একই ব্যক্তি একই সাথে, কয়েক মাদরাসার মুহতামি, উপদেষ্ঠা, শাইখুল হাদিস ইত্যাদি, তিনিই আবার একটি রাজনৈতিক দলের অন্যতম পদধারী, নিতিনির্ধারক ইত্যাদি, সেই তিনিই আবার হেফাজতের উঁচুপর্যায়ের পদ ও নেতা, সেই তিনিই আবার বেফাকের কেন্দ্রীয় ব্যক্তি, আর এত এত পদ নিয়ে যিনি ও যারা আছেন তিনি ও তারা হলের ষাটোর্ধ একজন মুরব্বি!
.
দেখেন, এই যে এক সিস্টেমটা কতটা সমস্যা জনক এটাই যদি আপনি গভিরভাবে উপলব্ধি করতে না পারেন তাহলে আর কী করার!
.
একজন ব্যক্তি যোগ্য হতে পারে, কিন্তু এতগুলো জাতীয় পর্যায়ের কাজ করার মত কী আসলেই যোগ্য? আর এতে কী আসলেই কোনো লাভ হয়? এতে কী নতুন নেতৃত্ব কাজের লোক বের হয়ে আসে?
.
আমাদের অঙ্গনের অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় একজন হলেন বিবাড়িয়ার মাওলানা সাজিদুল ইসলাম সাহেব। এনি একই সাথে মুহতামি, শাইখুল হাদিস (একাধিক মাদরাসার সম্ভবত), হেফাজতের নেতা আবার বেফাকেরও।
আমি উনার নাম নিচ্ছি উনার প্রতি আমার কোনো ক্ষোভ নেই আলহামদুলিল্লাহ। আমি শুধু উদাহরন ও পরিস্থিতি বুঝানোর জন্য বলছি, আমরা কতটা খারাপ চিন্তাসংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। সাজিদ সাহেব অনেক যোগ্য, প্রাজ্ঞ ও আস্থাশীল মানুষ। এটা নিয়ে সন্দেহ নেই। কিন্তু উনি কী আসলেই এত মহান যোগ্য এই বয়ষ্ক শরীর ও মাথা নিয়ে এতগুলো পদ সামলাচ্ছেন!
.
যদি কিছু পরিবর্তন করতেই চাইন তাহলে এগুলো নিয়ে আলাপ তুলুন, আর না হয় এই সিস্টেমের আশা বাদ দিয়ে ভিন্ন কিছু নিয়ে ফিকির করুন। একই সাথে এই সিস্টাম নিয়ে বড় বড় আশা নিয়ে থাকবেন, কেউ এর বিরোধিতা করলে তাকে উগ্র, বেয়াদব, তুই কী করছোস ইত্যাদি ট্যাগ দিবেন, আবার নিজে হতাশা হলে চৌদ্দগোষ্ঠি উদ্বার করবেন এটা হয় না ভাই। এগুলো অনেক বেশী দ্বিমুখী আলাপ।
.
দেখেন, এই যে এক সিস্টেমটা কতটা সমস্যা জনক এটাই যদি আপনি গভিরভাবে উপলব্ধি করতে না পারেন তাহলে আর কী করার!
.
একজন ব্যক্তি যোগ্য হতে পারে, কিন্তু এতগুলো জাতীয় পর্যায়ের কাজ করার মত কী আসলেই যোগ্য? আর এতে কী আসলেই কোনো লাভ হয়? এতে কী নতুন নেতৃত্ব কাজের লোক বের হয়ে আসে?
.
আমাদের অঙ্গনের অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় একজন হলেন বিবাড়িয়ার মাওলানা সাজিদুল ইসলাম সাহেব। এনি একই সাথে মুহতামি, শাইখুল হাদিস (একাধিক মাদরাসার সম্ভবত), হেফাজতের নেতা আবার বেফাকেরও।
আমি উনার নাম নিচ্ছি উনার প্রতি আমার কোনো ক্ষোভ নেই আলহামদুলিল্লাহ। আমি শুধু উদাহরন ও পরিস্থিতি বুঝানোর জন্য বলছি, আমরা কতটা খারাপ চিন্তাসংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। সাজিদ সাহেব অনেক যোগ্য, প্রাজ্ঞ ও আস্থাশীল মানুষ। এটা নিয়ে সন্দেহ নেই। কিন্তু উনি কী আসলেই এত মহান যোগ্য এই বয়ষ্ক শরীর ও মাথা নিয়ে এতগুলো পদ সামলাচ্ছেন!
.
যদি কিছু পরিবর্তন করতেই চাইন তাহলে এগুলো নিয়ে আলাপ তুলুন, আর না হয় এই সিস্টেমের আশা বাদ দিয়ে ভিন্ন কিছু নিয়ে ফিকির করুন। একই সাথে এই সিস্টাম নিয়ে বড় বড় আশা নিয়ে থাকবেন, কেউ এর বিরোধিতা করলে তাকে উগ্র, বেয়াদব, তুই কী করছোস ইত্যাদি ট্যাগ দিবেন, আবার নিজে হতাশা হলে চৌদ্দগোষ্ঠি উদ্বার করবেন এটা হয় না ভাই। এগুলো অনেক বেশী দ্বিমুখী আলাপ।
❤46👍4😡1
-ভাই সবাই যখন ঐক্যের চিন্তা করতেছে তখন একদল নিজেদের মধ্যে কাদা ছুড়াছুড়ি করতেছে, এদেরকে চিহ্নিত করা দরকার।
-ঐক্যের নামে তো ঐ তাদেরকেই নেতৃত্ব দেয়া হবে বা দিতে হবে যারা আজকে কাদা ছুড়াছুড়ির জন্য দায়ী। তাহলে এই ঐক্য দিয়ে কী লাভ ভাই। এই ঐক্যের চেয়ে স্পষ্ট দালাল , ছুপা দালাল আর অন্যান্য সমস্যা দূর হওয়া আমার কাছে বেশি প্রয়োজন। যাতে কওমীর রক্ত নিয়ে আর খেলতামাশা ও অনেকের কেরিয়ার না দাঁড়ায়।
এখন বলেন কাদেরকে চিহ্নিত করা বেশি প্রয়োজন?
