নারীর পার্লামেন্টের সদস্য হওয়া
বর্তমান ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানের প্রধান বিচারপতি আব্দুল হাকিম হক্কানী দা. বা. লেখেছেন,
“নারীদের সরকারি কাজে অংশগ্রহণকে জায়েয মনে করার অধপতন এটা মুসলিম দেশগুলোতে গ ণ ত ন্ত্রের প্রভাবের ফলে হয়েছে। আর যারা মনে করে নারী সুপ্রিম বিচারক হতে পারবে বা পার্লামেন্টে যেতে পারবে তাদের মনমস্তিষ্ক ব্যাপকভাবে পশ্চিমা সভ্যতা দ্বারা প্রভাবিত।”
(হক্কানী সাহেবের কথাটা এমন কাছাকাছি অর্থে অনেক আগে উনার একটি টুইটারের আলোচনায় দেখেছিলাম)
বর্তমান ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানের প্রধান বিচারপতি আব্দুল হাকিম হক্কানী দা. বা. লেখেছেন,
“নারীদের সরকারি কাজে অংশগ্রহণকে জায়েয মনে করার অধপতন এটা মুসলিম দেশগুলোতে গ ণ ত ন্ত্রের প্রভাবের ফলে হয়েছে। আর যারা মনে করে নারী সুপ্রিম বিচারক হতে পারবে বা পার্লামেন্টে যেতে পারবে তাদের মনমস্তিষ্ক ব্যাপকভাবে পশ্চিমা সভ্যতা দ্বারা প্রভাবিত।”
(হক্কানী সাহেবের কথাটা এমন কাছাকাছি অর্থে অনেক আগে উনার একটি টুইটারের আলোচনায় দেখেছিলাম)
❤44👍1
পাকিস্তানের লাল মসজিদ ও জামিয়ার হাফসার ট্রাজেডি আজও গাইরাতবান মুসলমানের অন্তরে তীব্র ব্যাথার সৃষ্টি করে। টানা সাত দিনের নাপাক বাহিনী কর্তৃক ছাত্র-ছাত্রীদের উপর চালানো সে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিবরন নিয়ে লেখেছেন জামিয়া হাফসার মুহতামিম ও লাল মসজিদের খতিব মাওলানা আব্দুল আজিজ হাফিজাহুল্লাহের স্ত্রী মুহতারামাহ উম্মে হাসান । সেদিন তিনি তার চোখের সামনে অসংখ্য ছাত্রীর লাশ দেখেছেন। দেখেছেন বহু নিষ্পাপ শিশুকে গুলিবদ্ধ হয়ে কালিমা পড়ে জান্নাতের অভিমুখে যেতে। লাল মসজিদ ও জামিয়া হাফসার সে কঠিন দিনগুলোর স্মৃতিচারণ তিনি লিপিবদ্ধ করেন। যাতে সেদিনের সেই নৃশংসতা ও সঠিক ইতিহাস ইতিহাসের পাতায় লিপিবদ্ধ থাকে।
নিজের চোখে দেখা অনেকগুলো শাহাদাতের ঘটনা লেখেন তিনি তার স্মৃতিচারনে। যার মাঝে সানিয়্যাহ নামের এক ছোট্ট মেয়ের ঈমানদীপ্ত শাহাদাতের ঘটনা আপনাদের শুনাই। উম্মে হাসসান লেখেন, ‘আমি ছাত্রীদের এই কঠিন সময়ে সবর ও আল্লাহর দিকে মুতাওয়াজ্জু করতে বললাম, ‘আল্লাহ যাকে মহব্বত করেন তাকেই বিভিন্ন পরিক্ষায় ফেলেন।’ এই কথা শুনে প্রথম ক্লাসের ছোট্ট সানিয়্যাহর মন তা কিছুতেই মেনে নিলো না। সে বলতে লাগলো, ‘আমরা যদি আল্লাহর এতই নৈকট্য অর্জন করে থাকি তাহলে তিনি আমাদের এমন জুলুম-অত্যাচারের মাঝে কেন ফেললেন।’ আমি ছোট সানিয়্যাকে বিভিন্নভাবে বুঝাতে চেষ্টা করলাম। কিন্তু তার ছোট্টমন কিছুতেই আমার কথা মেনে নিলো না। মাগরিবের নামাজের সময় হয়ে গেলো। জামিয়ার উঠানে বৃষ্টির পানির জন্য বালতি রাখা ছিলো। সানিয়্যাহ অজু করার জন্য বালতির সামনে গেলে আমি বললাম, ‘বেটি, পানির খুব সংকট চলছে, তুমি তায়াম্মুম করে নেও। কিন্তু ছোট্ট সানিয়্যাহর কী যেনো হলো। সে আমার কথা না মেনে বালতির পানি দিয়ে অজু করে নিলো। অজু শেষে ছোট্ট ছোট্ট শাহাদাত আঙ্গুল আসমানে উঁচিয়ে কালিমায়ে শাহাদাত পড়ছিলো। এমন সময় তীব্র একটি আওয়াজ হলো আর ছোট্ট সানিয়্যাহ মাটিতে লুটিয়ে পড়লো। দেখলাম, ছোট্ট সানিয়্যাহ গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে পড়ে আছে। রক্তে তার পুরো শরীর একাকার হয়ে গেছে। আমি দৌড়ে গেলাম তার কাছে। গিয়ে দেখি ছোট্ট সানিয়্যাহ মিটিমিটি হাসছে। আমাকে দেখে বললো, ‘আপিজান, আপনি সত্যই বলেছেন, আল্লাহ বাস্তবেই আমাদের অনেক মহব্বত করেন’। এটা বলেই ছোট্ট সানিয়্যাহ চিরদিনের জন্য নিশ্চুপ হয়ে গেলো।
পুরো সাতদিনের এই নৃশংস সময় মুহতারামাহ উম্মে হাসসান জামিয়া হাফসাতেই অবস্থান করেছেন। অনেকের পীড়াপীড়ি সত্ত্বেও মহান এই মহিয়সী নারী কোনো অবস্থায় সেখান থেকে বের হয়ে যেতে রাজি হননি। একান্ত শেষ সময় যখন আর কোনো পথ বাকি ছিলো না, চতুর্থদিক থেকে ভয়ংকর ফায়ারিংয়ের মাধ্যমে নাপাক বাহিনী মাদরাসা অভিমুখে ধীরে ধীরে আগাতে ছিলো এবং তিনি সেখানে অবস্থানের ব্যাপারে জেদ ধরলেন তখন সেদিনের মহান শহিদ আব্দুর রশিদ গাজি বললেন, ভাবিজান, আপনার জীবিত বের হয়ে যাওয়া উচিত। বাহিনী ভিতরে ঢুকে আপনাকে জীবিত পেলে কী করে তা ঠিক নেই। উম্মে হাসসান বলেন, আমি এই কথার পরেও চলে যেতে রাজি হলাম না। তখন আব্দুর রশিদ সাহেব আমাকে লক্ষ্য করে বললেন, ‘আমি এখানের আমির হিসেবে আপনাকে চলে যাওয়ার আদেশ করছি।’ তখন উম্মে হাসসান তার একমাত্র নাড়ি ছেড়াধন ছেলে হাসসানের কপালে শেষবারের মত চুমু দিয়ে বের হয়ে আসার সময় সম্বোধন করে বললেন, “বেটা! আমি তোমাকে আজকের এই দিনের জন্যই লালনপালন করে বড় করেছি। হিম্মত হারা হয়ো না। পূর্ণ ইসতেকামাতের সাথে জমে থাকবে। মসজিদ ও কুরআনের পবিত্রতা আর তোমার এই সকল বোন-ভাইদের জীবন রক্ষার্থে যদি আজ আমার আল্লাহ তোমার জীবনের কুরবানিকে কবুল করে নেয় তাহলে তা হবে আমাদের জন্য সৌভাগ্যের ও আল্লাহর দরবারে উঁচু মর্যাদা অর্জনের মাধ্যম। বেটা! সিনায় গুলি খাবে। খেয়াল রাখবে পলায়ন করতে গিয়ে পিঠে গুলি খেয়ে আমাদেরকে আল্লাহর সামনে বেইজ্জতি করবে না। এই কথার পূর্ণ খেয়াল রাখবে, আমাদের পেয়ারা নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে যেনো আমরা লাঞ্চিত না হই।”
এটাই ছিলো মুহতারামা উম্মে হাসসানের তার একমাত্র ছেলের সাথে শেষ কথা। সেদিন চাচা আব্দুর রশিদ গাজির সাথে হাসসানও শাহাদাতের মহান মর্যাদা অর্জন করেন।
নিজের চোখে দেখা অনেকগুলো শাহাদাতের ঘটনা লেখেন তিনি তার স্মৃতিচারনে। যার মাঝে সানিয়্যাহ নামের এক ছোট্ট মেয়ের ঈমানদীপ্ত শাহাদাতের ঘটনা আপনাদের শুনাই। উম্মে হাসসান লেখেন, ‘আমি ছাত্রীদের এই কঠিন সময়ে সবর ও আল্লাহর দিকে মুতাওয়াজ্জু করতে বললাম, ‘আল্লাহ যাকে মহব্বত করেন তাকেই বিভিন্ন পরিক্ষায় ফেলেন।’ এই কথা শুনে প্রথম ক্লাসের ছোট্ট সানিয়্যাহর মন তা কিছুতেই মেনে নিলো না। সে বলতে লাগলো, ‘আমরা যদি আল্লাহর এতই নৈকট্য অর্জন করে থাকি তাহলে তিনি আমাদের এমন জুলুম-অত্যাচারের মাঝে কেন ফেললেন।’ আমি ছোট সানিয়্যাকে বিভিন্নভাবে বুঝাতে চেষ্টা করলাম। কিন্তু তার ছোট্টমন কিছুতেই আমার কথা মেনে নিলো না। মাগরিবের নামাজের সময় হয়ে গেলো। জামিয়ার উঠানে বৃষ্টির পানির জন্য বালতি রাখা ছিলো। সানিয়্যাহ অজু করার জন্য বালতির সামনে গেলে আমি বললাম, ‘বেটি, পানির খুব সংকট চলছে, তুমি তায়াম্মুম করে নেও। কিন্তু ছোট্ট সানিয়্যাহর কী যেনো হলো। সে আমার কথা না মেনে বালতির পানি দিয়ে অজু করে নিলো। অজু শেষে ছোট্ট ছোট্ট শাহাদাত আঙ্গুল আসমানে উঁচিয়ে কালিমায়ে শাহাদাত পড়ছিলো। এমন সময় তীব্র একটি আওয়াজ হলো আর ছোট্ট সানিয়্যাহ মাটিতে লুটিয়ে পড়লো। দেখলাম, ছোট্ট সানিয়্যাহ গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে পড়ে আছে। রক্তে তার পুরো শরীর একাকার হয়ে গেছে। আমি দৌড়ে গেলাম তার কাছে। গিয়ে দেখি ছোট্ট সানিয়্যাহ মিটিমিটি হাসছে। আমাকে দেখে বললো, ‘আপিজান, আপনি সত্যই বলেছেন, আল্লাহ বাস্তবেই আমাদের অনেক মহব্বত করেন’। এটা বলেই ছোট্ট সানিয়্যাহ চিরদিনের জন্য নিশ্চুপ হয়ে গেলো।
পুরো সাতদিনের এই নৃশংস সময় মুহতারামাহ উম্মে হাসসান জামিয়া হাফসাতেই অবস্থান করেছেন। অনেকের পীড়াপীড়ি সত্ত্বেও মহান এই মহিয়সী নারী কোনো অবস্থায় সেখান থেকে বের হয়ে যেতে রাজি হননি। একান্ত শেষ সময় যখন আর কোনো পথ বাকি ছিলো না, চতুর্থদিক থেকে ভয়ংকর ফায়ারিংয়ের মাধ্যমে নাপাক বাহিনী মাদরাসা অভিমুখে ধীরে ধীরে আগাতে ছিলো এবং তিনি সেখানে অবস্থানের ব্যাপারে জেদ ধরলেন তখন সেদিনের মহান শহিদ আব্দুর রশিদ গাজি বললেন, ভাবিজান, আপনার জীবিত বের হয়ে যাওয়া উচিত। বাহিনী ভিতরে ঢুকে আপনাকে জীবিত পেলে কী করে তা ঠিক নেই। উম্মে হাসসান বলেন, আমি এই কথার পরেও চলে যেতে রাজি হলাম না। তখন আব্দুর রশিদ সাহেব আমাকে লক্ষ্য করে বললেন, ‘আমি এখানের আমির হিসেবে আপনাকে চলে যাওয়ার আদেশ করছি।’ তখন উম্মে হাসসান তার একমাত্র নাড়ি ছেড়াধন ছেলে হাসসানের কপালে শেষবারের মত চুমু দিয়ে বের হয়ে আসার সময় সম্বোধন করে বললেন, “বেটা! আমি তোমাকে আজকের এই দিনের জন্যই লালনপালন করে বড় করেছি। হিম্মত হারা হয়ো না। পূর্ণ ইসতেকামাতের সাথে জমে থাকবে। মসজিদ ও কুরআনের পবিত্রতা আর তোমার এই সকল বোন-ভাইদের জীবন রক্ষার্থে যদি আজ আমার আল্লাহ তোমার জীবনের কুরবানিকে কবুল করে নেয় তাহলে তা হবে আমাদের জন্য সৌভাগ্যের ও আল্লাহর দরবারে উঁচু মর্যাদা অর্জনের মাধ্যম। বেটা! সিনায় গুলি খাবে। খেয়াল রাখবে পলায়ন করতে গিয়ে পিঠে গুলি খেয়ে আমাদেরকে আল্লাহর সামনে বেইজ্জতি করবে না। এই কথার পূর্ণ খেয়াল রাখবে, আমাদের পেয়ারা নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে যেনো আমরা লাঞ্চিত না হই।”
এটাই ছিলো মুহতারামা উম্মে হাসসানের তার একমাত্র ছেলের সাথে শেষ কথা। সেদিন চাচা আব্দুর রশিদ গাজির সাথে হাসসানও শাহাদাতের মহান মর্যাদা অর্জন করেন।
😢26🔥6👍3
পুজিবাদের অনেকগুলো পুঁজার মুর্তির শ্রেষ্ঠ মুর্তি হলো টাকা। ওরা সে মুর্তির পুজার জন্য অন্যকে গু খাওয়াতেও রাজি, আবার অন্যের গু খেতেও রাজি। ওদের সে মুর্তির মাথা বরাবর আঘাত করেন দেখবেন ওদের ছটফটানি কেমন শুরু। আর সে ছটফটানির সামান্য এক ঝলক ছিলো কোকাকলার এই ভিডিওটা। ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ ছেসরা ভিডিও বোধহয় এটা।
.
