Abdullah bin bashir
11.3K subscribers
430 photos
89 videos
95 files
194 links
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট
Download Telegram
রাজনৈতিক আলেম, দরসি আলেম ও মুহতামিম
.
কিছু বাস্তব ভিত্তিক সিন্ধান্ত নেয়া আর বেয়াদবি এক না। আমি আমার নিজের জীবনের জন্য কিছু সিন্ধান্ত নিতে চাই, হয়তো সেটা ভুল প্রমাণিত হবে। হয়তো বা একা হলেও জীবনের কোনো সময় হয়তো আমি সঠিক প্রমাণিত হবো। এখানে যে সিন্ধান্ত আমি নিজের জন্য নিচ্ছি এটা আমার অল্প কিছু পড়াশোনা, ইতিহাসের কিছু পাতার শিক্ষা ও নিজের জীবনের দেখা অভিজ্ঞতা থেকে নিবো।
১. কওমী মাদরাসায় দরসের সাথে পূর্ণ যুক্ত এমন কোনো ব্যক্তি যদি জাতীয় পর্যায়ের পাওয়ারের কোনো রাজনৈতিক দলের আমীর হয় তাহলে আমি সে আলেমকে ও ঐ রাজনৈতিক দলকে সম্পূর্ণ একটি কাঙ্গাল ও ব্যর্থ দল মনে করবো। এবং এই দলের কোনো ডাকে কখনোই সারা দিবো না। চাই তাদের ডাক যতই যৌক্তিক হোক না কেন।
কেন? এর অনেক কারনই আছে, এখন আ বিস্তারিত লেখার সময় নেই। সময়ে সময়ে লেখবো। একটা প্রশ্ন শুধু করি, আজ পর্যন্ত এই প্রচলিত দরসে যুক্ত থেকেছে এমন কয়জন সফল রাজনীতি আছে এই দুনিয়ায়, যিনি পরবর্তীতে ক্ষমতায় বড়ধরনের কোনো কিছু করতে পেরেছেন? মাদানী রহ.-এর নাম নিবেন? এছাড়া আর কে? আর উনি কী ক্ষমতার বিচারে আসলেই সফল? আসলেই যে মাকসাদ আমাদের ক্ষমতার সেখানে কী উনি উল্লেখযোগ্য কিছু করতে পেরেছে? যদি আপনার সবগুলো প্রশ্নের উত্তর ইতিবাচক হয় তাহলে আমি বলবো আর কে আছে এমন? আমাদের দেশের কেউ কী মাদানীর মত
আপনি ইসলামের ক্ষমতার জন্য লড়াইয়ের মহান কাজ করবেন আবার দরসের মসনদও ছাড়বেন না, এরমানি আপনি আসলে কিছুই ছাড়তে চান না, বা আসলে আপনি রাজনীতিকে তেমন গুরুত্বই দেন না। মনে করেন করা দরকার তাই করা, আসল কাজ তো দরস। 'আসল কাজ দরস' এই চিন্তার কারনেই আপনি রাজনীতিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ।
২. হেফাজত বা কোনো রাজনৈতিক দলে কোনো আমীর বা নায়েবে আমীর যদি কোনো মুহতামিম থাকে তাহলে আমি এই দলের ব্যর্থতার ব্যাপারে মোটামুটি নিশ্চিত। এবং উনাদের ডাকে কখনোই কোনো কুরবানিতে শরীক হবো না। কারণ আপনি একটি প্রতিষ্ঠানের মুহতামিম হলে সাধারণ ভাবেই আপনি বৃহত্তম স্বার্থে উম্মাহের জন্য কোনো সিন্ধান্ত নিতে পারবেন না। এটা পরিক্ষিত বিষয়।
এইদুটি বিষয় পড়ে স্বাভাবিক প্রশ্ন আসবে তাহলে তো আপনি ক্বওমীর সব রাজনীতি ও কার্যক্রম থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন। একঅর্থে 'জি' সরিয়ে নিলাম। এর অন্যতম কারন ক্ষমতার জন্য আমাদের কওমী যে পদ্ধতি অবলম্বন করছে হাজার বছরেও এর ফলাফল হবে শুন্য। তাই এই মুসলিমবঙ্গকে সামনের তুফান থেকে রক্ষা করতে হলে এখন থেকেই ভিন্ন পথে কিছু ভাবতে হবে, ফিকহ ,ইতিহাস ও বিশ্বের বাস্তবতার আলোকে ভাবতে হবে। বা যারা ভেবে রেখেছেন তাদের পথে আসতে হবে। তাই আমি এভাবেই এখন থেকে আমার ছাত্রদের গড়বো। এবং আশপাশের মানুষকে এভাবেই চিন্তা করতে, ভাবতে উৎসাহিত করবো। যদি চিন্তা সঠিক হয়, উম্মাহের কল্যাণে হয় তাহলে অবশ্যই এটা উম্মাহ গ্রহণ করবে। আর যদি অকাল্যাণ থাকে তাহলে আমার সাথে তাও দাফন হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
অনেক কথাই গুছিয়ে বলতে পারিনি। আমার উপস্থাপনের দূর্বলতার কারনে। তবে যা বলেছি অনেক ভেবেই ও বিভিন্ন বিষয় ও সফল ব্যক্তিদের লক্ষ্য করেই বলছি। মোল্লা ওমর যদি দরস থেকে উঠে আবার দরসেই ফিরে যেতো। এই ক্ষমতার কাজকে মহান মনে না করতো তাহলে....!
