হযরত আবুল বাশার সাইফুল সাহেবের সমীপে কিছু আকুতি!
.
হযরত! আপনি বাংলাদেশের অসংখ্য আলেমের উস্তাদ উস্তাজুল আসাতিজা, আপনার বহু ছাত্রের ছাত্র হওয়ার মত যোগ্যতাও হয়ত আমার নাই। তবে আজকে আপনার ভিডিওটি দেখে বেশ কষ্ট পেলাম। কষ্ট কারণ এটা না যে, আপনি এই ভিডিওতে ভুল বলেছেন বরং কষ্টের কারণটা একটু ভিন্ন।
.
হযরত! রফিকুল ইসলাম (মাদানী) যে কথাগুলো বলেছে, সেটার উসলুবটা দৃষ্টিকটু ছিলো, বা কিছুটা ভুল বুঝাবুঝিরও সুযোগ আছে, কিন্তু তার কথাটার একটি বাস্তবতাও আছে। কিছু ক্ষেত্রও আছে। এবং আপনিও বলেছেন কোনো কোনো আলেম থেকে এমন বক্তব্য আছে। এখন যদি কেউ সে বক্তব্য ও শরয়ী বিভিন্ন নসের আলোকে জিহাদকে সর্বোত্তম বলে ফেলে তাহলে এরকারণে তাকে রীতিমতো গোমরাহি বলাটাও তো ভয়ংকর!
আমার তো বিষয়টি এমনি মনে হয়েছে, কিন্তু বিষয়টাকে কস্মিনকালেও এমন মনে হয়নি যে, এই কারণে রফিকুল ইসলাম বিশাল কোনো গোমরাহি ছড়িয়ে ফেলেছে জিহাদের নামে, যার কারণে ‘আবুল বাশার সাইফুল সাহেব’-এর মত মহান ব্যক্তি একদম ভিডিওসহ নাম নিয়ে এর রদ করতে হবে!
হযরত! আমি ভিডিও থেকে যতটুকু বুঝেছি, জিহাদের মাহাত্ম্য বুঝাতেই মূলত রফিকুল ইসলাম এমন বলেছে। সেটা বলতে গিয়ে সে বাড়াবাড়ি করে ফেলেছে কিছুটা। এমন তো প্রায় অনেকেই এদেশে করে থাকে। নিজে যে কাজকে বেশি কিছু মনে করে সেটার মাহাত্ম্য বুঝাতে কত কিছুই বলে, যারকিছু তো রীতিমতো বিকৃতি ও গোমরাহি। এই তো কয়েকবছর আগে মিজানুর রহমান সাইদ সাহেব চরমোনাইয়ের মাহফিলে গিয়ে জোর গলায় বলে আসলো, যারা চরমোনাইয়ের বিরোধিতা করবে ইমান থাকবে না। কত ভয়ংকর কথা! হযরত তখন কী আপনি এত ভয়ংকর কথার এভাবে নামসহ, ভিডিওসহ খন্ডন করেছিলেন? নাকি মিজান সাহেব বড় মানুষ তাই তারটা গোপনে বলতে হবে, নিজ গন্ডিতে বলতে হবে আর রফিক ছোট মানুষ, এটারে পিডাইলেই বা কে কি বলবে, গরিব পিডাইলে কার কী, এমন কিছু।
হযরত! জিহাদের কথাটাই যদি বলি, জিহাদের মত মহান ফরজ নিয়ে কত বিকৃতি আমাদের সমাজে চলে। কত বড় বড় মহান ব্যক্তিরাও এই বিকৃতি করে যাচ্ছে এবং তা হচ্ছে প্রকাশ্যে আরো বেশি জনগণের সামনে, তখন কিন্তু আপনার বা রিসালাতুল ইসলামের পক্ষ থেকে কোনো আওয়াজ দেখা যায় না!
হযরত! জিহাদের পক্ষে একটু বাড়াবাড়ি হয়ে গেলে আপনি যতটা ক্ষেপে যান, কিন্তু জিহাদের বিপক্ষে অসংখ্য বিকৃতি হলেও তো আপনাদের এমন জোসওয়ালা পদক্ষেপ দেখা যায় না। রফিকের ভিডিওর ব্যাপারে একদিনের মধ্যে যেমন তার নাম ও ভিডিওসহ রদ দিয়ে ফেললেন, জিহাদের বিকৃত নিয়ে কী এমনটা করেন? আপনার উস্তাদ ফরিদ মাসুদের জিহাদ বিকৃতি নিয়ে কী আজ পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো কথা বলেছেন? তার নাম নিয়ে কোথাও কোনো লেখালেখি, ভিডিও কী করেছেন? হযরত আমার ক্ষুদ্র নজরে তো পড়েনি!
এই তো সম্প্রতি মুহতারাম আবু সাবের আব্দুল্লাহ সাহেব জিহাদের কতগুলো মাসআলা বিকৃত করে তার বইয়ে লেখলো, গণতন্ত্রকে ইসলামাইজেশন করে দিলো, সেগুলো নিয়ে কি কোথাও কোনো কথা বলেছেন? বরং আমরা তো জানি আপনার ও তাহমিদুল মাওলা সাহেবের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত মুয়াসসাসাহ থেকে বইটি ছেপেছেন এবং সেটার প্রচারও করছেন?
