ইতিহাসের কিছু ট্রান্সজেকশন বা পালাবদলের সময় আসে, এটা বিভিন্ন কারনেই হতে পারে, বাকি অধিকাংশ সময় যেটা হয়—ক্ষমতাশীল শ্রেণীর অত্যাচার আর নিপীড়নে মানুষ অতিষ্ট হয়ে যায়। ফলে একজন মুক্তি দূতের অপেক্ষায় থাকে। ঠিক সে সময়টা মুক্তির পথ যে বা যারাই দেখাতে পারে মানুষ তাদের দিকেই ধাবিত হয় আর সেটার মাধ্যমেই সেই নেতা বিপ্লব করতে সক্ষম হয়।
বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত শ্রেণীটা (বা বলা যায় পুরো পৃথিবীর) আজ ঠিক ইতিহাসের এই কঠিন সময়ে দাঁড়িয়ে আছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য হাতের নাগালের বাহিরে, সুশিক্ষা নেই কোথাও, ভবিষ্যত সন্তানের চাকরি অনিশ্চিত, পদে পদে গোলামি আর ট্যাক্স, পেইড বিদ্যুতের মাধ্যমে লুটে নেয়া হচ্ছে টাকা, অর্থাৎ অধিকাংশ মধ্যবিত্ত মানুষের জীবন আজ না-মানুষের জীবনের পরিণত হয়েছে।
ঠিক, এই মুহুর্তে তারা মুক্তির পথ চেয়ে আছে, আর আল্লাহর নেজাম মতে এই দুনিয়ায় মুক্তির শুধুই দুটো পথ, মানুষকে সর্ব অর্থে আল্লাহর গোলামিতে ফিরিয়ে এনে মুক্তি দেয়াতে হবে। যেটাকে আরেকভাবে বললে—শরীয়ার ছায়াতলে মানুষকে এনে আল্লাহর ন্যায় ইনসাফের মাধ্যমে মুক্তি দেখাতে হবে। যা প্রতি যুগে নবীদের মাধ্যমে আল্লাহ করেছেন।
আর নাহয় কোনো তাগুত এসে মানুষকে এই জুলুম থেকে মুক্ত করে তার নিজের গোমালে পরিণত করবে। সেটা হয়, কোনো রাজাবাদশাহ বা শাসকের নামে হতে পারে, কোনো মিথ্যা ধর্মের নামে হতে পারে, কোনো মতদর্শের নামে হতে পারে।
তাই আলেম সমাজ ও দ্বীনের বিজয়ের স্বপ্ন দেখা ভাইরা যদি চিন্তা করি তীব্র সংকটের এই মুহুর্তে আমার আপনার দায়িত্বের পাল্লা বেড়েছে! আমি এখন মানুষকে কোন পথে মুক্তি করাবো ও নিজেকে মুক্ত করবে!
বড় দুঃখ লাগে যখন কোনো আলেম আর দায়ী ভাইদের দেখি, তারা এই সংকটের সময় মুক্তির এমন পথগুলোর কথাই বলেন যে পথ অবলম্বন করার ফলেই আজকের এই তীব্র সংকটে মানুষ পড়েছে! কোটা আন্দোলন বা আন্দোলনকারীদের সমর্থন দিয়ে আর আর তাদের পাশে দাঁড়িয়ে আপনি কখনৈ তাদেরকে আজকের এই অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে পারবেন না। এবং নিজেও মুক্ত হতে পারবেন না। তীব্র এই সংকটের সময় আপনার মুক্তির পথ হবে একমাত্র দ্বীনের সঠিক দাওয়া ও শরীয়ার বিজয়ের মাধ্যমে। তাই মানুশকে বুঝান তার এই জীবন থেকে একমাত্র মুক্তির পথ হলো ইসলাম ও ইসলামি শরীয়াহ।
বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত শ্রেণীটা (বা বলা যায় পুরো পৃথিবীর) আজ ঠিক ইতিহাসের এই কঠিন সময়ে দাঁড়িয়ে আছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য হাতের নাগালের বাহিরে, সুশিক্ষা নেই কোথাও, ভবিষ্যত সন্তানের চাকরি অনিশ্চিত, পদে পদে গোলামি আর ট্যাক্স, পেইড বিদ্যুতের মাধ্যমে লুটে নেয়া হচ্ছে টাকা, অর্থাৎ অধিকাংশ মধ্যবিত্ত মানুষের জীবন আজ না-মানুষের জীবনের পরিণত হয়েছে।
ঠিক, এই মুহুর্তে তারা মুক্তির পথ চেয়ে আছে, আর আল্লাহর নেজাম মতে এই দুনিয়ায় মুক্তির শুধুই দুটো পথ, মানুষকে সর্ব অর্থে আল্লাহর গোলামিতে ফিরিয়ে এনে মুক্তি দেয়াতে হবে। যেটাকে আরেকভাবে বললে—শরীয়ার ছায়াতলে মানুষকে এনে আল্লাহর ন্যায় ইনসাফের মাধ্যমে মুক্তি দেখাতে হবে। যা প্রতি যুগে নবীদের মাধ্যমে আল্লাহ করেছেন।
আর নাহয় কোনো তাগুত এসে মানুষকে এই জুলুম থেকে মুক্ত করে তার নিজের গোমালে পরিণত করবে। সেটা হয়, কোনো রাজাবাদশাহ বা শাসকের নামে হতে পারে, কোনো মিথ্যা ধর্মের নামে হতে পারে, কোনো মতদর্শের নামে হতে পারে।
তাই আলেম সমাজ ও দ্বীনের বিজয়ের স্বপ্ন দেখা ভাইরা যদি চিন্তা করি তীব্র সংকটের এই মুহুর্তে আমার আপনার দায়িত্বের পাল্লা বেড়েছে! আমি এখন মানুষকে কোন পথে মুক্তি করাবো ও নিজেকে মুক্ত করবে!
