Abdullah bin bashir
11.3K subscribers
430 photos
89 videos
95 files
194 links
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট
Download Telegram
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
বিনএনপির ইলিয়াস আলী—যাকে এই সরকার সর্বপ্রথম গুন করে হত্যা করে—তার কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনুন। ঠিক এভাবেই শেখ হাসিনা দেশটা চালিয়েছে। ভারতের এজেন্ট হিসেবে এদেশকে ভারতের দাসত্বের শিখলে বাঁধার সব চেষ্টা করেছে। আওয়ামী প্রায় প্রতিটি কর্মীই ভারতের গোলামী করেছে। এদেশের প্রধান সমস্যা ভারত ও তার দালালরা। এদের উৎখাত করা ছাড়া এদেশ কখনোই স্বাধীন হবে না। আমাদের মূল শত্রুর উপর ফোকাস অনেক কম! এটা দুঃখজনক।
😢49👍1
হিন্দু ও হিন্দুত্ববাদকে যারা ইচ্ছাকৃত পার্থক্য করেন না, তারা অবশ্যই এদেশের শত্রু। এদেরকে চিহ্নিত করতে হবে।
👍302🔥1
আমাদের কুকুর মিডিয়াগুলো কিন্তু এগুলো নিয়ে ঢালাও প্রচার কররে না। টুইটারে যারা আছেন এগুলোকে বিভিন হ্যাশট্যাগ দিয়ে ইংরেজিতে প্রচার করুন। এটা খুবি প্রয়োজন।
👍407😡4
এই বাস্তবতা অস্বীকারের কোনো সুযোগ নাই যে, স্বৈরাচার খু*নি হাসিনার দীর্ঘ এই ষোলবছরের শাসনে তার সবচেয়ে বড় সহযোগি ছিলো হি*ন্দুরা। আর সেও দেশের যত বড় পদগুলো আছে তার বড় অংশই হি*ন্দুদের বসিয়েছে। বিশেষত পুলিশে। আর এই পদে বসা বেশিরভাগ হি*ন্দু মূলত হাসিনার জন্য না, কাজ করেছে হি*ন্দুত্ববাদি মোদী সরকারের জন্য।
এখন বিভিন্ন আওয়ামী মুসলিমগুলোকে পদ থেকে সরানোর দাবী দেখি ঠিকই উঠছে কিন্তু স্বৈরাচের সবচেয়ে বড় সহযোগী হি*ন্দুগুলোর ব্যাপারে দেখি সবাই চুপ মেরে গেছে! একদমই চুপ।
মনে রাখবেন, সংখ্যালঘুর ভিক্টিমের ভয়ে যদি আপনি এই স্বৈরাচারের সবচেয়ে বড় সহযোগিদের ছেড়ে দেন তাহলে এরাই স্বৈরাচারকে আবার ফিরিয়ে আনবে আর তা না পারলেও এদেশকে কখনোই শান্তিতে থাকতে দিবে না।
আপনি কিছু না করলেও ভারত এই সংখ্যালঘুর কার্ড খেলবেই। আর তা খেলবে হাসিনার সে হি*ন্দু বাহিনী দিয়েই। তাই দেশকে যারা বাঁচাতে চান তারা হি*ন্দু পরিচয় ধারীদের মুখোশ নিয়ে আলোচনা করতে হবে।
হি*ন্দুদেরও উচিত, নিজেদের জানমাল যদি তারা রক্ষা করতে চায় তাহলে এই মুখোশধারিদের ধরিয়ে দিন, তাদের নিয়ে আলাপ তুলুন। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই হাসিনার এই সৈনিকগুলোকে থামানোর কোনো বিকল্প নেই।
37👍1
গত ১৫ বছর হিন্দু সম্প্রদায়ের একটা বড় অংশ সুবিধা নিয়েছে, স্বৈরাচারকে মদদ দিয়েছে, দিল্লিতে গিয়া কান্নাকাটি করেছে। এক কথায় বিপুল ধান্দা করেছে, আর ভিক্টিমহুডের গল্প বলেছে। আচ্ছা হিসাব দেন তো, এই পুরো ডামাডোলে কয়জন হিন্দু মারা গেছেন?