👍34102
এটা নিয়ে এখন সবাই কথা বলা উচিত। ইস্কনের লোক আমাদের ভাইদের ধরে ধরে হত্যা করছে! এরা একেকজন এদেশের ইসলামের জন্য স্বর্ণ স্বরূপ।
🤬58👍7😢5
ফ্যাসিবাদ স্বৈরাচার আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে আমাদের কওমী মাদরাসা কী কোরবানি করেছে বলে এখন তোমরা জিজ্ঞাসা করো! দেখো একটি সামান্য নমুনা।

https://www.youtube.com/watch?v=M5_uVJClSZw&rco=1
😭4👍2
রিপ কালচার ও কিছু কথা:
বর্তমানে আমাদের সমাজে বড় ভয়ংকর বিকৃত সংস্কৃতি চালু হয়েছে, যেটাকে বলা হয় ‘রিপ কালচার’। বিভিন্ন অমুসলিম সেলেব্রেটি মারা গেলে তার মৃত্যুতে শোক জানানো হয় এবং তার জন্য ক্ষমা পার্থনা ও মৃত জীবনে সে যেন ভালো থাকে সে দোয়া করা হয়! এতে বেশ প্রচলিত একটি বাক্য হলো RIP (Rest in peac) অর্থাৎ অপারে ভালো থেকো! মুসলিম সন্তানরা এমন ব্যক্তির সম্পর্কে অপারে ভালো থাকার দোয়া করছে যে সারাজীবন মানুষের নৈতিকতা ধ্বংসের কাজ করে গেছে! এমন মানুষের অপারে ভালোর দোয়া করছে যে জীবনভর আখেরাতে অবিশ্বাস করে গেছে এবং মানুষকে সে অবিশ্বাসের দিকে আহবান করে গেছে! এর থেকে বড় আফসোসের বিষয় আর কী হতে পারে! এটা বড়ই দুঃখজন। আমাদের সন্তানদের এথেকে আমাদের বিরত রাখা, ইসলামের সঠিক জ্ঞান দেওয়া একান্ত প্রয়োজন। এমাসআলা সংক্রান্ত একটি আয়াত লেখক উপরে পেশ করেছেন। এখানে আমরা এসংক্রান্ত আরো একটি প্রসিদ্ধ আয়াত ও কয়েকজন ইমামের বক্তব্য দেখবো।
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন,
ﵟوَلَا تُصَلِّ عَلَىٰٓ أَحَدٖ مِّنۡهُم مَّاتَ أَبَدٗا وَلَا تَقُمۡ عَلَىٰ قَبۡرِهِۦٓۖ إِنَّهُمۡ كَفَرُواْ بِٱللَّهِ وَرَسُولِهِۦ وَمَاتُواْ وَهُمۡ فَٰسِقُونَﵞ
আর ওদের মধ্যে কারো মৃত্যু হলে আপনি কক্ষনো ওর (জানাযার) নামায পড়বেন না এবং ওর কবরের সামনে দাঁড়াবেনও না। ওরা তো আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে অস্বীকার করেছে এবং নাফরমান অবস্থায়ই মারা গেছে। -সূরা তাওবা : ৮৪
এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বিশিষ্ট হাম্বলি ফকিহ আল্লামা বাহুতি রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ১০৫১ হি.) বলেন,
«وَلَا تَقُمْ عَلَى قَبْرِهِ} أن المراد عند أكثر المفسرين: القيام للدعاء والاستغفار». (كشاف القناع ، كتاب الجنائز، شروط صلاة الجنازة)
কুরআনের বানী “আপনি তার কবরের সামনে দাঁড়াবেন না” অধিকাংশ মুফাসসিরদের নিকট এই আয়াতের উদ্দেশ্য হলো কাফেরদের জন্য দোয়া ও ক্ষমা পার্থনা করার জন্য দাঁড়াবেন না। -কাশশাফুল কিনা ৪/২৪২
সূরা তাওবার ১১৩ নং আয়াতের (যে আয়াতটি মূল লেখক উল্লেখ করেছেন) ব্যাখ্যায় ইমাম কুরতুবী আলমালেকী রহিমাহুল্লাহ বলেন,
«هذه الآية تضمنت قطع موالاة الكفار حيهم وميتهم فإن الله لم يجعل للمؤمنين أن يستغفروا للمشركين فطلب الغفران للمشرك مما لا يجوز». (تفسير القرطبي 7/273 ، تحت سورة التوبة : آية 113، دار الكتب المصرية)
এই আয়াতের মর্মার্থই হলো কাফেরদের সাথে মৃত বা জীবিত সর্বাবস্থায় বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে। সূতরাং কোনো মুশরিকের জন্য ক্ষমা পার্থনা করা নাজায়েয। -তাফসিরে কুরতুবি ৮/২৭৩
হানাফি মাজহাবের বিখ্যাত ইমাম সারাখসি রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ৪৮৩ হি.) এই মৃত্য কাফেরের দোয়ার বিষয়ে লেখেন,
