Abdullah bin bashir
11.3K subscribers
431 photos
89 videos
95 files
194 links
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট
Download Telegram
"অবস্থা নিয়ন্ত্রণ না করতে পারলে ভারতের কাছে সাহায্য চাইতে পারে বাংলাদেশ"

নিউজটা পড়ে শুধু আতকে উঠলাম আর চোখের সামনে ভেসে উঠলো গুজরাট আর কাশ্মীরের কিছু ভয়াল চিত্র!
😢49😨2
তথ্য দিয়ে সাহায্য করুন, এটা অত্যান্ত জরুরি।

https://shohid.info/?fbclid=IwZXh0bgNhZW0CMTAAAR3XSX8g8M6_U5TCw-eh-U98FB-bJH3N5FPMEgoxccOZ0gm5gSUF1FSXfOE_aem_CbA7zwvXvzUjb2Ctqf3COw
👍6
ছেলেগুলোর সাহস আর নিজ ভাইদের প্রতি দায়বদ্ধতা দেখে শুধু অবাকই হচ্ছি না...! ইশ যদি শাপলার লোকেরাও এর কাছাকাছি দায়বদ্ধতা দেখাতে পারতো!! এটাই এজাতীর সবচেয়ে বড় দূর্ভোগ বোধহয়!
78🔥7👍5😢4
ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন অবস্থায় হিন্দুত্ববাদী সরকার নিজ প্রভুর চরনে যা অর্পন করেছে।
🤬18👍2
ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় ইউটিউবার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক দ্যা দেশভক্ত বাংলাদেশের চলমান ইস্যু নিয়ে চমৎকার ভিডিও করেছে। দেখতে পারেন।

https://www.youtube.com/watch?v=YK1pIuPsl9I
👍152
এদেশের হাজারো লাশ আর তার থেকেও বহুগুন বেশি আহত, তারো থেকে শতগুন বেশি মানুষ জেলে, তাদের পরিবার আজ অনিশ্চিত ভবিষ্যতে, এসবকিছু থেকে মেট্রোরেলের ভবনের দাম বেশি, তার জন্য চোখের পানি ফেলতে হবে, সেটার জন্য আরো বেশি মানুষকে হত্যা করতে হবে!
😢37👍1
রেমিটেন্স শর্টডাউন সরকারের মাঝে যাষ্ট আগুন ধরিয়ে দিয়েছে! প্রবাসী ভাইরা কী এএই আগুনে পেট্রোল দিতে পারবে! তবে প্রবাসী ভাইদের এই কাজে সবচেয়ে বড় সহযোগী হতে হবে তাদের পরিবারের!
🔥25👍5
সন্তানের মৃত্যু বেশি কষ্টের, নাকি সন্তানের হত্যাকারীদের বুকে গিয়ে কান্না করা, তাদের থেকে ছেলের রক্তের বিনিময় নেয়া এবং সবকিছু মুখ বুঝে সহ্য করা বেশি কষ্টের?
👍10😢5
এফআইআরের ইনচার্জের নাম বিভূতিভূষণ রায়, এটা আমাদের নোট করার মত বিষয়।
👍241
জালেমের চোখে পর্দা ফেলে দেয় যে আমল :
(যেকোনো আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ভাইরা আমলটি থেকে উপকৃত হতে পারেন ইনশাআল্লাহ, আন্দোলনে একা না গিয়ে আল্লাহকে সাথে নিয়ে যান।)

পৃথিবীতে মানুষের বহুরকম শ্রেণি প্রকারের একটি হলো ‘জালেম ও মজলুম’। জালেম জুলুম করে আর মজলুম সে জুলুমের শিকার হয়। জুলুমের সবচেয়ে কঠিনতম একটি হলো দুনিয়ার কোনো শক্তিশালী ব্যক্তির রোষানলে পতিত হওয়া। আর সে শক্তিশালী যদি শাসক হয় তাহলে জীবনে কতটা দুঃখ আর কষ্টের হয় তা কাউকে ভেঙ্গে বলার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না।

