Abdullah bin bashir
11.3K subscribers
429 photos
90 videos
95 files
193 links
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট
Download Telegram
Channel created
ট্রেডিশনাল ফিকহের নামে দ. মুতাজ খতিব আর এজাতীয় খবিসগুলো যা করে তা দেখলে মনে হয় এগুলোর লাইগা সালাফিরাই ঠিক আছে, ধইরা মাইর, আর সালাফিরা আকিদার নামে যখন উম্মাহের সকল ওলামাদের তাদলিল করে তখন দেশি বেদেশি কাউসারিদের জন্য দোয়া আসে। এদুই অবস্থানের মাঝে আপাতত দিন গুজার করি।
4
Channel photo updated
এক. পূজায় অংশ গ্রহণ :
হযরত ওমর রা. বলেন,
لَا تَدْخُلُوا عَلَى الْمُشْرِكِينَ فِي كَنَائِسِهِمْ يَوْمَ عِيدِهِمْ، فَإِنَّ السَّخْطَةَ تَنْزِلُ عَلَيْهِمْ.
তোমরা মুশরিকদের উৎসবের দিন তাদের গির্জায় যেয়ো না, কেননা তাদের উপর গযব নাযিল হয়।
তিনি আরো বলেন,
اجْتَنِبُوا ‌أَعْدَاءَ ‌اللهِ ‌فِي ‌عِيدِهِمْ.
তোমরা আল্লাহর শত্রুদের উৎসবের দিন তাদের থেকে দূরে থাকো। -মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক, বর্ণনা নং ১৬০৯ ; আসসুনানুল কুবরা লিল বাইহাকি, বর্ণনা নং ১৮৮৬২.
দুই. পূজার অনুষ্ঠানকে ভালো মনে করা
আল্লামা হিন্দি আল হানাফি রহ. (মৃত্যু : ৭৮৬ হি.) লেখেন,
اجتمع المجوس يوم النيروز فقال مسلم - خوب رسم نهاده اند أو قال نيك آئيى نهاده اند - خيف عليه الكفر.
নাইরোযের দিনে অগ্নিপূজকদের সমবেতকে যদি কোনো মুসলিম ‘খুব ভালো অনুষ্ঠান এটি, অথবা ‘এটি ভাল প্রভাব ফেললো’ ইত্যাদি বলে তাহলে তার ব্যাপারে কু]ফ]রীর আশঙ্কা রয়েছে।
তিনি আরো লিখেন—
واتفق مشايخنا أن من رآى أمر الكفار حسنا فهو كافر.
আমাদের সকল ওলামায়ে কেরামের বক্তব্য হলো, কেউ যদি কা]ফে]রের কোন বিষয়কে ভালো বলে, তাহলে সে কা]ফে]র হয়ে যাবে। -ফতোয়া তাতারখানিয়্যা-৭/৩৪৮ ; শরহু হামওয়ী -২/৮৮; আলবাহরুর রাইক ৫/১৩৩.
তিন. পূজা উপলক্ষে অমুসলিমদের শুভেচ্ছ জানানো:
পুজা উপলক্ষ্য কোনো অমুসলিমকে অভিনন্দন জানানো সম্পূর্ণ হারাম। তবে কেউ যদি এই পূজাকে সম্মানিত মনে করে জানায় তাহলে তার কু]ফরের আশঙ্কা রয়েছে।
ইবনে আব্দুল বার রহ. বলেন,
ولا يبدأ أحد من أهل الذمة بالسلام ولا يقصدون بتهيئته
জিম্মিকে আগে সালাম দিবে না, এবং তাদেরকে অভিনন্দন জানাবে না। -আল কাফি ফি ফিকহি আহলিল মাদিনাহ ২/১১৩৩
হাম্বলি মাজহাবের প্রসিদ্ধ ইমাম হাজাবি রহ. বলেন,
وتحرم تهنئتهم
কাফেরদেরকে শুভেচ্ছা জানানো হারাম।
এই কথার ব্যাখ্যায় বাহুতি রহ. লেখেন,
لأنه تعظيم لهم
শুভেচ্ছা জানানোর অর্থ হলো তাদেরকে সম্মান করা। -কাশশাফুল কিনা ৭/২৫৮
আল্লামা ইবনুল কাইয়ুম জাওযি রহ. মৃত্যু : ৭৫১ হি.) সুন্দর ভাষায় বলেছেন,
