এবার বইমেলায় অনেকেই আমার অনূদিত দার সংক্রান্ত বইটি সংগ্রহ করেছেন। অনেকে মেলায় স্টলে দেখা করে তারপর বই নিয়েছেন। সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। এমন ভারী টপিকের বই এত এত মানুষ সংগ্রহ করবেন তা আমি ধারণা করিনি।
সাধারণত যখনই কোনো মাদরাসার তালেবে ইলম বইটি সংগ্রহ করে আমার থেকে দোয়া বাক্য লেখিয়ে নিতে এসেছে, জিজ্ঞাসা করেছি, কোন জামাতের ছাত্র। যাদেরকে শরহে বেকায়ার নীচে পেয়েছি—সংখ্যাটা অবশ্যই অনেক অল্প—স্পষ্ট করেই বলেছি, এখন কেনো এই বই সংগ্রহ করছেন? এগুলো কী এখনই পড়ার সময়? এখন তো মৌলিক ইস্তেদাদের সময়।
আলহামদুলিল্লাহ, অনেকেই বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন। অনেককে সাথে সাথে বইটি ফিরত নেওয়ার ব্যবস্থা করে অন্য জরুরি বই সংগ্রহের জন্য বলেছি।
প্রকাশক কয়েকবারই আঁড়চোখে তাকিয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ, একবারের জন্যও কিছু বলেনি। এজন্য আমি তার শোকরগুজার।
প্রতিটি বই বিক্রি হলে আমি পার্সেন্টেজ লাভ পাবো, তারপরও এই কাজগুলো কেনো করলাম বা কেনো নিয়মিত করি?
কারণ, আমি চাই না, আমাদের এই অল্প সংখ্যক পাঠকগুলো নষ্ট হোক।
পাঠক নষ্ট হওয়ার অনেকগুলো কারণের একটি অন্যতম হলো অপ্রয়োজনীয় বা এখন প্রয়োজন নেই এমন বই সংগ্রহ করা। যখন বইয়ের পিছনে আপনার অনেক টাকা চলে যায়, কিন্তু বইগুলো আপনার তেমন কাজে আসে না, তখন পাঠক সামনে বই সংগ্রহের আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।
আরেকটি বিষয় হলো, দার সংক্রান্ত বলেন বা আধুনিক পশ্চিমা সভ্যতার সমস্যাগুলো বলেন, আমরা চাই এগুলো তালেবে ইলমরা বাসিরাতের সাথে বুঝুক, জযবার সাথে না৷ আর বাসিরাতের সাথে বুঝা তখনই সম্ভব, যখন ইলমি ইসতিদাদ মজবুত হবে।
আল্লাহ আমাদের এই ক্ষুদ্র বইয়ের জগতটিকে টিকিয়ে রাখুক।
সাধারণত যখনই কোনো মাদরাসার তালেবে ইলম বইটি সংগ্রহ করে আমার থেকে দোয়া বাক্য লেখিয়ে নিতে এসেছে, জিজ্ঞাসা করেছি, কোন জামাতের ছাত্র। যাদেরকে শরহে বেকায়ার নীচে পেয়েছি—সংখ্যাটা অবশ্যই অনেক অল্প—স্পষ্ট করেই বলেছি, এখন কেনো এই বই সংগ্রহ করছেন? এগুলো কী এখনই পড়ার সময়? এখন তো মৌলিক ইস্তেদাদের সময়।
আলহামদুলিল্লাহ, অনেকেই বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন। অনেককে সাথে সাথে বইটি ফিরত নেওয়ার ব্যবস্থা করে অন্য জরুরি বই সংগ্রহের জন্য বলেছি।
প্রকাশক কয়েকবারই আঁড়চোখে তাকিয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ, একবারের জন্যও কিছু বলেনি। এজন্য আমি তার শোকরগুজার।
প্রতিটি বই বিক্রি হলে আমি পার্সেন্টেজ লাভ পাবো, তারপরও এই কাজগুলো কেনো করলাম বা কেনো নিয়মিত করি?