বড় দুঃখ লাগে যখন কোনো আলেম আর দায়ী ভাইদের দেখি, তারা এই সংকটের সময় মুক্তির এমন পথগুলোর কথাই বলেন যে পথ অবলম্বন করার ফলেই আজকের এই তীব্র সংকটে মানুষ পড়েছে! কোটা আন্দোলন বা আন্দোলনকারীদের সমর্থন দিয়ে আর আর তাদের পাশে দাঁড়িয়ে আপনি কখনৈ তাদেরকে আজকের এই অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে পারবেন না। এবং নিজেও মুক্ত হতে পারবেন না। তীব্র এই সংকটের সময় আপনার মুক্তির পথ হবে একমাত্র দ্বীনের সঠিক দাওয়া ও শরীয়ার বিজয়ের মাধ্যমে। তাই মানুশকে বুঝান তার এই জীবন থেকে একমাত্র মুক্তির পথ হলো ইসলাম ও ইসলামি শরীয়াহ।
❤20👍4❤🔥1
ক্ষমতা! জানিনা আজকের এই এত ত্যাগের বিনিময় আল্লাহ এদেশ বাসীকে কী দিবেন, তবে এতটুকু তো পুরো দেশের সকল পর্যায়ের ক্ষমতাসীনদের জন্য আল্লাহ নিদর্শন রেখেছেন যে, প্রচুর প্রতাপ আর ক্ষমতার আওয়ামী ছাত্রলীগ কী একসপ্তাহ আগেও ভেবেছিলো আজ এভাবে তাদেরকে মারা হবে? এভাবে হুমকির মুখে পড়বে তাদের জীবন ও ক্ষমতা? ঢাবির হলে গত এক দশক ধরে ছাত্রদের উপর অত্যাচার চালানো কুলাঙ্গরগুলো একটিবারও কী ভেবেছিলো ওদেরকে এভাবে 'নিরিহ' মনে করা ছেলেগুলো কুকুরের মত তুর তুর করে তাড়িয়ে দিবে? ওদের ক্ষমতার অবসান করে ছাড়বে! ভাবেনি! কিন্তু আজ ওদের তাই দেখতে হলো।
আল্লাহর একটি সুন্নাহ হলো জালেম যখন সর্বদিক থেকে নিশ্চিত হয়ে যায়—সে অজেয়, ঠিক তখনই আল্লাহর ফায়সালা আসতে শুরু করে। ফেরাউন তাড়া করার সময় ভাবেনি আজকেই তার শেষ, আবু জাহেল মক্কা থেকে বের হয়েও ভাবেনি তার চূড়ান্ত ইতিই হবে এই সফর!
আমার আল্লাহর ক্ষমতাই চূড়ান্ত। আমি ঈমান আনলাম আমার রবের সমস্ত সিফাতের উপর, আমি ঈমান আনলাম আল্লাহই একমাত্র ক্ষমতাশীল, তিনিই ধনী আর বাকি সব গরিব! ইয়া আল্লাহ! ইয়া কাদের! তুমিই আমাদের চূড়ান্ত আশ্রয়, আমাদের দেশের ইসলামের জন্য ও মুসলমানদের জন্য খায়েরের ফায়সালা করো। আমীন।
আল্লাহর একটি সুন্নাহ হলো জালেম যখন সর্বদিক থেকে নিশ্চিত হয়ে যায়—সে অজেয়, ঠিক তখনই আল্লাহর ফায়সালা আসতে শুরু করে। ফেরাউন তাড়া করার সময় ভাবেনি আজকেই তার শেষ, আবু জাহেল মক্কা থেকে বের হয়েও ভাবেনি তার চূড়ান্ত ইতিই হবে এই সফর!
আমার আল্লাহর ক্ষমতাই চূড়ান্ত। আমি ঈমান আনলাম আমার রবের সমস্ত সিফাতের উপর, আমি ঈমান আনলাম আল্লাহই একমাত্র ক্ষমতাশীল, তিনিই ধনী আর বাকি সব গরিব! ইয়া আল্লাহ! ইয়া কাদের! তুমিই আমাদের চূড়ান্ত আশ্রয়, আমাদের দেশের ইসলামের জন্য ও মুসলমানদের জন্য খায়েরের ফায়সালা করো। আমীন।
❤44👍9
এতগুলো লাশের বোঝা মাথায় নিয়ে এদেশ কবে আবার তার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যাবে, এই প্রশ্নের উত্তর কী হবে কারো কাছে?
😭24👍3🤡1
নেট এসেছে অল্প কিছুক্ষণ হয়েছে, কোটা আন্দোলনের সমন্বয়কারীদের একেকটি বিবৃতি দেখে চোখে পানি চলে আসছে! কেন এমন হচ্ছে, নিজেও জানি না।
😢36👍1
"অবস্থা নিয়ন্ত্রণ না করতে পারলে ভারতের কাছে সাহায্য চাইতে পারে বাংলাদেশ"
নিউজটা পড়ে শুধু আতকে উঠলাম আর চোখের সামনে ভেসে উঠলো গুজরাট আর কাশ্মীরের কিছু ভয়াল চিত্র!
নিউজটা পড়ে শুধু আতকে উঠলাম আর চোখের সামনে ভেসে উঠলো গুজরাট আর কাশ্মীরের কিছু ভয়াল চিত্র!
