আয়াতের বাহ্যিকতার দাবী হলো প্রত্যেক ঐ বস্তুই হারাম হবে যাতে আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নাম নেওয়া হয়েছে। "أهل" শব্দটির অর্থ হলো নাম নেওয়া ও আলোচনা করা। নবভূমিষ্ট বাচ্চা যখন চিৎকার করে আরবীতে তাকে استهلال الصبي বলা হয়; এথেকেই ‘উহিল্লা’ শব্দটিকে আওয়াজ করা বা নাম নেওয়ার অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে। আরবরা পশু জবাইতে মূর্তির নাম নিতো তাই তা হারাম করতে এই শব্দটি ব্যবহার হয়েছে। তেমনি প্রত্যেক ঐ জিনিষ যাতে আলাহ ছাড়া অন্য কারো নাম নেওয়া হয়েছে চাই তা যার নামেই হোক তা হারাম করতেও এখানে আয়াতে তা ব্যবহার হয়েছে। -আহকামুল কুরআন ২/৩৮২, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ
তৃতীয়ত, গাইরুল্লাহের নামে মান্নতের মধ্যে অন্যতম প্রসিদ্ধ হলো বিভিন্ন পশু বা জীবজন্তু দেবদেবির নামে উৎসর্গ করা বা জবাই করা। আর আরবের মাঝে সে প্রচলন ছিলো। তাই পশু ও জবাই অর্থটি অন্য অর্থ থেকে প্রসিদ্ধ হয়েছে। আর যে সকল মুফাসসির জবেহ অর্থ করেছেন তারা প্রসিদ্ধ অর্থের দিকে লক্ষ্য রেখে তা করেছেন, অর্থের মাঝে নির্দিষ্ট করা বা সীমাবদ্ধতা উদ্দেশ্য নয়। কুরআনের বর্ণিতশব্দের এই সূক্ষ পার্থক্যের দিকে লক্ষ্য করেই সম্ভবত বহু সংখ্যক মুফাসসির আয়াতটিকে জবাই করা বা পশুর অর্থ না করে ব্যাপক অর্থে আয়াতের ব্যাখ্যা করেছেন। উদাহরণ স্বরূপ ইবনুল জাওযি রহ. (মৃত্যু: ৫৯৭ হি.)-এর ইবারত দেখা যেতে পারে। তিনি وَمَا أُهِلَّ لِغَيْرِ اللَّهِ بِهِ -এর ব্যাখ্যা করেন,
ومعنى وَما أُهِلَّ بِهِ لِغَيْرِ اللَّهِ: ما رفع فيه الصوت بتسمية غير الله
আয়াতে وَمَا أُهِلَّ لِغَيْرِ اللَّهِ بِهِ (সেই বস্তু যার উপর আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নাম উচ্চারণ করা হয়েছে)-এর অর্থ হলো গাইরুল্লাহের নামে আওয়াজ উঁচু করা। -যাদুল মাসির ফি ইলমিত তাফসির ১/১৩৩, দারুল কিতাব আলআরাবি, প্রথম প্রকাশ: ১৪২২ হি.
শাহ আব্দুল আজিজ দেহলবি রহ.-এর দিকে সম্পৃক্ত ‘ফাতাওয়ায়ে আজিজিয়া’তে বলা হয়েছে,
بزمانہ نزول قرآن شریف جو لغت عرب کی تھی اور جو عرف وہاں کا تھا اس لغت اور عرف ميں ہرگز 'اھلال' بمعنی ذبح نہیں آیا ہے نہ کسی شعر میں ایسا آیا ہے نہ کسی عبارت میں۔ بلکہ 'اھلال' کا معنی لغت عرب میں یہ ہے "بلند کرنا آوازکا" اور "شہرت دینا" چناچہ 'اھلال' اس معنی میں بھی آیا ہے "لرکے کا بوقت پیدائیش اول مرتبہ آواز بلند کرنا" ... وغیرہ مستعمل ہے اور اگر کہا جائے" اھللت للہ" تو ہرگز اس کا معنی" ذبحت للہ" مفہوم نہ ہوگا۔ اور اگر 'اھلال' کا معنی ذبح کہا جائے تو یہ قباحت بھی ہے کہ اگر 'اھل' بمعنی ذبح کہا جائے تو ذبح لغیر اللہ معنی اس آیت کا ہوگا ارو ذبح باسم غیر اللہ اس آیت کا نہ ہوگا۔
কুরআন নাজিলের সময় আরবী ভাষা বা তাদের প্রচলনে শব্দটি জবাইয়ের অর্থ আসেনি। এমনকি কোনো আরবী কবিতাতেই এই শব্দটি জবইয়ের অর্থে ব্যবহার হয়নি। বরং শব্দটির মূল অর্থই হলো ‘আওয়াজ উঁচু করা’, ‘প্রসিদ্ধ করা’।…। " اھللت للہ" বাক্যের অনুবাদ যদি আল্লাহর জন্য জবাই করেছি অর্থে নেওয়া সঠিক হবে না। তখন আয়াতের অর্থ দাঁড়াবে আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো জন্য জবাই করা, আল্লাহর নাম ছাড়া অন্য কারো নামে জবাইয়ের অর্থ আর থাকবে না। -ফাতাওয়া আজিজিয়া ৫৩৭, অধ্যায়: মাসায়েলে হজ্জ
