Abdullah bin bashir
Photo
মুহতামিম হওয়ার যোগ্যতা ও মাপকাঠি
হানাফি ফুকাহায়ে কেরামের নিকট ওয়াকফের মুতাওয়াল্লি হওয়ার জন্য মৌলিকভাবে দুটি শর্ত-
১. আমানতদার ও বিশ্বস্ত হওয়া;
২. ওয়াকফের উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনগুলো ভালোভাবে বুঝে তা সর্বোত্তমভাবে সম্পাদন করার যোগ্যতা থাকা।
শর্ত দুটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যদি দুটি শর্তের কোনো একটি মুতাওয়াল্লির মাঝে অনুপস্থিত তাহলে তাকে দায়িত্ব দিয়ে ওয়াকফের কল্যাণ আশা করা বৃথা। বরং এতে উল্টো নানান ধরনের দীনি ও আখলাকি ক্ষতির আশংকা রয়েছে।
মুতাওয়াল্লি আমানতদার না হলে ওয়াকফের সম্পদে সে যে খিয়ানত করবে, তার ক্ষতি অবর্ণনীয়। আর যদি সে আমানতদার হয় ঠিক, তবে ওয়াকফের প্রয়োজন ও উদ্দেশ্যগুলো না বুঝে কিংবা বুঝে তবে সেগুলোকে বাস্তবায়ন করার যোগ্যতা না রাখে; তাহলে মুতাওয়াল্লি নিযুক্ত করার উদ্দেশ্যই অপূর্ণ থেকে যাবে। কারণ সে একটা অকার্যকর অঙ্গের মতো বেকার ও প্রভাবহীন হয়ে পড়ে থাকবে। ফলে এ ওয়াকফের কোনো উপকারিতা সমাজে পৌঁছোবে না। উল্টো ভবিষ্যতে ওয়াকফের এ ধারাবাহিকতা বন্ধ হয়ে যাওয়ারও সমূহ আশংকা রয়েছে।
তাই মাদরাসার মুহতামিম নিয়োগের ক্ষেত্রে এ দুটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। অর্থাৎ সে তার দৈনন্দিন যাপিত জীবন ও পারস্পরিক লেনদেনে আমানতদার হওয়া এবং জীবন চলার পথে কোনো প্রকার খিয়ানতের শিকার না হওয়া। তাহলে ভবিষ্যতে মাদরাসা সংক্রান্ত যেকেনো বিষয়ে তার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখা যাবে। পাশাপাশি খেয়াল রাখতে হবে, মাদরাসা প্রতিষ্ঠা, পরিচালনা ও মাদরাসা সংক্রান্ত যাবতীয় অভ্যন্তরীন ও বহিরাগত মুআমালা বুঝে সঠিকভাবে আঞ্জাম দেওয়ার মতো যোগ্যতা যেন তার থাকে। কারণ কেবল দীনদারি ও সুনাম-সুখ্যাতির দ্বারা মাদরাসার উদ্দেশ্য পূর্ণ হবে না।
এখন প্রশ্ন হলো, মাদরাসার তাকাজা ও প্রয়োজনগুলো কী কী? এ প্রশ্নের বিস্তারিত উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন প্রথমত এ কারণে নেই যে, যুগ ও পরিবেশভেদে প্রয়োজন বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। তাই এক্ষেত্রে 'দুয়ে দুয়ে চার'-এর মতো স্পষ্ট ও সুনির্ধারিত কোনো মূলনীতি নির্ধারণ করা বেশ জটিল এবং অনুপযোগীও। দ্বিতীয়ত, তাত্ত্বিকভাবে এ প্রশ্নের উত্তর খোঁজার পরিবর্তে প্রয়োজনের মুহূর্তে সার্বিক অবস্থা অবগত করে স্থানীয় হকপন্থী আলিমদের