«وإذا اختلط موتى المسلمين بموتى الكفار فإن كانت الغلبة للمسلمين غسلوا وصلي عليهم إلا من عرف أنه كافر لأن الحكم للغلبة والمغلوب لا يظهر حكمه مع الغالب وإن كانت الغلبة لموتى الكفار لا يصلى عليهم إلا من عرف أنه مسلم بالسيما فإذا استويا لم يصل عليهم ‌عندنا ‌لأن ‌الصلاة ‌على ‌الكفار ‌منهي ‌عنها، عندنا لأن الصلاة على الكفار منهي عنها» . (المبسوط 2/54، كتاب الصلاة، باب الشهيد، دار الكتب العلمية)
… আমাদের নিকট কাফেরের জন্য ক্ষমা পার্থনা করা নিষেধ। -আলমাবসুত ২/৫৪
একটি সংশয় ও তার জবাব :
যখন কোনো স্পষ্ট কাফের বা দ্বীন বিদ্বেষী মৃত্যুবরণ করে আর কিছু মানুষ ‘ওপারে ভালো থাকবেন’ এমন আবেগঘন বক্তব্য দিতে থাকে, তখন আলেম-ওলামা ও দ্বীনদার শ্রেণী ‘এমন কাজ করা ইসলামে নাজায়েজ, কাফেরের প্রতি এভাবে ভালোবাসা প্রকাশ ইমানের জন্য খতরা’ বলে সতর্ক করে, তখন একদল সেকুলার রাম-বাম আর ঈমানহীন বুদ্ধিজীবি অথবা অজ্ঞ মুসলিমদের খুবই আবেগ তাড়িত সুরে বলতে দেখা যায়, ‘সে কাফের হলেও একজন মানুষ তো! একজন মানুষের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা কেন সমস্যা! কেন একজন মৃত ব্যক্তির ব্যাপারে এভাবে বলা হবে, সে জাহান্নামি! ধর্ম কী এভাবে অমানবিকতা শিক্ষা দেয়!’
👍4
সেকুলার আর লিবারেল নফসের পূজারি বুদ্ধিজীবিদের এই বক্তব্যে অনেক মুসলমানই বিভ্রান্ত হয়! তারাও তাদের সাথে সূর মিলায়। অথচ একটু ভালো করে লক্ষ্য করলেই দেখা যায় ‘মানবতা’ বলে চিৎকার দিয়ে ভালোবাসার যে মাপকাঠি ঠিক করে ইসলামের স্পষ্ট বিধানকে পিছনে টেলে দিচ্ছে, মানবতা নামক এই মাপকাঠি শুধুই ধোকা ছাড়া আর কিছুই নয়। সময়ে সময়ে এই সেকু-লিবারেলদের এই মানবতা নামক মিথ্যা মাপকাঠির চেহারা থেকে পর্দা খোসে পড়ে। একটি ছোট্ট উদারহণ দেখা যাক। কিছু দিন পূর্বে (১৪ আগষ্ট ২০২৩ ইং) বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি আল্লামা সাইদী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। তখন এদেশের শাহবাগি, জাতীয়তাবাদী, লিবারেল ও সেকুলার লোকেরা আনন্দে উল্লাসে ফেটে পড়ে! শুধুই কী উল্লাস! বরং তার মৃত্যুতে কেউ শোক প্রকাশ করলে তার সাথে ঘৃণ্য আচরণ করতেও এরা দ্বিধাবোধ করেনি। আল্লামা সাইদির মৃত্যুতে (এমন আরো অসংখ্য ঘটনায়) তারা কিন্তু মানবিকতার বয়ান নিয়ে হাজির হচ্ছে না। সাইদিকে একজন মানুষ হিসেবে তারা কল্পনা করতে পারছে না! তারা মানুষের প্রতি ভালোবাসা আর ঘৃণার কিন্তু আরেকটি মূল্যবোধ ও মাপকাঠি নিয়ে আসছে, তা হলো একাত্তরের রাজাকার! অর্থাৎ একজন মানুষ মানুষ হওয়ার পরেও যখন তাকে রাজাকার বলে ধরে নেওয়া হবে, জীবদ্দশায় তো তাকে ভালোবাসার প্রশ্নই উঠে না, মৃত্যুবরণ করার পরেও তাকে ঘৃণা করতে হবে, তার প্রতি সামান্য ভালোবাসা দেখানো দেশের সাথে গাদ্দারির শামিল বলে ধর্তব্য হবে! তার অপকর্মগুলো মানুষকে স্পষ্ট করতে হবে, যেন মানুষ তাকে ভালোনাবাসে। এমনকি এই বিষয়ে নূন্যতম কোনো ছাড় নেই।
এতে স্পষ্টই যে, সেকুলাঙ্গার আর জাতীয়তাবাদীদের নিকট একজন মানুষ মানুষ হওয়ার পরেও তাকে ভালোবাসা বা ঘৃণার ভিন্ন মাপকাঠি রয়েছে। এবং তাতে তাদের রয়েছে জিরো টলারেন্স! এক্ষেত্রে ভিন্ন মত গ্রহণের কোনো সুযোগ নেই!
