অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসবের নাম নিয়ে পণ্য ডিসকাউন্ট দেওয়ার বিধান।
আলহামদুলিল্লাহ, দেশের অন্যতম নির্ভরযোগ্য দ্বীনি প্রতিষ্ঠান থেকে এই বিষয়ে ফতোয়া প্রকাশিত হয়েছে।
আল্লাহ আমাদেরকে ঈমান হেফাজত করার তাওফিক দান করুক। আমীন।
আলহামদুলিল্লাহ, দেশের অন্যতম নির্ভরযোগ্য দ্বীনি প্রতিষ্ঠান থেকে এই বিষয়ে ফতোয়া প্রকাশিত হয়েছে।
আল্লাহ আমাদেরকে ঈমান হেফাজত করার তাওফিক দান করুক। আমীন।
❤33
শাইখুল ইসলাম ইমাম মুহাম্মদ যাহিদ কাউসারি রহ. ছিলেন যেন ইসলামী জ্ঞানভাণ্ডারের জীবন্ত বিশ্বকোষ।
সমকালীন বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উসুলবিদ শায়খ হাসান শাফিয়ি তাঁর সম্পর্কে বলেন:
“যাহিদ কাউসারির সামনে সমগ্র ইসলামী জ্ঞানভাণ্ডার ও সভ্যতা যেন একটি খোলা বইয়ের মতো উন্মুক্ত ছিল। মনে হতো, তিনি যেন সেই বইয়ের পাতা উল্টে দেখেই সব বলে দিতে পারেন। আকীদা, উসুলুল ফিকহ—প্রতিটি শাস্ত্রের জটিল প্রশ্নের সমাধান যেন তাঁর কাছে মুহূর্তেই স্পষ্ট হয়ে উঠত। শাস্ত্রের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র শাখাগত মাসআলাও তাঁর সামনে খোলা বইয়ের মতো সহজবোধ্য ছিল।
কাউসারির জ্ঞান ও প্রজ্ঞার স্তরে পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব। তবে কেউ যদি অন্তত একটি শাস্ত্রে তাঁর সমপর্যায়ের দক্ষতা অর্জন করতে পারে, সেটিই হবে পরম সৌভাগ্যের বিষয়। একজন মুহাক্কিকের জন্য কাউসারিকে গভীরভাবে বোঝা অত্যন্ত জরুরি।”
সমকালীন বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উসুলবিদ শায়খ হাসান শাফিয়ি তাঁর সম্পর্কে বলেন:
“যাহিদ কাউসারির সামনে সমগ্র ইসলামী জ্ঞানভাণ্ডার ও সভ্যতা যেন একটি খোলা বইয়ের মতো উন্মুক্ত ছিল। মনে হতো, তিনি যেন সেই বইয়ের পাতা উল্টে দেখেই সব বলে দিতে পারেন। আকীদা, উসুলুল ফিকহ—প্রতিটি শাস্ত্রের জটিল প্রশ্নের সমাধান যেন তাঁর কাছে মুহূর্তেই স্পষ্ট হয়ে উঠত। শাস্ত্রের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র শাখাগত মাসআলাও তাঁর সামনে খোলা বইয়ের মতো সহজবোধ্য ছিল।
কাউসারির জ্ঞান ও প্রজ্ঞার স্তরে পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব। তবে কেউ যদি অন্তত একটি শাস্ত্রে তাঁর সমপর্যায়ের দক্ষতা অর্জন করতে পারে, সেটিই হবে পরম সৌভাগ্যের বিষয়। একজন মুহাক্কিকের জন্য কাউসারিকে গভীরভাবে বোঝা অত্যন্ত জরুরি।”
❤26👍8
হুথিদের দীর্ঘ জুলুমের বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী দল ছিলো ইয়ামানের সুন্নি মু*জা*হি*দরা। এবং তারা অনেক দূর এগিয়েও গিয়েছিলো। আমেরিকার স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে এই সৌদি প্রশাসনই মু*জা*হি*দদের সর্বাত্মক হামলা চালিয়েছে। মেরিকাকে সবধরনের লজিস্টিক সাপোর্ট দিয়েছে ড্রোন হামলার জন্য।
তাই সৌদির উপর হুথিদের আক্রমণ দেখলে কষ্টের তীব্রতা যতটুকু অনুভব হওয়ার দরকার ততটুকু হয় না।
তাই সৌদির উপর হুথিদের আক্রমণ দেখলে কষ্টের তীব্রতা যতটুকু অনুভব হওয়ার দরকার ততটুকু হয় না।
👍33❤15