-ঐক্যের নামে তো ঐ তাদেরকেই নেতৃত্ব দেয়া হবে বা দিতে হবে যারা আজকে কাদা ছুড়াছুড়ির জন্য দায়ী। তাহলে এই ঐক্য দিয়ে কী লাভ ভাই। এই ঐক্যের চেয়ে স্পষ্ট দালাল , ছুপা দালাল আর অন্যান্য সমস্যা দূর হওয়া আমার কাছে বেশি প্রয়োজন। যাতে কওমীর রক্ত নিয়ে আর খেলতামাশা ও অনেকের কেরিয়ার না দাঁড়ায়।
এখন বলেন কাদেরকে চিহ্নিত করা বেশি প্রয়োজন?
❤32👍3
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
একটা জামাতের প্রধান যদি এমন মূর্খসূলভ বক্তব্য দেয় এটা খুবই দুঃখজনক!
উনার আশপাশে যারা আছেন তারা একটু বুঝান, হযরত গণুভ্যাত্থান আর ইনকিলাব এক জিনিষ না!
আফসোস এমন মূর্খ সূলভ বক্তব্য এত বড় জামাতের একজন মানুষ থেকে আসতেছে!
উনার কাছে প্রশ্ন! এই গনভ্যাত্থানের দ্বারা ইসলামের কয়টা শিয়ার এদেশে বাস্তবায়ন হয়েছে বা আগামী দশ বছরে হবে?
উনার আশপাশে যারা আছেন তারা একটু বুঝান, হযরত গণুভ্যাত্থান আর ইনকিলাব এক জিনিষ না!
আফসোস এমন মূর্খ সূলভ বক্তব্য এত বড় জামাতের একজন মানুষ থেকে আসতেছে!
উনার কাছে প্রশ্ন! এই গনভ্যাত্থানের দ্বারা ইসলামের কয়টা শিয়ার এদেশে বাস্তবায়ন হয়েছে বা আগামী দশ বছরে হবে?
👍34👎1😁1
চিশতিয়া সিলসিলা ও জি*হা*দ
.
ভারত উপমহাদেশে চিশতিয়া সিলসিলার শুরু হয় খাজা আবু মুহাম্মদ চিশতি রহিমাহুল্লাহের (মৃত্যু: ৪০৫ অথবা ৪১১ হি.) হাত ধরে। সুলতান মাহমুদ গজনবী রহিমাহুল্লাহ যখন ভারত বিজয়ের জন্য রওনা দেন তখন খাজা আবু মুহাম্মদ তার বক্তবৃন্দ নিয়ে জি*হা*দে শরীক হন। তখন তার বয়স ছিলো সত্তর বছর। এবং সুলতানের বিজয় অভিযানের সফলতার পিছনে খাজা সাহেবের দোয়া ও উপস্থিতি অনেক কার্যকর ভূমিকা রেখেছিলো।
এরপর এই সিলসিলা যার মাধ্যমে সবচেয়ে বিস্তৃত হয় তিনি হলেন খাজা মুইনুদ্দিন চিশতি রহিমাহুল্লাহ। উনিও জীবনের একটি অংশ জি*হা*দের ভুমিতে কাটান। সুলতান মুহাম্মদ ঘোরী যখন পৃথ্বীরাজের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন সেই সেনাবাহিনীতে খাজা মুইনুদ্দিন চিশতী রহিমাহুল্লাহ সশরীরে উপস্থিত ছিলেন। এবং বিজয় অর্জনে এই এই মহান সুফির এক বিশাল ভূমিকা ছিলো।
.
এভাবেই জি*হা*দ ও তাসাউফের মাধ্যমেই এই ভূখণ্ডে সুফিরা নিজেদের অস্তিত্বকে দৃঢ় করেন এবং মানুষকে কু]ফ]রের অন্ধকার থেকে মুক্ত করে ঈমানের সম্পদ দিয়ে ধন্য করেন। আর সিলসিলার এই সমন্বিত খেদমত এখনো চলমান রয়েছেন। বর্তমান ইমারতে ইসলামিয়ার বহু মন্ত্রী এই চিশতিয়া সিলসিলার ইজাজতপ্রাপ্ত বুজুর্গ। শিক্ষামন্ত্রী আব্দুল বাকী হ ক্কা নী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিরাজুদ্দিন হ ক কা নী প্রমুখ।
.