জি, ঠিক এমনই ইসলামেরও রয়েছে মানুষ মানুষ হওয়ার পরেও তাকে ভালোবাসা ও ঘৃণা করার ভিন্ন একটি মাপকাঠি। আর তা হলো ইমান-কুফর! একজন মানুষের ব্যাপারে যখন এটা প্রমাণিত হবে সে মুসলিম, এতটুকুই যথেষ্ট তার প্রতি আমার ভালোবাসা থাকার। অপরদিকে কারো ব্যাপারে এটা প্রমাণিত সে কাফের, এতটুকুই যথেষ্ঠ, সে মানুষ হিসেবে যেমনই হোক তাকে ঘৃণা করার, তাকে শত্রু বিবেচনা করার।
যখন দুটো মতাদর্শরই মানুষকে ভালোবাসা আর ঘৃণার আলাদা মূল্যবোধ আর মূল্যায়ণের মাপকাঠি আছে, তাহলে ইসলামেরটা উগ্রতা আর সেকুলার আর লিবারেলেরটা মানবতা! এটা কী দ্বিচারিতা নয়! এটা কী ধোঁকাবাজি নয়!
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
আসিফ আদনান ভাইয়ের লেখা একটী নাশিদ ।

(দফের আওয়াজ না থাকলেই ভালো হতো)
🔥2711👍3
অন্তবর্তীকালীন সরকার ও কিছু কথা
.
এক.
একজন আলেম অন্তবর্তীকালীন সরকারে থাকলে যে অনেক কিছু করে ফেলবে ইসলামের জন্য, যারা এমনটা ভেবে বসে আছে তারাই পরবর্তীতে চূড়ান্ত হতাশ হবে এবং সেই আলেমের চৌদ্দগুষ্টি উদ্বার করবে। মূলত যতটুকু বুঝতেছি, এই সরকারের মাঝে একজন আলেম এজন্যই নেয়া হচ্ছে, যাতে সকল ঘরোনার কাছেই এই সরকারের একটা গ্রহনযোগ্যতা থাকে। বাস, এতটুকুই। এছাড়া আর কিছুই না। ঐ আলেম সেখানে গিয়ে অনেক বড় কিছু করতে পারবেন না। বা হয়তো বলা যায় উল্লেখযোগ্য কিছুই করতে পারবেন না।
দুই.
কিছুই যদি না হয়, তাহলে আমরা একজন আলেমকে কেন চাচ্ছি। এর অনেকগুলো কারন আছে। একটি অন্যতম কারন হলো। এই সরকারে একজন ট্রেডিশন ও সচেতন আলেম থাকলে সরকার হুটহাট কিছুই চাইলেই গায়ের জোরে ইসলামের বিরুদ্ধে কিছুই করতে পারবে না। বরং তার অনেক ভেবে চিনতে কাজ করতে হবে। এবং কিছু করলেই ঐ আলেম বিষয়টাকে জনতার পক্ষ থেকে তুলতে পারবে। তাই এখানে যতটা না রাষ্ট্র পরিচালনায় অভিজ্ঞ যোগ্য আলেম দরকার, তার থেকেও বেশি ট্রেডিশনালের প্রতি শ্রদ্ধাশিল ও সময়ের সম্পর্ক সচেতন একজন আলেম দরকার। যিনি লিবারেল আর সেকুলার শাহবাগিদের চক্রান্তগুলো বুঝবে ও ধরতে পারবে। এই হিসেবে আমরা শরীফ মুহাম্মদ সাহেব ও আহমদুল্লাহ সাহেবের নাম বলেছি।
অনেক ভাইরা বিষয়গুলো ধরতে না পেরে সাধারণ মানুষের এই চাওয়াকে হুজুগে হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এবং এটাকে অনর্থক আলাপ বলে উল্লেখ করেছেন। এরমাঝে একটি বড় অংশই হলো যারা সর্বদাই ট্রেডিশনাল আলেমদের চাওয়াকে হুজুগে, কওমীদের মুর্খ ইত্যাদি বলে থাকেন হিসেবে প্রসিদ্ধ বা পরিচিত।
তিন.