কারণ, আমি চাই না, আমাদের এই অল্প সংখ্যক পাঠকগুলো নষ্ট হোক।
পাঠক নষ্ট হওয়ার অনেকগুলো কারণের একটি অন্যতম হলো অপ্রয়োজনীয় বা এখন প্রয়োজন নেই এমন বই সংগ্রহ করা। যখন বইয়ের পিছনে আপনার অনেক টাকা চলে যায়, কিন্তু বইগুলো আপনার তেমন কাজে আসে না, তখন পাঠক সামনে বই সংগ্রহের আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।
আরেকটি বিষয় হলো, দার সংক্রান্ত বলেন বা আধুনিক পশ্চিমা সভ্যতার সমস্যাগুলো বলেন, আমরা চাই এগুলো তালেবে ইলমরা বাসিরাতের সাথে বুঝুক, জযবার সাথে না৷ আর বাসিরাতের সাথে বুঝা তখনই সম্ভব, যখন ইলমি ইসতিদাদ মজবুত হবে।
আল্লাহ আমাদের এই ক্ষুদ্র বইয়ের জগতটিকে টিকিয়ে রাখুক।
❤24
মেধাবী আলেমদের বিশেষ করে ফারাগাতের পর দীর্ঘ সময় আহলে ইলম ও আহলে দিল মনীষীদের সোহবত গ্রহণ করা উচিত।
পাশাপাশি নিয়মিত নির্বাচিত মুতালা অব্যাহত রাখা জরুরি। বিশেষ করে যে যেই ময়দানে কাজ করছে অন্তত সেই বিষয়ে।
নিজেকে সোহবত, পরামর্শ ও মুতালার উর্ধ্বে মনে করলে কোত্থেকে যে বিচ্যুতি চলে আসে টেরই পাওয়া যায় না। ব্যক্তি নিজেও টের পায় না। তার অনুসারীরাও না।
আমরা সোহবতও হারিয়েছি। মুতালাও করছি না। আরো ভয়ঙ্কর হলো, কোনটারই প্রয়োজন অনুভব করি না। চারপাশে ইলমের নানা আয়োজন ও আহলে ইলমের মুবারক উপস্থিতি অথচ আমরা নির্বিকার - এ আচরণ ভোগাবে আমাদের। ব্যক্তিজীবনেও, জাতীয় পর্যায়েও।
©মাওলানা সাইফুল ইসলাম
পাশাপাশি নিয়মিত নির্বাচিত মুতালা অব্যাহত রাখা জরুরি। বিশেষ করে যে যেই ময়দানে কাজ করছে অন্তত সেই বিষয়ে।
নিজেকে সোহবত, পরামর্শ ও মুতালার উর্ধ্বে মনে করলে কোত্থেকে যে বিচ্যুতি চলে আসে টেরই পাওয়া যায় না। ব্যক্তি নিজেও টের পায় না। তার অনুসারীরাও না।
আমরা সোহবতও হারিয়েছি। মুতালাও করছি না। আরো ভয়ঙ্কর হলো, কোনটারই প্রয়োজন অনুভব করি না। চারপাশে ইলমের নানা আয়োজন ও আহলে ইলমের মুবারক উপস্থিতি অথচ আমরা নির্বিকার - এ আচরণ ভোগাবে আমাদের। ব্যক্তিজীবনেও, জাতীয় পর্যায়েও।
©মাওলানা সাইফুল ইসলাম
❤32👍11
আমার কাছের এক আত্মীয় অনলাইন বিজনেস শুরু করেছে। কুয়েত থেকে বেশকিছু অরজিনাল প্রডাক্ট দিয়ে শুরু করেছে।
যাদের এগুলোতে আগ্রহ আছে, দেখতে পারেন। আমাদের বাসার জন্য দুটো প্রডাক্ট নিয়েছি, বেশ ভালোই।
https://www.facebook.com/share/1YfEXtDGxG/
যাদের এগুলোতে আগ্রহ আছে, দেখতে পারেন। আমাদের বাসার জন্য দুটো প্রডাক্ট নিয়েছি, বেশ ভালোই।
https://www.facebook.com/share/1YfEXtDGxG/
❤12
মধ্যপ্রাচ্যওয়ালারা সেই একটা কাজ করছে—চমৎকার একটা ই-বুক প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে। অসংখ্য বিষয়ে বই পেয়ে যাবেন, সেখানে। আমার বড় কিছু প্রবন্ধ ধীরে ধীরে এখানে আপলোড করা হবে ইনশাআল্লাহ।
https://play.google.com/store/search?q=boipath&c=apps&fbclid=IwdGRjcAU5rDRjbGNrBTmsMGV4dG4DYWVtAjExAHBkb2YFc3J0YwZhcHBfaWQMMzUwNjg1NTMxNzI4AAEeHvEbdSWsTNOhueXG-GuX6RKp6849_UBpZcMhcHjq0ntXGL9jf8qQIK8gUSk_aem_JbbrjHJW7MDzsUV0IZYSTw
