হায়াতি ও মামাতি সংক্রান্ত বিষয়ে মাওলানা মাঞ্জুর মেঙ্গল সাহেবের মাওকিফের খণ্ডনে লেখা এসেছে পাকিস্তানের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ম্যাগাজিন ‘মাজাল্লায়ে সাফদার’-এ।
মেঙ্গল সাহেব পাকিস্তানের এখন অন্যতম একজন মুরব্বি আলেম হওয়া সত্ত্বেও তার যে অবস্থান আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাতের সাথে পূর্ণভাবে সঙ্গতিপূর্ণ নয় বলে একজন আলেম তা খণ্ডণ করেছেন। এবং তা ছেপেছে দেওবন্দি আলেমদের বিখ্যাত একটি ম্যাগাজিন। এখানে এটা বিবেচনা করা হয়নি, যে লেখেছে, সে বড় আলেম না মেঙ্গল সাহেব বড় আলেম, একজন ছোট কেনো বড় মেঙ্গলের রদ করলো, ইত্যাদি।
দ্বিতীয় একজন শ্রদ্ধেয় আলেমের রদ কীভাবে করতে হয় তাও আমাদের শিখার আছে।
প্রবন্ধের লিংক: https://t.me/mujallasafdar/408
মেঙ্গল সাহেব পাকিস্তানের এখন অন্যতম একজন মুরব্বি আলেম হওয়া সত্ত্বেও তার যে অবস্থান আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাতের সাথে পূর্ণভাবে সঙ্গতিপূর্ণ নয় বলে একজন আলেম তা খণ্ডণ করেছেন। এবং তা ছেপেছে দেওবন্দি আলেমদের বিখ্যাত একটি ম্যাগাজিন। এখানে এটা বিবেচনা করা হয়নি, যে লেখেছে, সে বড় আলেম না মেঙ্গল সাহেব বড় আলেম, একজন ছোট কেনো বড় মেঙ্গলের রদ করলো, ইত্যাদি।
দ্বিতীয় একজন শ্রদ্ধেয় আলেমের রদ কীভাবে করতে হয় তাও আমাদের শিখার আছে।
প্রবন্ধের লিংক: https://t.me/mujallasafdar/408
🥰24👍8❤2😱1
একজন আলেমকে জিজ্ঞাসা করা হলো, তালেবদের হাতে মাইর খাওয়া পাকিস্তানের সেনাবাহিনীকে শহীদ বলা হচ্ছে, এটা কোন ধরনের শহীদ।
আলেম উত্তর দিলেন, এটা শহীদ দুনা শহীদ।
আলেম উত্তর দিলেন, এটা শহীদ দুনা শহীদ।
😁85👍6❤4
পরিভাষার অজ্ঞতা; পশ্চিমের ইসলামি করণের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার
দুনিয়ার সকল জ্ঞানশাস্ত্রের নিজস্ব পরিভাষা রয়েছে, এবং প্রতিটি জ্ঞানশাস্ত্রকে তার সে পরিভাষার প্রকৃত মর্ম ছাড়া উদ্ধার করা সম্ভব নয়। ভিন্ন ভাষার পরিভাষাগুলো বুঝার ক্ষেত্রে প্রচলিত একটি পদ্ধতি হলো নিজস্ব ভাষায় সে পরিভাষার সামর্থবোধক শব্দ খোঁজা বা শাব্দিক অর্থ বের করে বুঝা। কিন্তু পরিভাষার মর্ম উদ্ধারের এই পদ্ধতি অগ্রহণযোগ্য একটি পদ্ধতি। কেননা প্রতিটি পরিভাষার তৈরির—চাই তা ইসলামি হোক বা অনিসলামি—নির্দিষ্ট ইতিহাস, সংস্কৃতি, ধর্মীয় ও মনস্তাত্ত্বিক পটভূমি থাকে। আর সেগুলোর জ্ঞানতত্ত্ব (Epistemology), অস্তিত্বতত্ত্ব (Ontology), সৃষ্টিতত্ত্ব (Cosomology) ও অদিবিদ্যা (Metaphysics) থেকে তৈরি হয়। পরিভাষা শুধুই অন্যের কাছে নিজের চিন্তা পৌছানোর মাধ্যম শুধু নয়, বরং তা একটি জাতীর ইতিহাস ও দর্শনের আয়না। এজন্য কোনো পরিভাষার প্রকৃত মর্ম উদ্বার করা পরিভাষার পিছনের অদিবিদ্যা (Metaphysics) পটভুমি জানা ছাড়া সম্ভব নয়। এই সুক্ষ বিষয়টি একটি সহজ উদাহরণ দিয়ে বুঝা যাক। Dead Labour মার্ক্সবাদিদের একটি নিজস্ব পরিভাষা। যার শাব্দিক অর্থ হয় ‘মৃত মজদুর’ বা ‘মৃত শ্রমিক’। অথচ মার্ক্সবাদিদের পরিভাষায় এর মর্ম হলো ‘পুঁজি’।
একজন মুসলমান চাই সে যতই সঠিক ও মজবুত আকিদা বিশ্বাসের অধিকারী হোক না কেনো, যদি সে পশ্চিমা পরিভাষার প্রকৃত মর্ম ও বাস্তবতা না জানে, তাহলে সে পশ্চিমা মতবাদগুলোকে শুধু শাব্দিক কিছু মিলের কারণে ইসলামাইজেশন বা ইসলামিকরণ করতে থাকবে। যে সকল মডার্নিষ্টরা পশ্চিমা পরিভাষাগুলোকে ইসলামিকরণ করে তাদের একটি গোড়ার ভুল হলো, তারা পশ্চিমা পরিভাষাগুলোর বাহ্যত বা আংশিক কিছু মিল দেখেই সেগুলোকে ইসলামি বিভিন্ন পরিভাষার উপর কেয়াস করে ফেলে। এবং উভয়টি একই এমন সিন্ধান্ত দিয়ে ফেলে। যেমন ধরুন, Democracy বা গণতন্ত্র পশ্চিমের নির্দিষ্ট দর্শন থেকে উঠা আসা একটি পরিভাষা। ইসলামের শুরায়ী