলি। দলগত মুরতাদ বলি!'

এটা কেনো যে সামনে আসলো না, বুঝলাম না।

আরেকটি বিষয়, পক্ষে বিপক্ষে এই যে আলেমদের গালিগালাজ, বিশ্রী ব্যবহার, এগুলো কী উভয় পক্ষকে মাওলানা যুবায়ের সাহেব শিখাইছে? হাহা! কোথায় আদব এখন?
👍91😭2110😁9👎2
"জালেম ও কাফেরকে ঘৃণা করা আহলে সুন্নাত ওয়াল-জামাতের আকিদার অংশ"

ইমাম তাহাবি রহিমাহুল্লাহ ইমাম আবু হানিফা, আবু ইউসুফ ও ইমাম মুহাম্মাদ রহিমাহুল্লাহ থেকে বর্ণিত আহলুস সুন্নাহর আকিদাসমূহ একটি সংক্ষিপ্ত পুস্তিকায় একত্র করেছেন। সেখানে মুমিনের প্রতি বন্ধুত্ব আর কাফেরের সাথে শত্রুতার আকিদাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ইমাম তাহাবি বলেন,
ونحب أهل العدل والأمانة ونبغض أهل الجور والخيانة.
আমরা ন্যায়নিষ্ঠ ও ইনসাফকারীদের ভালোবাসি আর অপরাধী ও খেয়ানতকারীদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করি।

বলাবাহুল্য, অপরাধ, জুলুম ও খেয়ানতের বড় একটি বহিঃপ্রকাশই হলো কুফরি গ্রহণ করা। আমাদের সালাফদের আকিদার কিতাবসমূহে এই মাসআলাটির অন্তর্ভুক্তি দ্বারা বিষয়টি তাদের নিকটও কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল তার কিছুটা আঁচ করা যায়।

বিস্তারিত জানতে পড়ুন: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক
চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত
60👍4🔥3
কাফেরদের প্রতি ভালোবাসার প্রকার ও বিধান

কাফেরদের সাথে আন্তরিক ভালোবাসা ও বন্ধুত্ব রাখা হারাম। আর যদি এই ভালোবাসার ভিত্তি হয় তাদের ভ্রান্ত ধর্ম ও বিশ্বাসকে ভালো জ্ঞান করা, তবে তা স্পষ্ট কুফর। যদি তা ধর্মবিশ্বাসের কারণে না হয়, বরং পার্থিব কোনো কল্যাণ লাভ বা সৎ গুণগরিমার কারণে হয়, তাহলে সেটি কুফরি নয় বটে, তবে শরিয়তে তা নিষিদ্ধ ও গর্হিত কাজ।

হজরত মাওলানা মুফতি কিফায়াতুল্লাহ সাহেব রহিমাহুল্লাহ একটি প্রশ্নের জবাবে লিখেছেন, মুসলমানদের জন্য কাফেরদের প্রতি ভালোবাসা ও বন্ধুত্ব লালন করা এবং মুসলমানদের বাদ দিয়ে কাফেরদের সাথে মেলামেশার প্রতি মুহাব্বত রাখা নাজায়েজ ও হারাম।

বই: মুসলিম-অমুসলিম সম্পর্ক
মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান
চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত
👍4020🤝1
মাওলানা আবু সাবের আব্দুল্লাহ সাহেবের বইয়ের ব্যাপারে আমার স্পষ্ট ঘোষণা ছিলো, আমার উস্তাদের নিষেধের কারণে আমি বইটির খণ্ডন লেখা বন্ধ করেছি। নচেৎ, যতটুকু খণ্ডন করেছি তার থেকেও আরো অনেক বেশি আপত্তি রয়েছে আমার বইয়ের উপর। এবং সেগুলোর কিছু তো যা লেখেছি সেগুলোর তুলনায় আরো ভয়ংকর।

কিন্তু হুজুরের কিছু কাছের মানুষরা আমার নামে কিছু অসত্য প্রচার করে বেড়াচ্ছে, 'ফেসবুকের একটা ছেলে এক দুটো শাখাগত (?) বিষয়ে কিছু আপত্তি করেছে, এতটুকুই। সেগুলোর জবাবও দেওয়া হয়ে গেছে।'