https://play.google.com/store/search?q=boipath&c=apps&fbclid=IwdGRjcAU5rDRjbGNrBTmsMGV4dG4DYWVtAjExAHBkb2YFc3J0YwZhcHBfaWQMMzUwNjg1NTMxNzI4AAEeHvEbdSWsTNOhueXG-GuX6RKp6849_UBpZcMhcHjq0ntXGL9jf8qQIK8gUSk_aem_JbbrjHJW7MDzsUV0IZYSTw
❤17👍2
“আকিমুদ্দিন”-এর ব্যাখ্যা নিয়ে অনেক আলাপ চলতেছে। বিষয়টি নিয়ে আলাপ জরুরিও। আমিও টুকটাক কিছু নোট জমা করেছি। আজকে হঠাৎ ইমাম মাওয়ারদি রহিমাহুল্লাহ থেকে “আকিমুদ্দিন”-এর একটা ভিন্ন ব্যাখ্যা পেলাম। তাফসিরে মাওয়ারদি কিতাবে এর ব্যাখ্যায় এসেছে,
أن أقيموا الدين﴾ فيه وجهان: أحدهما: اعملوا به، قاله السدي. الثاني: ادعوا إليه. قال مجاهد: دين الله في طاعته وتوحيده واحد. ويحتمل وجها ثالثا: جاهدوا عليه من عانده
‘“আকিমুদ্দিন” এর দুটি ব্যাখ্যা হতে পারে। এক. দীন অনুযায়ী আমল করো। দুই. দীনের দিকে মানুষকে দাওয়াত দেও। তৃতীয় আরেকটি ব্যাখ্যাও হতে পারে, যারা দীনের শত্রু তাদের বিরুদ্ধে জি*হা*দ করো। -তাফসিরে মাওয়ারদি ৫/১৯৭
.
أن أقيموا الدين﴾ فيه وجهان: أحدهما: اعملوا به، قاله السدي. الثاني: ادعوا إليه. قال مجاهد: دين الله في طاعته وتوحيده واحد. ويحتمل وجها ثالثا: جاهدوا عليه من عانده
‘“আকিমুদ্দিন” এর দুটি ব্যাখ্যা হতে পারে। এক. দীন অনুযায়ী আমল করো। দুই. দীনের দিকে মানুষকে দাওয়াত দেও। তৃতীয় আরেকটি ব্যাখ্যাও হতে পারে, যারা দীনের শত্রু তাদের বিরুদ্ধে জি*হা*দ করো। -তাফসিরে মাওয়ারদি ৫/১৯৭
.
❤32
"আকিমুদ্দিন"-এর মধ্যে "দীন" শব্দের ব্যাখ্যায় মাওলানা মওদুদি থেকে বিচ্যুতি হয়েছে। সেটা আমাদের আলোচ্য বিষয় না।
দীন শব্দের ব্যাখ্যায় সংখ্যাগরিষ্ঠ আলেমগণ "তাওহীদ" উদ্দেশ্যের কথা যেমন বলেছেন। আবার দীন দ্বারা পুরো ইসলাম ও আল্লাহর যাবতীয় আবশ্যকীয় বিধানের কথাও সালাফগণ বলেছেন। আমি দুজন প্রসিদ্ধ হানাফি আলেমদের বক্তব্য পেলাম এই বিষয়ে।
১। ইমাম জাসসাস রহিমাহুল্লাহ পূর্ববর্তী নবীদের শরীয়ত আমাদের উপর আবশ্যক কি-না, এই বিষয়ে মূলনীতি মূলক কিছু আলোচনার প্রক্কালে লেখেন,
قوله تعالى: {أن أقيموا الدين ولا تتفرقوا فيه}
وهذا الظاهر قد اقتضى المساواة في الجميع، لأن الدين اسم ينتظم جميع ما ألزمنا الله تعالى من موجبات أحكام العقل والسمع جميعا.(أحكام القرآن، باب القول في لزوم شرائع من كان قبل نبينا من الأنبياء)
অর্থাৎ, "আকিমুদ্দিন" এই আয়াতের জাহারের ইকতিযায়ুন নসের দাবী হলো, সকল নবীদের শরিয়ত এক হওয়া। কেননা দীন বলাই হয়, আল্লাহ বান্দাদের জন্য যা কিছু আবশ্যক করেছেন তার সবই। চাই তা আকলি দলিল থেকে বুঝে আসুক বা নকলি দলিল থেকে। -উসুলুল জাসসাস ৩/১২৮
২। ইমাম সারাখসি রহিমাহুল্লাহও একই মূলনীতি আলোচনা করতে গিয়ে লেখেছেন,
قوله {أن أقيموا الدين} والدين اسم لكل ما يدان الله به فتدخل الأحكام في ذلك
দীন তো হলো ঐ সকল বিষয়ের নাম, যার মাধ্যমে আল্লাহর আনুগত্য করা হয়। সুতরাং দীন শব্দের মধ্যে যাবতীয় যতবিধান রয়েছে সবই অন্তর্ভুক্ত হবে। -উসুলুস সারাখসি ২/১০৫
.