নেজামের সাথে এর আসমান জমিনের পার্থক্য থাকলেও কিছু আংশিক মিল দেখা যায়। এখন এই আংশিক আর বাহ্যত কিছু সামাঞ্জস্যে প্রভাবিত হয়ে গণতন্ত্রের পশ্চিমা দর্শন, ইতিহাস ও যে অতিপাকৃত বিশ্বাসের উপর তা প্রতিষ্ঠিত সেগুলোর সম্পর্কে অজ্ঞ ব্যক্তিরা গণতন্ত্রকে ইসলামিকরণ করে ফেলে। অথচ ইলমে কিয়াস সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা রাখা ব্যক্তিও জানে, একটি বিষয়কে আরেকটি বিষয়ের উপর কেয়াস করতে হলে উভয়ের মাঝে অনেকগুলো মৌলিক বিষয়ে মিল থাকতে হয়। অন্যথায় সে কেয়াস শাস্ত্রীয় বিবেচনায় কেয়াস মাআল ফারেক বলে বিবেচিত হবে। পরিভাষার এই মৌলিক ভুল ও অজ্ঞতার কারণে মর্ডানিষ্টরা পশ্চিমের অসংখ্য বিষয়কে ইসলামের মাঝে খুঁজে পায়। এবং সেগুলোকে ইসলামি করণ করে মানুষকে হয় ধোঁকা দেয় অথবা নিজেরা ধোঁকা খায়।
পরিভাষা বুঝার সঠিক পদ্ধতি
মানবতাবাদ (Humanism), যুক্তিবাদ (Rationalisom), রেনেসাঁ (Renaissance), এনলাইটেনমেন্ট (Enlightenment), ব্যক্তিস্বাতন্ত্রবাদ (Individualism), সমতা (Equality), স্বাধীনতা (freedom), পুঁজিবাদ (Capitalism)সহ পশ্চিম থেকে উঠে আসা প্রতিটি পরিভাষাকে শাব্দিকরণ ও বাহ্যত মিলের সাথে সামাঞ্জস্য করে না বুঝে সেগুলোর জ্ঞানতত্ত্ব ও যে অতিপাকৃত বিশ্বাসের উপর সেগুলো প্রতিষ্ঠিত তার আলোকে বুঝা অত্যান্ত জরুরি। তেমনিভাবে ইসলামি পরিভাষাগুলোও নিজস্ব জ্ঞানতত্ত্ব ও অতিপাকৃত কিছু বিশ্বাসের পটভুমিতে তৈরি হয়েছে। একেকটি পরিভাষায় নিজস্ব মূল্যবোধ, সংস্কৃতি ও মনস্তত্ত্ব রয়েছে। যেমন, সুন্নাত, ইজমা, ইজতিহাদ, মাকাসেদে শরয়িয়্যাহ, আজমতে সাহাবা, ফাতাওয়া, তাকলিদ, তালফিক, ইল্লত, ইবারাতুন নস, দালালাতুন নস, ইশারাতুন নস, ইকতিযায়ুন নস, ইসতিহসান, মাজাযে মুরসাল ইত্যাদি অসংখ্য পরিভাষাগুলোর গঠণ, গড়ন ও সৃষ্টি নির্দিষ্ট জ্ঞানতত্ত্ব ও কিছু বিশ্বাসের পটভূমিতেই তৈরি হয়েছে। যেগুলোর শাব্দিকিকরণ করে বুঝা কস্মিনকালেও সম্ভব নয়। বরং এগুলোকে বুঝতে হলে এগুলোর নিজস্ব ইতিহাস, জ্ঞানতত্ত্ব ও অতিপাকৃত বিশ্বাসগুলো জানতে হবে।
মোটকথা প্রতিটি পরিভাষার নির্দিষ্ট জ্ঞানতত্ত্ব ও অতিপ্রাকৃত (Specific Epistemological Metaphysical) পটভূমি জানা ছাড়া সম্ভব নয়।
সূত্র : লেখাটি কিছুটা পরিমার্জন, সংক্ষেপণ ও সংযোজনসহ নেয়া হয়েছে পাকিস্তানি গবেষক জাফর ইকবাল রচিত ‘ইসলাম আউর জাদিদিয়াত কা মাশমাকাশ’ (পৃ. ৭,৮,৯) গ্রন্থ থেকে।
দুনিয়ার সকল জ্ঞানশাস্ত্রের নিজস্ব পরিভাষা রয়েছে, এবং প্রতিটি জ্ঞানশাস্ত্রকে তার সে পরিভাষার প্রকৃত মর্ম ছাড়া উদ্ধার করা সম্ভব নয়। ভিন্ন ভাষার পরিভাষাগুলো বুঝার ক্ষেত্রে প্রচলিত একটি পদ্ধতি হলো নিজস্ব ভাষায় সে পরিভাষার সামর্থবোধক শব্দ খোঁজা বা শাব্দিক অর্থ বের করে বুঝা। কিন্তু পরিভাষার মর্ম উদ্ধারের এই পদ্ধতি অগ্রহণযোগ্য একটি পদ্ধতি। কেননা প্রতিটি পরিভাষার তৈরির—চাই তা ইসলামি হোক বা অনিসলামি—নির্দিষ্ট ইতিহাস, সংস্কৃতি, ধর্মীয় ও মনস্তাত্ত্বিক পটভূমি থাকে। আর সেগুলোর জ্ঞানতত্ত্ব (Epistemology), অস্তিত্বতত্ত্ব (Ontology), সৃষ্টিতত্ত্ব (Cosomology) ও অদিবিদ্যা (Metaphysics) থেকে তৈরি হয়। পরিভাষা শুধুই অন্যের কাছে নিজের চিন্তা পৌছানোর মাধ্যম শুধু নয়, বরং তা একটি জাতীর ইতিহাস ও দর্শনের আয়না। এজন্য কোনো পরিভাষার প্রকৃত মর্ম উদ্বার করা পরিভাষার পিছনের অদিবিদ্যা (Metaphysics) পটভুমি জানা ছাড়া সম্ভব নয়। এই সুক্ষ বিষয়টি একটি সহজ উদাহরণ দিয়ে বুঝা যাক। Dead Labour মার্ক্সবাদিদের একটি নিজস্ব পরিভাষা। যার শাব্দিক অর্থ হয় ‘মৃত মজদুর’ বা ‘মৃত শ্রমিক’। অথচ মার্ক্সবাদিদের পরিভাষায় এর মর্ম হলো ‘পুঁজি’।
