আমার বন্ধু মফিজ,
"এদিকে আকসার মুক্তিও চায়। আবার জাতিসংঘের স্বীকৃতিও চায়।"
"এদিকে আকসার মুক্তিও চায়। আবার জাতিসংঘের স্বীকৃতিও চায়।"
😁60🥴11❤5🤡2🔥1
ক্রিসমাস খ্রিস্টধর্মের একটা অংশ। দূর্গাপূজা হিন্দু ধর্মের একটা অংশ। কিন্তু কোনো মুসলমান যদি ক্রিসমাসে বা দূর্গাপূজায় অংশগ্রহণ করে তাহলে শুধু এই অংশগ্রহনের কারণেই দুনিয়ার কোনো ফকিহ তাকে তাকফির করে না। বরং এখানে অনেকগুলো স্তর দেখা হয়।
এটা একদম স্পষ্ট মাসআলা। এখানে কোনো অস্পষ্টতা নেই। এই মাসআলাটি নিয়ে চিন্তা করলেও বিকৃত চিন্তার মানুষগুলোর ধোঁকা আর ধোঁকাবাজি থেকেও আমাদের জন্য বেঁচে থাকা বহু সহজ।
এটা একদম স্পষ্ট মাসআলা। এখানে কোনো অস্পষ্টতা নেই। এই মাসআলাটি নিয়ে চিন্তা করলেও বিকৃত চিন্তার মানুষগুলোর ধোঁকা আর ধোঁকাবাজি থেকেও আমাদের জন্য বেঁচে থাকা বহু সহজ।
🔥26👍8❤7
কেনো মাওলানা যুবায়ের সাহেবরা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মাসআলা বুঝানোর জন্য নিজেদের জানমাল, ইজ্জত, ক্যেরিয়ার, পরিবার-পরিজন সবকিছু কুরবান করেছেন তা এখনো আমার বন্ধু মফিজ বুঝে না। এবং বুঝতেও চায় না।
বন্ধু মফিজ আমার এতটা প্রিয় যে, তাকে আমি না পারি একদম ছেড়ে দিতে, আবার না পারি তার বাচ্চাসূলভ ও আবলতাবল কথাগুলো মেনে নিয়ে তার সাথে তর্ক থামিয়ে দিতে!
আমি এক অদ্ভুত জীবন কাটাচ্ছি।
বন্ধু মফিজ আমার এতটা প্রিয় যে, তাকে আমি না পারি একদম ছেড়ে দিতে, আবার না পারি তার বাচ্চাসূলভ ও আবলতাবল কথাগুলো মেনে নিয়ে তার সাথে তর্ক থামিয়ে দিতে!
আমি এক অদ্ভুত জীবন কাটাচ্ছি।
😢36👍3
চট্টগ্রামে আদালত চত্বরে আজকে যা হয়েছে তা রীতিমতো বিভীষিকাময়! গ্রেফতারকৃত চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে আদালতে তোলার পর জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরই আদালত চত্বরে হামলে পড়ে চিন্ময় এর অনুসারীরা।
কোর্ট চত্বরে চিন্ময়ের সমর্থকেরা সাইফুল ইসলাম নামে একজন আইনজীবীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জনসম্মুখে প্রকাশ্য দিবালোকে কুপিয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শী লোকজন জানিয়েছেন সংবাদমাধ্যমকে। সেই হামলায় সেখানেই সাইফুল মারা যান। আরও ৬-৭ জন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছে। চিন্ময়ের অনুসারীরা আদালত চত্বরের মসজিদও ভাঙচুর করেছে।
থমথমে একটা পরিবেশ বিরাজ করছে। ইতোমধ্যে অতিরিক্ত বিজিবি নিয়োগ করা হয়েছে। তবে রাতের বেলা আরও অতিরিক্ত পুলিশ-বিজিবি-আর্মি মোতায়েন করে কড়া নজরদারির ভেতর রাখা উচিৎ।
আর চিন্ময়ের সমর্থক যারা কুপিয়ে ওই আইনজীবীকে মেরে ফেললো, এদের প্রত্যেককে একেবারে চিরুনি অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। তাছাড়া চিন্ময়ের যেসব সমর্থকেরা কোর্ট চত্বরে এভাবে হামলা করেছে এবং এইরকম নারকীয় কাজ ঘটানোর উষ্কানি দিয়েছে, এদের প্রত্যেককে কঠোর আইনী শাস্তির আওতায় আনতে হবে, এক্ষেত্রে কোন ছাড় দেওয়া চলবে না।