😢49😨2
তথ্য দিয়ে সাহায্য করুন, এটা অত্যান্ত জরুরি।
https://shohid.info/?fbclid=IwZXh0bgNhZW0CMTAAAR3XSX8g8M6_U5TCw-eh-U98FB-bJH3N5FPMEgoxccOZ0gm5gSUF1FSXfOE_aem_CbA7zwvXvzUjb2Ctqf3COw
https://shohid.info/?fbclid=IwZXh0bgNhZW0CMTAAAR3XSX8g8M6_U5TCw-eh-U98FB-bJH3N5FPMEgoxccOZ0gm5gSUF1FSXfOE_aem_CbA7zwvXvzUjb2Ctqf3COw
👍6
ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় ইউটিউবার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক দ্যা দেশভক্ত বাংলাদেশের চলমান ইস্যু নিয়ে চমৎকার ভিডিও করেছে। দেখতে পারেন।
https://www.youtube.com/watch?v=YK1pIuPsl9I
https://www.youtube.com/watch?v=YK1pIuPsl9I
YouTube
Pt.1 - Bangladesh On Boil | What Is 'Dictator' Sheikh Hasina Afraid Of | Akash Banerjee & Adwaith
Its the WORST crisis in the career of Sheikh Hasina - the undeclared Dictator of Bangladesh. Students have paid the ultimate price - fighting back a reservation system that makes no sense to them.... ultimate even Dictator Hasina had to step back....
But…
But…
👍15❤2
এদেশের হাজারো লাশ আর তার থেকেও বহুগুন বেশি আহত, তারো থেকে শতগুন বেশি মানুষ জেলে, তাদের পরিবার আজ অনিশ্চিত ভবিষ্যতে, এসবকিছু থেকে মেট্রোরেলের ভবনের দাম বেশি, তার জন্য চোখের পানি ফেলতে হবে, সেটার জন্য আরো বেশি মানুষকে হত্যা করতে হবে!
😢37👍1
নিজেদের দীর্ঘদিনের ভৃত্যদের ঝেড়ে ফেলার নয়া কৌশল!
ছাত্রলীগ নেতা যাদের মাধ্যমে এবার কাজ হয়নি তাদেরকে ছুড়ে ফেলার নতুন কৌশল সম্ভবত এগুলো!
https://www.youtube.com/watch?v=Z3y7UpNIX5w
ছাত্রলীগ নেতা যাদের মাধ্যমে এবার কাজ হয়নি তাদেরকে ছুড়ে ফেলার নতুন কৌশল সম্ভবত এগুলো!
https://www.youtube.com/watch?v=Z3y7UpNIX5w
YouTube
ছাত্রলীগের তিন নেতার ভূমিকা ‘রহস্যময়’ | chhatra league | BCL President Saddam | Kalbela
#kalbela #quotaandolon #quotaprotest #studentprotest #saddamchhatraleague #bclpresident
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনে ছাত্রলীগের শীর্ষ তিন নেতার ‘রহস্যময়’ ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ক্ষমতাসীন দলের সহযোগী সংগঠনের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়…
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনে ছাত্রলীগের শীর্ষ তিন নেতার ‘রহস্যময়’ ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ক্ষমতাসীন দলের সহযোগী সংগঠনের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়…
👍1
রেমিটেন্স শর্টডাউন সরকারের মাঝে যাষ্ট আগুন ধরিয়ে দিয়েছে! প্রবাসী ভাইরা কী এএই আগুনে পেট্রোল দিতে পারবে! তবে প্রবাসী ভাইদের এই কাজে সবচেয়ে বড় সহযোগী হতে হবে তাদের পরিবারের!
🔥25👍5
সন্তানের মৃত্যু বেশি কষ্টের, নাকি সন্তানের হত্যাকারীদের বুকে গিয়ে কান্না করা, তাদের থেকে ছেলের রক্তের বিনিময় নেয়া এবং সবকিছু মুখ বুঝে সহ্য করা বেশি কষ্টের?
