আমাদের চিন্তা কতো সংকীর্ণ! পাশের দেশের আধিপত্য বিস্তারের প্রক্রিয়ায় থানবি-মাদানি বিরোধ খুঁজে বেড়াই! অথচ কতো ভয়ানক আধিপত্যবাদী আগ্রাসনের মুখে আমরা দাঁড়িয়ে আছি।
নেসাব তো স্বীকৃতির অনিবার্য পরিণতি। যারা আগে সচেতন ছিলেন, তারা এই পরিণতি সম্পর্কে আশংকিত ছিলেন। যারা পক্ষে ছিলেন তারা হয়তো আচ করতে পারেন নি কিংবা খামখেয়ালিতে ছিলেন।
এখনকার বিরোধটা গোড়া থেকেই নিরসন না করার ফলাফল। সুতরাং খণ্ডিত পরিণতি নিয়ে ভাবলে বারবার আলাপে মেতে উঠতে হবে। আমাদেরকে হয়তো আরো গোড়া থেকে ভাবতে হবে।
এই যে শেকড় থেকে ভাবনা _এটার শুরুটা মাওলানা যুবাইর সাহেব করেছিলেন। যখন করেছিলেন, তখন অনেক বিষয় দৃশ্যমান ছিলো না। তাই লেখকের সমালোচনায় সকলে একহাত নিয়েছিলো।
আমি বলছি না, মাওলানা যুবাইর সাহেবের মতোই বলতে হবে। তবে ভাবতে হবে তার মত গোড়া থেকে, শেকড় থেকে। এটাতে আমাদের দেওবন্দি ধারার সংশোধন ও কওমি নেসাবে সুরক্ষা আছে বলে মনে করি।
মাওলানা মিজানুর রহমান বিন আলী
নেসাব তো স্বীকৃতির অনিবার্য পরিণতি। যারা আগে সচেতন ছিলেন, তারা এই পরিণতি সম্পর্কে আশংকিত ছিলেন। যারা পক্ষে ছিলেন তারা হয়তো আচ করতে পারেন নি কিংবা খামখেয়ালিতে ছিলেন।
এখনকার বিরোধটা গোড়া থেকেই নিরসন না করার ফলাফল। সুতরাং খণ্ডিত পরিণতি নিয়ে ভাবলে বারবার আলাপে মেতে উঠতে হবে। আমাদেরকে হয়তো আরো গোড়া থেকে ভাবতে হবে।
এই যে শেকড় থেকে ভাবনা _এটার শুরুটা মাওলানা যুবাইর সাহেব করেছিলেন। যখন করেছিলেন, তখন অনেক বিষয় দৃশ্যমান ছিলো না। তাই লেখকের সমালোচনায় সকলে একহাত নিয়েছিলো।
আমি বলছি না, মাওলানা যুবাইর সাহেবের মতোই বলতে হবে। তবে ভাবতে হবে তার মত গোড়া থেকে, শেকড় থেকে। এটাতে আমাদের দেওবন্দি ধারার সংশোধন ও কওমি নেসাবে সুরক্ষা আছে বলে মনে করি।
মাওলানা মিজানুর রহমান বিন আলী
❤29👍1
হযরত থানবির সেবামূলক কাজ
হযরত থানবি বলেন, 'আমি (শুরু যামানায়) কানপুরের পটকাপুর মহল্লাতে থাকতাম, সেখানের লোক স্বাধীনচেতা ও নির্লজ্জ বলে খ্যাত ছিলো। কিন্তু সেখানের লোকদের সাথে আমার সর্বদা মহব্বতের সম্পর্কই ছিলো। কারণ আমি তাদের সাথে কখনো কঠোরতা করিনি এবং কখনো তাদের কাছে লোভ-লালসা করিনি। বরং বিশেষ বিশেষ সময়ে আমি সেখানের গরিবদের সাহায্য-সহযোগিতা করতাম। একবার এলাকায় দুর্ভিক্ষ হলে প্রতিবেশীদের প্রতি করনীয় হিসেবে আমি একাধিকবার চাদা তুলে গরিবদের মধ্যে খাদ্য ও কাপড় বিতরণ করেছিলাম।'
সূত্র: আশরাফ চরিত, খাজা আযীযুল হাসান মাজযুব পৃ. ৭০
হযরত থানবি বলেন, 'আমি (শুরু যামানায়) কানপুরের পটকাপুর মহল্লাতে থাকতাম, সেখানের লোক স্বাধীনচেতা ও নির্লজ্জ বলে খ্যাত ছিলো। কিন্তু সেখানের লোকদের সাথে আমার সর্বদা মহব্বতের সম্পর্কই ছিলো। কারণ আমি তাদের সাথে কখনো কঠোরতা করিনি এবং কখনো তাদের কাছে লোভ-লালসা করিনি। বরং বিশেষ বিশেষ সময়ে আমি সেখানের গরিবদের সাহায্য-সহযোগিতা করতাম। একবার এলাকায় দুর্ভিক্ষ হলে প্রতিবেশীদের প্রতি করনীয় হিসেবে আমি একাধিকবার চাদা তুলে গরিবদের মধ্যে খাদ্য ও কাপড় বিতরণ করেছিলাম।'
সূত্র: আশরাফ চরিত, খাজা আযীযুল হাসান মাজযুব পৃ. ৭০
❤14👍1
বেফাক সংস্করণ সন যুক্ত.pdf
327.9 KB
বেফাকের বাংলা বইগুলোতে আমাদের তালেবে ইলম ভাইদের কী শিখানো হচ্ছে? এগুলো কীভাবে হচ্ছে? আলেমদের তত্ত্ববধানে তৈরি কোনো বোর্ডে যদি এমন তাহরিফ আর শাহরিয়ার কবিরদের ছায়া দেখা যায় তাহলে এদেশে আলেম নামে কী প্রজন্ম তৈরি হবে? আলেমদের তত্ত্ববধানে তৈরি বোর্ডে যদি এমন হয় তাহলে এদেশের মানুষ কোথায় যাবে?