আর ওই সংশ্লিষ্ট এলাকার মুসলমানদের উচিৎ নিজেদের হাতে আইন তুলে না নেওয়া। কোন অবস্থাতেই পাল্টা আক্রমণ করা যাবে না। এটা করলে পুরো ব্যাপারটাই অন্যদিকে মোড় নিবে, তখন এটাকে সাম্প্রদায়িক দা ঙ্গা হিসাবে এস্টাবলিশ করে ফায়দা তুলবে একটা গোষ্ঠী এবং পাশের দেশ। তাই সবারই উচিৎ অস্থিতিশীল পরবেশ তৈরী না করে ধৈর্যধারণ করে সতর্কদৃষ্টি রাখা এবং আইনিভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে সহায়তা করা।
@সাইদ আব্দুল্লাহ
কোর্ট চত্বরে চিন্ময়ের সমর্থকেরা সাইফুল ইসলাম নামে একজন আইনজীবীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জনসম্মুখে প্রকাশ্য দিবালোকে কুপিয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শী লোকজন জানিয়েছেন সংবাদমাধ্যমকে। সেই হামলায় সেখানেই সাইফুল মারা যান। আরও ৬-৭ জন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছে। চিন্ময়ের অনুসারীরা আদালত চত্বরের মসজিদও ভাঙচুর করেছে।
থমথমে একটা পরিবেশ বিরাজ করছে। ইতোমধ্যে অতিরিক্ত বিজিবি নিয়োগ করা হয়েছে। তবে রাতের বেলা আরও অতিরিক্ত পুলিশ-বিজিবি-আর্মি মোতায়েন করে কড়া নজরদারির ভেতর রাখা উচিৎ।
আর চিন্ময়ের সমর্থক যারা কুপিয়ে ওই আইনজীবীকে মেরে ফেললো, এদের প্রত্যেককে একেবারে চিরুনি অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। তাছাড়া চিন্ময়ের যেসব সমর্থকেরা কোর্ট চত্বরে এভাবে হামলা করেছে এবং এইরকম নারকীয় কাজ ঘটানোর উষ্কানি দিয়েছে, এদের প্রত্যেককে কঠোর আইনী শাস্তির আওতায় আনতে হবে, এক্ষেত্রে কোন ছাড় দেওয়া চলবে না।
আর ওই সংশ্লিষ্ট এলাকার মুসলমানদের উচিৎ নিজেদের হাতে আইন তুলে না নেওয়া। কোন অবস্থাতেই পাল্টা আক্রমণ করা যাবে না। এটা করলে পুরো ব্যাপারটাই অন্যদিকে মোড় নিবে, তখন এটাকে সাম্প্রদায়িক দা ঙ্গা হিসাবে এস্টাবলিশ করে ফায়দা তুলবে একটা গোষ্ঠী এবং পাশের দেশ। তাই সবারই উচিৎ অস্থিতিশীল পরবেশ তৈরী না করে ধৈর্যধারণ করে সতর্কদৃষ্টি রাখা এবং আইনিভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে সহায়তা করা।
@সাইদ আব্দুল্লাহ
👍13😢5
আমার বন্ধু মফিজ মাওলানা যুবায়ের সাহেবদের কড়া বিরোধী, কিন্তু বন্ধু এখনো তাদের একটি বইও পড়ে দেখেনি। তার বক্তব্যের খোলাসা হলো সে এগুলো কখনোই পড়ে দেখবে না। তার যুক্তি হলো এগুলো পড়লে দেমাগ নষ্ট হয়ে যাবে। বললাম, বন্ধু কীভাবে জানো? 'শুনেছি' বলে মুখ ভেঙছে জানিয়ে দিলো। 'ফেরাকে বাতেলা হিসেব বইগুলো মাদরাসার মাকতাবায় রাখো।' বন্ধু মফিজকে বলেছিলাম। সেটাও করবে না বলে বন্ধু সাফ জানিয়ে দিলো।
😁27😐1
এদেশের সাধারণ হিন্দুদের কেনো বাধ্য করা হচ্ছে না ইস ক ন থেকে দায়মুক্তির বিবৃতি দিতে?