শেখ হাসিনা বিদায় নেয়া আগে শত শত মানুষ খুন করেছে। আগের গুমখুনের হিসাব তো বাদই দিলাম! হিসাব দেন তো হিন্দু সম্প্রদায়ের লিডাররা কেউ প্রতিবাদ করেছে কিনা?
তারা এখন বিশ্বব্যাপী 'নির্যাতনের' প্রতিবাদ করছে করুক। অনেকে ভয় পেয়েছে- অনেক যায়গায় হুমকি দেয়া হয়েছে, হয়তো কেউ কেউ আক্রান্ত হয়েছে- যার ৭০ ভাগ ছিলো শেখ হাসিনার ঘনিস্ট দালাল।

আচ্ছা আরও হিসাব দেন- হিন্দু সম্পত্তি কোন রাজনৈতিক দল সবচেয়ে বেশী দখল করেছে?

হিসাব দেন, সাথিয়া রামু নাসিরনগরে দাঙ্গা বাধিয়েছিল কারা? বিশ্বজিতকে যে ছাত্রলীগের ক্যাডাররা 'শিবির' বলে খুন করেছিলো- হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা প্রতিবাদ করেছিলেন?
কেবল মুসলমান সম্প্রদায়কে বাংলাদেশে সবসময় পরীক্ষা দিয়ে যেতে হবে যে তারা 'জঙ্গি না'? এই পরীক্ষায় আপনারা ফেলে রাখবেন সব সময়?

গোদি মিডিয়ার রসদ সরবরাহ করতে থাকলে তো বিপদ। এ দেশটাকে নিজের ভাবেন কিনা তা নিয়া আমাদের সন্দেহ বাড়ছে। দিল্লীর দালালি থামান! দেশে আর অস্থিরতা বাড়াইয়েন না! অপ্রিয় কথা বলার জন্য স্যরি।

- অধ্যাপক আল মামুন
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
👍50🔥2
বিদেশে থাকা ৫ নেতার নির্দেশে দেশকে অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনা আওয়ামী লীগের
- অস্থিতিশীল করতে হাজার কোটি টাকার পরিকল্পনা
- হাতিয়ার বানাতে চায় সংখ্যালঘুদের
- সংখ্যালঘুদের বাড়ি উপাসনালয়ে হামলার নির্দেশ
- প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব পাওয়া পাঁচ নেতা হলেন:
১.সজীব ওয়াজেদ জয়
২. সালমান এফ রহমান
৩. হাসান মাহমুদ
৪. বাহাউদ্দীন নাসিম
৫. মাহবুবুল আলম হানিফ
গোপনীয়তা রক্ষা করে ছদ্ম পরিচয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপধর্মবিষয়ক সম্পাদক 'আমীর হামজা'র সাথে কথা বলে জানা যায়, সারা দেশে সংখ্যালঘুদের বাড়িঘরে গোপনীয়তা রক্ষা করে হামলার নির্দেশ আছে বিদেশে পলাতক নেতাদের কাছ থেকে। আশ্বাসও আসছে বড় পুরস্কারের।

https://www.dailynayadiganta.com/first-page/854993/-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A7%AB-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%B2-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0?fbclid=IwY2xjawEm7LhleHRuA2FlbQIxMAABHSv0hY_f9i69jnem9CdlRvOY_er4oy-CEmCK2Ey5T7BHZru1hRKmNa-soA_aem_E7VOu2hrw-8YdmOikzs9oA
7👍3
এগুলোই দরকার।
91🔥11💯3
রঙ মেখে শুয়ে থেকে জাতীকে বিভ্রান্ত করার জন্য শেখ লাহাবের বিচার চাই!