একজন মুসলমান চাই সে যতই সঠিক ও মজবুত আকিদা বিশ্বাসের অধিকারী হোক না কেনো, যদি সে পশ্চিমা পরিভাষার প্রকৃত মর্ম ও বাস্তবতা না জানে, তাহলে সে পশ্চিমা মতবাদগুলোকে শুধু শাব্দিক কিছু মিলের কারণে ইসলামাইজেশন বা ইসলামিকরণ করতে থাকবে। যে সকল মডার্নিষ্টরা পশ্চিমা পরিভাষাগুলোকে ইসলামিকরণ করে তাদের একটি গোড়ার ভুল হলো, তারা পশ্চিমা পরিভাষাগুলোর বাহ্যত বা আংশিক কিছু মিল দেখেই সেগুলোকে ইসলামি বিভিন্ন পরিভাষার উপর কেয়াস করে ফেলে। এবং উভয়টি একই এমন সিন্ধান্ত দিয়ে ফেলে। যেমন ধরুন, Democracy বা গণতন্ত্র পশ্চিমের নির্দিষ্ট দর্শন থেকে উঠা আসা একটি পরিভাষা। ইসলামের শুরায়ী নেজামের সাথে এর আসমান জমিনের পার্থক্য থাকলেও কিছু আংশিক মিল দেখা যায়। এখন এই আংশিক আর বাহ্যত কিছু সামাঞ্জস্যে প্রভাবিত হয়ে গণতন্ত্রের পশ্চিমা দর্শন, ইতিহাস ও যে অতিপাকৃত বিশ্বাসের উপর তা প্রতিষ্ঠিত সেগুলোর সম্পর্কে অজ্ঞ ব্যক্তিরা গণতন্ত্রকে ইসলামিকরণ করে ফেলে। অথচ ইলমে কিয়াস সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা রাখা ব্যক্তিও জানে, একটি বিষয়কে আরেকটি বিষয়ের উপর কেয়াস করতে হলে উভয়ের মাঝে অনেকগুলো মৌলিক বিষয়ে মিল থাকতে হয়। অন্যথায় সে কেয়াস শাস্ত্রীয় বিবেচনায় কেয়াস মাআল ফারেক বলে বিবেচিত হবে। পরিভাষার এই মৌলিক ভুল ও অজ্ঞতার কারণে মর্ডানিষ্টরা পশ্চিমের অসংখ্য বিষয়কে ইসলামের মাঝে খুঁজে পায়। এবং সেগুলোকে ইসলামি করণ করে মানুষকে হয় ধোঁকা দেয় অথবা নিজেরা ধোঁকা খায়।
পরিভাষা বুঝার সঠিক পদ্ধতি
মানবতাবাদ (Humanism), যুক্তিবাদ (Rationalisom), রেনেসাঁ (Renaissance), এনলাইটেনমেন্ট (Enlightenment), ব্যক্তিস্বাতন্ত্রবাদ (Individualism), সমতা (Equality), স্বাধীনতা (freedom), পুঁজিবাদ (Capitalism)সহ পশ্চিম থেকে উঠে আসা প্রতিটি পরিভাষাকে শাব্দিকরণ ও বাহ্যত মিলের সাথে সামাঞ্জস্য করে না বুঝে সেগুলোর জ্ঞানতত্ত্ব ও যে অতিপাকৃত বিশ্বাসের উপর সেগুলো প্রতিষ্ঠিত তার আলোকে বুঝা অত্যান্ত জরুরি। তেমনিভাবে ইসলামি পরিভাষাগুলোও নিজস্ব জ্ঞানতত্ত্ব ও অতিপাকৃত কিছু বিশ্বাসের পটভুমিতে তৈরি হয়েছে। একেকটি পরিভাষায় নিজস্ব মূল্যবোধ, সংস্কৃতি ও মনস্তত্ত্ব রয়েছে। যেমন, সুন্নাত, ইজমা, ইজতিহাদ, মাকাসেদে শরয়িয়্যাহ, আজমতে সাহাবা, ফাতাওয়া, তাকলিদ, তালফিক, ইল্লত, ইবারাতুন নস, দালালাতুন নস, ইশারাতুন নস, ইকতিযায়ুন নস, ইসতিহসান, মাজাযে মুরসাল ইত্যাদি অসংখ্য পরিভাষাগুলোর গঠণ, গড়ন ও সৃষ্টি নির্দিষ্ট জ্ঞানতত্ত্ব ও কিছু বিশ্বাসের পটভূমিতেই তৈরি হয়েছে। যেগুলোর শাব্দিকিকরণ করে বুঝা কস্মিনকালেও সম্ভব নয়। বরং এগুলোকে বুঝতে হলে এগুলোর নিজস্ব ইতিহাস, জ্ঞানতত্ত্ব ও অতিপাকৃত বিশ্বাসগুলো জানতে হবে।
মোটকথা প্রতিটি পরিভাষার নির্দিষ্ট জ্ঞানতত্ত্ব ও অতিপ্রাকৃত (Specific Epistemological Metaphysical) পটভূমি জানা ছাড়া সম্ভব নয়।
সূত্র : লেখাটি কিছুটা পরিমার্জন, সংক্ষেপণ ও সংযোজনসহ নেয়া হয়েছে পাকিস্তানি গবেষক জাফর ইকবাল রচিত ‘ইসলাম আউর জাদিদিয়াত কা মাশমাকাশ’ (পৃ. ৭,৮,৯) গ্রন্থ থেকে।
❤29👍8
এই কুলাঙ্গকার পাপীর নাম হলো শুজা আলি, যে "হুলা গণহত্যার" কসাই ছিলো। এর সাহস আর সকল বীরত্ব শুধু শুধুমাত্র মহিলা, শিশু এবং "নিরস্ত্রদের" উপরই ছিলো।
একবার এক ছোট্ট মেয়েকে সে জবাই করার জন্য প্রস্তুত করছিলো, তখন মেয়েটি কসাইকে বললো, ‘আঙ্কেল, আমার গলা ব্যথা করছে।' অথচ নিস্পাপ ছোট্ট শিশুটি বুঝতেই পারেনি যে তাকে এই পিচাশ এখন জবাই করবে।
সব প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের চোখকে এই নরপিচাশের ধ্বংসের মাধ্যমে শান্তি দিয়েছেন।
*হুলা গণহত্যা হলো সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের সময় ২০১২ সালে হেমস প্রদেশের এক নিকৃষ্ট গণহত্যা।
.