মুসলিম সুশীলরা কেন এই বিষয়টা লেখছেন না?
কওমীর শাহবাগীগুলোও কেনো এই বিষয়ে বুদ্ধবৃত্তিক প্রবন্ধ ফাদতেছে না?
কিন্তু মুসলমানদের থেকে কথিত অনাখাঙ্খিত কিছু ঘটলেই তো পুরো দেশ আলেমদের থেকে দায়মুক্তি বিবৃতির জন্য একদম পাগল হয়ে যায়!
আসল ঘটনা কী?
মুসলিম সুশীলরা কেন এই বিষয়টা লেখছেন না?
কওমীর শাহবাগীগুলোও কেনো এই বিষয়ে বুদ্ধবৃত্তিক প্রবন্ধ ফাদতেছে না?
কিন্তু মুসলমানদের থেকে কথিত অনাখাঙ্খিত কিছু ঘটলেই তো পুরো দেশ আলেমদের থেকে দায়মুক্তি বিবৃতির জন্য একদম পাগল হয়ে যায়!
আসল ঘটনা কী?
👍41❤1
গ য ও য়া তুল হিন্দের হাদিস প্রমাণিত হোক বা অপ্রমাণিত--এর সাথে জি হা দের ফরজিয়াতের কোনো সম্পর্ক নেই। ফাজায়েল দিয়ে ফিকহের বিধান সাব্যস্ত হয় না। হাঁ, তবে যদি কোনো ফিকহের বিধানের বাস্তবায়নের জন্য সরাসরি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উদ্বুদ্ধ করে থাকেন তাহলে সে হাদিস বলে আমরাও উম্মতকে উদবুদ্ধ করবো।
.
এই বিষয় নিয়ে ছয় সাত বছর আগে একটি প্রবন্ধ লেখেছিলাম। তখন বেশ কিছু ইশকাল সামনে আসে। সে সকল ইশকাল নিয়ে আবার কাজ করি। এবং এই প্রবন্ধটি দাঁড়া করাই।
লিংক :
https://t.me/abdullahbinbashir/623
.
এই বিষয় নিয়ে ছয় সাত বছর আগে একটি প্রবন্ধ লেখেছিলাম। তখন বেশ কিছু ইশকাল সামনে আসে। সে সকল ইশকাল নিয়ে আবার কাজ করি। এবং এই প্রবন্ধটি দাঁড়া করাই।
লিংক :
https://t.me/abdullahbinbashir/623
❤43👍7❤🔥1
ফিলিস্তিনের বিষয়ে একটা নির্মম বাস্তবাত হলো, যেদিন থেকে আমরা আকসার থেকে বেশি সিরিয়ান মুজাহিদ আর সেখানের মানুষের জন্য বেশি চিন্তিত হবো ও সেখানের মুজাহিদের নুসরতের জন্য সার্বজনীন ফতোয়া দিবো, তাঁদের জন্য সকল সম্পদ উতসর্গ করার ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয়ী হবো সেদিন থেকে আকসার আকাশের পরিবর্তন ধীরে ধীরে শুরু হবে। নির্মম আর তিতা হলেও এটাই সত্য! সিরিয়া আর সিরিয়ার মুজাহিদের হাতেই হবে আকসার মুক্তি। এছাড়া আর কারো হাতেই তা সম্ভব নয়। এই বাস্তবাতা আমাদের স্বীকার করতেই হবে।এবং এই বাস্তবতার উপরেই আমাদের উঠে আসতে হবে। মুসলমানদের চিরশত্রু ইরানের হাত ধরে নয়। নয় ফিলিস্তিনের পাশে থাকা তুরষ্ক, জর্ডান বা লিবিয়ার মত মুসলিম নামধারী তাগুত, মুনাফিক বা দুনিয়ালোভি শাসকদের হাতে। আকসার মুসলমানদের মুক্তির একটাই পথ সিরিয়ায় মুসলমানদের বিজয়!