👍10😢5
জালেমের চোখে পর্দা ফেলে দেয় যে আমল :
(যেকোনো আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ভাইরা আমলটি থেকে উপকৃত হতে পারেন ইনশাআল্লাহ, আন্দোলনে একা না গিয়ে আল্লাহকে সাথে নিয়ে যান।)
পৃথিবীতে মানুষের বহুরকম শ্রেণি প্রকারের একটি হলো ‘জালেম ও মজলুম’। জালেম জুলুম করে আর মজলুম সে জুলুমের শিকার হয়। জুলুমের সবচেয়ে কঠিনতম একটি হলো দুনিয়ার কোনো শক্তিশালী ব্যক্তির রোষানলে পতিত হওয়া। আর সে শক্তিশালী যদি শাসক হয় তাহলে জীবনে কতটা দুঃখ আর কষ্টের হয় তা কাউকে ভেঙ্গে বলার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না।
বর্তমানে কত মানুষ কতভাবে জালেমের রোষনলে পড়ে। কোনো অন্যায় ছাড়াই বিভিন্ন কারণে প্রশাসনের হাতে হেনস্তার শিকার হয় কত শত মানুষ। কারো মিথ্যা মামলায় বা সন্দেহের জের ধরে একবার আইনের গ্যাঁড়াকলে পড়লে জীবনের দুঃখ কষ্টের আর সীমা থাকে না। শুধু প্রশাসনই নয়, স্থানীয় কত শক্তিশালীদের হাতে কত শত জুলুমের শিকার হয় কত মানুষ। ধরে নিয়ে গিয়ে অত্যাচার আর ঘুম-খুনের ঘটনা তো নিত্যদিন আমরা দেখতে পাচ্ছি হারহামেশা। এছাড়াও সময়ে সময়ে কত জালেমের হাত থেকে বাঁচতে কত পেরেশানিতে নিপাতিত থাকতে হয় আর এতে জীবনের স্বাভাবিক একটু শান্তিও যে পূর্ণ উদাও হয়ে যায়, তা যিনি একবার এমন বিপদে পড়েছেন তিনি বুঝবেন।
জালেমের এমন কষ্টের হাত থেকে বাঁচতে কুরআনের কয়েকটি আয়াত হতে পারে একজন মজলুমের অনেক বড় একটি হাতিয়ার। যুগে যুগে এই আয়াত পড়ে উপকার পেয়েছেন অসংখ্য মানুষ! আয়াতগুলো হয়েছেন জালেমের হাত থেকে বাঁচার জন্য তাদের বিশাল হাতিয়ার। যা তাদেরকে রক্ষা করেছেন দুনিয়াবি আসবাব-উপকরনের উর্ধ্বে উঠে। যখন আর কোন আসবাব অবলম্ভন করে আর কিছুই সম্ভব হচ্ছিলো না, ঠিক তখনই এই আয়াতগুলো তাদেরকে রক্ষা করেছে আল্লাহর ইচ্ছায়। আসুন সে আয়াতগুলো জানা যাক। আচ্ছা, তার আগে ঘটনাগুলো একটু শুনে নেই, যাতে আয়াতগুলোর বাস্তবতা আরো ভালোভাবে আমাদের সামনে স্পষ্ট হয়।
প্রথমেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ঘটা একটি ঘটনা শুনুন। সূরা লাহাব অবতীর্ন হয়। সেখানে আবু লাহাব ও তার স্ত্রীকে চূড়ান্ত পর্যায়ের অভিশপ্ত ঘোষণা করা হয়। এই সূরার খবর শূনে তো আবু লাহাবের স্ত্রী উম্মে জামিল আরওয়া বিনতে হারব বেজায় রাগান্বিত হয়ে যায়। সে একটি পাথর নিয়ে বের হয় মুহাম্মদের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খোঁজে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত আবু বকর রা.কে নিয়ে মসজিদে বসে ছিলেন। এমন সময় দূর থেকে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গালি দিতে দিতে সে মহিলা আসতে লাগলো। তাকে আসতে দেখে আবু বকর রা. ভয় পেয়ে গেলেন। জানেন, মহিলাটি রাসুলকে দেখলেই কষ্ট দিবে। তাই বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! বিনতে হারব তো আসছে। সে আপনাকে দেখে ফেলবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শান্তভাবেই বসে রইলে। আবু বকরের পেরেশানি দেখে বললেন, আবু বকর! সে কিছুতেই আমাকে দেখবে না। এটা বলেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআনের একটি আয়াত পড়ে সেখানেই অবস্থান করলেন। আরওয়া বিনতে হারব আবু বকরের সামনে এসে দাঁড়ালো। কিন্তু রাসূলকে দেখতে পেলো না! রাসূলকে না পেয়ে আবু বকরকে উদ্দেশ্য করে বললো, তোমার সাথী আমাকে নিয়ে ব্যাঙ্গ-বিদ্রুপ করেছে, আমি তোমাকে জানিয়ে রাখলাম (এটার পরিনাম কিন্তু ভালো হবে না)। আবু বকর রা. বললেন, কাবার রবের কসম, তিনি তোমাকে নিয়ে ব্যাঙ্গ করেননি। হযরত আবু বকররের উত্তর শুনে রাগে-ক্ষোভে আবু লাহাবের স্ত্রী এই কথা বলতে বলতে সেখান থেকে চলে গেলো, ‘পুরো কুরাইশ জানে আমি সর্দারের মেয়ে! (১)
