পিনাকীর ভিডিও দেখি আসলেই কড়া হইছে! বেশ গোছালো এবং বাস্তবভিত্তিক তথ্য তার কাছে ছিলো। এবং তার দেওয়া সমাধানটাই আসলে বর্তমানের প্রকৃত সমাধান।
https://www.youtube.com/watch?v=3GXEu55UDfc
https://www.youtube.com/watch?v=3GXEu55UDfc
YouTube
তাবলীগ : সমাজে বিভেদ সৃষ্টির পেছনে কারা ? বিশ্ব ইজতেমা ২০২৫ || Pinaki Bhattacharya || The Untold
তাবলীগ : সমাজে বিভেদ সৃষ্টির পেছনে কারা ? বিশ্ব ইজতেমা ২০২৫ || Pinaki Bhattacharya || The Untold
২০২৫ সালের দুই পর্বের বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ও কাদের অধীনে হবে তা চূড়ান্ত হয়েছে। প্রথম পর্ব ৩১ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি শুরায়ে নেজামের অধীনে হবে এবং দ্বিতীয়…
২০২৫ সালের দুই পর্বের বিশ্ব ইজতেমার তারিখ ও কাদের অধীনে হবে তা চূড়ান্ত হয়েছে। প্রথম পর্ব ৩১ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি শুরায়ে নেজামের অধীনে হবে এবং দ্বিতীয়…
🔥32❤11👍5
তুরষ্কের পরারাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান আল জাযিরার সাক্ষাতকারে সিরিয়া যুদ্ধে তাদের অবস্থানকে বেশ স্পষ্ট করেই বলেছে। পিছনে ডেপ্লোম্যাটিক তারা কী কাজ করেছে সেটা বেশ স্পষ্টই ছিলো।
ঘুরে ফিরে সকল কিছুর দায় জিহাদের কাধে দিতে ইচ্ছুক কিছু বঙ্গীয় গবেষকদের দেখলাম, তুর্কীর সেই ডিপ্লোম্যটিক অবস্থানের কারণেই আজকে সিরিয়া আজাদ হয়েছে বলে তারা চূড়ান্ত ঘোষণা দিয়ে দিয়েছে, আর ডিপ্লোম্যাসি না থাকলে তাহরিরুশ শাম ধ্বংস হয়ে যাইতো!
বাস্তবতা হলো এদের জন্য আমার করুনা হয়। এরা মূলত ডিপ্লোম্যাসি, জিওপলিটিক্স, ইত্যাদি ভোংচোংয়ের একধরনের পূজারি। এরা কখনোই এভাবে কল্পনা করতে পারে না, রাশিয়ার চূড়ান্ত শক্তির কাছে মুজাহিদদের টিকে থাকার ফলেই তুরষ্ক ডিপ্লোম্যটিক খেলাটা খেলতে পেরেছে। খুবই সাধারণ হিসেবে মুজাহিদদের অস্ত্রের জোর না থাকলে এধরনের চুলের ডিপ্লোম্যটি যে কোনো চুলও ছিড়তে পারতো না, এটা যেকোনো সাধারণ বিশ্লেষকও বুঝে।কিন্তু জিওপলিটিক্সের পুজারিদের এগুলো বুঝার তাওফিক কখনো হবে না। এরা একাডেমিয়ার উপর নির্মহ ইমান নিয়ে আসা! আর একাডেমিয়ার উপর নির্মহ ইমান এদের সামনে কখনোই বাস্তবতাকে স্পষ্ট করতে দিবে না।
এরা দুনিয়ার সব জিহাদকে দোষী সাব্যস্ত করতে শুধু আইএসআইয়ের ভাঙ্গা পুরান বাসি বাজাইয়া যাবে। এবং এটাই এদের সর্বোচ্চ দৌড়। একাডেমিয়া আর জিওপলিটিক্সের নামে এরা যে ভুগিঝুগি দেয় এগুলো জিহাদ ও মুজাহিদদের যারা মহব্বত করে এদের সামনে মুহুর্তেই স্পষ্ট হয়ে যায়। এজন্য এদের সকল রাগ জিহাদের কথা বলা ভাইদের উপর। আর তাদের রাগটা তারা খুব কৌশলে জিহাদের কথা বলা মানুষদের উপর চাপিয়ে দিতে পারে দায়েশের নাম দিয়ে। বেশ সফল প্রজেক্ট।
তাদের ডিপ্লোম্যটি হলো জুলানীর পূর্ণ শরীয়ার কথা না বলা, পেনশার্ট পড়া। নারীদের সাথে দেখাসাক্ষাত করা। বাস্তবতা হলো এদের কাছে মোল্লা ওমরদের আজিমত হলো কট্টর ইসলাম। এবং অনর্থক কাজ।
ঘুরে ফিরে সকল কিছুর দায় জিহাদের কাধে দিতে ইচ্ছুক কিছু বঙ্গীয় গবেষকদের দেখলাম, তুর্কীর সেই ডিপ্লোম্যটিক অবস্থানের কারণেই আজকে সিরিয়া আজাদ হয়েছে বলে তারা চূড়ান্ত ঘোষণা দিয়ে দিয়েছে, আর ডিপ্লোম্যাসি না থাকলে তাহরিরুশ শাম ধ্বংস হয়ে যাইতো!
বাস্তবতা হলো এদের জন্য আমার করুনা হয়। এরা মূলত ডিপ্লোম্যাসি, জিওপলিটিক্স, ইত্যাদি ভোংচোংয়ের একধরনের পূজারি। এরা কখনোই এভাবে কল্পনা করতে পারে না, রাশিয়ার চূড়ান্ত শক্তির কাছে মুজাহিদদের টিকে থাকার ফলেই তুরষ্ক ডিপ্লোম্যটিক খেলাটা খেলতে পেরেছে। খুবই সাধারণ হিসেবে মুজাহিদদের অস্ত্রের জোর না থাকলে এধরনের চুলের ডিপ্লোম্যটি যে কোনো চুলও ছিড়তে পারতো না, এটা যেকোনো সাধারণ বিশ্লেষকও বুঝে।কিন্তু জিওপলিটিক্সের পুজারিদের এগুলো বুঝার তাওফিক কখনো হবে না। এরা একাডেমিয়ার উপর নির্মহ ইমান নিয়ে আসা! আর একাডেমিয়ার উপর নির্মহ ইমান এদের সামনে কখনোই বাস্তবতাকে স্পষ্ট করতে দিবে না।
এরা দুনিয়ার সব জিহাদকে দোষী সাব্যস্ত করতে শুধু আইএসআইয়ের ভাঙ্গা পুরান বাসি বাজাইয়া যাবে। এবং এটাই এদের সর্বোচ্চ দৌড়। একাডেমিয়া আর জিওপলিটিক্সের নামে এরা যে ভুগিঝুগি দেয় এগুলো জিহাদ ও মুজাহিদদের যারা মহব্বত করে এদের সামনে মুহুর্তেই স্পষ্ট হয়ে যায়। এজন্য এদের সকল রাগ জিহাদের কথা বলা ভাইদের উপর। আর তাদের রাগটা তারা খুব কৌশলে জিহাদের কথা বলা মানুষদের উপর চাপিয়ে দিতে পারে দায়েশের নাম দিয়ে। বেশ সফল প্রজেক্ট।
তাদের ডিপ্লোম্যটি হলো জুলানীর পূর্ণ শরীয়ার কথা না বলা, পেনশার্ট পড়া। নারীদের সাথে দেখাসাক্ষাত করা। বাস্তবতা হলো এদের কাছে মোল্লা ওমরদের আজিমত হলো কট্টর ইসলাম। এবং অনর্থক কাজ।
❤50👍11🔥2💯2
বিডিআর হত্যা কাণ্ড নিয়ে বেশ চমৎকার একটি ভিডিও। যতদিন বিডিআর হত্যাখাণ্ডের বিচার এদেশে হবে না, ততদিন স্পষ্ট বাংলাদেশ ভারতের উপনিবেশ থেকে মুক্ত হতে পারেনি। দেখতে পারেন।
https://www.youtube.com/watch?v=J7JUm8IXoBU
https://www.youtube.com/watch?v=J7JUm8IXoBU
YouTube
ফিরে দেখা পিলখানাঃ ভারতের নৃশংস স্যাবোটাজ!
📍 সম্ভবত, পিলখানা হত্যাকান্ড ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সবচেয়ে জঘন্য এবং নির্মম স্যাবোটাজ! এই স্যাবোটাজ যে, শুধু আগ্রাসী ভারত করেছে এমন নয় বরং খোদ রাষ্ট্র প্রধান এই জঘন্য হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত ছিল!