বর্তমানে কত মানুষ কতভাবে জালেমের রোষনলে পড়ে। কোনো অন্যায় ছাড়াই বিভিন্ন কারণে প্রশাসনের হাতে হেনস্তার শিকার হয় কত শত মানুষ। কারো মিথ্যা মামলায় বা সন্দেহের জের ধরে একবার আইনের গ্যাঁড়াকলে পড়লে জীবনের দুঃখ কষ্টের আর সীমা থাকে না। শুধু প্রশাসনই নয়, স্থানীয় কত শক্তিশালীদের হাতে কত শত জুলুমের শিকার হয় কত মানুষ। ধরে নিয়ে গিয়ে অত্যাচার আর ঘুম-খুনের ঘটনা তো নিত্যদিন আমরা দেখতে পাচ্ছি হারহামেশা। এছাড়াও সময়ে সময়ে কত জালেমের হাত থেকে বাঁচতে কত পেরেশানিতে নিপাতিত থাকতে হয় আর এতে জীবনের স্বাভাবিক একটু শান্তিও যে পূর্ণ উদাও হয়ে যায়, তা যিনি একবার এমন বিপদে পড়েছেন তিনি বুঝবেন।
জালেমের এমন কষ্টের হাত থেকে বাঁচতে কুরআনের কয়েকটি আয়াত হতে পারে একজন মজলুমের অনেক বড় একটি হাতিয়ার। যুগে যুগে এই আয়াত পড়ে উপকার পেয়েছেন অসংখ্য মানুষ! আয়াতগুলো হয়েছেন জালেমের হাত থেকে বাঁচার জন্য তাদের বিশাল হাতিয়ার। যা তাদেরকে রক্ষা করেছেন দুনিয়াবি আসবাব-উপকরনের উর্ধ্বে উঠে। যখন আর কোন আসবাব অবলম্ভন করে আর কিছুই সম্ভব হচ্ছিলো না, ঠিক তখনই এই আয়াতগুলো তাদেরকে রক্ষা করেছে আল্লাহর ইচ্ছায়। আসুন সে আয়াতগুলো জানা যাক। আচ্ছা, তার আগে ঘটনাগুলো একটু শুনে নেই, যাতে আয়াতগুলোর বাস্তবতা আরো ভালোভাবে আমাদের সামনে স্পষ্ট হয়।

প্রথমেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ঘটা একটি ঘটনা শুনুন। সূরা লাহাব অবতীর্ন হয়। সেখানে আবু লাহাব ও তার স্ত্রীকে চূড়ান্ত পর্যায়ের অভিশপ্ত ঘোষণা করা হয়। এই সূরার খবর শূনে তো আবু লাহাবের স্ত্রী উম্মে জামিল আরওয়া বিনতে হারব বেজায় রাগান্বিত হয়ে যায়। সে একটি পাথর নিয়ে বের হয় মুহাম্মদের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খোঁজে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত আবু বকর রা.কে নিয়ে মসজিদে বসে ছিলেন। এমন সময় দূর থেকে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গালি দিতে দিতে সে মহিলা আসতে লাগলো। তাকে আসতে দেখে আবু বকর রা. ভয় পেয়ে গেলেন। জানেন, মহিলাটি রাসুলকে দেখলেই কষ্ট দিবে। তাই বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! বিনতে হারব তো আসছে। সে আপনাকে দেখে ফেলবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শান্তভাবেই বসে রইলে। আবু বকরের পেরেশানি দেখে বললেন, আবু বকর! সে কিছুতেই আমাকে দেখবে না। এটা বলেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআনের একটি আয়াত পড়ে সেখানেই অবস্থান করলেন। আরওয়া বিনতে হারব আবু বকরের সামনে এসে দাঁড়ালো। কিন্তু রাসূলকে দেখতে পেলো না! রাসূলকে না পেয়ে আবু বকরকে উদ্দেশ্য করে বললো, তোমার সাথী আমাকে নিয়ে ব্যাঙ্গ-বিদ্রুপ করেছে, আমি তোমাকে জানিয়ে রাখলাম (এটার পরিনাম কিন্তু ভালো হবে না)। আবু বকর রা. বললেন, কাবার রবের কসম, তিনি তোমাকে নিয়ে ব্যাঙ্গ করেননি। হযরত আবু বকররের উত্তর শুনে রাগে-ক্ষোভে আবু লাহাবের স্ত্রী এই কথা বলতে বলতে সেখান থেকে চলে গেলো, ‘পুরো কুরাইশ জানে আমি সর্দারের মেয়ে! (১)

