আমার কাছের এক আত্মীয় অনলাইন বিজনেস শুরু করেছে। কুয়েত থেকে বেশকিছু অরজিনাল প্রডাক্ট দিয়ে শুরু করেছে।
যাদের এগুলোতে আগ্রহ আছে, দেখতে পারেন। আমাদের বাসার জন্য দুটো প্রডাক্ট নিয়েছি, বেশ ভালোই।
https://www.facebook.com/share/1YfEXtDGxG/
যাদের এগুলোতে আগ্রহ আছে, দেখতে পারেন। আমাদের বাসার জন্য দুটো প্রডাক্ট নিয়েছি, বেশ ভালোই।
https://www.facebook.com/share/1YfEXtDGxG/
❤12
মধ্যপ্রাচ্যওয়ালারা সেই একটা কাজ করছে—চমৎকার একটা ই-বুক প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে। অসংখ্য বিষয়ে বই পেয়ে যাবেন, সেখানে। আমার বড় কিছু প্রবন্ধ ধীরে ধীরে এখানে আপলোড করা হবে ইনশাআল্লাহ।
https://play.google.com/store/search?q=boipath&c=apps&fbclid=IwdGRjcAU5rDRjbGNrBTmsMGV4dG4DYWVtAjExAHBkb2YFc3J0YwZhcHBfaWQMMzUwNjg1NTMxNzI4AAEeHvEbdSWsTNOhueXG-GuX6RKp6849_UBpZcMhcHjq0ntXGL9jf8qQIK8gUSk_aem_JbbrjHJW7MDzsUV0IZYSTw
https://play.google.com/store/search?q=boipath&c=apps&fbclid=IwdGRjcAU5rDRjbGNrBTmsMGV4dG4DYWVtAjExAHBkb2YFc3J0YwZhcHBfaWQMMzUwNjg1NTMxNzI4AAEeHvEbdSWsTNOhueXG-GuX6RKp6849_UBpZcMhcHjq0ntXGL9jf8qQIK8gUSk_aem_JbbrjHJW7MDzsUV0IZYSTw
❤17👍2
“আকিমুদ্দিন”-এর ব্যাখ্যা নিয়ে অনেক আলাপ চলতেছে। বিষয়টি নিয়ে আলাপ জরুরিও। আমিও টুকটাক কিছু নোট জমা করেছি। আজকে হঠাৎ ইমাম মাওয়ারদি রহিমাহুল্লাহ থেকে “আকিমুদ্দিন”-এর একটা ভিন্ন ব্যাখ্যা পেলাম। তাফসিরে মাওয়ারদি কিতাবে এর ব্যাখ্যায় এসেছে,
أن أقيموا الدين﴾ فيه وجهان: أحدهما: اعملوا به، قاله السدي. الثاني: ادعوا إليه. قال مجاهد: دين الله في طاعته وتوحيده واحد. ويحتمل وجها ثالثا: جاهدوا عليه من عانده
‘“আকিমুদ্দিন” এর দুটি ব্যাখ্যা হতে পারে। এক. দীন অনুযায়ী আমল করো। দুই. দীনের দিকে মানুষকে দাওয়াত দেও। তৃতীয় আরেকটি ব্যাখ্যাও হতে পারে, যারা দীনের শত্রু তাদের বিরুদ্ধে জি*হা*দ করো। -তাফসিরে মাওয়ারদি ৫/১৯৭
.
أن أقيموا الدين﴾ فيه وجهان: أحدهما: اعملوا به، قاله السدي. الثاني: ادعوا إليه. قال مجاهد: دين الله في طاعته وتوحيده واحد. ويحتمل وجها ثالثا: جاهدوا عليه من عانده
‘“আকিমুদ্দিন” এর দুটি ব্যাখ্যা হতে পারে। এক. দীন অনুযায়ী আমল করো। দুই. দীনের দিকে মানুষকে দাওয়াত দেও। তৃতীয় আরেকটি ব্যাখ্যাও হতে পারে, যারা দীনের শত্রু তাদের বিরুদ্ধে জি*হা*দ করো। -তাফসিরে মাওয়ারদি ৫/১৯৭
.