হযরত! বেশ কিছু মানুষের দাবী হলো আপনি মূলত এদেশে জিহাদের যেকোনো কথাকেই সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখেন এবং এদেশে জিহাদের কথা বলাকে অপছন্দ করেন, আর সে অপছন্দ থেকেই মূলত এত বড় মানুষ হওয়ার পরেও একটা বাচ্চা ছেলের জিহাদ বিষয়ক সামান্য বাড়াবাড়িকে এত বড় করে দেখেছেন।
হযরত! আমাকে ক্ষমা করবেন, জানিনা যারা এধরণের দাবী করে তাদের দাবী কতটুকু সত্য বা আপনার বিভিন্ন সময়ের নিরবতা ও আজকের এভাবে বিরোধিতা তাদের কথার পক্ষে তায়ীদ হয় কি না, তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে এগুলো বিশ্বাস করতে চাই না। আমি চাই, আপনারা আমাদের যেমন ইলম অর্জনে নেতৃত্ব দিবেন তেমনি সেই ইলমের উসুল ও উসলুব মতে জিহাদসহ যাবতীয় দ্বীনি খেদমতেরও নেতৃত্ব দিবেন। আল্লাহ আপনার ছায়াকে আমাদের উপর দীর্ঘ করুন।
.
হযরত! আপনি বাংলাদেশের অসংখ্য আলেমের উস্তাদ উস্তাজুল আসাতিজা, আপনার বহু ছাত্রের ছাত্র হওয়ার মত যোগ্যতাও হয়ত আমার নাই। তবে আজকে আপনার ভিডিওটি দেখে বেশ কষ্ট পেলাম। কষ্ট কারণ এটা না যে, আপনি এই ভিডিওতে ভুল বলেছেন বরং কষ্টের কারণটা একটু ভিন্ন।
.
হযরত! রফিকুল ইসলাম (মাদানী) যে কথাগুলো বলেছে, সেটার উসলুবটা দৃষ্টিকটু ছিলো, বা কিছুটা ভুল বুঝাবুঝিরও সুযোগ আছে, কিন্তু তার কথাটার একটি বাস্তবতাও আছে। কিছু ক্ষেত্রও আছে। এবং আপনিও বলেছেন কোনো কোনো আলেম থেকে এমন বক্তব্য আছে। এখন যদি কেউ সে বক্তব্য ও শরয়ী বিভিন্ন নসের আলোকে জিহাদকে সর্বোত্তম বলে ফেলে তাহলে এরকারণে তাকে রীতিমতো গোমরাহি বলাটাও তো ভয়ংকর!
আমার তো বিষয়টি এমনি মনে হয়েছে, কিন্তু বিষয়টাকে কস্মিনকালেও এমন মনে হয়নি যে, এই কারণে রফিকুল ইসলাম বিশাল কোনো গোমরাহি ছড়িয়ে ফেলেছে জিহাদের নামে, যার কারণে ‘আবুল বাশার সাইফুল সাহেব’-এর মত মহান ব্যক্তি একদম ভিডিওসহ নাম নিয়ে এর রদ করতে হবে!
হযরত! আমি ভিডিও থেকে যতটুকু বুঝেছি, জিহাদের মাহাত্ম্য বুঝাতেই মূলত রফিকুল ইসলাম এমন বলেছে। সেটা বলতে গিয়ে সে বাড়াবাড়ি করে ফেলেছে কিছুটা। এমন তো প্রায় অনেকেই এদেশে করে থাকে। নিজে যে কাজকে বেশি কিছু মনে করে সেটার মাহাত্ম্য বুঝাতে কত কিছুই বলে, যারকিছু তো রীতিমতো বিকৃতি ও গোমরাহি। এই তো কয়েকবছর আগে মিজানুর রহমান সাইদ সাহেব চরমোনাইয়ের মাহফিলে গিয়ে জোর গলায় বলে আসলো, যারা চরমোনাইয়ের বিরোধিতা করবে ইমান থাকবে না। কত ভয়ংকর কথা! হযরত তখন কী আপনি এত ভয়ংকর কথার এভাবে নামসহ, ভিডিওসহ খন্ডন করেছিলেন? নাকি মিজান সাহেব বড় মানুষ তাই তারটা গোপনে বলতে হবে, নিজ গন্ডিতে বলতে হবে আর রফিক ছোট মানুষ, এটারে পিডাইলেই বা কে কি বলবে, গরিব পিডাইলে কার কী, এমন কিছু।
হযরত! জিহাদের কথাটাই যদি বলি, জিহাদের মত মহান ফরজ নিয়ে কত বিকৃতি আমাদের সমাজে চলে। কত বড় বড় মহান ব্যক্তিরাও এই বিকৃতি করে যাচ্ছে এবং তা হচ্ছে প্রকাশ্যে আরো বেশি জনগণের সামনে, তখন কিন্তু আপনার বা রিসালাতুল ইসলামের পক্ষ থেকে কোনো আওয়াজ দেখা যায় না!