দেখুন, এসকল মিথ্যাচার আসলে কোনো ফায়দা নেই। এগুলো বলে কিছু বই বিক্রি বেশি করা যাবে, তবে এগুলোর দ্বারা উল্লেখযোগ্য কোনো ফায়দা পাবেন না! বরং যাদের সামনে রেখে এগুলো বলছেন তারা যখন আমাদের কাছে এসে জিজ্ঞাসা করে বাস্তবতা জানতে পারছে, ঐ সকল ছাত্রদের কাছে আপনারাই ছোট হচ্ছেন! আল্লাহ ক্ষমা করুক মিথ্যুক সাব্যস্ত হচ্ছেন!

আমি আমার উস্তাদের আদেশের কারণে চুপ হয়েছি। আমাকে মুখ খুলতে বাধ্য করবেন না। যে সকল কারগুজারী আমাদের কাছে আসছে, আপনাদের ছাত্ররাই যার অনেকগুলো নিয়ে আসছে, সেগুলো বললে আপনাদের ব্যক্তিত্ব নষ্ট হবে, যা এই ভুখণ্ডের মানুষের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে না। আমি তেমন ভালো কেউ না, আমার নামে ভালো কিছু আপনারা বলেন সেটাও আমার দরকার নাই, কিন্তু মিথ্যাচার কইরেন না আল্লাহর ওয়াস্তে!
.
সাবের সাহেবের একান্তই আরেকজন কাছের মানুষ দরসে বসে ছাত্রদের সামনে আমাদেরকে তুচ্ছভরে বলেছেন, 'তাদের সামর্থ থাকলে তারা বই আকারে খণ্ডন নিয়ে আসুক। ওলামায়ে কেরাম পড়ে দেখুক কোনটা ভুল কোনটা সঠিক। ফেসবুকের লেখা কে পড়ে?'

এই বিষয়ে শুধু এতটুকু বলি, আমাদের করা খণ্ডনগুলো কী আপনারা সৎসাহস নিয়ে পড়েন! নিজেরাও পড়েন না, অন্যান্য মুরব্বিরাও যেনো না পড়ে সে ব্যবস্থাও তো করে থাকেন! এগুলোও তো আমরা বেশ নির্ভরযোগ্য সূত্রে পেয়ে থাকি!

যাইহোক, তারপরও যেহেতু আপনাদের দিলের তামান্না তাই জানিয়ে রাখা মুনাসেব মনে করছি, মাওলানা আবু সাবের আব্দুল্লাহ সাহেবের বইয়ের বিকৃতিগুলো নিয়ে বিস্তৃত একটি কাজ আসছে। ইসলামি সিয়াসাতের মৌলিক বিষয়সহ সাবের সাহেবের 'রাষ্ট্র-রাজনীতি' বইয়ের মৌলিক বিষয়গুলোর খণ্ডনে প্রায় এক হাজার পৃষ্ঠাব্যাপি তিন খণ্ডে হবে এই কাজটি। খুব দ্রুতই বইটির প্রথম খণ্ড আসবে ইনশাআল্লাহ। আর বইটি লেখতেছেন মারকাজুস সাহওয়ার শিক্ষাসচিব মাওলানা আবরার সিদ্দিকী হাফিজাহুল্লাহ। আল্লাহ কাজটিকে কবুল করে নিন এবং দ্রুত বের করার তাওফিক দান করুন।

আশা করি, বই আকারে খণ্ডন লেখার যে তামান্না আপনাদের সেটাও এই বইয়ের মাধ্যমে পূরণ হবে। এবং আশা রাখি আপনারা সেটা পড়বেন ইনশাআল্লাহ।
👍4537🔥1
islam or jadeediat.pdf
44.9 MB
পশ্চিমা সভ্যতা নিয়ে এখন পর্যন্ত আরবী, উর্দু ও বাংলাতে যে কয়টি কাজ পড়ার আমার তাওফিক হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম সেরা কাজ হলো এই বইটি। যারা পশ্চিমা সভ্যতাকে একদম গোড়া থেকে বুঝতে চান তাদের জন্য এই বইটি অত্যান্ত জরুরি। ইনশাআল্লাহ, সময় করে বইটি নিয়ে লেখবো। যারা উর্দু জানেন তারা অবশ্যই এই বইটিকে নিজেদের মোতালায় রাখতে পারেন।