এবার একজন সাহাবীর অভিজ্ঞতা কথা শূনে নেওয়া যাক। হযরত কা’ব রা. শামের একজন লোককে সেই আয়াতগুলোর কার্যকরিকতা সম্পর্কে বললেন। সে লোক রাতে গোপনে রোমে গেলো। এবং সেখানে কিছুদিন অবস্থান করলো। একদিন সে ধরা খেয়ে গেলো। আর সেখান থেকে পলায়ন করলো। তাকে ধরতে রোমের সেনাবাহিনী ধাওয়া করলো। একসময় লোকটিকে সেনাবাহিনী ঘেরাওতে ফেলে দিলো। লোকটি সেই আয়াতগুলো পড়তে লাগলেন। এবং সেনাবিনীর ঘেরাও থেকে বের হয়ে গেলেন কিন্তু তাকে তারা দেখতে পারলো না।(২)

কালবি রহ. বলেন, আমি এই আয়াতগুলো উপকারিতা রায় শহরের এক লোককে বলি। সে রাতের গোপনে দাইলাম শহরে যায়। সেখানে স্থানীয় প্রশাসনের হাতে ধরা পড়ে যায়। তাকে খুঁজতে প্রশাসনের লোকেরা আসলে সে আয়াতগুলো পড়তে লাগলো। প্রশাসনের বাহিনী তাকে খুঁজতে খুঁজতে এতটাই নিকটে চলে আসলো যে, লোকটির শরীরের কাপড় আর বাহিনীর লোকের কাপড় একটি অপরটির সাথে স্পর্শ করতে লাগলো, কিন্তু প্রশাসনের লোকেরা তাকে দেখতে পেলো না! (৩)

আয়াতটি কী? খুবই সংক্ষিপ্ত ও ছোট একটি আয়াত। এক বসায় মুখস্থ করে ফেলা যায়। একদম সহজ। আয়াতটি হলো সূরা বানী ইসরাঈলের।
وَإِذَا قَرَأۡتَ ٱلۡقُرۡءَانَ جَعَلۡنَا بَيۡنَكَ وَبَيۡنَ ٱلَّذِينَ لَا يُؤۡمِنُونَ بِٱلۡأٓخِرَةِ حِجَابٗا مَّسۡتُورٗا
যখন তুমি কুরআন পড়ো, তখন আমি তোমার মাঝে ও যারা আখেরাতে ঈমান রাখে না তাদের মাঝে এক অদৃশ্য পর্দা রেখে দেই। -সূরা বানী ইসরাঈল : ৪৫
17👍3
খুবই সংক্ষিপ্ত না। তবে এই আমলটি আরো বেশি কার্যকর করার জন্য সাথে আরোপ কয়েকটি সহজ আয়াত যুক্ত করে নিলে ফল বেশি পাওয়া যাবে। সে আয়াতগুলো হলো সূরা ইয়াসীনের প্রথম নয়টি আয়াত। একদম সহজ। বহু মানুষই পারি। অথবা ছোট বেলায় মক্তবে মুখস্ত করেছিলাম। হয়তো ভুলে গেছি। এখন একবার চাইলেই মুখস্ত করে ফেলা যাবে। আর আগে না থাকলে এখন একদম সহজে মুখস্থ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। আচ্ছা মুখস্ত করার আগে একজন মহান ইমামের মুখেই সে ঘটনাটি শুনুন।