শাহবাগি আর সেমি শাহবাগিদের যদি সামান্য মগজ নামক কোনো বস্তু থাকে, তাহলে বয়কটে কী লাভ হবে, এই নিম্নমানের যুক্তি নিয়ে আর হাজির হবে না। বয়কটে কী হয় এটার উতকৃষ্ট উদাহরণ হলো এই এড।
.
সামনে কুরবানির ঈদ, কোকাকোলার ব্যবসার বিশাল বড় মৌসুম। এই মৌসুমে তারা বড়ধরনের লস থেকে বাঁচতেই এডের এই বুদ্ধিমান (?) উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। আর কাফেরদের চক্রান্ত তাদের বিপরীত ব্যাকফায়ার করেছে আলহামদুলিল্লাহ, এই এড না হলে হয়তো মুসলমানরা নতুন উদ্যোগে বয়কট করতো না, কিছুটা বিক্রিও হতো। ইনশাআল্লাহ, পূর্ণ বয়কট করুন, আশপাশে যাকেই কিনতে দেখবেন, গিয়ে ডাইরেক্ট বলুন, এই পন্য সংগ্রহ করার চেয়ে ইসরাইলের ফান্ডে সরাসরি গিয়ে বোমা কিনার টাকা দিয়ে আসুন, যাতে আমাদের মুসলিম ভাইদের শয়তানের দোসররা আরো বেশি করে হত্যা করতে পারে।
.
শাহবাগি আর সেমি শাহবাগিদের যদি সামান্য মগজ নামক কোনো বস্তু থাকে, তাহলে বয়কটে কী লাভ হবে, এই নিম্নমানের যুক্তি নিয়ে আর হাজির হবে না। বয়কটে কী হয় এটার উতকৃষ্ট উদাহরণ হলো এই এড।
.
সামনে কুরবানির ঈদ, কোকাকোলার ব্যবসার বিশাল বড় মৌসুম। এই মৌসুমে তারা বড়ধরনের লস থেকে বাঁচতেই এডের এই বুদ্ধিমান (?) উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। আর কাফেরদের চক্রান্ত তাদের বিপরীত ব্যাকফায়ার করেছে আলহামদুলিল্লাহ, এই এড না হলে হয়তো মুসলমানরা নতুন উদ্যোগে বয়কট করতো না, কিছুটা বিক্রিও হতো। ইনশাআল্লাহ, পূর্ণ বয়কট করুন, আশপাশে যাকেই কিনতে দেখবেন, গিয়ে ডাইরেক্ট বলুন, এই পন্য সংগ্রহ করার চেয়ে ইসরাইলের ফান্ডে সরাসরি গিয়ে বোমা কিনার টাকা দিয়ে আসুন, যাতে আমাদের মুসলিম ভাইদের শয়তানের দোসররা আরো বেশি করে হত্যা করতে পারে।
❤28👍1
তিনচার মাস আগের ঘটনা। কাওরান বাজারে একটি টিভি প্রোগ্রাম শেষ করে হালকা কিছু খাওয়ার জন্য ভদ্রস্ত দোকান খুঁজছিলাম। ক্ষুধা যেমন লেগেছে, পিপাসাও লেগেছে চরম। মেট্রো স্টেশনের পশ্চিম পাশে বসুন্ধরা সিটির দিকে যেতে শপিং মলের নিচে একটি বড়সড় কোমল পানীয়র দোকান দেখে এগিয়ে গেলাম।
দোকানের বাইরে একটি বিশাল ফ্রিজ, ভেতরেও কয়েকটি ফ্রিজ। সবগুলো কোকাকোলার পানীয়। কোক, ফান্টা, পেপসি ইত্যাদি। আমি বাইরের ফ্রিজ খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখে ভেতরে গেলাম। ভেতরের ফ্রিজগুলোতেও একই জিনিস।
দোকানের এক কর্মীকে বললাম, এসব ছাড়া কিছু নেই? মিনারেল ওয়াটার হলেও চলবে। তিনি এ্যাকুয়াফিনার বোতলের সারির দিকে ইশারা করে ম্লান হাসি দিয়ে বললেন, আসলে এখানে যা আছে, আমি জানি- আপনি কোনোটাই খাবেন না।
তারপর কানের কাছে এসে বললেন, ‘দেখুন- আমি নিজে এখানে চাকরি করি, কিন্তু এখানকার কোনো পণ্য আমি এখন মুখে লাগাই না। ফিলিস্তিনি শিশুদের রক্তাক্ত ছবি সামনে ভেসে ওঠে। আমি অলরেডি এর বিকল্প চাকরি অনুসন্ধান শুরু করেছি। আমার জন্য দোয়া করবেন।’
ওদেরই দোকানে একজন মুসলিম ভাইয়ের এমন চেতনামাখা কথা শুনে আমার পিপাসা মিটে গেল। মনটার সঙ্গে যেন পেটও ভরে গেল।
আরে বেনিয়ার দল, তোরা আমাদের বিজ্ঞাপন দিয়ে ভুলভাল আবেগে ভাসাতে চাস? ওইদিন চলে গেছে। এখন তোদের দোকানে পর্যন্ত পৌঁছে গেছে উম্মাহর চেতনা। তোদের অর্ধশতাব্দীর ব্যবসার কোমর আর সোজা হতে দেব না ইনশাআল্লাহ।
#আকসা_আমাদের
©
দোকানের বাইরে একটি বিশাল ফ্রিজ, ভেতরেও কয়েকটি ফ্রিজ। সবগুলো কোকাকোলার পানীয়। কোক, ফান্টা, পেপসি ইত্যাদি। আমি বাইরের ফ্রিজ খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখে ভেতরে গেলাম। ভেতরের ফ্রিজগুলোতেও একই জিনিস।
দোকানের এক কর্মীকে বললাম, এসব ছাড়া কিছু নেই? মিনারেল ওয়াটার হলেও চলবে। তিনি এ্যাকুয়াফিনার বোতলের সারির দিকে ইশারা করে ম্লান হাসি দিয়ে বললেন, আসলে এখানে যা আছে, আমি জানি- আপনি কোনোটাই খাবেন না।
তারপর কানের কাছে এসে বললেন, ‘দেখুন- আমি নিজে এখানে চাকরি করি, কিন্তু এখানকার কোনো পণ্য আমি এখন মুখে লাগাই না। ফিলিস্তিনি শিশুদের রক্তাক্ত ছবি সামনে ভেসে ওঠে। আমি অলরেডি এর বিকল্প চাকরি অনুসন্ধান শুরু করেছি। আমার জন্য দোয়া করবেন।’
ওদেরই দোকানে একজন মুসলিম ভাইয়ের এমন চেতনামাখা কথা শুনে আমার পিপাসা মিটে গেল। মনটার সঙ্গে যেন পেটও ভরে গেল।
আরে বেনিয়ার দল, তোরা আমাদের বিজ্ঞাপন দিয়ে ভুলভাল আবেগে ভাসাতে চাস? ওইদিন চলে গেছে। এখন তোদের দোকানে পর্যন্ত পৌঁছে গেছে উম্মাহর চেতনা। তোদের অর্ধশতাব্দীর ব্যবসার কোমর আর সোজা হতে দেব না ইনশাআল্লাহ।
#আকসা_আমাদের
©
❤49
জনপরিসরে তাকবিরের উচ্চারণ ট্যাবুর মত হয়ে গেছে। অথচ সাহাবায়ে কেরামের সমাজে তাকবিরের আমল ছিল খুবই স্বাভাবিক। তারা পথেঘাটে, বাজারে, সর্বত্রই অনায়েসে তাকবিরের চর্চা করতে পারেন।
মুসলিম সমাজ হিসেবে এটি আমাদের জন্য দু:খজনক ব্যাপার। এটি সমাজে আমাদের দূর্বলতা ও আধিপত্যহীনতার একটি নিদর্শন। আমরা তাকবিরের আমল চর্চার মৌসুমে আছি। সারা বছরেই সাহাবায়ে কেরামের সমাজে তাকবিরের চর্চা ছিল। কিন্তু জিলহজ্ব মাসের শুরু থেকে তারা বাজারে, পথেঘাটে তাকবিরের ধ্বনি আরো বাড়িয়ে দিতেন।
আমাদেরও উচিত জনপরিসরে তাকবিরের চর্চা করা। তাকবিরের প্রতি তৈরি হওয়া ট্যাবু ভেঙ্গে দেয়া। এটি সামাজিকভাবে ইসলামের আধিপত্য তৈরিরও একটি ধাপ হতে পারে আমাদের জন্য। এই তাকবিরের প্রতি সেকুলার ও ব্রাক্ষ্মণ্যবাদীদের আছে ঐতিহাসিক চুলকানি ও ভীতি।৷
মাওলানা ইফতেখার সিফাত
মুসলিম সমাজ হিসেবে এটি আমাদের জন্য দু:খজনক ব্যাপার। এটি সমাজে আমাদের দূর্বলতা ও আধিপত্যহীনতার একটি নিদর্শন। আমরা তাকবিরের আমল চর্চার মৌসুমে আছি। সারা বছরেই সাহাবায়ে কেরামের সমাজে তাকবিরের চর্চা ছিল। কিন্তু জিলহজ্ব মাসের শুরু থেকে তারা বাজারে, পথেঘাটে তাকবিরের ধ্বনি আরো বাড়িয়ে দিতেন।
আমাদেরও উচিত জনপরিসরে তাকবিরের চর্চা করা। তাকবিরের প্রতি তৈরি হওয়া ট্যাবু ভেঙ্গে দেয়া। এটি সামাজিকভাবে ইসলামের আধিপত্য তৈরিরও একটি ধাপ হতে পারে আমাদের জন্য। এই তাকবিরের প্রতি সেকুলার ও ব্রাক্ষ্মণ্যবাদীদের আছে ঐতিহাসিক চুলকানি ও ভীতি।৷
মাওলানা ইফতেখার সিফাত
❤30👍23
আমার এক বন্ধু বিরাট বড় কোকের পাগল, সে কোকের পিছনে এই দুই বছর যত টাকা ঢালছে তাতে মনে হয় গাজীপুর সিটি কর্পারেশনে এক দুই খান বাড়ি বানানো যেতো।
ইদানীং সে কোক খাওয়া ছেড়ে দিয়েছে। এর আগেও ওজন কমানোর তাগিদে সে একশ চল্লিশ বারের বেশি কোক ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে, ঘোষণা দেওয়ার পরপরই তার কোকের জন্য গলা শুকিয়ে গেছে, সে ঝপাৎ করে কোক কিনে খাওয়া শুরু করেছে। এইবারও আমরা তাই ভেবেছি, দুদিন পরই কপকপ করে কোক খাবে।
কিন্তু সে খেলোই না। শুধু কোক না, পেপসি টু যত ই*স*রা*ইলের পন্য বাদ দেওয়া সম্ভব সবই বাদ দিয়ে ঝিম মেরে বসে রইলো। অন্যসব বাদ দেওয়া তার জন্য দূরহ নাও হতে পারে, কিন্তু চার মাস সে কোক পুরো ছেড়ে বসে আছে এই তথ্য তার নিজের আম্মা জানার পরও বিশ্বাস করেনি, আমরা তো দূরের কেইস।