চতুর্থত, সূরা মায়েদার আয়াতে মুর্তির নামে জবাই করা বস্তুকে স্বতন্ত্র হারাম বলে ঘোষণা করা হয়েছে। তাই وَمَا أُهِلَّ لِغَيْرِ اللَّهِ بِهِ (সেই বস্তু যার উপর আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নাম উচ্চারণ করা হয়েছে)কেও যদি একই অর্থ ধরা হয় তাহলে এটার স্বতন্ত্রতা বাকি থাকে না। সূরা মায়েদার পুরো আলোচনা দেখুন,
ﵟحُرِّمَتۡ عَلَيۡكُمُ ٱلۡمَيۡتَةُ وَٱلدَّمُ وَلَحۡمُ ٱلۡخِنزِيرِ وَمَآ أُهِلَّ لِغَيۡرِ ٱللَّهِ بِهِۦ وَٱلۡمُنۡخَنِقَةُ وَٱلۡمَوۡقُوذَةُ وَٱلۡمُتَرَدِّيَةُ وَٱلنَّطِيحَةُ وَمَآ أَكَلَ ٱلسَّبُعُ إِلَّا مَا ذَكَّيۡتُمۡ وَمَا ذُبِحَ عَلَى ٱلنُّصُبِ ﵞ
তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে মৃত জন্তু, রক্ত শূকরের গোশ্ত ও সেই বস্তু যার উপর আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নাম উচ্চারণ করা হয়েছে এবং (হারাম করা হয়েছে) … ঐ পশু, যা পূজার বস্তুর কাছে জবেহ করা হয়। -সূরা মায়েদা : ৩
দ্বিতীয় আপত্তি : সাহাবায়ে কেরাম থেকে ও ফিকহের বিভিন্ন নসে স্পষ্ট আছে অমুসলিমদের উৎসবের দিনে তাদের জবাই করা পশু ব্যাতিত অন্যান ফলমূল বা মিষ্টান্ন গ্রহণ করতে কোনো অসুবিধা নেই। যেমন, আয়েশা রাযি.–কে এক মহিলা জিজ্ঞেস করল যে, আমাদের কিছু অগ্নিপূজারী প্রতিবেশি আছে, তারা তাদের উৎসবের দিন আমাদেরকে হাদিয়া দেয় (এটার বিধান কি)? তিনি বলেন,
أما ما ذبح لذلك اليوم فلا تأكلوا ، ولكن كلوا من أشجارهم. اهـ
ঐ দিন যা জবেহ করা হয় তা খেও না, তবে তাদের দেওয়া ফলফলাদি খেতে পারবে। -মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবাহ, বর্ণনা নং ২৪৮৫৬
এথেকে স্পষ্ট যে, প্রসাদ বা অন্যান্য ফলমূল বা মিষ্টান্ন খাওয়াতে কোনো সমস্যা নেই।
তৃতীয়ত, গাইরুল্লাহের নামে মান্নতের মধ্যে অন্যতম প্রসিদ্ধ হলো বিভিন্ন পশু বা জীবজন্তু দেবদেবির নামে উৎসর্গ করা বা জবাই করা। আর আরবের মাঝে সে প্রচলন ছিলো। তাই পশু ও জবাই অর্থটি অন্য অর্থ থেকে প্রসিদ্ধ হয়েছে। আর যে সকল মুফাসসির জবেহ অর্থ করেছেন তারা প্রসিদ্ধ অর্থের দিকে লক্ষ্য রেখে তা করেছেন, অর্থের মাঝে নির্দিষ্ট করা বা সীমাবদ্ধতা উদ্দেশ্য নয়। কুরআনের বর্ণিতশব্দের এই সূক্ষ পার্থক্যের দিকে লক্ষ্য করেই সম্ভবত বহু সংখ্যক মুফাসসির আয়াতটিকে জবাই করা বা পশুর অর্থ না করে ব্যাপক অর্থে আয়াতের ব্যাখ্যা করেছেন। উদাহরণ স্বরূপ ইবনুল জাওযি রহ. (মৃত্যু: ৫৯৭ হি.)-এর ইবারত দেখা যেতে পারে। তিনি وَمَا أُهِلَّ لِغَيْرِ اللَّهِ بِهِ -এর ব্যাখ্যা করেন,
ومعنى وَما أُهِلَّ بِهِ لِغَيْرِ اللَّهِ: ما رفع فيه الصوت بتسمية غير الله
আয়াতে وَمَا أُهِلَّ لِغَيْرِ اللَّهِ بِهِ (সেই বস্তু যার উপর আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নাম উচ্চারণ করা হয়েছে)-এর অর্থ হলো গাইরুল্লাহের নামে আওয়াজ উঁচু করা। -যাদুল মাসির ফি ইলমিত তাফসির ১/১৩৩, দারুল কিতাব আলআরাবি, প্রথম প্রকাশ: ১৪২২ হি.