ইমাম কুরতুবি রহ. (মৃত্যু : ৬৭১ হি.)। নিজ যুগের একজন মহান ব্যক্তিত্ব। যার ইলমি খিদমত থেকে তার যুগ থেকে নিয়ে আজ পর্যন্ত কোটি কোটি মুসলিম উপকৃত হচ্ছে। তিনি উপরে যে শেষের দুটো ঘটনা উল্লেখ করেছি তা উল্লেখ করে নিজ জীবনের একটি বাস্তব অভিজ্ঞতা লেখেন। তিনি বলেন, আমি তখন কর্ডোবার মানসুর কেল্লায় অবস্থান করছিলাম। সেখানে একদল শত্রু যারা আমার ক্ষতি করতে চাচ্ছিলো আমি তাদের থেকে পালাচ্ছিলাম। তাদের রোষানল থেকে বাঁচতে আমি দৌঁড় দিয়ে কেল্লায় এক কোনায় গিয়ে আত্মগোপন করলাম। একটু পড়েই দুজন শত্রুপক্ষের দুজন ঘোরসওয়ার আমার দিকে লক্ষ্য করে ছুটে আসছে। আমি তখন অনুভব করলাম যেখানে আমি আত্মগোপনে এসে দাঁড়িয়েছি তা একদম খোলা আকাশের নীচে! আমার আর সওয়ারিদের মাঝে কোনো প্রতিবন্ধক হবে এমন কিছুই নেই।
এই মুহুর্তে আমি কুরআনের কিছু আয়াত পড়া শুরু করি। সাওয়ারি দুজন আমায় অতিক্রম করে সামনে গেলো। এদিকসেদিক কিছুক্ষণ খুঁজে আমায় না পেয়ে তাদের নিজ স্থানে ফিরে গেলো। যেতে যেতে একজন বলতে লাগলো, দেখলাম তো এখানেই ছিলো। এখন নেই! একদম গায়েব হয়ে গেলো কীভাবে!! এই লোকটা ‘দাইবালাহ’ (উন্দুলুসে শয়তানকে বলা হতো) ছাড়া কিছুই না।
ঘটনার আকস্মিকতা কিছুটা হকচকিয়ে গেলাম। পরে বুঝতে পারলাম। সেই আয়াতগুলোর বদৌলতে আল্লাহ এই জালিমদের চোখকে অন্ধ করে দিয়েছে। তাই তারা আমায় দেখতে পায়নি। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যই। (৩)
يسٓ ١ وَٱلۡقُرۡءَانِ ٱلۡحَكِيمِ ٢ إِنَّكَ لَمِنَ ٱلۡمُرۡسَلِينَ ٣ عَلَىٰ صِرَٰطٖ مُّسۡتَقِيمٖ ٤ تَنزِيلَ ٱلۡعَزِيزِ ٱلرَّحِيمِ ٥ لِتُنذِرَ قَوۡمٗا مَّآ أُنذِرَ ءَابَآؤُهُمۡ فَهُمۡ غَٰفِلُونَ ٦ لَقَدۡ حَقَّ ٱلۡقَوۡلُ عَلَىٰٓ أَكۡثَرِهِمۡ فَهُمۡ لَا يُؤۡمِنُونَ ٧ إِنَّا جَعَلۡنَا فِيٓ أَعۡنَٰقِهِمۡ أَغۡلَٰلٗا فَهِيَ إِلَى ٱلۡأَذۡقَانِ فَهُم مُّقۡمَحُونَ ٨ وَجَعَلۡنَا مِنۢ بَيۡنِ أَيۡدِيهِمۡ سَدّٗا وَمِنۡ خَلۡفِهِمۡ سَدّٗا فَأَغۡشَيۡنَٰهُمۡ فَهُمۡ لَا يُبۡصِرُونَ ٩

টীকা :
১] মুসনাদে আবি ইয়ালা : ৫৩; মুসতাদরাকে হাকেম : ৩৩৭৬, হাদিসটি উল্লেখ করার পর হাকেম রহ. লেখেন,
«هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحُ الْإِسْنَادِ وَلَمْ يُخْرِجَاهُ، (قال الذهبي : صحيح)
হাদিসের সনদ সহিহ।
আরো দেখুন তাফসিরে বাগাবী ৫/৯৭, দারে তাইয়িবা; তাফসিরে ইবনে কাসির ৩/৬৩, মুস্তফা আলখন তাহকিককৃত নুসখা
২] তাফসিরে ছালাবি ১৬/৩৫৩, দারুত তাফসির জেদ্দা। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ঘটনাটি তাফসিরে ছালাবিতে সনদসহ বর্ণিত হয়েছে। তবে সনদটি বেশ দূর্বল।
৩] তাফসিরে কুরতুবী ১০/২৬৯, দারুল কুতুব আল মিসরিয়্যাহ, আরো দেখুন, মুফতি শফী রহ. রচিত মাআরিফুল কুরআন থেকে সূরা বানী ইসরাইলের ৪৫ নং আয়াতের অধীনে।
43👍5
প্রবাসী ভাইদের রেমিটেন্সের এই যুদ্ধ দেখি খুবই ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে! বাস্তবিকই কী তারা এই যুদ্ধকে দীর্ঘমেয়াদি করতে পারবে? তাদের পরিবার কী একটু কষ্ট সহ্য করে এই যুদ্ধে তাদের সহযোগী হবে? যদি প্রশ্নগুলোর উত্তর ‘হা’ হয় তাহলে এই সরকার বড়ধরনের ঝামেলায় পড়তে যাচ্ছে এমনটাই নাকি বিশ্লেষকদের দাবী।

ভিডিও দেখতে পারেন প্রবাসী ভাইরা

https://youtu.be/fXSl6Ea9iig?si=SrTmPJgiLSE2Si04
👍1710
এদেশের হাজার যুবক বেকার আর ভারত আমাদের দেশে এত বেশি পরিমান চাকরি করে পাঁচ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স নিয়ে যাচ্ছে!