(এজীবনে সবচেয়ে কষ্ট দেয়া কোনো বক্তব্য শুনে থাকলে সেটা ছিলো "শাপলায় রক্ত মেখে শুয়ে থাকা"। আল্লাহ ঐ লাহাবী আর তার সহযোগি সমর্থনদাতা প্রত্যেককে নির্মম মৃত্যু দান করুক, যদি না তারা তাওবা করে ফিরে আসে)
😁52👍26💯3
একই ব্যক্তি একই সাথে, কয়েক মাদরাসার মুহতামি, উপদেষ্ঠা, শাইখুল হাদিস ইত্যাদি, তিনিই আবার একটি রাজনৈতিক দলের অন্যতম পদধারী, নিতিনির্ধারক ইত্যাদি, সেই তিনিই আবার হেফাজতের উঁচুপর্যায়ের পদ ও নেতা, সেই তিনিই আবার বেফাকের কেন্দ্রীয় ব্যক্তি, আর এত এত পদ নিয়ে যিনি ও যারা আছেন তিনি ও তারা হলের ষাটোর্ধ একজন মুরব্বি!
.
দেখেন, এই যে এক সিস্টেমটা কতটা সমস্যা জনক এটাই যদি আপনি গভিরভাবে উপলব্ধি করতে না পারেন তাহলে আর কী করার!
.
একজন ব্যক্তি যোগ্য হতে পারে, কিন্তু এতগুলো জাতীয় পর্যায়ের কাজ করার মত কী আসলেই যোগ্য? আর এতে কী আসলেই কোনো লাভ হয়? এতে কী নতুন নেতৃত্ব কাজের লোক বের হয়ে আসে?
.
আমাদের অঙ্গনের অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় একজন হলেন বিবাড়িয়ার মাওলানা সাজিদুল ইসলাম সাহেব। এনি একই সাথে মুহতামি, শাইখুল হাদিস (একাধিক মাদরাসার সম্ভবত), হেফাজতের নেতা আবার বেফাকেরও।
আমি উনার নাম নিচ্ছি উনার প্রতি আমার কোনো ক্ষোভ নেই আলহামদুলিল্লাহ। আমি শুধু উদাহরন ও পরিস্থিতি বুঝানোর জন্য বলছি, আমরা কতটা খারাপ চিন্তাসংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। সাজিদ সাহেব অনেক যোগ্য, প্রাজ্ঞ ও আস্থাশীল মানুষ। এটা নিয়ে সন্দেহ নেই। কিন্তু উনি কী আসলেই এত মহান যোগ্য এই বয়ষ্ক শরীর ও মাথা নিয়ে এতগুলো পদ সামলাচ্ছেন!
.
যদি কিছু পরিবর্তন করতেই চাইন তাহলে এগুলো নিয়ে আলাপ তুলুন, আর না হয় এই সিস্টেমের আশা বাদ দিয়ে ভিন্ন কিছু নিয়ে ফিকির করুন। একই সাথে এই সিস্টাম নিয়ে বড় বড় আশা নিয়ে থাকবেন, কেউ এর বিরোধিতা করলে তাকে উগ্র, বেয়াদব, তুই কী করছোস ইত্যাদি ট্যাগ দিবেন, আবার নিজে হতাশা হলে চৌদ্দগোষ্ঠি উদ্বার করবেন এটা হয় না ভাই। এগুলো অনেক বেশী দ্বিমুখী আলাপ।
46👍4😡1
-ভাই সবাই যখন ঐক্যের চিন্তা করতেছে তখন একদল নিজেদের মধ্যে কাদা ছুড়াছুড়ি করতেছে, এদেরকে চিহ্নিত করা দরকার।
-ঐক্যের নামে তো ঐ তাদেরকেই নেতৃত্ব দেয়া হবে বা দিতে হবে যারা আজকে কাদা ছুড়াছুড়ির জন্য দায়ী। তাহলে এই ঐক্য দিয়ে কী লাভ ভাই। এই ঐক্যের চেয়ে স্পষ্ট দালাল , ছুপা দালাল আর অন্যান্য সমস্যা দূর হওয়া আমার কাছে বেশি প্রয়োজন। যাতে কওমীর রক্ত নিয়ে আর খেলতামাশা ও অনেকের কেরিয়ার না দাঁড়ায়।
এখন বলেন কাদেরকে চিহ্নিত করা বেশি প্রয়োজন?
32👍3
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
একটা জামাতের প্রধান যদি এমন মূর্খসূলভ বক্তব্য দেয় এটা খুবই দুঃখজনক!