এক আরব লেখকের টেলিগ্রাম চ্যানেল থেকে।
একবার এক ছোট্ট মেয়েকে সে জবাই করার জন্য প্রস্তুত করছিলো, তখন মেয়েটি কসাইকে বললো, ‘আঙ্কেল, আমার গলা ব্যথা করছে।' অথচ নিস্পাপ ছোট্ট শিশুটি বুঝতেই পারেনি যে তাকে এই পিচাশ এখন জবাই করবে।
সব প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের চোখকে এই নরপিচাশের ধ্বংসের মাধ্যমে শান্তি দিয়েছেন।
*হুলা গণহত্যা হলো সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের সময় ২০১২ সালে হেমস প্রদেশের এক নিকৃষ্ট গণহত্যা।
.
এক আরব লেখকের টেলিগ্রাম চ্যানেল থেকে।
❤87👍8🔥3
মাওলানা রফিকুল ইসলাম (মাদানী) ‘ঈমান আনার পর জি হা দ সর্বশ্রেষ্ঠ আমল’ এই কথা বলে যা বলেছেন তা তার উপস্থাপনাগত সমস্যা হলেও এটা মোটাদাগে তেমন কিছু না। কিন্তু এতটুকু বলার কারণে মাওলানা আফফান ভাই রফিকুল ইসলামের ব্যাপারে যেভাবে টোকাই শব্দসহ আরো বিশ্রীকিছু বস্তির শব্দ ব্যবহার করেছেন তা দেখে শুধু অবাকই হয়নি। অনেক্ষণ বিশ্বাসও হয়নি।
যদি এটা বলার কারণে রফিকুল ইসলামকে টোকাই বলতে হয় তাহলে ইবনে তাইমিয়াকেও টোকাই বলতে হবে। আব্দুল্লাহ আজ্জমকেও টোকাই বলতে হবে, আব্দুল্লাহ আজ্জমের ফতোয়ায় সাইন করা অসংখ্য আলেমকে টোকাই বলতে হবে।
আফফান ভাইয়ের উচিত রফিকুল ইসলামের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া এমন বিশ্রী ও নিম্নজাতীর শব্দ চয়নের কারণে।
যদি এটা বলার কারণে রফিকুল ইসলামকে টোকাই বলতে হয় তাহলে ইবনে তাইমিয়াকেও টোকাই বলতে হবে। আব্দুল্লাহ আজ্জমকেও টোকাই বলতে হবে, আব্দুল্লাহ আজ্জমের ফতোয়ায় সাইন করা অসংখ্য আলেমকে টোকাই বলতে হবে।
আফফান ভাইয়ের উচিত রফিকুল ইসলামের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া এমন বিশ্রী ও নিম্নজাতীর শব্দ চয়নের কারণে।
👍84❤35💯10
হযরত আবুল বাশার সাইফুল সাহেবের সমীপে কিছু আকুতি!
.
হযরত! আপনি বাংলাদেশের অসংখ্য আলেমের উস্তাদ উস্তাজুল আসাতিজা, আপনার বহু ছাত্রের ছাত্র হওয়ার মত যোগ্যতাও হয়ত আমার নাই। তবে আজকে আপনার ভিডিওটি দেখে বেশ কষ্ট পেলাম। কষ্ট কারণ এটা না যে, আপনি এই ভিডিওতে ভুল বলেছেন বরং কষ্টের কারণটা একটু ভিন্ন।
.
হযরত! রফিকুল ইসলাম (মাদানী) যে কথাগুলো বলেছে, সেটার উসলুবটা দৃষ্টিকটু ছিলো, বা কিছুটা ভুল বুঝাবুঝিরও সুযোগ আছে, কিন্তু তার কথাটার একটি বাস্তবতাও আছে। কিছু ক্ষেত্রও আছে। এবং আপনিও বলেছেন কোনো কোনো আলেম থেকে এমন বক্তব্য আছে। এখন যদি কেউ সে বক্তব্য ও শরয়ী বিভিন্ন নসের আলোকে জিহাদকে সর্বোত্তম বলে ফেলে তাহলে এরকারণে তাকে রীতিমতো গোমরাহি বলাটাও তো ভয়ংকর!
আমার তো বিষয়টি এমনি মনে হয়েছে, কিন্তু বিষয়টাকে কস্মিনকালেও এমন মনে হয়নি যে, এই কারণে রফিকুল ইসলাম বিশাল কোনো গোমরাহি ছড়িয়ে ফেলেছে জিহাদের নামে, যার কারণে ‘আবুল বাশার সাইফুল সাহেব’-এর মত মহান ব্যক্তি একদম ভিডিওসহ নাম নিয়ে এর রদ করতে হবে!
হযরত! আমি ভিডিও থেকে যতটুকু বুঝেছি, জিহাদের মাহাত্ম্য বুঝাতেই মূলত রফিকুল ইসলাম এমন বলেছে। সেটা বলতে গিয়ে সে বাড়াবাড়ি করে ফেলেছে কিছুটা। এমন তো প্রায় অনেকেই এদেশে করে থাকে। নিজে যে কাজকে বেশি কিছু মনে করে সেটার মাহাত্ম্য বুঝাতে কত কিছুই বলে, যারকিছু তো রীতিমতো বিকৃতি ও গোমরাহি। এই তো কয়েকবছর আগে মিজানুর রহমান সাইদ সাহেব চরমোনাইয়ের মাহফিলে গিয়ে জোর গলায় বলে আসলো, যারা চরমোনাইয়ের বিরোধিতা করবে ইমান থাকবে না। কত ভয়ংকর কথা! হযরত তখন কী আপনি এত ভয়ংকর কথার এভাবে নামসহ, ভিডিওসহ খন্ডন করেছিলেন? নাকি মিজান সাহেব বড় মানুষ তাই তারটা গোপনে বলতে হবে, নিজ গন্ডিতে বলতে হবে আর রফিক ছোট মানুষ, এটারে পিডাইলেই বা কে কি বলবে, গরিব পিডাইলে কার কী, এমন কিছু।
হযরত! জিহাদের কথাটাই যদি বলি, জিহাদের মত মহান ফরজ নিয়ে কত বিকৃতি আমাদের সমাজে চলে। কত বড় বড় মহান ব্যক্তিরাও এই বিকৃতি করে যাচ্ছে এবং তা হচ্ছে প্রকাশ্যে আরো বেশি জনগণের সামনে, তখন কিন্তু আপনার বা রিসালাতুল ইসলামের পক্ষ থেকে কোনো আওয়াজ দেখা যায় না!
