এদেশের সাধারণ হিন্দুদের কেনো বাধ্য করা হচ্ছে না ইস ক ন থেকে দায়মুক্তির বিবৃতি দিতে?
মুসলিম সুশীলরা কেন এই বিষয়টা লেখছেন না?
কওমীর শাহবাগীগুলোও কেনো এই বিষয়ে বুদ্ধবৃত্তিক প্রবন্ধ ফাদতেছে না?
কিন্তু মুসলমানদের থেকে কথিত অনাখাঙ্খিত কিছু ঘটলেই তো পুরো দেশ আলেমদের থেকে দায়মুক্তি বিবৃতির জন্য একদম পাগল হয়ে যায়!
আসল ঘটনা কী?
মুসলিম সুশীলরা কেন এই বিষয়টা লেখছেন না?
কওমীর শাহবাগীগুলোও কেনো এই বিষয়ে বুদ্ধবৃত্তিক প্রবন্ধ ফাদতেছে না?
কিন্তু মুসলমানদের থেকে কথিত অনাখাঙ্খিত কিছু ঘটলেই তো পুরো দেশ আলেমদের থেকে দায়মুক্তি বিবৃতির জন্য একদম পাগল হয়ে যায়!
আসল ঘটনা কী?
👍41❤1
গ য ও য়া তুল হিন্দের হাদিস প্রমাণিত হোক বা অপ্রমাণিত--এর সাথে জি হা দের ফরজিয়াতের কোনো সম্পর্ক নেই। ফাজায়েল দিয়ে ফিকহের বিধান সাব্যস্ত হয় না। হাঁ, তবে যদি কোনো ফিকহের বিধানের বাস্তবায়নের জন্য সরাসরি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উদ্বুদ্ধ করে থাকেন তাহলে সে হাদিস বলে আমরাও উম্মতকে উদবুদ্ধ করবো।
.
এই বিষয় নিয়ে ছয় সাত বছর আগে একটি প্রবন্ধ লেখেছিলাম। তখন বেশ কিছু ইশকাল সামনে আসে। সে সকল ইশকাল নিয়ে আবার কাজ করি। এবং এই প্রবন্ধটি দাঁড়া করাই।
লিংক :
https://t.me/abdullahbinbashir/623
.
এই বিষয় নিয়ে ছয় সাত বছর আগে একটি প্রবন্ধ লেখেছিলাম। তখন বেশ কিছু ইশকাল সামনে আসে। সে সকল ইশকাল নিয়ে আবার কাজ করি। এবং এই প্রবন্ধটি দাঁড়া করাই।
লিংক :
https://t.me/abdullahbinbashir/623
❤43👍7❤🔥1
ফিলিস্তিনের বিষয়ে একটা নির্মম বাস্তবাত হলো, যেদিন থেকে আমরা আকসার থেকে বেশি সিরিয়ান মুজাহিদ আর সেখানের মানুষের জন্য বেশি চিন্তিত হবো ও সেখানের মুজাহিদের নুসরতের জন্য সার্বজনীন ফতোয়া দিবো, তাঁদের জন্য সকল সম্পদ উতসর্গ করার ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয়ী হবো সেদিন থেকে আকসার আকাশের পরিবর্তন ধীরে ধীরে শুরু হবে। নির্মম আর তিতা হলেও এটাই সত্য! সিরিয়া আর সিরিয়ার মুজাহিদের হাতেই হবে আকসার মুক্তি। এছাড়া আর কারো হাতেই তা সম্ভব নয়। এই বাস্তবাতা আমাদের স্বীকার করতেই হবে।এবং এই বাস্তবতার উপরেই আমাদের উঠে আসতে হবে। মুসলমানদের চিরশত্রু ইরানের হাত ধরে নয়। নয় ফিলিস্তিনের পাশে থাকা তুরষ্ক, জর্ডান বা লিবিয়ার মত মুসলিম নামধারী তাগুত, মুনাফিক বা দুনিয়ালোভি শাসকদের হাতে। আকসার মুসলমানদের মুক্তির একটাই পথ সিরিয়ায় মুসলমানদের বিজয়!