হানাফি ফুকাহায়ে কেরামের নিকট ওয়াকফের মুতাওয়াল্লি হওয়ার জন্য মৌলিকভাবে দুটি শর্ত-
১. আমানতদার ও বিশ্বস্ত হওয়া;
২. ওয়াকফের উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনগুলো ভালোভাবে বুঝে তা সর্বোত্তমভাবে সম্পাদন করার যোগ্যতা থাকা।
শর্ত দুটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। যদি দুটি শর্তের কোনো একটি মুতাওয়াল্লির মাঝে অনুপস্থিত তাহলে তাকে দায়িত্ব দিয়ে ওয়াকফের কল্যাণ আশা করা বৃথা। বরং এতে উল্টো নানান ধরনের দীনি ও আখলাকি ক্ষতির আশংকা রয়েছে।
মুতাওয়াল্লি আমানতদার না হলে ওয়াকফের সম্পদে সে যে খিয়ানত করবে, তার ক্ষতি অবর্ণনীয়। আর যদি সে আমানতদার হয় ঠিক, তবে ওয়াকফের প্রয়োজন ও উদ্দেশ্যগুলো না বুঝে কিংবা বুঝে তবে সেগুলোকে বাস্তবায়ন করার যোগ্যতা না রাখে; তাহলে মুতাওয়াল্লি নিযুক্ত করার উদ্দেশ্যই অপূর্ণ থেকে যাবে। কারণ সে একটা অকার্যকর অঙ্গের মতো বেকার ও প্রভাবহীন হয়ে পড়ে থাকবে। ফলে এ ওয়াকফের কোনো উপকারিতা সমাজে পৌঁছোবে না। উল্টো ভবিষ্যতে ওয়াকফের এ ধারাবাহিকতা বন্ধ হয়ে যাওয়ারও সমূহ আশংকা রয়েছে।
তাই মাদরাসার মুহতামিম নিয়োগের ক্ষেত্রে এ দুটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখা আবশ্যক। অর্থাৎ সে তার দৈনন্দিন যাপিত জীবন ও পারস্পরিক লেনদেনে আমানতদার হওয়া এবং জীবন চলার পথে কোনো প্রকার খিয়ানতের শিকার না হওয়া। তাহলে ভবিষ্যতে মাদরাসা সংক্রান্ত যেকেনো বিষয়ে তার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখা যাবে। পাশাপাশি খেয়াল রাখতে হবে, মাদরাসা প্রতিষ্ঠা, পরিচালনা ও মাদরাসা সংক্রান্ত যাবতীয় অভ্যন্তরীন ও বহিরাগত মুআমালা বুঝে সঠিকভাবে আঞ্জাম দেওয়ার মতো যোগ্যতা যেন তার থাকে। কারণ কেবল দীনদারি ও সুনাম-সুখ্যাতির দ্বারা মাদরাসার উদ্দেশ্য পূর্ণ হবে না।
এখন প্রশ্ন হলো, মাদরাসার তাকাজা ও প্রয়োজনগুলো কী কী? এ প্রশ্নের বিস্তারিত উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন প্রথমত এ কারণে নেই যে, যুগ ও পরিবেশভেদে প্রয়োজন বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। তাই এক্ষেত্রে 'দুয়ে দুয়ে চার'-এর মতো স্পষ্ট ও সুনির্ধারিত কোনো মূলনীতি নির্ধারণ করা বেশ জটিল এবং অনুপযোগীও। দ্বিতীয়ত, তাত্ত্বিকভাবে এ প্রশ্নের উত্তর খোঁজার পরিবর্তে প্রয়োজনের মুহূর্তে সার্বিক অবস্থা অবগত করে স্থানীয় হকপন্থী আলিমদের
❤6👍1
আহকামে_মাদারেস_শর্ট_পিডিএফ.pdf
5.1 MB
আহকামে মাদারেসের শর্ট পিডিএফ। বইটা আপনারা অনেক অনেক প্রচার কইরেন। দরকার।