উনার আশপাশে যারা আছেন তারা একটু বুঝান, হযরত গণুভ্যাত্থান আর ইনকিলাব এক জিনিষ না!

আফসোস এমন মূর্খ সূলভ বক্তব্য এত বড় জামাতের একজন মানুষ থেকে আসতেছে!

উনার কাছে প্রশ্ন! এই গনভ্যাত্থানের দ্বারা ইসলামের কয়টা শিয়ার এদেশে বাস্তবায়ন হয়েছে বা আগামী দশ বছরে হবে?
👍34👎1😁1
চিশতিয়া সিলসিলা ও জি*হা*দ
.
ভারত উপমহাদেশে চিশতিয়া সিলসিলার শুরু হয় খাজা আবু মুহাম্মদ চিশতি রহিমাহুল্লাহের (মৃত্যু: ৪০৫ অথবা ৪১১ হি.) হাত ধরে। সুলতান মাহমুদ গজনবী রহিমাহুল্লাহ যখন ভারত বিজয়ের জন্য রওনা দেন তখন খাজা আবু মুহাম্মদ তার বক্তবৃন্দ নিয়ে জি*হা*দে শরীক হন। তখন তার বয়স ছিলো সত্তর বছর। এবং সুলতানের বিজয় অভিযানের সফলতার পিছনে খাজা সাহেবের দোয়া ও উপস্থিতি অনেক কার্যকর ভূমিকা রেখেছিলো।
এরপর এই সিলসিলা যার মাধ্যমে সবচেয়ে বিস্তৃত হয় তিনি হলেন খাজা মুইনুদ্দিন চিশতি রহিমাহুল্লাহ। উনিও জীবনের একটি অংশ জি*হা*দের ভুমিতে কাটান। সুলতান মুহাম্মদ ঘোরী যখন পৃথ্বীরাজের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন সেই সেনাবাহিনীতে খাজা মুইনুদ্দিন চিশতী রহিমাহুল্লাহ সশরীরে উপস্থিত ছিলেন। এবং বিজয় অর্জনে এই এই মহান সুফির এক বিশাল ভূমিকা ছিলো।
.
এভাবেই জি*হা*দ ও তাসাউফের মাধ্যমেই এই ভূখণ্ডে সুফিরা নিজেদের অস্তিত্বকে দৃঢ় করেন এবং মানুষকে কু]ফ]রের অন্ধকার থেকে মুক্ত করে ঈমানের সম্পদ দিয়ে ধন্য করেন। আর সিলসিলার এই সমন্বিত খেদমত এখনো চলমান রয়েছেন। বর্তমান ইমারতে ইসলামিয়ার বহু মন্ত্রী এই চিশতিয়া সিলসিলার ইজাজতপ্রাপ্ত বুজুর্গ। শিক্ষামন্ত্রী আব্দুল বাকী হ ক্কা নী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিরাজুদ্দিন হ ক কা নী প্রমুখ।
.
আবুল হাসান আলী নদবি রহিমাহুল্লাহ দুজন ঐতিহাসিকের উদ্ধৃতিতে খুব চমৎকারই বলেছেন, "এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই যে, চিশতিয়া সিলসিলার মহান বুজুর্গ ও মনীষীদের ভারতীয় উপমহাদেশের উপর চিরন্তর দাবী ও অধিকার রয়েছে। এবং উনাদের পদধূলির বরকতেই ভারতবর্ষের বুকে ইসলামের প্রচার ও প্রসার ঘটেছে এবং কু]ফ]রির অন্ধকার দূরীভূত হয়েছে।"
.
সূত্র: সংগ্রামী সাধকদের ইতিহাস ৩/৩৪-৩৯
👍297🔥1
tareekhe-mashaikhe-chist-khaleeq-nizami.pdf
9.2 MB
মাশায়েখে চিশত ও তাদের সংগ্রামী জীবন সম্পর্কে যারা জানতে চান তাদের জন্য এই বইটি জরুরি।