বিভিন্ন মিশ্র ও খারাপ অভিজ্ঞতার কারণে এদেশের ওলামায়ে কেরাম জি*হা*দের যেকোনো স্লোগানে কিছুটা সতর্ক থাকেন। এছাড়া বর্তমানের ময়দানের জি*হা*দের বাস্তবতা উনাদের কাছে কিছু অস্পষ্টতার কারণেও উনাদের থেকে এমন কিছু বক্তব্য আসে যেগুলো হয়তো বাস্তবতার সাথে মিল নেই। কিন্তু মোটাদাগে উনারা জি*হা*দ ও খে*লা*ফতের আলোচনা যারা করে তাদের বিরোধী না। হয়তো তাদের সাথে শাখা বিষয়ে একমত না। কিন্তু মূল ইমারাহ, জি*হা*দে উনারা খুবই আন্তরিক। এটা উনাদের সাথে সরাসরি যারা কথা বলেছে, তাদের জানা আছে।
এটা হলো সামগ্রিক চিত্র। এর ব্যতিক্রমও আছে। জি*হা*দ, খে*লা*ফ*ত ইত্যাদি আলোচনা শুনলে এই শ্রেণীর শরীরে কাটা দিয়ে উঠে। যারা জি*হা*দ খে*লা*ফতের কথা বলে, তাদের বিরুদ্ধাচারণ করার নামে নোংরাভাবে জি*হা*দ ও খে*লা*ফতের বিধানগুলোকে এরা বিকৃত করে।
বগুরার শফি কাসেমি আর চরমোনাইয়ের নায়েবে আমীর আজাদ হলো এই কিসেমের। জি*হা*দ, খে*ল*তের কথা যারা এদেশে বলে, এদের নোংরা বিরোধিতা করা ছিলো এই দুজনের শিআর। আর শাকের শিবলি তো চিহ্নিত ফরিদ গংয়ের সদস্য৷
আল্লাহ এদের নোংরামি আজ স্পষ্ট করে দিয়েছে এবং এদেরকে লাঞ্চিত করছে। যদি এরা তাওবা না করে এদের কপালে আরও লাঞ্চনা অপেক্ষা করছে, শুধু দেখতে থাকেন।
বাস, এতটুকুই বলার ছিলো। মাওলানা আতিকুল্লাহ সাহেবের একটা কথা মনে পড়ছে। উনি একবার আমায় বলেছিলো, যারা মুজা*হিদদের বিরোধিতা করতে থাকে, চাই বুঝে হোক বা না বুঝে, আল্লাহ এদের লাঞ্চিত করেই করে। চাই সে যত বড় কেউই হোক না কেন!
এটা হলো সামগ্রিক চিত্র। এর ব্যতিক্রমও আছে। জি*হা*দ, খে*লা*ফ*ত ইত্যাদি আলোচনা শুনলে এই শ্রেণীর শরীরে কাটা দিয়ে উঠে। যারা জি*হা*দ খে*লা*ফতের কথা বলে, তাদের বিরুদ্ধাচারণ করার নামে নোংরাভাবে জি*হা*দ ও খে*লা*ফতের বিধানগুলোকে এরা বিকৃত করে।
বগুরার শফি কাসেমি আর চরমোনাইয়ের নায়েবে আমীর আজাদ হলো এই কিসেমের। জি*হা*দ, খে*ল*তের কথা যারা এদেশে বলে, এদের নোংরা বিরোধিতা করা ছিলো এই দুজনের শিআর। আর শাকের শিবলি তো চিহ্নিত ফরিদ গংয়ের সদস্য৷
আল্লাহ এদের নোংরামি আজ স্পষ্ট করে দিয়েছে এবং এদেরকে লাঞ্চিত করছে। যদি এরা তাওবা না করে এদের কপালে আরও লাঞ্চনা অপেক্ষা করছে, শুধু দেখতে থাকেন।
বাস, এতটুকুই বলার ছিলো। মাওলানা আতিকুল্লাহ সাহেবের একটা কথা মনে পড়ছে। উনি একবার আমায় বলেছিলো, যারা মুজা*হিদদের বিরোধিতা করতে থাকে, চাই বুঝে হোক বা না বুঝে, আল্লাহ এদের লাঞ্চিত করেই করে। চাই সে যত বড় কেউই হোক না কেন!
👍18❤3😁2
ইসলামি ভূখণ্ডের কারাগার অপরাধী মুমিনের জন্য রহমত।
.
বাংলাদেশে সাধারণ মানুষ কারাগারে গেলে স*ত্রাস হয়ে বের হয়। আর স*ত্রস হলে বড় পদ নিয়ে বের হয়। ব্যতিক্রম খুব কমই হয়।
এদিকে ইমারতে ইসলামিয়া আফগানের কারাগারে বন্দিরা কুরআনের হাফেজ আর বিভিন্ন স্কিল শিখে বের হয়।
গতকালের নিউজ। লোগার প্রদেশের কেন্দ্রীয় কারাগারে মোট ৫৭ জন বন্দি কুরআনের কোর্স শেষ করেছেন। এরমধ্যে ২০ পুরুষ পুরো কুরআনের হিফজ শেষ করেছেন। আর বাকিরা কুরআন তিলাওয়াত শিখেছেন। এরমধ্যে ৭জন হলো নারী।
বিভিন্ন ইউটিউবারের ট্রাভেল ব্লগ ভিডিওতে আফগান কারাগারের চিত্র দেখে ঐদিন একজন মন্তব্য করলো, এদেশে স্বাধীন থাকার চেয়ে আফগানের কারাগারে থাকলে আরো ভালো ইসলাম পালন করতে পারতাম!
.
আফগান জেলের এই ভিডিওটা দেখে সিদ্ধান্ত নেন, জেলে থাকবেন না স্বাধীন!
https://youtu.be/Hs-POFwR2Fo?si=e-zFsKq68foidYv9
.