যে কাজটি করতে গিয়ে আমরা বার বার মানসিক ভাবে ট্রমার…
যে কাজটি করতে গিয়ে আমরা বার বার মানসিক ভাবে ট্রমার…
🔥16❤2👍2
পিলখানায় হত্যাকান্ড.pdf
8.1 MB
পিলখানা হত্যাকাণ্ড নিয়ে একটি প্রমাণ্য বই। এই বিষয়ে তো শত শত বই ও ডকুমেন্ট হওয়ার দরকার ছিলো। কিন্তু এই হত্যাকাণ্ডের সহযোগি স্বৈরাচার তা হতে দিলো কই। তবে এতকিছুর পরেও সাহসী কিছু মানুষ থেমে থাকেনি। দায়িত্ববোধ থেকে তারা তথ্যগুলো সংগ্রহ করে রেখেছে। স্বৈরাচারের পতনে ভেবেছিলাম এমন অসংখ্য বই হয়তো বের হয়ে আসবে! কিন্তু....
যাইহোক, বইটি পড়া ও এর বার্তা জনসম্মুখে নিয়ে আসা এখন এ ভুখণ্ডের সকলের তবে বিশেষভাবে মুসলমানদের কর্তব্য।
যাইহোক, বইটি পড়া ও এর বার্তা জনসম্মুখে নিয়ে আসা এখন এ ভুখণ্ডের সকলের তবে বিশেষভাবে মুসলমানদের কর্তব্য।
❤29👍7👎3🔥1
মোল্লা ওমর রহিমাহুল্লাহের অফিসিয়াল একটি জীবনী বের হয়েছে—ওমর সালেস নামে। পশতু ভাষায় বইটির কাজ হয়েছে, মোল্লা ওমরের ছেলে বর্তমান আফগানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মোল্লা ইয়াকুবের তত্ত্ববধানে। বইটির একটি আরবী তরজমাও হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। শীঘ্রই হাতে পাবো।
যাইহক, যা বলার জন্য মূলত এই লেখা। এই বইতে মোল্লা ওমর রহিমাহুল্লাহ সম্পর্কে বিশ্বের বড় বড় আলেমদের মতামত একটি অধ্যায়ে জমা করা হয়েছে। সেখানে সর্বপ্রথম যার মতটি উল্লেখ করেছেন সে হলো আলকায়দার দ্বিতীয় প্রধান ড. আয়মান আযযাওয়াহিরি রহিমাহুল্লাহের।
তালেবদের কাছে কায়দার মূল্য কেমন তা এতটুকু থেকেও বুঝলে বুঝা যায়।
যাইহক, যা বলার জন্য মূলত এই লেখা। এই বইতে মোল্লা ওমর রহিমাহুল্লাহ সম্পর্কে বিশ্বের বড় বড় আলেমদের মতামত একটি অধ্যায়ে জমা করা হয়েছে। সেখানে সর্বপ্রথম যার মতটি উল্লেখ করেছেন সে হলো আলকায়দার দ্বিতীয় প্রধান ড. আয়মান আযযাওয়াহিরি রহিমাহুল্লাহের।
তালেবদের কাছে কায়দার মূল্য কেমন তা এতটুকু থেকেও বুঝলে বুঝা যায়।
❤97👍8🤩2
এদেশের কিছু তালেবান ভক্ত আধাজল খেয়ে মাকদেসীর পিছনে লেগেছে তাকে খারেজি প্রমাণ করতে। আর ওদিকে মূল তালেবান বিশ্বের বড় বড় আলেম যারা মোল্লা ওমরের ব্যাপারে মন্তব্য করেছেন সে সবের মাঝে সম্মানের সাথে মাকদেসির বক্তব্য উল্লেখ করেছেন!
মাঝখানে আমি পড়ে গেছি ফিতনায়!
(মাকদেসীর অবশ্যই কিছু বাড়াবাড়ি আছে, যার সাথে আমিও একমত না। তবে কথা হলো কিছু শুজুজ ও বাড়াবাড়ি থেকে কী কেউই মুক্ত!)
মাঝখানে আমি পড়ে গেছি ফিতনায়!
(মাকদেসীর অবশ্যই কিছু বাড়াবাড়ি আছে, যার সাথে আমিও একমত না। তবে কথা হলো কিছু শুজুজ ও বাড়াবাড়ি থেকে কী কেউই মুক্ত!)
❤64👍5
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
নিজেদের দূর্বলতা আর অসহায়ত্বকে আমরা হেকমত বলি, এটা কস্মিনকালেও তা সঠিক নয়। মাওলানা মঞ্জুর মেঙ্গল হাফিজাহুল্লাহ
পুরো ভিডিওটা শুনতে পারেন।
পুরো ভিডিওটা শুনতে পারেন।
🔥36❤7👍4
যেমন ছিলেন ওয়ালামে দেওবন্দ
....
মুফতি রশিদ আহমদ লুধিয়ানবি রহিমাহুল্লাহ বলেন,
اس دور کی حکومتوں سے ادنی رعایت بھی حاصل کرنا دین کے لۓ سخت مضر بلکہ مہلک ہے، جن مدارس نے حکومت سے امداد لی ہے آیندہ کے لۓ ان کی زبان حق گوئی سے بند ہوگئ اور حکومت اس احسان کے عوض ان سے بہت سے خلاف شریعت کام کرا لیتی ہے۔
এ যামানার শাসকদের থেকে সামান্য সহোযোগিতা নেওয়া দ্বীনের জন্য শুধু ক্ষতিকরই নয়, একটি ধ্বংসাত্মক বিষয়ও বটে। যে সমস্ত মাদরাসা সরকারের কোনরকম সাহায্য সহোযোগিতা গ্রহণ করেছে, ভবিষ্যতে সরকারের বিরুদ্ধে হক বলার ক্ষেত্রে তাদের মুখ বন্ধ হয়ে গেছে। আর সরকারও ঐ অনুগ্রহের বিনিময়ে তাদের মাধ্যমে অনেক শরীয়ত বিরোধী কাজ করিয়ে নেয়। -আহসানুল ফাতওয়া ৮/২৩৮
....