এখন যদি প্রতিনিধি একজন আলেম তিনি আমাদের ইসলামের তুরাসি বিষয় বা ট্রেডিশনাল বিষয়গুলোর ব্যাপারে শ্রদ্ধশীলই না হয় তাহলে তার অন্তবর্তীকালিন সরকারে থাকলে মুসলিম বঙ্গের মুসলমানদের সামান্য ফায়েদা তো হবেই না। বরং সেকুলাররা তাকে দিয়েই আরো বাজিমাত করবে। বরং আরো আশংকার জায়গা হলো সেই আলেমই হয়তো ইসলামের এমন বিষয় সম্পর্কে আপত্তি করে বসবে যেটা ইসলামের একই স্বীকৃত বিষয়। যেমন ধরেন, কোনো মর্ডান মার্কা আলেম যদি হয়, আর এই সরকারের আমলে আল্লাহ না করুক শাতেম বিষয় কিছু ঘটে, বা সেকুলার বা লিবারেল চিন্তার কোন আলেম যায় তার ট্রান্স*জে*ণ্ডার বা স*মকা*মীতা মার্কা কিছু ঘটে তাহলে তিনি এটা ডিফেন্ড করবেন তো ধুর উলটো তিনি এটা নিয়ে বাড়াবাড়িকে খারাপ দৃষ্টিতেই দেখবেন। আর এমন
চার.
একটা উড়াউড়া খবর শুনা যাচ্ছে আলেমদের মধ্যে যাকে দেয়া হবে তিনি সম্ভবত আফম খালেদ সাহেব হবেন। এই বিষয় আমার ক্ষুদ্র দৃষ্টিভঙ্গি হলো উনাকে একজন আলেম প্রতিনিধি হিসেবে দিলে এই দেশের ট্রেডিশনলাম মুসলিমদের থেকে মর্ডান মুসলিমদের লাভই বেশি হবে। এর অনেক কারন আমি বলতে পারবো আপত দুটো বলছি।
এক. উনি অনেক বেশি সুবিধাবাদি টাইপের একজন মানুষ, বা আরো সাহস করে বললে উদারপন্থী যেটাকে অন্যাভাবে লিবারেলপন্থীও বলা যায়। এবং উনার সুবিধাপন্থীটা একদম চোখে পড়ার মত, জামাতের সাথেও আছেন, চরমোনাইয়ের সাথেও আছেন, আবার আওয়ামীলীগের সাথেও ছিলেন। এই আন্দোলনে উল্লেখ করার মত উনার কিছুই নেই।
দুই. উনি সেকুলারিজম মানি ধর্ম থেকে রাষ্ট্র আলাদা ছাড়া সেকুলারিজমের কিছুই বুঝে না বলেই আমার মনে হয়। তার নয়াদিগন্তে লেখা বিভিন্ন প্রবন্ধ পড়ে আমি স্পষ্টই জানি। আমাদের কওমী ছেলেরা উনার অন্য লাইনের সার্টিফিকেট দেখে অনেক মুগ্ধ। যেমন মুগ্ধ ছিলো উবাইদুল্লাহ হামজা সাহেবের ইংরেজি শুনে। এই দুঃখ কাউকে বলেও শান্তি পাই না।
যাইহোক, অনেক ভাই আফম খালেদ সাহেব আসলে খুশিতে আত্মহারা হবেন এবং কেউ উনার বিরোধিতা করলে ‘কওমীদের কামই হলো নিজেদের মধ্যে লেগে থাকা’ বলে চিৎকার করে উঠবেন। অথচ দেখবেনই না কেনো তার বিরোধিতা করা হচ্ছে। যাইহোক, আমি আমার মতটুকু বললাম। খারাপ লাগলে আর কী করার, চালাইদেন।
👍3423
মুসলমানের জন্য সাধারণ অবস্থায় মন্দির পাহারা দেয়া জায়েয নেই। এটাই শরীয়তের মাসআলা। যেমন মুসলমানের জন্য কোনো সুদি ব্যাংক, মদের দোকান ইত্যাদি পাহারা দেয়া জায়েয নেই।
.