وأما التهنئة بشعائر الكفر المختصة به فحرام بالاتفاق ، مثل أن يُهنئهم بأعيادهم وصومهم ، فيقول : عيد مبارك عليك ، أو تهنأ بهذا العيد ونحوه فهذا إن سلِمَ قائله من الكفر فهو من المحرّمات ، وهو بمنزلة أن تُهنئة بسجوده للصليب بل ذلك أعظم إثماً عند الله ، وأشدّ مَـقتاً من التهنئة بشرب الخمر وقتل النفس وارتكاب الفرج الحرام ونحوه . وكثير ممن لا قدر للدِّين عنده يقع في ذلك ، ولا يدري قبح ما فعل ، فمن هنّـأ عبد بمعصية أو بدعة أو كـُـفْرٍ فقد تعرّض لِمقت الله وسخطه
কোন কু]ফ]রী আচারানুষ্ঠান উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানানো সর্বসম্মতিক্রমে হারাম। যেমন- তাদের উৎসব ও উপবাস পালন উপলক্ষে বলা যে, ‘তোমাদের উৎসব শুভ হোক’ কিংবা ‘তোমার উৎসব উপভোগ্য হোক’ কিংবা এ জাতীয় অন্য কোন কথা। যদি এ শুভেচ্ছাজ্ঞাপন করা কুফরীর পর্যায়ে নাও পৌঁছে; তবে এটি হারামের অন্তর্ভুক্ত। এ শুভেচ্ছা ক্রুশকে সেজদা দেয়ার কারণে কাউকে অভিনন্দন জানানোর পর্যায়ভুক্ত। বরং আল্লাহর কাছে এটি আরও বেশি জঘন্য গুনাহ। এটি মদ্যপান, হত্যা ও যিনা ইত্যাদির মত অপরাধের জন্য কাউকে অভিনন্দন জানানোর চেয়ে মারাত্মক। যাদের কাছে ইসলামের যথাযথ মর্যাদা নেই তাদের অনেকে এ গুনাতে লিপ্ত হয়ে পড়ে; অথচ তারা এ গুনাহের কদর্যতা উপলব্ধি করে না। যে ব্যক্তি কোন গুনার কাজ কিংবা বিদআত কিংবা কুফরী কর্মের প্রেক্ষিতে কাউকে অভিনন্দন জানায় সে নিজেকে আল্লাহর ক্রোধ ও অসন্তুষ্টির সম্মুখীন করে। -আহকামু আহলিয যিম্মাহ ১/২৯৩.
চার. পূজার দিন অমুসলিমকে কোনো হাদিয়া দেওয়া:
হানাফি মাজহাবের সুপ্রশিদ্ধ কিতাব 'তাবয়িনুল হাকায়েক' উল্লেখ রয়েছে,
‌وقال أبو حفص الكبير - رحمه الله - ‌لو ‌أن ‌رجلا ‌عبد ‌الله ‌خمسين سنة ثم جاء يوم النيروز، وأهدى لبعض المشركين بيضة يريد به تعظيم ذلك اليوم فقد كفر، وحبط عمله،
ইমাম আবু হাফস আলকাবীর রহ. বলেন, যদি কেউ পঞ্চাশ বছর আল্লাহর ইবাদত করে এরপর কোনো নাইরুজের দিন (মুশরিকদের একটি উতসব) কোনো মুশরিককে ডিম হাদিয়া দেয় ঐদিনকে সম্মান করে, তাহলে সে কা]ফের হয়ে যাবে তার সমস্ত আমল নষ্ট হয়ে যাবে। -তাবয়ীনুল হাকায়েক -৬/২২৮; আল বাহরুর রায়েক ৫/১৩৩; আদ্দুররুল মুখতার পৃ.৭৫৯; ফতোয়া হিন্দিয়া ২/২৭৭
তবে যদি তা ঐদিনকে সম্মান ছাড়া কোনো অভ্যাস বা সামাজিক কারনে দেয় তাহলে তা কুফর হবে না, তবে নাজায়েয এবং কাফেরদের সামাঞ্জস্য হয় যেহেতু তাই তা থেকে বেঁচে থাকে জরুরি। ইমাম যাইলায়ি রহ. বলেন,
ولم يرد به التعظيم لذلك اليوم، ولكن ما اعتاده بعض الناس لا يكفر، ولكن ينبغي له أن لا يفعل ذلك في ذلك اليوم خاصة، ويفعله قبله أو بعده كي لا يكون تشبها بأولئك القوم
ঐদিনের সম্মানের কারনে না হয়, বরং কিছু মানুষের অভ্যাসের কারনে হয় তাহলে কা]ফে]র হবে না। তবে মুসলমানদের ঐ বিশেষ দিন এমন কাজ থেকে বিরত থাকা উচিত। আগে পরে অন্যকোনো দিন সে এগুলো করবে। যাতে কাফেরদের সাথে সাদৃশ্যতা না হয়। -তাবয়িনুল হাকায়েক ৬/২২৮
5🔥1
6👍3🔥2
অনুবাদের ক্ষেত্রে লক্ষণীয় হলো-
১.