❤32
"আকিমুদ্দিন"-এর মধ্যে "দীন" শব্দের ব্যাখ্যায় মাওলানা মওদুদি থেকে বিচ্যুতি হয়েছে। সেটা আমাদের আলোচ্য বিষয় না।
দীন শব্দের ব্যাখ্যায় সংখ্যাগরিষ্ঠ আলেমগণ "তাওহীদ" উদ্দেশ্যের কথা যেমন বলেছেন। আবার দীন দ্বারা পুরো ইসলাম ও আল্লাহর যাবতীয় আবশ্যকীয় বিধানের কথাও সালাফগণ বলেছেন। আমি দুজন প্রসিদ্ধ হানাফি আলেমদের বক্তব্য পেলাম এই বিষয়ে।
১। ইমাম জাসসাস রহিমাহুল্লাহ পূর্ববর্তী নবীদের শরীয়ত আমাদের উপর আবশ্যক কি-না, এই বিষয়ে মূলনীতি মূলক কিছু আলোচনার প্রক্কালে লেখেন,
قوله تعالى: {أن أقيموا الدين ولا تتفرقوا فيه}
وهذا الظاهر قد اقتضى المساواة في الجميع، لأن الدين اسم ينتظم جميع ما ألزمنا الله تعالى من موجبات أحكام العقل والسمع جميعا.(أحكام القرآن، باب القول في لزوم شرائع من كان قبل نبينا من الأنبياء)
অর্থাৎ, "আকিমুদ্দিন" এই আয়াতের জাহারের ইকতিযায়ুন নসের দাবী হলো, সকল নবীদের শরিয়ত এক হওয়া। কেননা দীন বলাই হয়, আল্লাহ বান্দাদের জন্য যা কিছু আবশ্যক করেছেন তার সবই। চাই তা আকলি দলিল থেকে বুঝে আসুক বা নকলি দলিল থেকে। -উসুলুল জাসসাস ৩/১২৮
২। ইমাম সারাখসি রহিমাহুল্লাহও একই মূলনীতি আলোচনা করতে গিয়ে লেখেছেন,
قوله {أن أقيموا الدين} والدين اسم لكل ما يدان الله به فتدخل الأحكام في ذلك
দীন তো হলো ঐ সকল বিষয়ের নাম, যার মাধ্যমে আল্লাহর আনুগত্য করা হয়। সুতরাং দীন শব্দের মধ্যে যাবতীয় যতবিধান রয়েছে সবই অন্তর্ভুক্ত হবে। -উসুলুস সারাখসি ২/১০৫
.