আর বেশি কিছু বলতে পারছি না, হাত শুধু থেমে থেমে আসছে! আল্লাহ আমাদের বাস্তবতা বুঝার তাওফিক দান করুক।
আর বেশি কিছু বলতে পারছি না, হাত শুধু থেমে থেমে আসছে! আল্লাহ আমাদের বাস্তবতা বুঝার তাওফিক দান করুক।
🔥73❤23👍7
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
পূঁজায় পাহাড়া ও হিন্দু মুসলিম ভাই ভাই!
শাইখুল হাদিস আল্লামা নুরুল হক হাফি: কুমিল্লা
এস্যে হোতে হ্যে ওলামায়ে দেওবন্দ।
শাইখুল হাদিস আল্লামা নুরুল হক হাফি: কুমিল্লা
এস্যে হোতে হ্যে ওলামায়ে দেওবন্দ।
❤87👍1😁1
#জুমার_বয়ান_সারাংশ (২৯ নভেম্বর ২০২৪)
বাইতুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ
খতীব: মুফতি আব্দুল মালেক হাফিযাহুল্লাহ
অনুলেখক: মুহাম্মাদ লুতফেরাব্বী আফনান
চট্টগ্রামের তাওহীদ বিরোধীদের হাতে তাওহীদের কালেমা পাঠ করার অপরাধে যাকে শহীদ করা হয়েছে, তার প্রতি ফোটা রক্ত অত্যন্ত দামি। আর হত্যাকারী এবং সমর্থনকারীদের রক্ত তার তুলনায় মূল্যহীন। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার আল্লাহর কাছে আমরা না দিলেও আল্লাহ বিচার করবেন। সরকারেরও উচিত এর যথাযথ বিচার করা। এসব ঘাতক সংগঠন দেশের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে, অরাজকতা তৈরি করছে এবং দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছে, এটা যদি আমরা বুঝতে না পারি তাহলে কিছুই করার নেই।
বাইতুল মোকাররাম জাতীয় মসজিদের জুমার খুতবায় মুফতি আব্দুল মালেক সাহেব এই কথা বলেন।
তাকওয়ার ধারাবাহিক আলোচনার অংশ হিসাবে তিনি বলেন, তাকওয়ার প্রধান অংশ হচ্ছে তাওহীদ। এজন্য সকল নবীগণ তাওহীদ ও শরীয়তের দাওয়াত নিয়ে এসেছেন। সকল নবীগণ এই কথা বলেছেন— فاتقوا الله وأطيعون —অর্থাৎ তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং আমার অনুসরণ করো। এজন্য মুমিনের প্রধান কাজ হচ্ছে, তাওহীদের উপর অবিচল থাকা এবং তাওহীদ পরিপন্থী সকল কাজ থেকে বেঁচে থাকা।
তাওহীদের উপরে অবিচল ঢাকা এবং এজন্য সর্বস্ব ত্যাগ করার অনন্য উদাহরণ হচ্ছে আসহাবে কাহাফের ঘটনা।
আল্লাহ নিজে তাদের ঘটনা কুরআনে বর্ণনা করেছেন। তারা দৃপ্ত কন্ঠে ঘোষণা করেছেন— ربنا رب السموات والأرض —আমাদের রব হচ্ছেন আসমান জমিনের রব। আল্লাহ ছাড়া আমরা কাউকে ইলাহ হিসাবে মানিনা। তাওহীদ পরিপন্থী কোন কথা বলা জঘন্য বিষয়।