আর বেশি কিছু বলতে পারছি না, হাত শুধু থেমে থেমে আসছে! আল্লাহ আমাদের বাস্তবতা বুঝার তাওফিক দান করুক।
আর বেশি কিছু বলতে পারছি না, হাত শুধু থেমে থেমে আসছে! আল্লাহ আমাদের বাস্তবতা বুঝার তাওফিক দান করুক।
🔥73❤23👍7
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
পূঁজায় পাহাড়া ও হিন্দু মুসলিম ভাই ভাই!
শাইখুল হাদিস আল্লামা নুরুল হক হাফি: কুমিল্লা
এস্যে হোতে হ্যে ওলামায়ে দেওবন্দ।
শাইখুল হাদিস আল্লামা নুরুল হক হাফি: কুমিল্লা
এস্যে হোতে হ্যে ওলামায়ে দেওবন্দ।
❤87👍1😁1
#জুমার_বয়ান_সারাংশ (২৯ নভেম্বর ২০২৪)
বাইতুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ
খতীব: মুফতি আব্দুল মালেক হাফিযাহুল্লাহ
অনুলেখক: মুহাম্মাদ লুতফেরাব্বী আফনান
চট্টগ্রামের তাওহীদ বিরোধীদের হাতে তাওহীদের কালেমা পাঠ করার অপরাধে যাকে শহীদ করা হয়েছে, তার প্রতি ফোটা রক্ত অত্যন্ত দামি। আর হত্যাকারী এবং সমর্থনকারীদের রক্ত তার তুলনায় মূল্যহীন। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার আল্লাহর কাছে আমরা না দিলেও আল্লাহ বিচার করবেন। সরকারেরও উচিত এর যথাযথ বিচার করা। এসব ঘাতক সংগঠন দেশের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে, অরাজকতা তৈরি করছে এবং দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছে, এটা যদি আমরা বুঝতে না পারি তাহলে কিছুই করার নেই।
বাইতুল মোকাররাম জাতীয় মসজিদের জুমার খুতবায় মুফতি আব্দুল মালেক সাহেব এই কথা বলেন।
তাকওয়ার ধারাবাহিক আলোচনার অংশ হিসাবে তিনি বলেন, তাকওয়ার প্রধান অংশ হচ্ছে তাওহীদ। এজন্য সকল নবীগণ তাওহীদ ও শরীয়তের দাওয়াত নিয়ে এসেছেন। সকল নবীগণ এই কথা বলেছেন— فاتقوا الله وأطيعون —অর্থাৎ তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং আমার অনুসরণ করো। এজন্য মুমিনের প্রধান কাজ হচ্ছে, তাওহীদের উপর অবিচল থাকা এবং তাওহীদ পরিপন্থী সকল কাজ থেকে বেঁচে থাকা।
তাওহীদের উপরে অবিচল ঢাকা এবং এজন্য সর্বস্ব ত্যাগ করার অনন্য উদাহরণ হচ্ছে আসহাবে কাহাফের ঘটনা।
আল্লাহ নিজে তাদের ঘটনা কুরআনে বর্ণনা করেছেন। তারা দৃপ্ত কন্ঠে ঘোষণা করেছেন— ربنا رب السموات والأرض —আমাদের রব হচ্ছেন আসমান জমিনের রব। আল্লাহ ছাড়া আমরা কাউকে ইলাহ হিসাবে মানিনা। তাওহীদ পরিপন্থী কোন কথা বলা জঘন্য বিষয়।
তিনি আরও বলেন, ইসলাম হচ্ছে পূর্ণাঙ্গ শান্তির ধর্ম। এই ধর্মের মধ্যে মানবজাতির ইহ ও পরোকালীন কল্যাণ রয়েছে। আজকে ইহুদি-খৃষ্টানরা সারা পৃথিবীতে সেবার নামে ধর্মপ্রচার করছে, অথচ তাদের কারো কাছেই শান্তির বার্তা নেই। মানুষ বিজ্ঞানের কল্যাণে চাঁদের ভ্রমণ করছে আর হিন্দুরা এখনও গো-মাতার পিছনে পড়ে রয়েছে।