হযরত! জিহাদের পক্ষে একটু বাড়াবাড়ি হয়ে গেলে আপনি যতটা ক্ষেপে যান, কিন্তু জিহাদের বিপক্ষে অসংখ্য বিকৃতি হলেও তো আপনাদের এমন জোসওয়ালা পদক্ষেপ দেখা যায় না। রফিকের ভিডিওর ব্যাপারে একদিনের মধ্যে যেমন তার নাম ও ভিডিওসহ রদ দিয়ে ফেললেন, জিহাদের বিকৃত নিয়ে কী এমনটা করেন? আপনার উস্তাদ ফরিদ মাসুদের জিহাদ বিকৃতি নিয়ে কী আজ পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো কথা বলেছেন? তার নাম নিয়ে কোথাও কোনো লেখালেখি, ভিডিও কী করেছেন? হযরত আমার ক্ষুদ্র নজরে তো পড়েনি!
এই তো সম্প্রতি মুহতারাম আবু সাবের আব্দুল্লাহ সাহেব জিহাদের কতগুলো মাসআলা বিকৃত করে তার বইয়ে লেখলো, গণতন্ত্রকে ইসলামাইজেশন করে দিলো, সেগুলো নিয়ে কি কোথাও কোনো কথা বলেছেন? বরং আমরা তো জানি আপনার ও তাহমিদুল মাওলা সাহেবের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত মুয়াসসাসাহ থেকে বইটি ছেপেছেন এবং সেটার প্রচারও করছেন?
হযরত! বেশ কিছু মানুষের দাবী হলো আপনি মূলত এদেশে জিহাদের যেকোনো কথাকেই সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখেন এবং এদেশে জিহাদের কথা বলাকে অপছন্দ করেন, আর সে অপছন্দ থেকেই মূলত এত বড় মানুষ হওয়ার পরেও একটা বাচ্চা ছেলের জিহাদ বিষয়ক সামান্য বাড়াবাড়িকে এত বড় করে দেখেছেন।
হযরত! আমাকে ক্ষমা করবেন, জানিনা যারা এধরণের দাবী করে তাদের দাবী কতটুকু সত্য বা আপনার বিভিন্ন সময়ের নিরবতা ও আজকের এভাবে বিরোধিতা তাদের কথার পক্ষে তায়ীদ হয় কি না, তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে এগুলো বিশ্বাস করতে চাই না। আমি চাই, আপনারা আমাদের যেমন ইলম অর্জনে নেতৃত্ব দিবেন তেমনি সেই ইলমের উসুল ও উসলুব মতে জিহাদসহ যাবতীয় দ্বীনি খেদমতেরও নেতৃত্ব দিবেন। আল্লাহ আপনার ছায়াকে আমাদের উপর দীর্ঘ করুন।
.
হযরত! আপনি বাংলাদেশের অসংখ্য আলেমের উস্তাদ উস্তাজুল আসাতিজা, আপনার বহু ছাত্রের ছাত্র হওয়ার মত যোগ্যতাও হয়ত আমার নাই। তবে আজকে আপনার ভিডিওটি দেখে বেশ কষ্ট পেলাম। কষ্ট কারণ এটা না যে, আপনি এই ভিডিওতে ভুল বলেছেন বরং কষ্টের কারণটা একটু ভিন্ন।
.
হযরত! রফিকুল ইসলাম (মাদানী) যে কথাগুলো বলেছে, সেটার উসলুবটা দৃষ্টিকটু ছিলো, বা কিছুটা ভুল বুঝাবুঝিরও সুযোগ আছে, কিন্তু তার কথাটার একটি বাস্তবতাও আছে। কিছু ক্ষেত্রও আছে। এবং আপনিও বলেছেন কোনো কোনো আলেম থেকে এমন বক্তব্য আছে। এখন যদি কেউ সে বক্তব্য ও শরয়ী বিভিন্ন নসের আলোকে জিহাদকে সর্বোত্তম বলে ফেলে তাহলে এরকারণে তাকে রীতিমতো গোমরাহি বলাটাও তো ভয়ংকর!
আমার তো বিষয়টি এমনি মনে হয়েছে, কিন্তু বিষয়টাকে কস্মিনকালেও এমন মনে হয়নি যে, এই কারণে রফিকুল ইসলাম বিশাল কোনো গোমরাহি ছড়িয়ে ফেলেছে জিহাদের নামে, যার কারণে ‘আবুল বাশার সাইফুল সাহেব’-এর মত মহান ব্যক্তি একদম ভিডিওসহ নাম নিয়ে এর রদ করতে হবে!
হযরত! আমি ভিডিও থেকে যতটুকু বুঝেছি, জিহাদের মাহাত্ম্য বুঝাতেই মূলত রফিকুল ইসলাম এমন বলেছে। সেটা বলতে গিয়ে সে বাড়াবাড়ি করে ফেলেছে কিছুটা। এমন তো প্রায় অনেকেই এদেশে করে থাকে। নিজে যে কাজকে বেশি কিছু মনে করে সেটার মাহাত্ম্য বুঝাতে কত কিছুই বলে, যারকিছু তো রীতিমতো বিকৃতি ও গোমরাহি। এই তো কয়েকবছর আগে মিজানুর রহমান সাইদ সাহেব চরমোনাইয়ের মাহফিলে গিয়ে জোর গলায় বলে আসলো, যারা চরমোনাইয়ের বিরোধিতা করবে ইমান থাকবে না। কত ভয়ংকর কথা! হযরত তখন কী আপনি এত ভয়ংকর কথার এভাবে নামসহ, ভিডিওসহ খন্ডন করেছিলেন? নাকি মিজান সাহেব বড় মানুষ তাই তারটা গোপনে বলতে হবে, নিজ গন্ডিতে বলতে হবে আর রফিক ছোট মানুষ, এটারে পিডাইলেই বা কে কি বলবে, গরিব পিডাইলে কার কী, এমন কিছু।
হযরত! জিহাদের কথাটাই যদি বলি, জিহাদের মত মহান ফরজ নিয়ে কত বিকৃতি আমাদের সমাজে চলে। কত বড় বড় মহান ব্যক্তিরাও এই বিকৃতি করে যাচ্ছে এবং তা হচ্ছে প্রকাশ্যে আরো বেশি জনগণের সামনে, তখন কিন্তু আপনার বা রিসালাতুল ইসলামের পক্ষ থেকে কোনো আওয়াজ দেখা যায় না!