মুফতি রশিদ আহমদ লুধিয়ানবি রহিমাহুল্লাহ বলেন,
اس دور کی حکومتوں سے ادنی رعایت بھی حاصل کرنا دین کے لۓ سخت مضر بلکہ مہلک ہے، جن مدارس نے حکومت سے امداد لی ہے آیندہ کے لۓ ان کی زبان حق گوئی سے بند ہوگئ اور حکومت اس احسان کے عوض ان سے بہت سے خلاف شریعت کام کرا لیتی ہے۔
এ যামানার শাসকদের থেকে সামান্য সহোযোগিতা নেওয়া দ্বীনের জন্য শুধু ক্ষতিকরই নয়, একটি ধ্বংসাত্মক বিষয়ও বটে। যে সমস্ত মাদরাসা সরকারের কোনরকম সাহায্য সহোযোগিতা গ্রহণ করেছে, ভবিষ্যতে সরকারের বিরুদ্ধে হক বলার ক্ষেত্রে তাদের মুখ বন্ধ হয়ে গেছে। আর সরকারও ঐ অনুগ্রহের বিনিময়ে তাদের মাধ্যমে অনেক শরীয়ত বিরোধী কাজ করিয়ে নেয়। -আহসানুল ফাতওয়া ৮/২৩৮
❤65😢8👍4
সমতার যুদ্ধ একটি দিবাস্বপ্নমাত্র
মাওলানা যুবায়ের হোসাইন
সমতার ভিত্তিতে ও সমতার বিচারে কখনো যুদ্ধ হয় না। পৃথিবীর ইতিহাস এমনই।
একটি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সুশৃংখল সশস্ত্র বাহিনী ও ক্ষমতাসীনের বিপরীতে নিরস্ত্র সাধারণ জনগণের যুদ্ধ কখনো সমতার যুদ্ধ নয়।
পারমাণবিক শক্তিধরের বিরুদ্ধে গেরিলাদের পিস্তল রিভলবারের যুদ্ধ কখনো সমতার যুদ্ধ নয়।
জোটবদ্ধ অনেকগুলো কাফের রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একটি মুসলিম দেশের যুদ্ধ কখনো সমতার যুদ্ধ নয়।
আর্থিকভাবে উন্নত দেশগুলোর বিরুদ্ধে অনুন্নত ও স্বল্পোন্নত দেশের যুদ্ধ কখনো সমতার যুদ্ধ নয়।
অথচ যুদ্ধের ইতিহাসগুলো এমনই। যুদ্ধের দুই প্রতিপক্ষ এমনই ছিল। এটাই সত্য।
এর সাথে সাথে এও সত্য যে, দুই পক্ষের মধ্যে শক্তিশালীই সব সময় বিজয়ী হয়নি। বাহ্যিকভাবে যারা দুর্বল পক্ষ, অধিকাংশ ক্ষেত্রে তারাই বিজয়ী হয়েছে।
সহজে বোঝার মত আরেকটি বিষয় হচ্ছে, পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তেই ক্ষমতাসীনদের পালাবদল হয়েছে। কোন ক্ষমতাসীনই চিরকাল ক্ষমতায় থাকেনি। ক্ষমতার পালাবদল একটি চলমান প্রক্রিয়া। আর সে ক্ষতাসীনকে যে শক্তি ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়, সে শক্তিটি ক্ষমতাসীন নয়। সে শক্তিটি হচ্ছে তৃণমূল থেকে উঠে আসা দুর্বল ও ক্ষুদ্র একটি শক্তি।
ক্ষুদ্র ও দুর্বল সে শক্তিই ক্ষমতাসীনের চেয়ারের একটি একটি পায়া ও একটি একটি খুঁটিকে তার মূল থেকে উপড়ে ফেলতে থাকে। খুঁটির নিচের মাটি সরিয়ে সরিয়ে ক্ষমতাসীনকে শূণ্যের উপর ভাসিয়ে রাখে। এরপর একসময় আকস্মিক একটি প্রচণ্ড আঘাতে ক্ষমতার মসনদকে তছনছ করে দেয়। ক্ষমতার মোহে বিভোর ক্ষমতাসীন যা বুঝে উঠতে উঠতে নাট্যলীলা সাঙ্গ হয়ে যায়।
যুদ্ধ ও জয় পরাজয় এমনই। জিহাদ ও লড়াইয়ের প্রকৃতি এমনই।
অতএব যারা সমতার যুদ্ধের অপেক্ষায় অপেক্ষমান, তাদের এ দিবাস্বপ্নের ঘোর কাটার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। এ ঘোর কেটে উঠার একটি উসিলা পৃথিবীর ইতিহাসের সঠিক অনুধাবন।
আরেকটি মাধ্যম এবং টেকসই মাধ্যম, ইসলামী শরীয়ার সিদ্ধান্তের কাছে পূর্ণাঙ্গ আত্মসমর্পণ।
মাওলানা যুবায়ের হোসাইন
সমতার ভিত্তিতে ও সমতার বিচারে কখনো যুদ্ধ হয় না। পৃথিবীর ইতিহাস এমনই।
একটি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সুশৃংখল সশস্ত্র বাহিনী ও ক্ষমতাসীনের বিপরীতে নিরস্ত্র সাধারণ জনগণের যুদ্ধ কখনো সমতার যুদ্ধ নয়।
পারমাণবিক শক্তিধরের বিরুদ্ধে গেরিলাদের পিস্তল রিভলবারের যুদ্ধ কখনো সমতার যুদ্ধ নয়।
জোটবদ্ধ অনেকগুলো কাফের রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একটি মুসলিম দেশের যুদ্ধ কখনো সমতার যুদ্ধ নয়।
আর্থিকভাবে উন্নত দেশগুলোর বিরুদ্ধে অনুন্নত ও স্বল্পোন্নত দেশের যুদ্ধ কখনো সমতার যুদ্ধ নয়।
অথচ যুদ্ধের ইতিহাসগুলো এমনই। যুদ্ধের দুই প্রতিপক্ষ এমনই ছিল। এটাই সত্য।
এর সাথে সাথে এও সত্য যে, দুই পক্ষের মধ্যে শক্তিশালীই সব সময় বিজয়ী হয়নি। বাহ্যিকভাবে যারা দুর্বল পক্ষ, অধিকাংশ ক্ষেত্রে তারাই বিজয়ী হয়েছে।
সহজে বোঝার মত আরেকটি বিষয় হচ্ছে, পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তেই ক্ষমতাসীনদের পালাবদল হয়েছে। কোন ক্ষমতাসীনই চিরকাল ক্ষমতায় থাকেনি। ক্ষমতার পালাবদল একটি চলমান প্রক্রিয়া। আর সে ক্ষতাসীনকে যে শক্তি ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়, সে শক্তিটি ক্ষমতাসীন নয়। সে শক্তিটি হচ্ছে তৃণমূল থেকে উঠে আসা দুর্বল ও ক্ষুদ্র একটি শক্তি।
ক্ষুদ্র ও দুর্বল সে শক্তিই ক্ষমতাসীনের চেয়ারের একটি একটি পায়া ও একটি একটি খুঁটিকে তার মূল থেকে উপড়ে ফেলতে থাকে। খুঁটির নিচের মাটি সরিয়ে সরিয়ে ক্ষমতাসীনকে শূণ্যের উপর ভাসিয়ে রাখে। এরপর একসময় আকস্মিক একটি প্রচণ্ড আঘাতে ক্ষমতার মসনদকে তছনছ করে দেয়। ক্ষমতার মোহে বিভোর ক্ষমতাসীন যা বুঝে উঠতে উঠতে নাট্যলীলা সাঙ্গ হয়ে যায়।
যুদ্ধ ও জয় পরাজয় এমনই। জিহাদ ও লড়াইয়ের প্রকৃতি এমনই।
অতএব যারা সমতার যুদ্ধের অপেক্ষায় অপেক্ষমান, তাদের এ দিবাস্বপ্নের ঘোর কাটার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। এ ঘোর কেটে উঠার একটি উসিলা পৃথিবীর ইতিহাসের সঠিক অনুধাবন।
আরেকটি মাধ্যম এবং টেকসই মাধ্যম, ইসলামী শরীয়ার সিদ্ধান্তের কাছে পূর্ণাঙ্গ আত্মসমর্পণ।
❤53👍6
একজন আলেমের ব্যাপারে সবচেয়ে বড় আপত্তি হলো উনি দাওলার সমর্থক। এবং এই আপত্তি একদম অনর্থকও নয়। তার আশপাশে ভিড়তে থাকা অধিকাংশ ছেলেগুলো দায়েশ ভক্ত, তার সবচেয়ে কাছের একজন মাদরাসা পড়ুয়া দায়েশের দায়ী, এবং সে তালেবে ইলম উনার সহকারী লেখকও! তার কাছে গেলে কিছুদিনের মাথায় দায়েশের প্রতি একটা সফট ভাব ও তালেব ও অন্যান্য জিহাদি জামাতের ব্যাপারে আপত্তি ইশকালের তুফান শুরু হয়ে যায়।
এই যখন অবস্থা, তখন তার কাছে এই বিষয়ে বারবার স্পষ্ট করতে বলা হলে, সে শুধু ঘুরিয়ে পেছিয়ে উত্তর দেয়, অস্পষ্ট উত্তর দেয় এবং যারা তার ব্যাপারে সন্দেহ করে, তার বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার আগে তার কাছে যাওয়া থেকে বিরত থাকলে বা রাখলে তিনি সেটাকে কুরআনে বর্ণিত কাফেররা মুসলিমদেরকে দীন পালনে বাঁধা দেওয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন ধমকির সাথে তুলনা করে! ওজাহাতের নামে উনি বারবার ভিডিও দেয়, লেখা দেয়, কিন্তু মূল বিষয়টি কখনোই স্পষ্ট করে না!
এদিকে দায়েশের ব্যাপারে অন্যতম আপত্তিই হলো তারা তাকিয়াবাজ! তারা শীয়াদের মত নিজেদের অবস্থান গোপন করে মানুষের মাঝে খারেজিয়াত চর্চা করে।
তাই আমাদের একটাই কথা, যতদিন তার অবস্থানকে পরিষ্কারভাবে উম্মতের সামনে স্পষ্ট না হবে, তার ব্যাপারে চুপ থাকাই আমাদের জন্য করনীয়, তার কাছে যাবোও না, তার ব্যাপারে কোনো কথাও বলবো না। কেউ যেতে চাইলে আপত্তির বিষয়টি তাকে জানিয়ে দিবো, এরপর কেউ গেলে প্রত্যেকের ইমান আমলের হিসেব তাকেই দিতে হবে।
শেষকথা হলো, আমরা কারো ভিজা কথায় কান দিবোনা, সতর্ক থাকবো, জিহাদের শিরোনামে যেনো কেউ আমাদের খারেজিয়াতের দিকে নিয়ে যেতে না পারে।
এই যখন অবস্থা, তখন তার কাছে এই বিষয়ে বারবার স্পষ্ট করতে বলা হলে, সে শুধু ঘুরিয়ে পেছিয়ে উত্তর দেয়, অস্পষ্ট উত্তর দেয় এবং যারা তার ব্যাপারে সন্দেহ করে, তার বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার আগে তার কাছে যাওয়া থেকে বিরত থাকলে বা রাখলে তিনি সেটাকে কুরআনে বর্ণিত কাফেররা মুসলিমদেরকে দীন পালনে বাঁধা দেওয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন ধমকির সাথে তুলনা করে! ওজাহাতের নামে উনি বারবার ভিডিও দেয়, লেখা দেয়, কিন্তু মূল বিষয়টি কখনোই স্পষ্ট করে না!