এগুলো সমালোচনা নয়; আক্ষেপের বিষয়। তাদের ধর্মগ্রন্থসমূহে ইসলামের নবীর আলোচনা রয়েছে। এগুলো গোপন রেখে তারা কখনো মানবতার কল্যাণ করতে পারবে না। কাদিয়ানীরাও ইসলামের নামে তাদের ধর্মপ্রচার করছে। এসব কোন কিছুতেই বাধা আসে না। আর শান্তির ধর্ম প্রচার করতে গেলে, তাওহীদের দাওয়াত দিতে গেলেই সব বাধা আসে।
তিনি বলেন, এসব কাজে অন্যতম সহযোগী হচ্ছে তথ্যসন্ত্রাস সৃষ্টিকারী মিডিয়া, পত্র-পত্রিকা। তারা বছরের পর বছর মিথ্যা-বানোয়াট তথ্য প্রচারের মাধ্যে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। অন্যায় ভাংচুর বা অনানুমোদিত ভাংচুর যেভাবে অপরাধ, তথ্যসন্ত্রাসও তেমন অপরাধ। আমরা সকল প্রকার অপরাধের বিরুদ্ধে। সকল নাগরিককে এসব অপরাধের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করতে হবে।
বাইতুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ
খতীব: মুফতি আব্দুল মালেক হাফিযাহুল্লাহ
অনুলেখক: মুহাম্মাদ লুতফেরাব্বী আফনান
চট্টগ্রামের তাওহীদ বিরোধীদের হাতে তাওহীদের কালেমা পাঠ করার অপরাধে যাকে শহীদ করা হয়েছে, তার প্রতি ফোটা রক্ত অত্যন্ত দামি। আর হত্যাকারী এবং সমর্থনকারীদের রক্ত তার তুলনায় মূল্যহীন। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার আল্লাহর কাছে আমরা না দিলেও আল্লাহ বিচার করবেন। সরকারেরও উচিত এর যথাযথ বিচার করা। এসব ঘাতক সংগঠন দেশের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে, অরাজকতা তৈরি করছে এবং দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছে, এটা যদি আমরা বুঝতে না পারি তাহলে কিছুই করার নেই।
বাইতুল মোকাররাম জাতীয় মসজিদের জুমার খুতবায় মুফতি আব্দুল মালেক সাহেব এই কথা বলেন।
তাকওয়ার ধারাবাহিক আলোচনার অংশ হিসাবে তিনি বলেন, তাকওয়ার প্রধান অংশ হচ্ছে তাওহীদ। এজন্য সকল নবীগণ তাওহীদ ও শরীয়তের দাওয়াত নিয়ে এসেছেন। সকল নবীগণ এই কথা বলেছেন— فاتقوا الله وأطيعون —অর্থাৎ তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং আমার অনুসরণ করো। এজন্য মুমিনের প্রধান কাজ হচ্ছে, তাওহীদের উপর অবিচল থাকা এবং তাওহীদ পরিপন্থী সকল কাজ থেকে বেঁচে থাকা।
তাওহীদের উপরে অবিচল ঢাকা এবং এজন্য সর্বস্ব ত্যাগ করার অনন্য উদাহরণ হচ্ছে আসহাবে কাহাফের ঘটনা।
আল্লাহ নিজে তাদের ঘটনা কুরআনে বর্ণনা করেছেন। তারা দৃপ্ত কন্ঠে ঘোষণা করেছেন— ربنا رب السموات والأرض —আমাদের রব হচ্ছেন আসমান জমিনের রব। আল্লাহ ছাড়া আমরা কাউকে ইলাহ হিসাবে মানিনা। তাওহীদ পরিপন্থী কোন কথা বলা জঘন্য বিষয়।