শাহ আব্দুল আজিজ দেহলবি রহ.-এর দিকে সম্পৃক্ত ‘ফাতাওয়ায়ে আজিজিয়া’তে বলা হয়েছে,
بزمانہ نزول قرآن شریف جو لغت عرب کی تھی اور جو عرف وہاں کا تھا اس لغت اور عرف ميں ہرگز 'اھلال' بمعنی ذبح نہیں آیا ہے نہ کسی شعر میں ایسا آیا ہے نہ کسی عبارت میں۔ بلکہ 'اھلال' کا معنی لغت عرب میں یہ ہے "بلند کرنا آوازکا" اور "شہرت دینا" چناچہ 'اھلال' اس معنی میں بھی آیا ہے "لرکے کا بوقت پیدائیش اول مرتبہ آواز بلند کرنا" ... وغیرہ مستعمل ہے اور اگر کہا جائے" اھللت للہ" تو ہرگز اس کا معنی" ذبحت للہ" مفہوم نہ ہوگا۔ اور اگر 'اھلال' کا معنی ذبح کہا جائے تو یہ قباحت بھی ہے کہ اگر 'اھل' بمعنی ذبح کہا جائے تو ذبح لغیر اللہ معنی اس آیت کا ہوگا ارو ذبح باسم غیر اللہ اس آیت کا نہ ہوگا۔
কুরআন নাজিলের সময় আরবী ভাষা বা তাদের প্রচলনে শব্দটি জবাইয়ের অর্থ আসেনি। এমনকি কোনো আরবী কবিতাতেই এই শব্দটি জবইয়ের অর্থে ব্যবহার হয়নি। বরং শব্দটির মূল অর্থই হলো ‘আওয়াজ উঁচু করা’, ‘প্রসিদ্ধ করা’।…। " اھللت للہ" বাক্যের অনুবাদ যদি আল্লাহর জন্য জবাই করেছি অর্থে নেওয়া সঠিক হবে না। তখন আয়াতের অর্থ দাঁড়াবে আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো জন্য জবাই করা, আল্লাহর নাম ছাড়া অন্য কারো নামে জবাইয়ের অর্থ আর থাকবে না। -ফাতাওয়া আজিজিয়া ৫৩৭, অধ্যায়: মাসায়েলে হজ্জ
চতুর্থত, সূরা মায়েদার আয়াতে মুর্তির নামে জবাই করা বস্তুকে স্বতন্ত্র হারাম বলে ঘোষণা করা হয়েছে। তাই وَمَا أُهِلَّ لِغَيْرِ اللَّهِ بِهِ (সেই বস্তু যার উপর আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নাম উচ্চারণ করা হয়েছে)কেও যদি একই অর্থ ধরা হয় তাহলে এটার স্বতন্ত্রতা বাকি থাকে না। সূরা মায়েদার পুরো আলোচনা দেখুন,
ﵟحُرِّمَتۡ عَلَيۡكُمُ ٱلۡمَيۡتَةُ وَٱلدَّمُ وَلَحۡمُ ٱلۡخِنزِيرِ وَمَآ أُهِلَّ لِغَيۡرِ ٱللَّهِ بِهِۦ وَٱلۡمُنۡخَنِقَةُ وَٱلۡمَوۡقُوذَةُ وَٱلۡمُتَرَدِّيَةُ وَٱلنَّطِيحَةُ وَمَآ أَكَلَ ٱلسَّبُعُ إِلَّا مَا ذَكَّيۡتُمۡ وَمَا ذُبِحَ عَلَى ٱلنُّصُبِ ﵞ
তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে মৃত জন্তু, রক্ত শূকরের গোশ্ত ও সেই বস্তু যার উপর আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নাম উচ্চারণ করা হয়েছে এবং (হারাম করা হয়েছে) … ঐ পশু, যা পূজার বস্তুর কাছে জবেহ করা হয়। -সূরা মায়েদা : ৩
দ্বিতীয় আপত্তি : সাহাবায়ে কেরাম থেকে ও ফিকহের বিভিন্ন নসে স্পষ্ট আছে অমুসলিমদের উৎসবের দিনে তাদের জবাই করা পশু ব্যাতিত অন্যান ফলমূল বা মিষ্টান্ন গ্রহণ করতে কোনো অসুবিধা নেই। যেমন, আয়েশা রাযি.–কে এক মহিলা জিজ্ঞেস করল যে, আমাদের কিছু অগ্নিপূজারী প্রতিবেশি আছে, তারা তাদের উৎসবের দিন আমাদেরকে হাদিয়া দেয় (এটার বিধান কি)? তিনি বলেন,
أما ما ذبح لذلك اليوم فلا تأكلوا ، ولكن كلوا من أشجارهم. اهـ
ঐ দিন যা জবেহ করা হয় তা খেও না, তবে তাদের দেওয়া ফলফলাদি খেতে পারবে। -মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবাহ, বর্ণনা নং ২৪৮৫৬
এথেকে স্পষ্ট যে, প্রসাদ বা অন্যান্য ফলমূল বা মিষ্টান্ন খাওয়াতে কোনো সমস্যা নেই।