তাহলে এখন যে ব্যাপকভাবে মুসলমানরা মন্দির পাহারা দিচ্ছে? এটা মূলত মুসলমানরা মন্দির পাহারা দিচ্ছে না, মুসলমানরা নিজেদের জানমাল পাহারা দিচ্ছে। কারন এই মুহুর্তে যদি অমুসলিমদের উপশনালয়ে আক্রমণ হয় তাহলে এর ফলে মুসলমানদের জানমালের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, মুসলমানদের ভুমিতে কাফেরদের অন্যায় হস্তক্ষেপ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আর সেথেকে মুসলমানদের জানমাল নিরাপদ রাখতে মন্দির পাহারা দেয়া হচ্ছে। মুসলমানদের বৃহত স্বার্থে এমনটা করা জায়েয, শরীয়তে এমন অনেক নজির রয়েছে।
সুতরাং, যে সমস্ত মুসলমানরা মন্দির পাহারা দিতে যাবেন তারা নিন্মোক্ত বিষয়গুলো মনে রাখবেন,
১. আমি মন্দির পাহারা দিচ্ছি না, কারন মন্দির হলো ইসলামের সবচেয়ে বড় গুনাহ শিরকের স্থান, তাই আমার জন্য তা পাহাড়া দেয়া জায়েয নেই। আমি মূলত আমার জানমালের পাহারা দিচ্ছি।
২. কোনো বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া মন্দিরের ভিতর প্রবেশ করা জায়েয নেই। তাই পাহাড়ার সময় কেউ মন্দিরে প্রবেশ করবো না।
.
ভাই এই মাসআলা কী এখন বলার সময়?
-জি ভাই আমার দৃষ্টিতে এখনই বলার সময়। কারণ,
ক. বেশকিছু আলেমকে দেখা যাচ্ছে তারা মন্দির পাহারাকে সাধারনভাবে জায়েয বানিয়ে ফেলছেন। এখন যদি সবাই চুপ থাকে তাহকে অল্প কিছু সময় পরেই এটাকে দলিল বানিয়ে ফেলা হবে। তাই চুপ থাকা সম্ভব হয়নি।
খ. শাহবাগি সেকু ও মর্ডানিষ্টরা অলরেডি এটা দিয়ে ইসলামকে বিকৃত শুরু করেছে এবং একটা ইন্টারফেইথের পরিবেশ তৈরি করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। তাই এত ব্যাপক আকারে চুপ থাকার মনে হয় সুযোগ নেই।
33👍10
معابد_الكفار_وأحكامها_في_بلاد_المسلمين_.pdf
10.2 MB
অমুসলিমদের মন্দির সংক্রান্ত মুসলমানদের অসংখ্য বিধান রয়েছে। সেকুলার আর লিবারেলের চোখে ইসলামকে না দেখে ইসলাম কীভাবে নিজেকে রেখেছে সেটা দেখা প্রয়োজন। উম্মুল কুরা ইউনিভার্সিটি থেকে অমুসলিমদের মন্দির সক্রান্ত বিষয় নিয়ে প্রায় সারে পাঁচশত পৃষ্ঠার এই থিসিসটি লেখে হয়েছে। তালেবে ইলম ভাইরা বিষয়টি অবশ্যই পড়ার তালিকায় রাখতে পারেন।
👍21
অমুসলিমরা কোথাও ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হলে শর্ত মেনে থাকবে এতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু অমুসলিম নাম দিয়ে ইসলামি ভুখণ্ডের ক্ষতি করবে তা হলে তাদের কড়া শাস্তি দেয়া হলো ইসলামের বিধান।

বাংলাদেশ ইসলামি রাষ্ট্র না হলেও মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠ রাষ্ট্র। তাই এদেশেও হিন্দু থাকবে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু হিন্দুত্ববাদ, বা ভারতীয় দালালদের থাকার কোনো অধিকার নেই। তাই আমাদের সচেতন হতে হবে ও আওয়াজ তুলতে হবে।
58👍6
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