বাংলাদেশে সাধারণ মানুষ কারাগারে গেলে স*ত্রাস হয়ে বের হয়। আর স*ত্রস হলে বড় পদ নিয়ে বের হয়। ব্যতিক্রম খুব কমই হয়।
এদিকে ইমারতে ইসলামিয়া আফগানের কারাগারে বন্দিরা কুরআনের হাফেজ আর বিভিন্ন স্কিল শিখে বের হয়।
গতকালের নিউজ। লোগার প্রদেশের কেন্দ্রীয় কারাগারে মোট ৫৭ জন বন্দি কুরআনের কোর্স শেষ করেছেন। এরমধ্যে ২০ পুরুষ পুরো কুরআনের হিফজ শেষ করেছেন। আর বাকিরা কুরআন তিলাওয়াত শিখেছেন। এরমধ্যে ৭জন হলো নারী।
বিভিন্ন ইউটিউবারের ট্রাভেল ব্লগ ভিডিওতে আফগান কারাগারের চিত্র দেখে ঐদিন একজন মন্তব্য করলো, এদেশে স্বাধীন থাকার চেয়ে আফগানের কারাগারে থাকলে আরো ভালো ইসলাম পালন করতে পারতাম!
.
আফগান জেলের এই ভিডিওটা দেখে সিদ্ধান্ত নেন, জেলে থাকবেন না স্বাধীন!
https://youtu.be/Hs-POFwR2Fo?si=e-zFsKq68foidYv9
❤32😱4🥰1
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
জাতীয় মিম্বার থেকে...
.
গে*ন্দুরা তাদের পূজা নিজস্ব পরিমণ্ডলে পালন করবে। নাগরিক হিসেবে এটা তাদের অধিকার। তবে মুসলমানদের এটা মনে রাখতে হবে তাদের এই কাজ হলো শিরক। কেউ আচরণে বা উচ্চারণে যদি এই শিরককে ভালো বলে তাহলে সে কা*ফ*র হয়ে যাবে।
-খতিব মাওলানা আব্দুল মালেক দা.বা.
.
গে*ন্দুরা তাদের পূজা নিজস্ব পরিমণ্ডলে পালন করবে। নাগরিক হিসেবে এটা তাদের অধিকার। তবে মুসলমানদের এটা মনে রাখতে হবে তাদের এই কাজ হলো শিরক। কেউ আচরণে বা উচ্চারণে যদি এই শিরককে ভালো বলে তাহলে সে কা*ফ*র হয়ে যাবে।
-খতিব মাওলানা আব্দুল মালেক দা.বা.
❤39👍12🔥1👌1
অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে তাদের শুভেচ্ছা জানানোর বিধান
(লেখাটা সময়ের জন্য অনেক প্রাসঙ্গিক।)
https://www.facebook.com/share/p/1DuAmExUKw/
(লেখাটা সময়ের জন্য অনেক প্রাসঙ্গিক।)
https://www.facebook.com/share/p/1DuAmExUKw/
❤12🔥3
ড. উসমান জুমআ রহিমাহুল্লাহ একটা চমৎকার উসুল বলেছেন, দারুল ইসলামে অমুসলিমদের ইসলামি আইনে চলতে বাধ্য করা হবে কিন্তু জোর করে ইসলামে প্রবেশ করানো হবে না, এই দুইয়ের মাঝে পার্থক্য কেন?
فينبغي التفرقة بين الدخول في الدين الإسلامي عقيدة وإيماناً، وبين الخضوع للإسلام بالتزام نظامه القانوني؛ فمن الجلي أنه لا يقبل من مواطن عدم الخضوع للنظام القانوني الذي يعيش في كنفه. وإكراهه على هذا الخضوع
ليس إكراهاً في الدين عقيدة وإيماناً؛ إذ إن القرآن الكريم يقرر قاعدة أساسية في هذا بقوله تعالى: لَا إِكْرَاهَ فِي الدِّينِ قَد تَّبَيَّنَ الرُّشْدُ مِنَ الْغَيِّ . وهي تنفي جنس الإكراه وتستبعد وقوعه
فينبغي التفرقة بين الدخول في الدين الإسلامي عقيدة وإيماناً، وبين الخضوع للإسلام بالتزام نظامه القانوني؛ فمن الجلي أنه لا يقبل من مواطن عدم الخضوع للنظام القانوني الذي يعيش في كنفه. وإكراهه على هذا الخضوع
ليس إكراهاً في الدين عقيدة وإيماناً؛ إذ إن القرآن الكريم يقرر قاعدة أساسية في هذا بقوله تعالى: لَا إِكْرَاهَ فِي الدِّينِ قَد تَّبَيَّنَ الرُّشْدُ مِنَ الْغَيِّ . وهي تنفي جنس الإكراه وتستبعد وقوعه
❤18
মুহতামিম হওয়ার যোগ্যতা ও শর্তসমূহ:
আমরা ভূমিকাতে বিস্তারিত আলোচনা করে এসেছি যে, মুহতামিম হওয়ার জন্য মৌলিক দুটি শর্ত রয়েছে-
১. বিশ্বস্ত হওয়া। অর্থাৎ, যাকে মুহতামিম বানানো হচ্ছে সে খিয়ানতকারী না হওয়া। সম্পদ ও দুনিয়া অর্জনে যেভাবে খিয়ানত হয় তেমনি সম্মান-মর্যাদ অর্জনেও খিয়ানত হতে পারে। মুহতামিমের দায়িত্ব গ্রহণের জন্য সব ধরনের খিয়ানত থেকে বেঁচে থাকতে হবে এবং ব্যক্তি নির্ভরযোগ্য হতে হবে।