বি. দ্র. এগুলো শুধুই বিভিন্ন বিষয় খুজতে গিয়ে কুড়িয়ে পাওয়া নোট। দলিলের ভিত্তিতে যেকোনো আলোচনায় স্বাগতম।
দীন শব্দের ব্যাখ্যায় সংখ্যাগরিষ্ঠ আলেমগণ "তাওহীদ" উদ্দেশ্যের কথা যেমন বলেছেন। আবার দীন দ্বারা পুরো ইসলাম ও আল্লাহর যাবতীয় আবশ্যকীয় বিধানের কথাও সালাফগণ বলেছেন। আমি দুজন প্রসিদ্ধ হানাফি আলেমদের বক্তব্য পেলাম এই বিষয়ে।
১। ইমাম জাসসাস রহিমাহুল্লাহ পূর্ববর্তী নবীদের শরীয়ত আমাদের উপর আবশ্যক কি-না, এই বিষয়ে মূলনীতি মূলক কিছু আলোচনার প্রক্কালে লেখেন,
قوله تعالى: {أن أقيموا الدين ولا تتفرقوا فيه}
وهذا الظاهر قد اقتضى المساواة في الجميع، لأن الدين اسم ينتظم جميع ما ألزمنا الله تعالى من موجبات أحكام العقل والسمع جميعا.(أحكام القرآن، باب القول في لزوم شرائع من كان قبل نبينا من الأنبياء)
অর্থাৎ, "আকিমুদ্দিন" এই আয়াতের জাহারের ইকতিযায়ুন নসের দাবী হলো, সকল নবীদের শরিয়ত এক হওয়া। কেননা দীন বলাই হয়, আল্লাহ বান্দাদের জন্য যা কিছু আবশ্যক করেছেন তার সবই। চাই তা আকলি দলিল থেকে বুঝে আসুক বা নকলি দলিল থেকে। -উসুলুল জাসসাস ৩/১২৮
২। ইমাম সারাখসি রহিমাহুল্লাহও একই মূলনীতি আলোচনা করতে গিয়ে লেখেছেন,
قوله {أن أقيموا الدين} والدين اسم لكل ما يدان الله به فتدخل الأحكام في ذلك
দীন তো হলো ঐ সকল বিষয়ের নাম, যার মাধ্যমে আল্লাহর আনুগত্য করা হয়। সুতরাং দীন শব্দের মধ্যে যাবতীয় যতবিধান রয়েছে সবই অন্তর্ভুক্ত হবে। -উসুলুস সারাখসি ২/১০৫
.
বি. দ্র. এগুলো শুধুই বিভিন্ন বিষয় খুজতে গিয়ে কুড়িয়ে পাওয়া নোট। দলিলের ভিত্তিতে যেকোনো আলোচনায় স্বাগতম।
🔥11❤5👎1
অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসবের নাম নিয়ে পণ্য ডিসকাউন্ট দেওয়ার বিধান।
আলহামদুলিল্লাহ, দেশের অন্যতম নির্ভরযোগ্য দ্বীনি প্রতিষ্ঠান থেকে এই বিষয়ে ফতোয়া প্রকাশিত হয়েছে।
আল্লাহ আমাদেরকে ঈমান হেফাজত করার তাওফিক দান করুক। আমীন।
আলহামদুলিল্লাহ, দেশের অন্যতম নির্ভরযোগ্য দ্বীনি প্রতিষ্ঠান থেকে এই বিষয়ে ফতোয়া প্রকাশিত হয়েছে।
আল্লাহ আমাদেরকে ঈমান হেফাজত করার তাওফিক দান করুক। আমীন।
❤33
শাইখুল ইসলাম ইমাম মুহাম্মদ যাহিদ কাউসারি রহ. ছিলেন যেন ইসলামী জ্ঞানভাণ্ডারের জীবন্ত বিশ্বকোষ।
সমকালীন বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উসুলবিদ শায়খ হাসান শাফিয়ি তাঁর সম্পর্কে বলেন:
“যাহিদ কাউসারির সামনে সমগ্র ইসলামী জ্ঞানভাণ্ডার ও সভ্যতা যেন একটি খোলা বইয়ের মতো উন্মুক্ত ছিল। মনে হতো, তিনি যেন সেই বইয়ের পাতা উল্টে দেখেই সব বলে দিতে পারেন। আকীদা, উসুলুল ফিকহ—প্রতিটি শাস্ত্রের জটিল প্রশ্নের সমাধান যেন তাঁর কাছে মুহূর্তেই স্পষ্ট হয়ে উঠত। শাস্ত্রের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র শাখাগত মাসআলাও তাঁর সামনে খোলা বইয়ের মতো সহজবোধ্য ছিল।
কাউসারির জ্ঞান ও প্রজ্ঞার স্তরে পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব। তবে কেউ যদি অন্তত একটি শাস্ত্রে তাঁর সমপর্যায়ের দক্ষতা অর্জন করতে পারে, সেটিই হবে পরম সৌভাগ্যের বিষয়। একজন মুহাক্কিকের জন্য কাউসারিকে গভীরভাবে বোঝা অত্যন্ত জরুরি।”