যারা এদেশে ইসলামি বিপ্লব চান, তাদের জন্য এই বই জরুরি।

যারা এদেশের মানুষকে পূনরায় ইসলামের অধিনে আনতে চান তাদের জন্য এই অঞ্চলের পূর্বসূরীদের ইতিহাস জানা জরুরি।
12👍3
চরমোনাই জামাতগতভাবেই মূর্খ, দুঃখজনক হলেও এটাই বাস্তব। ইনি নাকি একমাদরাসার ইফতার প্রধান! অথচ যুক্তির লেভেল দেখেন! আল্লাহ এদেরকে বুঝ দিক!
😁52😢123👍3💔1
স*শ*স্ত্র জি]হা]দ ছাড়া দ্বীনের বিজয় সম্ভব নয়
.
শাহ ওলিউল্লাহ মুহাদ্দেসে দেহলবি রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ১১৭৬ হি.) বলেন,

اعلم أن النبي صلى الله عليه وسلم بعث بالخلافة العامة، ‌وغلبة ‌دينه على سائر الأديان لا يتحقق إلا بالجهاد وإعداد آلاته، فإذا تركوا الجهاد، واتبعوا أذناب البقر أحاط بهم الذل؛ وغلب عليهم أهل سائر الأديان. (حجة الله البالغة 2/267، باب الجهاد)
"
আল্লাহ তাআলা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ‘খিলাফতে আম্মাহ’ (ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠা করা) দিয়ে প্রেরণ করেছেন। (এবং পুরো দুনিয়ার সকল জীবনব্যবস্থার উপর খে]লা]ফত]কে প্রতিষ্ঠা করা) আল্লাহর দীনকে সকল দীনের উপর বিজয় করা শুধু মাত্র জি]হা]দ ও জি]হা]দের হাতিয়ার প্রস্তুত করার মাধ্যমেই বাস্তবায়িত হবে। আর যখন তোমরা জি]হা]দ ছেড়ে দিবে তখন লাঞ্চনা তোমাদের ঘিরে ফেলবে এবং সকল ধর্ম তোমাদের উপর বিজয়ী হয়ে যাবে।" -হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগা ২/২৬৭


মুফতি সাইদ আহমদ পালনপুরি রহিমাহুল্লাহ এই কথার ব্যাখ্যা লেখেন,
“রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আল্লাহ দুনিয়াতে ইসলামি খি]লা]ফত ও শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য পাঠিয়েছেন। আর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াস্লাম কর্তৃক এই দীনের বিজয় শুধুই জি]হা]দের দ্বারাই বাস্তবায়িত হবে। আর জি]হা]দ আসবাব ও উপকরনের উপর নির্ভরশীল, আর ঘোড়া হলো জি]হা]দের অন্যতম একটি বাহন, তাই তা প্রস্তুত করার ব্যাপারে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উৎসাহিত করেছেন।’’ -রহমাতুল্লাহিল ওয়াসিয়াহ ৫/৩৯৪
45👍11
আল্লাহর যমীনে আল্লাহর দীন বাস্তবায়নের দাবী, এতে আমি একা হলেও আমি একাই হক ও সত্যের উপর আছি। এবং আমার এই দাবীর বাস্তবায়নের মাধ্যমেই একমাত্র পৃথিবীতে শান্তি ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা হবে।
85👍6❤‍🔥4😁1💯1
ইমারতে আফগানের বৈশ্বিক উন্নতির হাজারো খবর থেকে এমন খবরের দাম আমার কাছে লাখোগুন বেশী। বলতে পারেন এমন খবরগুলোর আশায় থাকি সারাদিন। বাকি আপনারা যা ভালো মনে করেন।

বৈশ্বিক উন্নতি কেন আমাকে এত আগ্রহী করে না, এর কারন উন্নতি ও নিরাপত্তা ইসলামি শাসনের একটি আবশ্যকীয় অংশ। যেখানেই ইসলাম প্রতিষ্ঠা হবে সেখানে বৈষম্যহীণতা, নিরাপত্তা আর উন্নতি হয়েই যাবে। না হওয়ার নূন্যতম কোনো সুযোগ নেই।