হযরত! জিহাদের পক্ষে একটু বাড়াবাড়ি হয়ে গেলে আপনি যতটা ক্ষেপে যান, কিন্তু জিহাদের বিপক্ষে অসংখ্য বিকৃতি হলেও তো আপনাদের এমন জোসওয়ালা পদক্ষেপ দেখা যায় না। রফিকের ভিডিওর ব্যাপারে একদিনের মধ্যে যেমন তার নাম ও ভিডিওসহ রদ দিয়ে ফেললেন, জিহাদের বিকৃত নিয়ে কী এমনটা করেন? আপনার উস্তাদ ফরিদ মাসুদের জিহাদ বিকৃতি নিয়ে কী আজ পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো কথা বলেছেন? তার নাম নিয়ে কোথাও কোনো লেখালেখি, ভিডিও কী করেছেন? হযরত আমার ক্ষুদ্র নজরে তো পড়েনি!
এই তো সম্প্রতি মুহতারাম আবু সাবের আব্দুল্লাহ সাহেব জিহাদের কতগুলো মাসআলা বিকৃত করে তার বইয়ে লেখলো, গণতন্ত্রকে ইসলামাইজেশন করে দিলো, সেগুলো নিয়ে কি কোথাও কোনো কথা বলেছেন? বরং আমরা তো জানি আপনার ও তাহমিদুল মাওলা সাহেবের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত মুয়াসসাসাহ থেকে বইটি ছেপেছেন এবং সেটার প্রচারও করছেন?
হযরত! বেশ কিছু মানুষের দাবী হলো আপনি মূলত এদেশে জিহাদের যেকোনো কথাকেই সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখেন এবং এদেশে জিহাদের কথা বলাকে অপছন্দ করেন, আর সে অপছন্দ থেকেই মূলত এত বড় মানুষ হওয়ার পরেও একটা বাচ্চা ছেলের জিহাদ বিষয়ক সামান্য বাড়াবাড়িকে এত বড় করে দেখেছেন।
হযরত! আমাকে ক্ষমা করবেন, জানিনা যারা এধরণের দাবী করে তাদের দাবী কতটুকু সত্য বা আপনার বিভিন্ন সময়ের নিরবতা ও আজকের এভাবে বিরোধিতা তাদের কথার পক্ষে তায়ীদ হয় কি না, তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে এগুলো বিশ্বাস করতে চাই না। আমি চাই, আপনারা আমাদের যেমন ইলম অর্জনে নেতৃত্ব দিবেন তেমনি সেই ইলমের উসুল ও উসলুব মতে জিহাদসহ যাবতীয় দ্বীনি খেদমতেরও নেতৃত্ব দিবেন। আল্লাহ আপনার ছায়াকে আমাদের উপর দীর্ঘ করুন।
❤78👍19🔥3❤🔥1😁1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
এগুলোর পর কী ভিডিও এসেছিলো? কেউ কী স্পষ্ট ভাষায় ফরিদ মাসুদকে আহলুস সুন্নাহ থেকে বের করেছিলো?
আসলে গরিব পিডাইয়া বহুত মজারে ভাই!
আসলে গরিব পিডাইয়া বহুত মজারে ভাই!
❤35😁21👍7👎1😢1
বাংলাদেশ ভারতের ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা, ইন্ডিয়ার সরাসরি বাংলাদেশে আক্রমণ সম্ভবনাসহ অনেকগুলো বিষয় নিয়ে বাংলাদেশের সাবেক একজন আর্মি আলোচনা করেছেন।
আলোচনাটা শুনা দরকার ও শুনানোও দরকার।
*আলোচনাটা সুন্দর ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা বুঝার জন্য, এছাড়া ধর্মীয় অন্যান্য বিষয় না।
https://youtu.be/3_AF5hDYzqo?si=5Or04SsIEO3OlrYF
আলোচনাটা শুনা দরকার ও শুনানোও দরকার।
*আলোচনাটা সুন্দর ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা বুঝার জন্য, এছাড়া ধর্মীয় অন্যান্য বিষয় না।
https://youtu.be/3_AF5hDYzqo?si=5Or04SsIEO3OlrYF
YouTube
বাংলাদেশ নিয়ে ভারতের এত বাড়াবাড়ি কেন? আসল উদ্দেশ্য ও ডার্ক ট্রুথ প্রকাশ | Ind vs Ban Analysis
Bangladesh (বাংলাদেশ) কে নিয়ে India (ইন্ডিয়া) এর এত বাড়াবাড়ি কেন? কেন বাংলাদেশকে নিয়ে ভারতের এত মাথাব্যথা? আজকের এই পডকাস্ট এপিসোডে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী (Bangladesh Army) এর Ex-Army Officer এইসব ব্যপার নিয়ে কথা বলেছেন।
Guest:
Del H Khan
Author & Army Veteran…
Guest:
Del H Khan
Author & Army Veteran…
👍28❤12
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
কেউ যদি ইসলাম ছাড়া সেকুলারিজম, গণতন্ত্র বা অন্যকিছু প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন করে তাহলে তার ঈমান থাকবে না। -চরমোনাই পীর ফয়জুল করিম সাহেব
(উনার এই কথাগুলোর সাথে একমত, এবং কথাগুলো সুন্দরও। আল্লাহ উনাকে জাযায়ে খায়ের দান করুন। হা, এখন উনারা ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য যে পথ বেছে নিয়েছে, সেটাকে আমরা বাস্তবতা ও দলিলের কারণে উপযোগি ও কার্যকরী মনে করি না। বরং এই পথে শ্রম যাবে কোনো ফল আসবে না বলে মনে করি। কিন্তু আমরা আশা রাখি ইমানের এই কথাগুলো উনারা নিয়মিত উচ্চারণ করবেন এবং একজন দায়ী হিসেবে আওয়ামী, বিএনপির কাছেও পৌঁছাবেন, ‘যে উদ্দেশ্যে আপনারা রাজনীতি করছেন এই অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে জাহান্নামী হবেন।’
(উনার এই কথাগুলোর সাথে একমত, এবং কথাগুলো সুন্দরও। আল্লাহ উনাকে জাযায়ে খায়ের দান করুন। হা, এখন উনারা ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য যে পথ বেছে নিয়েছে, সেটাকে আমরা বাস্তবতা ও দলিলের কারণে উপযোগি ও কার্যকরী মনে করি না। বরং এই পথে শ্রম যাবে কোনো ফল আসবে না বলে মনে করি। কিন্তু আমরা আশা রাখি ইমানের এই কথাগুলো উনারা নিয়মিত উচ্চারণ করবেন এবং একজন দায়ী হিসেবে আওয়ামী, বিএনপির কাছেও পৌঁছাবেন, ‘যে উদ্দেশ্যে আপনারা রাজনীতি করছেন এই অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে জাহান্নামী হবেন।’
🔥44❤15👍10
যে সকল বক্তা বা খতিবরা মুনাজাতও সুর দিয়ে করেন, তারা কী আল্লাহর কাছে চান, না দুহাত তুলেও মানুষের কাছেই চান!