বি. দ্র. এগুলো শুধুই বিভিন্ন বিষয় খুজতে গিয়ে কুড়িয়ে পাওয়া নোট। দলিলের ভিত্তিতে যেকোনো আলোচনায় স্বাগতম।
দীন শব্দের ব্যাখ্যায় সংখ্যাগরিষ্ঠ আলেমগণ "তাওহীদ" উদ্দেশ্যের কথা যেমন বলেছেন। আবার দীন দ্বারা পুরো ইসলাম ও আল্লাহর যাবতীয় আবশ্যকীয় বিধানের কথাও সালাফগণ বলেছেন। আমি দুজন প্রসিদ্ধ হানাফি আলেমদের বক্তব্য পেলাম এই বিষয়ে।
১। ইমাম জাসসাস রহিমাহুল্লাহ পূর্ববর্তী নবীদের শরীয়ত আমাদের উপর আবশ্যক কি-না, এই বিষয়ে মূলনীতি মূলক কিছু আলোচনার প্রক্কালে লেখেন,
قوله تعالى: {أن أقيموا الدين ولا تتفرقوا فيه}
وهذا الظاهر قد اقتضى المساواة في الجميع، لأن الدين اسم ينتظم جميع ما ألزمنا الله تعالى من موجبات أحكام العقل والسمع جميعا.(أحكام القرآن، باب القول في لزوم شرائع من كان قبل نبينا من الأنبياء)
অর্থাৎ, "আকিমুদ্দিন" এই আয়াতের জাহারের ইকতিযায়ুন নসের দাবী হলো, সকল নবীদের শরিয়ত এক হওয়া। কেননা দীন বলাই হয়, আল্লাহ বান্দাদের জন্য যা কিছু আবশ্যক করেছেন তার সবই। চাই তা আকলি দলিল থেকে বুঝে আসুক বা নকলি দলিল থেকে। -উসুলুল জাসসাস ৩/১২৮
২। ইমাম সারাখসি রহিমাহুল্লাহও একই মূলনীতি আলোচনা করতে গিয়ে লেখেছেন,
قوله {أن أقيموا الدين} والدين اسم لكل ما يدان الله به فتدخل الأحكام في ذلك
দীন তো হলো ঐ সকল বিষয়ের নাম, যার মাধ্যমে আল্লাহর আনুগত্য করা হয়। সুতরাং দীন শব্দের মধ্যে যাবতীয় যতবিধান রয়েছে সবই অন্তর্ভুক্ত হবে। -উসুলুস সারাখসি ২/১০৫
.