২. অর্পিত দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা থাকা। অর্থাৎ, এ দায়িত্ব গ্রহণের ফলে যেসব জিম্মাদারি তার ওপর আসবে, সেগুলো পালনের সক্ষমতা থাকা। মাদরাসা যেহেতু বিভিন্ন ধরনের, তাই দায়িত্বও বিভিন্ন ধরনের। উদাহারণত, শুধু হিফজ মাদরাসা আর কিতাব বিভাগ সম্বলিত মাদরাসার প্রয়োজনীয়তা এক নয়। পুরুষ ও মহিলা মাদরাসাতেও রয়েছে অনেক পার্থক্য। তেমনি পার্থক্য রয়েছে আবাসিক ও অনাবাসিক মাদরাসায়। আঞ্চলিক ছোটো মাদরাসা ও জাতীয় বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ের মাদরাসার কাজও এক নয়।
আর মাদরাসার দায়িত্ব ও প্রয়োজনীয়তা পূর্বের তুলনায় এখন দিন দিন বেড়েই চলেছে। তাই, মুহতামিম হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্তের জন্য আবশ্যক হলো, সংশ্লিষ্ট মাদরাসার প্রয়োজন ও দায়িত্বসমূহ সম্পর্কে ওয়াকিফহাল থাকা। সাথে সাথে দায়িত্ব পালনের পূর্ণ যোগ্য হওয়া। এ দুই গুণ যার মাঝে অনুপস্থিত, তাকে মাদরাসার মুহতামিম বানানো না শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ আর না যুক্তির নিরিখে।
বই: আহকামে মাদারেস
লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান
অনুবাদক: মাওলানা জাহিদ হাসান
মূল্য: ১৮০৳ (২৫% ছাড়ে!
আমরা ভূমিকাতে বিস্তারিত আলোচনা করে এসেছি যে, মুহতামিম হওয়ার জন্য মৌলিক দুটি শর্ত রয়েছে-
১. বিশ্বস্ত হওয়া। অর্থাৎ, যাকে মুহতামিম বানানো হচ্ছে সে খিয়ানতকারী না হওয়া। সম্পদ ও দুনিয়া অর্জনে যেভাবে খিয়ানত হয় তেমনি সম্মান-মর্যাদ অর্জনেও খিয়ানত হতে পারে। মুহতামিমের দায়িত্ব গ্রহণের জন্য সব ধরনের খিয়ানত থেকে বেঁচে থাকতে হবে এবং ব্যক্তি নির্ভরযোগ্য হতে হবে।
২. অর্পিত দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা থাকা। অর্থাৎ, এ দায়িত্ব গ্রহণের ফলে যেসব জিম্মাদারি তার ওপর আসবে, সেগুলো পালনের সক্ষমতা থাকা। মাদরাসা যেহেতু বিভিন্ন ধরনের, তাই দায়িত্বও বিভিন্ন ধরনের। উদাহারণত, শুধু হিফজ মাদরাসা আর কিতাব বিভাগ সম্বলিত মাদরাসার প্রয়োজনীয়তা এক নয়। পুরুষ ও মহিলা মাদরাসাতেও রয়েছে অনেক পার্থক্য। তেমনি পার্থক্য রয়েছে আবাসিক ও অনাবাসিক মাদরাসায়। আঞ্চলিক ছোটো মাদরাসা ও জাতীয় বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ের মাদরাসার কাজও এক নয়।
আর মাদরাসার দায়িত্ব ও প্রয়োজনীয়তা পূর্বের তুলনায় এখন দিন দিন বেড়েই চলেছে। তাই, মুহতামিম হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্তের জন্য আবশ্যক হলো, সংশ্লিষ্ট মাদরাসার প্রয়োজন ও দায়িত্বসমূহ সম্পর্কে ওয়াকিফহাল থাকা। সাথে সাথে দায়িত্ব পালনের পূর্ণ যোগ্য হওয়া। এ দুই গুণ যার মাঝে অনুপস্থিত, তাকে মাদরাসার মুহতামিম বানানো না শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ আর না যুক্তির নিরিখে।
বই: আহকামে মাদারেস
লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান
অনুবাদক: মাওলানা জাহিদ হাসান
মূল্য: ১৮০৳ (২৫% ছাড়ে!
❤8🥰2
আমাদের নিজেদের বলা অকাট্ট ও কতয়ি উসুল ও জুযয়িয়াত, যেগুলো আমাদের ভাষ্যমতে ঈমানের জন্য জরুরি, বিএনপির উপর থেকে নীচ অমান্য করে যাচ্ছে। স্পষ্ট ভাষায় কু*ফ*রের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে, তারপরও তারেক ও বিএনপি এই ভূখণ্ডের মুসলিমদের উলুল আমর। এ-র বিপরীত যারা বলবে তারা খারেজি!