সমকালীন বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উসুলবিদ শায়খ হাসান শাফিয়ি তাঁর সম্পর্কে বলেন:
“যাহিদ কাউসারির সামনে সমগ্র ইসলামী জ্ঞানভাণ্ডার ও সভ্যতা যেন একটি খোলা বইয়ের মতো উন্মুক্ত ছিল। মনে হতো, তিনি যেন সেই বইয়ের পাতা উল্টে দেখেই সব বলে দিতে পারেন। আকীদা, উসুলুল ফিকহ—প্রতিটি শাস্ত্রের জটিল প্রশ্নের সমাধান যেন তাঁর কাছে মুহূর্তেই স্পষ্ট হয়ে উঠত। শাস্ত্রের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র শাখাগত মাসআলাও তাঁর সামনে খোলা বইয়ের মতো সহজবোধ্য ছিল।
কাউসারির জ্ঞান ও প্রজ্ঞার স্তরে পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব। তবে কেউ যদি অন্তত একটি শাস্ত্রে তাঁর সমপর্যায়ের দক্ষতা অর্জন করতে পারে, সেটিই হবে পরম সৌভাগ্যের বিষয়। একজন মুহাক্কিকের জন্য কাউসারিকে গভীরভাবে বোঝা অত্যন্ত জরুরি।”
❤26👍8
হুথিদের দীর্ঘ জুলুমের বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী দল ছিলো ইয়ামানের সুন্নি মু*জা*হি*দরা। এবং তারা অনেক দূর এগিয়েও গিয়েছিলো। আমেরিকার স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে এই সৌদি প্রশাসনই মু*জা*হি*দদের সর্বাত্মক হামলা চালিয়েছে। মেরিকাকে সবধরনের লজিস্টিক সাপোর্ট দিয়েছে ড্রোন হামলার জন্য।
তাই সৌদির উপর হুথিদের আক্রমণ দেখলে কষ্টের তীব্রতা যতটুকু অনুভব হওয়ার দরকার ততটুকু হয় না।
তাই সৌদির উপর হুথিদের আক্রমণ দেখলে কষ্টের তীব্রতা যতটুকু অনুভব হওয়ার দরকার ততটুকু হয় না।
👍33❤15
বিভিন্ন মিশ্র ও খারাপ অভিজ্ঞতার কারণে এদেশের ওলামায়ে কেরাম জি*হা*দের যেকোনো স্লোগানে কিছুটা সতর্ক থাকেন। এছাড়া বর্তমানের ময়দানের জি*হা*দের বাস্তবতা উনাদের কাছে কিছু অস্পষ্টতার কারণেও উনাদের থেকে এমন কিছু বক্তব্য আসে যেগুলো হয়তো বাস্তবতার সাথে মিল নেই। কিন্তু মোটাদাগে উনারা জি*হা*দ ও খে*লা*ফতের আলোচনা যারা করে তাদের বিরোধী না। হয়তো তাদের সাথে শাখা বিষয়ে একমত না। কিন্তু মূল ইমারাহ, জি*হা*দে উনারা খুবই আন্তরিক। এটা উনাদের সাথে সরাসরি যারা কথা বলেছে, তাদের জানা আছে।
এটা হলো সামগ্রিক চিত্র। এর ব্যতিক্রমও আছে। জি*হা*দ, খে*লা*ফ*ত ইত্যাদি আলোচনা শুনলে এই শ্রেণীর শরীরে কাটা দিয়ে উঠে। যারা জি*হা*দ খে*লা*ফতের কথা বলে, তাদের বিরুদ্ধাচারণ করার নামে নোংরাভাবে জি*হা*দ ও খে*লা*ফতের বিধানগুলোকে এরা বিকৃত করে।
বগুরার শফি কাসেমি আর চরমোনাইয়ের নায়েবে আমীর আজাদ হলো এই কিসেমের। জি*হা*দ, খে*ল*তের কথা যারা এদেশে বলে, এদের নোংরা বিরোধিতা করা ছিলো এই দুজনের শিআর। আর শাকের শিবলি তো চিহ্নিত ফরিদ গংয়ের সদস্য৷
আল্লাহ এদের নোংরামি আজ স্পষ্ট করে দিয়েছে এবং এদেরকে লাঞ্চিত করছে। যদি এরা তাওবা না করে এদের কপালে আরও লাঞ্চনা অপেক্ষা করছে, শুধু দেখতে থাকেন।
বাস, এতটুকুই বলার ছিলো। মাওলানা আতিকুল্লাহ সাহেবের একটা কথা মনে পড়ছে। উনি একবার আমায় বলেছিলো, যারা মুজা*হিদদের বিরোধিতা করতে থাকে, চাই বুঝে হোক বা না বুঝে, আল্লাহ এদের লাঞ্চিত করেই করে। চাই সে যত বড় কেউই হোক না কেন!