.
বেফাকের বিভিন্ন বাংলা বইয়ের অসঙ্গতি নিয়ে একটি লেখা দৃষ্টিগোচর হলো, পুরো হতবাক হয়ে গেলাম দেখে! ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন!
.
বেফাকের বিভিন্ন বাংলা বইয়ের অসঙ্গতি নিয়ে একটি লেখা দৃষ্টিগোচর হলো, পুরো হতবাক হয়ে গেলাম দেখে! ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন!
❤17👍10😢6
আফগানদের মোহাইমিন সাহেব কোন খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে কোন কিছু বলেছেন, আমি তা মনে করি না। কিন্তু সমস্যা হলো তিনি একটা ফ্যান্টাসিতে ভুগছিলেন৷ সেটা ভেঙে যাওয়ায় তিনি হতাশা ছড়িয়েছেন।
আফগানদের নিয়ে একটা কথা মাথায় রাখুন। যদি এখনো একটা ফ্রি ফেয়ার ইলেকশান দেন তবে তালেবান হেরে যাবে। কাবুলেতো তারা জামানত হারালেও অবাক হবো না। কাবুলের জনগোষ্ঠী অত্যন্ত সেক্যুলার। আজ থেকে না। আমানুল্লাহর সময় থেকেই। এমনকি কান্দাহার, হেরাতেও সেক্যুলারদের দাপট কম না। কান্দাহারেতো সেক্যুলার পশতুন জেনারেলরা যে নির্যাতন চালিয়েছে সেটা কেবল চীন, রাশিয়ার কমিউনিস্ট বিপ্লবী সন্ত্রাসীদের সাথে তুল্য। গাযায় গনহত্যা চালানো জায়োনিস্টরাও অবশ্য একই কাতারের। সেখানে জেনারেল রাজিক নামে এক কুখ্যাত সন্ত্রাসী ছিল যে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ধরে ধরে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করে হত্যা করতো, গুম করতো। আফগানিস্তান অন্তত এক কোটি মানুষ পশ্চিমা শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছে গত বিশ বছরে। সোভিয়েত কমিউনিস্টরাও তার পূর্বে অন্তত পঞ্চাশ বছর আফগানদের মগজ ধোলাই করেছে। মার্কিন সমর্থিত আফগান প্রশাসনে অন্তত কয়েক লক্ষ মানুষ চাকরি করতো যাদের একজনের চাকরিও ইমারত খেয়ে দেয় নাই। এটাই বাস্তবতা।
আফগানিস্তান প্রমান করেছে সংখ্যালঘু হয়েও ইসলামি রাষ্ট্র কায়েম করা যায়।
আফগানিস্তান প্রমান করেছে ইকামতে দ্বীন ব্যালট না বুলেটের মাধ্যমেই সম্ভব।
এখন কেউ যদি আফগানিস্তানে বিপ্লবের মধু খাওয়ার জন্য যেতে চায় তবে সে একটা ফ্যান্টাসির ভেতর আছে। সেখানে নিউইয়র্ক, লন্ডন বা দুবাই হয় নাই বা অচিরেই হবেও না।
আফগান সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুত্তাকি না। আহযাবের আগে মদিনাতেও বাটপাররাই সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল।
এখন কেউ যদি হিজরত করতে চায় তবে দুইটি কারনে করা যেতে পারে।
১) নিজে ইসলাম প্র্যাক্টিস করার সুযোগ পাওয়ার জন্য।
২) নিজের যোগ্যতা আফগানদের ভেতর দাওয়াতি কাজ ও উন্নয়নে ব্যবহার করার জন্য।
অন্য কোন মতলব থাকলে আফগানিস্তান ইজ নট ইওর কাপ অফ টি।
©
আফগানদের নিয়ে একটা কথা মাথায় রাখুন। যদি এখনো একটা ফ্রি ফেয়ার ইলেকশান দেন তবে তালেবান হেরে যাবে। কাবুলেতো তারা জামানত হারালেও অবাক হবো না। কাবুলের জনগোষ্ঠী অত্যন্ত সেক্যুলার। আজ থেকে না। আমানুল্লাহর সময় থেকেই। এমনকি কান্দাহার, হেরাতেও সেক্যুলারদের দাপট কম না। কান্দাহারেতো সেক্যুলার পশতুন জেনারেলরা যে নির্যাতন চালিয়েছে সেটা কেবল চীন, রাশিয়ার কমিউনিস্ট বিপ্লবী সন্ত্রাসীদের সাথে তুল্য। গাযায় গনহত্যা চালানো জায়োনিস্টরাও অবশ্য একই কাতারের। সেখানে জেনারেল রাজিক নামে এক কুখ্যাত সন্ত্রাসী ছিল যে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ধরে ধরে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করে হত্যা করতো, গুম করতো। আফগানিস্তান অন্তত এক কোটি মানুষ পশ্চিমা শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছে গত বিশ বছরে। সোভিয়েত কমিউনিস্টরাও তার পূর্বে অন্তত পঞ্চাশ বছর আফগানদের মগজ ধোলাই করেছে। মার্কিন সমর্থিত আফগান প্রশাসনে অন্তত কয়েক লক্ষ মানুষ চাকরি করতো যাদের একজনের চাকরিও ইমারত খেয়ে দেয় নাই। এটাই বাস্তবতা।