কারণটা খুব সাধারণ, তার একার কোক খাওয়া না খাওয়াতে হয়তো তেমন কিছু আসবে যাবে না, কিন্তু এটা তার জন্য মনের শান্তি। দুনিয়ার এক প্রান্তে নির্বিচারে গনহ*ত্যা চলছে, আর সেই গনহ*ত্যার মূলনায়কের একটা প্রডাক্ট বর্জন করে যতটা সম্ভব প্রতিবাদ করছে।
আর দশটা মানুষের প্রতিবাদ হয়তো এই লেভেলেই থেমে যেতো, কিন্তু সে আরেকটা কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলল, টার্ম ফাইনালের প্রেজেন্টেশনের পিপিটি ফাইলের শেষ
স্লাইডকে আমরা বলি থ্যাংক ইউ স্লাইড। এই স্লাইড অন্য সবাই ফুল পাতা লতা দিয়ে সাজিয়ে একসার করে। সে পুরো উলটো কাহিনি করে বসলো।
থ্যাংক ইউ স্লাইডের বদলায় গাজার ধ্বং*সস্তুপের ছবি সাথে হ্যাশট্যাগ স্টপ গাজা জে*নোসাইড দিয়ে প্রেজেন্টেশন শেষ করলো। পুরো রুমে পিন পতন নিরবতা। দুই কোর্স ইন্সট্রাকটর কটকট করে তার দিকে তাকিয়ে আছে।
"রিসার্চ ওয়ার্কে রাজনীতি ঢুকানোর কারণে তোমাকে আমি জিরো দিতে পারি এই তথ্য জানো?" এক স্যার খড়খড়ে গলায় বলল।
আমার বন্ধু শান্ত গলায় বললো, "এটা রাজনীতি না স্যার, এটা জে*নোসাইড। এখানে নির্বিচারে মানুষ মারা হচ্ছে। রিসার্চ করে কি লাভ যদি মানুষই না বাচে? সাইন্স ইজ ফর পিপল।"
আরেক কোর্স ইন্সট্রাকটর কড়া গলায় বলল, এতে কি লাভ হলো? তোমার এই প্রেজেন্টেশন তো ই*জ*রা*&ইল দেখে নাই যে তারা তোমার প্রতিবাদের ঝড়ে উড়ে যুদ্ধ থামাবে।"
"এই রুমের ত্রিশজনের মত মানুষ আছে, স্যার। এই ত্রিশজন মানুষ এই প্রেজেন্টেশন দেখবে। তারা আজকে একবার হলেও এই গণহত্যার কথা ভাববে। ত্রিশজনের মধ্যে পনেরজন বাসায় গিয়ে এটা নিয়ে সার্চ দেবে, শেয়ার দেবে। এই পনেরজনের মধ্যে একজন হয়ত ভবিষ্যতে বড় কোনো পজিশনে যাবে। আমাদের পক্ষ থেকে সে তখন বলতে পারবে। ইট'স লাইক এ চেইন রিয়েকশন।"
আমার বন্ধুর উত্তরটা ছিলো এইরকম।
ক্লাশের পিনপতন নিরবতা ভেঙে তালির শব্দে সে দিন ডিন অফিস থেকে লোক পর্যন্ত ছুটে এসেছিলো।
গল্প এখানেই শেষ। তবে একটা ছোট তথ্য শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারছি না। সেই প্রেজেন্টেশন আমার বন্ধু পেয়েছিল ২০ মার্ক। পুরো প্রেজেন্টেশনে মার্ক ছিলো ১৫, এক্সটা ৫ নাম্বার সে পেয়েছে খুব সহজ একটা কারনে, কারণ সে তার শেষের স্লাইড দিয়ে প্রুভ করতে পেরেছে "রিসার্চ ইজ ফর পিপল।"
এবং একটা ছাত্র ছাত্রীও, আমাদের মিনমিনা শয়তান টপারগুলো পর্যন্ত বিন্দুমাত্র কথা বলেনি তার মার্কিং নিয়ে।
আমার এই কাহিনি শেয়ারের উদ্দেশ্য খুব সাধারণ। রা*ফায় যে গনহ*ত্যা চলছে, তা নিয়ে যারা শেয়ার করছে বা লেখালিখি করছেন তারা প্রায়শই হয়ত শুনে যাচ্ছে, "তুমি একলা কি করবা? তারা কি তোমার কথায় যু*দ্ধ বন্ধ করবে?"
উত্তরটা হচ্ছে একা একা না। আপনার আমার শেয়ার করা এই লেখা বা ভিডিও আর দশটা মানুষের কাছে যাবে, তারাও দেখবে আর জানবে পৃথিবীর অন্যপ্রান্তে আপনার আমার মতোই মানুষগুলো কি ভয়ংকর বিভীষিকাময় দিন কাটাচ্ছে।
এইটুকু মানুষ হয়ে জানতে হয়, অন্যকে জানাতে চাইতে হয়। মানুষ হওয়ার কিছু শর্ত আছে, সেই শর্তগুলোর একটা হলো ভয় পাওয়া। চুপ থাকতে থাকতে অন্তরের মনুষ্যত্ব নামক ব্যাপারটা সিলগালা হয়ে গেলো নাকি সেই ভয় পাওয়া।
অন্তত এইটুকু ভয় আমাদের পেতে হবে। গাজা বা রা*ফার মানুষদের জন্য তো বটেই, আমাদের নিজেদের মনুষ্যত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য হলেও আমাদের বলতে হবে, "স্টপ জে*নোসাইড, ফ্রি প্যা*লেস্টাইন।"
কেউ শুনুক, আর নাই বা শুনুক।
--- সংগৃহীত
ইদানীং সে কোক খাওয়া ছেড়ে দিয়েছে। এর আগেও ওজন কমানোর তাগিদে সে একশ চল্লিশ বারের বেশি কোক ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে, ঘোষণা দেওয়ার পরপরই তার কোকের জন্য গলা শুকিয়ে গেছে, সে ঝপাৎ করে কোক কিনে খাওয়া শুরু করেছে। এইবারও আমরা তাই ভেবেছি, দুদিন পরই কপকপ করে কোক খাবে।
কিন্তু সে খেলোই না। শুধু কোক না, পেপসি টু যত ই*স*রা*ইলের পন্য বাদ দেওয়া সম্ভব সবই বাদ দিয়ে ঝিম মেরে বসে রইলো। অন্যসব বাদ দেওয়া তার জন্য দূরহ নাও হতে পারে, কিন্তু চার মাস সে কোক পুরো ছেড়ে বসে আছে এই তথ্য তার নিজের আম্মা জানার পরও বিশ্বাস করেনি, আমরা তো দূরের কেইস।
কারণটা খুব সাধারণ, তার একার কোক খাওয়া না খাওয়াতে হয়তো তেমন কিছু আসবে যাবে না, কিন্তু এটা তার জন্য মনের শান্তি। দুনিয়ার এক প্রান্তে নির্বিচারে গনহ*ত্যা চলছে, আর সেই গনহ*ত্যার মূলনায়কের একটা প্রডাক্ট বর্জন করে যতটা সম্ভব প্রতিবাদ করছে।
আর দশটা মানুষের প্রতিবাদ হয়তো এই লেভেলেই থেমে যেতো, কিন্তু সে আরেকটা কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলল, টার্ম ফাইনালের প্রেজেন্টেশনের পিপিটি ফাইলের শেষ
স্লাইডকে আমরা বলি থ্যাংক ইউ স্লাইড। এই স্লাইড অন্য সবাই ফুল পাতা লতা দিয়ে সাজিয়ে একসার করে। সে পুরো উলটো কাহিনি করে বসলো।
থ্যাংক ইউ স্লাইডের বদলায় গাজার ধ্বং*সস্তুপের ছবি সাথে হ্যাশট্যাগ স্টপ গাজা জে*নোসাইড দিয়ে প্রেজেন্টেশন শেষ করলো। পুরো রুমে পিন পতন নিরবতা। দুই কোর্স ইন্সট্রাকটর কটকট করে তার দিকে তাকিয়ে আছে।
"রিসার্চ ওয়ার্কে রাজনীতি ঢুকানোর কারণে তোমাকে আমি জিরো দিতে পারি এই তথ্য জানো?" এক স্যার খড়খড়ে গলায় বলল।
আমার বন্ধু শান্ত গলায় বললো, "এটা রাজনীতি না স্যার, এটা জে*নোসাইড। এখানে নির্বিচারে মানুষ মারা হচ্ছে। রিসার্চ করে কি লাভ যদি মানুষই না বাচে? সাইন্স ইজ ফর পিপল।"
আরেক কোর্স ইন্সট্রাকটর কড়া গলায় বলল, এতে কি লাভ হলো? তোমার এই প্রেজেন্টেশন তো ই*জ*রা*&ইল দেখে নাই যে তারা তোমার প্রতিবাদের ঝড়ে উড়ে যুদ্ধ থামাবে।"
"এই রুমের ত্রিশজনের মত মানুষ আছে, স্যার। এই ত্রিশজন মানুষ এই প্রেজেন্টেশন দেখবে। তারা আজকে একবার হলেও এই গণহত্যার কথা ভাববে। ত্রিশজনের মধ্যে পনেরজন বাসায় গিয়ে এটা নিয়ে সার্চ দেবে, শেয়ার দেবে। এই পনেরজনের মধ্যে একজন হয়ত ভবিষ্যতে বড় কোনো পজিশনে যাবে। আমাদের পক্ষ থেকে সে তখন বলতে পারবে। ইট'স লাইক এ চেইন রিয়েকশন।"
আমার বন্ধুর উত্তরটা ছিলো এইরকম।
ক্লাশের পিনপতন নিরবতা ভেঙে তালির শব্দে সে দিন ডিন অফিস থেকে লোক পর্যন্ত ছুটে এসেছিলো।
গল্প এখানেই শেষ। তবে একটা ছোট তথ্য শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারছি না। সেই প্রেজেন্টেশন আমার বন্ধু পেয়েছিল ২০ মার্ক। পুরো প্রেজেন্টেশনে মার্ক ছিলো ১৫, এক্সটা ৫ নাম্বার সে পেয়েছে খুব সহজ একটা কারনে, কারণ সে তার শেষের স্লাইড দিয়ে প্রুভ করতে পেরেছে "রিসার্চ ইজ ফর পিপল।"
এবং একটা ছাত্র ছাত্রীও, আমাদের মিনমিনা শয়তান টপারগুলো পর্যন্ত বিন্দুমাত্র কথা বলেনি তার মার্কিং নিয়ে।
আমার এই কাহিনি শেয়ারের উদ্দেশ্য খুব সাধারণ। রা*ফায় যে গনহ*ত্যা চলছে, তা নিয়ে যারা শেয়ার করছে বা লেখালিখি করছেন তারা প্রায়শই হয়ত শুনে যাচ্ছে, "তুমি একলা কি করবা? তারা কি তোমার কথায় যু*দ্ধ বন্ধ করবে?"