বইটির আলোচনা একটু উচ্চ মানের। তাই আগে পশ্চিমা সভ্যতা নিয়ে কিছু পড়া না থাকলে এটা বুঝা কষ্টকর হবে।

আর যারা আগে কিছু পড়েছেনও তাদের জন্যও সবচেয়ে ভালো হয়, এই বইটি যদি মাদরাসার তালেবে ইলম ও ভার্সিটির ভাইরা গ্রুপ করে পড়তে পারেন। কারণ প্রচুর ইংরেজি টার্ম যেমন আছে, তেমনি রয়েছে ইসলামি টার্মও।
👍2912🔥3
ফিকহের তালেবে ইলমদের জন্য বিশাল এক তোহফা আসতেছে উস্তাদে মুহতারাম আব্দুস সামাদ সাহেবের পক্ষ থেকে! ফিকহের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল তালেবে ইলমের জন্যই বইটি সংগ্রহ করা জরুরি মনে করি!
55👍12
Abdullah bin bashir
islam or jadeediat.pdf
পশ্চিমা সভ্যতা নিয়ে আরবী, উর্দু আর বাংলায় যে কয়টা বই নেড়েচেড়ে দেখার তাওফিক আমার হয়েছে তার মধ্যে যদি বিশেষ পাঁচটি বইয়ের তালিকা করতে হয় তাহলে এটাকে আমি তিনের মধ্যেই রাখবো। এত গভির থেকে পশ্চিমা সভ্যতাকে লেখক চিহ্নিত করতে পেরেছে, যা আমাকে বেশ অবাক করেছে।
.
বইটি মূলত পাকিস্তানের এক কুখ্যাত মডার্নিষ্টের খণ্ডণে লেখা। কিন্তু কোনো বইয়ের খণ্ডন করতে গিয়ে খণ্ডনের সাথে পুরো বিষয়ের বাস্তবতা এত সুন্দর করে উপস্থাপন করা যায় তা বেশ অবাক করা। সবেচেয় বেশি আশ্চর্য লেগেছে, লেখকের রেফারেন্স। পশ্চিমের থেকে এত এত রেফারেন্স সে উল্লেখ করেছে যে, আপনি হতবাক হয়ে যাবেন।
.
পশ্চিমের সাথে ইসলামের মূল দ্বন্দ্বটা আসলে কোথায়, পশ্চিমের সাথে ইসলামের মেলবন্ধনের বাস্তবতা, সাইন্সের পুর বাস্তবতা লেখক এত এত পশ্চিমের রেফারেন্স আর ইসলামের মৌলিক জায়গা থেকে তুলে এনেছেন যে, এই বিষয়ে যাদের কিঞ্চিৎ পড়াশোনা আছে তারা অবাক হয়ে যাবেন।
.
লেখক একটি বিষয়ে বেশ জোর দিয়েছেন, পশ্চিমের সাথে যারা মেলবন্ধনের স্বপ্নে বিভোর তারা পশ্চিমকে চিনেই নাই। যে পশ্চিমা জ্ঞানতত্ত্ব ইসলামের ওহী, রাসুলের বানীকে জ্ঞানের বৈধ উৎস হিসেবে স্বীকারই করে না, সে পশ্চিমের সাথে ইসলামের মেলবন্ধন কী আদৌ সম্ভব!
-পশ্চিম ইসলামের মৌলিক জ্ঞানের উৎসকে জ্ঞানের বৈধ উপকরণই মনে করে না!
-পশ্চিম ইসলামের নৈতিকতাকে বর্বর ও সম্পূর্ণ ভুল মনে করে।
-পশ্চিমের ভালোমন্দ নির্নয়ের নিজস্ব মাপকাঠি আছে, যেটা স্বীকার করার পর ইসলাম অস্বীকার করা ছাড়া কোনো উপায় নেই।
-পশ্চিমের তৈরি আজ যে সাইন্সের পুরো পৃথিবী গোলাম হয়েছে, সে সাইন্সের মানুষের স্বভাবজাত পরিবর্তনের ধারাবাহিকতা নয়, বরং নির্দিষ্ট একটি মেটাফিজিকাল ঈমান থেকে তা উৎসারিত হয়েছে।