আবুল হাসান আলী নদবি রহিমাহুল্লাহ দুজন ঐতিহাসিকের উদ্ধৃতিতে খুব চমৎকারই বলেছেন, "এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই যে, চিশতিয়া সিলসিলার মহান বুজুর্গ ও মনীষীদের ভারতীয় উপমহাদেশের উপর চিরন্তর দাবী ও অধিকার রয়েছে। এবং উনাদের পদধূলির বরকতেই ভারতবর্ষের বুকে ইসলামের প্রচার ও প্রসার ঘটেছে এবং কু]ফ]রির অন্ধকার দূরীভূত হয়েছে।"
.
সূত্র: সংগ্রামী সাধকদের ইতিহাস ৩/৩৪-৩৯
.
ভারত উপমহাদেশে চিশতিয়া সিলসিলার শুরু হয় খাজা আবু মুহাম্মদ চিশতি রহিমাহুল্লাহের (মৃত্যু: ৪০৫ অথবা ৪১১ হি.) হাত ধরে। সুলতান মাহমুদ গজনবী রহিমাহুল্লাহ যখন ভারত বিজয়ের জন্য রওনা দেন তখন খাজা আবু মুহাম্মদ তার বক্তবৃন্দ নিয়ে জি*হা*দে শরীক হন। তখন তার বয়স ছিলো সত্তর বছর। এবং সুলতানের বিজয় অভিযানের সফলতার পিছনে খাজা সাহেবের দোয়া ও উপস্থিতি অনেক কার্যকর ভূমিকা রেখেছিলো।
এরপর এই সিলসিলা যার মাধ্যমে সবচেয়ে বিস্তৃত হয় তিনি হলেন খাজা মুইনুদ্দিন চিশতি রহিমাহুল্লাহ। উনিও জীবনের একটি অংশ জি*হা*দের ভুমিতে কাটান। সুলতান মুহাম্মদ ঘোরী যখন পৃথ্বীরাজের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন সেই সেনাবাহিনীতে খাজা মুইনুদ্দিন চিশতী রহিমাহুল্লাহ সশরীরে উপস্থিত ছিলেন। এবং বিজয় অর্জনে এই এই মহান সুফির এক বিশাল ভূমিকা ছিলো।
.
এভাবেই জি*হা*দ ও তাসাউফের মাধ্যমেই এই ভূখণ্ডে সুফিরা নিজেদের অস্তিত্বকে দৃঢ় করেন এবং মানুষকে কু]ফ]রের অন্ধকার থেকে মুক্ত করে ঈমানের সম্পদ দিয়ে ধন্য করেন। আর সিলসিলার এই সমন্বিত খেদমত এখনো চলমান রয়েছেন। বর্তমান ইমারতে ইসলামিয়ার বহু মন্ত্রী এই চিশতিয়া সিলসিলার ইজাজতপ্রাপ্ত বুজুর্গ। শিক্ষামন্ত্রী আব্দুল বাকী হ ক্কা নী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিরাজুদ্দিন হ ক কা নী প্রমুখ।
.
আবুল হাসান আলী নদবি রহিমাহুল্লাহ দুজন ঐতিহাসিকের উদ্ধৃতিতে খুব চমৎকারই বলেছেন, "এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই যে, চিশতিয়া সিলসিলার মহান বুজুর্গ ও মনীষীদের ভারতীয় উপমহাদেশের উপর চিরন্তর দাবী ও অধিকার রয়েছে। এবং উনাদের পদধূলির বরকতেই ভারতবর্ষের বুকে ইসলামের প্রচার ও প্রসার ঘটেছে এবং কু]ফ]রির অন্ধকার দূরীভূত হয়েছে।"
.
সূত্র: সংগ্রামী সাধকদের ইতিহাস ৩/৩৪-৩৯
👍29❤7🔥1
tareekhe-mashaikhe-chist-khaleeq-nizami.pdf
9.2 MB
মাশায়েখে চিশত ও তাদের সংগ্রামী জীবন সম্পর্কে যারা জানতে চান তাদের জন্য এই বইটি জরুরি।
যারা এদেশে ইসলামি বিপ্লব চান, তাদের জন্য এই বই জরুরি।
যারা এদেশের মানুষকে পূনরায় ইসলামের অধিনে আনতে চান তাদের জন্য এই অঞ্চলের পূর্বসূরীদের ইতিহাস জানা জরুরি।
যারা এদেশে ইসলামি বিপ্লব চান, তাদের জন্য এই বই জরুরি।
যারা এদেশের মানুষকে পূনরায় ইসলামের অধিনে আনতে চান তাদের জন্য এই অঞ্চলের পূর্বসূরীদের ইতিহাস জানা জরুরি।
❤12👍3
স*শ*স্ত্র জি]হা]দ ছাড়া দ্বীনের বিজয় সম্ভব নয়
.