উত্তরটা হচ্ছে একা একা না। আপনার আমার শেয়ার করা এই লেখা বা ভিডিও আর দশটা মানুষের কাছে যাবে, তারাও দেখবে আর জানবে পৃথিবীর অন্যপ্রান্তে আপনার আমার মতোই মানুষগুলো কি ভয়ংকর বিভীষিকাময় দিন কাটাচ্ছে।
এইটুকু মানুষ হয়ে জানতে হয়, অন্যকে জানাতে চাইতে হয়। মানুষ হওয়ার কিছু শর্ত আছে, সেই শর্তগুলোর একটা হলো ভয় পাওয়া। চুপ থাকতে থাকতে অন্তরের মনুষ্যত্ব নামক ব্যাপারটা সিলগালা হয়ে গেলো নাকি সেই ভয় পাওয়া।
অন্তত এইটুকু ভয় আমাদের পেতে হবে। গাজা বা রা*ফার মানুষদের জন্য তো বটেই, আমাদের নিজেদের মনুষ্যত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য হলেও আমাদের বলতে হবে, "স্টপ জে*নোসাইড, ফ্রি প্যা*লেস্টাইন।"
কেউ শুনুক, আর নাই বা শুনুক।
--- সংগৃহীত
❤16👍4👏2
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
দুইটা কথা এই ভিডিও দেখে বলি,
১. এভাবে এক দুই প্রজন্ম মুর্খ করে তৈরি করতে পারলেই সামনের সকল ডাক্তার, ইঞ্জিয়ার আর রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য উচ্চপদস্থ পদগুলো চলে ঐখানের দাদাবাবুদের হাতে, সেটার প্রস্তুতি চলছে। চূড়ান্ত দাস বানানোর স্টেপগুলো এভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে, আর আমরা...
২. মুসলিম চাষীরা কেন শিক্ষিত হবে বলে, হিন্দু ব্রাহ্মনরা যেই উদ্বিগ্নতা প্রকাশ করেছিলো সেটাই এখন বাস্তবায়ন করছে শয়তানের দোসররা।
আমরা চুপ করেই থাকি সবাই।
১. এভাবে এক দুই প্রজন্ম মুর্খ করে তৈরি করতে পারলেই সামনের সকল ডাক্তার, ইঞ্জিয়ার আর রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য উচ্চপদস্থ পদগুলো চলে ঐখানের দাদাবাবুদের হাতে, সেটার প্রস্তুতি চলছে। চূড়ান্ত দাস বানানোর স্টেপগুলো এভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে, আর আমরা...
২. মুসলিম চাষীরা কেন শিক্ষিত হবে বলে, হিন্দু ব্রাহ্মনরা যেই উদ্বিগ্নতা প্রকাশ করেছিলো সেটাই এখন বাস্তবায়ন করছে শয়তানের দোসররা।
আমরা চুপ করেই থাকি সবাই।
👍23
‘কুরবানি’ আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের এক সুবর্ণ সুযোগ। ইমানি চেতনায় বলিয়ান হয়ে মিল্লাতে ইবরাহিমিয়ার জাগরণের জাগ্রত হওয়ার প্রশিক্ষণ হলো মহামান্বিত এই কুরবানি। যুক্তি আর তর্কের উর্ধ্বে উঠে শুধু আল্লাহর আদেশের সামনে নিজেকে সমর্পণ করার মাস হলো এই জিলহজ্জ। এখানের কাজগুলো যুক্তির নিরিখে নয় করতে হবে ইমানের নিরিখে। আল্লাহর আদেশে, নবির পথের অনুসারী হয়ে। এটাই শিক্ষা। আর এই শিক্ষাটুকু মুমিনকে প্রতি বছর স্মরণ করিয়ে দিতে আসে কুরবানি।
কুরবানি একটি ওয়াজিব আমল। প্রতিটি সচ্ছল (শরিয়তের দৃষ্টিতে) মুকিম ব্যক্তির জন্যে তা আবশ্যক। তাই সে সংক্রান্ত বেশকিছু বিধানও রয়েছে। আমি এখানে বিধান নিয়ে কিছুই বলবোনা। শুধু কুরবানির এমনকিছু বিধান যেগুলো আমাদের কুরবানির মত এই মহৎ আমলকে করবে আরো সুন্দরময়।
১. কুরবানির পশু সাধ্যমতো দ্রুত ক্রয় করা বা সংগ্রহ করা যাতে তার সাথে একটা মহব্বতের সম্পর্ক তৈরি করা যায়
ইমাম কাসানী রহ. (মৃত্যু ৫৮৭হি.) বলেন,
فيستحب أن يربط الأضحية قبل أيام النحر بأيام لما فيه من الاستعداد للقربة وإظهار الرغبة فيها فيكون له فيه أجر وثواب،
কুরবানির কয়েকদিন পূর্বেই পশুর ব্যবস্থা করে ফেলা। এতে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের জন্যে নিজেকে প্রস্তুত করা ও আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। আর তাতে রয়েছে সাওয়াব।-বাদায়েয়ুস সানায়ে ৫/৭৮।
২. শরীকে পশু কুরবানি করার চেয়ে একা ছাগল কুরবানি করা উত্তম।
ইবনে কুদামা রহ. বলেন,
الشاة أفضل من شرك في بدنة لأن إراقة الدم مقصود في الأضحية، و المنفرد يتقرب بإراقته كله.
এক গরুতে শরিক হওয়ার চেয়ে আলাদা ছাগল কুরবানি করা উত্তম। কারণ কুরবানিতে আসল উদ্দেশ্য হলো পশুর রক্ত প্রবাহিত করা। আর একা কুরবানিতে তা পূর্ণভাবে হয়।-আল মুগনি ৫/১৬৩
৩. কুরবানির পশু ক্রয় করার পূর্বেই শরীক নির্ধারণ করে নেওয়া।
যদি কেউ শরীকে কুরবানি করতে চায় তাহলে ক্রয় করার পূর্বেই তা নির্ধারণ করে নেওয়া। যদি ব্যক্তি ধনী হয় তাহলে ক্রয় করার পরেও অংশীদার নিতে পারবে। তবে গরিব হলে পারবেনা।
ইমাম সারাখসি রহ. (মৃত্যু ৪৮৪হি.) বলেন,
(وَإِنْ اشْتَرَى بَقَرَةً يُرِيدُ أَنْ يُضَحِّيَ بِهَا عَنْ نَفْسِهِ، ثُمَّ اشْتَرَكَ مَعَهُ سِتَّةٌ أَجْزَأَهُ اسْتِحْسَانًا)، ... (وَلَوْ فَعَلَ ذَلِكَ قَبْلَ أَنْ يَشْتَرِيَ كَانَ أَحْسَنَ)؛ لِأَنَّهُ أَبْعَدُ عَنْ الِاخْتِلَافِ، وَلَيْسَ فِيهِ مَعْنَى الرُّجُوعِ فِي الْقُرْبَةِ لَا صُورَةً، وَلَا مَعْنًى فَكَانَ ذَلِكَ أَفْضَلَ.
গরু ক্রয়ের পর কাউকে শরিক করে তাহলে তা বৈধ হবে। তবে উত্তম হলো, ক্রয়ের পূর্বেই শরীক ঠিক করে নেওয়া।- আলমাবসুত লিস সারাখসি ১২/১৫।
৪. কুরবানির পশু দেখতে সুন্দর ও নাদুসনুদুস ক্রয় করা।
হযরত আনাস রা. বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি শিংওয়ালা দুটো মোটাতাজা দুম্বা কুরবানি জবাই করতেন। আমিও তদ্রুপ করতাম।- সহিহ বুখারি হাদিস নং ৫৫৫৩-৫৫৫৪
হযরত আবু উমামাহ রহ. বলেন, আমরা মদিনায় মোটাতাজা পশু কুরবানি করতাম। অন্যান্য মুসলমানরাও তাই করতো।-সহিহ বুখারি ৪/২২৫, মুয়সসাসাতুর রিসালাহ।
ইমাম কাসানী রহ. (মৃত্যু ৫৮৭হি.) বলেন,
فَالْمُسْتَحَبُّ أَنْ يَكُونَ أَسْمَنَهَا وَأَحْسَنَهَا وَأَعْظَمَهَا لِأَنَّهَا مَطِيَّةُ الْآخِرَةِ
কুরবানির পশু নাদুসনুদুস, দেখতে সুন্দর ও বড়সড় হওয়া মুসতাহাব।-বাদায়েয়ুস সামায়ে ৫/৮০
৫. কুরবানির গরুর মহত্ত্ব ও গুরুত্ব বুঝানোর উদ্দেশ্য তা সাজানো উত্তম।
কুরবানি করা ইসলামের শায়ায়েরে অন্তর্ভুক্ত। হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানি রহ. বলেন,
ولا خلاف كونها -الأضحية- من شعائر الدين.