এদিকে দায়েশের ব্যাপারে অন্যতম আপত্তিই হলো তারা তাকিয়াবাজ! তারা শীয়াদের মত নিজেদের অবস্থান গোপন করে মানুষের মাঝে খারেজিয়াত চর্চা করে।
তাই আমাদের একটাই কথা, যতদিন তার অবস্থানকে পরিষ্কারভাবে উম্মতের সামনে স্পষ্ট না হবে, তার ব্যাপারে চুপ থাকাই আমাদের জন্য করনীয়, তার কাছে যাবোও না, তার ব্যাপারে কোনো কথাও বলবো না। কেউ যেতে চাইলে আপত্তির বিষয়টি তাকে জানিয়ে দিবো, এরপর কেউ গেলে প্রত্যেকের ইমান আমলের হিসেব তাকেই দিতে হবে।
শেষকথা হলো, আমরা কারো ভিজা কথায় কান দিবোনা, সতর্ক থাকবো, জিহাদের শিরোনামে যেনো কেউ আমাদের খারেজিয়াতের দিকে নিয়ে যেতে না পারে।
❤69👍18🥴3🤔1
জুলানীর কিছু প্রদক্ষেপ অবশ্যই যথেষ্ট সন্দেহের উদ্গ্রীব তবে তার ব্যাপারে এখনোই চূড়ান্ত কিছু বলা বা সরলীকরণকে পছন্দ করি না। যুদ্ধের সাহায্য হিসেবে তুর্কী থেকে সাহায্য নেওয়া ভালো সিন্ধান্ত হলেও রাষ্ট্র পরিচালনায় তুর্কীকে বিশ্বাস করা হবে হাজারো-লাখো শহিদের সাথে গাদ্দারী করা।
বাকি, এখনো চূরান্ত সিন্ধান্ত মূলক একটা অবস্থান না নিয়ে বিষয়গুলো আরো গভিরভাবে দেখাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
বাকি, এখনো চূরান্ত সিন্ধান্ত মূলক একটা অবস্থান না নিয়ে বিষয়গুলো আরো গভিরভাবে দেখাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
❤49👍9💯8
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
কুয়েতের হাম্বলি মাজহাবের বিশিষ্ট আলেম ড. মুতলাক আল জাসির হাফিজাহুল্লাহ সিরিয়ার বর্তমান অবস্থা নিয়ে বিশেষত, সেখানের সেকুলার ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করেছেন। যারা আরবী বুঝেন শুনতে পারেন।
👍25❤4🔥2
মিশরীয় ইসলামী চিন্তাবিদ ডক্টর মুহাম্মাদ ইমারাহ বলেন- এক অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত একজন সেক্যুলার আলোচক আমাকে সম্বোধন করে তির্যক ভাষায় বললেন-
ডক্টর মুহম্মাদ! আপনার লেখাজোকা থেকে আমি কি এই খোলাসায় পৌঁছাতে পারি— আপনি ইসলামী শরী'আহ বাস্তবায়নের নামে আমাদের ‘বহুযুগ পেছনে’ নিয়ে যেতে চান?
উত্তরে আমি উৎসাহ নিয়ে বললাম-
জনাব, আপনি ‘বহুযুগ পেছনে’ বলে কি ১০০শ বছর পেছনের কথা বলছেন— যখন সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদ অর্ধ-পৃথিবী শাসন করতেন? নাকি সে সময়ের কথা বলছেন, যখন ইউরোপের রাজা-মহারাজারা উসমানি খলিফার ফরমান নিয়ে নিজেদের দেশ শাসন করতেন?
নাকি আপনি মামলুক সুলতানদের শাসনামলের কথা বলছেন— যারা পুরো মানববিশ্বকে মুঘল ও তাতারি হিংস্রতা থেকে রক্ষা করেছিলেন?
নাকি আব্বাসি খলিফা হারুনুর রশিদের শাসনামলের কথা বলছেন, যিনি রোমান সম্রাট নাকপুরকে প্রজাদের সাথে অমানবিক নিষ্ঠুর আচরনের প্রতিবাদে লিখেছেন— ‘আমিরুল মুমিনিন হারুনুর রশিদের পক্ষ থেকে রোমান কুকুর নাকপুরের প্রতি’?
নাকি আরেকটু পেছনের কথা বলতে চেয়েছেন, যখন আবদুর রহমান আদ-দাখিলের বিশাল সৈন্যবাহিনী ইতালি ও ফ্রান্স অবরোধ করে রেখেছিলেন?
এসব তো রাজনৈতিক ‘বহুযুগ পেছনে’র কথা বললাম, আর যদি জ্ঞানের জগতের কথা বলেন, তাহলে আপনার কাছে সবিনয়ে জানতে চাইব—
আপনি কি ‘বহুযুগ পেছনে’ বলে সে সময়ের কথা বলতে চেয়েছেন— যখন ফারাবি, ইবনে জুবাইর, খাওয়ারেজমি, ইবনে রাশিদ, ইবনে খলদুনরা বিশ্ববাসীকে চিকিৎসা-বিজ্ঞান, প্রকৌশল বিজ্ঞান, ভূগোল ও জোতির্বিজ্ঞান ইত্যাদির শিক্ষা দিতেন?
নাকি আপনি ‘বহুযুগ পেছনে‘ বলে— সে সময়ের কথা বলতে চেয়েছেন, যখন মুসলিম স্পেনের অধিবাসীরা পৃথিবীর বুকে প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। যাদের শিক্ষা-সমাপ্তির ট্রাডিশন ( convocation) আজও ‘সভ্য!’ পৃথিবী ধারণ করে আছে। দুনিয়ার সকল পরবর্তী প্রতিষ্ঠান সেইসব মাদরাসাতুল উলুম আল- জামেয়ার অনুকরণীয় রুপ!
আপনি কী দয়া করে বলবেন, কেন এখনো গ্রাজুয়েশন সংবর্ধনা-অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা ‘স্কোয়ার অ্যাকাডেমিক হ্যাট’ পরে থাকে? কারণ মুসলিম স্পেনের শিক্ষার্থীরা গ্রাজুয়েশনের সময় এই হ্যাটের ওপরের অংশে পবিত্র কোরআন রাখতেন! এভাবেই "শিক্ষার জন্য এসো সেবার ব্রত নিয়ে বেরিয়ে যাবার" শপথ নিতেন!
আপনি একজন মিশরীয়; আচ্ছা আমাকে বলুন তো— আপনি ‘বহুযুগ পেছনে’ বলে কি সে সময়ের কথা বলতে চেয়েছেন, যখন কায়রো ছিল পৃথিবীর সুন্দরতম ও মনোরম নগরী?
নাকি সে সময়ের কথা বললেন, যখন একটি ইরাকি দিনারের মূল্যমান ছিল ৪৮৩ ডলার? কিংবা সে সময়ের কথা বললেন, যখন ইউরোপ থেকে পলাতক জ্ঞানীরা মিশরের আলেকজান্দ্রিয়া শহরে আশ্রয় নিতেন?
নাকি বহুদূর পিছিয়ে নেয়ার জন্য তখনকার কথা বললেন, যখন আমেরিকা মিশরের কাছে অনুরোধের দরখাস্ত নিয়ে এসেছিল— অনাহারে-অর্ধাহারে থাকা ইউরোপীয়দের জীবনহন্তুক দুর্ভিক্ষ থেকে রক্ষা করতে?
অনুগ্রহপূর্বক, আমাকে একটু জানাবেন— ইসলামি শরীয়াহ বাস্তবায়িত থাকা যুগের ঠিক কতটুকু পেছনে গেলে আপনি খুশি হবেন? আপনার সেই উত্তর জানার অপেক্ষায় থাকলাম আমি!