জবাব: অমুসলিমদের থেকে সাধারণ ফলমূল বা মিষ্টান্ন দ্রব্য হাদিয়া গ্রহণ করা শরীয়তে নাজায়েয কিছু নয়। এজন্য সাহাবায়ে কেরাম তা গ্রহণ করেছেন। সাহাবায়ে কেরামের গ্রহণ করা ফলমূল কোনো দেবদেবি বা গাইরুল্লাহের নামে উৎসর্গিত ছিলো না। কারণ গাইরুল্লাহের নামে উৎসর্গিত বস্তু যদি কোনো মুসলিমও করে তাও তা হারাম হয়ে যায়। বহু ফকিহ এই বিষয়টি স্পষ্ট বলেছেন। ইবনে নুজাইম রহ. (মৃত্যু: ৯৭০ হি.) লেখেন,
وأما النذر الذي ينذره أكثر العوام على ما هو مشاهد كأن يكون لإنسان غائب أو مريض، أو له حاجة ضرورية فيأتي بعض الصلحاء فيجعل سترة على رأسه فيقول يا سيدي فلان إن رد غائبي، أو عوفي مريضي أو قضيت حاجتي فلك من الذهب كذا، أو من الفضة كذا، أو من الطعام كذا، أو من الماء كذا، أو من الشمع كذا، أو من الزيت كذا فهذا النذر باطل بالإجماع لوجوه منها أنه نذر مخلوق والنذر للمخلوق لا يجوز؛ لأنه عبادة والعبادة لا تكون للمخلوق ومنها أن المنذور له ميت والميت لا يملك ومنها إن ظن أن الميت يتصرف في الأمور دون الله تعالى واعتقاده ذلك كفر.... فإذا علمت هذا فما يؤخذ من الدراهم والشمع والزيت وغيرها وينقل إلى ضرائح الأولياء تقربا إليهم فحرام بإجماع المسلمين ما لم يقصدوا بصرفها للفقراء الأحياء قولا واحدا. (البحر الرائق 2/521، كتاب الصوم، فصل ما يوجبه العبد على نفسه)
অর্থাৎ, বহু সাধারণ মানুষ গাইরুল্লাহের নামে যে মান্নত করে, ‘হে বাবা! আমার অমুক কাজ হলে আমি মাজারে এটা দিবো, সেটা দিবো; এটা সর্বসম্মতিক্রমে হারাম। যদি এই মান্নত এই বিশ্বাস রেখে দেওয়া হয় এই মৃত ব্যক্তি আল্লাহর বিভিন্ন বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার শক্তি রাখে তাহলে তা কুফর হবে। এথেকে জানা গেলো, বিভিন্ন আউলিয়াদের মাজারে যে টাকা-পয়সা, মোমবাতি ইত্যাদি মান্নতের নামে দেওয়া হয় তা সকল মুসলমানের ঐক্য মতে হারাম। -আলবাহরুর রায়েক ২/৫২১, যাকারিয়্যাহ বুকডিপো
ফকিহ ইবনে আবেদিন শামী রহ.-এর ছেলে আলাউদ্দিন ইবনে আবেদিন রহ. (মৃত্যু: ১৩০৬ হি.) বলেন,
1. واعلم أن النذر الذي يقع للأموات من أكثر العوام وما يوْخذ من الدراهم والشمع والزيت ونحوها إلى ضرائح الأولياء الكرام تقربا إليهم، ...فهو باطل وحرام، لأنه نذر للمخلوق وهو لايجوز، لأنه عبادة، والعبادة لا تكون إلا لله تعالى لا للمخلوق،
জেনে রাখা ভালো—অনেক সাধারণ মানুষ মৃত ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে যে সকল মান্নত করে থাকে, এবং আওলিয়ায়ে কেরামের কবরে দিরহাম, মোমবাতি, তৈল ইত্যাদি নিয়ে যায় তাদের নৈকট্য অর্জনের জন্য, যেমন তারা বলে—হে অমুক বাবা!/নেতা! আপনি যদি আমার হারিয়ে যাওয়া বস্তু ফিরিয়ে দেন, অথবা আমার অসুস্থতা দূর করে দেন, কিংবা আমার প্রয়োজন পূরণ করে দেন, তাহলে আপনাকে এই পরিমান স্বর্ণ, রূপা, মোমবাতি অথবা তৈল দিবো। সুতরাং এগুলো বাতিল এবং হারাম, কেননা এগুলো গাইরুল্লাহর উদ্দেশ্যে মান্নত করা হয়েছে, অথচ সেটা জায়েয নেই। কারণ, মান্নত ইবাদত, আর ইবাদত আল্লাহ ব্যতীত কোনো মাখলূকের জন্য হতে পারে না। - আল হাদিয়্যাতুল আলাইয়্যা পৃ. ১৪২
যেখানে মুসলমানদের গাইরুল্লাহের নামে মান্নত হারাম হয়ে যাচ্ছে, সেখানে অমুসলিমদের দেবদেবির নামে উৎসর্গিত বস্তু হালালের প্রশ্নই উঠে না। আর কোনো নসে এমন নেই যে, গাইরুল্লাহের নামে উৎসর্গিত বস্তু সাহাবায়ে কেরাম খেয়েছে। তাই ফলমূল গ্রহণের নসগুলোকে এই অর্থেই গ্রহণ করতে হবে যে, সেগুলো গাইরুল্লাহের নামে উৎসর্গিত ছিলো না বরং সাধারণ ফলমূল ছিলো।