বিনএনপির ইলিয়াস আলী—যাকে এই সরকার সর্বপ্রথম গুন করে হত্যা করে—তার কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনুন। ঠিক এভাবেই শেখ হাসিনা দেশটা চালিয়েছে। ভারতের এজেন্ট হিসেবে এদেশকে ভারতের দাসত্বের শিখলে বাঁধার সব চেষ্টা করেছে। আওয়ামী প্রায় প্রতিটি কর্মীই ভারতের গোলামী করেছে। এদেশের প্রধান সমস্যা ভারত ও তার দালালরা। এদের উৎখাত করা ছাড়া এদেশ কখনোই স্বাধীন হবে না। আমাদের মূল শত্রুর উপর ফোকাস অনেক কম! এটা দুঃখজনক।
😢49👍1
হিন্দু ও হিন্দুত্ববাদকে যারা ইচ্ছাকৃত পার্থক্য করেন না, তারা অবশ্যই এদেশের শত্রু। এদেরকে চিহ্নিত করতে হবে।
👍302🔥1
আমাদের কুকুর মিডিয়াগুলো কিন্তু এগুলো নিয়ে ঢালাও প্রচার কররে না। টুইটারে যারা আছেন এগুলোকে বিভিন হ্যাশট্যাগ দিয়ে ইংরেজিতে প্রচার করুন। এটা খুবি প্রয়োজন।
👍407😡4
এই বাস্তবতা অস্বীকারের কোনো সুযোগ নাই যে, স্বৈরাচার খু*নি হাসিনার দীর্ঘ এই ষোলবছরের শাসনে তার সবচেয়ে বড় সহযোগি ছিলো হি*ন্দুরা। আর সেও দেশের যত বড় পদগুলো আছে তার বড় অংশই হি*ন্দুদের বসিয়েছে। বিশেষত পুলিশে। আর এই পদে বসা বেশিরভাগ হি*ন্দু মূলত হাসিনার জন্য না, কাজ করেছে হি*ন্দুত্ববাদি মোদী সরকারের জন্য।
এখন বিভিন্ন আওয়ামী মুসলিমগুলোকে পদ থেকে সরানোর দাবী দেখি ঠিকই উঠছে কিন্তু স্বৈরাচের সবচেয়ে বড় সহযোগী হি*ন্দুগুলোর ব্যাপারে দেখি সবাই চুপ মেরে গেছে! একদমই চুপ।
মনে রাখবেন, সংখ্যালঘুর ভিক্টিমের ভয়ে যদি আপনি এই স্বৈরাচারের সবচেয়ে বড় সহযোগিদের ছেড়ে দেন তাহলে এরাই স্বৈরাচারকে আবার ফিরিয়ে আনবে আর তা না পারলেও এদেশকে কখনোই শান্তিতে থাকতে দিবে না।
আপনি কিছু না করলেও ভারত এই সংখ্যালঘুর কার্ড খেলবেই। আর তা খেলবে হাসিনার সে হি*ন্দু বাহিনী দিয়েই। তাই দেশকে যারা বাঁচাতে চান তারা হি*ন্দু পরিচয় ধারীদের মুখোশ নিয়ে আলোচনা করতে হবে।
হি*ন্দুদেরও উচিত, নিজেদের জানমাল যদি তারা রক্ষা করতে চায় তাহলে এই মুখোশধারিদের ধরিয়ে দিন, তাদের নিয়ে আলাপ তুলুন। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই হাসিনার এই সৈনিকগুলোকে থামানোর কোনো বিকল্প নেই।
37👍1
গত ১৫ বছর হিন্দু সম্প্রদায়ের একটা বড় অংশ সুবিধা নিয়েছে, স্বৈরাচারকে মদদ দিয়েছে, দিল্লিতে গিয়া কান্নাকাটি করেছে। এক কথায় বিপুল ধান্দা করেছে, আর ভিক্টিমহুডের গল্প বলেছে। আচ্ছা হিসাব দেন তো, এই পুরো ডামাডোলে কয়জন হিন্দু মারা গেছেন?

শেখ হাসিনা বিদায় নেয়া আগে শত শত মানুষ খুন করেছে। আগের গুমখুনের হিসাব তো বাদই দিলাম! হিসাব দেন তো হিন্দু সম্প্রদায়ের লিডাররা কেউ প্রতিবাদ করেছে কিনা?
তারা এখন বিশ্বব্যাপী 'নির্যাতনের' প্রতিবাদ করছে করুক। অনেকে ভয় পেয়েছে- অনেক যায়গায় হুমকি দেয়া হয়েছে, হয়তো কেউ কেউ আক্রান্ত হয়েছে- যার ৭০ ভাগ ছিলো শেখ হাসিনার ঘনিস্ট দালাল।

আচ্ছা আরও হিসাব দেন- হিন্দু সম্পত্তি কোন রাজনৈতিক দল সবচেয়ে বেশী দখল করেছে?

হিসাব দেন, সাথিয়া রামু নাসিরনগরে দাঙ্গা বাধিয়েছিল কারা? বিশ্বজিতকে যে ছাত্রলীগের ক্যাডাররা 'শিবির' বলে খুন করেছিলো- হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা প্রতিবাদ করেছিলেন?
কেবল মুসলমান সম্প্রদায়কে বাংলাদেশে সবসময় পরীক্ষা দিয়ে যেতে হবে যে তারা 'জঙ্গি না'? এই পরীক্ষায় আপনারা ফেলে রাখবেন সব সময়?