বাংলার মুসলমানকে ভারত ও ভারতের দালাল সরকার কীভাবে হত্যা করছে, অনিশ্চিত জীবনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে! জনতা কেন গর্জে উঠবে না!

বিস্তারিত :

https://www.dw.com/bn/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A7%AB-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%A1%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%B8-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F/a-68099043
😢17👍5🤬2
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
আওয়ামীলীগের অভ্যন্তরীণ গৃহবিবাদ,  নিয়ে কালবেলা একটি ভিডিও নিউজ করে। যা আওয়ামীলীগের বড় নেতারা স্বীকারও করেছে।
👍15
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
এই ভিডিওর মুগ্ধতা কবে নাগাদ কাটবে ঠিক জানিনা। ঘুম থেকে উঠার পর থেকেই শুধু দেখেই যাচ্ছি আর চিন্তা করছি এমন মায়ের গল্প তো শুধু গল্প উপন্যাসেই পড়েছি!

এমন তীব্র প্রাণ শক্তিকে শেষ না করতে পারলে কেউ ক্ষমতায় টিকতে পারবে না।
46🔥7
আপনাকে শুধু হত্যাই করবে না, আপনাকে হত্যা করে তা নিয়ে উপহাস করবে এই কু...
🤬32
জালেম জানার পরেও জালেমকে সাহায্য করা।

উওয়াস ইবনে শুরাহবিল রা. বলেন, আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি,
أن أوس بن شرحبيل أحد بني المجمع حدثه، أنه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «‌من ‌مشى ‌مع ‌ظالم ‌ليعينه وهو يعلم أنه ظالم، فقد خرج من الإسلام»

যে ব্যক্তি কাউকে জালেম জানার পরেও তাকে সাহায্য করার নিমিত্তে তার সাথে চলাফেরা করে তাহলে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে। -মুজামুল কাবির , তারগিব ওয়াত তারহিব, মাজমাউয যাওয়ায়িদ (১)

আল্লামা ফাইয়ুমী রহ. (মৃত্যু: ৮৭০ হি.) বলেন,
فقد خرج من الإسلام" أي: من دين الإسلام حتى يتوب ويرجع.
ইসলাম থেকে বের হয়ে যাবে যতক্ষন না তাওবা করে স্বীয় কাজ থেকে ফিরে আসে। -ফাতহুল করিবিল মুজিব আলাত তারগিব ওয়াত তারহিব
..
বি.দ্র.
১. জুলুমের মত এই অবৈধ কাজকে বৈধ মনে করে করতে হবে, জুলুম ও জালেমের সহযোগী হওয়া অবৈধ তা জানার পরেও সে এই কাজকে বৈধ মনে করে।

২. অবৈধ মনে করা এটা নিজের স্পষ্ট বক্তব্যের মাধ্যমেও হতে পারে আবার কখনো কর্মের মাধ্যমেও হতে পারে।

টিকা: হাইসামী রহ. বলেন,
وفي مجمع الزوائد (في كتاب الأحكام، باب فيمن أعان في خصومة) : رواه الطبراني في الكبير، وفيه عياش بن مؤنس، ولم أجد من ترجمه، وبقية رجاله وثقوا، وفي بعضهم كلام.
12👍5
দ্য মিরর আজ একটি বোম্বিং নিউজ করে, নিউজটি পড়ার পর থেকেই হাত পা ঠান্ডা হয়ে আছে। নিউজটির শিরোনাম ছিলো,

“‘র’ যেভাবে শেখ হাসিনার ‘ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্টে’ এগিয়ে এলো ”

লিংকের পুরো নিউজটি সকলের জন্য পড়া জরুরি। আমি একটি অংশ এখানে দিচ্ছি,

র’ ও শেখ হাসিনার ধারণা ছিল কারফিউ জারি ও ইন্টারনেট বন্ধ করে দিলে পুরো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে। কিন্তু শনিবার ঢাকায় কারফিউ ভেঙে মানুষ রাস্তায় নেমে আসে এবং অর্ধশত নিহত হয় বলে তথ্য যায় দিল্লিতে। একই সঙ্গে ‘র’ জানতে পারে আওয়ামী লীগের একাংশের নীরব সমর্থন রয়েছে আন্দোলনের প্রতি।