এটা হলো সামগ্রিক চিত্র। এর ব্যতিক্রমও আছে। জি*হা*দ, খে*লা*ফ*ত ইত্যাদি আলোচনা শুনলে এই শ্রেণীর শরীরে কাটা দিয়ে উঠে। যারা জি*হা*দ খে*লা*ফতের কথা বলে, তাদের বিরুদ্ধাচারণ করার নামে নোংরাভাবে জি*হা*দ ও খে*লা*ফতের বিধানগুলোকে এরা বিকৃত করে।
বগুরার শফি কাসেমি আর চরমোনাইয়ের নায়েবে আমীর আজাদ হলো এই কিসেমের। জি*হা*দ, খে*ল*তের কথা যারা এদেশে বলে, এদের নোংরা বিরোধিতা করা ছিলো এই দুজনের শিআর। আর শাকের শিবলি তো চিহ্নিত ফরিদ গংয়ের সদস্য৷
আল্লাহ এদের নোংরামি আজ স্পষ্ট করে দিয়েছে এবং এদেরকে লাঞ্চিত করছে। যদি এরা তাওবা না করে এদের কপালে আরও লাঞ্চনা অপেক্ষা করছে, শুধু দেখতে থাকেন।
বাস, এতটুকুই বলার ছিলো। মাওলানা আতিকুল্লাহ সাহেবের একটা কথা মনে পড়ছে। উনি একবার আমায় বলেছিলো, যারা মুজা*হিদদের বিরোধিতা করতে থাকে, চাই বুঝে হোক বা না বুঝে, আল্লাহ এদের লাঞ্চিত করেই করে। চাই সে যত বড় কেউই হোক না কেন!
👍18❤3😁2
ইসলামি ভূখণ্ডের কারাগার অপরাধী মুমিনের জন্য রহমত।
.
বাংলাদেশে সাধারণ মানুষ কারাগারে গেলে স*ত্রাস হয়ে বের হয়। আর স*ত্রস হলে বড় পদ নিয়ে বের হয়। ব্যতিক্রম খুব কমই হয়।
এদিকে ইমারতে ইসলামিয়া আফগানের কারাগারে বন্দিরা কুরআনের হাফেজ আর বিভিন্ন স্কিল শিখে বের হয়।
গতকালের নিউজ। লোগার প্রদেশের কেন্দ্রীয় কারাগারে মোট ৫৭ জন বন্দি কুরআনের কোর্স শেষ করেছেন। এরমধ্যে ২০ পুরুষ পুরো কুরআনের হিফজ শেষ করেছেন। আর বাকিরা কুরআন তিলাওয়াত শিখেছেন। এরমধ্যে ৭জন হলো নারী।
বিভিন্ন ইউটিউবারের ট্রাভেল ব্লগ ভিডিওতে আফগান কারাগারের চিত্র দেখে ঐদিন একজন মন্তব্য করলো, এদেশে স্বাধীন থাকার চেয়ে আফগানের কারাগারে থাকলে আরো ভালো ইসলাম পালন করতে পারতাম!