.
আসমান ও জমিন এই বিষয়গুলোর সাক্ষী থাকুক। যেনো কেয়ামতের দিন, আল্লাহর সামনে এগুলো হুজ্জত হয়।
.
আসমান ও জমিন এই বিষয়গুলোর সাক্ষী থাকুক। যেনো কেয়ামতের দিন, আল্লাহর সামনে এগুলো হুজ্জত হয়।
❤20👍10🤨1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ফ্রান্সের জন্য সবাই খাস করে দোয়া করি!
হে আল্লাহ! তুমি ফ্রান্সে এখন বরকত দিয়ে দেও।
হে আল্লাহ! তুমি ফ্রান্সে এখন বরকত দিয়ে দেও।
❤27👏14👍5😁2
এই পেইজের নামাজের হিজাবগুলোতো একদম সেরা। তবে উনারা জৈতুনের একটা সাবান এনেছে কুয়েত থেকে। একটু দামী। তবে পুরো সেরা। বাসার জন্য বাধ্য হয়ে একটা নিতে হইছিলো। কেনো বাধ্য হইছে, সেটা কেউ জিগাইয়েন না৷ পরে বুঝলাম, কিনে ঠকিনি।
https://www.facebook.com/share/r/1C8cA3JnoA/
https://www.facebook.com/share/r/1C8cA3JnoA/
❤10👍1
সময়ের দুটো গুরুত্বপূর্ণ লেখার ফ্রি পিডিএফ। বিনামূল্যে বিতরণের জন্য :
শিরক চলতেছে, এটা যতটা দুঃখজনক, তার থেকেও দুঃখজনক বড় দুঃখজনক হলো মুসলিম সন্তানদের শিরকে ঝাপিয়ে পড়া! আরো দুঃখজনক হলো, রাজনৈতিক স্বার্থে কুফর ও স্পষ্ট হারামকে একজন মুসলিমের তোয়াক্কা না করা।
আরো দুঃখজনক হলো, কারযাবিদের মত মডারেট আলেমরা যখন স্পষ্ট মাসআলাগুলোর ইলমি ভিত্তিকেই সংশয়ের মধ্যে ফেলে দেয়!
.
ইনশাআল্লাহ, এখানে দুটো প্রবন্ধ আছে। যেগুলো মুসলিম উম্মাহের মাঝে ব্যাপক প্রচার হওয়া দরকার। আল্লাহ আমার প্রকাশককে জাযায়ে খায়ের দান করুন, সে উদারচিত্তে লেখাগুলো ফ্রি করে দিতে রাজি হয়েছেন।
শিরক চলতেছে, এটা যতটা দুঃখজনক, তার থেকেও দুঃখজনক বড় দুঃখজনক হলো মুসলিম সন্তানদের শিরকে ঝাপিয়ে পড়া! আরো দুঃখজনক হলো, রাজনৈতিক স্বার্থে কুফর ও স্পষ্ট হারামকে একজন মুসলিমের তোয়াক্কা না করা।
আরো দুঃখজনক হলো, কারযাবিদের মত মডারেট আলেমরা যখন স্পষ্ট মাসআলাগুলোর ইলমি ভিত্তিকেই সংশয়ের মধ্যে ফেলে দেয়!
.
ইনশাআল্লাহ, এখানে দুটো প্রবন্ধ আছে। যেগুলো মুসলিম উম্মাহের মাঝে ব্যাপক প্রচার হওয়া দরকার। আল্লাহ আমার প্রকাশককে জাযায়ে খায়ের দান করুন, সে উদারচিত্তে লেখাগুলো ফ্রি করে দিতে রাজি হয়েছেন।
❤14👍2
অমুসলিমদের_ধর্মীয়_উৎসবে_শুভেচ্ছে_ও_প্রসাদ_খাওয়ার_বিধান.pdf
912.1 KB
গুরুত্বপূর্ণ লেখাদুটোর ফ্রি-পিডিএফ।
❤20
Abdullah bin bashir
Photo
ছাত্রদেরকে শারীরিক শাস্তি দেওয়া
এ বিষয়টায় কিছু ভুল বুঝাবুঝি আছে। কেউ তো একে সম্পূর্ণই নাজায়েয বলেছেন। আর বৈধতার প্রবক্তাদের অধিকাংশই পরিমিতি ঠিক রাখতে পারেননি। তারা এর বৈধতার দোহাই দিয়ে শরিয়তের সীমা লঙ্ঘন করে ফেলেন। প্রকৃত অর্থে ছাত্রদের প্রহার করা সম্পূর্ণ হারাম বা নাজায়েযও নয়, আবার অভিভাবক বা উস্তাদের পূর্ণ স্বাধীনতাও নেই যে, সে তার মর্জি মোতাবেক যেভাবে খুশি শাস্তি দিয়ে যাবে; বরং এ ক্ষেত্রে নিম্নোবর্ণিত বিষয়গুলো লক্ষ্যণীয়:
ক. ছাত্রদেরকে শারীরিক শাস্তি দেওয়া শিক্ষকের জন্য যদিও বৈধ, তবে সাধারণ অবস্থায় এটা উত্তম কিছু নয়। তাই এর পরিবর্তে নসিহত করা, ভীতি প্রদর্শন করা, রাগ দেখানো ইত্যাদি উপযুক্ত কোনো পদ্ধতি বাছাই করে নেওয়া উচিত। ইমাম বাইহাকি রাহিমাহুল্লাহ আবু হুরাইরা রাজিয়াল্লাহু আনহুর সূত্রে বর্ণনা করেন,