তিনি আরও বলেন, ইসলাম হচ্ছে পূর্ণাঙ্গ শান্তির ধর্ম। এই ধর্মের মধ্যে মানবজাতির ইহ ও পরোকালীন কল্যাণ রয়েছে। আজকে ইহুদি-খৃষ্টানরা সারা পৃথিবীতে সেবার নামে ধর্মপ্রচার করছে, অথচ তাদের কারো কাছেই শান্তির বার্তা নেই। মানুষ বিজ্ঞানের কল্যাণে চাঁদের ভ্রমণ করছে আর হিন্দুরা এখনও গো-মাতার পিছনে পড়ে রয়েছে।
এগুলো সমালোচনা নয়; আক্ষেপের বিষয়। তাদের ধর্মগ্রন্থসমূহে ইসলামের নবীর আলোচনা রয়েছে। এগুলো গোপন রেখে তারা কখনো মানবতার কল্যাণ করতে পারবে না। কাদিয়ানীরাও ইসলামের নামে তাদের ধর্মপ্রচার করছে। এসব কোন কিছুতেই বাধা আসে না। আর শান্তির ধর্ম প্রচার করতে গেলে, তাওহীদের দাওয়াত দিতে গেলেই সব বাধা আসে।
তিনি বলেন, এসব কাজে অন্যতম সহযোগী হচ্ছে তথ্যসন্ত্রাস সৃষ্টিকারী মিডিয়া, পত্র-পত্রিকা। তারা বছরের পর বছর মিথ্যা-বানোয়াট তথ্য প্রচারের মাধ্যে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। অন্যায় ভাংচুর বা অনানুমোদিত ভাংচুর যেভাবে অপরাধ, তথ্যসন্ত্রাসও তেমন অপরাধ। আমরা সকল প্রকার অপরাধের বিরুদ্ধে। সকল নাগরিককে এসব অপরাধের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করতে হবে।
❤45👍4
শামে বর্তমানে কী হচ্ছে তা জানতে নীচের লেখাটি পড়তে পারেন। এবং আন্তর্জাতিক যেকোনো বিশ্লেষনের জন্য হযরতকে ফলো দিতে পারেন।
https://www.facebook.com/share/p/1GYMbFRA5f/
https://www.facebook.com/share/p/1GYMbFRA5f/
❤17👍2
আমার বন্ধু মফিজ এখনো ডারতের আলোর মতি ও দিল্লি স্টারের মাহফুজকে মুসলমান মনে করে! তার কথা হলো এদেরকে নাকি কা ফ র মনে করা খারেজিদের আলামত!
হায়রে বন্ধুরে!
হায়রে বন্ধুরে!
😁65👍2🥴2🤡1
তাকফিরের_ক্ষেত্রে_ছাড়াছাড়ি.pdf
314.7 KB
তাকফিরের ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি নিয়ে তো আমাদের মাঝে অনেক আলোচনা হয়। কিন্তু মাসআলার আরেকটি দিকও আছে, দুঃখজনক হলো সে দিকটি আমাদের মাঝে আলোচিত হয় না বললেই চলে—তাকফিরের ক্ষেত্রে ছাড়াছাড়ি। তাকফিরের বাড়াবড়ি যেমন নিন্দনীয়, তেমনি এক্ষেত্রে ছাড়াছাড়িও একটি নিন্দনীয় ও নাজায়েয কাজ।
আলহামদুলিল্লাহ, এই বিষয়টিকে তুলে এনেছেন এই উপমহাদেশের গর্ব মুফতি উবাইদুর রহমান সাহেব।
হযরতের লেখাটি প্রকাশিত হয় পাকিস্তানের দেওবন্দি ঘরোনার বিখ্যাত মসিক 'মাহনামায়ে সফদার' ম্যাগাজিনে।
পড়েই সাথে সাথে সিন্ধান্ত নেই প্রবন্ধটি অনুবাদ করার। আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর তাওফিকে তা সম্পন্ন হয়েছে।
আলহামদুলিল্লাহ, এই বিষয়টিকে তুলে এনেছেন এই উপমহাদেশের গর্ব মুফতি উবাইদুর রহমান সাহেব।