তিনি আরও বলেন, ইসলাম হচ্ছে পূর্ণাঙ্গ শান্তির ধর্ম। এই ধর্মের মধ্যে মানবজাতির ইহ ও পরোকালীন কল্যাণ রয়েছে। আজকে ইহুদি-খৃষ্টানরা সারা পৃথিবীতে সেবার নামে ধর্মপ্রচার করছে, অথচ তাদের কারো কাছেই শান্তির বার্তা নেই। মানুষ বিজ্ঞানের কল্যাণে চাঁদের ভ্রমণ করছে আর হিন্দুরা এখনও গো-মাতার পিছনে পড়ে রয়েছে।
এগুলো সমালোচনা নয়; আক্ষেপের বিষয়। তাদের ধর্মগ্রন্থসমূহে ইসলামের নবীর আলোচনা রয়েছে। এগুলো গোপন রেখে তারা কখনো মানবতার কল্যাণ করতে পারবে না। কাদিয়ানীরাও ইসলামের নামে তাদের ধর্মপ্রচার করছে। এসব কোন কিছুতেই বাধা আসে না। আর শান্তির ধর্ম প্রচার করতে গেলে, তাওহীদের দাওয়াত দিতে গেলেই সব বাধা আসে।
তিনি বলেন, এসব কাজে অন্যতম সহযোগী হচ্ছে তথ্যসন্ত্রাস সৃষ্টিকারী মিডিয়া, পত্র-পত্রিকা। তারা বছরের পর বছর মিথ্যা-বানোয়াট তথ্য প্রচারের মাধ্যে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। অন্যায় ভাংচুর বা অনানুমোদিত ভাংচুর যেভাবে অপরাধ, তথ্যসন্ত্রাসও তেমন অপরাধ। আমরা সকল প্রকার অপরাধের বিরুদ্ধে। সকল নাগরিককে এসব অপরাধের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করতে হবে।
বাইতুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ
খতীব: মুফতি আব্দুল মালেক হাফিযাহুল্লাহ
অনুলেখক: মুহাম্মাদ লুতফেরাব্বী আফনান
চট্টগ্রামের তাওহীদ বিরোধীদের হাতে তাওহীদের কালেমা পাঠ করার অপরাধে যাকে শহীদ করা হয়েছে, তার প্রতি ফোটা রক্ত অত্যন্ত দামি। আর হত্যাকারী এবং সমর্থনকারীদের রক্ত তার তুলনায় মূল্যহীন। এই হত্যাকাণ্ডের বিচার আল্লাহর কাছে আমরা না দিলেও আল্লাহ বিচার করবেন। সরকারেরও উচিত এর যথাযথ বিচার করা। এসব ঘাতক সংগঠন দেশের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে, অরাজকতা তৈরি করছে এবং দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করছে, এটা যদি আমরা বুঝতে না পারি তাহলে কিছুই করার নেই।
বাইতুল মোকাররাম জাতীয় মসজিদের জুমার খুতবায় মুফতি আব্দুল মালেক সাহেব এই কথা বলেন।