এই বিষয়ে কোনো ইমামের মাঝে ইখতেলাফ নেই কুরবানি দ্বীনের একটি শিয়ার।- ফাতহুল বারী ১০/৩, মাকতাবাতুস সফা।
কুরআনের সুরা হজ্জের ৩২ নং আয়াতে দ্বীনের শিয়ারকে সম্মান করতে বলা হয়েছে। ঐ আয়াতকে সামনে রেখে কাসানী রহ. বলেন,
فَيُسْتَحَبُّ أَنْ يُقَلِّدَهَا وَيُجَلِّلَهَا اعْتِبَارًا بِالْهَدَايَا، وَالْجَامِعُ أَنَّ ذَلِكَ يُشْعِرُ بِتَعْظِيمِهَا قَالَ اللَّه تَعَالَى {ذَلِكَ وَمَنْ يُعَظِّمْ شَعَائِرَ اللَّهِ فَإِنَّهَا مِنْ تَقْوَى الْقُلُوبِ} [الحج: 32]
হজ্জের পশুর মত কুরবানির গরুকে সাজানো এবং তার প্রতি আলাদা যত্নবান থাকা মুস্তাহাব। কারণ এতে পশুকে সম্মান করা হয় যা কুরআনে এসেছে।-বাদায়েয়ুস সানায়ে ৫/৭৮
৬. নিজ হাতে কুরবানি করা।
হযরত আনাস রা. বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ হাতে দুটো নাদুসনুদুস দুম্বা কুরবানি করেছেন।- বুখারি হাদিস নং ৫৫৫৮।
ইমাম কাসানী রহ. (মৃত্যু ৫৮৭হি.) বলেন,
فَالْأَفْضَلُ أَنْ يَذْبَحَ بِنَفْسِهِ إنْ قَدَرَ عَلَيْهِ لِأَنَّهُ قُرْبَةٌ فَمُبَاشَرَتُهَا بِنَفْسِهِ أَفْضَلُ مِنْ تَوْلِيَتِهَا غَيْرَهُ كَسَائِرِ الْقُرُبَاتِ،
উত্তম হলো, যদি সক্ষম হয় তাহলে নিজের পশু নিজেই জবাই করা। কারণ কুরবানি করা ইবাদত। আর নিজের ইবাদত নিজে আদায় করাই সর্বোত্তম।- বাদায়েয়ুস সানায়ে ৫/৮৯
❤3👍3👎1
৭. নিজে ভালো করে জবাই করতে না পারলে অন্যকে দিয়ে জবাই করানো যাবে । তবে এক্ষেত্রে আলেমদের দিয়ে করানোই উত্তম।
ইমাম নববি রহ. (মৃত্যু ৬৭৬ হি.) বলেন,
وَلَهُ أَنْ يُوَكِّلَ فِي ذَبْحِهَا مَنْ تَحِلُّ ذَبِيحَتُهُ، وَالْأَوْلَى أَنْ يُوكِّلَ مُسْلِمًا فَقِيهًا، لِعِلْمِهِ بِشُرُوطِهَا.
নিজে জবাই করতে না পারলে অন্যকে দিয়ে জবাই করানো যাবে। তবে উত্তম পশু জবাইয়ের শরয়ী বিষয় জানেন এমন একজন আলেমকে দিয়ে জবাই করানো।- রওজাতুত তালেবিন ৩/২০০
৮. কুরবানির পশু নিজে জবাই না করলেও জবাইয়ের নিজে উপস্থিত থাকা সর্বোত্তম। এক্ষেত্রে পর্দার পরিপূর্ণ লক্ষ্য রেখে মহিলারাও উপস্থিত থাকতে পারেন। যদি কুরবানি মহিলার পক্ষ থেকে হয়।
ورواه أبو القاسم الأصبهاني عن عليّ ولفظه: أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: يا فاطمة قومي فاشهدي أضحيتك، فإنَّ لك بأوَّل قطرةٍ تقطرُ من دمها مغفرةً لكلِّ ذنبٍ.
হযরত আলী রা. বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাতেমা রা.কে উদ্দেশ্য করে বলেন, হে ফাতেমা! তুমি তোমার কুরবানিতে উপস্থিত থাকবে। কারণ কুরবানির রক্ত মাটিতে পড়ার সাথে আল্লাহ তোমার সকল গুনাহ মাফ করে দিবেন।- তারগিব ওয়াত তারহিব ২/১৫৫। মুস্তাদরাকে হাকেম ৪/২১১।
قال المنذري : وقدْ حسن بعض مشايخنا على هذا، والله أعْلمُ.(الترغيب والترهيب للمنذري ت عمارة ,٢/ ١٥٥)
ইমাম সারাখসি রহ. (মৃত্যু ৪৮৪হি.) বলেন,
فَإِنْ كَانَ يَخَافُ أَنْ يَعْجِزَ عَنْ ذَلِكَ فَالْأَفْضَلُ أَنْ يَسْتَعِينَ بِغَيْرِهِ، وَلَكِنَّهُ يَنْبَغِي لَهُ أَنْ يَشْهَدَهَا بِنَفْسِهِ لِمَا رُوِيَ أَنَّ «النَّبِيَّ - عَلَيْهِ الصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ - قَالَ لِفَاطِمَةَ - رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهَا - قُومِي فَاشْهَدِي أُضْحِيَّتَكِ فَإِنَّهُ يُغْفَرُ لَكِ بِأَوَّلِ قَطْرَةٍ مِنْ دَمِهَا كُلُّ ذَنْبٍ أَمَا أَنَّهُ يُجَاءُ بِلَحْمِهَا وَدَمِهَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ
যদি নিজে পশু জবাই করতে না পারে তাহলে উত্তম হলো, অন্য কাউকে দিয়ে করানো। তবে নিজে উপস্তিত থাকা ভালো। কারণ হাদিসে উৎসাহিত করা হয়েছে।- আল মাবসুত ১২/১৮।
৭. গোস্ত তিনভাগে বন্টন করা।
قال أبو جعفر الطحاوي: وينبغي له أن يتصدق منها، ولا يقصر عن الثلث.
ইমাম তহাবী রহ. (মৃত্যু ৩২১হি.) বলেন, কুরবানির গোস্ত থেকে সদকা করা উচিত এবং তা একতৃতিয়াংশের কম না হওয়া চাই।- মুখতাসুত তাহাবী পৃ.৩০৬ আবু ওয়াফা আফগানী রহ.-র তাহকীককৃত নুসখা।
قال أحمد: الصدقة عندهم بالثلث استحبابًا.....
وقد روي عن عبد الله بن مسعود أنه كان يهدي الثلث منها إلى أولاد أخيه، ويأكل الثلث، ويتصدق بالثلث، وكذا قال أصحابنا في ذلك،
ইমাম জাসসাস রহ. (মৃত্যু ৩৭০হি.)বলেন, তিন ভাগের একভাগ সদকা করা মুস্তাহাব।...
আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. থেকে বর্ণনা করা হয়, তিনি একভাগ তার ভাতিজাদের হাদিয়া দিতেন। একভাগ নিজে খেতেন। আর একভাগ সদকা করে দিতেন। আমাদের ওলামায়ে আহনাফও এমনটিই বলেন।- শরহু মুখতাসারুত তাহাবী ৭/৩৩৭-৩৪১।
৮. গোস্ত পরিমানে কম হয় আর পরিবার বড় হয় তাহলে কাউকে না দিয়ে নিজ প্রয়োজন ও পরিবারের জন্যে গোস্ত রেখে দেওয়াই উত্তম। ইমাম কাসানী রহ. (মৃত্যু ৫৮৭হি.) বলেন,
إلَّا أَنْ يَكُونَ الرَّجُلُ ذَا عِيَالٍ وَغَيْرَ مُوَسَّعِ الْحَالِ فَإِنَّ الْأَفْضَلَ لَهُ حِينَئِذٍ أَنْ يَدَعَهُ لِعِيَالِهِ وَيُوسِعَ بِهِ عَلَيْهِمْ؛ لِأَنَّ حَاجَتَهُ وَحَاجَةَ عِيَالِهِ مُقَدَّمَةٌ عَلَى حَاجَةِ غَيْرِهِ قَالَ النَّبِيُّ - عَلَيْهِ الصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ - «ابْدَأْ بِنَفْسِك ثُمَّ بِغَيْرِك.
ব্যক্তি যদি গরিব আর আর অসচ্ছল হয় তাহলে উত্তম হলো নিজ পরিবারের জন্যে রেখে দেওয়া। পরিবারের প্রয়োজন পুরণ করা অন্যের প্রয়োজন থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।-বাদায়েয়ুস সানায়ে ৫/৮১।
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ابْدَأْ بِنَفْسِكَ فَتَصَدَّقْ عَلَيْهَا، فَإِنْ فَضَلَ شَيْءٌ فَلِأَهْلِكَ، فَإِنْ فَضَلَ عَنْ أَهْلِكَ شَيْءٌ فَلِذِي قَرَابَتِكَ، فَإِنْ فَضَلَ عَنْ ذِي قَرَابَتِكَ شَيْءٌ فَهَكَذَا وَهَكَذَا» يَقُولُ: فَبَيْنَ يَدَيْكَ وَعَنْ يَمِينِكَ وَعَنْ شِمَالِكَ
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রথমে নিজের জন্য খরচ করো। যদি অতিরিক্ত হয় তাহলে পরিবারের জন্যে খরচ করো। আরো অতিরিক্ত হয় তাহলে আত্মীয়স্বজনের জন্য খরচ করো।-সহিহ মুসলিম হাদিস নং ৯৯৭
(হাঁ, তবে কেউ যদি পুরো অংশই নিজের জন্যে রেখে দিতে চায় কোনো কারণ ছাড়া তাও জায়েয হবে। -আলমুহিতুল বুরহানি ৬/৯৪)
আল্লাহ আমাদের সকলের কুরবানি কবুল করে নিক। এবং কুরবানির পূর্ণ শিক্ষা আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন করার তাওফিক দান করুক। আমীন।
ইমাম নববি রহ. (মৃত্যু ৬৭৬ হি.) বলেন,
وَلَهُ أَنْ يُوَكِّلَ فِي ذَبْحِهَا مَنْ تَحِلُّ ذَبِيحَتُهُ، وَالْأَوْلَى أَنْ يُوكِّلَ مُسْلِمًا فَقِيهًا، لِعِلْمِهِ بِشُرُوطِهَا.
নিজে জবাই করতে না পারলে অন্যকে দিয়ে জবাই করানো যাবে। তবে উত্তম পশু জবাইয়ের শরয়ী বিষয় জানেন এমন একজন আলেমকে দিয়ে জবাই করানো।- রওজাতুত তালেবিন ৩/২০০
৮. কুরবানির পশু নিজে জবাই না করলেও জবাইয়ের নিজে উপস্থিত থাকা সর্বোত্তম। এক্ষেত্রে পর্দার পরিপূর্ণ লক্ষ্য রেখে মহিলারাও উপস্থিত থাকতে পারেন। যদি কুরবানি মহিলার পক্ষ থেকে হয়।
ورواه أبو القاسم الأصبهاني عن عليّ ولفظه: أنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: يا فاطمة قومي فاشهدي أضحيتك، فإنَّ لك بأوَّل قطرةٍ تقطرُ من دمها مغفرةً لكلِّ ذنبٍ.