قال: «علموا ولا تعنفوا فإن المعلم خير من المعنف (المدخل إلى السنن الكبرى للبيهقي، رقم الحديث: ص ٣٧٠)
রাসুল বলেছেন, তোমরা শেখাও, তবে কঠোরতা করো না। কেননা শিক্ষক কঠোর স্বভাবের লোকের চেয়ে বহু ঊর্ধ্বে।
খ. নাবালেগ শিক্ষার্থীদের প্রহারের জন্য অভিভাবকের অনুমতি জরুরি। অনুমতি স্পষ্ট ভাষায়ও হতে পারে, আবার পরোক্ষভাবেও হতে পারে। যেমন: অভিভাবকের জানা থাকা যে, অমুক মাদরাসায় নিয়মের অমান্য করলে বা পড়া শিখে না আসলে ছাত্রদের শাস্তি দেওয়া হয়-এটা জেনেও নিজ সন্তানকে ওখানে ভর্তি করানো।
গ. নিশ্চিতভাবে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার পরই শাস্তি দেওয়া। দেখে নেওয়া যে, বাস্তবেই সে অপরাধ করেছে নাকি কেউ ভুল অভিযোগ করেছে? যে বিষয়টাকে অপরাধ ভাবা হচ্ছে এই ছেলের ক্ষেত্রে তা আদৌ অপরাধ কিনা?
ঘ. ক্রমান্বয়ে অগ্রসর হওয়া; প্রথমেই শারীরিক শাস্তি না দেওয়া। অর্থাৎ প্রথমে নসিহত ও ভালোবাসা দেখানোর মাধ্যমে কাজ উদ্ধারের চেষ্টা করা। যদি এতে কাজ না হয়, তাহলে মৌখিক ভয়-ভীতি দেখানো। যদি এতেও কোনো ফল না আসে, তাহলে অন্য ছাত্রদের সামনে ধমক দেওয়া। এরপরেও যদি সে সংশোধন না হয়, তাহলে কানমলা বা হালকা ধরনের প্রহার করা যেতে পারে। এসবের কোনোটিই যদি কাজে না আসে, তাহলে বড় শাস্তির দিকে যাওয়া যেতে পারে। আল্লামা ইজুদ্দিন রাহিমাহুল্লাহ বলেন,
ومهما حصل التأديب بالأخف من الأفعال والأقوال والحبس والاعتقاد لم يعدل إلى الأغلظ إذ هو مفسدة لا فائدة فيه، لحصول الغرض بما دونه.
কথা, কাজ ও আটক করার মতো লঘু শাস্তির মাধ্যমে যদি সংশোধন অনর্থক, যখন এর চেয়ে ছোট শাস্তির মাধ্যমেই উদ্দেশ্য হাসিল হয়ে যাচ্ছে।
ঙ. সংশোধনের নিয়তে শাস্তি প্রদান করা; প্রতিশোধ নেওয়া বা মনের রাগ প্রশমিত করার উদ্দেশ্যে শাস্তি না দেওয়া। তাই উস্তাদ রাগান্বিত অবস্থায় প্রহার করা থেকে বিরত থাকবেন। কারণ, এ সময় ভারসমতা বজায় রাখা কঠিন।
চ. হাড়ভাঙা বা অঙ্গহানির মতো কঠিন শাস্তি থেকে বিরত থাকা। ফুকাহায়ে আহনাফ বলেন, তিনটির বেশি প্রহার করা যাবে না এবং সংবেদনশীল অঙ্গে বা প্রাণ নাশক কিছু দিয়ে প্রহার করা যাবে না। ফতোয়া শামিতে বলা হয়েছে,
أما المعلم فله ضربه.... والمعلم يضربه بحكم الملك بتمليك أبيه لمصلحة التعليم، وقيده الطرسوسي بأن يكون بغير آلة جارحة، وبأن لا يزيد على ثلاث ضربات .... قال الشرنبلالي: والنقل في كتاب الصلاة يضرب الصغير باليد لا بالخشبة، ولا يزيد على ثلاث ضربات. (حاشية ابن عابدين، ص٤٣٠/٦)
শিক্ষকের জন্য ছাত্রকে প্রহার করার অধিকার আছে। শিক্ষক শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে প্রহার করছে-বাবার দেওয়া অধিকারের কারণে শাসকের আদেশে।
তবে প্রহারের ক্ষেত্রে ইমাম তরতুসি রাহিমাহুল্লাহ কিছু শর্ত যুক্ত করেছেন। যেমন: ক্ষত সৃষ্টি কারক কিছু দিয়ে প্রহার করা যাবে না, তিনটার বেশি আঘাত করা যাবে না...