আফগানিস্তান প্রমান করেছে সংখ্যালঘু হয়েও ইসলামি রাষ্ট্র কায়েম করা যায়।
আফগানিস্তান প্রমান করেছে ইকামতে দ্বীন ব্যালট না বুলেটের মাধ্যমেই সম্ভব।
এখন কেউ যদি আফগানিস্তানে বিপ্লবের মধু খাওয়ার জন্য যেতে চায় তবে সে একটা ফ্যান্টাসির ভেতর আছে। সেখানে নিউইয়র্ক, লন্ডন বা দুবাই হয় নাই বা অচিরেই হবেও না।
আফগান সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুত্তাকি না। আহযাবের আগে মদিনাতেও বাটপাররাই সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল।
এখন কেউ যদি হিজরত করতে চায় তবে দুইটি কারনে করা যেতে পারে।
১) নিজে ইসলাম প্র্যাক্টিস করার সুযোগ পাওয়ার জন্য।
২) নিজের যোগ্যতা আফগানদের ভেতর দাওয়াতি কাজ ও উন্নয়নে ব্যবহার করার জন্য।
অন্য কোন মতলব থাকলে আফগানিস্তান ইজ নট ইওর কাপ অফ টি।
©
❤74👍13👎3
তালেবানদের বিজয়ের পর থেকেই পাকিস্তান জুড়ে টিটিপির আক্রমণ, ভারতের কাশ্মীরে স্বাধীনতাকামীদের আক্রমণ বেড়েছে বহুগুন। যা গত দশবছরের তুলনায় অনেক অনেক বেশি। এমনকি আফগানের পার্শ্ববর্তী দেশ ইরানে নতুন সশস্ত্র দল নতুনভাবে এক্টিভ হয়েছে বলেই নিউজ হয়েছে। তালেবান বিজয়ের পরেই এতকিছু কীভাবে হচ্ছে? এটা যে কারো পক্ষেই বোঝা সম্ভব। শুধু দাওলার মাথামোটা খারেজিগুলো ছাড়া।
আল্লাহ পৃথিবীর বুকে জিহাদের সাথে যুক্ত সকল মুজাহিদদের হেফাজত করুক। আমীন।
আল্লাহ পৃথিবীর বুকে জিহাদের সাথে যুক্ত সকল মুজাহিদদের হেফাজত করুক। আমীন।
❤96👍2👏1🤔1
শাতেমে রাসুল.pdf
367.7 KB
কিছু দুনিয়ালোবি মডারেট মৌলভি আর তাদের সাথে নিযুক্ত কিছু মুখলিস জাহেল মৌলবিও রয়েছে যারা শাতেম ইস্যুতে দ্বীনের বিকৃতি করা ছাড়া আর কিছুই করে না। ইসলাম উদার ধর্ম প্রমান করতে গিয়ে ইসলামের এমন রূপ সামনে আনে যে রূপের সাথে ইসলামের আদৌ কোনো সম্পর্ক নেই। শাতেম ইস্যু নিয়ে আমার একটি লেখার পিডিএফ দিচ্ছি, আশা করি দ্বীন মেনে চলা প্রতিটি ভাইয়ের জন্য শাতেম ইস্যুতে লেখাটি আলোর মশাল হবে ইনশাআল্লাহ।
👍45❤11😢6
ইতিহাসের কিছু ট্রান্সজেকশন বা পালাবদলের সময় আসে, এটা বিভিন্ন কারনেই হতে পারে, বাকি অধিকাংশ সময় যেটা হয়—ক্ষমতাশীল শ্রেণীর অত্যাচার আর নিপীড়নে মানুষ অতিষ্ট হয়ে যায়। ফলে একজন মুক্তি দূতের অপেক্ষায় থাকে। ঠিক সে সময়টা মুক্তির পথ যে বা যারাই দেখাতে পারে মানুষ তাদের দিকেই ধাবিত হয় আর সেটার মাধ্যমেই সেই নেতা বিপ্লব করতে সক্ষম হয়।
বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত শ্রেণীটা (বা বলা যায় পুরো পৃথিবীর) আজ ঠিক ইতিহাসের এই কঠিন সময়ে দাঁড়িয়ে আছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য হাতের নাগালের বাহিরে, সুশিক্ষা নেই কোথাও, ভবিষ্যত সন্তানের চাকরি অনিশ্চিত, পদে পদে গোলামি আর ট্যাক্স, পেইড বিদ্যুতের মাধ্যমে লুটে নেয়া হচ্ছে টাকা, অর্থাৎ অধিকাংশ মধ্যবিত্ত মানুষের জীবন আজ না-মানুষের জীবনের পরিণত হয়েছে।
ঠিক, এই মুহুর্তে তারা মুক্তির পথ চেয়ে আছে, আর আল্লাহর নেজাম মতে এই দুনিয়ায় মুক্তির শুধুই দুটো পথ, মানুষকে সর্ব অর্থে আল্লাহর গোলামিতে ফিরিয়ে এনে মুক্তি দেয়াতে হবে। যেটাকে আরেকভাবে বললে—শরীয়ার ছায়াতলে মানুষকে এনে আল্লাহর ন্যায় ইনসাফের মাধ্যমে মুক্তি দেখাতে হবে। যা প্রতি যুগে নবীদের মাধ্যমে আল্লাহ করেছেন।
আর নাহয় কোনো তাগুত এসে মানুষকে এই জুলুম থেকে মুক্ত করে তার নিজের গোমালে পরিণত করবে। সেটা হয়, কোনো রাজাবাদশাহ বা শাসকের নামে হতে পারে, কোনো মিথ্যা ধর্মের নামে হতে পারে, কোনো মতদর্শের নামে হতে পারে।
তাই আলেম সমাজ ও দ্বীনের বিজয়ের স্বপ্ন দেখা ভাইরা যদি চিন্তা করি তীব্র সংকটের এই মুহুর্তে আমার আপনার দায়িত্বের পাল্লা বেড়েছে! আমি এখন মানুষকে কোন পথে মুক্তি করাবো ও নিজেকে মুক্ত করবে!