শাহ ওলিউল্লাহ মুহাদ্দেসে দেহলবি রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ১১৭৬ হি.) বলেন,
اعلم أن النبي صلى الله عليه وسلم بعث بالخلافة العامة، وغلبة دينه على سائر الأديان لا يتحقق إلا بالجهاد وإعداد آلاته، فإذا تركوا الجهاد، واتبعوا أذناب البقر أحاط بهم الذل؛ وغلب عليهم أهل سائر الأديان. (حجة الله البالغة 2/267، باب الجهاد)
"
আল্লাহ তাআলা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ‘খিলাফতে আম্মাহ’ (ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠা করা) দিয়ে প্রেরণ করেছেন। (এবং পুরো দুনিয়ার সকল জীবনব্যবস্থার উপর খে]লা]ফত]কে প্রতিষ্ঠা করা) আল্লাহর দীনকে সকল দীনের উপর বিজয় করা শুধু মাত্র জি]হা]দ ও জি]হা]দের হাতিয়ার প্রস্তুত করার মাধ্যমেই বাস্তবায়িত হবে। আর যখন তোমরা জি]হা]দ ছেড়ে দিবে তখন লাঞ্চনা তোমাদের ঘিরে ফেলবে এবং সকল ধর্ম তোমাদের উপর বিজয়ী হয়ে যাবে।" -হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগা ২/২৬৭
মুফতি সাইদ আহমদ পালনপুরি রহিমাহুল্লাহ এই কথার ব্যাখ্যা লেখেন,
“রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আল্লাহ দুনিয়াতে ইসলামি খি]লা]ফত ও শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য পাঠিয়েছেন। আর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াস্লাম কর্তৃক এই দীনের বিজয় শুধুই জি]হা]দের দ্বারাই বাস্তবায়িত হবে। আর জি]হা]দ আসবাব ও উপকরনের উপর নির্ভরশীল, আর ঘোড়া হলো জি]হা]দের অন্যতম একটি বাহন, তাই তা প্রস্তুত করার ব্যাপারে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উৎসাহিত করেছেন।’’ -রহমাতুল্লাহিল ওয়াসিয়াহ ৫/৩৯৪
.
শাহ ওলিউল্লাহ মুহাদ্দেসে দেহলবি রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ১১৭৬ হি.) বলেন,
اعلم أن النبي صلى الله عليه وسلم بعث بالخلافة العامة، وغلبة دينه على سائر الأديان لا يتحقق إلا بالجهاد وإعداد آلاته، فإذا تركوا الجهاد، واتبعوا أذناب البقر أحاط بهم الذل؛ وغلب عليهم أهل سائر الأديان. (حجة الله البالغة 2/267، باب الجهاد)
"
আল্লাহ তাআলা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ‘খিলাফতে আম্মাহ’ (ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠা করা) দিয়ে প্রেরণ করেছেন। (এবং পুরো দুনিয়ার সকল জীবনব্যবস্থার উপর খে]লা]ফত]কে প্রতিষ্ঠা করা) আল্লাহর দীনকে সকল দীনের উপর বিজয় করা শুধু মাত্র জি]হা]দ ও জি]হা]দের হাতিয়ার প্রস্তুত করার মাধ্যমেই বাস্তবায়িত হবে। আর যখন তোমরা জি]হা]দ ছেড়ে দিবে তখন লাঞ্চনা তোমাদের ঘিরে ফেলবে এবং সকল ধর্ম তোমাদের উপর বিজয়ী হয়ে যাবে।" -হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগা ২/২৬৭
মুফতি সাইদ আহমদ পালনপুরি রহিমাহুল্লাহ এই কথার ব্যাখ্যা লেখেন,
“রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আল্লাহ দুনিয়াতে ইসলামি খি]লা]ফত ও শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য পাঠিয়েছেন। আর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াস্লাম কর্তৃক এই দীনের বিজয় শুধুই জি]হা]দের দ্বারাই বাস্তবায়িত হবে। আর জি]হা]দ আসবাব ও উপকরনের উপর নির্ভরশীল, আর ঘোড়া হলো জি]হা]দের অন্যতম একটি বাহন, তাই তা প্রস্তুত করার ব্যাপারে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উৎসাহিত করেছেন।’’ -রহমাতুল্লাহিল ওয়াসিয়াহ ৫/৩৯৪
❤45👍11
ইমারতে আফগানের বৈশ্বিক উন্নতির হাজারো খবর থেকে এমন খবরের দাম আমার কাছে লাখোগুন বেশী। বলতে পারেন এমন খবরগুলোর আশায় থাকি সারাদিন। বাকি আপনারা যা ভালো মনে করেন।
বৈশ্বিক উন্নতি কেন আমাকে এত আগ্রহী করে না, এর কারন উন্নতি ও নিরাপত্তা ইসলামি শাসনের একটি আবশ্যকীয় অংশ। যেখানেই ইসলাম প্রতিষ্ঠা হবে সেখানে বৈষম্যহীণতা, নিরাপত্তা আর উন্নতি হয়েই যাবে। না হওয়ার নূন্যতম কোনো সুযোগ নেই।
গণতন্ত্রের একটা বড় কুফরি হলো এখানে জনগণের চাহিদানুযায়ী দেশ চালাতে হবে, তাদের কোনো স্বাধীনতায় হস্তেক্ষেপ করা যাবে না! অথচ ইসলামি খিলাফতে একজন শাসকের জন্য আবশ্যকই হলো তাদেরকে ধর্মীয় বিষয়ে গড়ে তোলা। এবং এরজন্য যতধরনের আইন করা লাগে, কঠোরতা করা লাগে তা সে করবে এবং করতে বাধ্য।
বৈশ্বিক উন্নতি কেন আমাকে এত আগ্রহী করে না, এর কারন উন্নতি ও নিরাপত্তা ইসলামি শাসনের একটি আবশ্যকীয় অংশ। যেখানেই ইসলাম প্রতিষ্ঠা হবে সেখানে বৈষম্যহীণতা, নিরাপত্তা আর উন্নতি হয়েই যাবে। না হওয়ার নূন্যতম কোনো সুযোগ নেই।
গণতন্ত্রের একটা বড় কুফরি হলো এখানে জনগণের চাহিদানুযায়ী দেশ চালাতে হবে, তাদের কোনো স্বাধীনতায় হস্তেক্ষেপ করা যাবে না! অথচ ইসলামি খিলাফতে একজন শাসকের জন্য আবশ্যকই হলো তাদেরকে ধর্মীয় বিষয়ে গড়ে তোলা। এবং এরজন্য যতধরনের আইন করা লাগে, কঠোরতা করা লাগে তা সে করবে এবং করতে বাধ্য।
❤72👍4🔥2
আপনি যতই লি*বা*রেল সুশীলগিরী দেখান, যতদিন পর্যন্ত এই অঞ্চলের সাপের মাথা ভারতকে চিরশত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে সে হিসেবে পদক্ষেপ না নিতে পারবেন,ততদিন এই অঞ্চলে কখনোই শান্তি আসবে না। এমনকি স্বতন্ত্র ইসলামি ইমারাহ হলেও না। এই পুরো অঞ্চলের সবচেয়ে বড় ভিলেন ভারত।
.