আল্লামা শুরুম্বুলালি রাহিমাহুল্লাহ বলেন, নামাজের ক্ষেত্রে প্রহারের যে বিষয়টা বলা হয়-তা হাত দিয়ে হতে হবে, কাঠ বা লাকডি দিয়ে নয় এবং তা তিনটার বেশি হতে পারবে না।
ছাত্রদের প্রহারের ক্ষেত্রে উক্ত শর্তগুলো বিবেচনায় রাখা আবশ্যক। এমনিতে কথায় কথায় তাদেরকে পিটানোর অভ্যাস বানিয়ে নেওয়া বা মাত্রাতিরিক্ত প্রহার করা-তারবিয়াতের দিক থেকে উপকারি কোনো পদ্ধতি নয়। আল্লামা মুসতফা সিবায়ি রাহিমাহুল্লাহ নিজের জীবনের অভিজ্ঞতায় লিখেছেন,
لا تستعمل الضرب في تأديب ولدك إلا حين تخفق الموعظة والتأنيب وليكن ضربك له ضرب تربية لا ضرب انتقام. وتجنب ضربه وأنت شديد الغضب منه، واحذر موطن الأذى من جسمه، وأشعره وأنت تضربه أنك لا تزال تحبه. وقلل ما استطعت من استعمال الضرب وسيلة للتأديب. ولأن يهابك ويحبك خير من أن يخافك ويكرهك. (هكذا علمتني الحياة، ضرب الأولاد صدد)
সন্তানের তারবিয়াতের ক্ষেত্রে উপদেশ ও ধমকে যদি কাজ না হয় তাহলেই কেবল প্রহার করবে। তবে তা প্রতিশোধের উদ্দেশ্যে নয়; বরং ইসলাহ ও সংশোধনের নিয়তে। রাগান্বিত অবস্থায় প্রহার থেকে অবশ্যই দূরে থাকবে। শরীরের সংবেদনশীল জায়গায় প্রহার করবে না। প্রহারের সময়ও তাকে বোঝাও যে, তুমি এখনও তাকে মুহাব্বত করো। আর ইসলাহের
এ বিষয়টায় কিছু ভুল বুঝাবুঝি আছে। কেউ তো একে সম্পূর্ণই নাজায়েয বলেছেন। আর বৈধতার প্রবক্তাদের অধিকাংশই পরিমিতি ঠিক রাখতে পারেননি। তারা এর বৈধতার দোহাই দিয়ে শরিয়তের সীমা লঙ্ঘন করে ফেলেন। প্রকৃত অর্থে ছাত্রদের প্রহার করা সম্পূর্ণ হারাম বা নাজায়েযও নয়, আবার অভিভাবক বা উস্তাদের পূর্ণ স্বাধীনতাও নেই যে, সে তার মর্জি মোতাবেক যেভাবে খুশি শাস্তি দিয়ে যাবে; বরং এ ক্ষেত্রে নিম্নোবর্ণিত বিষয়গুলো লক্ষ্যণীয়:
ক. ছাত্রদেরকে শারীরিক শাস্তি দেওয়া শিক্ষকের জন্য যদিও বৈধ, তবে সাধারণ অবস্থায় এটা উত্তম কিছু নয়। তাই এর পরিবর্তে নসিহত করা, ভীতি প্রদর্শন করা, রাগ দেখানো ইত্যাদি উপযুক্ত কোনো পদ্ধতি বাছাই করে নেওয়া উচিত। ইমাম বাইহাকি রাহিমাহুল্লাহ আবু হুরাইরা রাজিয়াল্লাহু আনহুর সূত্রে বর্ণনা করেন,
قال: «علموا ولا تعنفوا فإن المعلم خير من المعنف (المدخل إلى السنن الكبرى للبيهقي، رقم الحديث: ص ٣٧٠)
রাসুল বলেছেন, তোমরা শেখাও, তবে কঠোরতা করো না। কেননা শিক্ষক কঠোর স্বভাবের লোকের চেয়ে বহু ঊর্ধ্বে।
খ. নাবালেগ শিক্ষার্থীদের প্রহারের জন্য অভিভাবকের অনুমতি জরুরি। অনুমতি স্পষ্ট ভাষায়ও হতে পারে, আবার পরোক্ষভাবেও হতে পারে। যেমন: অভিভাবকের জানা থাকা যে, অমুক মাদরাসায় নিয়মের অমান্য করলে বা পড়া শিখে না আসলে ছাত্রদের শাস্তি দেওয়া হয়-এটা জেনেও নিজ সন্তানকে ওখানে ভর্তি করানো।
গ. নিশ্চিতভাবে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার পরই শাস্তি দেওয়া। দেখে নেওয়া যে, বাস্তবেই সে অপরাধ করেছে নাকি কেউ ভুল অভিযোগ করেছে? যে বিষয়টাকে অপরাধ ভাবা হচ্ছে এই ছেলের ক্ষেত্রে তা আদৌ অপরাধ কিনা?