তাকওয়ার ধারাবাহিক আলোচনার অংশ হিসাবে তিনি বলেন, তাকওয়ার প্রধান অংশ হচ্ছে তাওহীদ। এজন্য সকল নবীগণ তাওহীদ ও শরীয়তের দাওয়াত নিয়ে এসেছেন। সকল নবীগণ এই কথা বলেছেন— فاتقوا الله وأطيعون —অর্থাৎ তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং আমার অনুসরণ করো। এজন্য মুমিনের প্রধান কাজ হচ্ছে, তাওহীদের উপর অবিচল থাকা এবং তাওহীদ পরিপন্থী সকল কাজ থেকে বেঁচে থাকা।
তাওহীদের উপরে অবিচল ঢাকা এবং এজন্য সর্বস্ব ত্যাগ করার অনন্য উদাহরণ হচ্ছে আসহাবে কাহাফের ঘটনা।
আল্লাহ নিজে তাদের ঘটনা কুরআনে বর্ণনা করেছেন। তারা দৃপ্ত কন্ঠে ঘোষণা করেছেন— ربنا رب السموات والأرض —আমাদের রব হচ্ছেন আসমান জমিনের রব। আল্লাহ ছাড়া আমরা কাউকে ইলাহ হিসাবে মানিনা। তাওহীদ পরিপন্থী কোন কথা বলা জঘন্য বিষয়।
তিনি আরও বলেন, ইসলাম হচ্ছে পূর্ণাঙ্গ শান্তির ধর্ম। এই ধর্মের মধ্যে মানবজাতির ইহ ও পরোকালীন কল্যাণ রয়েছে। আজকে ইহুদি-খৃষ্টানরা সারা পৃথিবীতে সেবার নামে ধর্মপ্রচার করছে, অথচ তাদের কারো কাছেই শান্তির বার্তা নেই। মানুষ বিজ্ঞানের কল্যাণে চাঁদের ভ্রমণ করছে আর হিন্দুরা এখনও গো-মাতার পিছনে পড়ে রয়েছে।
এগুলো সমালোচনা নয়; আক্ষেপের বিষয়। তাদের ধর্মগ্রন্থসমূহে ইসলামের নবীর আলোচনা রয়েছে। এগুলো গোপন রেখে তারা কখনো মানবতার কল্যাণ করতে পারবে না। কাদিয়ানীরাও ইসলামের নামে তাদের ধর্মপ্রচার করছে। এসব কোন কিছুতেই বাধা আসে না। আর শান্তির ধর্ম প্রচার করতে গেলে, তাওহীদের দাওয়াত দিতে গেলেই সব বাধা আসে।
তিনি বলেন, এসব কাজে অন্যতম সহযোগী হচ্ছে তথ্যসন্ত্রাস সৃষ্টিকারী মিডিয়া, পত্র-পত্রিকা। তারা বছরের পর বছর মিথ্যা-বানোয়াট তথ্য প্রচারের মাধ্যে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। অন্যায় ভাংচুর বা অনানুমোদিত ভাংচুর যেভাবে অপরাধ, তথ্যসন্ত্রাসও তেমন অপরাধ। আমরা সকল প্রকার অপরাধের বিরুদ্ধে। সকল নাগরিককে এসব অপরাধের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ করতে হবে।
❤45👍4
শামে বর্তমানে কী হচ্ছে তা জানতে নীচের লেখাটি পড়তে পারেন। এবং আন্তর্জাতিক যেকোনো বিশ্লেষনের জন্য হযরতকে ফলো দিতে পারেন।
https://www.facebook.com/share/p/1GYMbFRA5f/
https://www.facebook.com/share/p/1GYMbFRA5f/
❤17👍2
আমার বন্ধু মফিজ এখনো ডারতের আলোর মতি ও দিল্লি স্টারের মাহফুজকে মুসলমান মনে করে! তার কথা হলো এদেরকে নাকি কা ফ র মনে করা খারেজিদের আলামত!
হায়রে বন্ধুরে!
হায়রে বন্ধুরে!