হযরত! জিহাদের পক্ষে একটু বাড়াবাড়ি হয়ে গেলে আপনি যতটা ক্ষেপে যান, কিন্তু জিহাদের বিপক্ষে অসংখ্য বিকৃতি হলেও তো আপনাদের এমন জোসওয়ালা পদক্ষেপ দেখা যায় না। রফিকের ভিডিওর ব্যাপারে একদিনের মধ্যে যেমন তার নাম ও ভিডিওসহ রদ দিয়ে ফেললেন, জিহাদের বিকৃত নিয়ে কী এমনটা করেন? আপনার উস্তাদ ফরিদ মাসুদের জিহাদ বিকৃতি নিয়ে কী আজ পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো কথা বলেছেন? তার নাম নিয়ে কোথাও কোনো লেখালেখি, ভিডিও কী করেছেন? হযরত আমার ক্ষুদ্র নজরে তো পড়েনি!
এই তো সম্প্রতি মুহতারাম আবু সাবের আব্দুল্লাহ সাহেব জিহাদের কতগুলো মাসআলা বিকৃত করে তার বইয়ে লেখলো, গণতন্ত্রকে ইসলামাইজেশন করে দিলো, সেগুলো নিয়ে কি কোথাও কোনো কথা বলেছেন? বরং আমরা তো জানি আপনার ও তাহমিদুল মাওলা সাহেবের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত মুয়াসসাসাহ থেকে বইটি ছেপেছেন এবং সেটার প্রচারও করছেন?
হযরত! বেশ কিছু মানুষের দাবী হলো আপনি মূলত এদেশে জিহাদের যেকোনো কথাকেই সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখেন এবং এদেশে জিহাদের কথা বলাকে অপছন্দ করেন, আর সে অপছন্দ থেকেই মূলত এত বড় মানুষ হওয়ার পরেও একটা বাচ্চা ছেলের জিহাদ বিষয়ক সামান্য বাড়াবাড়িকে এত বড় করে দেখেছেন।
হযরত! আমাকে ক্ষমা করবেন, জানিনা যারা এধরণের দাবী করে তাদের দাবী কতটুকু সত্য বা আপনার বিভিন্ন সময়ের নিরবতা ও আজকের এভাবে বিরোধিতা তাদের কথার পক্ষে তায়ীদ হয় কি না, তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে এগুলো বিশ্বাস করতে চাই না। আমি চাই, আপনারা আমাদের যেমন ইলম অর্জনে নেতৃত্ব দিবেন তেমনি সেই ইলমের উসুল ও উসলুব মতে জিহাদসহ যাবতীয় দ্বীনি খেদমতেরও নেতৃত্ব দিবেন। আল্লাহ আপনার ছায়াকে আমাদের উপর দীর্ঘ করুন।
❤78👍19🔥3❤🔥1😁1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
এগুলোর পর কী ভিডিও এসেছিলো? কেউ কী স্পষ্ট ভাষায় ফরিদ মাসুদকে আহলুস সুন্নাহ থেকে বের করেছিলো?
আসলে গরিব পিডাইয়া বহুত মজারে ভাই!
আসলে গরিব পিডাইয়া বহুত মজারে ভাই!
❤35😁21👍7👎1😢1
বাংলাদেশ ভারতের ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা, ইন্ডিয়ার সরাসরি বাংলাদেশে আক্রমণ সম্ভবনাসহ অনেকগুলো বিষয় নিয়ে বাংলাদেশের সাবেক একজন আর্মি আলোচনা করেছেন।
আলোচনাটা শুনা দরকার ও শুনানোও দরকার।
*আলোচনাটা সুন্দর ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা বুঝার জন্য, এছাড়া ধর্মীয় অন্যান্য বিষয় না।
https://youtu.be/3_AF5hDYzqo?si=5Or04SsIEO3OlrYF
আলোচনাটা শুনা দরকার ও শুনানোও দরকার।
*আলোচনাটা সুন্দর ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা বুঝার জন্য, এছাড়া ধর্মীয় অন্যান্য বিষয় না।
https://youtu.be/3_AF5hDYzqo?si=5Or04SsIEO3OlrYF
YouTube
বাংলাদেশ নিয়ে ভারতের এত বাড়াবাড়ি কেন? আসল উদ্দেশ্য ও ডার্ক ট্রুথ প্রকাশ | Ind vs Ban Analysis
Bangladesh (বাংলাদেশ) কে নিয়ে India (ইন্ডিয়া) এর এত বাড়াবাড়ি কেন? কেন বাংলাদেশকে নিয়ে ভারতের এত মাথাব্যথা? আজকের এই পডকাস্ট এপিসোডে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী (Bangladesh Army) এর Ex-Army Officer এইসব ব্যপার নিয়ে কথা বলেছেন।
Guest:
Del H Khan
Author & Army Veteran…
Guest:
Del H Khan
Author & Army Veteran…
👍28❤12
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
কেউ যদি ইসলাম ছাড়া সেকুলারিজম, গণতন্ত্র বা অন্যকিছু প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন করে তাহলে তার ঈমান থাকবে না। -চরমোনাই পীর ফয়জুল করিম সাহেব