এমন আরো অসং্খ্য বিষয় লেখক দলিল ভিত্তিক ও স্পষ্ট করে উপস্থাপন করেছেন। মোটকথা যারা পশ্চিমকে ইসলামাইজেশনের কাজ করছে তারা হয় দ্বীনের শত্রু অথবা চূড়ান্ত জাহেল। লেখক বেশ জোর দিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করেছেন, আজ যারা পশ্চিমের গ ণ তন্ত্রকে ইসলামাইজেশনে লিপ্ত শাব্দিকিকরণ করে তারা চূড়ান্তভাবে ধোকাগ্রস্ত হয়ে বসে আছে!
.
পশ্চিমা সভ্যতা নিয়ে যাদের কিছুই পড়াশোনা নাই তার এই বই থেকে তেমন উপকৃত হতে পারবেন না, তাই আগে পশ্চিমের ব্যাপারে অন্যান্য মৌলিক বিষয়গুলো জানার চেষ্টা করুন, তারপর এই বইটি হাতে নিন ইনশাআল্লাহ ব্যাপক ফায়দা হবে।
.
এই বইটি থেকে সবচেয়ে উপকৃত হিতে পারবেন ভার্সিটির ভাইরা। কিন্তু এদেশের ভার্সিটির ভাইরা উর্দু তো পারে না বললেই চলে। মাদরাসার উপরের দিকের তালেবে ইলম ও ভার্সিটির কিছু ভাই যদি গ্রুপ স্ট্যাডির মত করে এই বইটি পড়তে পারেন তাহলে ব্যাপক উপকৃত হবেন ইনশাআল্লাহ।
👍1910🔥3
আম্লীক যেমন বাংলাদেশ চায়, তেমন বাংলাদেশে বসবাস করা কি আদৌ পসিবল?

আসুন দেখে নিই, আম্লীকের বাংলাদেশ কেমন :

১) আপনি সকালে ঘুম থেকে উঠে পেপার হাতে নিলেন। দেখলেন হাসিনার বন্দনা। হাসিনার খুৎবা শুনে শুরু হলো আপনার দিন।

২) পেপার পড়ে আপনি বাইরে হাঁটতে গেলেন। 'বঙ্গবন্ধু মোড়' থেকে রিকশা নিয়ে 'বঙ্গবন্ধু পার্কে' গেলেন হাঁটতে। সেখানে আধা কিলোমিটার পরপর দেখলেন বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল।

৩) আপনি বাসায় ফিরলেন। নাস্তা করবেন। বাসায় নাই গোশত। বউ সামনে আইনা দিলো কাঁঠাল। বউ বলল— প্রধানমন্ত্রী মাংসের বদলে কাঁঠাল খাইতে কইছে। আপনি বিয়ে, মুসলমানি, শ্রাদ্ধ, যেখানেই যাচ্ছেন মাংস নাই, খালি কাঁঠাল আর কাঁঠাল।

৪) যা হোক, নাস্তা খেয়ে টিভি ছাড়লেন। একটু গান-বাজনা শুনে ফ্রেশ হতে চাইছেন আপনি। কিন্তু টিভি খুলেই দেখলেন চলতেছে— বঙ্গবন্ধুর জীবনীভিত্তিক প্রামাণ্য চিত্র— শুঁটকি রপ্তানিতে বঙ্গবন্ধুর অবদান শীর্ষক অনুষ্ঠান। চ্যানেল পাল্টাইলেন। সেখানে চলতেছে— বঙ্গবন্ধুর কারাগারের রোজনামচা পাঠ। আপনি টিভি বন্ধ কইরা বললেন— ধুর ছাতা, টিভিই দেখমু না। যাই, অফিসে যাইগা।

৫) আপনি অফিসে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধু ইন্ডাস্ট্রির পাশ দিয়ে, বঙ্গবন্ধু খাল অতিক্রম করে আপনার রিকশা বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে এসে দাঁড়ালো। সেখানে সরস্বতি পূজা উপলক্ষে ১২টি মূ'র্তি বানানো হয়েছে। হি'ন্দু-মু'সলিম নির্বিশেষে সবাই পূজায় অংশ নিয়েছে। এই দৃশ্য আপনার খুব ভালো লাগল। আপনি ভাবলেন, কোনো এক রমজানের সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ে কোরআন পাঠ ও ইফতার আয়োজন করবেন। কিন্তু রোজার মাসে দেখলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি তাদের ক্যাম্পাসে ইফতার মাহফিল ও কোরআন পাঠ নিষিদ্ধ করে দিয়েছে!