তাই হিন্দুদের উৎসবের দিনে দেবতাদের জন্য উৎসর্গ ছাড়া ও তাদের জবাইকৃত পশু ব্যতিত অন্যান্য খাবার গ্রহণ করার সুযোগ রয়েছে। তবে এসব উৎসবের দিলগুলোতে তাদের থেকে কোনো খাবার গ্রহণ করা থেকে যথাসম্ভব বিরত থাকাই উচিত ও এটা হারাম থেকে বাঁচতে বেশি নিরাপদ।
আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুক। আমীন। আল্লাহু আলাম।
وأما النذر الذي ينذره أكثر العوام على ما هو مشاهد كأن يكون لإنسان غائب أو مريض، أو له حاجة ضرورية فيأتي بعض الصلحاء فيجعل سترة على رأسه فيقول يا سيدي فلان إن رد غائبي، أو عوفي مريضي أو قضيت حاجتي فلك من الذهب كذا، أو من الفضة كذا، أو من الطعام كذا، أو من الماء كذا، أو من الشمع كذا، أو من الزيت كذا فهذا النذر باطل بالإجماع لوجوه منها أنه نذر مخلوق والنذر للمخلوق لا يجوز؛ لأنه عبادة والعبادة لا تكون للمخلوق ومنها أن المنذور له ميت والميت لا يملك ومنها إن ظن أن الميت يتصرف في الأمور دون الله تعالى واعتقاده ذلك كفر.... فإذا علمت هذا فما يؤخذ من الدراهم والشمع والزيت وغيرها وينقل إلى ضرائح الأولياء تقربا إليهم فحرام بإجماع المسلمين ما لم يقصدوا بصرفها للفقراء الأحياء قولا واحدا. (البحر الرائق 2/521، كتاب الصوم، فصل ما يوجبه العبد على نفسه)
অর্থাৎ, বহু সাধারণ মানুষ গাইরুল্লাহের নামে যে মান্নত করে, ‘হে বাবা! আমার অমুক কাজ হলে আমি মাজারে এটা দিবো, সেটা দিবো; এটা সর্বসম্মতিক্রমে হারাম। যদি এই মান্নত এই বিশ্বাস রেখে দেওয়া হয় এই মৃত ব্যক্তি আল্লাহর বিভিন্ন বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার শক্তি রাখে তাহলে তা কুফর হবে। এথেকে জানা গেলো, বিভিন্ন আউলিয়াদের মাজারে যে টাকা-পয়সা, মোমবাতি ইত্যাদি মান্নতের নামে দেওয়া হয় তা সকল মুসলমানের ঐক্য মতে হারাম। -আলবাহরুর রায়েক ২/৫২১, যাকারিয়্যাহ বুকডিপো
ফকিহ ইবনে আবেদিন শামী রহ.-এর ছেলে আলাউদ্দিন ইবনে আবেদিন রহ. (মৃত্যু: ১৩০৬ হি.) বলেন,
1. واعلم أن النذر الذي يقع للأموات من أكثر العوام وما يوْخذ من الدراهم والشمع والزيت ونحوها إلى ضرائح الأولياء الكرام تقربا إليهم، ...فهو باطل وحرام، لأنه نذر للمخلوق وهو لايجوز، لأنه عبادة، والعبادة لا تكون إلا لله تعالى لا للمخلوق،
জেনে রাখা ভালো—অনেক সাধারণ মানুষ মৃত ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে যে সকল মান্নত করে থাকে, এবং আওলিয়ায়ে কেরামের কবরে দিরহাম, মোমবাতি, তৈল ইত্যাদি নিয়ে যায় তাদের নৈকট্য অর্জনের জন্য, যেমন তারা বলে—হে অমুক বাবা!/নেতা! আপনি যদি আমার হারিয়ে যাওয়া বস্তু ফিরিয়ে দেন, অথবা আমার অসুস্থতা দূর করে দেন, কিংবা আমার প্রয়োজন পূরণ করে দেন, তাহলে আপনাকে এই পরিমান স্বর্ণ, রূপা, মোমবাতি অথবা তৈল দিবো। সুতরাং এগুলো বাতিল এবং হারাম, কেননা এগুলো গাইরুল্লাহর উদ্দেশ্যে মান্নত করা হয়েছে, অথচ সেটা জায়েয নেই। কারণ, মান্নত ইবাদত, আর ইবাদত আল্লাহ ব্যতীত কোনো মাখলূকের জন্য হতে পারে না। - আল হাদিয়্যাতুল আলাইয়্যা পৃ. ১৪২
যেখানে মুসলমানদের গাইরুল্লাহের নামে মান্নত হারাম হয়ে যাচ্ছে, সেখানে অমুসলিমদের দেবদেবির নামে উৎসর্গিত বস্তু হালালের প্রশ্নই উঠে না। আর কোনো নসে এমন নেই যে, গাইরুল্লাহের নামে উৎসর্গিত বস্তু সাহাবায়ে কেরাম খেয়েছে। তাই ফলমূল গ্রহণের নসগুলোকে এই অর্থেই গ্রহণ করতে হবে যে, সেগুলো গাইরুল্লাহের নামে উৎসর্গিত ছিলো না বরং সাধারণ ফলমূল ছিলো।