(উনার এই কথাগুলোর সাথে একমত, এবং কথাগুলো সুন্দরও। আল্লাহ উনাকে জাযায়ে খায়ের দান করুন। হা, এখন উনারা ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য যে পথ বেছে নিয়েছে, সেটাকে আমরা বাস্তবতা ও দলিলের কারণে উপযোগি ও কার্যকরী মনে করি না। বরং এই পথে শ্রম যাবে কোনো ফল আসবে না বলে মনে করি। কিন্তু আমরা আশা রাখি ইমানের এই কথাগুলো উনারা নিয়মিত উচ্চারণ করবেন এবং একজন দায়ী হিসেবে আওয়ামী, বিএনপির কাছেও পৌঁছাবেন, ‘যে উদ্দেশ্যে আপনারা রাজনীতি করছেন এই অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে জাহান্নামী হবেন।’
(উনার এই কথাগুলোর সাথে একমত, এবং কথাগুলো সুন্দরও। আল্লাহ উনাকে জাযায়ে খায়ের দান করুন। হা, এখন উনারা ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য যে পথ বেছে নিয়েছে, সেটাকে আমরা বাস্তবতা ও দলিলের কারণে উপযোগি ও কার্যকরী মনে করি না। বরং এই পথে শ্রম যাবে কোনো ফল আসবে না বলে মনে করি। কিন্তু আমরা আশা রাখি ইমানের এই কথাগুলো উনারা নিয়মিত উচ্চারণ করবেন এবং একজন দায়ী হিসেবে আওয়ামী, বিএনপির কাছেও পৌঁছাবেন, ‘যে উদ্দেশ্যে আপনারা রাজনীতি করছেন এই অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে জাহান্নামী হবেন।’
🔥44❤15👍10
যে সকল বক্তা বা খতিবরা মুনাজাতও সুর দিয়ে করেন, তারা কী আল্লাহর কাছে চান, না দুহাত তুলেও মানুষের কাছেই চান!
নিজেকে একটু প্রশ্ন করবেন! আল্লাহ আপনাদের হেদায়েত দিক।
নিজেকে একটু প্রশ্ন করবেন! আল্লাহ আপনাদের হেদায়েত দিক।
👍43❤9
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
পুঁজিবাদী জীবনব্যবস্থায় শুধু ঐ জিনিষটাই সম্মানিত হয় যা মানুষকে আরো টাকা কামাতে সাহায্য করে।
💯26👍11
ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের প্রধান বিচারপতি আবদুল হাকিম হক্কানী হাফি. এর কিতাব الإمارة الاسلامية و نظامها এবং উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী আব্দুল বাকী হক্কানী হাফি. এর কিতাব السياسة و الإدارة في الإسلام অবলম্বনে আসলাফ একাডেমির নতুন কোর্স 'ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা'
.
ইন্সট্রাক্টর : মাওলানা আবূ উসামা জাফর
.
অফার চলাকালীন কোর্সটিতে এনরোল করা যাবে মাত্র ৪৪০ টাকায়।
.
কোর্স কন্টেন্ট ওপেন করা হবে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ইন শা আল্লাহ।
লিংক : https://aslafacademy.com/courses/imarate-islam/?fbclid=IwY2xjawHqMYxleHRuA2FlbQIxMAABHT7mTDhhmpHF6Y3WcQyK8I4h1kEZWeLlbq2yS7xq0pwT-Nn1Rs9D7MNA0w_aem_35_7khPf4j81Wtv_t3nfEg
.
ইন্সট্রাক্টর : মাওলানা আবূ উসামা জাফর
.
অফার চলাকালীন কোর্সটিতে এনরোল করা যাবে মাত্র ৪৪০ টাকায়।
.
কোর্স কন্টেন্ট ওপেন করা হবে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ইন শা আল্লাহ।
লিংক : https://aslafacademy.com/courses/imarate-islam/?fbclid=IwY2xjawHqMYxleHRuA2FlbQIxMAABHT7mTDhhmpHF6Y3WcQyK8I4h1kEZWeLlbq2yS7xq0pwT-Nn1Rs9D7MNA0w_aem_35_7khPf4j81Wtv_t3nfEg
👍41❤24🔥1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ক্যালিফোর্নিয়া পুড়ছে, আমার অনুভূতি একদম এই ছেলে যা করতেছে তাই...
আল্লাহ তুমি বারাকাহ দেওয়ার মালিক। সেখানের আগুনে আরো বারাকাহ দিয়ে ওয়াশিংটন ডিসি পর্যন্ত পৌঁছিয়ে দেও।
আল্লাহ তুমি বারাকাহ দেওয়ার মালিক। সেখানের আগুনে আরো বারাকাহ দিয়ে ওয়াশিংটন ডিসি পর্যন্ত পৌঁছিয়ে দেও।
❤109🤣20🔥8👍3😁2
ইসরাইলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে ফ্রান্সের মন্ত্রীর সাথে হাতমেলাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলো। পুরো দুনিয়ার সামান্যতম কোনো হাউকাউ দেখেছেন? অথচ দুদিন আগে শামে কী হয়েছিলো তা তো জানেন।
বাস্তবতা হলো, প্রশ্নটা নারীর সম্মান বা ইজ্জতের না, প্রশ্ন আল্লাহ মনোনীত একমাত্র সত্যধর্ম ইসলামকে ফুতকার দিয়ে উড়িয়ে দেওয়ার যে প্রচেষ্টা, সেটা। । অবশ্য এতে তারা চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছে ও হবে।
.