.
আফগান জেলের এই ভিডিওটা দেখে সিদ্ধান্ত নেন, জেলে থাকবেন না স্বাধীন!
https://youtu.be/Hs-POFwR2Fo?si=e-zFsKq68foidYv9
.
বাংলাদেশে সাধারণ মানুষ কারাগারে গেলে স*ত্রাস হয়ে বের হয়। আর স*ত্রস হলে বড় পদ নিয়ে বের হয়। ব্যতিক্রম খুব কমই হয়।
এদিকে ইমারতে ইসলামিয়া আফগানের কারাগারে বন্দিরা কুরআনের হাফেজ আর বিভিন্ন স্কিল শিখে বের হয়।
গতকালের নিউজ। লোগার প্রদেশের কেন্দ্রীয় কারাগারে মোট ৫৭ জন বন্দি কুরআনের কোর্স শেষ করেছেন। এরমধ্যে ২০ পুরুষ পুরো কুরআনের হিফজ শেষ করেছেন। আর বাকিরা কুরআন তিলাওয়াত শিখেছেন। এরমধ্যে ৭জন হলো নারী।
বিভিন্ন ইউটিউবারের ট্রাভেল ব্লগ ভিডিওতে আফগান কারাগারের চিত্র দেখে ঐদিন একজন মন্তব্য করলো, এদেশে স্বাধীন থাকার চেয়ে আফগানের কারাগারে থাকলে আরো ভালো ইসলাম পালন করতে পারতাম!
.
আফগান জেলের এই ভিডিওটা দেখে সিদ্ধান্ত নেন, জেলে থাকবেন না স্বাধীন!
https://youtu.be/Hs-POFwR2Fo?si=e-zFsKq68foidYv9
❤32😱4🥰1
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
জাতীয় মিম্বার থেকে...
.
গে*ন্দুরা তাদের পূজা নিজস্ব পরিমণ্ডলে পালন করবে। নাগরিক হিসেবে এটা তাদের অধিকার। তবে মুসলমানদের এটা মনে রাখতে হবে তাদের এই কাজ হলো শিরক। কেউ আচরণে বা উচ্চারণে যদি এই শিরককে ভালো বলে তাহলে সে কা*ফ*র হয়ে যাবে।
-খতিব মাওলানা আব্দুল মালেক দা.বা.
.
গে*ন্দুরা তাদের পূজা নিজস্ব পরিমণ্ডলে পালন করবে। নাগরিক হিসেবে এটা তাদের অধিকার। তবে মুসলমানদের এটা মনে রাখতে হবে তাদের এই কাজ হলো শিরক। কেউ আচরণে বা উচ্চারণে যদি এই শিরককে ভালো বলে তাহলে সে কা*ফ*র হয়ে যাবে।
-খতিব মাওলানা আব্দুল মালেক দা.বা.
❤39👍12🔥1👌1
অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে তাদের শুভেচ্ছা জানানোর বিধান
(লেখাটা সময়ের জন্য অনেক প্রাসঙ্গিক।)
https://www.facebook.com/share/p/1DuAmExUKw/
(লেখাটা সময়ের জন্য অনেক প্রাসঙ্গিক।)
https://www.facebook.com/share/p/1DuAmExUKw/
❤12🔥3
ড. উসমান জুমআ রহিমাহুল্লাহ একটা চমৎকার উসুল বলেছেন, দারুল ইসলামে অমুসলিমদের ইসলামি আইনে চলতে বাধ্য করা হবে কিন্তু জোর করে ইসলামে প্রবেশ করানো হবে না, এই দুইয়ের মাঝে পার্থক্য কেন?