হযরত আলী রা. বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফাতেমা রা.কে উদ্দেশ্য করে বলেন, হে ফাতেমা! তুমি তোমার কুরবানিতে উপস্থিত থাকবে। কারণ কুরবানির রক্ত মাটিতে পড়ার সাথে আল্লাহ তোমার সকল গুনাহ মাফ করে দিবেন।- তারগিব ওয়াত তারহিব ২/১৫৫। মুস্তাদরাকে হাকেম ৪/২১১।
قال المنذري : وقدْ حسن بعض مشايخنا على هذا، والله أعْلمُ.(الترغيب والترهيب للمنذري ت عمارة ,٢/ ١٥٥)
ইমাম সারাখসি রহ. (মৃত্যু ৪৮৪হি.) বলেন,
فَإِنْ كَانَ يَخَافُ أَنْ يَعْجِزَ عَنْ ذَلِكَ فَالْأَفْضَلُ أَنْ يَسْتَعِينَ بِغَيْرِهِ، وَلَكِنَّهُ يَنْبَغِي لَهُ أَنْ يَشْهَدَهَا بِنَفْسِهِ لِمَا رُوِيَ أَنَّ «النَّبِيَّ - عَلَيْهِ الصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ - قَالَ لِفَاطِمَةَ - رَضِيَ اللَّهُ تَعَالَى عَنْهَا - قُومِي فَاشْهَدِي أُضْحِيَّتَكِ فَإِنَّهُ يُغْفَرُ لَكِ بِأَوَّلِ قَطْرَةٍ مِنْ دَمِهَا كُلُّ ذَنْبٍ أَمَا أَنَّهُ يُجَاءُ بِلَحْمِهَا وَدَمِهَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ
যদি নিজে পশু জবাই করতে না পারে তাহলে উত্তম হলো, অন্য কাউকে দিয়ে করানো। তবে নিজে উপস্তিত থাকা ভালো। কারণ হাদিসে উৎসাহিত করা হয়েছে।- আল মাবসুত ১২/১৮।
৭. গোস্ত তিনভাগে বন্টন করা।
قال أبو جعفر الطحاوي: وينبغي له أن يتصدق منها، ولا يقصر عن الثلث.
ইমাম তহাবী রহ. (মৃত্যু ৩২১হি.) বলেন, কুরবানির গোস্ত থেকে সদকা করা উচিত এবং তা একতৃতিয়াংশের কম না হওয়া চাই।- মুখতাসুত তাহাবী পৃ.৩০৬ আবু ওয়াফা আফগানী রহ.-র তাহকীককৃত নুসখা।
قال أحمد: الصدقة عندهم بالثلث استحبابًا.....
وقد روي عن عبد الله بن مسعود أنه كان يهدي الثلث منها إلى أولاد أخيه، ويأكل الثلث، ويتصدق بالثلث، وكذا قال أصحابنا في ذلك،
ইমাম জাসসাস রহ. (মৃত্যু ৩৭০হি.)বলেন, তিন ভাগের একভাগ সদকা করা মুস্তাহাব।...
আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. থেকে বর্ণনা করা হয়, তিনি একভাগ তার ভাতিজাদের হাদিয়া দিতেন। একভাগ নিজে খেতেন। আর একভাগ সদকা করে দিতেন। আমাদের ওলামায়ে আহনাফও এমনটিই বলেন।- শরহু মুখতাসারুত তাহাবী ৭/৩৩৭-৩৪১।
৮. গোস্ত পরিমানে কম হয় আর পরিবার বড় হয় তাহলে কাউকে না দিয়ে নিজ প্রয়োজন ও পরিবারের জন্যে গোস্ত রেখে দেওয়াই উত্তম। ইমাম কাসানী রহ. (মৃত্যু ৫৮৭হি.) বলেন,
إلَّا أَنْ يَكُونَ الرَّجُلُ ذَا عِيَالٍ وَغَيْرَ مُوَسَّعِ الْحَالِ فَإِنَّ الْأَفْضَلَ لَهُ حِينَئِذٍ أَنْ يَدَعَهُ لِعِيَالِهِ وَيُوسِعَ بِهِ عَلَيْهِمْ؛ لِأَنَّ حَاجَتَهُ وَحَاجَةَ عِيَالِهِ مُقَدَّمَةٌ عَلَى حَاجَةِ غَيْرِهِ قَالَ النَّبِيُّ - عَلَيْهِ الصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ - «ابْدَأْ بِنَفْسِك ثُمَّ بِغَيْرِك.
ব্যক্তি যদি গরিব আর আর অসচ্ছল হয় তাহলে উত্তম হলো নিজ পরিবারের জন্যে রেখে দেওয়া। পরিবারের প্রয়োজন পুরণ করা অন্যের প্রয়োজন থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।-বাদায়েয়ুস সানায়ে ৫/৮১।
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ابْدَأْ بِنَفْسِكَ فَتَصَدَّقْ عَلَيْهَا، فَإِنْ فَضَلَ شَيْءٌ فَلِأَهْلِكَ، فَإِنْ فَضَلَ عَنْ أَهْلِكَ شَيْءٌ فَلِذِي قَرَابَتِكَ، فَإِنْ فَضَلَ عَنْ ذِي قَرَابَتِكَ شَيْءٌ فَهَكَذَا وَهَكَذَا» يَقُولُ: فَبَيْنَ يَدَيْكَ وَعَنْ يَمِينِكَ وَعَنْ شِمَالِكَ
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, প্রথমে নিজের জন্য খরচ করো। যদি অতিরিক্ত হয় তাহলে পরিবারের জন্যে খরচ করো। আরো অতিরিক্ত হয় তাহলে আত্মীয়স্বজনের জন্য খরচ করো।-সহিহ মুসলিম হাদিস নং ৯৯৭
(হাঁ, তবে কেউ যদি পুরো অংশই নিজের জন্যে রেখে দিতে চায় কোনো কারণ ছাড়া তাও জায়েয হবে। -আলমুহিতুল বুরহানি ৬/৯৪)
আল্লাহ আমাদের সকলের কুরবানি কবুল করে নিক। এবং কুরবানির পূর্ণ শিক্ষা আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন করার তাওফিক দান করুক। আমীন।
❤13👍3
বাংলাদেশি মানুষদের জন্য আরাফার রোজা রাখতে হবে আগামীকাল। আজকে সাউদির সাথে মিলিয়ে রাখলে তা আদায় হবে না। এটাই চৌদ্দশত বছরে উম্মতের ধারাবাহিক আমল থেকে প্রমানিত হয়ে আসছে।
❤25
উপমহাদেশে গরু জবাই করা অবশ্যই ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘শিয়ার’ তার কয়েকটি কারণ নিম্নে উল্লেখ করা হলো—
১. উপমহাদেশে মুসলমানদের আগমনের পূর্বে হিন্দুরা গরুকে অনেক সম্মান ও ইজ্জত করতো এবং নিজেদের প্রভু মনে করতো। এখনো তারা এই আকিদা লালন করে। এই শিরকী আকিদার কারণে যতদিন এই উপমহাদেশে তাদের ক্ষমতা ছিলো, কারো সাহস ছিলোনা গরু জবাই করবে। যখন মুসলমানরা উপমহাদেশের ক্ষমতা অর্জন করলো তখন হিন্দুদের অন্যসকল শিরকী আকিদার পাশাপাশি গরুর প্রতি তাদের যে আকিদা তাও মিটিয়ে দিতে উদ্দত হলো। তারা গরু জবাই করতে লাগলো যাতে এই কথা স্পষ্ট হয়ে যায় যে, গরু শুধুই চার পা বিশিষ্ট একটি প্রাণী। কোনো দেব-দেবী নয়।
উপমহাদেশে গরু জবাই যেহেতু মুসলমানদের আসার মাধ্যমেই শুরু হয়েছে এবং তা জবাই করা মুসলিমদের একটি প্রমান বহন করে তাই গরু জবাই ইসলামের শিয়ারের অন্তর্ভুক্ত।
২. কালিমায়ে তাওহিদ ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ’ সর্বসম্মতিক্রমে ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিয়ার। কিন্তু হিন্দুরা সত্য গোপন ও মুসলমানদের ধোঁকা দেওয়া জন্য তা প্রায় তা বলতো। উপমহাদেশে পরিবেশ এমন ছিলো, হিন্দুরা মুসলমানদের সাথে হাঙ্গামা আর দাঙ্গা-ফাসাদ করার সময় ‘আল্লাহু আকবার’ এবং ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু'র স্লোগান দিতো। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই গরু জবাই করতোনা। এর দ্বারা এই কথাই প্রমাণ হয়, উপমহাদেশে গরু জবাই করা ও তার গোস্ত খাওয়া মুসলিমদের একটি পরিচয়। তাই কোনো হিন্দু সঠিক অর্থে মুসলিম হয়েছে কি না তা যাচাই করার জন্যে তাকে গরুর গোস্ত খেতে দেওয়া হতো।
৩. কুফফারদের থেকে জিযিয়া কর আদায় করা ইসলামের বিজয়ের একটি বড় নিদর্শন। কিন্তু দেখা গেলো, মুসলমানরা উপমহাদেশের ক্ষমতা অর্জন করার পর হিন্দুরা কর দেওয়ার অপমানকে অতটা গুরুত্ব দিতোনা। কিন্তু গরু জবাই করাকে তারা কোনোভাবেই মেনে নিতোনা। গরু জবাইয়ের কারণে মুসলিমদের খুন করতেও হিন্দুরা কুন্ঠাবোধ করতোনা। মুসলমানরা তাদের জীবনের বিনিময়েও গরু জবাই ছেড়ে দেয়নি। এবং তা উপমহাদেশে বাকি রেখেছে।
উপমহাদেশে গরু জবাই কাফেরদের থেকে কর আদায়ের চেয়েও বড় নিদর্শন হয়ে প্রতিভাত হয়। তাই এই কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়, গরু কুরবানি করা ইসলামের একটি বড় ‘শিয়ার’।
৪. কুরআন শরীফে আল্লাহ তায়া ইরশাদ করেন,
وَالْبُدْنَ جَعَلْنَاهَا لَكُم مِّن شَعَائِرِ اللَّهِ
আমি ‘বুদনা’কে তোমাদের জন্যে আল্লাহর একটি শিয়ার নির্ধারণ করলাম।-সুরা হাজ্জ আয়াত ৩৬
‘বুদনা’ শব্দটি আরবীতে উট ও গরু উভয়ের জন্যে ব্যবহৃত হয়। আরবী ভাষার নির্ভরযোগ্য অভিধান ফিরুযাবাদি রহ. রচিত ‘আল কামুসুল মুহিতে’ বুদনা শব্দের অর্থ এভাবে এসেছে
والبَدَنَةُ، محَرَّكةً، من الإِبِلِ والبَقَرِ: كالأُضْحِيَةِ من الغَنَمِ، تُهْدَى إلى مكةَ، للذَكَرِ والأنْثَى
‘বুদনা’ এটি ‘বাদানাহ’ শব্দের বহুবচন। যা উঠ এবং গরু উভয়কে বুঝায়।-আল কামুসুল মুহিত পৃ.১১৭৯।
সুতরাং যেভাবে উঠ জবাই করা ইসলামের একটি শিয়ার তেমনিভাবে গরু জবাই করাও ইসলামের একটি শিয়ার।...
সুতরাং এই কথা প্রমাণিত হলো যে, গরু জবাই করা ইসলামের একটি শিয়ার। এখন হিন্দুরা মুসলমানদের এই শিয়ার থেকে জোরজবরদস্তি করে হোক বা ভালো ব্যবহার করে কৌশলে যেভাবেই হোক, যদি বিরত রাখতে চায়, তখন মুসলমানদের জন্য এই শিয়ারকে সাধ্যমতো সমাজে ঠিকিয়ে রাখা ওয়াজিব হয়ে যায়। আর এমন মূহুর্তে যে হিন্দুদের সাথে একত্বতা পোষণ করবে তার ইমানের ব্যাপারে সংশয় আছে। যেমনভাবে উপমহাদেশে হিন্দুরা জোরজবরদস্তি করে বা কৌশলে যদি মুসলমানদেরকে আজান দেওয়া থেকে বিরত রাখে তখন তা ছেড়ে দেওয়া কোনোভাবেই মুসলিমদের জন্যে বৈধ হবেনা তেমনিভাবে হিন্দুদের ভালো ব্যবহার বা জোরাজোরি কোনো কারণেই গরু জবাই কম করা বা গরু জবাই করা ছেড়ে দেওয়া বৈধ হবেনা। প্রত্যেক মুসলমানের জন্যে আবশ্যক হলো নিজের সাধ্যনুযায়ী গরু জবাইয়ের মুসলমানদের এই শিয়ার বাকি রাখা।...