অনুবাদ একটি কঠিন কাজ। একজন অনুবাদককে একই সংগে দু ভাষায় শিক্ষিত হতে হয়। এর অভাব প্রকট।
২.
কালের ভাষা জানতে হবে। আমি যে যুগে বাস করছি, তার গতি-প্রকৃতি না জানলে আমার অনুবাদ কোনো আবেদন সৃষ্টি করতে পারবে না।
৩.
কেউ হয়তো উঁচু দরের পাঠকদের জন্যে লেখেন। আমি মনে করি, সর্বশ্রেণির পাঠক উপযোগী লেখাই এ মুহূর্তে ইসলামী বইয়ের পাঠকদের জন্যে কাম্য।
৪.
বাংলার জ্ঞান-ভাণ্ডার এখনো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উঠেনি। বা সে অর্থে এ দেশে এখনো তাকী উসমানী, আলী মিয়া নদভী, কারজাভী মানের লেখক বা ন্যূনতম নকশবন্দীর মানের হৃদয়জেতা দাঈ জন্মাননি। এক দিন যেনো জন্মান; সে পথ দেখাতে আমাদের এ অনুবাদ-আয়োজন।
কাজেই একজন অনুবাদককে শুধু ভাষাজ্ঞানী নয়; দ্বীনের কঠোর অনুসারী, উম্মার ব্যথা-বেদনা বহনকারীও হতে হবে।
৫.
মূল বইয়ের লেখক যদি উঁচু দরের লেখক বা সাহিত্যিক হন তাহলে তাঁর লেখায় কোনো ধরনের সংযোজন উচিত মনে করি না। কেননা হতে পারে আমার সংযোজন একটি বহু অর্থবোধক নদী-কে খালে পরিণত করবে।
আর যদি তিনি স্রেফ খতিব বা আলেম বা অন্য সংস্কৃতির হন তাহলে সংযোজন হতে পারে।
তবে সেখানে, যেখানে না করলে নয়। এবং তা দিতে হবে টীকায়, অনুবাদকের দিকে সম্বন্ধিত করে।
৬.
একজন অনুবাদকের শব্দভাণ্ডার সমৃদ্ধ হতে হবে। তার কাছে যেমন প্রচুর সমার্থবোধক শব্দ থাকতে হবে, তেমনি থাকতে হবে একটি মর্মকে একাধিক শৈলীতে ব্যক্ত করার ক্ষমতা। নয়তো তাকে অক্ষম অনুবাদের অভিযোগ শুনতে হবে।
৭.
মনে রাখতে হবে,
'অভিধান অন্ধ, অভিধান বোবা।' কারণ,
১. যে শব্দগুলোর অর্থ দরকার তার সিংহভাগই আপনি ব্যবহৃত অভিধানগুলোয় পাবেন না।
২. প্রায়সময় দেখা যায়, অভিধানে প্রদত্ত অর্থ যুৎসই হচ্ছে না।
এটা অভিধানের দোষ নয়; সীমাবদ্ধতা। একজন লেখক শব্দের বহুমাত্রিক ব্যবহার করে থাকেন। পূর্বাপর মিলিয়ে সেখানে একটা বৈচিত্র সৃষ্টি করেন। কাজেই অনুবাদকদের শব্দার্থ জ্ঞান থাকতে হবে অবশ্যই অনেক বেশি।
(জনৈক ভাইয়ের প্রশ্নের উত্তরে তাৎক্ষণিক যে কথাগুলো মনে পড়েছে, তা এখানে পেতে দিলাম। আরো কিছু জানলে বা মনে পড়লে আপডেট করবো, ইনশা আল্লাহ।)

@মাওালানা আব্দুল্লাহ ফারুক
9
পুজায় অংশগ্রহণ ও তাতে শুভেচ্ছা জানানোর বিধান: পর্ব ২
.