আজ এত বছর পর ত্রিপুরা বাধ খুলে দিয়ে তারা এদেশের মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে ভারত। এগুলো মানুষকে বুঝাতে হবে, এদেশের মূল শত্রু চিহ্নিত হতে হবে।
.
আজ এত বছর পর ত্রিপুরা বাধ খুলে দিয়ে তারা এদেশের মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে ভারত। এগুলো মানুষকে বুঝাতে হবে, এদেশের মূল শত্রু চিহ্নিত হতে হবে।
👍40❤4
নোয়াখালীসহ আরো অনেক জেলাই ভালো নেই। প্রত্যেকে যার যার জায়গা থেকে এগিয়ে আসি।
.
ত্রান দেয়ার ক্ষেত্রে আমার একটা অভিজ্ঞতা হলো আমরা প্রচুর অপরিকল্পিভাবে ত্রান দেই। ঢাকা থেকে গিয়ে কোনোমতে দিয়ে আসি। তাই স্থানীয় আলেমদের উচিত গোছানো পরিকল্পনা নেয়া, যাতে সবাই সেখানে এসে পরিকল্পিত ত্রান দিতে পারে। নোয়াখালির নির্ভরযোগ্য আলেম মাওলানা ইসলামাইল সাহেব অন্যান্য সময়ের মত এবারও এগিয়ে এসেছেন। Madrasatus Sunnah Noakhali চৌমুহনী থেকে উনি পুরো নোয়াখালীতে ত্রানের কাজ করবেন। যারা আর্থিকভাবে সাহায্য করতে চান তার নির্দ্বিধায় এখানে সাহায্য করতে পারেন। যারা ত্রান নিয়ে যাবেন তারা সুন্নাহতে অবস্থান করে ত্রান দিবেন। আর যারা কাজে সহযোগিতা করতে চান তারা দ্রুত সুন্নাহতে চলে যাই।
.
কুমিল্লাহ, ফেনি ও বিবাড়িয়াতে আলেমগণ এভাবে একটি পরিকল্পিত হয়ে এগিয়ে আসুন দ্রুত। আমরা মুসলমানরা নিজেরা না খেয়ে হলেও বিপদে পড়া ভাইদের সাহায্য করবো ইনশাআল্লাহ।
.
যদি আপনাদের পক্ষে সম্ভব হয় পোষ্ট অথবা শুধু ছবিটি শেয়ার করবেন। আপনার একটা শেয়ারে যদি একশো টাকাও আসে তাহলেও একটি মানুষের উপকার হয়ে যাবে। যা এই মুহুর্তে খুবই দরকার।
.
ত্রান দেয়ার ক্ষেত্রে আমার একটা অভিজ্ঞতা হলো আমরা প্রচুর অপরিকল্পিভাবে ত্রান দেই। ঢাকা থেকে গিয়ে কোনোমতে দিয়ে আসি। তাই স্থানীয় আলেমদের উচিত গোছানো পরিকল্পনা নেয়া, যাতে সবাই সেখানে এসে পরিকল্পিত ত্রান দিতে পারে। নোয়াখালির নির্ভরযোগ্য আলেম মাওলানা ইসলামাইল সাহেব অন্যান্য সময়ের মত এবারও এগিয়ে এসেছেন। Madrasatus Sunnah Noakhali চৌমুহনী থেকে উনি পুরো নোয়াখালীতে ত্রানের কাজ করবেন। যারা আর্থিকভাবে সাহায্য করতে চান তার নির্দ্বিধায় এখানে সাহায্য করতে পারেন। যারা ত্রান নিয়ে যাবেন তারা সুন্নাহতে অবস্থান করে ত্রান দিবেন। আর যারা কাজে সহযোগিতা করতে চান তারা দ্রুত সুন্নাহতে চলে যাই।
.
কুমিল্লাহ, ফেনি ও বিবাড়িয়াতে আলেমগণ এভাবে একটি পরিকল্পিত হয়ে এগিয়ে আসুন দ্রুত। আমরা মুসলমানরা নিজেরা না খেয়ে হলেও বিপদে পড়া ভাইদের সাহায্য করবো ইনশাআল্লাহ।
.