হযরতের লেখাটি প্রকাশিত হয় পাকিস্তানের দেওবন্দি ঘরোনার বিখ্যাত মসিক 'মাহনামায়ে সফদার' ম্যাগাজিনে।
পড়েই সাথে সাথে সিন্ধান্ত নেই প্রবন্ধটি অনুবাদ করার। আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর তাওফিকে তা সম্পন্ন হয়েছে।
❤45👍19
যুদ্ধরত রাষ্ট্র ও তার সাথে সম্পর্কের বিধান :
.... এই সম্পর্কে পাকিস্তানের দেওবন্দী ঘরোনার বিজ্ঞ মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান হাফিজাহুল্লাহ লেখেন, "যুদ্ধরত রাষ্ট্র বললে সাধারণত আমাদের মাথায় যে চিত্র ভেসে উঠে তা হলো নিজের রাষ্ট্রের সাথে অপর রাষ্ট্রের সরাসরি যুদ্ধ অবস্থা বিদ্যমান থাকা। কিন্তু এটা একটি অসম্পূর্ণ ধারণা। ইসলামি ফিকহে যুদ্ধরত শব্দের মধ্যে ঐ সকল রাষ্ট্রও অন্তর্ভূক্ত যারা দুনিয়ার কোথাও না কোথাও মুসলমানদের সাথে যুদ্ধেলিপ্ত রয়েছে, যেমন আমেরিকা, রাশিয়া, ফ্রান্স ইত্যদি। এই রাষ্ট্রগুলো যে মুসলিম ভূখণ্ডের সাথে যুদ্ধ লিপ্ত তাদের বিবেচনায় শুধু এরা যুদ্ধরত রাষ্ট্র এমন নয়, বরং পুরো দুনিয়ার সকল মুসলমানদের নিকটই তারা যুদ্ধরত রাষ্ট্র। এবং ঐ সকল রাষ্ট্রও যুদ্ধরত রাষ্ট্র বলে বিবেচিত হবে, যার অস্তিত্বই কোনো মুসলিম ভূখণ্ডকে অন্যায়ভাবে দখলের মাধ্যমে হয়েছে। যেমন ইজরাইল, ভারত, মিয়ানমার ইত্যাদি। এরা যদিও বাহ্যত ইসলামি ভূখণ্ডের সাথে যুদ্ধে নাও লিপ্ত থাকে তাও এরা মুহারিব বা যুদ্ধরত রাষ্ট্র বলেই গণ্য হবে। কেননা এই রাষ্ট্রগুলো যে ভূখণ্ডের উপর প্রতিষ্ঠিত সেগুলো শতবছর যাবত মুসলিম ভূখণ্ড ছিলো। কিন্তু মুসলমানদের উদাসীনতা ও দূর্বলতা এবং কাফেরদের ধোঁকাবাজির কারণে এই ভূখণ্ডগুলো মুসলিমদের হাতছাড়া হয়ে যায়। এবং কুফরি বিধিবাধান এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়।"....।
সূত্র : ইসলামি শাসনব্যবস্থা, অধ্যায় পরারাষ্ট্রনীতি, চতুর্থ পরিচ্ছেদ : অপরাপর রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের মূলনীতি ও বিধিবিধান
.
জীবনের একটা অন্যতম স্বপ্নের কাজ। এটা শেষ করে (যেভাবে চাচ্ছি আরকি) যদি মরেও যাই কোনো আফসোস থাকবে না।
.... এই সম্পর্কে পাকিস্তানের দেওবন্দী ঘরোনার বিজ্ঞ মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান হাফিজাহুল্লাহ লেখেন, "যুদ্ধরত রাষ্ট্র বললে সাধারণত আমাদের মাথায় যে চিত্র ভেসে উঠে তা হলো নিজের রাষ্ট্রের সাথে অপর রাষ্ট্রের সরাসরি যুদ্ধ অবস্থা বিদ্যমান থাকা। কিন্তু এটা একটি অসম্পূর্ণ ধারণা। ইসলামি ফিকহে যুদ্ধরত শব্দের মধ্যে ঐ সকল রাষ্ট্রও অন্তর্ভূক্ত যারা দুনিয়ার কোথাও না কোথাও মুসলমানদের