আমাদের কতক মুসলিম ‘বৃহত্তম স্বার্থে একটু হাত মিলালে কী এমন ক্ষতি হবে’ বলে চিরস্থায়ী ধোঁকা খেয়েই যাচ্ছে!
বাস্তবতা হলো, প্রশ্নটা নারীর সম্মান বা ইজ্জতের না, প্রশ্ন আল্লাহ মনোনীত একমাত্র সত্যধর্ম ইসলামকে ফুতকার দিয়ে উড়িয়ে দেওয়ার যে প্রচেষ্টা, সেটা। । অবশ্য এতে তারা চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছে ও হবে।
.
আমাদের কতক মুসলিম ‘বৃহত্তম স্বার্থে একটু হাত মিলালে কী এমন ক্ষতি হবে’ বলে চিরস্থায়ী ধোঁকা খেয়েই যাচ্ছে!
👍72❤21
আলিম ও দাঈরা ফরহাদ মজহারের সঙ্গে বসছেন, একসঙ্গে কথা বলছেন। ভালো কথা। কিন্তু ফরহাদ কি তার 'এবাদত নামা' বই থেকে তাওবা করেছেন। নাকি তারা তার সঙ্গে তাদের পার্থক্যকে স্রেফ শব্দ ও চিন্তার বৈচিত্র্য হিসেবে দেখছেন? কবিতার ভাষার উদাম স্বাধীনতাবোধ থেকে কবিকে ক্ষমা করে দিচ্ছেন।
ফরহাদের 'এবাদত নামা' বইটি আগাগোড়া ইলহাদ, যানদাকা, সাব্ব ও শাতমে ভরপুর। আল্লাহ, রাসূল, কুরআন, ইসলামের নামাজ, হজ্জ ইত্যাদি থেকে শুরু করে কোনো বিষয়ে বিদ্রুপ-ব্লাসফেমি (হিজা) বাদ দেননি। অথচ কা'ব বিন আশরাফসহ আহদে নববীতে যতোজন শা*তিমকে হ*ত্যা করা হয়েছে তাদের বেশিরভাগ কবিই ছিল। কবিতাতেই তারা প্রিয় নবীজীকে হাজও তথা ব্যঙ্গ ও সমালোচনা করতো। নিকট অতীতে রঙিলা রাসূলসহ একাধিক শাতিমের বইয়ে কবিতাকে আশ্রয় করে সাব্ব-শাতম করা হয়েছে। কারণ এই কাজের জন্য গদ্যের চেয়ে পদ্যের ভাষা অধিক যুৎসই। কুরআনে কবিদের সমালোচনার অন্যতম কারণ কবিত্বের এই শয়তানী দিক। তাহলে কবিতার ভাষা বিবেচনায় ফরহাদ মজহারের শয়তানীকে নযরান্দায করে গেলে কীভাবে হবে?
ফরহাদ নতুন বাংলাদেশে আকাশে উড়ছেন। মরেছে ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষ। অথচ তিনি নিজেকে স্বাধীনতার জনক ভাবছেন। অতীতের এসব কুকর্মের শাস্তি না হওয়াতে উলামা-দাঈদের থোড়াই কেয়ার করছেন। মুখোশ খুলে লালনবাদ প্রচার করছেন, পৌত্তলিকদের পক্ষ নিচ্ছেন। দার্শনিক সেজে আকীদা ও শরীয়াহর বিরুদ্ধে যাচ্ছেতাই বকছেন। প্রকাশ্যে ইসলামী রাজনীতি, কুরআনী শাসন, ইসলাম ভিত্তিক রাষ্ট্রচিন্তার বিরোধিতা করছেন। মুলহিদ-যিন্দীক সাব্যস্ত হতে আর কী কী লাগে? তার ব্যাপারে আলিম ও দাঈরা কী ভাবছেন?
মাওলানা মিজান হারুন হাফি.
ফরহাদের 'এবাদত নামা' বইটি আগাগোড়া ইলহাদ, যানদাকা, সাব্ব ও শাতমে ভরপুর। আল্লাহ, রাসূল, কুরআন, ইসলামের নামাজ, হজ্জ ইত্যাদি থেকে শুরু করে কোনো বিষয়ে বিদ্রুপ-ব্লাসফেমি (হিজা) বাদ দেননি। অথচ কা'ব বিন আশরাফসহ আহদে নববীতে যতোজন শা*তিমকে হ*ত্যা করা হয়েছে তাদের বেশিরভাগ কবিই ছিল। কবিতাতেই তারা প্রিয় নবীজীকে হাজও তথা ব্যঙ্গ ও সমালোচনা করতো। নিকট অতীতে রঙিলা রাসূলসহ একাধিক শাতিমের বইয়ে কবিতাকে আশ্রয় করে সাব্ব-শাতম করা হয়েছে। কারণ এই কাজের জন্য গদ্যের চেয়ে পদ্যের ভাষা অধিক যুৎসই। কুরআনে কবিদের সমালোচনার অন্যতম কারণ কবিত্বের এই শয়তানী দিক। তাহলে কবিতার ভাষা বিবেচনায় ফরহাদ মজহারের শয়তানীকে নযরান্দায করে গেলে কীভাবে হবে?