বি. দ্র. এগুলো শুধুই বিভিন্ন বিষয় খুজতে গিয়ে কুড়িয়ে পাওয়া নোট। দলিলের ভিত্তিতে যেকোনো আলোচনায় স্বাগতম।
🔥11❤5👎1
অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসবের নাম নিয়ে পণ্য ডিসকাউন্ট দেওয়ার বিধান।
আলহামদুলিল্লাহ, দেশের অন্যতম নির্ভরযোগ্য দ্বীনি প্রতিষ্ঠান থেকে এই বিষয়ে ফতোয়া প্রকাশিত হয়েছে।
আল্লাহ আমাদেরকে ঈমান হেফাজত করার তাওফিক দান করুক। আমীন।
আলহামদুলিল্লাহ, দেশের অন্যতম নির্ভরযোগ্য দ্বীনি প্রতিষ্ঠান থেকে এই বিষয়ে ফতোয়া প্রকাশিত হয়েছে।
আল্লাহ আমাদেরকে ঈমান হেফাজত করার তাওফিক দান করুক। আমীন।
❤33
শাইখুল ইসলাম ইমাম মুহাম্মদ যাহিদ কাউসারি রহ. ছিলেন যেন ইসলামী জ্ঞানভাণ্ডারের জীবন্ত বিশ্বকোষ।
সমকালীন বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উসুলবিদ শায়খ হাসান শাফিয়ি তাঁর সম্পর্কে বলেন:
“যাহিদ কাউসারির সামনে সমগ্র ইসলামী জ্ঞানভাণ্ডার ও সভ্যতা যেন একটি খোলা বইয়ের মতো উন্মুক্ত ছিল। মনে হতো, তিনি যেন সেই বইয়ের পাতা উল্টে দেখেই সব বলে দিতে পারেন। আকীদা, উসুলুল ফিকহ—প্রতিটি শাস্ত্রের জটিল প্রশ্নের সমাধান যেন তাঁর কাছে মুহূর্তেই স্পষ্ট হয়ে উঠত। শাস্ত্রের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র শাখাগত মাসআলাও তাঁর সামনে খোলা বইয়ের মতো সহজবোধ্য ছিল।
কাউসারির জ্ঞান ও প্রজ্ঞার স্তরে পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব। তবে কেউ যদি অন্তত একটি শাস্ত্রে তাঁর সমপর্যায়ের দক্ষতা অর্জন করতে পারে, সেটিই হবে পরম সৌভাগ্যের বিষয়। একজন মুহাক্কিকের জন্য কাউসারিকে গভীরভাবে বোঝা অত্যন্ত জরুরি।”
সমকালীন বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উসুলবিদ শায়খ হাসান শাফিয়ি তাঁর সম্পর্কে বলেন:
“যাহিদ কাউসারির সামনে সমগ্র ইসলামী জ্ঞানভাণ্ডার ও সভ্যতা যেন একটি খোলা বইয়ের মতো উন্মুক্ত ছিল। মনে হতো, তিনি যেন সেই বইয়ের পাতা উল্টে দেখেই সব বলে দিতে পারেন। আকীদা, উসুলুল ফিকহ—প্রতিটি শাস্ত্রের জটিল প্রশ্নের সমাধান যেন তাঁর কাছে মুহূর্তেই স্পষ্ট হয়ে উঠত। শাস্ত্রের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র শাখাগত মাসআলাও তাঁর সামনে খোলা বইয়ের মতো সহজবোধ্য ছিল।
কাউসারির জ্ঞান ও প্রজ্ঞার স্তরে পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব। তবে কেউ যদি অন্তত একটি শাস্ত্রে তাঁর সমপর্যায়ের দক্ষতা অর্জন করতে পারে, সেটিই হবে পরম সৌভাগ্যের বিষয়। একজন মুহাক্কিকের জন্য কাউসারিকে গভীরভাবে বোঝা অত্যন্ত জরুরি।”
❤26👍8
হুথিদের দীর্ঘ জুলুমের বিরুদ্ধে সবচেয়ে শক্তিশালী দল ছিলো ইয়ামানের সুন্নি মু*জা*হি*দরা। এবং তারা অনেক দূর এগিয়েও গিয়েছিলো। আমেরিকার স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে এই সৌদি প্রশাসনই মু*জা*হি*দদের সর্বাত্মক হামলা চালিয়েছে। মেরিকাকে সবধরনের লজিস্টিক সাপোর্ট দিয়েছে ড্রোন হামলার জন্য।