فينبغي التفرقة بين الدخول في الدين الإسلامي عقيدة وإيماناً، وبين الخضوع للإسلام بالتزام نظامه القانوني؛ فمن الجلي أنه لا يقبل من مواطن عدم الخضوع للنظام القانوني الذي يعيش في كنفه. وإكراهه على هذا الخضوع
ليس إكراهاً في الدين عقيدة وإيماناً؛ إذ إن القرآن الكريم يقرر قاعدة أساسية في هذا بقوله تعالى: لَا إِكْرَاهَ فِي الدِّينِ قَد تَّبَيَّنَ الرُّشْدُ مِنَ الْغَيِّ . وهي تنفي جنس الإكراه وتستبعد وقوعه
فينبغي التفرقة بين الدخول في الدين الإسلامي عقيدة وإيماناً، وبين الخضوع للإسلام بالتزام نظامه القانوني؛ فمن الجلي أنه لا يقبل من مواطن عدم الخضوع للنظام القانوني الذي يعيش في كنفه. وإكراهه على هذا الخضوع
ليس إكراهاً في الدين عقيدة وإيماناً؛ إذ إن القرآن الكريم يقرر قاعدة أساسية في هذا بقوله تعالى: لَا إِكْرَاهَ فِي الدِّينِ قَد تَّبَيَّنَ الرُّشْدُ مِنَ الْغَيِّ . وهي تنفي جنس الإكراه وتستبعد وقوعه
❤18
মুহতামিম হওয়ার যোগ্যতা ও শর্তসমূহ:
আমরা ভূমিকাতে বিস্তারিত আলোচনা করে এসেছি যে, মুহতামিম হওয়ার জন্য মৌলিক দুটি শর্ত রয়েছে-
১. বিশ্বস্ত হওয়া। অর্থাৎ, যাকে মুহতামিম বানানো হচ্ছে সে খিয়ানতকারী না হওয়া। সম্পদ ও দুনিয়া অর্জনে যেভাবে খিয়ানত হয় তেমনি সম্মান-মর্যাদ অর্জনেও খিয়ানত হতে পারে। মুহতামিমের দায়িত্ব গ্রহণের জন্য সব ধরনের খিয়ানত থেকে বেঁচে থাকতে হবে এবং ব্যক্তি নির্ভরযোগ্য হতে হবে।
২. অর্পিত দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা থাকা। অর্থাৎ, এ দায়িত্ব গ্রহণের ফলে যেসব জিম্মাদারি তার ওপর আসবে, সেগুলো পালনের সক্ষমতা থাকা। মাদরাসা যেহেতু বিভিন্ন ধরনের, তাই দায়িত্বও বিভিন্ন ধরনের। উদাহারণত, শুধু হিফজ মাদরাসা আর কিতাব বিভাগ সম্বলিত মাদরাসার প্রয়োজনীয়তা এক নয়। পুরুষ ও মহিলা মাদরাসাতেও রয়েছে অনেক পার্থক্য। তেমনি পার্থক্য রয়েছে আবাসিক ও অনাবাসিক মাদরাসায়। আঞ্চলিক ছোটো মাদরাসা ও জাতীয় বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ের মাদরাসার কাজও এক নয়।
আর মাদরাসার দায়িত্ব ও প্রয়োজনীয়তা পূর্বের তুলনায় এখন দিন দিন বেড়েই চলেছে। তাই, মুহতামিম হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্তের জন্য আবশ্যক হলো, সংশ্লিষ্ট মাদরাসার প্রয়োজন ও দায়িত্বসমূহ সম্পর্কে ওয়াকিফহাল থাকা। সাথে সাথে দায়িত্ব পালনের পূর্ণ যোগ্য হওয়া। এ দুই গুণ যার মাঝে অনুপস্থিত, তাকে মাদরাসার মুহতামিম বানানো না শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ আর না যুক্তির নিরিখে।
বই: আহকামে মাদারেস
লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান
অনুবাদক: মাওলানা জাহিদ হাসান
মূল্য: ১৮০৳ (২৫% ছাড়ে!