নিজেকে একটু প্রশ্ন করবেন! আল্লাহ আপনাদের হেদায়েত দিক।
নিজেকে একটু প্রশ্ন করবেন! আল্লাহ আপনাদের হেদায়েত দিক।
👍43❤9
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
পুঁজিবাদী জীবনব্যবস্থায় শুধু ঐ জিনিষটাই সম্মানিত হয় যা মানুষকে আরো টাকা কামাতে সাহায্য করে।
💯26👍11
ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের প্রধান বিচারপতি আবদুল হাকিম হক্কানী হাফি. এর কিতাব الإمارة الاسلامية و نظامها এবং উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী আব্দুল বাকী হক্কানী হাফি. এর কিতাব السياسة و الإدارة في الإسلام অবলম্বনে আসলাফ একাডেমির নতুন কোর্স 'ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা'
.
ইন্সট্রাক্টর : মাওলানা আবূ উসামা জাফর
.
অফার চলাকালীন কোর্সটিতে এনরোল করা যাবে মাত্র ৪৪০ টাকায়।
.
কোর্স কন্টেন্ট ওপেন করা হবে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ইন শা আল্লাহ।
লিংক : https://aslafacademy.com/courses/imarate-islam/?fbclid=IwY2xjawHqMYxleHRuA2FlbQIxMAABHT7mTDhhmpHF6Y3WcQyK8I4h1kEZWeLlbq2yS7xq0pwT-Nn1Rs9D7MNA0w_aem_35_7khPf4j81Wtv_t3nfEg
.
ইন্সট্রাক্টর : মাওলানা আবূ উসামা জাফর
.
অফার চলাকালীন কোর্সটিতে এনরোল করা যাবে মাত্র ৪৪০ টাকায়।
.
কোর্স কন্টেন্ট ওপেন করা হবে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ইন শা আল্লাহ।
লিংক : https://aslafacademy.com/courses/imarate-islam/?fbclid=IwY2xjawHqMYxleHRuA2FlbQIxMAABHT7mTDhhmpHF6Y3WcQyK8I4h1kEZWeLlbq2yS7xq0pwT-Nn1Rs9D7MNA0w_aem_35_7khPf4j81Wtv_t3nfEg
👍41❤24🔥1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ক্যালিফোর্নিয়া পুড়ছে, আমার অনুভূতি একদম এই ছেলে যা করতেছে তাই...
আল্লাহ তুমি বারাকাহ দেওয়ার মালিক। সেখানের আগুনে আরো বারাকাহ দিয়ে ওয়াশিংটন ডিসি পর্যন্ত পৌঁছিয়ে দেও।
আল্লাহ তুমি বারাকাহ দেওয়ার মালিক। সেখানের আগুনে আরো বারাকাহ দিয়ে ওয়াশিংটন ডিসি পর্যন্ত পৌঁছিয়ে দেও।
❤109🤣20🔥8👍3😁2
ইসরাইলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে ফ্রান্সের মন্ত্রীর সাথে হাতমেলাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলো। পুরো দুনিয়ার সামান্যতম কোনো হাউকাউ দেখেছেন? অথচ দুদিন আগে শামে কী হয়েছিলো তা তো জানেন।
বাস্তবতা হলো, প্রশ্নটা নারীর সম্মান বা ইজ্জতের না, প্রশ্ন আল্লাহ মনোনীত একমাত্র সত্যধর্ম ইসলামকে ফুতকার দিয়ে উড়িয়ে দেওয়ার যে প্রচেষ্টা, সেটা। । অবশ্য এতে তারা চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছে ও হবে।
.
আমাদের কতক মুসলিম ‘বৃহত্তম স্বার্থে একটু হাত মিলালে কী এমন ক্ষতি হবে’ বলে চিরস্থায়ী ধোঁকা খেয়েই যাচ্ছে!
বাস্তবতা হলো, প্রশ্নটা নারীর সম্মান বা ইজ্জতের না, প্রশ্ন আল্লাহ মনোনীত একমাত্র সত্যধর্ম ইসলামকে ফুতকার দিয়ে উড়িয়ে দেওয়ার যে প্রচেষ্টা, সেটা। । অবশ্য এতে তারা চূড়ান্ত ব্যর্থ হয়েছে ও হবে।
.
আমাদের কতক মুসলিম ‘বৃহত্তম স্বার্থে একটু হাত মিলালে কী এমন ক্ষতি হবে’ বলে চিরস্থায়ী ধোঁকা খেয়েই যাচ্ছে!