মুর্খ কথিত সেক্যুলার তখন ‘অসহায় চোখে’ মুসলিম মনীষীর মুখের দিতে চেয়ে রইলেন। অপলক নেত্রে। তাকিয়েই থাকলেন!
সংগৃহীত।
ডক্টর মুহম্মাদ! আপনার লেখাজোকা থেকে আমি কি এই খোলাসায় পৌঁছাতে পারি— আপনি ইসলামী শরী'আহ বাস্তবায়নের নামে আমাদের ‘বহুযুগ পেছনে’ নিয়ে যেতে চান?
উত্তরে আমি উৎসাহ নিয়ে বললাম-
জনাব, আপনি ‘বহুযুগ পেছনে’ বলে কি ১০০শ বছর পেছনের কথা বলছেন— যখন সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদ অর্ধ-পৃথিবী শাসন করতেন? নাকি সে সময়ের কথা বলছেন, যখন ইউরোপের রাজা-মহারাজারা উসমানি খলিফার ফরমান নিয়ে নিজেদের দেশ শাসন করতেন?
নাকি আপনি মামলুক সুলতানদের শাসনামলের কথা বলছেন— যারা পুরো মানববিশ্বকে মুঘল ও তাতারি হিংস্রতা থেকে রক্ষা করেছিলেন?
নাকি আব্বাসি খলিফা হারুনুর রশিদের শাসনামলের কথা বলছেন, যিনি রোমান সম্রাট নাকপুরকে প্রজাদের সাথে অমানবিক নিষ্ঠুর আচরনের প্রতিবাদে লিখেছেন— ‘আমিরুল মুমিনিন হারুনুর রশিদের পক্ষ থেকে রোমান কুকুর নাকপুরের প্রতি’?
নাকি আরেকটু পেছনের কথা বলতে চেয়েছেন, যখন আবদুর রহমান আদ-দাখিলের বিশাল সৈন্যবাহিনী ইতালি ও ফ্রান্স অবরোধ করে রেখেছিলেন?
এসব তো রাজনৈতিক ‘বহুযুগ পেছনে’র কথা বললাম, আর যদি জ্ঞানের জগতের কথা বলেন, তাহলে আপনার কাছে সবিনয়ে জানতে চাইব—
আপনি কি ‘বহুযুগ পেছনে’ বলে সে সময়ের কথা বলতে চেয়েছেন— যখন ফারাবি, ইবনে জুবাইর, খাওয়ারেজমি, ইবনে রাশিদ, ইবনে খলদুনরা বিশ্ববাসীকে চিকিৎসা-বিজ্ঞান, প্রকৌশল বিজ্ঞান, ভূগোল ও জোতির্বিজ্ঞান ইত্যাদির শিক্ষা দিতেন?
নাকি আপনি ‘বহুযুগ পেছনে‘ বলে— সে সময়ের কথা বলতে চেয়েছেন, যখন মুসলিম স্পেনের অধিবাসীরা পৃথিবীর বুকে প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। যাদের শিক্ষা-সমাপ্তির ট্রাডিশন ( convocation) আজও ‘সভ্য!’ পৃথিবী ধারণ করে আছে। দুনিয়ার সকল পরবর্তী প্রতিষ্ঠান সেইসব মাদরাসাতুল উলুম আল- জামেয়ার অনুকরণীয় রুপ!
আপনি কী দয়া করে বলবেন, কেন এখনো গ্রাজুয়েশন সংবর্ধনা-অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা ‘স্কোয়ার অ্যাকাডেমিক হ্যাট’ পরে থাকে? কারণ মুসলিম স্পেনের শিক্ষার্থীরা গ্রাজুয়েশনের সময় এই হ্যাটের ওপরের অংশে পবিত্র কোরআন রাখতেন! এভাবেই "শিক্ষার জন্য এসো সেবার ব্রত নিয়ে বেরিয়ে যাবার" শপথ নিতেন!
আপনি একজন মিশরীয়; আচ্ছা আমাকে বলুন তো— আপনি ‘বহুযুগ পেছনে’ বলে কি সে সময়ের কথা বলতে চেয়েছেন, যখন কায়রো ছিল পৃথিবীর সুন্দরতম ও মনোরম নগরী?
নাকি সে সময়ের কথা বললেন, যখন একটি ইরাকি দিনারের মূল্যমান ছিল ৪৮৩ ডলার? কিংবা সে সময়ের কথা বললেন, যখন ইউরোপ থেকে পলাতক জ্ঞানীরা মিশরের আলেকজান্দ্রিয়া শহরে আশ্রয় নিতেন?
নাকি বহুদূর পিছিয়ে নেয়ার জন্য তখনকার কথা বললেন, যখন আমেরিকা মিশরের কাছে অনুরোধের দরখাস্ত নিয়ে এসেছিল— অনাহারে-অর্ধাহারে থাকা ইউরোপীয়দের জীবনহন্তুক দুর্ভিক্ষ থেকে রক্ষা করতে?
অনুগ্রহপূর্বক, আমাকে একটু জানাবেন— ইসলামি শরীয়াহ বাস্তবায়িত থাকা যুগের ঠিক কতটুকু পেছনে গেলে আপনি খুশি হবেন? আপনার সেই উত্তর জানার অপেক্ষায় থাকলাম আমি!
মুর্খ কথিত সেক্যুলার তখন ‘অসহায় চোখে’ মুসলিম মনীষীর মুখের দিতে চেয়ে রইলেন। অপলক নেত্রে। তাকিয়েই থাকলেন!
সংগৃহীত।
❤87🔥9👍5⚡4
ওয়াহ মোল্লা ওমর ওয়াহ! আল্লাহ আপনার কবরকে নূর আর নূর দিয়ে ভরিয়ে দিক।
.
ইসলামি শাসনব্যবস্থার মৌলিক একটি বিধান হলো, দারুল ইসলামে মুসলিম ও অমুসলিমদের মাঝে পোশাকে পার্থক্য রাখা। যাতে মুসলিম-অমুসলিমদের যে আলাদা বিধান রয়েছে তা তাদের উপর প্রয়োগ করা যায়।
মোল্লা ওমর রহিমাহুল্লাহ ২০০১ সালে আফগানিস্তানে ইসলামের এই বিধানটি বাস্তবায়ন করার জন্য কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু পরে তা আর সম্ভব হয়নি। কারণ বৈশ্বিক তাগুতরা এর আগেই আফগানে আক্রমণ করে বসে।
সূত্র: সে সময়ের তালেবান মুখপাত্র আব্দুল হাই মুতমায়িনের লিখিত বই 'আলমুল্লা ওমর, তালেবান ওয়া আফগানিস্তান'
.
দারুল ইসলামে অমুসলিম পোষাকের ভিন্নতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আমার অনূদিত 'মুসলিম-অমুসলিম সম্পর্ক; সীমারেখা ও বিধিবিধান' বইটি দেখতে পারেন।
বইটি প্রকাশ হয়েছে চেতনা প্রকাশন থেকে।
.
ইসলামি শাসনব্যবস্থার মৌলিক একটি বিধান হলো, দারুল ইসলামে মুসলিম ও অমুসলিমদের মাঝে পোশাকে পার্থক্য রাখা। যাতে মুসলিম-অমুসলিমদের যে আলাদা বিধান রয়েছে তা তাদের উপর প্রয়োগ করা যায়।
মোল্লা ওমর রহিমাহুল্লাহ ২০০১ সালে আফগানিস্তানে ইসলামের এই বিধানটি বাস্তবায়ন করার জন্য কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু পরে তা আর সম্ভব হয়নি। কারণ বৈশ্বিক তাগুতরা এর আগেই আফগানে আক্রমণ করে বসে।
সূত্র: সে সময়ের তালেবান মুখপাত্র আব্দুল হাই মুতমায়িনের লিখিত বই 'আলমুল্লা ওমর, তালেবান ওয়া আফগানিস্তান'
.