❤11
জামাতের কোটার এমপি মারদিয়া বা ছাত্রী উইংয়ের যারা এই বিশ্বাস করেন, ইসলামে মুসলিম নারীদের জন্য পোষাকে কোনো বাধ্যবাধকতা নাই, এবং এগুলো বিশ্বাসের জায়গা থেকে প্রচার করেন, তাদের উচিত নিজের বিশ্বাসের শুধু মৌখিক প্রচারক না হয়ে আমলে জীবনে এর প্রয়োগ দেখানো।
এটা তো হয় না, আপনি নারীদের হাফপ্যান্ট পড়ার পক্ষে কথা বলবেন কিন্তু নিজেরা শালীন পোষাক পড়ে ঘুরবেন।
মারদিয়া আপুর তো আর হাফপ্যান্ট পড়ার বয়স নাই, কিন্তু হিজাব আর বোরকাটা খুলে শাড়ি বা থ্রিপিস পড়ে সংসদে যান, ফটোশুট করেন৷ তবে যদি আপু মনে করেন, এখনো উনার সেই বয়স ও খাহেশ আছে, তাহলে তো আরো ভালো। আপনার মুখ ও কর্মের মিল দেখিয়ে শাহবাগীদের মুখবন্ধ করে দিন।
আর অন্যরা হাফপ্যান্ট আর টাইট গ্যাঞ্জি বা অন্যকিছু পড়ে খেলাধুলা ইত্যাদি করেন। এতে আল্লাহকে খুশি করার সাথে শাহবাগীরাও খুশি হবে। আপনাদের ক্ষমতায় যাওয়ার পথ সুগম হবে কারণ আপনারা মুখে যতই বলেন, আমল করে যদি মেয়েদের যেকোনো পোশাক পড়ার অধিকার ইসলামে আছে, সেটা প্রমাণ ক্ক্রে জায়েযের পক্ষে অবস্থান না নেন, শাহবাগি আর এলিট শ্রেণীরা আপনাদের জীবনেও বিশ্বাস করবে না৷
এটা তো হয় না, আপনি নারীদের হাফপ্যান্ট পড়ার পক্ষে কথা বলবেন কিন্তু নিজেরা শালীন পোষাক পড়ে ঘুরবেন।
মারদিয়া আপুর তো আর হাফপ্যান্ট পড়ার বয়স নাই, কিন্তু হিজাব আর বোরকাটা খুলে শাড়ি বা থ্রিপিস পড়ে সংসদে যান, ফটোশুট করেন৷ তবে যদি আপু মনে করেন, এখনো উনার সেই বয়স ও খাহেশ আছে, তাহলে তো আরো ভালো। আপনার মুখ ও কর্মের মিল দেখিয়ে শাহবাগীদের মুখবন্ধ করে দিন।
আর অন্যরা হাফপ্যান্ট আর টাইট গ্যাঞ্জি বা অন্যকিছু পড়ে খেলাধুলা ইত্যাদি করেন। এতে আল্লাহকে খুশি করার সাথে শাহবাগীরাও খুশি হবে। আপনাদের ক্ষমতায় যাওয়ার পথ সুগম হবে কারণ আপনারা মুখে যতই বলেন, আমল করে যদি মেয়েদের যেকোনো পোশাক পড়ার অধিকার ইসলামে আছে, সেটা প্রমাণ ক্ক্রে জায়েযের পক্ষে অবস্থান না নেন, শাহবাগি আর এলিট শ্রেণীরা আপনাদের জীবনেও বিশ্বাস করবে না৷
❤18👍7👌4😁3
গনতন্ত্রের প্রত্যেকটা শাখাকে ইনিয়েবিনিয়ে জায়েয বানানো হলো, স্পষ্ট ভাষায় বলা হলো, গণতন্ত্রের মধ্যে থেকেই দ্বীন কায়েমের চেষ্টা করতে হবে, ভিন্নকিছু ফিতনা, এই সবকিছু করার পর কওমীরা কেনো জামাতে যোগ দিচ্ছে, এই পেরেশানিটাই কাছে বেশ আজগবি লাগে!
গণতন্ত্রের সবই যদি বৈধই হয়, তাহলে ইসলামের নামে গণতন্ত্রের শিরোনামে সবচেয়ে সফল দল জামাতের প্রতি ঝুকবে না কেন পোলাপান?