👍72❤21
আলিম ও দাঈরা ফরহাদ মজহারের সঙ্গে বসছেন, একসঙ্গে কথা বলছেন। ভালো কথা। কিন্তু ফরহাদ কি তার 'এবাদত নামা' বই থেকে তাওবা করেছেন। নাকি তারা তার সঙ্গে তাদের পার্থক্যকে স্রেফ শব্দ ও চিন্তার বৈচিত্র্য হিসেবে দেখছেন? কবিতার ভাষার উদাম স্বাধীনতাবোধ থেকে কবিকে ক্ষমা করে দিচ্ছেন।
ফরহাদের 'এবাদত নামা' বইটি আগাগোড়া ইলহাদ, যানদাকা, সাব্ব ও শাতমে ভরপুর। আল্লাহ, রাসূল, কুরআন, ইসলামের নামাজ, হজ্জ ইত্যাদি থেকে শুরু করে কোনো বিষয়ে বিদ্রুপ-ব্লাসফেমি (হিজা) বাদ দেননি। অথচ কা'ব বিন আশরাফসহ আহদে নববীতে যতোজন শা*তিমকে হ*ত্যা করা হয়েছে তাদের বেশিরভাগ কবিই ছিল। কবিতাতেই তারা প্রিয় নবীজীকে হাজও তথা ব্যঙ্গ ও সমালোচনা করতো। নিকট অতীতে রঙিলা রাসূলসহ একাধিক শাতিমের বইয়ে কবিতাকে আশ্রয় করে সাব্ব-শাতম করা হয়েছে। কারণ এই কাজের জন্য গদ্যের চেয়ে পদ্যের ভাষা অধিক যুৎসই। কুরআনে কবিদের সমালোচনার অন্যতম কারণ কবিত্বের এই শয়তানী দিক। তাহলে কবিতার ভাষা বিবেচনায় ফরহাদ মজহারের শয়তানীকে নযরান্দায করে গেলে কীভাবে হবে?
ফরহাদ নতুন বাংলাদেশে আকাশে উড়ছেন। মরেছে ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষ। অথচ তিনি নিজেকে স্বাধীনতার জনক ভাবছেন। অতীতের এসব কুকর্মের শাস্তি না হওয়াতে উলামা-দাঈদের থোড়াই কেয়ার করছেন। মুখোশ খুলে লালনবাদ প্রচার করছেন, পৌত্তলিকদের পক্ষ নিচ্ছেন। দার্শনিক সেজে আকীদা ও শরীয়াহর বিরুদ্ধে যাচ্ছেতাই বকছেন। প্রকাশ্যে ইসলামী রাজনীতি, কুরআনী শাসন, ইসলাম ভিত্তিক রাষ্ট্রচিন্তার বিরোধিতা করছেন। মুলহিদ-যিন্দীক সাব্যস্ত হতে আর কী কী লাগে? তার ব্যাপারে আলিম ও দাঈরা কী ভাবছেন?
মাওলানা মিজান হারুন হাফি.
ফরহাদের 'এবাদত নামা' বইটি আগাগোড়া ইলহাদ, যানদাকা, সাব্ব ও শাতমে ভরপুর। আল্লাহ, রাসূল, কুরআন, ইসলামের নামাজ, হজ্জ ইত্যাদি থেকে শুরু করে কোনো বিষয়ে বিদ্রুপ-ব্লাসফেমি (হিজা) বাদ দেননি। অথচ কা'ব বিন আশরাফসহ আহদে নববীতে যতোজন শা*তিমকে হ*ত্যা করা হয়েছে তাদের বেশিরভাগ কবিই ছিল। কবিতাতেই তারা প্রিয় নবীজীকে হাজও তথা ব্যঙ্গ ও সমালোচনা করতো। নিকট অতীতে রঙিলা রাসূলসহ একাধিক শাতিমের বইয়ে কবিতাকে আশ্রয় করে সাব্ব-শাতম করা হয়েছে। কারণ এই কাজের জন্য গদ্যের চেয়ে পদ্যের ভাষা অধিক যুৎসই। কুরআনে কবিদের সমালোচনার অন্যতম কারণ কবিত্বের এই শয়তানী দিক। তাহলে কবিতার ভাষা বিবেচনায় ফরহাদ মজহারের শয়তানীকে নযরান্দায করে গেলে কীভাবে হবে?
ফরহাদ নতুন বাংলাদেশে আকাশে উড়ছেন। মরেছে ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষ। অথচ তিনি নিজেকে স্বাধীনতার জনক ভাবছেন। অতীতের এসব কুকর্মের শাস্তি না হওয়াতে উলামা-দাঈদের থোড়াই কেয়ার করছেন। মুখোশ খুলে লালনবাদ প্রচার করছেন, পৌত্তলিকদের পক্ষ নিচ্ছেন। দার্শনিক সেজে আকীদা ও শরীয়াহর বিরুদ্ধে যাচ্ছেতাই বকছেন। প্রকাশ্যে ইসলামী রাজনীতি, কুরআনী শাসন, ইসলাম ভিত্তিক রাষ্ট্রচিন্তার বিরোধিতা করছেন। মুলহিদ-যিন্দীক সাব্যস্ত হতে আর কী কী লাগে? তার ব্যাপারে আলিম ও দাঈরা কী ভাবছেন?
মাওলানা মিজান হারুন হাফি.
❤78👍6
সিরিয়ায় আমল বিল মারুফ নাহি আনিল মুনকার বিভাগের দায়িত্বশীল মহিলারা পার্কে ঘুরে ঘুরে মহিলাদের মাঝে দাওয়াতের কাজ করছে এবং বেগানা নারীদের নেকাব পড়িয়ে দিচ্ছেন! (মুখ খোলা হিজাব নয়)
এই দৃশ্য পশ্চিমকে যেমন ভীত করবে, তেমনি পশ্চিমের মানসিক দাস কিছু মডারেটদেরও ভীত করবে। আল্লাহ মর্ডানিজমের ফিতনা থেকে আমাদের হিফাজত করুন। আমীন
এই দৃশ্য পশ্চিমকে যেমন ভীত করবে, তেমনি পশ্চিমের মানসিক দাস কিছু মডারেটদেরও ভীত করবে। আল্লাহ মর্ডানিজমের ফিতনা থেকে আমাদের হিফাজত করুন। আমীন
❤156👍10
আকাবীরে আসলাফের সামনে মাথা নামিয়ে বসে থাকা যেমন আদব আমরা মাদরাসা থেকে শিখি, তেমনি বাতিলের সামনে মাথা উঁচু করে হাটার আদবও আমরা মাদরাসা থেকে শিখি। দুটোই আদব।
-মাওলানা আওরঙ্গজেব ফারুকী হাফিজাহুল্লাহ
-মাওলানা আওরঙ্গজেব ফারুকী হাফিজাহুল্লাহ
👍67🔥32❤13