তাই হিন্দুদের উৎসবের দিনে দেবতাদের জন্য উৎসর্গ ছাড়া ও তাদের জবাইকৃত পশু ব্যতিত অন্যান্য খাবার গ্রহণ করার সুযোগ রয়েছে। তবে এসব উৎসবের দিলগুলোতে তাদের থেকে কোনো খাবার গ্রহণ করা থেকে যথাসম্ভব বিরত থাকাই উচিত ও এটা হারাম থেকে বাঁচতে বেশি নিরাপদ।
আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুক। আমীন। আল্লাহু আলাম।
👍5❤1
লেখাটি আমার সাইট থেকে পড়তে পারেন। সাইটটিতে বেশকিছু লেখা আছে, পড়তে পারেন। কোনো পরামর্শ থাকলে এখানে জানাতে পারেন ইনশাআল্লাহ ।
https://abdullahbinbashir.me/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%ae/
https://abdullahbinbashir.me/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%ae/
abdullahbinbashir.me
প্রসাদ খাওয়ার হুকুম – ABDULLAH BIN BASHIR
প্রথমত, প্রসাদ অমুসলিমদের একটি ধর্মীয় প্রতীকীর অন্তর্ভুক্ত এবং ধর্মীয় একটি বিশেষ মূল্যবোধকে সামনে রেখেই তারা খাবারটি গ্রহণ করে, কোনো সাধারণ খাবার মনে করে খায় না। এটাকে ভগবানের উদ্দেশ্যে বিশেষ একটি বস্তু মনে করে, যার মূল উদ্দেশ্যই হয় তাদের মিথ্যা ভগবানের…
❤11👍1
মাননীয় সুলতান মহাদয় কাল চমৎকার, রেটরিক ভাষণ দিয়েছেন। তুর্কীর রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ভাষণের একটি বিশেষ স্থান রয়েছে। কাজের মাধ্যমের চাইতে আবেগী ভাষণে সহজে নাগরিকের মন জয় করা যায়। সুলতান মহাদয়ের ভাষনটি সত্যিই প্রশংসনীয়। তার থেকে আমি এত বেশি আশা করিনি। এরদোয়ানের মত সুন্দর ভাষণ দেয়ার ক্ষমতা নেতানিয়াহুর নেই, কিন্তু আছে প্রবল জিলাসি ও আত্মসম্মানবোধ। সুলতান মহাদয় ২০ দিন ধরে ফিলিস্তিনি রক্তের সাগর প্রবাহিত হতে দেখছেন, কিন্তু ইসরাইলি এম্বেসিকে তলব করা বা তাড়িয়ে দেয়া, এবং ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার মত আত্মমর্যাদা বোধ তার তৈরি হয়নি। অন্যদিকে সুলতানের একটা কড়া ভাষণ শুনেই জবাবে নেতানিয়াহু তুর্কী এম্বেসিডরকে ঝেটিয়ে বিদায় করে দিলেন।
গাযাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। বিদ্যুৎ জ্বালানি, খাদ্য এমনকি পানি পর্যন্ত বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কিন্তু তুর্কীর পাইপলাইন থেকে ইসরাইলের ৪০% জ্বালানি খুব সুন্দর ও নিরাপদে সচল আছে।
তবুও মহান সুলতানকে মজলুমের পক্ষে কিছু কথা বলবার জন্য ধন্যবাদ।
কায়সার ভাই,
https://t.me/ka_ege
গাযাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। বিদ্যুৎ জ্বালানি, খাদ্য এমনকি পানি পর্যন্ত বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কিন্তু তুর্কীর পাইপলাইন থেকে ইসরাইলের ৪০% জ্বালানি খুব সুন্দর ও নিরাপদে সচল আছে।
তবুও মহান সুলতানকে মজলুমের পক্ষে কিছু কথা বলবার জন্য ধন্যবাদ।
কায়সার ভাই,
https://t.me/ka_ege
Telegram
Kaisar Ahmad (E+G+E)
Sharing Eschatology, Geopolitics and Economics views
👍6❤5😢4
Mareez-wa-Mualij-Kay-Islami-Ahkam.pdf
6 MB
আহকামে তিব (চিকিৎসা সংক্রান্ত বিধিবিধান) নিয়ে খুবই সুন্দর একটি বই। লেখকের পাকিস্তানের জনপ্রিয় একজন আলেম ডা. আব্দুল ওয়াহেদ সাহেব রহ.।