সাথে যুদ্ধেলিপ্ত রয়েছে, যেমন আমেরিকা, রাশিয়া, ফ্রান্স ইত্যদি। এই রাষ্ট্রগুলো যে মুসলিম ভূখণ্ডের সাথে যুদ্ধ লিপ্ত তাদের বিবেচনায় শুধু এরা যুদ্ধরত রাষ্ট্র এমন নয়, বরং পুরো দুনিয়ার সকল মুসলমানদের নিকটই তারা যুদ্ধরত রাষ্ট্র। এবং ঐ সকল রাষ্ট্রও যুদ্ধরত রাষ্ট্র বলে বিবেচিত হবে, যার অস্তিত্বই কোনো মুসলিম ভূখণ্ডকে অন্যায়ভাবে দখলের মাধ্যমে হয়েছে। যেমন ইজরাইল, ভারত, মিয়ানমার ইত্যাদি। এরা যদিও বাহ্যত ইসলামি ভূখণ্ডের সাথে যুদ্ধে নাও লিপ্ত থাকে তাও এরা মুহারিব বা যুদ্ধরত রাষ্ট্র বলেই গণ্য হবে। কেননা এই রাষ্ট্রগুলো যে ভূখণ্ডের উপর প্রতিষ্ঠিত সেগুলো শতবছর যাবত মুসলিম ভূখণ্ড ছিলো। কিন্তু মুসলমানদের উদাসীনতা ও দূর্বলতা এবং কাফেরদের ধোঁকাবাজির কারণে এই ভূখণ্ডগুলো মুসলিমদের হাতছাড়া হয়ে যায়। এবং কুফরি বিধিবাধান এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়।"....।
সূত্র : ইসলামি শাসনব্যবস্থা, অধ্যায় পরারাষ্ট্রনীতি, চতুর্থ পরিচ্ছেদ : অপরাপর রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের মূলনীতি ও বিধিবিধান
.
জীবনের একটা অন্যতম স্বপ্নের কাজ। এটা শেষ করে (যেভাবে চাচ্ছি আরকি) যদি মরেও যাই কোনো আফসোস থাকবে না।
❤78👍5🔥2
'পলাইছেরে পলাইছে কুত্তা বাসার পলাইছে' এই শ্লোগানে পুরো ঢাকায় মিছিল বের করতে মনে চাচ্ছে।
❤81👍4
গণতন্ত্রের মাধ্যমে ইসলাম কায়েম করতে চাওয়া ভাইদের আশপাশ থেকে ইদুরের ঔষধ, তেলাপোকার ঔষধ, বিশেষত হারপিক সরিয়ে রাখুন। তাদের বুঝান, চাপাবাজি করে শরম পাওয়া থেকে জীবনের দাম অনেক বেশী।
😁68🤣10👍7
আহমদ মুস্তাফা আলহুসরী
.
২৮ জানুয়ারী ২০২০। সিরিয়ার ঐতিহ্যবাহী শহর মাআররাত আননুমান শহরকে পরিপূর্ণ ঘিরে ফেলেছে রাশিয়া ও বাশারের যৌথ সেনাবাহিনী। শহরের পতন সময়ের ব্যাপারমাত্র। প্রতিরোধ যোদ্ধরা সিন্ধান্ত নিলো শহর ছেড়ে দিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার। কিন্তু বাধ সাধলো আহমদ মুস্তাফা। তার একটাই কথা, শরীরের যতক্ষন প্রাণ আছে এই শহরকে আমি শত্রুদের হাতে ছেড়ে দিবো না।
যেই কথা সেই কাজ। অস্ত্র হাতে চালিয়ে গেলেন লড়াই। একদিকে বিশাল রাশান ও বাশারের যৌথবাহিনী। অপর দিকে একা আহমদ মুস্তাফা। চলছে এক অসীম লড়াই। পতন সময়ের ব্যাপার ছিলো যে শহরের সে প্রবেশ করতে শত্রুদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। তিন ঘণ্টা পর্যন্ত একাই প্রতিরোধ করে গেলেন আহমদ মুস্তাফা। অতপর শাহাদাতের অমীয় সূধা পান করলেন। আল্লাহ তার মুখের লাজ রাখলেন। তার শরীরের প্রাণ থাকা অবস্থায় শত্রুরা শহরে প্রবেশ করতে পারেনি।
.