তাই সৌদির উপর হুথিদের আক্রমণ দেখলে কষ্টের তীব্রতা যতটুকু অনুভব হওয়ার দরকার ততটুকু হয় না।
তাই সৌদির উপর হুথিদের আক্রমণ দেখলে কষ্টের তীব্রতা যতটুকু অনুভব হওয়ার দরকার ততটুকু হয় না।
👍33❤15
বিভিন্ন মিশ্র ও খারাপ অভিজ্ঞতার কারণে এদেশের ওলামায়ে কেরাম জি*হা*দের যেকোনো স্লোগানে কিছুটা সতর্ক থাকেন। এছাড়া বর্তমানের ময়দানের জি*হা*দের বাস্তবতা উনাদের কাছে কিছু অস্পষ্টতার কারণেও উনাদের থেকে এমন কিছু বক্তব্য আসে যেগুলো হয়তো বাস্তবতার সাথে মিল নেই। কিন্তু মোটাদাগে উনারা জি*হা*দ ও খে*লা*ফতের আলোচনা যারা করে তাদের বিরোধী না। হয়তো তাদের সাথে শাখা বিষয়ে একমত না। কিন্তু মূল ইমারাহ, জি*হা*দে উনারা খুবই আন্তরিক। এটা উনাদের সাথে সরাসরি যারা কথা বলেছে, তাদের জানা আছে।
এটা হলো সামগ্রিক চিত্র। এর ব্যতিক্রমও আছে। জি*হা*দ, খে*লা*ফ*ত ইত্যাদি আলোচনা শুনলে এই শ্রেণীর শরীরে কাটা দিয়ে উঠে। যারা জি*হা*দ খে*লা*ফতের কথা বলে, তাদের বিরুদ্ধাচারণ করার নামে নোংরাভাবে জি*হা*দ ও খে*লা*ফতের বিধানগুলোকে এরা বিকৃত করে।
বগুরার শফি কাসেমি আর চরমোনাইয়ের নায়েবে আমীর আজাদ হলো এই কিসেমের। জি*হা*দ, খে*ল*তের কথা যারা এদেশে বলে, এদের নোংরা বিরোধিতা করা ছিলো এই দুজনের শিআর। আর শাকের শিবলি তো চিহ্নিত ফরিদ গংয়ের সদস্য৷
আল্লাহ এদের নোংরামি আজ স্পষ্ট করে দিয়েছে এবং এদেরকে লাঞ্চিত করছে। যদি এরা তাওবা না করে এদের কপালে আরও লাঞ্চনা অপেক্ষা করছে, শুধু দেখতে থাকেন।
বাস, এতটুকুই বলার ছিলো। মাওলানা আতিকুল্লাহ সাহেবের একটা কথা মনে পড়ছে। উনি একবার আমায় বলেছিলো, যারা মুজা*হিদদের বিরোধিতা করতে থাকে, চাই বুঝে হোক বা না বুঝে, আল্লাহ এদের লাঞ্চিত করেই করে। চাই সে যত বড় কেউই হোক না কেন!
এটা হলো সামগ্রিক চিত্র। এর ব্যতিক্রমও আছে। জি*হা*দ, খে*লা*ফ*ত ইত্যাদি আলোচনা শুনলে এই শ্রেণীর শরীরে কাটা দিয়ে উঠে। যারা জি*হা*দ খে*লা*ফতের কথা বলে, তাদের বিরুদ্ধাচারণ করার নামে নোংরাভাবে জি*হা*দ ও খে*লা*ফতের বিধানগুলোকে এরা বিকৃত করে।
বগুরার শফি কাসেমি আর চরমোনাইয়ের নায়েবে আমীর আজাদ হলো এই কিসেমের। জি*হা*দ, খে*ল*তের কথা যারা এদেশে বলে, এদের নোংরা বিরোধিতা করা ছিলো এই দুজনের শিআর। আর শাকের শিবলি তো চিহ্নিত ফরিদ গংয়ের সদস্য৷
আল্লাহ এদের নোংরামি আজ স্পষ্ট করে দিয়েছে এবং এদেরকে লাঞ্চিত করছে। যদি এরা তাওবা না করে এদের কপালে আরও লাঞ্চনা অপেক্ষা করছে, শুধু দেখতে থাকেন।
বাস, এতটুকুই বলার ছিলো। মাওলানা আতিকুল্লাহ সাহেবের একটা কথা মনে পড়ছে। উনি একবার আমায় বলেছিলো, যারা মুজা*হিদদের বিরোধিতা করতে থাকে, চাই বুঝে হোক বা না বুঝে, আল্লাহ এদের লাঞ্চিত করেই করে। চাই সে যত বড় কেউই হোক না কেন!