ঘ. ক্রমান্বয়ে অগ্রসর হওয়া; প্রথমেই শারীরিক শাস্তি না দেওয়া। অর্থাৎ প্রথমে নসিহত ও ভালোবাসা দেখানোর মাধ্যমে কাজ উদ্ধারের চেষ্টা করা। যদি এতে কাজ না হয়, তাহলে মৌখিক ভয়-ভীতি দেখানো। যদি এতেও কোনো ফল না আসে, তাহলে অন্য ছাত্রদের সামনে ধমক দেওয়া। এরপরেও যদি সে সংশোধন না হয়, তাহলে কানমলা বা হালকা ধরনের প্রহার করা যেতে পারে। এসবের কোনোটিই যদি কাজে না আসে, তাহলে বড় শাস্তির দিকে যাওয়া যেতে পারে। আল্লামা ইজুদ্দিন রাহিমাহুল্লাহ বলেন,
ومهما حصل التأديب بالأخف من الأفعال والأقوال والحبس والاعتقاد لم يعدل إلى الأغلظ إذ هو مفسدة لا فائدة فيه، لحصول الغرض بما دونه.
কথা, কাজ ও আটক করার মতো লঘু শাস্তির মাধ্যমে যদি সংশোধন অনর্থক, যখন এর চেয়ে ছোট শাস্তির মাধ্যমেই উদ্দেশ্য হাসিল হয়ে যাচ্ছে।
ঙ. সংশোধনের নিয়তে শাস্তি প্রদান করা; প্রতিশোধ নেওয়া বা মনের রাগ প্রশমিত করার উদ্দেশ্যে শাস্তি না দেওয়া। তাই উস্তাদ রাগান্বিত অবস্থায় প্রহার করা থেকে বিরত থাকবেন। কারণ, এ সময় ভারসমতা বজায় রাখা কঠিন।
চ. হাড়ভাঙা বা অঙ্গহানির মতো কঠিন শাস্তি থেকে বিরত থাকা। ফুকাহায়ে আহনাফ বলেন, তিনটির বেশি প্রহার করা যাবে না এবং সংবেদনশীল অঙ্গে বা প্রাণ নাশক কিছু দিয়ে প্রহার করা যাবে না। ফতোয়া শামিতে বলা হয়েছে,
أما المعلم فله ضربه.... والمعلم يضربه بحكم الملك بتمليك أبيه لمصلحة التعليم، وقيده الطرسوسي بأن يكون بغير آلة جارحة، وبأن لا يزيد على ثلاث ضربات .... قال الشرنبلالي: والنقل في كتاب الصلاة يضرب الصغير باليد لا بالخشبة، ولا يزيد على ثلاث ضربات. (حاشية ابن عابدين، ص٤٣٠/٦)
শিক্ষকের জন্য ছাত্রকে প্রহার করার অধিকার আছে। শিক্ষক শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে প্রহার করছে-বাবার দেওয়া অধিকারের কারণে শাসকের আদেশে।
তবে প্রহারের ক্ষেত্রে ইমাম তরতুসি রাহিমাহুল্লাহ কিছু শর্ত যুক্ত করেছেন। যেমন: ক্ষত সৃষ্টি কারক কিছু দিয়ে প্রহার করা যাবে না, তিনটার বেশি আঘাত করা যাবে না...
আল্লামা শুরুম্বুলালি রাহিমাহুল্লাহ বলেন, নামাজের ক্ষেত্রে প্রহারের যে বিষয়টা বলা হয়-তা হাত দিয়ে হতে হবে, কাঠ বা লাকডি দিয়ে নয় এবং তা তিনটার বেশি হতে পারবে না।
ছাত্রদের প্রহারের ক্ষেত্রে উক্ত শর্তগুলো বিবেচনায় রাখা আবশ্যক। এমনিতে কথায় কথায় তাদেরকে পিটানোর অভ্যাস বানিয়ে নেওয়া বা মাত্রাতিরিক্ত প্রহার করা-তারবিয়াতের দিক থেকে উপকারি কোনো পদ্ধতি নয়। আল্লামা মুসতফা সিবায়ি রাহিমাহুল্লাহ নিজের জীবনের অভিজ্ঞতায় লিখেছেন,
لا تستعمل الضرب في تأديب ولدك إلا حين تخفق الموعظة والتأنيب وليكن ضربك له ضرب تربية لا ضرب انتقام. وتجنب ضربه وأنت شديد الغضب منه، واحذر موطن الأذى من جسمه، وأشعره وأنت تضربه أنك لا تزال تحبه. وقلل ما استطعت من استعمال الضرب وسيلة للتأديب. ولأن يهابك ويحبك خير من أن يخافك ويكرهك. (هكذا علمتني الحياة، ضرب الأولاد صدد)
সন্তানের তারবিয়াতের ক্ষেত্রে উপদেশ ও ধমকে যদি কাজ না হয় তাহলেই কেবল প্রহার করবে। তবে তা প্রতিশোধের উদ্দেশ্যে নয়; বরং ইসলাহ ও সংশোধনের নিয়তে। রাগান্বিত অবস্থায় প্রহার থেকে অবশ্যই দূরে থাকবে। শরীরের সংবেদনশীল জায়গায় প্রহার করবে না। প্রহারের সময়ও তাকে বোঝাও যে, তুমি এখনও তাকে মুহাব্বত করো। আর ইসলাহের
❤17