ফরহাদ নতুন বাংলাদেশে আকাশে উড়ছেন। মরেছে ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষ। অথচ তিনি নিজেকে স্বাধীনতার জনক ভাবছেন। অতীতের এসব কুকর্মের শাস্তি না হওয়াতে উলামা-দাঈদের থোড়াই কেয়ার করছেন। মুখোশ খুলে লালনবাদ প্রচার করছেন, পৌত্তলিকদের পক্ষ নিচ্ছেন। দার্শনিক সেজে আকীদা ও শরীয়াহর বিরুদ্ধে যাচ্ছেতাই বকছেন। প্রকাশ্যে ইসলামী রাজনীতি, কুরআনী শাসন, ইসলাম ভিত্তিক রাষ্ট্রচিন্তার বিরোধিতা করছেন। মুলহিদ-যিন্দীক সাব্যস্ত হতে আর কী কী লাগে? তার ব্যাপারে আলিম ও দাঈরা কী ভাবছেন?
মাওলানা মিজান হারুন হাফি.
❤78👍6
সিরিয়ায় আমল বিল মারুফ নাহি আনিল মুনকার বিভাগের দায়িত্বশীল মহিলারা পার্কে ঘুরে ঘুরে মহিলাদের মাঝে দাওয়াতের কাজ করছে এবং বেগানা নারীদের নেকাব পড়িয়ে দিচ্ছেন! (মুখ খোলা হিজাব নয়)
এই দৃশ্য পশ্চিমকে যেমন ভীত করবে, তেমনি পশ্চিমের মানসিক দাস কিছু মডারেটদেরও ভীত করবে। আল্লাহ মর্ডানিজমের ফিতনা থেকে আমাদের হিফাজত করুন। আমীন
এই দৃশ্য পশ্চিমকে যেমন ভীত করবে, তেমনি পশ্চিমের মানসিক দাস কিছু মডারেটদেরও ভীত করবে। আল্লাহ মর্ডানিজমের ফিতনা থেকে আমাদের হিফাজত করুন। আমীন
❤156👍10
আকাবীরে আসলাফের সামনে মাথা নামিয়ে বসে থাকা যেমন আদব আমরা মাদরাসা থেকে শিখি, তেমনি বাতিলের সামনে মাথা উঁচু করে হাটার আদবও আমরা মাদরাসা থেকে শিখি। দুটোই আদব।
-মাওলানা আওরঙ্গজেব ফারুকী হাফিজাহুল্লাহ
-মাওলানা আওরঙ্গজেব ফারুকী হাফিজাহুল্লাহ
👍67🔥32❤13
মুফতি তাকী উসমানী দা.বা. যৌবন বয়সে একবার খুব শক্ত ভাষায় কারো খণ্ডনে একটি দুইশ পৃষ্ঠার বই লেখে ফেলেন। তা উনার পিতা মুফতি শফি রহিমাহুল্লাহকে দেখালে, শফি সাহেব ছেলেকে বললেন, 'মাশাআল্লাহ, তোমার রদ সুন্দর হয়েছে। বাকি, তোমার এই লেখা দ্বারা যদি উদ্দেশ্য হয়, নিজের লোকদের বাহবাহ কুড়ানো, লোকে তোমায় বলবে, তাকী তো খুব শক্ত খণ্ডন করেছেন, ইটের জবাব পাথর দিয়ে দিয়েছেন। তাহলে তোমার উদ্দেশ্য এই লেখার মাধ্যমে অর্জন হয়ে যাবে। তবে যদি তোমার উদ্দেশ্য হয়, বিরোধী মতের লোকের ইসলাহ করা, তাদেরকে সত্য ও হক বুঝানো তাহলে তা কখনোই অর্জন হবে না এই লেখার দ্বারা। একটি কথা খুব মনে রাখবে, জীবনে যা কিছু তুমি অন্যের ব্যাপারে লেখবে তা এমনভাবে লেখবে যে, তা যদি আদালতে উঠে তাহলে তুমি তা প্রমাণ করতে পারবে। যদি এমন প্রমাণ তোমার কাছে না থাকে তাহলে কারো ব্যাপারে লেখবে না। অন্যথায় দুনিয়ার আদলতে বেঁচে গেলেও আখেরাতের আদলতের পাকরাও তো রয়েই গেছে।'
মুফতি তাকী সাহেব বলেন, এই কথাগুলো শুনার পর থেকে আজ পর্যন্ত যা কিছু লেখেছি কথাগুলোর উপর আমল করার চেষ্টা করেছি।
.
আমি ও আমরা এখন যুবক। আল্লাহ এই কথাগুলো আমাকে ও আমাদেরকে আমল করার তাওফিক দান করুন। আমীন।
.
একটি অডিও থেকে শুনে খোলাসা লেখেছি। অডিও লিংক :
https://www.youtube.com/watch?v=okssSUM96rg
মুফতি তাকী সাহেব বলেন, এই কথাগুলো শুনার পর থেকে আজ পর্যন্ত যা কিছু লেখেছি কথাগুলোর উপর আমল করার চেষ্টা করেছি।
.
আমি ও আমরা এখন যুবক। আল্লাহ এই কথাগুলো আমাকে ও আমাদেরকে আমল করার তাওফিক দান করুন। আমীন।
.