এবার একজন সাহাবীর অভিজ্ঞতা কথা শূনে নেওয়া যাক। হযরত কা’ব রা. শামের একজন লোককে সেই আয়াতগুলোর কার্যকরিকতা সম্পর্কে বললেন। সে লোক রাতে গোপনে রোমে গেলো। এবং সেখানে কিছুদিন অবস্থান করলো। একদিন সে ধরা খেয়ে গেলো। আর সেখান থেকে পলায়ন করলো। তাকে ধরতে রোমের সেনাবাহিনী ধাওয়া করলো। একসময় লোকটিকে সেনাবাহিনী ঘেরাওতে ফেলে দিলো। লোকটি সেই আয়াতগুলো পড়তে লাগলেন। এবং সেনাবিনীর ঘেরাও থেকে বের হয়ে গেলেন কিন্তু তাকে তারা দেখতে পারলো না।(২)
কালবি রহ. বলেন, আমি এই আয়াতগুলো উপকারিতা রায় শহরের এক লোককে বলি। সে রাতের গোপনে দাইলাম শহরে যায়। সেখানে স্থানীয় প্রশাসনের হাতে ধরা পড়ে যায়। তাকে খুঁজতে প্রশাসনের লোকেরা আসলে সে আয়াতগুলো পড়তে লাগলো। প্রশাসনের বাহিনী তাকে খুঁজতে খুঁজতে এতটাই নিকটে চলে আসলো যে, লোকটির শরীরের কাপড় আর বাহিনীর লোকের কাপড় একটি অপরটির সাথে স্পর্শ করতে লাগলো, কিন্তু প্রশাসনের লোকেরা তাকে দেখতে পেলো না! (৩)
আয়াতটি কী? খুবই সংক্ষিপ্ত ও ছোট একটি আয়াত। এক বসায় মুখস্থ করে ফেলা যায়। একদম সহজ। আয়াতটি হলো সূরা বানী ইসরাঈলের।
وَإِذَا قَرَأۡتَ ٱلۡقُرۡءَانَ جَعَلۡنَا بَيۡنَكَ وَبَيۡنَ ٱلَّذِينَ لَا يُؤۡمِنُونَ بِٱلۡأٓخِرَةِ حِجَابٗا مَّسۡتُورٗا
যখন তুমি কুরআন পড়ো, তখন আমি তোমার মাঝে ও যারা আখেরাতে ঈমান রাখে না তাদের মাঝে এক অদৃশ্য পর্দা রেখে দেই। -সূরা বানী ইসরাঈল : ৪৫
(যেকোনো আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ভাইরা আমলটি থেকে উপকৃত হতে পারেন ইনশাআল্লাহ, আন্দোলনে একা না গিয়ে আল্লাহকে সাথে নিয়ে যান।)
পৃথিবীতে মানুষের বহুরকম শ্রেণি প্রকারের একটি হলো ‘জালেম ও মজলুম’। জালেম জুলুম করে আর মজলুম সে জুলুমের শিকার হয়। জুলুমের সবচেয়ে কঠিনতম একটি হলো দুনিয়ার কোনো শক্তিশালী ব্যক্তির রোষানলে পতিত হওয়া। আর সে শক্তিশালী যদি শাসক হয় তাহলে জীবনে কতটা দুঃখ আর কষ্টের হয় তা কাউকে ভেঙ্গে বলার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না।
বর্তমানে কত মানুষ কতভাবে জালেমের রোষনলে পড়ে। কোনো অন্যায় ছাড়াই বিভিন্ন কারণে প্রশাসনের হাতে হেনস্তার শিকার হয় কত শত মানুষ। কারো মিথ্যা মামলায় বা সন্দেহের জের ধরে একবার আইনের গ্যাঁড়াকলে পড়লে জীবনের দুঃখ কষ্টের আর সীমা থাকে না। শুধু প্রশাসনই নয়, স্থানীয় কত শক্তিশালীদের হাতে কত শত জুলুমের শিকার হয় কত মানুষ। ধরে নিয়ে গিয়ে অত্যাচার আর ঘুম-খুনের ঘটনা তো নিত্যদিন আমরা দেখতে পাচ্ছি হারহামেশা। এছাড়াও সময়ে সময়ে কত জালেমের হাত থেকে বাঁচতে কত পেরেশানিতে নিপাতিত থাকতে হয় আর এতে জীবনের স্বাভাবিক একটু শান্তিও যে পূর্ণ উদাও হয়ে যায়, তা যিনি একবার এমন বিপদে পড়েছেন তিনি বুঝবেন।
জালেমের এমন কষ্টের হাত থেকে বাঁচতে কুরআনের কয়েকটি আয়াত হতে পারে একজন মজলুমের অনেক বড় একটি হাতিয়ার। যুগে যুগে এই আয়াত পড়ে উপকার পেয়েছেন অসংখ্য মানুষ! আয়াতগুলো হয়েছেন জালেমের হাত থেকে বাঁচার জন্য তাদের বিশাল হাতিয়ার। যা তাদেরকে রক্ষা করেছেন দুনিয়াবি আসবাব-উপকরনের উর্ধ্বে উঠে। যখন আর কোন আসবাব অবলম্ভন করে আর কিছুই সম্ভব হচ্ছিলো না, ঠিক তখনই এই আয়াতগুলো তাদেরকে রক্ষা করেছে আল্লাহর ইচ্ছায়। আসুন সে আয়াতগুলো জানা যাক। আচ্ছা, তার আগে ঘটনাগুলো একটু শুনে নেই, যাতে আয়াতগুলোর বাস্তবতা আরো ভালোভাবে আমাদের সামনে স্পষ্ট হয়।