গোদি মিডিয়ার রসদ সরবরাহ করতে থাকলে তো বিপদ। এ দেশটাকে নিজের ভাবেন কিনা তা নিয়া আমাদের সন্দেহ বাড়ছে। দিল্লীর দালালি থামান! দেশে আর অস্থিরতা বাড়াইয়েন না! অপ্রিয় কথা বলার জন্য স্যরি।

- অধ্যাপক আল মামুন
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
👍50🔥2
বিদেশে থাকা ৫ নেতার নির্দেশে দেশকে অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনা আওয়ামী লীগের
- অস্থিতিশীল করতে হাজার কোটি টাকার পরিকল্পনা
- হাতিয়ার বানাতে চায় সংখ্যালঘুদের
- সংখ্যালঘুদের বাড়ি উপাসনালয়ে হামলার নির্দেশ
- প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্ব পাওয়া পাঁচ নেতা হলেন:
১.সজীব ওয়াজেদ জয়
২. সালমান এফ রহমান
৩. হাসান মাহমুদ
৪. বাহাউদ্দীন নাসিম
৫. মাহবুবুল আলম হানিফ
গোপনীয়তা রক্ষা করে ছদ্ম পরিচয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপধর্মবিষয়ক সম্পাদক 'আমীর হামজা'র সাথে কথা বলে জানা যায়, সারা দেশে সংখ্যালঘুদের বাড়িঘরে গোপনীয়তা রক্ষা করে হামলার নির্দেশ আছে বিদেশে পলাতক নেতাদের কাছ থেকে। আশ্বাসও আসছে বড় পুরস্কারের।

https://www.dailynayadiganta.com/first-page/854993/-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A7%AB-%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%B2-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B0?fbclid=IwY2xjawEm7LhleHRuA2FlbQIxMAABHSv0hY_f9i69jnem9CdlRvOY_er4oy-CEmCK2Ey5T7BHZru1hRKmNa-soA_aem_E7VOu2hrw-8YdmOikzs9oA
7👍3
এগুলোই দরকার।
91🔥11💯3
রঙ মেখে শুয়ে থেকে জাতীকে বিভ্রান্ত করার জন্য শেখ লাহাবের বিচার চাই!

(এজীবনে সবচেয়ে কষ্ট দেয়া কোনো বক্তব্য শুনে থাকলে সেটা ছিলো "শাপলায় রক্ত মেখে শুয়ে থাকা"। আল্লাহ ঐ লাহাবী আর তার সহযোগি সমর্থনদাতা প্রত্যেককে নির্মম মৃত্যু দান করুক, যদি না তারা তাওবা করে ফিরে আসে)
😁52👍26💯3
একই ব্যক্তি একই সাথে, কয়েক মাদরাসার মুহতামি, উপদেষ্ঠা, শাইখুল হাদিস ইত্যাদি, তিনিই আবার একটি রাজনৈতিক দলের অন্যতম পদধারী, নিতিনির্ধারক ইত্যাদি, সেই তিনিই আবার হেফাজতের উঁচুপর্যায়ের পদ ও নেতা, সেই তিনিই আবার বেফাকের কেন্দ্রীয় ব্যক্তি, আর এত এত পদ নিয়ে যিনি ও যারা আছেন তিনি ও তারা হলের ষাটোর্ধ একজন মুরব্বি!
.
দেখেন, এই যে এক সিস্টেমটা কতটা সমস্যা জনক এটাই যদি আপনি গভিরভাবে উপলব্ধি করতে না পারেন তাহলে আর কী করার!
.
একজন ব্যক্তি যোগ্য হতে পারে, কিন্তু এতগুলো জাতীয় পর্যায়ের কাজ করার মত কী আসলেই যোগ্য? আর এতে কী আসলেই কোনো লাভ হয়? এতে কী নতুন নেতৃত্ব কাজের লোক বের হয়ে আসে?
.
আমাদের অঙ্গনের অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় একজন হলেন বিবাড়িয়ার মাওলানা সাজিদুল ইসলাম সাহেব। এনি একই সাথে মুহতামি, শাইখুল হাদিস (একাধিক মাদরাসার সম্ভবত), হেফাজতের নেতা আবার বেফাকেরও।
আমি উনার নাম নিচ্ছি উনার প্রতি আমার কোনো ক্ষোভ নেই আলহামদুলিল্লাহ। আমি শুধু উদাহরন ও পরিস্থিতি বুঝানোর জন্য বলছি, আমরা কতটা খারাপ চিন্তাসংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। সাজিদ সাহেব অনেক যোগ্য, প্রাজ্ঞ ও আস্থাশীল মানুষ। এটা নিয়ে সন্দেহ নেই। কিন্তু উনি কী আসলেই এত মহান যোগ্য এই বয়ষ্ক শরীর ও মাথা নিয়ে এতগুলো পদ সামলাচ্ছেন!
.
যদি কিছু পরিবর্তন করতেই চাইন তাহলে এগুলো নিয়ে আলাপ তুলুন, আর না হয় এই সিস্টেমের আশা বাদ দিয়ে ভিন্ন কিছু নিয়ে ফিকির করুন। একই সাথে এই সিস্টাম নিয়ে বড় বড় আশা নিয়ে থাকবেন, কেউ এর বিরোধিতা করলে তাকে উগ্র, বেয়াদব, তুই কী করছোস ইত্যাদি ট্যাগ দিবেন, আবার নিজে হতাশা হলে চৌদ্দগোষ্ঠি উদ্বার করবেন এটা হয় না ভাই। এগুলো অনেক বেশী দ্বিমুখী আলাপ।
46👍4😡1