১. দারুল উলুম দেওবন্দের ফতোয়া—
غیر مسلم حضرات کے تہوار وغیرہ ان کے مشرکانہ اعتقاد پر مبنی ہوتے ہیں؛ اس لیے ہمارے لیے مشرک سے برأت اور بے تعلقی کا اظہار ضروری ہے، اور چونکہ مبارکبادی دینے میں ان کے فکر و عقیدے کی توثیق و تائید ہوتی ہے؛ اس لیے اس سے احتراز ضروری ہے بسا اوقات یہ سلبِ ایمان کا بھی باعث ہوسکتا ہے۔
অমুসলিমদের উৎসব ইত্যাদি তাদের বহুঈশ্বরবাদী বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে; অতএব, আমাদের জন্য মুশরিকদের থেকে দূরত্ব এবং সম্পর্ক ছিন্নতা ঘোষনা করা আবশ্যক। আর অভিনন্দন জানানোর সময়, তাদের চিন্তাভাবনা এবং বিশ্বাস সত্যায়ন ও সমর্থন করা হয়। তাই অভিনন্দন জানানো থেকে দূরে থাকা জরুরি, কখনও কখনও এটি ঈমান ভঙ্গের কারণ হতে পারে। -ফাতাওয়ায়ে দারুল উলুম দেওবন্দ
২. জামিয়াতুল উলূম আল-ইসলামিয় বানূরি টাউনের ফতোয়া—
غیرمسلموں کے مذہبی تہوار کے موقع پر انہیں مبارک باد دینا یا ان کی جانب سے ان کے نظریہ کے مطابق کسی مسلمان کو اس دن کی تعظیم کے متعلق کلمات کہنا اور مسلمان کا جواب میں مبارک باد دینا دونوں جائز نہیں۔ ابتداءً مبارک باد دینا یا مبارک بادی کا جواب دینا گویا ان کے نقطۂ نظر کی تائید ہے، جب کہ غیر مسلموں کے مذہبی تہوار مشرکانہ اعتقادات پر مبنی ہوتے ہیں۔ مسلمان ہونے کی حیثیت سے ہمارے لیے شرک سے بے زاری اور لاتعلقی کا اظہار ضروری ہے، اور مذہبی اعتقادات میں شرعی اَحکام کی تعمیل لازم ہے، اس سلسلہ میں کسی کی رضا یا ناراضی کی پرواہ نہیں کرنی چاہیے، مخلوق کی اطاعت اور ان کی رضا کی بجائے خالق کی اطاعت اور اس کی رضا کو مقدم رکھنا لازم ہے؛ لہذا دیوالی کی مبارک باد دینا یا مبارک بادی کے جواب میں مبارک باد کے کلمات کہنا جائز نہیں۔ اور اگر اس سے ان کے دین کی تعظیم یا اس پر رضامندی مقصود ہو تو کفر کا اندیشہ ہے۔
অমুসলিমদের কোনো ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে তাদেরকে অভিনন্দন জানানো বা কোনো মুসলমানকে তাদের ধর্মের মত করে সেই দিনটির সম্মানসূচক কোনো বাক্য বলা ও বিনিময়ে অপর মুসলিম অভিনন্দন জানানো বৈধ নয়। প্রথমত, অভিনন্দন জানানো বা অভিনন্দনের জবাব দেওয়া তাদের দৃষ্টিভঙ্গিকে সমর্থন করা হয়। অন্যদিকে অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসবগুলি বহুঈশ্বরবাদী বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে হয়। একজন মুসলিম হিসেবে আমাদের জন্য শিরক থেকে অনাগ্রহ ও বিচ্ছিন্নতা প্রদর্শন করা এবং ধর্মীয় বিশ্বাসে শরীয়তের বিধি-বিধান মেনে চলা আবশ্যক। এক্ষেত্রে কারো সন্তুষ্টি ও অসন্তুষ্টির তোয়াক্কা করা যাবে না। বরং আল্লাহর আনুগত্য এবং তাঁর সন্তুষ্টিকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে। তাই দীপাবলির শুভেচ্ছা জানানো বা শুভেচ্ছার জবাবে অভিনন্দন জাতীয় শব্দ ব্যবহার জায়েয নেই। আর যদি এর অর্থ তাদের ধর্মকে সম্মান করা বা সম্মানের ব্যাপারে সমর্থন দেওয়া, তাহলে কুফর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