৬) এমন টাইমে আপনার বৃদ্ধা ও ধার্মিক মা ফোন করে বলল— বাবা, আমার জন্য একটা তসবীহ আনিস। আর টাকা থাকলে ফাজায়েলে আমল বইটা কিনে আনিস। আপনি বই বিতান থেকে সেগুলো কিনলেন। কিন্তু রাস্তায় পুলিশ আপনাকে ধরে জ'ঙ্গী বলে থানায় চালান করে দিলো। আপনি আইডি কার্ড দেখিয়ে সেই যাত্রায় বেঁচে ফিরলেন। ফেরার পথে আপনার বন্ধুর সঙ্গে দেখা।

৭) আপনার বন্ধুর হাতে একটি বই। নাম— 'শিশুদের এ.আই শিক্ষা'। তার ছেলে ইউরোপে পড়ে। দেশে বেড়াতে এসেছে। ছেলের জন্য বইটি সে কিনেছে। এটা দেখে আপনারও ইচ্ছা হলো আপনি আপনার ছেলেকে এ.আই শেখাবেন। আপনি বাসায় গেলেন। বাসায় গিয়ে ছেলেকে জিজ্ঞাসা করলেন— আব্বু, আজ স্কুলে তোমাকে কী কী হোমওয়ার্ক দিয়েছে?

৮) আপনার ছেলের হোমওয়ার্ক :

▪️৭ মার্চের ভাষণটি মুখস্ত লেখো।
▪️১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের ঘটনাটি আলোকপাত করো।
▪️মেট্রোরেলে শেখ হাসিনার সাফল্য রচনাটি লিখো।

(এইবার বলেন, এই রকম একটা বাংলাদেশে ঠিক কতক্ষণ টেকা যায়? ২৪ ঘণ্টা কি কোনো সুস্থ মানুষের পক্ষে এই রকম একটা রেজিমে বাস করা পসিবল?)

©
🤣66😇9👍85🔥1😁1
বাশির ইবনুল খাসাসিয়াহ রা. বলেন, 'আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আসলাম ইসলামের উপর বাইয়াত হওয়ার জন্য।' তিনি আমাকে বাইয়াতের জন্য শর্ত দিলেন, '১. তুমি সাক্ষ্য দিবে আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নাই, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসুল। ২. পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়বে। ৩. রমাজানে রোজা রাখবে। ৪. যাকাত আদায় করবে। ৫. হজ করবে। ৬. আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করবে।'
(শর্ত শুনে) আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! দুটো বিষয় তো আমি পারবো না। যাকাত আমি দিতে পারবো না, কারণ আমি তো মাত্র অল্প কিছু সম্পদেরই মালিক। আর জিহাদ করতেও পারবো না, কারণ যুদ্ধের ময়দান থেকে পালায়ন করলে আল্লাহর আজাবের সম্মুখীন হতে হবে, আমার আশঙ্কা আমি যুদ্ধের ময়দানে যাবো এবং মৃত্যুর ভয় পাবো।' একথা শুনে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাত নেড়ে বললেন, 'যাকাত আদায় আর জিহাদ না করো তাহলে জান্নাতে কীসের মাধ্যমে প্রবেশ করবে?'

আমি বললাম, 'হে আল্লাহর রাসুল! (এসব মেনেই) আমি বাইয়াত হবো।' তখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে সব সবগুলো বিষয়ের উপরই বাইয়াত করিয়ে নিলেন। -শরহে মুখতাসারুল কুদুরি ৭/৭; আসসানুল কুবরা লিল বাইহাকী, হাদিস নং ১৭৭৯৬; মুসতাদাকে হাকেম হাদিস নং ২৪২১
43👍6