😁65👍2🥴2🤡1
তাকফিরের_ক্ষেত্রে_ছাড়াছাড়ি.pdf
314.7 KB
তাকফিরের ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি নিয়ে তো আমাদের মাঝে অনেক আলোচনা হয়। কিন্তু মাসআলার আরেকটি দিকও আছে, দুঃখজনক হলো সে দিকটি আমাদের মাঝে আলোচিত হয় না বললেই চলে—তাকফিরের ক্ষেত্রে ছাড়াছাড়ি। তাকফিরের বাড়াবড়ি যেমন নিন্দনীয়, তেমনি এক্ষেত্রে ছাড়াছাড়িও একটি নিন্দনীয় ও নাজায়েয কাজ।
আলহামদুলিল্লাহ, এই বিষয়টিকে তুলে এনেছেন এই উপমহাদেশের গর্ব মুফতি উবাইদুর রহমান সাহেব।
হযরতের লেখাটি প্রকাশিত হয় পাকিস্তানের দেওবন্দি ঘরোনার বিখ্যাত মসিক 'মাহনামায়ে সফদার' ম্যাগাজিনে।
পড়েই সাথে সাথে সিন্ধান্ত নেই প্রবন্ধটি অনুবাদ করার। আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর তাওফিকে তা সম্পন্ন হয়েছে।
আলহামদুলিল্লাহ, এই বিষয়টিকে তুলে এনেছেন এই উপমহাদেশের গর্ব মুফতি উবাইদুর রহমান সাহেব।
হযরতের লেখাটি প্রকাশিত হয় পাকিস্তানের দেওবন্দি ঘরোনার বিখ্যাত মসিক 'মাহনামায়ে সফদার' ম্যাগাজিনে।
পড়েই সাথে সাথে সিন্ধান্ত নেই প্রবন্ধটি অনুবাদ করার। আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর তাওফিকে তা সম্পন্ন হয়েছে।
❤45👍19
যুদ্ধরত রাষ্ট্র ও তার সাথে সম্পর্কের বিধান :
.... এই সম্পর্কে পাকিস্তানের দেওবন্দী ঘরোনার বিজ্ঞ মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান হাফিজাহুল্লাহ লেখেন, "যুদ্ধরত রাষ্ট্র বললে সাধারণত আমাদের মাথায় যে চিত্র ভেসে উঠে তা হলো নিজের রাষ্ট্রের সাথে অপর রাষ্ট্রের সরাসরি যুদ্ধ অবস্থা বিদ্যমান থাকা। কিন্তু এটা একটি অসম্পূর্ণ ধারণা। ইসলামি ফিকহে যুদ্ধরত শব্দের মধ্যে ঐ সকল রাষ্ট্রও অন্তর্ভূক্ত যারা দুনিয়ার কোথাও না কোথাও মুসলমানদের সাথে যুদ্ধেলিপ্ত রয়েছে, যেমন আমেরিকা, রাশিয়া, ফ্রান্স ইত্যদি। এই রাষ্ট্রগুলো যে মুসলিম ভূখণ্ডের সাথে যুদ্ধ লিপ্ত তাদের বিবেচনায় শুধু এরা যুদ্ধরত রাষ্ট্র এমন নয়, বরং পুরো দুনিয়ার সকল মুসলমানদের নিকটই তারা যুদ্ধরত রাষ্ট্র। এবং ঐ সকল রাষ্ট্রও যুদ্ধরত রাষ্ট্র বলে বিবেচিত হবে, যার অস্তিত্বই কোনো মুসলিম ভূখণ্ডকে অন্যায়ভাবে দখলের মাধ্যমে হয়েছে। যেমন ইজরাইল, ভারত, মিয়ানমার ইত্যাদি। এরা যদিও বাহ্যত ইসলামি ভূখণ্ডের সাথে যুদ্ধে নাও লিপ্ত থাকে তাও এরা মুহারিব বা যুদ্ধরত রাষ্ট্র বলেই গণ্য হবে। কেননা এই রাষ্ট্রগুলো যে ভূখণ্ডের উপর প্রতিষ্ঠিত সেগুলো শতবছর যাবত মুসলিম ভূখণ্ড ছিলো। কিন্তু মুসলমানদের উদাসীনতা ও দূর্বলতা এবং কাফেরদের ধোঁকাবাজির কারণে এই ভূখণ্ডগুলো মুসলিমদের হাতছাড়া হয়ে যায়। এবং কুফরি বিধিবাধান এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়।"....।
সূত্র : ইসলামি শাসনব্যবস্থা, অধ্যায় পরারাষ্ট্রনীতি, চতুর্থ পরিচ্ছেদ : অপরাপর রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের মূলনীতি ও বিধিবিধান
.