৩. দারুল উলূম করাচির ফতোয়া
کرسمس ہو یا دیوالی، غیر مسلموں کی کوئی بھی مذہبی عید یا تہوار ہو، مسلمانوں کے لیےا س میں حاضر ہونا ان کے جلسوں محفلوں میں شرکت کرنا یا ان کی عبادت گاہوں میں جانا اورا ن کے ساتھ شرکت کرنا ہرگز جائز نہیں ہے ۔اسی طرح اس موقع پر ان کو اس تہوار کی تعظیم کی خاطر مبارکباد دینا یا ان کو ہدایا دینا جائز نہیں ۔ بلکہ اگرا س سے ان کی دین کی تعظیم مقصود ہو تو اس میں کفر کا قوی اندیشہ ہے بلکہ بعض مشائخ نے ایسے شخص کو کافر فرمایا ہے ۔ لہذا مسلمانوں پرواجب ہے کہ وہ کرسمس وغیرہ میں نصاریٰ کے ساتھ یکجہتی یا محبت کی غرض سے شرکت سے مکمل اجتناب کریںورنہ سخت گناہ ہوگا اور اس میں کفر کا بھی قوی اندیشہ ہے ۔
ক্রিসমাস হোক বা দীপাবলি, অমুসলিমদের যে কোনো ধর্মীয় ঈদ বা উৎসবই হোক, মুসলমানদের জন্য সেখানে উপস্থিত হওয়া, তাদের মজলিসে অংশগ্রহণ করা বা তাদের উপাসনালয়ে গিয়ে তাদের সাথে অংশগ্রহণ করা জায়েয নেই। অনুরূপ এই উৎসবকে সম্মান করার জন্য তাদের অভিনন্দন জানানো বা নির্দেশনা দেওয়া জায়েয নেই। বরং এইকাজগুলো যদি তাদের দ্বীনকে সম্মান করা উদ্দেশ্য হয় তাহলে ব্যক্তির কুফর হওয়ার প্রবল আশংকা রয়েছে। কোন কোন শায়েখ এমন ব্যক্তিকে কাফের বলেছেন। অতএব মুসলিমদের জন্য অপরিহার্য হলো একাত্মতা বা ভালবাসার উদ্দেশ্যে খ্রিস্টানদের সাথে ক্রিসমাস ও ইত্যাদিতে অংশ নেওয়া থেকে সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে চলা। অন্যথায় এটি একটি গুরুতর পাপ হবে এবং এতে কুফরের প্রবল ভয়ও রয়েছে।
6👍1
আগামী কিছু দিন ছাগল বা খাসির মাংস, নলি বা মাথা বাজার থেকে কিনা থেকে বিরত থাকুন এবং সতর্কতা অবলম্বন করুন ইনশা আল্লাহ। রেস্টুরেন্টে নলি/নেহারি খাওয়ার ক্ষেত্রেও একই কথা।
.
সারাদেশে পূজা উপলক্ষে গায়রুল্লাহর নামে ব্যাপকভাবে পাঠাবলি দেওয়া হবে এবং সেগুলোর পূর্ণ বা খণ্ডাংশ বাজারে ছড়িয়ে যাবে।
©
👍43
7👍1
fiqh10729.pdf
11.2 MB
হানাফি মাজহাবের অন্যতম ইমাম, কুদুরি রহ.-এর একটি বিখ্যাত কাজ শরহে মুখতাসারিল কারখি। বইটির গুরুত্ব তালেবে ইলম ভাইদের কাছে অজানা নয়। বইটির পুরো অংশ পাইনি। এতটুকু পেয়েছি, জানিনা বাকিটুকুর পিডিএফ পাওয়া যায় কি না। সবগুলো পেলে অবশ্যই ছাপাবো ইনশাআল্লাহ। বাকি আগ্রহিরা এতটুকু দেখতে পারেন, আশা করি আন্দাজ করতে পারবেন, কী চমৎকার একটি কাজ এটি।
8