কোনো তালেবে ইলম ভাই যদি এই চ্যানেলে থাকেন তাহলে ইনশাআল্লাহ এই কিতাবটি থেকে খুবই উপকৃত হতে পারবেন। আমাদের দেশে এসংক্রান্ত একটি কিতাবই খুব জনপ্রিয়, মুফতি দিলাওয়ার সাহেব দা.বা.-এরটি। ইফতা বিভাগগুলোতে সেটাই পড়ানো হয়। তবে এই বইটি আরো জামে ও মুদাল্লাল মনে হয়েছে আমার কাছে। মাদরাসার তালেবে ইলম ভাইরা প্রিন্ট করে বা পিডিএফ থেকে সরাসরি উপকৃত হতে পারেন।
কোনো তালেবে ইলম ভাই যদি এই চ্যানেলে থাকেন তাহলে ইনশাআল্লাহ এই কিতাবটি থেকে খুবই উপকৃত হতে পারবেন। আমাদের দেশে এসংক্রান্ত একটি কিতাবই খুব জনপ্রিয়, মুফতি দিলাওয়ার সাহেব দা.বা.-এরটি। ইফতা বিভাগগুলোতে সেটাই পড়ানো হয়। তবে এই বইটি আরো জামে ও মুদাল্লাল মনে হয়েছে আমার কাছে। মাদরাসার তালেবে ইলম ভাইরা প্রিন্ট করে বা পিডিএফ থেকে সরাসরি উপকৃত হতে পারেন।
❤20
প্রফেসর হযরত (রহমাতুল্লাহি আলাইহি) তার জানাজা ও দাফন-কাফনের ইন্তেজামের অছিওয়াতের মাধ্যমেও আমাদের কে অনেক কিছু শিখিয়ে গেলেন।
১. ইন্তেকালের পর যতোদ্রুত সম্ভব জানাজা ও দাফন-কাফন সম্পন্ন করা।
চাইলে আগামীকাল বাদ জুমা জানাযা আয়োজন করা যেত। লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হত। কিন্তু না। যেদিন ইন্তিকাল সেদিন ই জানাযা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ।
২. জানাজা সামনে নিয়ে যতো বড় ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন লোক হোকনা কেন কোন রকমের আলোচনা বা বক্তৃতা না দেওয়া।
আজ দেশের শীর্ষস্থানীয় উলামায়ে কেরাম উপস্থিত ছিলেন। যাত্রাবাড়ির হযরত মুফতি মাহমুদুল হাসান, ঢালকানগরের হযরত মাওলানা শাহ আব্দুল মতিন বিন হুসাইন, মুফতি হিফজুর রহমান সাহেন, মুফতি মানসুরুল হক সাহেব , প্রফেসর মাওলানা গিয়াসুদ্দিন সাহেব, মুফতি উবাইদুল্লাহ সাহেব, মুফতি মিযানুর রহমান সাইদ, মুফতি আরশাদ রহমানি, মুফতি সুহাইল সাহেব, মুফতি জাফর আহমদ সাহেব ঢালকানগর, মাওলানা ইসমাইল সাহেব কিশোরগঞ্জ, মুফতি আবদুল মালেক সাহেব, মুফতি দেলোয়ার হুসাইন সাহেব হাফিযাহুল্লাহ সহ ঢাকা ও ঢাকার বাহিরের বহু বড় আলেমে দ্বীন উপস্থিত ছিলেন।
এমনকি উত্তরার সংসদ সদস্যসহ বহু গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত হয়েছেন। কিন্তু কাউকে কোনরকমের কোন কথা বলার অবকাশ দেওয়া হয়নি। যথাসম্ভব সঠিক সময়ে জানাযা শুরু হয়েছে।
৩. কোন ধরণের সামাজিকতার দোহাই দিয়ে সুন্নতের খেলাফ করা যাবেনা।
মাইকে বারবার বারবার ঘোষণা হতে থেকেছে যে কোন ধরণের ছবি তোলা নিষেধ। প্রফেসর হযরত সারা জীবন ছবি তোলার বিরুদ্ধে ছিলেন। ইন্তেকালের পরেও আমাদের সে সবক দিয়ে গেলেন।
আল্লাহ তাঁর কবরকে নুর দিয়ে পরিপূর্ন করে দেন এবং জান্নাতুল ফিরদাউসের আ'লা মাকাম নসীব করেন। (সাওবান)
@
১. ইন্তেকালের পর যতোদ্রুত সম্ভব জানাজা ও দাফন-কাফন সম্পন্ন করা।
চাইলে আগামীকাল বাদ জুমা জানাযা আয়োজন করা যেত। লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হত। কিন্তু না। যেদিন ইন্তিকাল সেদিন ই জানাযা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ।
২. জানাজা সামনে নিয়ে যতো বড় ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন লোক হোকনা কেন কোন রকমের আলোচনা বা বক্তৃতা না দেওয়া।