দারুল ইসলামে অমুসলিম পোষাকের ভিন্নতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আমার অনূদিত 'মুসলিম-অমুসলিম সম্পর্ক; সীমারেখা ও বিধিবিধান' বইটি দেখতে পারেন।
বইটি প্রকাশ হয়েছে চেতনা প্রকাশন থেকে।
😢39❤31👍14🔥4
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
আধুনিক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি আমরা আমাদের দেশে চাই না। -আন্দলবুর রহমান পার্থ
(এই ভ্যালিট প্রশ্নগুলো সমস্ত স্তর থেকে উঠা উচিত। তবে বাস্তবতা হলো একমাত্র ইসলামি শাসনই পারবে এই আধুনিক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে এদেশের ভুখণ্ড থেকে উৎখাত করতে)
(এই ভ্যালিট প্রশ্নগুলো সমস্ত স্তর থেকে উঠা উচিত। তবে বাস্তবতা হলো একমাত্র ইসলামি শাসনই পারবে এই আধুনিক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে এদেশের ভুখণ্ড থেকে উৎখাত করতে)
❤76🔥6😁1
অমুসলিমদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ও তাতে শুভেচ্ছা জানানো
আব্দুল্লাহ বিন বশির
সূত্র: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক; সীমারেখা ও বিধিবিধান পৃ. ১৫৯
(চেতনা প্রকাশন)
শরীয়তের দৃষ্টিতে ঈদ শুধুই কোনো সামাজিক প্রথা নয় বরং তা হলো প্রত্যেক ধর্মের শিয়ারের অন্তর্ভুক্ত ও সেই দিনগুলো পালনের থাকে বিভিন্ন ধর্মীয় বিধিনিষেধ। মুসলিমদের ঈদ দুটোকেই আমরা যদি দেখি, এই দুই ঈদে রয়েছে মুসলমানদের জন্য ধর্মের পক্ষ থেকে বিভিন্ন বিধান। একটি মৌলিক বিধান তো হলো উভয় ঈদেই একজন মুমিনের জন্য রোজা রাখা নাজায়েয। আল্লাহর পক্ষ থেকে এদিনে উত্তম খাবার খাওয়া ও খাওয়ানোর উৎসাহিত করা হয়েছে। ঈদুল ফিতর যেটাকে আমরা রোজার ঈদ বলি, এদিনকে কেন্দ্র করেও রয়েছে অসংখ্য বিধান, ঈদের নামাজে যাওয়ার আগে সদকাতুল ফিতর, একটি বিশেষ পদ্ধতিতে ঈদের নামাজ পড়া, খুতবা শোনা, উত্তম পোষাক পড়া ইত্যাদি। অপরদিকে ঈদুল ফিতর যাকে কুরবানির ঈদ বলা হয়, সেদিনের তো রয়েছে তাওহিদের অন্যতম শিক্ষা আল্লাহর মহিমে পশু জবাইয়ের বিধান। এখন মুসলিমদের দীর্ঘ এই চৌদ্দশত বছরের ইতিহাসের কালপরিক্রমায় যদি মুসলিমরা এই দিনদুটোকে শুধুই সামাজিক প্রথা হিসেবে পালন করে তাহলে কী এটাকে শুধুই সামাজিক প্রথা বলার কোনো সুযোগ কী রয়েছে? কস্মিনকালেও নয়।
ইবনে তাইমিয়া রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ৭২৮ হি.) এখানে বড় চমৎকার বলেছেন,
« أن الأعياد من جملة الشرع والمناهج والمناسك، التي قال الله سبحانه {لِكُلِّ أُمَّةٍ جَعَلْنَا مَنْسَكًا هُمْ نَاسِكُوهُ} [الحج: 67] كالقبلة والصلاة والصيام، فلا فرق بين مشاركتهم في العيد وبين مشاركتهم في سائر المناهج، فإن الموافقة في جميع العيد، موافقة في الكفر. والموافقة في بعض فروعه: موافقة في بعض شعب الكفر، بل الأعياد هي من أخص ما تتميز به الشرائع، ومن أظهر ما لها من الشعائر، فالموافقة فيها موافقة في أخص شرائع الكفر، وأظهر شعائره، ولا ريب أن الموافقة في هذا قد تنتهي إلى الكفر في الجملة بشروطه». (اقتضاء الصراط المستقيم في أصحاب الجحيم 1/528، فصل في الأعياد، النهي عن موافقتهم في أعيادهم بالاعتبار)
ঈদ (বা ধর্মীয় উৎসব পালন করা) ধর্মীয় বিধিবিধান ও ধর্ম পালনের মৌলিক পদ্ধতি ও রীতিনীতিরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। যেমন আল্লাহ তা'আলা বলেন, প্রত্যেক উম্মতের জন্য আমি ইবাদতের একটি পদ্ধতি নির্ধারণ করে দিয়েছি যার অনুসরণ তারা করে। (সূরা হাজ্জ: ৬৭) এটারই বিভিন্ন রূপ হলো, কিবলা, নামাজ, রোজা ইত্যাদি। সুতরাং, কাফেরদের ঈদ-উৎসবসমূহে অংশগ্রহণ করা এবং তাদের অন্যান্য ধর্মীয় রীতিনীতি ও বিধানাবলীতে অংশগ্রহণের মাঝে কোনো পার্থক্য নেই। এজন্য, অমুসলিমদের ঈদের (উ্ৎসবের) সকল বিষয়ে একাত্মতা প্রকাশ করার অর্থ হলো তাদের পুরো কুফরির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করা, আর তাদের ঈদের (উৎসবের) কিছু বিষয়ে একাত্মতা প্রকাশ করা করা মানে কুফরের কিছু শাখার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করা। বরং, বাস্তবতা হলো, ঈদ উৎসবসমূহই হলো বিভিন্ন ধর্ম ও শরীয়তের অন্যতম বৈশিষ্ট্য যার মাধ্যমে এক ধর্ম আরেক ধর্ম থেকে পৃথক হয় এবং বিভিন্ন ধর্মের অন্যতম বড় বাহ্যিক ও সুস্পষ্ট নিদর্শন । আর এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, এক্ষেত্রে কাফেরদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করা শেষ পর্যন্ত (শর্তসাপেক্ষে) ব্যক্তিকে কুফরের দিকেই নিয়ে যায়।
অমুসলিমদের ধর্মের মধ্যে এদেশে প্রসিদ্ধ দূর্গা পূজার উদাহরণ আমরা দেখতে পারি। নওমুসলিম আবুল হোসেন ভট্টাযার্চ লেখেন, “স্কন্দ পুরানের বর্ণনা থেকে জানা যায়—ভগবান রামচন্দ্র রাবণ বধের নিমিত্ত শরৎকালে দূর্গা দেবীর অর্চনা করে ছিলেন। এ থেকে শরৎকালে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। দেবী ভাগবতের বর্ণনায় প্রকাশ, রম্ভ নামক অসুরের পুত্র মহিষাসুর পর্বতে অযুত বর্ষকাল কঠোর তপস্যায় রত হয় এবং “পুরুষ জাতীয় কোনো জীব মহিষাসুরকে বধ করতে পারবে না”—ব্রহ্মার নিকট থেকে এ বর লাভ করে। এ বর লাভের পরে সে ভীষণভাবে দুর্মদ হয়ে ওঠে এবং দেবতাদের স্বর্গরাজ্য দখল করে নেয়। অনন্যোপায় হয়ে দেবতারা সাহায্যের জন্য বিষ্ণু ও শিবের নিকটে সমবেত হয়। তখন দেবতাদের তেজ থেকে দেবী ভগবতী (দূর্গা) উৎপন্ন হয়ে মহিষাসুরকে বধ করে।…
আব্দুল্লাহ বিন বশির
সূত্র: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক; সীমারেখা ও বিধিবিধান পৃ. ১৫৯
(চেতনা প্রকাশন)
শরীয়তের দৃষ্টিতে ঈদ শুধুই কোনো সামাজিক প্রথা নয় বরং তা হলো প্রত্যেক ধর্মের শিয়ারের অন্তর্ভুক্ত ও সেই দিনগুলো পালনের থাকে বিভিন্ন ধর্মীয় বিধিনিষেধ। মুসলিমদের ঈদ দুটোকেই আমরা যদি দেখি, এই দুই ঈদে রয়েছে মুসলমানদের জন্য ধর্মের পক্ষ থেকে বিভিন্ন বিধান। একটি মৌলিক বিধান তো হলো উভয় ঈদেই একজন মুমিনের জন্য রোজা রাখা নাজায়েয। আল্লাহর পক্ষ থেকে এদিনে উত্তম খাবার খাওয়া ও খাওয়ানোর উৎসাহিত করা হয়েছে। ঈদুল ফিতর যেটাকে আমরা রোজার ঈদ বলি, এদিনকে কেন্দ্র করেও রয়েছে অসংখ্য বিধান, ঈদের নামাজে যাওয়ার আগে সদকাতুল ফিতর, একটি বিশেষ পদ্ধতিতে ঈদের নামাজ পড়া, খুতবা শোনা, উত্তম পোষাক পড়া ইত্যাদি। অপরদিকে ঈদুল ফিতর যাকে কুরবানির ঈদ বলা হয়, সেদিনের তো রয়েছে তাওহিদের অন্যতম শিক্ষা আল্লাহর মহিমে পশু জবাইয়ের বিধান। এখন মুসলিমদের দীর্ঘ এই চৌদ্দশত বছরের ইতিহাসের কালপরিক্রমায় যদি মুসলিমরা এই দিনদুটোকে শুধুই সামাজিক প্রথা হিসেবে পালন করে তাহলে কী এটাকে শুধুই সামাজিক প্রথা বলার কোনো সুযোগ কী রয়েছে? কস্মিনকালেও নয়।
ইবনে তাইমিয়া রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ৭২৮ হি.) এখানে বড় চমৎকার বলেছেন,