যদি আপনাদের পক্ষে সম্ভব হয় পোষ্ট অথবা শুধু ছবিটি শেয়ার করবেন। আপনার একটা শেয়ারে যদি একশো টাকাও আসে তাহলেও একটি মানুষের উপকার হয়ে যাবে। যা এই মুহুর্তে খুবই দরকার।
❤23
As sunnah Foundation বা কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনি ও ক্ষতিগ্রস্থা জায়গার স্থানীয় আলেম ও দীনি ভাইদের প্রতিষ্ঠান ছাড়া আমরা কোনো ইউটিউবার, চ্যারিটি ফাণ্ডে একটি টাকাও ত্রানের জন্য দিবো না।
.
স্থানীয় আলেম ও দ্বীনদার ভাইরা এগিয়ে আসুন।
.
স্থানীয় আলেম ও দ্বীনদার ভাইরা এগিয়ে আসুন।
❤44👍9
"পেতে চাইলে মুক্তি ছাড়ো ভারত ভক্তি"
.
আজকে ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে মিছিলে এই স্লোগান আসছে! বহু মানুষ এখন ভারতের বিষয়ে কথা বলছে, বুঝতে পারছে ভারতের সমস্যা! অথচ ভারত এই অঞ্চলের সাপের মাথা, এই তত্ত্ব কত আগেই জামানার মুজাদ্দিদরা বুঝতে পেরেছিলো ও উম্মতকে বলে গিয়েছিলো।
পৃথিবীর ভুরাজনৈতিক ও জিও-পলিটিক্স যেভাবে বুঝলে ইসলাম ও মুসলমানের মুক্তি সম্ভব এটা আমার দেখা উনাদের চাইতে এত ক্লিয়ার আর কেউ বুঝেনি!
এই উম্মতের প্রতিরোধ যোদ্ধারা উম্মতের জন্য কী করেছে, এটা এক উস্তাদকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, উনি বলেছিলেন, ওরা আর কিছু করুক আর না করুক এই উম্মতকে তাদের আসল শত্রু চিহ্নিত করে দিয়েছে। এবং মুক্তির পুরো রাস্তার ম্যাপ তৈরি করিয়েছে, এটাই বা কম কিসের!
আল্লাহ উম্মাহের এই সিংহদের কবরকে নূর দিয়ে ভরে দিক ও জীবিতদেরকে আপন নিরাপত্তার চাদরে আবৃত রাখুক। আমীন।
.
আজকে ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে মিছিলে এই স্লোগান আসছে! বহু মানুষ এখন ভারতের বিষয়ে কথা বলছে, বুঝতে পারছে ভারতের সমস্যা! অথচ ভারত এই অঞ্চলের সাপের মাথা, এই তত্ত্ব কত আগেই জামানার মুজাদ্দিদরা বুঝতে পেরেছিলো ও উম্মতকে বলে গিয়েছিলো।
পৃথিবীর ভুরাজনৈতিক ও জিও-পলিটিক্স যেভাবে বুঝলে ইসলাম ও মুসলমানের মুক্তি সম্ভব এটা আমার দেখা উনাদের চাইতে এত ক্লিয়ার আর কেউ বুঝেনি!
এই উম্মতের প্রতিরোধ যোদ্ধারা উম্মতের জন্য কী করেছে, এটা এক উস্তাদকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, উনি বলেছিলেন, ওরা আর কিছু করুক আর না করুক এই উম্মতকে তাদের আসল শত্রু চিহ্নিত করে দিয়েছে। এবং মুক্তির পুরো রাস্তার ম্যাপ তৈরি করিয়েছে, এটাই বা কম কিসের!
আল্লাহ উম্মাহের এই সিংহদের কবরকে নূর দিয়ে ভরে দিক ও জীবিতদেরকে আপন নিরাপত্তার চাদরে আবৃত রাখুক। আমীন।
🔥50❤28
আমাদের এই সকল ত্রান, সকল কায়িক শ্রম, মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষে সকলের জন্য এই দৌড়ঝাঁপ—এসবকিছু শুধুই আল্লাহর জন্য, ইসলামের স্বার্থে ও ইসলামের বিধান পালনার্থে। আমরা এই কোনো কাজেই মানবতার জন্য করছি না। আমাদের একমাত্র ও মূল পরিচয় আমরা আল্লাহর বান্দা। তাই তার সন্তুষ্টি ও বিধান পালনই আমাদের জীবনের একমাত্র লক্ষ্য।
‘সবকিছু ভুলে আমরা মানুষ’, ‘ধর্মবর্ণ সব ভেদাভেদ ভুলে এখন মানবতার স্বার্থে এগিয়ে আসি’ এমন চটকদার স্লোগান দিয়ে ঈমান চোরেরা আমাদের ঈমান খেয়ে নেয়ার কাজে লেগে আছে। উত্তাল সময়গুলোতেই এরা খুন সুক্ষতার সাথে তাদের মতবদা প্রচার করে থাকে। সতর্ক হবো ইনশাআল্লাহ।
মানবতাবাদ আর ইসলাম দুই মেরুর বিষয়। ঈমান চোরদের স্লোগান আমরা দিবো না। আমরা আমাদের স্লোগান দিবো। আমরা আল্লাহর জন্য এগিয়ে আসছি, ইসলামের আদেশ পালনে এগিয়ে আসছি ইত্যাদি।