এ অবস্থায় শনিবার দিল্লি ও কলকাতায় একাধিক বৈঠক করে ভারতীয় নীতি নির্ধাকরা। পরামর্শ নেওয়া হয় বাংলাদেশের উপর নজর রাখা সাংবাদিক ও মালদ্বীপে বৈঠকে থাকা ওই দুই ভারতীয় সাবেক কূটনৈতিকেরও। বৈঠকে অনেকেই শেখ হাসিনার দিন শেষ মন্তব্যও করেন। কিন্তু তার মধ্যেই ‘র’ প্রধান বৈঠকে বার্তা একটি বার্তা পাঠায় ‘ প্রয়োজনে পূর্বে আরেকটা কাশ্মীর বানাও তবুও শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখো।’”


লিংক: https://bangla.themirrorasia.net/news/2024/07/30/2577?fbclid=IwZXh0bgNhZW0CMTEAAR3SuZLJF23RnK3PtJhWLhv37Gq82uya8jspJ0xbRFQpqRoAJkjTrGGWzA0_aem_MI7vksC6nHrUvRbcNJOlqQ
🤬31👍5
স্বৈরাচারী এই নাপাক সরকার সম্ভবত নিজের ক্ষমতা ছাড়ার আগে চূড়ান্তভাবে এদেশের আলেম সমাজকে বেইজ্জতি করার আগামীকাল একটি প্ল্যান বানিয়েছে! যাতে এদেশ নতুন করে স্বাধীন হওয়ার পর আলেমদের কোনো সম্মান ও ইজ্জত না থাকে। তরুন আলেমদের এই বিষয়ে চূড়ান্ত সচেতন থাকতে হবে। মুরব্বিরা শুধু এই কারনেই সম্মানিত যে, তারা দ্বীনের রক্ষক। কিন্তু দ্বীনের ক্ষতি করলে তাদের পাঁচ টাকার মূল্যও কারো কাছে নাই এটা জাতিকে যেমন বুঝাতে হবে, মুরব্বিদেরও বুঝিয়ে দিতে হবে। আগামীকাল যদি কেউ হাড্ডির লোভে কোনো মন্ত্রীদের দরবারে গিয়ে নিজেকে কুকুর মনে করে তাহলে তাকে তার প্রাপ্যটুকু দিতে হবে প্রথমে তার ছাত্রদেরই। আমার কোনো উস্তাদ বা সম্মানিত কেউ যদি কাল নিজেকে কুকুর প্রমান করতে যায় তাহলে আমিই ইনশাআল্লাহ তাকে প্রথমে বয়কট করবো। সরকার ভয় দেখিয়ে নিয়েছে, এসব ফালতু যুক্তির কোনো মানি হয় না। সুতরাং আমরা সেগুলো মানবোও না।

দ্বীনের ধারক হয়ে যে সম্মান পেয়েছেন সে সম্মান পুজি করে নিজের আখের গোছাবেন, উম্মাহের সামনে আপোষকামী হয়ে বা দালাল হয়ে দরসে বসে সালাফদের আপোষহীনতার কাহিনী শুনিয়ে তাদের উত্তরসূরী দাবী করে মৌজ মারাবে এগুলো হবে না আর ইনশাআল্লাহ।
👍8225🔥8🤡1
হামাসের প্রধান শহিদ হয়েছেন, ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন। এটা মুসলিম উম্মাহের জন্য অনেক দুঃসংবাদ। আমরা তার রুহের মাগফেরাত কামনা করি এবং তার যত ভুলত্রুটি রয়েছে তা যেনো আল্লাহ ক্ষমা করে দেন সে জন্য দোয়া করি।

তবে, এখন আমাদের পূর্ণ ফোকাস দিতে হবে স্বদেশী হিজরাইলের থেকে আমাদের ভাইদের মুক্তি ও রক্তের বদলা নেয়ার পিছনেই। ইসমাইল হানিয়া নিয়ে দীর্ঘ গবেষণা, ফেসবুকে কয়েকদিন শোক, এখন আমাদের এই সময় না। শোককে শিক্ষা ও বাস্তবতার রূপ না দিতে পারলে এতদিনে যা করেছি তা শুধুই ফ্যান্টাসি আর আবেগ ছাড়া কিছুই ছিলো না এমনটাই অনুমিত হবে। আল্লাহ আমাদের সঠিক কাজটি করার তাওফিক দান করুক, আমীন।
57👍17😁1