ছোট ভাই হাকিম মুস্তফা আল-হুসরি
পেশায় একজন স্নাইপার। মাআরাত আননুমানের পতন আর ভাইয়ের মৃত্যু সংবাদ আসলো। হাকিম মুস্তাফা মনে কোনো ভাবান্তর নেই। নিজেকে আরো দৃঢ় করে নিলেন। প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সাথে এগিয়ে গেলেন। অবরোধ করলেন ইদলিবের মধ্যে অবস্থিত ওয়াদি আদ-দাইফ এবং আল-হামিদিয়া দুটো শক্তিশালী সামরিক ক্যাম্প। শুরু হলো হাকিমের তাণ্ডব। অস্থির করে তুললেন পুরো শত্রু শিবিরকে। অবরোধের এই অল্প সময়ে একাই জাহান্নামে পাঠালেন ১৫০ এর থেকে বেশি বাশশারের বাহিনীকে। আতংকিত শত্রুদের চোখেমুখে ভীতি ছড়িয়ে পড়লো। এক স্নাইপার ত্রাস হয়ে দেখা দিলো। অতপর এক বিশেষ মাইন পুতা হলো হাকিমের জন্য। সে মাইনে শাহাদাতের অমীয় সূধা পান করলেন হাকিম মুস্তাফা।
.
সূত্র: সিরিয়ান রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক খলিল আলমিকদাদ
.
২৮ জানুয়ারী ২০২০। সিরিয়ার ঐতিহ্যবাহী শহর মাআররাত আননুমান শহরকে পরিপূর্ণ ঘিরে ফেলেছে রাশিয়া ও বাশারের যৌথ সেনাবাহিনী। শহরের পতন সময়ের ব্যাপারমাত্র। প্রতিরোধ যোদ্ধরা সিন্ধান্ত নিলো শহর ছেড়ে দিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার। কিন্তু বাধ সাধলো আহমদ মুস্তাফা। তার একটাই কথা, শরীরের যতক্ষন প্রাণ আছে এই শহরকে আমি শত্রুদের হাতে ছেড়ে দিবো না।
যেই কথা সেই কাজ। অস্ত্র হাতে চালিয়ে গেলেন লড়াই। একদিকে বিশাল রাশান ও বাশারের যৌথবাহিনী। অপর দিকে একা আহমদ মুস্তাফা। চলছে এক অসীম লড়াই। পতন সময়ের ব্যাপার ছিলো যে শহরের সে প্রবেশ করতে শত্রুদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। তিন ঘণ্টা পর্যন্ত একাই প্রতিরোধ করে গেলেন আহমদ মুস্তাফা। অতপর শাহাদাতের অমীয় সূধা পান করলেন। আল্লাহ তার মুখের লাজ রাখলেন। তার শরীরের প্রাণ থাকা অবস্থায় শত্রুরা শহরে প্রবেশ করতে পারেনি।
.
ছোট ভাই হাকিম মুস্তফা আল-হুসরি
পেশায় একজন স্নাইপার। মাআরাত আননুমানের পতন আর ভাইয়ের মৃত্যু সংবাদ আসলো। হাকিম মুস্তাফা মনে কোনো ভাবান্তর নেই। নিজেকে আরো দৃঢ় করে নিলেন। প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সাথে এগিয়ে গেলেন। অবরোধ করলেন ইদলিবের মধ্যে অবস্থিত ওয়াদি আদ-দাইফ এবং আল-হামিদিয়া দুটো শক্তিশালী সামরিক ক্যাম্প। শুরু হলো হাকিমের তাণ্ডব। অস্থির করে তুললেন পুরো শত্রু শিবিরকে। অবরোধের এই অল্প সময়ে একাই জাহান্নামে পাঠালেন ১৫০ এর থেকে বেশি বাশশারের বাহিনীকে। আতংকিত শত্রুদের চোখেমুখে ভীতি ছড়িয়ে পড়লো। এক স্নাইপার ত্রাস হয়ে দেখা দিলো। অতপর এক বিশেষ মাইন পুতা হলো হাকিমের জন্য। সে মাইনে শাহাদাতের অমীয় সূধা পান করলেন হাকিম মুস্তাফা।
.