👍18❤3😁2
ইসলামি ভূখণ্ডের কারাগার অপরাধী মুমিনের জন্য রহমত।
.
বাংলাদেশে সাধারণ মানুষ কারাগারে গেলে স*ত্রাস হয়ে বের হয়। আর স*ত্রস হলে বড় পদ নিয়ে বের হয়। ব্যতিক্রম খুব কমই হয়।
এদিকে ইমারতে ইসলামিয়া আফগানের কারাগারে বন্দিরা কুরআনের হাফেজ আর বিভিন্ন স্কিল শিখে বের হয়।
গতকালের নিউজ। লোগার প্রদেশের কেন্দ্রীয় কারাগারে মোট ৫৭ জন বন্দি কুরআনের কোর্স শেষ করেছেন। এরমধ্যে ২০ পুরুষ পুরো কুরআনের হিফজ শেষ করেছেন। আর বাকিরা কুরআন তিলাওয়াত শিখেছেন। এরমধ্যে ৭জন হলো নারী।
বিভিন্ন ইউটিউবারের ট্রাভেল ব্লগ ভিডিওতে আফগান কারাগারের চিত্র দেখে ঐদিন একজন মন্তব্য করলো, এদেশে স্বাধীন থাকার চেয়ে আফগানের কারাগারে থাকলে আরো ভালো ইসলাম পালন করতে পারতাম!
.
আফগান জেলের এই ভিডিওটা দেখে সিদ্ধান্ত নেন, জেলে থাকবেন না স্বাধীন!
https://youtu.be/Hs-POFwR2Fo?si=e-zFsKq68foidYv9
.
বাংলাদেশে সাধারণ মানুষ কারাগারে গেলে স*ত্রাস হয়ে বের হয়। আর স*ত্রস হলে বড় পদ নিয়ে বের হয়। ব্যতিক্রম খুব কমই হয়।
এদিকে ইমারতে ইসলামিয়া আফগানের কারাগারে বন্দিরা কুরআনের হাফেজ আর বিভিন্ন স্কিল শিখে বের হয়।
গতকালের নিউজ। লোগার প্রদেশের কেন্দ্রীয় কারাগারে মোট ৫৭ জন বন্দি কুরআনের কোর্স শেষ করেছেন। এরমধ্যে ২০ পুরুষ পুরো কুরআনের হিফজ শেষ করেছেন। আর বাকিরা কুরআন তিলাওয়াত শিখেছেন। এরমধ্যে ৭জন হলো নারী।
বিভিন্ন ইউটিউবারের ট্রাভেল ব্লগ ভিডিওতে আফগান কারাগারের চিত্র দেখে ঐদিন একজন মন্তব্য করলো, এদেশে স্বাধীন থাকার চেয়ে আফগানের কারাগারে থাকলে আরো ভালো ইসলাম পালন করতে পারতাম!
.
আফগান জেলের এই ভিডিওটা দেখে সিদ্ধান্ত নেন, জেলে থাকবেন না স্বাধীন!
https://youtu.be/Hs-POFwR2Fo?si=e-zFsKq68foidYv9
❤32😱4🥰1
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
জাতীয় মিম্বার থেকে...
.
গে*ন্দুরা তাদের পূজা নিজস্ব পরিমণ্ডলে পালন করবে। নাগরিক হিসেবে এটা তাদের অধিকার। তবে মুসলমানদের এটা মনে রাখতে হবে তাদের এই কাজ হলো শিরক। কেউ আচরণে বা উচ্চারণে যদি এই শিরককে ভালো বলে তাহলে সে কা*ফ*র হয়ে যাবে।
-খতিব মাওলানা আব্দুল মালেক দা.বা.
.
গে*ন্দুরা তাদের পূজা নিজস্ব পরিমণ্ডলে পালন করবে। নাগরিক হিসেবে এটা তাদের অধিকার। তবে মুসলমানদের এটা মনে রাখতে হবে তাদের এই কাজ হলো শিরক। কেউ আচরণে বা উচ্চারণে যদি এই শিরককে ভালো বলে তাহলে সে কা*ফ*র হয়ে যাবে।
-খতিব মাওলানা আব্দুল মালেক দা.বা.
❤39👍12🔥1👌1