« أن الأعياد من جملة الشرع والمناهج والمناسك، التي قال الله سبحانه {لِكُلِّ أُمَّةٍ جَعَلْنَا مَنْسَكًا هُمْ نَاسِكُوهُ} [الحج: 67] كالقبلة والصلاة والصيام، فلا فرق بين مشاركتهم في العيد وبين مشاركتهم في سائر المناهج، فإن الموافقة في جميع العيد، موافقة في الكفر. والموافقة في بعض فروعه: موافقة في بعض شعب الكفر، بل الأعياد هي من أخص ما تتميز به الشرائع، ومن أظهر ما لها من الشعائر، فالموافقة فيها موافقة في أخص شرائع الكفر، وأظهر شعائره، ولا ريب أن الموافقة في هذا قد تنتهي إلى الكفر في الجملة بشروطه». (اقتضاء الصراط المستقيم في أصحاب الجحيم 1/528، فصل في الأعياد، النهي عن موافقتهم في أعيادهم بالاعتبار)
ঈদ (বা ধর্মীয় উৎসব পালন করা) ধর্মীয় বিধিবিধান ও ধর্ম পালনের মৌলিক পদ্ধতি ও রীতিনীতিরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। যেমন আল্লাহ তা'আলা বলেন, প্রত্যেক উম্মতের জন্য আমি ইবাদতের একটি পদ্ধতি নির্ধারণ করে দিয়েছি যার অনুসরণ তারা করে। (সূরা হাজ্জ: ৬৭) এটারই বিভিন্ন রূপ হলো, কিবলা, নামাজ, রোজা ইত্যাদি। সুতরাং, কাফেরদের ঈদ-উৎসবসমূহে অংশগ্রহণ করা এবং তাদের অন্যান্য ধর্মীয় রীতিনীতি ও বিধানাবলীতে অংশগ্রহণের মাঝে কোনো পার্থক্য নেই। এজন্য, অমুসলিমদের ঈদের (উ্ৎসবের) সকল বিষয়ে একাত্মতা প্রকাশ করার অর্থ হলো তাদের পুরো কুফরির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করা, আর তাদের ঈদের (উৎসবের) কিছু বিষয়ে একাত্মতা প্রকাশ করা করা মানে কুফরের কিছু শাখার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করা। বরং, বাস্তবতা হলো, ঈদ উৎসবসমূহই হলো বিভিন্ন ধর্ম ও শরীয়তের অন্যতম বৈশিষ্ট্য যার মাধ্যমে এক ধর্ম আরেক ধর্ম থেকে পৃথক হয় এবং বিভিন্ন ধর্মের অন্যতম বড় বাহ্যিক ও সুস্পষ্ট নিদর্শন । আর এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, এক্ষেত্রে কাফেরদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করা শেষ পর্যন্ত (শর্তসাপেক্ষে) ব্যক্তিকে কুফরের দিকেই নিয়ে যায়।
অমুসলিমদের ধর্মের মধ্যে এদেশে প্রসিদ্ধ দূর্গা পূজার উদাহরণ আমরা দেখতে পারি। নওমুসলিম আবুল হোসেন ভট্টাযার্চ লেখেন, “স্কন্দ পুরানের বর্ণনা থেকে জানা যায়—ভগবান রামচন্দ্র রাবণ বধের নিমিত্ত শরৎকালে দূর্গা দেবীর অর্চনা করে ছিলেন। এ থেকে শরৎকালে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। দেবী ভাগবতের বর্ণনায় প্রকাশ, রম্ভ নামক অসুরের পুত্র মহিষাসুর পর্বতে অযুত বর্ষকাল কঠোর তপস্যায় রত হয় এবং “পুরুষ জাতীয় কোনো জীব মহিষাসুরকে বধ করতে পারবে না”—ব্রহ্মার নিকট থেকে এ বর লাভ করে। এ বর লাভের পরে সে ভীষণভাবে দুর্মদ হয়ে ওঠে এবং দেবতাদের স্বর্গরাজ্য দখল করে নেয়। অনন্যোপায় হয়ে দেবতারা সাহায্যের জন্য বিষ্ণু ও শিবের নিকটে সমবেত হয়। তখন দেবতাদের তেজ থেকে দেবী ভগবতী (দূর্গা) উৎপন্ন হয়ে মহিষাসুরকে বধ করে।…
দুর্গা পূজার সূচনাই শুধু তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের সাথে নয় বরং এই পূজার যাবতীয় বিধিবিধান ও পালনেরে রীতিও রয়েছে। দূর্গা পূজা কয়েক দিনে হয়, একেকদিনে রয়েছে ধর্ম পালনের একেকটি রীতি এবং সে রীতিগুলোকেই কেন্দ্র করে হয় একেকটি অনুষ্ঠান। একদিন পালন হয় কুমারী পূজা, সর্বশেষ প্রতিমা বিসর্জন। দূর্গা পূজা মোট পাঁচদিন হয়। একেকদিন তাদের একেকটি ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করেই পালন হয়। যেমন, দুর্গা পুজো শুরু হয় ষষ্ঠীর দিন থেকে। মনে করা হয় যে, শরৎকালে দুর্গা পুজোর সূচনা করেছিলেন রাম। রাবণকে পরাজিত করার জন্য দশভূজার আশীর্বাদের কামনায় তিনিই এ সময় দুর্গা পুজো করেন। বোধনের মাধ্যমেই দুর্গাকে আবাহন করা হয়। ষষ্ঠীর দিনে এ ছাড়াও আরও অন্যান্য অনেক নিয়ম-আচার পালিত হয় ও সকলকে রীতিনীতি মেনে দুর্গার আরাধনার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ হন। অষ্টমীর সমাপ্তি ও নবমীর সূচনার সন্ধিক্ষণে সন্ধিপুজো হয়। এই সময় দুর্গা চণ্ড-মুণ্ড বধের জন্য তাঁর চামুণ্ডা স্বরূপ ধারণ করেন। এ সময় ১০৮টি প্রদীপ প্রজ্জ্বলিত করা হয়। এককালে এদিন পশুবলি দেওয়া হত, তবে বর্তমানে সবজি বলি দেওয়া হয়। অঞ্জলি- পুষ্পাঞ্জলি প্রদানের মাধ্যমে দুর্গার প্রতি নিজের বিশ্বাস ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন ভক্তরা। সাধারণত সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী এই তিনদিনই পুষ্পাঞ্জলি হয়, তবে অষ্টমীর অঞ্জলিকে অত্যধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়ে থাকে। পুরোহিতের মন্ত্রোচ্চারণের পর হাতে ধরে থাকা ফুল-পাতা মহিষাসুরমর্দিনীর চরণে অর্পণ করার রেওয়াজ আছে।
উৎসবের একেকটি বিষয় আর পালনের একেকটি রীতি ধর্মীয় বিধিনিষেধ ও পদ্ধতিনুযায়ী চলছে। সুতরাং কেউ যদি বলে অমুসলিমদের ঈদগুলো তাদের ধর্মীয় প্রতিক নয় বরং এগুলো একটি সামাজিক কালচার তাহলে তার কথার কোনো ধর্তব্য হবে না। কেননা, প্রত্যেক ধর্মে ঈদ স্বয়ং সে ধর্মের ধর্মীয় বিধিনিষেধে পূর্ণ একটি শিয়ার বা প্রতিক হয়ে থাকে যা আমরা সংক্ষেপে উপরে আলোচনা থেকে স্পষ্ট দেখতে পেলাম। তাই তা সামাজিক দৃষ্টিতে পালন করুক বা কালচার হিসেবে, এসব ধোকাপূর্ণ কথা কোনো ধর্তব্য নেই। ধরুন, কোনো ইউরোপিয়ান গলায় ক্রুশ ঝুলিয়ে এসে বললো সে তা ধর্মীয় কারনে পড়েনি, বরং ফ্যাশন হিসেবে পড়েছে তাহলে তা কী কোনো মুসলিমের জন্য ব্যবহার করা জায়েয হয়ে যাবে? হবে না, কারণ ক্রুশ সত্তাগতভাবেই কুফরের একটি প্রতীকী। চাই তা যে উদ্দেশ্যেই পড়া হোক তার কোনো ধর্তব্য এখানে হবে না।
পূজা বা অমুসলিমদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ও তাতে শুভেচ্ছা জানানো থেকে বিরত থাকার জন্য একজন মুমিনের এতটুকু জানাই যথেষ্ঠ ছিলো—এসব কুফরের শিয়ার বা প্রতীকী। কিন্তু বড় দুঃখজনক এক সময় আমরা অতিবাহিত করছি। ঈমান-কুফরের স্পষ্ট সীমারেখা থাকার পরেও আজ পশ্চিমের তৈরি উদারতার সবক আমাদের মাথায় এমনভাবে ঢুকেছে যে, উদারতার নামে আমরা সে সীমানা অতিক্রম করছি। আজ হাজারো মুসলিম অমুসলিমদের মুর্তি-প্রতিমা ও সেগুলোর উৎসবে অংশগ্রহণ করছে। কুফরি শব্দ দিয়ে একে অপরকে অভিনন্দন জানাচ্ছে! এমন দুঃখভরা দৃশ্য যখন একজন নবির ওয়ারিসের অন্তর বিধির্ণ করে যায়, মুসলমানদের এমন ধ্বংসের হাত থেকে কীভাবে রক্ষা করবে সে চিন্তায় বিভোর হতে হয় তখন একদল আলেম শ্রেণী কুফরের এই সয়লাব থেকে উম্মাহকে রক্ষার বদলে বলে বেড়াচ্ছে, এসকল অনুষ্ঠান অংশগ্রহণ ও এতে একে অপরকে শুভেচ্ছা জানাতে ইসলামের দৃষ্টিতে কোনো সমস্যা নেই। এগুলো মূলত সামাজিকতার একটি অংশ। আর ইসলাম তো সবচেয়ে বেশি সামাজিক ধর্ম!