বড় দুঃখ লাগে যখন কোনো আলেম আর দায়ী ভাইদের দেখি, তারা এই সংকটের সময় মুক্তির এমন পথগুলোর কথাই বলেন যে পথ অবলম্বন করার ফলেই আজকের এই তীব্র সংকটে মানুষ পড়েছে! কোটা আন্দোলন বা আন্দোলনকারীদের সমর্থন দিয়ে আর আর তাদের পাশে দাঁড়িয়ে আপনি কখনৈ তাদেরকে আজকের এই অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে পারবেন না। এবং নিজেও মুক্ত হতে পারবেন না। তীব্র এই সংকটের সময় আপনার মুক্তির পথ হবে একমাত্র দ্বীনের সঠিক দাওয়া ও শরীয়ার বিজয়ের মাধ্যমে। তাই মানুশকে বুঝান তার এই জীবন থেকে একমাত্র মুক্তির পথ হলো ইসলাম ও ইসলামি শরীয়াহ।
বাংলাদেশের মধ্যবিত্ত শ্রেণীটা (বা বলা যায় পুরো পৃথিবীর) আজ ঠিক ইতিহাসের এই কঠিন সময়ে দাঁড়িয়ে আছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য হাতের নাগালের বাহিরে, সুশিক্ষা নেই কোথাও, ভবিষ্যত সন্তানের চাকরি অনিশ্চিত, পদে পদে গোলামি আর ট্যাক্স, পেইড বিদ্যুতের মাধ্যমে লুটে নেয়া হচ্ছে টাকা, অর্থাৎ অধিকাংশ মধ্যবিত্ত মানুষের জীবন আজ না-মানুষের জীবনের পরিণত হয়েছে।
ঠিক, এই মুহুর্তে তারা মুক্তির পথ চেয়ে আছে, আর আল্লাহর নেজাম মতে এই দুনিয়ায় মুক্তির শুধুই দুটো পথ, মানুষকে সর্ব অর্থে আল্লাহর গোলামিতে ফিরিয়ে এনে মুক্তি দেয়াতে হবে। যেটাকে আরেকভাবে বললে—শরীয়ার ছায়াতলে মানুষকে এনে আল্লাহর ন্যায় ইনসাফের মাধ্যমে মুক্তি দেখাতে হবে। যা প্রতি যুগে নবীদের মাধ্যমে আল্লাহ করেছেন।
আর নাহয় কোনো তাগুত এসে মানুষকে এই জুলুম থেকে মুক্ত করে তার নিজের গোমালে পরিণত করবে। সেটা হয়, কোনো রাজাবাদশাহ বা শাসকের নামে হতে পারে, কোনো মিথ্যা ধর্মের নামে হতে পারে, কোনো মতদর্শের নামে হতে পারে।
তাই আলেম সমাজ ও দ্বীনের বিজয়ের স্বপ্ন দেখা ভাইরা যদি চিন্তা করি তীব্র সংকটের এই মুহুর্তে আমার আপনার দায়িত্বের পাল্লা বেড়েছে! আমি এখন মানুষকে কোন পথে মুক্তি করাবো ও নিজেকে মুক্ত করবে!
বড় দুঃখ লাগে যখন কোনো আলেম আর দায়ী ভাইদের দেখি, তারা এই সংকটের সময় মুক্তির এমন পথগুলোর কথাই বলেন যে পথ অবলম্বন করার ফলেই আজকের এই তীব্র সংকটে মানুষ পড়েছে! কোটা আন্দোলন বা আন্দোলনকারীদের সমর্থন দিয়ে আর আর তাদের পাশে দাঁড়িয়ে আপনি কখনৈ তাদেরকে আজকের এই অবস্থা থেকে মুক্তি দিতে পারবেন না। এবং নিজেও মুক্ত হতে পারবেন না। তীব্র এই সংকটের সময় আপনার মুক্তির পথ হবে একমাত্র দ্বীনের সঠিক দাওয়া ও শরীয়ার বিজয়ের মাধ্যমে। তাই মানুশকে বুঝান তার এই জীবন থেকে একমাত্র মুক্তির পথ হলো ইসলাম ও ইসলামি শরীয়াহ।
❤20👍4❤🔥1
ক্ষমতা! জানিনা আজকের এই এত ত্যাগের বিনিময় আল্লাহ এদেশ বাসীকে কী দিবেন, তবে এতটুকু তো পুরো দেশের সকল পর্যায়ের ক্ষমতাসীনদের জন্য আল্লাহ নিদর্শন রেখেছেন যে, প্রচুর প্রতাপ আর ক্ষমতার আওয়ামী ছাত্রলীগ কী একসপ্তাহ আগেও ভেবেছিলো আজ এভাবে তাদেরকে মারা হবে? এভাবে হুমকির মুখে পড়বে তাদের জীবন ও ক্ষমতা? ঢাবির হলে গত এক দশক ধরে ছাত্রদের উপর অত্যাচার চালানো কুলাঙ্গরগুলো একটিবারও কী ভেবেছিলো ওদেরকে এভাবে 'নিরিহ' মনে করা ছেলেগুলো কুকুরের মত তুর তুর করে তাড়িয়ে দিবে? ওদের ক্ষমতার অবসান করে ছাড়বে! ভাবেনি! কিন্তু আজ ওদের তাই দেখতে হলো।
আল্লাহর একটি সুন্নাহ হলো জালেম যখন সর্বদিক থেকে নিশ্চিত হয়ে যায়—সে অজেয়, ঠিক তখনই আল্লাহর ফায়সালা আসতে শুরু করে। ফেরাউন তাড়া করার সময় ভাবেনি আজকেই তার শেষ, আবু জাহেল মক্কা থেকে বের হয়েও ভাবেনি তার চূড়ান্ত ইতিই হবে এই সফর!