আমরা ভূমিকাতে বিস্তারিত আলোচনা করে এসেছি যে, মুহতামিম হওয়ার জন্য মৌলিক দুটি শর্ত রয়েছে-
১. বিশ্বস্ত হওয়া। অর্থাৎ, যাকে মুহতামিম বানানো হচ্ছে সে খিয়ানতকারী না হওয়া। সম্পদ ও দুনিয়া অর্জনে যেভাবে খিয়ানত হয় তেমনি সম্মান-মর্যাদ অর্জনেও খিয়ানত হতে পারে। মুহতামিমের দায়িত্ব গ্রহণের জন্য সব ধরনের খিয়ানত থেকে বেঁচে থাকতে হবে এবং ব্যক্তি নির্ভরযোগ্য হতে হবে।
২. অর্পিত দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা থাকা। অর্থাৎ, এ দায়িত্ব গ্রহণের ফলে যেসব জিম্মাদারি তার ওপর আসবে, সেগুলো পালনের সক্ষমতা থাকা। মাদরাসা যেহেতু বিভিন্ন ধরনের, তাই দায়িত্বও বিভিন্ন ধরনের। উদাহারণত, শুধু হিফজ মাদরাসা আর কিতাব বিভাগ সম্বলিত মাদরাসার প্রয়োজনীয়তা এক নয়। পুরুষ ও মহিলা মাদরাসাতেও রয়েছে অনেক পার্থক্য। তেমনি পার্থক্য রয়েছে আবাসিক ও অনাবাসিক মাদরাসায়। আঞ্চলিক ছোটো মাদরাসা ও জাতীয় বা আন্তর্জাতিক পর্যায়ের মাদরাসার কাজও এক নয়।
আর মাদরাসার দায়িত্ব ও প্রয়োজনীয়তা পূর্বের তুলনায় এখন দিন দিন বেড়েই চলেছে। তাই, মুহতামিম হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্তের জন্য আবশ্যক হলো, সংশ্লিষ্ট মাদরাসার প্রয়োজন ও দায়িত্বসমূহ সম্পর্কে ওয়াকিফহাল থাকা। সাথে সাথে দায়িত্ব পালনের পূর্ণ যোগ্য হওয়া। এ দুই গুণ যার মাঝে অনুপস্থিত, তাকে মাদরাসার মুহতামিম বানানো না শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ আর না যুক্তির নিরিখে।
বই: আহকামে মাদারেস
লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান
অনুবাদক: মাওলানা জাহিদ হাসান
মূল্য: ১৮০৳ (২৫% ছাড়ে!
❤8🥰2
আমাদের নিজেদের বলা অকাট্ট ও কতয়ি উসুল ও জুযয়িয়াত, যেগুলো আমাদের ভাষ্যমতে ঈমানের জন্য জরুরি, বিএনপির উপর থেকে নীচ অমান্য করে যাচ্ছে। স্পষ্ট ভাষায় কু*ফ*রের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে, তারপরও তারেক ও বিএনপি এই ভূখণ্ডের মুসলিমদের উলুল আমর। এ-র বিপরীত যারা বলবে তারা খারেজি!
.
আসমান ও জমিন এই বিষয়গুলোর সাক্ষী থাকুক। যেনো কেয়ামতের দিন, আল্লাহর সামনে এগুলো হুজ্জত হয়।
.
আসমান ও জমিন এই বিষয়গুলোর সাক্ষী থাকুক। যেনো কেয়ামতের দিন, আল্লাহর সামনে এগুলো হুজ্জত হয়।
❤20👍10🤨1
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
ফ্রান্সের জন্য সবাই খাস করে দোয়া করি!
হে আল্লাহ! তুমি ফ্রান্সে এখন বরকত দিয়ে দেও।
হে আল্লাহ! তুমি ফ্রান্সে এখন বরকত দিয়ে দেও।
❤27👏14👍5😁2