জীবনের একটা অন্যতম স্বপ্নের কাজ। এটা শেষ করে (যেভাবে চাচ্ছি আরকি) যদি মরেও যাই কোনো আফসোস থাকবে না।
.... এই সম্পর্কে পাকিস্তানের দেওবন্দী ঘরোনার বিজ্ঞ মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান হাফিজাহুল্লাহ লেখেন, "যুদ্ধরত রাষ্ট্র বললে সাধারণত আমাদের মাথায় যে চিত্র ভেসে উঠে তা হলো নিজের রাষ্ট্রের সাথে অপর রাষ্ট্রের সরাসরি যুদ্ধ অবস্থা বিদ্যমান থাকা। কিন্তু এটা একটি অসম্পূর্ণ ধারণা। ইসলামি ফিকহে যুদ্ধরত শব্দের মধ্যে ঐ সকল রাষ্ট্রও অন্তর্ভূক্ত যারা দুনিয়ার কোথাও না কোথাও মুসলমানদের সাথে যুদ্ধেলিপ্ত রয়েছে, যেমন আমেরিকা, রাশিয়া, ফ্রান্স ইত্যদি। এই রাষ্ট্রগুলো যে মুসলিম ভূখণ্ডের সাথে যুদ্ধ লিপ্ত তাদের বিবেচনায় শুধু এরা যুদ্ধরত রাষ্ট্র এমন নয়, বরং পুরো দুনিয়ার সকল মুসলমানদের নিকটই তারা যুদ্ধরত রাষ্ট্র। এবং ঐ সকল রাষ্ট্রও যুদ্ধরত রাষ্ট্র বলে বিবেচিত হবে, যার অস্তিত্বই কোনো মুসলিম ভূখণ্ডকে অন্যায়ভাবে দখলের মাধ্যমে হয়েছে। যেমন ইজরাইল, ভারত, মিয়ানমার ইত্যাদি। এরা যদিও বাহ্যত ইসলামি ভূখণ্ডের সাথে যুদ্ধে নাও লিপ্ত থাকে তাও এরা মুহারিব বা যুদ্ধরত রাষ্ট্র বলেই গণ্য হবে। কেননা এই রাষ্ট্রগুলো যে ভূখণ্ডের উপর প্রতিষ্ঠিত সেগুলো শতবছর যাবত মুসলিম ভূখণ্ড ছিলো। কিন্তু মুসলমানদের উদাসীনতা ও দূর্বলতা এবং কাফেরদের ধোঁকাবাজির কারণে এই ভূখণ্ডগুলো মুসলিমদের হাতছাড়া হয়ে যায়। এবং কুফরি বিধিবাধান এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়।"....।
সূত্র : ইসলামি শাসনব্যবস্থা, অধ্যায় পরারাষ্ট্রনীতি, চতুর্থ পরিচ্ছেদ : অপরাপর রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের মূলনীতি ও বিধিবিধান
.
জীবনের একটা অন্যতম স্বপ্নের কাজ। এটা শেষ করে (যেভাবে চাচ্ছি আরকি) যদি মরেও যাই কোনো আফসোস থাকবে না।
❤78👍5🔥2
'পলাইছেরে পলাইছে কুত্তা বাসার পলাইছে' এই শ্লোগানে পুরো ঢাকায় মিছিল বের করতে মনে চাচ্ছে।
❤81👍4
গণতন্ত্রের মাধ্যমে ইসলাম কায়েম করতে চাওয়া ভাইদের আশপাশ থেকে ইদুরের ঔষধ, তেলাপোকার ঔষধ, বিশেষত হারপিক সরিয়ে রাখুন। তাদের বুঝান, চাপাবাজি করে শরম পাওয়া থেকে জীবনের দাম অনেক বেশী।
😁68🤣10👍7