আমার আল্লাহর ক্ষমতাই চূড়ান্ত। আমি ঈমান আনলাম আমার রবের সমস্ত সিফাতের উপর, আমি ঈমান আনলাম আল্লাহই একমাত্র ক্ষমতাশীল, তিনিই ধনী আর বাকি সব গরিব! ইয়া আল্লাহ! ইয়া কাদের! তুমিই আমাদের চূড়ান্ত আশ্রয়, আমাদের দেশের ইসলামের জন্য ও মুসলমানদের জন্য খায়েরের ফায়সালা করো। আমীন।
আল্লাহর একটি সুন্নাহ হলো জালেম যখন সর্বদিক থেকে নিশ্চিত হয়ে যায়—সে অজেয়, ঠিক তখনই আল্লাহর ফায়সালা আসতে শুরু করে। ফেরাউন তাড়া করার সময় ভাবেনি আজকেই তার শেষ, আবু জাহেল মক্কা থেকে বের হয়েও ভাবেনি তার চূড়ান্ত ইতিই হবে এই সফর!
আমার আল্লাহর ক্ষমতাই চূড়ান্ত। আমি ঈমান আনলাম আমার রবের সমস্ত সিফাতের উপর, আমি ঈমান আনলাম আল্লাহই একমাত্র ক্ষমতাশীল, তিনিই ধনী আর বাকি সব গরিব! ইয়া আল্লাহ! ইয়া কাদের! তুমিই আমাদের চূড়ান্ত আশ্রয়, আমাদের দেশের ইসলামের জন্য ও মুসলমানদের জন্য খায়েরের ফায়সালা করো। আমীন।
❤44👍9
এতগুলো লাশের বোঝা মাথায় নিয়ে এদেশ কবে আবার তার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যাবে, এই প্রশ্নের উত্তর কী হবে কারো কাছে?
😭24👍3🤡1
নেট এসেছে অল্প কিছুক্ষণ হয়েছে, কোটা আন্দোলনের সমন্বয়কারীদের একেকটি বিবৃতি দেখে চোখে পানি চলে আসছে! কেন এমন হচ্ছে, নিজেও জানি না।
😢36👍1
"অবস্থা নিয়ন্ত্রণ না করতে পারলে ভারতের কাছে সাহায্য চাইতে পারে বাংলাদেশ"
নিউজটা পড়ে শুধু আতকে উঠলাম আর চোখের সামনে ভেসে উঠলো গুজরাট আর কাশ্মীরের কিছু ভয়াল চিত্র!
নিউজটা পড়ে শুধু আতকে উঠলাম আর চোখের সামনে ভেসে উঠলো গুজরাট আর কাশ্মীরের কিছু ভয়াল চিত্র!
😢49😨2
তথ্য দিয়ে সাহায্য করুন, এটা অত্যান্ত জরুরি।
https://shohid.info/?fbclid=IwZXh0bgNhZW0CMTAAAR3XSX8g8M6_U5TCw-eh-U98FB-bJH3N5FPMEgoxccOZ0gm5gSUF1FSXfOE_aem_CbA7zwvXvzUjb2Ctqf3COw
https://shohid.info/?fbclid=IwZXh0bgNhZW0CMTAAAR3XSX8g8M6_U5TCw-eh-U98FB-bJH3N5FPMEgoxccOZ0gm5gSUF1FSXfOE_aem_CbA7zwvXvzUjb2Ctqf3COw
👍6
ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় ইউটিউবার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক দ্যা দেশভক্ত বাংলাদেশের চলমান ইস্যু নিয়ে চমৎকার ভিডিও করেছে। দেখতে পারেন।
https://www.youtube.com/watch?v=YK1pIuPsl9I
https://www.youtube.com/watch?v=YK1pIuPsl9I
YouTube
Pt.1 - Bangladesh On Boil | What Is 'Dictator' Sheikh Hasina Afraid Of | Akash Banerjee & Adwaith
Its the WORST crisis in the career of Sheikh Hasina - the undeclared Dictator of Bangladesh. Students have paid the ultimate price - fighting back a reservation system that makes no sense to them.... ultimate even Dictator Hasina had to step back....
But…
But…
👍15❤2
এদেশের হাজারো লাশ আর তার থেকেও বহুগুন বেশি আহত, তারো থেকে শতগুন বেশি মানুষ জেলে, তাদের পরিবার আজ অনিশ্চিত ভবিষ্যতে, এসবকিছু থেকে মেট্রোরেলের ভবনের দাম বেশি, তার জন্য চোখের পানি ফেলতে হবে, সেটার জন্য আরো বেশি মানুষকে হত্যা করতে হবে!
😢37👍1
নিজেদের দীর্ঘদিনের ভৃত্যদের ঝেড়ে ফেলার নয়া কৌশল!