আজ দেশের শীর্ষস্থানীয় উলামায়ে কেরাম উপস্থিত ছিলেন। যাত্রাবাড়ির হযরত মুফতি মাহমুদুল হাসান, ঢালকানগরের হযরত মাওলানা শাহ আব্দুল মতিন বিন হুসাইন, মুফতি হিফজুর রহমান সাহেন, মুফতি মানসুরুল হক সাহেব , প্রফেসর মাওলানা গিয়াসুদ্দিন সাহেব, মুফতি উবাইদুল্লাহ সাহেব, মুফতি মিযানুর রহমান সাইদ, মুফতি আরশাদ রহমানি, মুফতি সুহাইল সাহেব, মুফতি জাফর আহমদ সাহেব ঢালকানগর, মাওলানা ইসমাইল সাহেব কিশোরগঞ্জ, মুফতি আবদুল মালেক সাহেব, মুফতি দেলোয়ার হুসাইন সাহেব হাফিযাহুল্লাহ সহ ঢাকা ও ঢাকার বাহিরের বহু বড় আলেমে দ্বীন উপস্থিত ছিলেন।
এমনকি উত্তরার সংসদ সদস্যসহ বহু গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত হয়েছেন। কিন্তু কাউকে কোনরকমের কোন কথা বলার অবকাশ দেওয়া হয়নি। যথাসম্ভব সঠিক সময়ে জানাযা শুরু হয়েছে।
৩. কোন ধরণের সামাজিকতার দোহাই দিয়ে সুন্নতের খেলাফ করা যাবেনা।
মাইকে বারবার বারবার ঘোষণা হতে থেকেছে যে কোন ধরণের ছবি তোলা নিষেধ। প্রফেসর হযরত সারা জীবন ছবি তোলার বিরুদ্ধে ছিলেন। ইন্তেকালের পরেও আমাদের সে সবক দিয়ে গেলেন।
আল্লাহ তাঁর কবরকে নুর দিয়ে পরিপূর্ন করে দেন এবং জান্নাতুল ফিরদাউসের আ'লা মাকাম নসীব করেন। (সাওবান)
@
❤36👍2
রাষ্ট্র_ও_রাজনীতি_গ্রন্থের_পর্যালোচনা.pdf
1020.8 KB
যতগুলো পর্ব লেখেছি সবগুলো এখানে একসাথে পিডিএফ করা হয়েছে।
❤23👍7
একজন মুহাজির আলেম। যিনি সৌদি থেকে সিরিয়ায় গিয়েছেন। সিরিয়ার এক মসজিদে খুতবায় কথাগুলো বলেছেন। ভিডিওটা বাংলা সাবটাইটেল দেওয়া আছে। আশা করি সকলেই শুনবেন।
https://www.youtube.com/watch?v=faLN3aLHTeA
https://www.youtube.com/watch?v=faLN3aLHTeA
❤17
আকাশে বসে সুইচ টিপে বম্বিং করে মানুষ মারায় সিদ্ধহস্ত, কিন্তু মাটিতে পা রাখতে, কিংবা ট্যাংকের ভেতর থেকে বের হতে প্যান্ট ভিজে যায় -- এরকম একটা বাহিনী গত এক মাস ধরে অনেক হম্বিতম্বি করছে। কুরআনের একটি আয়াত এমন লোকদের কথা মনে করিয়ে দেয়।
لَا يُقَـٰتِلُونَكُمْ جَمِيعًا إِلَّا فِى قُرًۭى مُّحَصَّنَةٍ أَوْ مِن وَرَآءِ جُدُرٍۭ ۚ بَأْسُهُم بَيْنَهُمْ شَدِيدٌۭ ۚ تَحْسَبُهُمْ جَمِيعًۭا وَقُلُوبُهُمْ شَتَّىٰ ۚ ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمْ قَوْمٌۭ لَّا يَعْقِلُونَ
"এরা কখনো ঐক্যবদ্ধ হয়ে তোমাদের সাথে লড়াই করতে আসবে না, (যদি করেও তা করবে) কোনো সুরক্ষিত জনপদের ভেতরে বসে, (অথবা) নিরাপদ পাচিলের আড়ালে থেকে।
এদের নিজেদের পারস্পরিক শত্রুতা খুবই মারাত্মক। তুমি তো মনে করছো এরা বুঝি ঐক্যবদ্ধ, কিন্তু এদের অন্তর শতধা বিভক্ত, কেননা এরা হচ্ছে নির্বোধ সম্প্রদায়।"
(সূরা হাশর, ১৪)
কপি।
لَا يُقَـٰتِلُونَكُمْ جَمِيعًا إِلَّا فِى قُرًۭى مُّحَصَّنَةٍ أَوْ مِن وَرَآءِ جُدُرٍۭ ۚ بَأْسُهُم بَيْنَهُمْ شَدِيدٌۭ ۚ تَحْسَبُهُمْ جَمِيعًۭا وَقُلُوبُهُمْ شَتَّىٰ ۚ ذَٰلِكَ بِأَنَّهُمْ قَوْمٌۭ لَّا يَعْقِلُونَ
"এরা কখনো ঐক্যবদ্ধ হয়ে তোমাদের সাথে লড়াই করতে আসবে না, (যদি করেও তা করবে) কোনো সুরক্ষিত জনপদের ভেতরে বসে, (অথবা) নিরাপদ পাচিলের আড়ালে থেকে।
এদের নিজেদের পারস্পরিক শত্রুতা খুবই মারাত্মক। তুমি তো মনে করছো এরা বুঝি ঐক্যবদ্ধ, কিন্তু এদের অন্তর শতধা বিভক্ত, কেননা এরা হচ্ছে নির্বোধ সম্প্রদায়।"
(সূরা হাশর, ১৪)
কপি।
❤27👍2
আল্লাহু আকবর! মুসলমানরা সংখ্যা আর শক্তি দিয়ে জিহাদ করে না। তারা করে আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা আর ঈমান দিয়ে! কী সাধারণ অস্ত্র দিয়ে পৃথিবীর সর্বাধুনিক প্রযুক্তিকে কিছু মানুষ শেষ করে দিচ্ছে!
❤19
হায় আল্লাহ আসমান জমিনের সকল সাহায্য তুমি আমার ভাইদের জন্য খুলে দেও।
❤17👍1