প্রথমেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ঘটা একটি ঘটনা শুনুন। সূরা লাহাব অবতীর্ন হয়। সেখানে আবু লাহাব ও তার স্ত্রীকে চূড়ান্ত পর্যায়ের অভিশপ্ত ঘোষণা করা হয়। এই সূরার খবর শূনে তো আবু লাহাবের স্ত্রী উম্মে জামিল আরওয়া বিনতে হারব বেজায় রাগান্বিত হয়ে যায়। সে একটি পাথর নিয়ে বের হয় মুহাম্মদের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খোঁজে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত আবু বকর রা.কে নিয়ে মসজিদে বসে ছিলেন। এমন সময় দূর থেকে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গালি দিতে দিতে সে মহিলা আসতে লাগলো। তাকে আসতে দেখে আবু বকর রা. ভয় পেয়ে গেলেন। জানেন, মহিলাটি রাসুলকে দেখলেই কষ্ট দিবে। তাই বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! বিনতে হারব তো আসছে। সে আপনাকে দেখে ফেলবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শান্তভাবেই বসে রইলে। আবু বকরের পেরেশানি দেখে বললেন, আবু বকর! সে কিছুতেই আমাকে দেখবে না। এটা বলেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআনের একটি আয়াত পড়ে সেখানেই অবস্থান করলেন। আরওয়া বিনতে হারব আবু বকরের সামনে এসে দাঁড়ালো। কিন্তু রাসূলকে দেখতে পেলো না! রাসূলকে না পেয়ে আবু বকরকে উদ্দেশ্য করে বললো, তোমার সাথী আমাকে নিয়ে ব্যাঙ্গ-বিদ্রুপ করেছে, আমি তোমাকে জানিয়ে রাখলাম (এটার পরিনাম কিন্তু ভালো হবে না)। আবু বকর রা. বললেন, কাবার রবের কসম, তিনি তোমাকে নিয়ে ব্যাঙ্গ করেননি। হযরত আবু বকররের উত্তর শুনে রাগে-ক্ষোভে আবু লাহাবের স্ত্রী এই কথা বলতে বলতে সেখান থেকে চলে গেলো, ‘পুরো কুরাইশ জানে আমি সর্দারের মেয়ে! (১)
এবার একজন সাহাবীর অভিজ্ঞতা কথা শূনে নেওয়া যাক। হযরত কা’ব রা. শামের একজন লোককে সেই আয়াতগুলোর কার্যকরিকতা সম্পর্কে বললেন। সে লোক রাতে গোপনে রোমে গেলো। এবং সেখানে কিছুদিন অবস্থান করলো। একদিন সে ধরা খেয়ে গেলো। আর সেখান থেকে পলায়ন করলো। তাকে ধরতে রোমের সেনাবাহিনী ধাওয়া করলো। একসময় লোকটিকে সেনাবাহিনী ঘেরাওতে ফেলে দিলো। লোকটি সেই আয়াতগুলো পড়তে লাগলেন। এবং সেনাবিনীর ঘেরাও থেকে বের হয়ে গেলেন কিন্তু তাকে তারা দেখতে পারলো না।(২)
কালবি রহ. বলেন, আমি এই আয়াতগুলো উপকারিতা রায় শহরের এক লোককে বলি। সে রাতের গোপনে দাইলাম শহরে যায়। সেখানে স্থানীয় প্রশাসনের হাতে ধরা পড়ে যায়। তাকে খুঁজতে প্রশাসনের লোকেরা আসলে সে আয়াতগুলো পড়তে লাগলো। প্রশাসনের বাহিনী তাকে খুঁজতে খুঁজতে এতটাই নিকটে চলে আসলো যে, লোকটির শরীরের কাপড় আর বাহিনীর লোকের কাপড় একটি অপরটির সাথে স্পর্শ করতে লাগলো, কিন্তু প্রশাসনের লোকেরা তাকে দেখতে পেলো না! (৩)
আয়াতটি কী? খুবই সংক্ষিপ্ত ও ছোট একটি আয়াত। এক বসায় মুখস্থ করে ফেলা যায়। একদম সহজ। আয়াতটি হলো সূরা বানী ইসরাঈলের।
وَإِذَا قَرَأۡتَ ٱلۡقُرۡءَانَ جَعَلۡنَا بَيۡنَكَ وَبَيۡنَ ٱلَّذِينَ لَا يُؤۡمِنُونَ بِٱلۡأٓخِرَةِ حِجَابٗا مَّسۡتُورٗا
যখন তুমি কুরআন পড়ো, তখন আমি তোমার মাঝে ও যারা আখেরাতে ঈমান রাখে না তাদের মাঝে এক অদৃশ্য পর্দা রেখে দেই। -সূরা বানী ইসরাঈল : ৪৫
❤17👍3
খুবই সংক্ষিপ্ত না। তবে এই আমলটি আরো বেশি কার্যকর করার জন্য সাথে আরোপ কয়েকটি সহজ আয়াত যুক্ত করে নিলে ফল বেশি পাওয়া যাবে। সে আয়াতগুলো হলো সূরা ইয়াসীনের প্রথম নয়টি আয়াত। একদম সহজ। বহু মানুষই পারি। অথবা ছোট বেলায় মক্তবে মুখস্ত করেছিলাম। হয়তো ভুলে গেছি। এখন একবার চাইলেই মুখস্ত করে ফেলা যাবে। আর আগে না থাকলে এখন একদম সহজে মুখস্থ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। আচ্ছা মুখস্ত করার আগে একজন মহান ইমামের মুখেই সে ঘটনাটি শুনুন।
ইমাম কুরতুবি রহ. (মৃত্যু : ৬৭১ হি.)। নিজ যুগের একজন মহান ব্যক্তিত্ব। যার ইলমি খিদমত থেকে তার যুগ থেকে নিয়ে আজ পর্যন্ত কোটি কোটি মুসলিম উপকৃত হচ্ছে। তিনি উপরে যে শেষের দুটো ঘটনা উল্লেখ করেছি তা উল্লেখ করে নিজ জীবনের একটি বাস্তব অভিজ্ঞতা লেখেন। তিনি বলেন, আমি তখন কর্ডোবার মানসুর কেল্লায় অবস্থান করছিলাম। সেখানে একদল শত্রু যারা আমার ক্ষতি করতে চাচ্ছিলো আমি তাদের থেকে পালাচ্ছিলাম। তাদের রোষানল থেকে বাঁচতে আমি দৌঁড় দিয়ে কেল্লায় এক কোনায় গিয়ে আত্মগোপন করলাম। একটু পড়েই দুজন শত্রুপক্ষের দুজন ঘোরসওয়ার আমার দিকে লক্ষ্য করে ছুটে আসছে। আমি তখন অনুভব করলাম যেখানে আমি আত্মগোপনে এসে দাঁড়িয়েছি তা একদম খোলা আকাশের নীচে! আমার আর সওয়ারিদের মাঝে কোনো প্রতিবন্ধক হবে এমন কিছুই নেই।