গণতন্ত্রের নোংরামিতে হাত তো সুযোগ পেলে সবাই ময়লা করে, জামাত হয়তো তুলনামূলক বেশি করে, এতটুকুই তো? তাহলে কতক হুজুরদের লেখনী অনুযায়ী গণতন্ত্রের মাধ্যমে দ্বীন প্রতিষ্ঠা বা রাজনৈতিক দায়িত্বপালন করতে ইচ্ছুক তালেবে ইলমের জন্য উত্তম আদর্শ আসলে কোন ইসলামি দলে?
গণতন্ত্রের সবই যদি বৈধই হয়, তাহলে ইসলামের নামে গণতন্ত্রের শিরোনামে সবচেয়ে সফল দল জামাতের প্রতি ঝুকবে না কেন পোলাপান?
গণতন্ত্রের নোংরামিতে হাত তো সুযোগ পেলে সবাই ময়লা করে, জামাত হয়তো তুলনামূলক বেশি করে, এতটুকুই তো? তাহলে কতক হুজুরদের লেখনী অনুযায়ী গণতন্ত্রের মাধ্যমে দ্বীন প্রতিষ্ঠা বা রাজনৈতিক দায়িত্বপালন করতে ইচ্ছুক তালেবে ইলমের জন্য উত্তম আদর্শ আসলে কোন ইসলামি দলে?
❤28👍14
“আকিমুদ্দিন” বা দ্বীন কায়েম বিষয়ক জামাত যে ব্যাখ্যা করে বা এর জন্য যে কর্মপন্থা অবলম্বন করে সেটা অবশ্যই ভুল।
ইসলামের শিরোনামে অন্যান্য রাজনৈতিক দল দ্বীন কায়েমের যে ব্যাখ্যা করে বা পদ্ধতি অবলম্বন করে তা কী সঠিক?
যদি দ্বিতীয় দলেরটা সঠিক হয়, তাহলে সেটা সঠিক কেনো আর জামাতেরটাই ভুল কেন? আর যদি উভয় দলেরটা ভুল হয় তাহলে উম্মতকে এর সঠিক ব্যাখ্যা ও সঠিক কর্মপদ্ধতি জানানো তো আবশ্যক হবে।
কোনোরকম ইবহাম ও ইহাম না রেখে আলোচনা স্পষ্ট হলেও ভালো হয়। এটা সবার জন্যই উচিত।
ইসলামের শিরোনামে অন্যান্য রাজনৈতিক দল দ্বীন কায়েমের যে ব্যাখ্যা করে বা পদ্ধতি অবলম্বন করে তা কী সঠিক?
যদি দ্বিতীয় দলেরটা সঠিক হয়, তাহলে সেটা সঠিক কেনো আর জামাতেরটাই ভুল কেন? আর যদি উভয় দলেরটা ভুল হয় তাহলে উম্মতকে এর সঠিক ব্যাখ্যা ও সঠিক কর্মপদ্ধতি জানানো তো আবশ্যক হবে।
কোনোরকম ইবহাম ও ইহাম না রেখে আলোচনা স্পষ্ট হলেও ভালো হয়। এটা সবার জন্যই উচিত।
❤23🔥11
দার সংক্রান্ত বইটি নিয়ে প্রথম রিভিউ। মাওলানা যুবায়ের ভাই এর আগেও আমার প্রকাশিত দুটো বই নিয়ে সর্বপ্রথম পড়ে রিভিউ দেন।
আমার ব্যাপারে ভাইয়ের নেক ধারণা আল্লাহ কবুল করুন। আমীন।
https://www.facebook.com/share/p/1AoEnMNtA4/
আমার ব্যাপারে ভাইয়ের নেক ধারণা আল্লাহ কবুল করুন। আমীন।
https://www.facebook.com/share/p/1AoEnMNtA4/
❤8
পশ্চিমা সভ্যতা আধুনিকতার নামে মানবজাতিকে মুক্তি ও উন্নতির স্বপ্ন দেখালেও, এর ভেতর লুকিয়ে আছে এক ভয়াবহ ফাঁদ—কুফর, ঈমানবিধ্বংসী দর্শন এবং মানবতার সর্বনাশী জীবনবোধ। এই সভ্যতার মূল মতবাদগুলো শুধু মুসলিম সমাজের ঈমান, চরিত্র ও সংস্কৃতিকে ধ্বংস করছে না, বরং পুরো মানব সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আজ বিশ্বজুড়ে মানুষের অন্তর শূন্য, পরিবার ভাঙনের পথে, নৈতিকতা পদদলিত, আর মানব জাতি এক নিকৃষ্ট নোংরামি ও পশুত্বে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে।