সুক্ষ বিষয় সকলেই খেয়াল রাখি।
‘সবকিছু ভুলে আমরা মানুষ’, ‘ধর্মবর্ণ সব ভেদাভেদ ভুলে এখন মানবতার স্বার্থে এগিয়ে আসি’ এমন চটকদার স্লোগান দিয়ে ঈমান চোরেরা আমাদের ঈমান খেয়ে নেয়ার কাজে লেগে আছে। উত্তাল সময়গুলোতেই এরা খুন সুক্ষতার সাথে তাদের মতবদা প্রচার করে থাকে। সতর্ক হবো ইনশাআল্লাহ।
মানবতাবাদ আর ইসলাম দুই মেরুর বিষয়। ঈমান চোরদের স্লোগান আমরা দিবো না। আমরা আমাদের স্লোগান দিবো। আমরা আল্লাহর জন্য এগিয়ে আসছি, ইসলামের আদেশ পালনে এগিয়ে আসছি ইত্যাদি।
সুক্ষ বিষয় সকলেই খেয়াল রাখি।
❤36👍4
আমাদের মুসলিম পর্দানশীন বোনদের কাছে তাদের পর্দা জীবন রক্ষা থেকেও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। নোয়াখালী, ফেনী ও কুমিল্লা হলো আলেম-উলামা ও পর্দানশীল মা-বোনদের ভুমি। বন্যায় অনেক মা-বোনরা এক কাপড়ে বের হয়ে এসেছেন, যারা কখনোই হয়তো নিজের চোখকে কোনো পরপুরুষকে দেখাননি। আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে এমন মা-বোনরা খুবই বিপর্যস্ত অবস্থায় আছেন বলে খবর পেয়েছি। তাই দ্রুত Madrasatus Sunnah Noakhali -এর জিম্মাদারদের সাথে কথা বলে আমরা অন্যান্য ত্রানের সাথে বোরকা, হাতমোজা ও পা-মোজা সংগ্রহের ব্যবস্থা করি।
আমাদের একশোর মত আপাতত বোরকা লাগবে। এক ব্যবসায়ী ভাই ২০টির মত বোরকার ব্যবস্থা করেছেন। আরো ৮০টি লাগবে। হাত মোজা ও পা-মোজা আপাতত একশো পিস করে ব্যবস্থা হয়েছে। মুসলিম ভাইদের কাছে আহবান,আমাদের পর্দানশীন বোনদের এই ফরজ ও গাইরাতটুকু রক্ষার জন্য এগিয়ে আসেন।
বি.দ্র.
১। এভারেজ প্রতিটি বোরকার দাম ৭০০\৮০০ টাকা।
২। পাঠানোর সময় অবশ্যই রেফারেন্সে বোরকা লেখে দিবেন।
৩। আম দানের নিয়তের সাথে দিবেন, যাতে পর্যাপ্ত হয়ে গেলে অন্যান্য খাতেও ব্যয় করা যায়।
হাদিয়া পাঠানোর ব্যবস্থা:
+880 1820-138016 (বিকাশ ও নগদ)
+880 1624-319653 (বিকাশ)
আমাদের একশোর মত আপাতত বোরকা লাগবে। এক ব্যবসায়ী ভাই ২০টির মত বোরকার ব্যবস্থা করেছেন। আরো ৮০টি লাগবে। হাত মোজা ও পা-মোজা আপাতত একশো পিস করে ব্যবস্থা হয়েছে। মুসলিম ভাইদের কাছে আহবান,আমাদের পর্দানশীন বোনদের এই ফরজ ও গাইরাতটুকু রক্ষার জন্য এগিয়ে আসেন।
বি.দ্র.
১। এভারেজ প্রতিটি বোরকার দাম ৭০০\৮০০ টাকা।
২। পাঠানোর সময় অবশ্যই রেফারেন্সে বোরকা লেখে দিবেন।
৩। আম দানের নিয়তের সাথে দিবেন, যাতে পর্যাপ্ত হয়ে গেলে অন্যান্য খাতেও ব্যয় করা যায়।
হাদিয়া পাঠানোর ব্যবস্থা:
+880 1820-138016 (বিকাশ ও নগদ)
+880 1624-319653 (বিকাশ)
❤43🔥5
আমাদের প্রিয় মাদরাসা, মাদরাসাতুস সুন্নাহ নোয়াখালী কর্তৃক আগামীকাল থেকে ত্রাণসামগ্রীতে প্রতি প্যাকেটে যা থাকছে —
চাউল ৫ কেজি,
আটা ৩ কেজি
মশুর ডাল ১ কেজি
সরিষার তেল ১ লিটার
পেয়াজ ১ কেজি
আলু ২ কেজি
লবন ১ কেজি
প্রতি প্যাকেটে খরচ হচ্ছে ১১০০ টাকা।
এভাবে প্রায় ৫ হাজার পরিবার এর কাছে আমাদের ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেয়ার ইচ্ছে আছে, ইনশাআল্লাহ।
পাশাপাশি আগামীকাল নতুন এলাকা যুক্ত হচ্ছে, সেখানে শুকনো খাবারের তাকাজা হচ্ছে ৩০০০ হাজার পরিবারে।
যার মধ্যে থাকবে—
চিড়া, চিনি,বিস্কুট, পানি, ঔষধ ও সেলাইন ইত্যাদি!!
এই পর্যন্ত আমাদের পক্ষ থেকে খাবার পেয়েছে মোট ৭ হাজার পরিবার!!