সূত্র: সিরিয়ান রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক খলিল আলমিকদাদ
❤48👍8🏆2🔥1
মনে করেন, পুরো সিরিয়ার বিজয়ের আনন্দের সাথে যদি এখন এই সংবাদ আসে, আবু মুসআব সুরী শামের কারাগারে জীবিত আছেন এবং ভাইরা তাকে মুক্ত করেছেন!
যদি এটা সত্যি হয় তাহলে সিরিয়ার বিজয়ের সবচেয়ে বড় পাওয়া হবে এটা।
যদি এটা সত্যি হয় তাহলে সিরিয়ার বিজয়ের সবচেয়ে বড় পাওয়া হবে এটা।
❤85👍8
ইবনে হাজার আসকালানী রহিমাহুল্লাহ ফাতহুল বারিতে এক হাদিসের ব্যাখ্যায় লেখেন,
فقد كان الجهاد في ابتداء الإسلام أفضل الأعمال لأنه الوسيلة إلى القيام بها والتمكن أدائها
বর্তমান সময়ে যেটাকে বহু ভালো মানুষও এই কথাকে কটু দৃষ্টিতে দেখে এবং এধরনের কথায় খুবই বিরক্ত হয়।
فقد كان الجهاد في ابتداء الإسلام أفضل الأعمال لأنه الوسيلة إلى القيام بها والتمكن أدائها
বর্তমান সময়ে যেটাকে বহু ভালো মানুষও এই কথাকে কটু দৃষ্টিতে দেখে এবং এধরনের কথায় খুবই বিরক্ত হয়।
🔥41❤5👍5
আমি: পরবর্তী বিপ্লব হোক হারামের প্রাঙ্গনে। হারামাইন পবিত্র হোক বনি সাউদ থেকে।
সূশীল মাদখালী: সিরিয়া নিয়ে যা বলছেন, তার সাথে একমত ছিলাম। কিন্তু এখন যা চাচ্ছেন, তার সাথে একমত নই
সূশীল মাদখালী: সিরিয়া নিয়ে যা বলছেন, তার সাথে একমত ছিলাম। কিন্তু এখন যা চাচ্ছেন, তার সাথে একমত নই
😁94🥴8❤7👍7👎2
ইমাম মাহদি আসার পর বড় বড় ঘটনাগুলো ষোলো থেকে সতেরো মাসের মাঝেই ঘটে যাবে! এই হাদিসগুলো বুঝতে, পড়াতে এখন আর সামান্যও অসুবিধা হবে না ইনশাআল্লাহ।
.
আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ফালিল্লাহিল হামদ।
সিরিয়ার বিজয়ের আশা যখন পুরো পৃথিবী ছেড়ে দিয়েছে, তখন আমার রবের সুসংবাদ ও সাহায্য নেমে এসেছে। আর মাত্র কয়েকদিনেই সব ধ্বসে পড়েছে!
.
আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ফালিল্লাহিল হামদ।
সিরিয়ার বিজয়ের আশা যখন পুরো পৃথিবী ছেড়ে দিয়েছে, তখন আমার রবের সুসংবাদ ও সাহায্য নেমে এসেছে। আর মাত্র কয়েকদিনেই সব ধ্বসে পড়েছে!
❤140👍8🔥4
সবাই দেখা যায় তাগুত তার কাছে!
হামাস!
ইয়াহইয়াহ সিনওয়ার
আব্দুল গনী ব্রাদার
শাম বিজেতা
.
অন্যদিকে আদনানীরা হাফিজাহুল্লাহ আর রহিমাহুল্লাহ!
.
এত কিছুর পরেও তাকে কিছু বলা যাবে না! গ্রেট! অপেক্ষায় রইলাম।
হামাস!
ইয়াহইয়াহ সিনওয়ার
আব্দুল গনী ব্রাদার
শাম বিজেতা
.
অন্যদিকে আদনানীরা হাফিজাহুল্লাহ আর রহিমাহুল্লাহ!
.
এত কিছুর পরেও তাকে কিছু বলা যাবে না! গ্রেট! অপেক্ষায় রইলাম।
👍28🔥7