ছাত্রলীগ নেতা যাদের মাধ্যমে এবার কাজ হয়নি তাদেরকে ছুড়ে ফেলার নতুন কৌশল সম্ভবত এগুলো!
https://www.youtube.com/watch?v=Z3y7UpNIX5w
ছাত্রলীগ নেতা যাদের মাধ্যমে এবার কাজ হয়নি তাদেরকে ছুড়ে ফেলার নতুন কৌশল সম্ভবত এগুলো!
https://www.youtube.com/watch?v=Z3y7UpNIX5w
YouTube
ছাত্রলীগের তিন নেতার ভূমিকা ‘রহস্যময়’ | chhatra league | BCL President Saddam | Kalbela
#kalbela #quotaandolon #quotaprotest #studentprotest #saddamchhatraleague #bclpresident
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনে ছাত্রলীগের শীর্ষ তিন নেতার ‘রহস্যময়’ ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ক্ষমতাসীন দলের সহযোগী সংগঠনের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়…
সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলনে ছাত্রলীগের শীর্ষ তিন নেতার ‘রহস্যময়’ ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ক্ষমতাসীন দলের সহযোগী সংগঠনের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়…
👍1
রেমিটেন্স শর্টডাউন সরকারের মাঝে যাষ্ট আগুন ধরিয়ে দিয়েছে! প্রবাসী ভাইরা কী এএই আগুনে পেট্রোল দিতে পারবে! তবে প্রবাসী ভাইদের এই কাজে সবচেয়ে বড় সহযোগী হতে হবে তাদের পরিবারের!
🔥25👍5
সন্তানের মৃত্যু বেশি কষ্টের, নাকি সন্তানের হত্যাকারীদের বুকে গিয়ে কান্না করা, তাদের থেকে ছেলের রক্তের বিনিময় নেয়া এবং সবকিছু মুখ বুঝে সহ্য করা বেশি কষ্টের?
👍10😢5
জালেমের চোখে পর্দা ফেলে দেয় যে আমল :
(যেকোনো আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ভাইরা আমলটি থেকে উপকৃত হতে পারেন ইনশাআল্লাহ, আন্দোলনে একা না গিয়ে আল্লাহকে সাথে নিয়ে যান।)
পৃথিবীতে মানুষের বহুরকম শ্রেণি প্রকারের একটি হলো ‘জালেম ও মজলুম’। জালেম জুলুম করে আর মজলুম সে জুলুমের শিকার হয়। জুলুমের সবচেয়ে কঠিনতম একটি হলো দুনিয়ার কোনো শক্তিশালী ব্যক্তির রোষানলে পতিত হওয়া। আর সে শক্তিশালী যদি শাসক হয় তাহলে জীবনে কতটা দুঃখ আর কষ্টের হয় তা কাউকে ভেঙ্গে বলার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না।
বর্তমানে কত মানুষ কতভাবে জালেমের রোষনলে পড়ে। কোনো অন্যায় ছাড়াই বিভিন্ন কারণে প্রশাসনের হাতে হেনস্তার শিকার হয় কত শত মানুষ। কারো মিথ্যা মামলায় বা সন্দেহের জের ধরে একবার আইনের গ্যাঁড়াকলে পড়লে জীবনের দুঃখ কষ্টের আর সীমা থাকে না। শুধু প্রশাসনই নয়, স্থানীয় কত শক্তিশালীদের হাতে কত শত জুলুমের শিকার হয় কত মানুষ। ধরে নিয়ে গিয়ে অত্যাচার আর ঘুম-খুনের ঘটনা তো নিত্যদিন আমরা দেখতে পাচ্ছি হারহামেশা। এছাড়াও সময়ে সময়ে কত জালেমের হাত থেকে বাঁচতে কত পেরেশানিতে নিপাতিত থাকতে হয় আর এতে জীবনের স্বাভাবিক একটু শান্তিও যে পূর্ণ উদাও হয়ে যায়, তা যিনি একবার এমন বিপদে পড়েছেন তিনি বুঝবেন।
জালেমের এমন কষ্টের হাত থেকে বাঁচতে কুরআনের কয়েকটি আয়াত হতে পারে একজন মজলুমের অনেক বড় একটি হাতিয়ার। যুগে যুগে এই আয়াত পড়ে উপকার পেয়েছেন অসংখ্য মানুষ! আয়াতগুলো হয়েছেন জালেমের হাত থেকে বাঁচার জন্য তাদের বিশাল হাতিয়ার। যা তাদেরকে রক্ষা করেছেন দুনিয়াবি আসবাব-উপকরনের উর্ধ্বে উঠে। যখন আর কোন আসবাব অবলম্ভন করে আর কিছুই সম্ভব হচ্ছিলো না, ঠিক তখনই এই আয়াতগুলো তাদেরকে রক্ষা করেছে আল্লাহর ইচ্ছায়। আসুন সে আয়াতগুলো জানা যাক। আচ্ছা, তার আগে ঘটনাগুলো একটু শুনে নেই, যাতে আয়াতগুলোর বাস্তবতা আরো ভালোভাবে আমাদের সামনে স্পষ্ট হয়।