যদি আমরা বিষয়টিকে এই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখি যে, গরু জবাই করার দ্বারা হিন্দুদের একটি শিরকি বিশ্বাসের খণ্ডন ও মুসলিমদের বিজয়ের চিহ্ন প্রকাশ হয় তখন অন্যান্য পশু থেকে গরু জবাই করা উত্তম এটা স্পষ্টভাবেই বুঝে আসে।... বিশেষ করে যে অঞ্চলগুলোতে হিন্দু-মুসলিম একসাথে বসবাস করে এবং মুসলিমদের গরু জবাই করার মত ক্ষমতা আছে সেখানে অন্যান্য পশু থেকে গরু জবাই করাকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত।
বর্তমানে কিছু লোককে দেখা যায় এই কথা বলতে, ‘আমাদের সাথে হিন্দুদের একটি ঐক্য আছে। এবং এই ঐক্য আমাদের ধরে রাখার প্রয়োজন আছে। তাই আমাদের উচিত হলো গরু জবাই না করা।’
এই কথার জবাবে এতটুকুই বলবো, ইসলামের দৃষ্টিতে সেই ঐক্যই বৈধ নয় যেখানে কাফেরদের কোনো শিরকী আকিদার প্রতি ছাড় দেওয়া লাগে। গরুর প্রতি সম্মান এটি হিন্দুদের একটি বড় শিরকী বিশ্বাস। এতে মুসলমানদের কোনো অংশগ্রহণ কোনোভাবেই বৈধ নয়। হিন্দু বা অন্যকোনো ধর্মের লোকদের সাথে তাদের ধর্মীয় বিষয়ে একমত হওয়া ছাড়া যে ঐক্য সম্ভব না, সে সমস্ত বিষয়ে ছাড় দিয়ে কাফেরদের সাথে ঐক্যের চিন্তা
১. উপমহাদেশে মুসলমানদের আগমনের পূর্বে হিন্দুরা গরুকে অনেক সম্মান ও ইজ্জত করতো এবং নিজেদের প্রভু মনে করতো। এখনো তারা এই আকিদা লালন করে। এই শিরকী আকিদার কারণে যতদিন এই উপমহাদেশে তাদের ক্ষমতা ছিলো, কারো সাহস ছিলোনা গরু জবাই করবে। যখন মুসলমানরা উপমহাদেশের ক্ষমতা অর্জন করলো তখন হিন্দুদের অন্যসকল শিরকী আকিদার পাশাপাশি গরুর প্রতি তাদের যে আকিদা তাও মিটিয়ে দিতে উদ্দত হলো। তারা গরু জবাই করতে লাগলো যাতে এই কথা স্পষ্ট হয়ে যায় যে, গরু শুধুই চার পা বিশিষ্ট একটি প্রাণী। কোনো দেব-দেবী নয়।
উপমহাদেশে গরু জবাই যেহেতু মুসলমানদের আসার মাধ্যমেই শুরু হয়েছে এবং তা জবাই করা মুসলিমদের একটি প্রমান বহন করে তাই গরু জবাই ইসলামের শিয়ারের অন্তর্ভুক্ত।
২. কালিমায়ে তাওহিদ ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ’ সর্বসম্মতিক্রমে ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিয়ার। কিন্তু হিন্দুরা সত্য গোপন ও মুসলমানদের ধোঁকা দেওয়া জন্য তা প্রায় তা বলতো। উপমহাদেশে পরিবেশ এমন ছিলো, হিন্দুরা মুসলমানদের সাথে হাঙ্গামা আর দাঙ্গা-ফাসাদ করার সময় ‘আল্লাহু আকবার’ এবং ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু'র স্লোগান দিতো। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই গরু জবাই করতোনা। এর দ্বারা এই কথাই প্রমাণ হয়, উপমহাদেশে গরু জবাই করা ও তার গোস্ত খাওয়া মুসলিমদের একটি পরিচয়। তাই কোনো হিন্দু সঠিক অর্থে মুসলিম হয়েছে কি না তা যাচাই করার জন্যে তাকে গরুর গোস্ত খেতে দেওয়া হতো।
৩. কুফফারদের থেকে জিযিয়া কর আদায় করা ইসলামের বিজয়ের একটি বড় নিদর্শন। কিন্তু দেখা গেলো, মুসলমানরা উপমহাদেশের ক্ষমতা অর্জন করার পর হিন্দুরা কর দেওয়ার অপমানকে অতটা গুরুত্ব দিতোনা। কিন্তু গরু জবাই করাকে তারা কোনোভাবেই মেনে নিতোনা। গরু জবাইয়ের কারণে মুসলিমদের খুন করতেও হিন্দুরা কুন্ঠাবোধ করতোনা। মুসলমানরা তাদের জীবনের বিনিময়েও গরু জবাই ছেড়ে দেয়নি। এবং তা উপমহাদেশে বাকি রেখেছে।
উপমহাদেশে গরু জবাই কাফেরদের থেকে কর আদায়ের চেয়েও বড় নিদর্শন হয়ে প্রতিভাত হয়। তাই এই কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়, গরু কুরবানি করা ইসলামের একটি বড় ‘শিয়ার’।
৪. কুরআন শরীফে আল্লাহ তায়া ইরশাদ করেন,
وَالْبُدْنَ جَعَلْنَاهَا لَكُم مِّن شَعَائِرِ اللَّهِ
আমি ‘বুদনা’কে তোমাদের জন্যে আল্লাহর একটি শিয়ার নির্ধারণ করলাম।-সুরা হাজ্জ আয়াত ৩৬
‘বুদনা’ শব্দটি আরবীতে উট ও গরু উভয়ের জন্যে ব্যবহৃত হয়। আরবী ভাষার নির্ভরযোগ্য অভিধান ফিরুযাবাদি রহ. রচিত ‘আল কামুসুল মুহিতে’ বুদনা শব্দের অর্থ এভাবে এসেছে
والبَدَنَةُ، محَرَّكةً، من الإِبِلِ والبَقَرِ: كالأُضْحِيَةِ من الغَنَمِ، تُهْدَى إلى مكةَ، للذَكَرِ والأنْثَى
‘বুদনা’ এটি ‘বাদানাহ’ শব্দের বহুবচন। যা উঠ এবং গরু উভয়কে বুঝায়।-আল কামুসুল মুহিত পৃ.১১৭৯।
সুতরাং যেভাবে উঠ জবাই করা ইসলামের একটি শিয়ার তেমনিভাবে গরু জবাই করাও ইসলামের একটি শিয়ার।...
সুতরাং এই কথা প্রমাণিত হলো যে, গরু জবাই করা ইসলামের একটি শিয়ার। এখন হিন্দুরা মুসলমানদের এই শিয়ার থেকে জোরজবরদস্তি করে হোক বা ভালো ব্যবহার করে কৌশলে যেভাবেই হোক, যদি বিরত রাখতে চায়, তখন মুসলমানদের জন্য এই শিয়ারকে সাধ্যমতো সমাজে ঠিকিয়ে রাখা ওয়াজিব হয়ে যায়। আর এমন মূহুর্তে যে হিন্দুদের সাথে একত্বতা পোষণ করবে তার ইমানের ব্যাপারে সংশয় আছে। যেমনভাবে উপমহাদেশে হিন্দুরা জোরজবরদস্তি করে বা কৌশলে যদি মুসলমানদেরকে আজান দেওয়া থেকে বিরত রাখে তখন তা ছেড়ে দেওয়া কোনোভাবেই মুসলিমদের জন্যে বৈধ হবেনা তেমনিভাবে হিন্দুদের ভালো ব্যবহার বা জোরাজোরি কোনো কারণেই গরু জবাই কম করা বা গরু জবাই করা ছেড়ে দেওয়া বৈধ হবেনা। প্রত্যেক মুসলমানের জন্যে আবশ্যক হলো নিজের সাধ্যনুযায়ী গরু জবাইয়ের মুসলমানদের এই শিয়ার বাকি রাখা।...
যদি আমরা বিষয়টিকে এই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখি যে, গরু জবাই করার দ্বারা হিন্দুদের একটি শিরকি বিশ্বাসের খণ্ডন ও মুসলিমদের বিজয়ের চিহ্ন প্রকাশ হয় তখন অন্যান্য পশু থেকে গরু জবাই করা উত্তম এটা স্পষ্টভাবেই বুঝে আসে।... বিশেষ করে যে অঞ্চলগুলোতে হিন্দু-মুসলিম একসাথে বসবাস করে এবং মুসলিমদের গরু জবাই করার মত ক্ষমতা আছে সেখানে অন্যান্য পশু থেকে গরু জবাই করাকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত।
বর্তমানে কিছু লোককে দেখা যায় এই কথা বলতে, ‘আমাদের সাথে হিন্দুদের একটি ঐক্য আছে। এবং এই ঐক্য আমাদের ধরে রাখার প্রয়োজন আছে। তাই আমাদের উচিত হলো গরু জবাই না করা।’
এই কথার জবাবে এতটুকুই বলবো, ইসলামের দৃষ্টিতে সেই ঐক্যই বৈধ নয় যেখানে কাফেরদের কোনো শিরকী আকিদার প্রতি ছাড় দেওয়া লাগে। গরুর প্রতি সম্মান এটি হিন্দুদের একটি বড় শিরকী বিশ্বাস। এতে মুসলমানদের কোনো অংশগ্রহণ কোনোভাবেই বৈধ নয়। হিন্দু বা অন্যকোনো ধর্মের লোকদের সাথে তাদের ধর্মীয় বিষয়ে একমত হওয়া ছাড়া যে ঐক্য সম্ভব না, সে সমস্ত বিষয়ে ছাড় দিয়ে কাফেরদের সাথে ঐক্যের চিন্তা
❤8👍2
করাও মুসলমানদের জন্যে বৈধ নয়।
যে সমস্ত লোকেরা মনে করে ভিন্নধর্মাবলম্বীদের সাথে এইধরনের ঐক্য শরীয়তে জায়েয আছে তারা মূলত আল্লাহকে ধোঁকা দেয়। পুরো শরীয়তে এমন কোনো দৃষ্টান্ত নেই যে, কাফেরদের কোনো শিরকী আকিদার প্রতি মুসলমানদের ছাড় দেওয়া বা কাফেরদের মৌন আকর্ষনের জন্যে কোনো ইসলামের শিয়ারকে বাদ দিয়ে দেওয় হয়।
আমরা আল্লাহর কাছে এমন কর্ম থেকে পানাহ চাই।
=========
তথ্যসূত্র :
ইমদাদুল আহকাম ৪/১৯১-১৯৩,
আল্লামা যফর আহমদ উসমানী দা.বা.