এই মুহুর্তে আমি কুরআনের কিছু আয়াত পড়া শুরু করি। সাওয়ারি দুজন আমায় অতিক্রম করে সামনে গেলো। এদিকসেদিক কিছুক্ষণ খুঁজে আমায় না পেয়ে তাদের নিজ স্থানে ফিরে গেলো। যেতে যেতে একজন বলতে লাগলো, দেখলাম তো এখানেই ছিলো। এখন নেই! একদম গায়েব হয়ে গেলো কীভাবে!! এই লোকটা ‘দাইবালাহ’ (উন্দুলুসে শয়তানকে বলা হতো) ছাড়া কিছুই না।
ঘটনার আকস্মিকতা কিছুটা হকচকিয়ে গেলাম। পরে বুঝতে পারলাম। সেই আয়াতগুলোর বদৌলতে আল্লাহ এই জালিমদের চোখকে অন্ধ করে দিয়েছে। তাই তারা আমায় দেখতে পায়নি। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যই। (৩)
يسٓ ١ وَٱلۡقُرۡءَانِ ٱلۡحَكِيمِ ٢ إِنَّكَ لَمِنَ ٱلۡمُرۡسَلِينَ ٣ عَلَىٰ صِرَٰطٖ مُّسۡتَقِيمٖ ٤ تَنزِيلَ ٱلۡعَزِيزِ ٱلرَّحِيمِ ٥ لِتُنذِرَ قَوۡمٗا مَّآ أُنذِرَ ءَابَآؤُهُمۡ فَهُمۡ غَٰفِلُونَ ٦ لَقَدۡ حَقَّ ٱلۡقَوۡلُ عَلَىٰٓ أَكۡثَرِهِمۡ فَهُمۡ لَا يُؤۡمِنُونَ ٧ إِنَّا جَعَلۡنَا فِيٓ أَعۡنَٰقِهِمۡ أَغۡلَٰلٗا فَهِيَ إِلَى ٱلۡأَذۡقَانِ فَهُم مُّقۡمَحُونَ ٨ وَجَعَلۡنَا مِنۢ بَيۡنِ أَيۡدِيهِمۡ سَدّٗا وَمِنۡ خَلۡفِهِمۡ سَدّٗا فَأَغۡشَيۡنَٰهُمۡ فَهُمۡ لَا يُبۡصِرُونَ ٩
টীকা :
১] মুসনাদে আবি ইয়ালা : ৫৩; মুসতাদরাকে হাকেম : ৩৩৭৬, হাদিসটি উল্লেখ করার পর হাকেম রহ. লেখেন,
«هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحُ الْإِسْنَادِ وَلَمْ يُخْرِجَاهُ، (قال الذهبي : صحيح)
হাদিসের সনদ সহিহ।
আরো দেখুন তাফসিরে বাগাবী ৫/৯৭, দারে তাইয়িবা; তাফসিরে ইবনে কাসির ৩/৬৩, মুস্তফা আলখন তাহকিককৃত নুসখা
২] তাফসিরে ছালাবি ১৬/৩৫৩, দারুত তাফসির জেদ্দা। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ঘটনাটি তাফসিরে ছালাবিতে সনদসহ বর্ণিত হয়েছে। তবে সনদটি বেশ দূর্বল।
৩] তাফসিরে কুরতুবী ১০/২৬৯, দারুল কুতুব আল মিসরিয়্যাহ, আরো দেখুন, মুফতি শফী রহ. রচিত মাআরিফুল কুরআন থেকে সূরা বানী ইসরাইলের ৪৫ নং আয়াতের অধীনে।
ইমাম কুরতুবি রহ. (মৃত্যু : ৬৭১ হি.)। নিজ যুগের একজন মহান ব্যক্তিত্ব। যার ইলমি খিদমত থেকে তার যুগ থেকে নিয়ে আজ পর্যন্ত কোটি কোটি মুসলিম উপকৃত হচ্ছে। তিনি উপরে যে শেষের দুটো ঘটনা উল্লেখ করেছি তা উল্লেখ করে নিজ জীবনের একটি বাস্তব অভিজ্ঞতা লেখেন। তিনি বলেন, আমি তখন কর্ডোবার মানসুর কেল্লায় অবস্থান করছিলাম। সেখানে একদল শত্রু যারা আমার ক্ষতি করতে চাচ্ছিলো আমি তাদের থেকে পালাচ্ছিলাম। তাদের রোষানল থেকে বাঁচতে আমি দৌঁড় দিয়ে কেল্লায় এক কোনায় গিয়ে আত্মগোপন করলাম। একটু পড়েই দুজন শত্রুপক্ষের দুজন ঘোরসওয়ার আমার দিকে লক্ষ্য করে ছুটে আসছে। আমি তখন অনুভব করলাম যেখানে আমি আত্মগোপনে এসে দাঁড়িয়েছি তা একদম খোলা আকাশের নীচে! আমার আর সওয়ারিদের মাঝে কোনো প্রতিবন্ধক হবে এমন কিছুই নেই।
এই মুহুর্তে আমি কুরআনের কিছু আয়াত পড়া শুরু করি। সাওয়ারি দুজন আমায় অতিক্রম করে সামনে গেলো। এদিকসেদিক কিছুক্ষণ খুঁজে আমায় না পেয়ে তাদের নিজ স্থানে ফিরে গেলো। যেতে যেতে একজন বলতে লাগলো, দেখলাম তো এখানেই ছিলো। এখন নেই! একদম গায়েব হয়ে গেলো কীভাবে!! এই লোকটা ‘দাইবালাহ’ (উন্দুলুসে শয়তানকে বলা হতো) ছাড়া কিছুই না।
ঘটনার আকস্মিকতা কিছুটা হকচকিয়ে গেলাম। পরে বুঝতে পারলাম। সেই আয়াতগুলোর বদৌলতে আল্লাহ এই জালিমদের চোখকে অন্ধ করে দিয়েছে। তাই তারা আমায় দেখতে পায়নি। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্যই। (৩)