একটি অডিও থেকে শুনে খোলাসা লেখেছি। অডিও লিংক :
https://www.youtube.com/watch?v=okssSUM96rg
❤81👍17
দাবানলের পর ক্যালোফর্নিয়ায় এখন আগুনের টর্নেডোর আশঙ্কা করছেন মার্কিন বিশেষজ্ঞরা!
.
ইয়া আল্লাহ! তুমি মুমিনদের হৃদয় যা হলে প্রশান্ত হবে তা করে দেও। আমার রবের সামনে পুরো পৃথিবীর সকল শক্তি কত দূর্বল!
.
ইয়া আল্লাহ! তুমি মুমিনদের হৃদয় যা হলে প্রশান্ত হবে তা করে দেও। আমার রবের সামনে পুরো পৃথিবীর সকল শক্তি কত দূর্বল!
❤128🔥18👍3
এক দরবারে গিয়ে বলেন, আমি আমার থেকেও তালেবানকে উত্তম মুসলিম মনে করি।
আবার আরেক দরবারে গিয়ে বলেন, তালেবান থেকে সত্তরের উপর ঈমানভঙ্গের কারণ পাওয়ার দলিল আমার কাছে আছে, এমন জামাতের কাউকে হত্যা করলে (উদ্দেশ্য খলিল হক্কানী) তাহলে পুরো দেশ কেনো যে এত চিল্লাফাল্লা করে আমার বুঝে আসে না।
.
এসব তাকিয়াবাজী আর ধোঁকাবাজি ছেড়ে দেন। দাওলা খারেজি এটার পক্ষে কোনো দলিল খুঁজে পান না দেখে দাওলাকে খারেজি বলেন না, কিন্তু তালেবদের সত্তরের উপর ঈমান ভঙ্গের কারণ খুঁজে পান, আবার বলে বেড়াবেন আপনি দাওলার সমর্থক না, জাতীকে কী গাধা পাইছেন! আপনার এই সকল ভণ্ডামী দেখে নিজেদের বহু কষ্টে চুপ রাখি, কিন্তু আপনার ধোঁকাবাজী সকল সীমা অতিক্রম করছে। ভালো হয়ে যান। শীয়াদের মত ধোকাবাজী ছেড়ে দিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে আপনি যা ইচ্ছা তা করেন আমাদের কোনো আপত্তি নেই।
আবার আরেক দরবারে গিয়ে বলেন, তালেবান থেকে সত্তরের উপর ঈমানভঙ্গের কারণ পাওয়ার দলিল আমার কাছে আছে, এমন জামাতের কাউকে হত্যা করলে (উদ্দেশ্য খলিল হক্কানী) তাহলে পুরো দেশ কেনো যে এত চিল্লাফাল্লা করে আমার বুঝে আসে না।
.
এসব তাকিয়াবাজী আর ধোঁকাবাজি ছেড়ে দেন। দাওলা খারেজি এটার পক্ষে কোনো দলিল খুঁজে পান না দেখে দাওলাকে খারেজি বলেন না, কিন্তু তালেবদের সত্তরের উপর ঈমান ভঙ্গের কারণ খুঁজে পান, আবার বলে বেড়াবেন আপনি দাওলার সমর্থক না, জাতীকে কী গাধা পাইছেন! আপনার এই সকল ভণ্ডামী দেখে নিজেদের বহু কষ্টে চুপ রাখি, কিন্তু আপনার ধোঁকাবাজী সকল সীমা অতিক্রম করছে। ভালো হয়ে যান। শীয়াদের মত ধোকাবাজী ছেড়ে দিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে আপনি যা ইচ্ছা তা করেন আমাদের কোনো আপত্তি নেই।
❤59👍16🔥2
মুফতি মনসুরুল হক হাফিজাহুল্লাহের বয়ান নিয়ে অনেক ধরনের লেখা নজরে পড়ছে। পুরো বয়ানের একটি বিষয় নিয়ে কেউ দৃষ্টি আকর্ষন করলো না, এটা বেশ অবাক লাগলো।
মুফতি সাহেব বয়ানের এক পর্যায়ে বলেছেন, 'আমাদেরকে আওয়ামীলীগের দালাল বলা হয়, অথচ আমরা আওয়ামীলীগকে মুরতাদ বলি। দলগত মুরতাদ বলি!'
এটা কেনো যে সামনে আসলো না, বুঝলাম না।
আরেকটি বিষয়, পক্ষে বিপক্ষে এই যে আলেমদের গালিগালাজ, বিশ্রী ব্যবহার, এগুলো কী উভয় পক্ষকে মাওলানা যুবায়ের সাহেব শিখাইছে? হাহা! কোথায় আদব এখন?
মুফতি সাহেব বয়ানের এক পর্যায়ে বলেছেন, 'আমাদেরকে আওয়ামীলীগের দালাল বলা হয়, অথচ আমরা আওয়ামীলীগকে মুরতাদ বলি। দলগত মুরতাদ বলি!'
এটা কেনো যে সামনে আসলো না, বুঝলাম না।
আরেকটি বিষয়, পক্ষে বিপক্ষে এই যে আলেমদের গালিগালাজ, বিশ্রী ব্যবহার, এগুলো কী উভয় পক্ষকে মাওলানা যুবায়ের সাহেব শিখাইছে? হাহা! কোথায় আদব এখন?