মাকতাবাতু দারুল উলুম করাচি,প্রকাশকাল ২০১৮।
যে সমস্ত লোকেরা মনে করে ভিন্নধর্মাবলম্বীদের সাথে এইধরনের ঐক্য শরীয়তে জায়েয আছে তারা মূলত আল্লাহকে ধোঁকা দেয়। পুরো শরীয়তে এমন কোনো দৃষ্টান্ত নেই যে, কাফেরদের কোনো শিরকী আকিদার প্রতি মুসলমানদের ছাড় দেওয়া বা কাফেরদের মৌন আকর্ষনের জন্যে কোনো ইসলামের শিয়ারকে বাদ দিয়ে দেওয় হয়।
আমরা আল্লাহর কাছে এমন কর্ম থেকে পানাহ চাই।
=========
তথ্যসূত্র :
ইমদাদুল আহকাম ৪/১৯১-১৯৩,
আল্লামা যফর আহমদ উসমানী দা.বা.
মাকতাবাতু দারুল উলুম করাচি,প্রকাশকাল ২০১৮।
❤13
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
আমি বলি, একেই বলে পবিত্র ভুমির মুসলিম।
শায়খ তাকী উদ্দিন হাফিজাহুল্লাহ।
শায়খ তাকী উদ্দিন হাফিজাহুল্লাহ।
❤39🔥2
মুসলিমদের কোনো কাজ শরীয়তের দৃষ্টিতে অহেতুক বা অপছন্দনীয় কিন্তু সে কাজটি কাফেরদের অন্তরে আগুন জ্বালিয়ে দেয়, তারা মুসলমানদের সে কাজটি নিয়ে হিংসা করে এবং সে হিংসা তাদের কষ্টের কারণ হয় তাহলে এমন কাজকে চলমান রাখা এবং সে কাজকে সমর্থন করা খারাপ কিছু নয় বরং এটাই ছিলো সালাফদের আমল। উম্মাহের মুজাদ্দিদ ওমর ইবনে আব্দুল আজিজের একটি আমল দেখুন।
“৮৭ হি.তে খলিফা ওয়ালিদ ইবনে আব্দুল মালিকের হুকুমে দামেশকের জামে মসজিদের নির্মান কাজ শুরু হয়। পাঁচবছর সময় লাগিয়ে শুধু ভিত দাঁড়া করানো হয় এবং সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ করতে লাগে প্রায় বিশ বছর। প্রচুর স্বর্ণ, রূপা ও দামি দামি পাথর ব্যবহার করা হয় সে মসজিদে। প্রথম শতাব্দীর মুজাদ্দিদ খলিফা ওমর আব্দুল আজিজ রহ. যখন খিলাফতের দায়িত্বে আসেন তখন মসজিদে এত বেশি স্বর্ণ-রৌপ্য ব্যবহারকে অহেতুক মনে করলেন। তাই সেগুলোকে মসজিদ থেকে খুলে বাইতুল মালে জমা করার ইচ্ছে পোষণ করলেন।
সে সময় রোমের রাজার পক্ষ থেকে একদল দূত দামেশক আসে। তারা অপরূপ এই মসজিদটির সৌন্দর্য অবলকন করে অবাক হয়ে বলতে লাগলো—‘আমরা কল্পনাও করতে পারছিনা মুসলমানরা এত সুন্দর নির্মান কাজ করতে পারে। আমরা রোমানরা সর্বদা পরস্পর বলাবলি করি, মুসলিমদের ক্ষমতা খুব বেশিদিন ঠিকবেনা। কিন্তু এই নির্মান কাজ দেখে এখন আমাদের বিশ্বাস তাদের ক্ষমতা আমাদের ভাবনার থেকেও বেশি স্থায়ী হবে।’
খলিফা ওমর ইবনে আব্দুল আজিজের কাছে যখন এই সংবাদ পৌঁছলো তখন উনি যে উত্তর দিলেন তা আজও আমাদের জন্যে রয়েছে শিক্ষা। এবং কাফেরদের সাথে আচরণ ও সৌহার্দ্যর কর্মপন্থা ৷ তিনি বলেন—
’أو إن هذا لغيظ الكفار؟ دعوه،‘
‘আমাদের এই কর্ম যদি সত্যিই কুফফারদের অন্তরে জ্বালা সৃষ্টি করে এবং তা তাদের ক্রোধ বৃদ্ধি করে তাহলে তা এভাবেই থাক।’
সূত্র: আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া ১২/৫৮১,ইবনে কাসির রহিমাহুল্লাহ
“৮৭ হি.তে খলিফা ওয়ালিদ ইবনে আব্দুল মালিকের হুকুমে দামেশকের জামে মসজিদের নির্মান কাজ শুরু হয়। পাঁচবছর সময় লাগিয়ে শুধু ভিত দাঁড়া করানো হয় এবং সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ করতে লাগে প্রায় বিশ বছর। প্রচুর স্বর্ণ, রূপা ও দামি দামি পাথর ব্যবহার করা হয় সে মসজিদে। প্রথম শতাব্দীর মুজাদ্দিদ খলিফা ওমর আব্দুল আজিজ রহ. যখন খিলাফতের দায়িত্বে আসেন তখন মসজিদে এত বেশি স্বর্ণ-রৌপ্য ব্যবহারকে অহেতুক মনে করলেন। তাই সেগুলোকে মসজিদ থেকে খুলে বাইতুল মালে জমা করার ইচ্ছে পোষণ করলেন।
সে সময় রোমের রাজার পক্ষ থেকে একদল দূত দামেশক আসে। তারা অপরূপ এই মসজিদটির সৌন্দর্য অবলকন করে অবাক হয়ে বলতে লাগলো—‘আমরা কল্পনাও করতে পারছিনা মুসলমানরা এত সুন্দর নির্মান কাজ করতে পারে। আমরা রোমানরা সর্বদা পরস্পর বলাবলি করি, মুসলিমদের ক্ষমতা খুব বেশিদিন ঠিকবেনা। কিন্তু এই নির্মান কাজ দেখে এখন আমাদের বিশ্বাস তাদের ক্ষমতা আমাদের ভাবনার থেকেও বেশি স্থায়ী হবে।’
খলিফা ওমর ইবনে আব্দুল আজিজের কাছে যখন এই সংবাদ পৌঁছলো তখন উনি যে উত্তর দিলেন তা আজও আমাদের জন্যে রয়েছে শিক্ষা। এবং কাফেরদের সাথে আচরণ ও সৌহার্দ্যর কর্মপন্থা ৷ তিনি বলেন—
’أو إن هذا لغيظ الكفار؟ دعوه،‘
‘আমাদের এই কর্ম যদি সত্যিই কুফফারদের অন্তরে জ্বালা সৃষ্টি করে এবং তা তাদের ক্রোধ বৃদ্ধি করে তাহলে তা এভাবেই থাক।’
সূত্র: আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া ১২/৫৮১,ইবনে কাসির রহিমাহুল্লাহ
❤41👍2
“লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ”
এই দুই কথাকে বিশ্বাস করে যে জীবনব্যবস্থা গঠন হয়েছে কিতাবুত তাহারাত থেকে কিতাবুল মিরাছ পর্যন্ত তা হলো ইসলাম ও দ্বীন।
আর “মানুষই হলো এই দুনিয়ার একমাত্র কেন্দ্র এবং এই দুনিয়াই মানুষের জীবনের শেষ কথা” এই দর্শনকে কেন্দ্র করে যে জীবনব্যবস্থা—সেকুলারিজম, লিবারিজম, পুঁজিবাদ ইত্যাদি তা আরেকটা দ্বীন।
আমি এতটুকু বুঝি।
এই দুই কথাকে বিশ্বাস করে যে জীবনব্যবস্থা গঠন হয়েছে কিতাবুত তাহারাত থেকে কিতাবুল মিরাছ পর্যন্ত তা হলো ইসলাম ও দ্বীন।
আর “মানুষই হলো এই দুনিয়ার একমাত্র কেন্দ্র এবং এই দুনিয়াই মানুষের জীবনের শেষ কথা” এই দর্শনকে কেন্দ্র করে যে জীবনব্যবস্থা—সেকুলারিজম, লিবারিজম, পুঁজিবাদ ইত্যাদি তা আরেকটা দ্বীন।
আমি এতটুকু বুঝি।
👍19❤15
ড. যাহেদ সিদ্দিক মোঘল সাহেবের কিয়াস বিষয়ক নয় পর্বের একটি দরস/লেকচার রয়েছে। আগ্রহীরা অবশ্যই শুনবেন। বিরতি সময়টা আশা করি কাজা লাগবে।
.
কিয়াস বিষয়ক আমাদের অনেক জেনারেল ভাইদের ধারনা একদম নাই বললেই চলে, যার কারণে অনেকে ফিতনার শিকার হয়ে যায়। আবার অনেক মাদরাসার তালেবে ইলম ভাইয়াদেরও কিয়াসের অধ্যায় পুরো স্পষ্ট না।
যাইহোক, জেনারেল ভাইদের থেকেও মাদরাসার তালেবে ইলম ভাইরা আলোচনাটি থেকে বেশি উপকৃত হবেন বলে আমার মনে হয়। বাকি জেনারেল ভাইরাও শুনতে পারেন, পূর্ণ না বুঝলেও আশা করে অন্তত এতটুকু বুঝতে পারবেন যে, ইসলামে কিয়াসের অবস্থান কতটা জরুরি এবং তার প্রয়োজনীয়তা কত বেশি।
.
বি.দ্র. যাহেদ সিদ্দিক মোঘল সাহেব বিভিন্ন কারনে ইমাম গাজালির প্রতি অত্যাধিক মুগ্ধ। এবং এই মুগ্ধতা এতটাই যে, হানাফি হওয়া সত্ত্বেও বহু বিষয়ে উনি ইমাম গাজালির মতকে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। তাই উনার যেকোনো আলোচনা শুনার সময় তালেবে ইলম ভাইরা বিষয়টি খেয়াল রাখবো।
.
দরসের লিংক:
https://youtube.com/playlist?list=PLXqp9lMYPkCvKrYmnvlPDVR6t3aWUkikx&si=GenKv4RbA87kznc6
.
কিয়াস বিষয়ক আমাদের অনেক জেনারেল ভাইদের ধারনা একদম নাই বললেই চলে, যার কারণে অনেকে ফিতনার শিকার হয়ে যায়। আবার অনেক মাদরাসার তালেবে ইলম ভাইয়াদেরও কিয়াসের অধ্যায় পুরো স্পষ্ট না।
যাইহোক, জেনারেল ভাইদের থেকেও মাদরাসার তালেবে ইলম ভাইরা আলোচনাটি থেকে বেশি উপকৃত হবেন বলে আমার মনে হয়। বাকি জেনারেল ভাইরাও শুনতে পারেন, পূর্ণ না বুঝলেও আশা করে অন্তত এতটুকু বুঝতে পারবেন যে, ইসলামে কিয়াসের অবস্থান কতটা জরুরি এবং তার প্রয়োজনীয়তা কত বেশি।
.
বি.দ্র. যাহেদ সিদ্দিক মোঘল সাহেব বিভিন্ন কারনে ইমাম গাজালির প্রতি অত্যাধিক মুগ্ধ। এবং এই মুগ্ধতা এতটাই যে, হানাফি হওয়া সত্ত্বেও বহু বিষয়ে উনি ইমাম গাজালির মতকে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। তাই উনার যেকোনো আলোচনা শুনার সময় তালেবে ইলম ভাইরা বিষয়টি খেয়াল রাখবো।
.
দরসের লিংক:
https://youtube.com/playlist?list=PLXqp9lMYPkCvKrYmnvlPDVR6t3aWUkikx&si=GenKv4RbA87kznc6
❤16👍5👏1