একদিকে পশ্চিমা শিক্ষাব্যবস্থার ফলে আমাদের মুসলিম মনে উদারতার নামে কুফরের বিষ রোপন করা হচ্ছে, অন্যদিকে এসকল আলেম শ্রেণীর এমন বিভ্রান্তিকর বক্তব্যে বহু দ্বীন পালনে সচেষ্ট মানুষও বিভ্রান্ত হচ্ছে। তার থেকেও বড়, ইসলামের একটি স্পষ্ট বিধানে বিকৃতি সাধন হচ্ছে যা বড় ভয়ংকর রূপ ধারণ করে মানুষের ঈমানকে প্রতিনিয়ত নষ্ট করে যাচ্ছে। তাই এবিষয়টি কুরআন-সুন্নাহ, সাহাবায়ে কেরাম ও ফুকাহায়ে উম্মাতের বক্তব্যের আলোকে স্পষ্ট করে বুঝা প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের সংক্ষিপ্ত প্রবন্ধে ইসলামের স্পষ্ট বিধানটির দলিলগুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করবো। আল্লাহ তাওফিক দাতা।...
(বিস্তারিত দেখুন, মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক; সীমারেখা ও বিধিবিধান, মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান, অনুবাদ আব্দুল্লাহ বিন বশির)
উৎসবের একেকটি বিষয় আর পালনের একেকটি রীতি ধর্মীয় বিধিনিষেধ ও পদ্ধতিনুযায়ী চলছে। সুতরাং কেউ যদি বলে অমুসলিমদের ঈদগুলো তাদের ধর্মীয় প্রতিক নয় বরং এগুলো একটি সামাজিক কালচার তাহলে তার কথার কোনো ধর্তব্য হবে না। কেননা, প্রত্যেক ধর্মে ঈদ স্বয়ং সে ধর্মের ধর্মীয় বিধিনিষেধে পূর্ণ একটি শিয়ার বা প্রতিক হয়ে থাকে যা আমরা সংক্ষেপে উপরে আলোচনা থেকে স্পষ্ট দেখতে পেলাম। তাই তা সামাজিক দৃষ্টিতে পালন করুক বা কালচার হিসেবে, এসব ধোকাপূর্ণ কথা কোনো ধর্তব্য নেই। ধরুন, কোনো ইউরোপিয়ান গলায় ক্রুশ ঝুলিয়ে এসে বললো সে তা ধর্মীয় কারনে পড়েনি, বরং ফ্যাশন হিসেবে পড়েছে তাহলে তা কী কোনো মুসলিমের জন্য ব্যবহার করা জায়েয হয়ে যাবে? হবে না, কারণ ক্রুশ সত্তাগতভাবেই কুফরের একটি প্রতীকী। চাই তা যে উদ্দেশ্যেই পড়া হোক তার কোনো ধর্তব্য এখানে হবে না।
পূজা বা অমুসলিমদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ও তাতে শুভেচ্ছা জানানো থেকে বিরত থাকার জন্য একজন মুমিনের এতটুকু জানাই যথেষ্ঠ ছিলো—এসব কুফরের শিয়ার বা প্রতীকী। কিন্তু বড় দুঃখজনক এক সময় আমরা অতিবাহিত করছি। ঈমান-কুফরের স্পষ্ট সীমারেখা থাকার পরেও আজ পশ্চিমের তৈরি উদারতার সবক আমাদের মাথায় এমনভাবে ঢুকেছে যে, উদারতার নামে আমরা সে সীমানা অতিক্রম করছি। আজ হাজারো মুসলিম অমুসলিমদের মুর্তি-প্রতিমা ও সেগুলোর উৎসবে অংশগ্রহণ করছে। কুফরি শব্দ দিয়ে একে অপরকে অভিনন্দন জানাচ্ছে! এমন দুঃখভরা দৃশ্য যখন একজন নবির ওয়ারিসের অন্তর বিধির্ণ করে যায়, মুসলমানদের এমন ধ্বংসের হাত থেকে কীভাবে রক্ষা করবে সে চিন্তায় বিভোর হতে হয় তখন একদল আলেম শ্রেণী কুফরের এই সয়লাব থেকে উম্মাহকে রক্ষার বদলে বলে বেড়াচ্ছে, এসকল অনুষ্ঠান অংশগ্রহণ ও এতে একে অপরকে শুভেচ্ছা জানাতে ইসলামের দৃষ্টিতে কোনো সমস্যা নেই। এগুলো মূলত সামাজিকতার একটি অংশ। আর ইসলাম তো সবচেয়ে বেশি সামাজিক ধর্ম!
একদিকে পশ্চিমা শিক্ষাব্যবস্থার ফলে আমাদের মুসলিম মনে উদারতার নামে কুফরের বিষ রোপন করা হচ্ছে, অন্যদিকে এসকল আলেম শ্রেণীর এমন বিভ্রান্তিকর বক্তব্যে বহু দ্বীন পালনে সচেষ্ট মানুষও বিভ্রান্ত হচ্ছে। তার থেকেও বড়, ইসলামের একটি স্পষ্ট বিধানে বিকৃতি সাধন হচ্ছে যা বড় ভয়ংকর রূপ ধারণ করে মানুষের ঈমানকে প্রতিনিয়ত নষ্ট করে যাচ্ছে। তাই এবিষয়টি কুরআন-সুন্নাহ, সাহাবায়ে কেরাম ও ফুকাহায়ে উম্মাতের বক্তব্যের আলোকে স্পষ্ট করে বুঝা প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের সংক্ষিপ্ত প্রবন্ধে ইসলামের স্পষ্ট বিধানটির দলিলগুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করবো। আল্লাহ তাওফিক দাতা।...
(বিস্তারিত দেখুন, মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক; সীমারেখা ও বিধিবিধান, মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান, অনুবাদ আব্দুল্লাহ বিন বশির)
👍21❤2
অমুসলিমদের মোকাবেলায় কখনো মুমিনকে তুলনা করা যাবে না। চাই মুসলিমের আখলাক যতই খারাপ হোক আর কাফেরের আখলাক যতই ভালো হোক। আল্লাহ এটাকে অনেক বেশি অপছন্দ করেন।
মাওলানা আব্দুল মালেক
৪ অক্টোবর ২০২৪ ইং
মাসিক ইসলাহি মজলিসের বয়ান।
মাওলানা আব্দুল মালেক
৪ অক্টোবর ২০২৪ ইং
মাসিক ইসলাহি মজলিসের বয়ান।
❤113👍8🥰2