প্রথমেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ঘটা একটি ঘটনা শুনুন। সূরা লাহাব অবতীর্ন হয়। সেখানে আবু লাহাব ও তার স্ত্রীকে চূড়ান্ত পর্যায়ের অভিশপ্ত ঘোষণা করা হয়। এই সূরার খবর শূনে তো আবু লাহাবের স্ত্রী উম্মে জামিল আরওয়া বিনতে হারব বেজায় রাগান্বিত হয়ে যায়। সে একটি পাথর নিয়ে বের হয় মুহাম্মদের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খোঁজে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত আবু বকর রা.কে নিয়ে মসজিদে বসে ছিলেন। এমন সময় দূর থেকে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গালি দিতে দিতে সে মহিলা আসতে লাগলো। তাকে আসতে দেখে আবু বকর রা. ভয় পেয়ে গেলেন। জানেন, মহিলাটি রাসুলকে দেখলেই কষ্ট দিবে। তাই বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! বিনতে হারব তো আসছে। সে আপনাকে দেখে ফেলবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শান্তভাবেই বসে রইলে। আবু বকরের পেরেশানি দেখে বললেন, আবু বকর! সে কিছুতেই আমাকে দেখবে না। এটা বলেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআনের একটি আয়াত পড়ে সেখানেই অবস্থান করলেন। আরওয়া বিনতে হারব আবু বকরের সামনে এসে দাঁড়ালো। কিন্তু রাসূলকে দেখতে পেলো না! রাসূলকে না পেয়ে আবু বকরকে উদ্দেশ্য করে বললো, তোমার সাথী আমাকে নিয়ে ব্যাঙ্গ-বিদ্রুপ করেছে, আমি তোমাকে জানিয়ে রাখলাম (এটার পরিনাম কিন্তু ভালো হবে না)। আবু বকর রা. বললেন, কাবার রবের কসম, তিনি তোমাকে নিয়ে ব্যাঙ্গ করেননি। হযরত আবু বকররের উত্তর শুনে রাগে-ক্ষোভে আবু লাহাবের স্ত্রী এই কথা বলতে বলতে সেখান থেকে চলে গেলো, ‘পুরো কুরাইশ জানে আমি সর্দারের মেয়ে! (১)
এবার একজন সাহাবীর অভিজ্ঞতা কথা শূনে নেওয়া যাক। হযরত কা’ব রা. শামের একজন লোককে সেই আয়াতগুলোর কার্যকরিকতা সম্পর্কে বললেন। সে লোক রাতে গোপনে রোমে গেলো। এবং সেখানে কিছুদিন অবস্থান করলো। একদিন সে ধরা খেয়ে গেলো। আর সেখান থেকে পলায়ন করলো। তাকে ধরতে রোমের সেনাবাহিনী ধাওয়া করলো। একসময় লোকটিকে সেনাবাহিনী ঘেরাওতে ফেলে দিলো। লোকটি সেই আয়াতগুলো পড়তে লাগলেন। এবং সেনাবিনীর ঘেরাও থেকে বের হয়ে গেলেন কিন্তু তাকে তারা দেখতে পারলো না।(২)
কালবি রহ. বলেন, আমি এই আয়াতগুলো উপকারিতা রায় শহরের এক লোককে বলি। সে রাতের গোপনে দাইলাম শহরে যায়। সেখানে স্থানীয় প্রশাসনের হাতে ধরা পড়ে যায়। তাকে খুঁজতে প্রশাসনের লোকেরা আসলে সে আয়াতগুলো পড়তে লাগলো। প্রশাসনের বাহিনী তাকে খুঁজতে খুঁজতে এতটাই নিকটে চলে আসলো যে, লোকটির শরীরের কাপড় আর বাহিনীর লোকের কাপড় একটি অপরটির সাথে স্পর্শ করতে লাগলো, কিন্তু প্রশাসনের লোকেরা তাকে দেখতে পেলো না! (৩)
আয়াতটি কী? খুবই সংক্ষিপ্ত ও ছোট একটি আয়াত। এক বসায় মুখস্থ করে ফেলা যায়। একদম সহজ। আয়াতটি হলো সূরা বানী ইসরাঈলের।
وَإِذَا قَرَأۡتَ ٱلۡقُرۡءَانَ جَعَلۡنَا بَيۡنَكَ وَبَيۡنَ ٱلَّذِينَ لَا يُؤۡمِنُونَ بِٱلۡأٓخِرَةِ حِجَابٗا مَّسۡتُورٗا
যখন তুমি কুরআন পড়ো, তখন আমি তোমার মাঝে ও যারা আখেরাতে ঈমান রাখে না তাদের মাঝে এক অদৃশ্য পর্দা রেখে দেই। -সূরা বানী ইসরাঈল : ৪৫
(যেকোনো আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ভাইরা আমলটি থেকে উপকৃত হতে পারেন ইনশাআল্লাহ, আন্দোলনে একা না গিয়ে আল্লাহকে সাথে নিয়ে যান।)
পৃথিবীতে মানুষের বহুরকম শ্রেণি প্রকারের একটি হলো ‘জালেম ও মজলুম’। জালেম জুলুম করে আর মজলুম সে জুলুমের শিকার হয়। জুলুমের সবচেয়ে কঠিনতম একটি হলো দুনিয়ার কোনো শক্তিশালী ব্যক্তির রোষানলে পতিত হওয়া। আর সে শক্তিশালী যদি শাসক হয় তাহলে জীবনে কতটা দুঃখ আর কষ্টের হয় তা কাউকে ভেঙ্গে বলার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না।
বর্তমানে কত মানুষ কতভাবে জালেমের রোষনলে পড়ে। কোনো অন্যায় ছাড়াই বিভিন্ন কারণে প্রশাসনের হাতে হেনস্তার শিকার হয় কত শত মানুষ। কারো মিথ্যা মামলায় বা সন্দেহের জের ধরে একবার আইনের গ্যাঁড়াকলে পড়লে জীবনের দুঃখ কষ্টের আর সীমা থাকে না। শুধু প্রশাসনই নয়, স্থানীয় কত শক্তিশালীদের হাতে কত শত জুলুমের শিকার হয় কত মানুষ। ধরে নিয়ে গিয়ে অত্যাচার আর ঘুম-খুনের ঘটনা তো নিত্যদিন আমরা দেখতে পাচ্ছি হারহামেশা। এছাড়াও সময়ে সময়ে কত জালেমের হাত থেকে বাঁচতে কত পেরেশানিতে নিপাতিত থাকতে হয় আর এতে জীবনের স্বাভাবিক একটু শান্তিও যে পূর্ণ উদাও হয়ে যায়, তা যিনি একবার এমন বিপদে পড়েছেন তিনি বুঝবেন।