কেউ যদি আর্থিকভাবে সহযোগিতা করতে চান, তাহলে নিম্নোক্ত নাম্বারে টাকা পাঠাতে পারেন —
সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম
01865-125300 (বিকাশ, নগদ, রকেট)
01729-714125 (বিকাশ)
01954-248187 (নগদ)
(সবগুলো নাম্বার পার্সোনাল)
চাউল ৫ কেজি,
আটা ৩ কেজি
মশুর ডাল ১ কেজি
সরিষার তেল ১ লিটার
পেয়াজ ১ কেজি
আলু ২ কেজি
লবন ১ কেজি
প্রতি প্যাকেটে খরচ হচ্ছে ১১০০ টাকা।
এভাবে প্রায় ৫ হাজার পরিবার এর কাছে আমাদের ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেয়ার ইচ্ছে আছে, ইনশাআল্লাহ।
পাশাপাশি আগামীকাল নতুন এলাকা যুক্ত হচ্ছে, সেখানে শুকনো খাবারের তাকাজা হচ্ছে ৩০০০ হাজার পরিবারে।
যার মধ্যে থাকবে—
চিড়া, চিনি,বিস্কুট, পানি, ঔষধ ও সেলাইন ইত্যাদি!!
এই পর্যন্ত আমাদের পক্ষ থেকে খাবার পেয়েছে মোট ৭ হাজার পরিবার!!
কেউ যদি আর্থিকভাবে সহযোগিতা করতে চান, তাহলে নিম্নোক্ত নাম্বারে টাকা পাঠাতে পারেন —
সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম
01865-125300 (বিকাশ, নগদ, রকেট)
01729-714125 (বিকাশ)
01954-248187 (নগদ)
(সবগুলো নাম্বার পার্সোনাল)
❤23👍3👎1
নোয়াখালীর নির্ভরযোগ্য দ্বীনি প্রতিষ্ঠান মাদরাসাতুস সুন্নাহ বন্যা কবলিত ভাইদের জন্য প্রায় দেড় কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছে। যেখানে পুনর্বাসনসহ বেশ কিছু কাজ রয়েছে।
বিস্তারিত এই পোষ্টে দেখুন।
https://www.facebook.com/share/v/yTs2UMsNq7suMRnY/?mibextid=oFDknk
বিস্তারিত এই পোষ্টে দেখুন।
https://www.facebook.com/share/v/yTs2UMsNq7suMRnY/?mibextid=oFDknk
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
🔥11❤5👍1
রাত ৪.৩৬। ইন্ডিয়ার চাপিয়ে দেয়া পানি সন্ত্রাসের শিকার বন্যায় আক্রান্তদের আগামীকালের বন্যাহাদিয়া তৈরি করছে মাদরাসাতুস সুন্নাহের একদল ছাত্র।
একদল অল্প কিছু ঘুমিয়ে নিচ্ছে, আরেকদল নির্ঘুম রাত্রি কাটিয়েছে।
আল্লাহ প্রত্যেককে দীনের জন্য কবুল করে নিক।
যারা সেচ্ছাশ্রম দিবেন দ্রুত যোগাযোগ করবেন।
আর যারা আক্রান্ত মানুষের জন্য হাদিয়া দিতে চান:
01865-125300 (বিকাশ, নগদ, রকেট)
01729-714125 (বিকাশ)
01954-248187 (নগদ)
উপরের বিকাশ নাম্বারগুলোতে লিমিট শেষ হয়ে গেছে। আমরা যারা বিকাশে টাকা পাঠাবো, নীচের নাম্বারে পাঠাতে পারি
01919663862 (বিকাশ, নগদ)
একদল অল্প কিছু ঘুমিয়ে নিচ্ছে, আরেকদল নির্ঘুম রাত্রি কাটিয়েছে।
আল্লাহ প্রত্যেককে দীনের জন্য কবুল করে নিক।
যারা সেচ্ছাশ্রম দিবেন দ্রুত যোগাযোগ করবেন।
আর যারা আক্রান্ত মানুষের জন্য হাদিয়া দিতে চান:
01865-125300 (বিকাশ, নগদ, রকেট)
01729-714125 (বিকাশ)
01954-248187 (নগদ)
উপরের বিকাশ নাম্বারগুলোতে লিমিট শেষ হয়ে গেছে। আমরা যারা বিকাশে টাকা পাঠাবো, নীচের নাম্বারে পাঠাতে পারি
01919663862 (বিকাশ, নগদ)
❤26👍3🤝1
মাওলানা ইসহাক উবাইদি রহিমাহুল্লাহ। তার সারাজীবনের একক শ্রম দিয়ে গড়ে তুলেছেন নোয়াখালীর প্রত্যন্ত গ্রামে একটি মাদরাসা। আজ এখানে শত মানুষের আশ্রয়স্থল। যাদের বাড়িঘর ঢুবে গিয়েছে এমন প্রায় তিনশত দিক মানুষ আশ্রয়ে আছেন। এখানের আশপাশের প্রায় অনেক বাড়ি এখন পানির নীচে, পানি অর্ধেক, বিভিন্ন।
এখান থেকেই আশপাশে এখন হাদিয়া নিয়ে যাওয়া হবে মানুষের জন্য।
সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম:
01865-125300 (বিকাশ, নগদ, রকেট)
01729-714125 (বিকাশ)
01954-248187 (নগদ)
(সবগুলো নাম্বার পার্সোনাল)
এখান থেকেই আশপাশে এখন হাদিয়া নিয়ে যাওয়া হবে মানুষের জন্য।
সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম:
01865-125300 (বিকাশ, নগদ, রকেট)
01729-714125 (বিকাশ)
01954-248187 (নগদ)
(সবগুলো নাম্বার পার্সোনাল)
❤20👍2