يسٓ ١ وَٱلۡقُرۡءَانِ ٱلۡحَكِيمِ ٢ إِنَّكَ لَمِنَ ٱلۡمُرۡسَلِينَ ٣ عَلَىٰ صِرَٰطٖ مُّسۡتَقِيمٖ ٤ تَنزِيلَ ٱلۡعَزِيزِ ٱلرَّحِيمِ ٥ لِتُنذِرَ قَوۡمٗا مَّآ أُنذِرَ ءَابَآؤُهُمۡ فَهُمۡ غَٰفِلُونَ ٦ لَقَدۡ حَقَّ ٱلۡقَوۡلُ عَلَىٰٓ أَكۡثَرِهِمۡ فَهُمۡ لَا يُؤۡمِنُونَ ٧ إِنَّا جَعَلۡنَا فِيٓ أَعۡنَٰقِهِمۡ أَغۡلَٰلٗا فَهِيَ إِلَى ٱلۡأَذۡقَانِ فَهُم مُّقۡمَحُونَ ٨ وَجَعَلۡنَا مِنۢ بَيۡنِ أَيۡدِيهِمۡ سَدّٗا وَمِنۡ خَلۡفِهِمۡ سَدّٗا فَأَغۡشَيۡنَٰهُمۡ فَهُمۡ لَا يُبۡصِرُونَ ٩
টীকা :
১] মুসনাদে আবি ইয়ালা : ৫৩; মুসতাদরাকে হাকেম : ৩৩৭৬, হাদিসটি উল্লেখ করার পর হাকেম রহ. লেখেন,
«هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحُ الْإِسْنَادِ وَلَمْ يُخْرِجَاهُ، (قال الذهبي : صحيح)
হাদিসের সনদ সহিহ।
আরো দেখুন তাফসিরে বাগাবী ৫/৯৭, দারে তাইয়িবা; তাফসিরে ইবনে কাসির ৩/৬৩, মুস্তফা আলখন তাহকিককৃত নুসখা
২] তাফসিরে ছালাবি ১৬/৩৫৩, দারুত তাফসির জেদ্দা। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ঘটনাটি তাফসিরে ছালাবিতে সনদসহ বর্ণিত হয়েছে। তবে সনদটি বেশ দূর্বল।
৩] তাফসিরে কুরতুবী ১০/২৬৯, দারুল কুতুব আল মিসরিয়্যাহ, আরো দেখুন, মুফতি শফী রহ. রচিত মাআরিফুল কুরআন থেকে সূরা বানী ইসরাইলের ৪৫ নং আয়াতের অধীনে।
❤43👍5
প্রবাসী ভাইদের রেমিটেন্সের এই যুদ্ধ দেখি খুবই ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে! বাস্তবিকই কী তারা এই যুদ্ধকে দীর্ঘমেয়াদি করতে পারবে? তাদের পরিবার কী একটু কষ্ট সহ্য করে এই যুদ্ধে তাদের সহযোগী হবে? যদি প্রশ্নগুলোর উত্তর ‘হা’ হয় তাহলে এই সরকার বড়ধরনের ঝামেলায় পড়তে যাচ্ছে এমনটাই নাকি বিশ্লেষকদের দাবী।
ভিডিও দেখতে পারেন প্রবাসী ভাইরা
https://youtu.be/fXSl6Ea9iig?si=SrTmPJgiLSE2Si04
ভিডিও দেখতে পারেন প্রবাসী ভাইরা
https://youtu.be/fXSl6Ea9iig?si=SrTmPJgiLSE2Si04
👍17❤10
এদেশের হাজার যুবক বেকার আর ভারত আমাদের দেশে এত বেশি পরিমান চাকরি করে পাঁচ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স নিয়ে যাচ্ছে!
বাংলার মুসলমানকে ভারত ও ভারতের দালাল সরকার কীভাবে হত্যা করছে, অনিশ্চিত জীবনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে! জনতা কেন গর্জে উঠবে না!
বিস্তারিত :
https://www.dw.com/bn/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A7%AB-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%A1%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%B8-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F/a-68099043
বাংলার মুসলমানকে ভারত ও ভারতের দালাল সরকার কীভাবে হত্যা করছে, অনিশ্চিত জীবনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে! জনতা কেন গর্জে উঠবে না!
বিস্তারিত :
https://www.dw.com/bn/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A7%AB-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%A1%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%B8-%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A7%9F/a-68099043
😢17👍5🤬2
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
আওয়ামীলীগের অভ্যন্তরীণ গৃহবিবাদ, নিয়ে কালবেলা একটি ভিডিও নিউজ করে। যা আওয়ামীলীগের বড় নেতারা স্বীকারও করেছে।
👍15
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
এই ভিডিওর মুগ্ধতা কবে নাগাদ কাটবে ঠিক জানিনা। ঘুম থেকে উঠার পর থেকেই শুধু দেখেই যাচ্ছি আর চিন্তা করছি এমন মায়ের গল্প তো শুধু গল্প উপন্যাসেই পড়েছি!
এমন তীব্র প্রাণ শক্তিকে শেষ না করতে পারলে কেউ ক্ষমতায় টিকতে পারবে না।
এমন তীব্র প্রাণ শক্তিকে শেষ না করতে পারলে কেউ ক্ষমতায় টিকতে পারবে না।
❤46🔥7