👍91😭21❤10😁9👎2
"জালেম ও কাফেরকে ঘৃণা করা আহলে সুন্নাত ওয়াল-জামাতের আকিদার অংশ"
ইমাম তাহাবি রহিমাহুল্লাহ ইমাম আবু হানিফা, আবু ইউসুফ ও ইমাম মুহাম্মাদ রহিমাহুল্লাহ থেকে বর্ণিত আহলুস সুন্নাহর আকিদাসমূহ একটি সংক্ষিপ্ত পুস্তিকায় একত্র করেছেন। সেখানে মুমিনের প্রতি বন্ধুত্ব আর কাফেরের সাথে শত্রুতার আকিদাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ইমাম তাহাবি বলেন,
ونحب أهل العدل والأمانة ونبغض أهل الجور والخيانة.
আমরা ন্যায়নিষ্ঠ ও ইনসাফকারীদের ভালোবাসি আর অপরাধী ও খেয়ানতকারীদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করি।
বলাবাহুল্য, অপরাধ, জুলুম ও খেয়ানতের বড় একটি বহিঃপ্রকাশই হলো কুফরি গ্রহণ করা। আমাদের সালাফদের আকিদার কিতাবসমূহে এই মাসআলাটির অন্তর্ভুক্তি দ্বারা বিষয়টি তাদের নিকটও কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল তার কিছুটা আঁচ করা যায়।
বিস্তারিত জানতে পড়ুন: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক
চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত
ইমাম তাহাবি রহিমাহুল্লাহ ইমাম আবু হানিফা, আবু ইউসুফ ও ইমাম মুহাম্মাদ রহিমাহুল্লাহ থেকে বর্ণিত আহলুস সুন্নাহর আকিদাসমূহ একটি সংক্ষিপ্ত পুস্তিকায় একত্র করেছেন। সেখানে মুমিনের প্রতি বন্ধুত্ব আর কাফেরের সাথে শত্রুতার আকিদাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ইমাম তাহাবি বলেন,
ونحب أهل العدل والأمانة ونبغض أهل الجور والخيانة.
আমরা ন্যায়নিষ্ঠ ও ইনসাফকারীদের ভালোবাসি আর অপরাধী ও খেয়ানতকারীদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করি।
বলাবাহুল্য, অপরাধ, জুলুম ও খেয়ানতের বড় একটি বহিঃপ্রকাশই হলো কুফরি গ্রহণ করা। আমাদের সালাফদের আকিদার কিতাবসমূহে এই মাসআলাটির অন্তর্ভুক্তি দ্বারা বিষয়টি তাদের নিকটও কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল তার কিছুটা আঁচ করা যায়।
বিস্তারিত জানতে পড়ুন: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক
চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত
❤60👍4🔥3
কাফেরদের প্রতি ভালোবাসার প্রকার ও বিধান
কাফেরদের সাথে আন্তরিক ভালোবাসা ও বন্ধুত্ব রাখা হারাম। আর যদি এই ভালোবাসার ভিত্তি হয় তাদের ভ্রান্ত ধর্ম ও বিশ্বাসকে ভালো জ্ঞান করা, তবে তা স্পষ্ট কুফর। যদি তা ধর্মবিশ্বাসের কারণে না হয়, বরং পার্থিব কোনো কল্যাণ লাভ বা সৎ গুণগরিমার কারণে হয়, তাহলে সেটি কুফরি নয় বটে, তবে শরিয়তে তা নিষিদ্ধ ও গর্হিত কাজ।
হজরত মাওলানা মুফতি কিফায়াতুল্লাহ সাহেব রহিমাহুল্লাহ একটি প্রশ্নের জবাবে লিখেছেন, মুসলমানদের জন্য কাফেরদের প্রতি ভালোবাসা ও বন্ধুত্ব লালন করা এবং মুসলমানদের বাদ দিয়ে কাফেরদের সাথে মেলামেশার প্রতি মুহাব্বত রাখা নাজায়েজ ও হারাম।
বই: মুসলিম-অমুসলিম সম্পর্ক
মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান
চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত
কাফেরদের সাথে আন্তরিক ভালোবাসা ও বন্ধুত্ব রাখা হারাম। আর যদি এই ভালোবাসার ভিত্তি হয় তাদের ভ্রান্ত ধর্ম ও বিশ্বাসকে ভালো জ্ঞান করা, তবে তা স্পষ্ট কুফর। যদি তা ধর্মবিশ্বাসের কারণে না হয়, বরং পার্থিব কোনো কল্যাণ লাভ বা সৎ গুণগরিমার কারণে হয়, তাহলে সেটি কুফরি নয় বটে, তবে শরিয়তে তা নিষিদ্ধ ও গর্হিত কাজ।
হজরত মাওলানা মুফতি কিফায়াতুল্লাহ সাহেব রহিমাহুল্লাহ একটি প্রশ্নের জবাবে লিখেছেন, মুসলমানদের জন্য কাফেরদের প্রতি ভালোবাসা ও বন্ধুত্ব লালন করা এবং মুসলমানদের বাদ দিয়ে কাফেরদের সাথে মেলামেশার প্রতি মুহাব্বত রাখা নাজায়েজ ও হারাম।
বই: মুসলিম-অমুসলিম সম্পর্ক
মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান
চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত
👍40❤20🤝1