গণতন্ত্রের একটা বড় কুফরি হলো এখানে জনগণের চাহিদানুযায়ী দেশ চালাতে হবে, তাদের কোনো স্বাধীনতায় হস্তেক্ষেপ করা যাবে না! অথচ ইসলামি খিলাফতে একজন শাসকের জন্য আবশ্যকই হলো তাদেরকে ধর্মীয় বিষয়ে গড়ে তোলা। এবং এরজন্য যতধরনের আইন করা লাগে, কঠোরতা করা লাগে তা সে করবে এবং করতে বাধ্য।
72👍4🔥2
আপনি যতই লি*বা*রেল সুশীলগিরী দেখান, যতদিন পর্যন্ত এই অঞ্চলের সাপের মাথা ভারতকে চিরশত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে সে হিসেবে পদক্ষেপ না নিতে পারবেন,ততদিন এই অঞ্চলে কখনোই শান্তি আসবে না। এমনকি স্বতন্ত্র ইসলামি ইমারাহ হলেও না। এই পুরো অঞ্চলের সবচেয়ে বড় ভিলেন ভারত।
.
আজ এত বছর পর ত্রিপুরা বাধ খুলে দিয়ে তারা এদেশের মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে ভারত। এগুলো মানুষকে বুঝাতে হবে, এদেশের মূল শত্রু চিহ্নিত হতে হবে।
👍404
নোয়াখালীসহ আরো অনেক জেলাই ভালো নেই। প্রত্যেকে যার যার জায়গা থেকে এগিয়ে আসি।
.
ত্রান দেয়ার ক্ষেত্রে আমার একটা অভিজ্ঞতা হলো আমরা প্রচুর অপরিকল্পিভাবে ত্রান দেই। ঢাকা থেকে গিয়ে কোনোমতে দিয়ে আসি। তাই স্থানীয় আলেমদের উচিত গোছানো পরিকল্পনা নেয়া, যাতে সবাই সেখানে এসে পরিকল্পিত ত্রান দিতে পারে। নোয়াখালির নির্ভরযোগ্য আলেম মাওলানা ইসলামাইল সাহেব অন্যান্য সময়ের মত এবারও এগিয়ে এসেছেন। Madrasatus Sunnah Noakhali চৌমুহনী থেকে উনি পুরো নোয়াখালীতে ত্রানের কাজ করবেন। যারা আর্থিকভাবে সাহায্য করতে চান তার নির্দ্বিধায় এখানে সাহায্য করতে পারেন। যারা ত্রান নিয়ে যাবেন তারা সুন্নাহতে অবস্থান করে ত্রান দিবেন। আর যারা কাজে সহযোগিতা করতে চান তারা দ্রুত সুন্নাহতে চলে যাই।
.
কুমিল্লাহ, ফেনি ও বিবাড়িয়াতে আলেমগণ এভাবে একটি পরিকল্পিত হয়ে এগিয়ে আসুন দ্রুত। আমরা মুসলমানরা নিজেরা না খেয়ে হলেও বিপদে পড়া ভাইদের সাহায্য করবো ইনশাআল্লাহ।
.
যদি আপনাদের পক্ষে সম্ভব হয় পোষ্ট অথবা শুধু ছবিটি শেয়ার করবেন। আপনার একটা শেয়ারে যদি একশো টাকাও আসে তাহলেও একটি মানুষের উপকার হয়ে যাবে। যা এই মুহুর্তে খুবই দরকার।
23
As sunnah Foundation বা কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনি ও ক্ষতিগ্রস্থা জায়গার স্থানীয় আলেম ও দীনি ভাইদের প্রতিষ্ঠান ছাড়া আমরা কোনো ইউটিউবার, চ্যারিটি ফাণ্ডে একটি টাকাও ত্রানের জন্য দিবো না।
.
স্থানীয় আলেম ও দ্বীনদার ভাইরা এগিয়ে আসুন।
44👍9