জালেমের এমন কষ্টের হাত থেকে বাঁচতে কুরআনের কয়েকটি আয়াত হতে পারে একজন মজলুমের অনেক বড় একটি হাতিয়ার। যুগে যুগে এই আয়াত পড়ে উপকার পেয়েছেন অসংখ্য মানুষ! আয়াতগুলো হয়েছেন জালেমের হাত থেকে বাঁচার জন্য তাদের বিশাল হাতিয়ার। যা তাদেরকে রক্ষা করেছেন দুনিয়াবি আসবাব-উপকরনের উর্ধ্বে উঠে। যখন আর কোন আসবাব অবলম্ভন করে আর কিছুই সম্ভব হচ্ছিলো না, ঠিক তখনই এই আয়াতগুলো তাদেরকে রক্ষা করেছে আল্লাহর ইচ্ছায়। আসুন সে আয়াতগুলো জানা যাক। আচ্ছা, তার আগে ঘটনাগুলো একটু শুনে নেই, যাতে আয়াতগুলোর বাস্তবতা আরো ভালোভাবে আমাদের সামনে স্পষ্ট হয়।
প্রথমেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে ঘটা একটি ঘটনা শুনুন। সূরা লাহাব অবতীর্ন হয়। সেখানে আবু লাহাব ও তার স্ত্রীকে চূড়ান্ত পর্যায়ের অভিশপ্ত ঘোষণা করা হয়। এই সূরার খবর শূনে তো আবু লাহাবের স্ত্রী উম্মে জামিল আরওয়া বিনতে হারব বেজায় রাগান্বিত হয়ে যায়। সে একটি পাথর নিয়ে বের হয় মুহাম্মদের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খোঁজে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত আবু বকর রা.কে নিয়ে মসজিদে বসে ছিলেন। এমন সময় দূর থেকে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গালি দিতে দিতে সে মহিলা আসতে লাগলো। তাকে আসতে দেখে আবু বকর রা. ভয় পেয়ে গেলেন। জানেন, মহিলাটি রাসুলকে দেখলেই কষ্ট দিবে। তাই বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! বিনতে হারব তো আসছে। সে আপনাকে দেখে ফেলবে। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শান্তভাবেই বসে রইলে। আবু বকরের পেরেশানি দেখে বললেন, আবু বকর! সে কিছুতেই আমাকে দেখবে না। এটা বলেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআনের একটি আয়াত পড়ে সেখানেই অবস্থান করলেন। আরওয়া বিনতে হারব আবু বকরের সামনে এসে দাঁড়ালো। কিন্তু রাসূলকে দেখতে পেলো না! রাসূলকে না পেয়ে আবু বকরকে উদ্দেশ্য করে বললো, তোমার সাথী আমাকে নিয়ে ব্যাঙ্গ-বিদ্রুপ করেছে, আমি তোমাকে জানিয়ে রাখলাম (এটার পরিনাম কিন্তু ভালো হবে না)। আবু বকর রা. বললেন, কাবার রবের কসম, তিনি তোমাকে নিয়ে ব্যাঙ্গ করেননি। হযরত আবু বকররের উত্তর শুনে রাগে-ক্ষোভে আবু লাহাবের স্ত্রী এই কথা বলতে বলতে সেখান থেকে চলে গেলো, ‘পুরো কুরাইশ জানে আমি সর্দারের মেয়ে! (১)
এবার একজন সাহাবীর অভিজ্ঞতা কথা শূনে নেওয়া যাক। হযরত কা’ব রা. শামের একজন লোককে সেই আয়াতগুলোর কার্যকরিকতা সম্পর্কে বললেন। সে লোক রাতে গোপনে রোমে গেলো। এবং সেখানে কিছুদিন অবস্থান করলো। একদিন সে ধরা খেয়ে গেলো। আর সেখান থেকে পলায়ন করলো। তাকে ধরতে রোমের সেনাবাহিনী ধাওয়া করলো। একসময় লোকটিকে সেনাবাহিনী ঘেরাওতে ফেলে দিলো। লোকটি সেই আয়াতগুলো পড়তে লাগলেন। এবং সেনাবিনীর ঘেরাও থেকে বের হয়ে গেলেন কিন্তু তাকে তারা দেখতে পারলো না।(২)
কালবি রহ. বলেন, আমি এই আয়াতগুলো উপকারিতা রায় শহরের এক লোককে বলি। সে রাতের গোপনে দাইলাম শহরে যায়। সেখানে স্থানীয় প্রশাসনের হাতে ধরা পড়ে যায়। তাকে খুঁজতে প্রশাসনের লোকেরা আসলে সে আয়াতগুলো পড়তে লাগলো। প্রশাসনের বাহিনী তাকে খুঁজতে খুঁজতে এতটাই নিকটে চলে আসলো যে, লোকটির শরীরের কাপড় আর বাহিনীর লোকের কাপড় একটি অপরটির সাথে স্পর্শ করতে লাগলো, কিন্তু প্রশাসনের লোকেরা তাকে দেখতে পেলো না! (৩)
আয়াতটি কী? খুবই সংক্ষিপ্ত ও ছোট একটি আয়াত। এক বসায় মুখস্থ করে ফেলা যায়। একদম সহজ। আয়াতটি হলো সূরা বানী ইসরাঈলের।
وَإِذَا قَرَأۡتَ ٱلۡقُرۡءَانَ جَعَلۡنَا بَيۡنَكَ وَبَيۡنَ ٱلَّذِينَ لَا يُؤۡمِنُونَ بِٱلۡأٓخِرَةِ حِجَابٗا مَّسۡتُورٗا
যখন তুমি কুরআন পড়ো, তখন আমি তোমার মাঝে ও যারা আখেরাতে ঈমান রাখে না তাদের মাঝে এক অদৃশ্য পর্দা রেখে দেই। -সূরা বানী ইসরাঈল : ৪৫
❤17👍3