এই বইয়ে উন্মোচন করা হয়েছে—
*পশ্চিমা সভ্যতার জীবনদর্শন পুরোটাই কুফরি দর্শন।
*ইসলামের সাথে এর মৌলিক দ্বন্দ্ব ও সহাবস্থানের চূড়ান্ত অসম্ভবতা।
*মুসলিম সমাজ ও সমগ্র মানব জাতির ওপর এর ভয়াবহ প্রভাব ও বিপর্যয়কর পরিণতি।
বইটি কোনো মুক্তিরপথ নয়, বরং একটি জাগরণী শঙ্খধ্বনি, একটি সতর্কবার্তা। এতে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে যে, ইসলাম ও কুফরের এ দ্বন্দ্ব কোনোদিন এক পথে চলতে পারে না।
বই: ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা
লেখক: আব্দুল্লাহ বিন বশির
মূল্য: ৩৩০৳ (৩০% ছাড়ে!)
এই বইয়ে উন্মোচন করা হয়েছে—
*পশ্চিমা সভ্যতার জীবনদর্শন পুরোটাই কুফরি দর্শন।
*ইসলামের সাথে এর মৌলিক দ্বন্দ্ব ও সহাবস্থানের চূড়ান্ত অসম্ভবতা।
*মুসলিম সমাজ ও সমগ্র মানব জাতির ওপর এর ভয়াবহ প্রভাব ও বিপর্যয়কর পরিণতি।
বইটি কোনো মুক্তিরপথ নয়, বরং একটি জাগরণী শঙ্খধ্বনি, একটি সতর্কবার্তা। এতে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে যে, ইসলাম ও কুফরের এ দ্বন্দ্ব কোনোদিন এক পথে চলতে পারে না।
বই: ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা
লেখক: আব্দুল্লাহ বিন বশির
মূল্য: ৩৩০৳ (৩০% ছাড়ে!)
❤13👍3
আমি আলোচনা করতে গেলে একটা ঝামেলা বাধে হলো মুখে ফিল্টার তেমন থাকে না। আপনজন কয়েকজন সামনে দেখলে মনে হয় উনারা তো কথা বুঝবেনই! যার কারণে অনেক কথা হেসে বলে ফেলি, আবার অনেক কথা ইঙ্গিতে বলে ফেলি। পরে যখন শুনি তখন মাথায় হাত এসে যায়, এগুলো কী বললাম, বলাটা তো দরকার ছিলো না।
যাইহোক, দারুল ইসলাম ও দারুল হারব বইটি নিয়ে কিছুদিন আগে আলোচনা করেছি।
সেটাও এমনই হয়েছে, এখন শুনলে নিজের কাছেই কেমন যেনো লাগে!
https://youtu.be/xoVOACsPd4I?si=HOPU2eFu8o3uayyd
যাইহোক, দারুল ইসলাম ও দারুল হারব বইটি নিয়ে কিছুদিন আগে আলোচনা করেছি।
সেটাও এমনই হয়েছে, এখন শুনলে নিজের কাছেই কেমন যেনো লাগে!
https://youtu.be/xoVOACsPd4I?si=HOPU2eFu8o3uayyd
YouTube
গ্রন্থালোচনা: দারুল ইসলাম ও দারুল হারব || মাওলানা আবদুল্লাহ বিন বশির || The Book Forum
দারুল ইসলাম ও দারুল হারবকে শুধু জিহাদের অধ্যায়ের কিছু পরিভাষা হিসেবে দেখলে আলোচনাটি অসম্পূর্ণ থেকে যায়। ফিকহের বিস্তৃত কাঠামোর সঙ্গে এই ধারণাগুলোর সম্পর্ক কোথায়, আর রাসূল ﷺ-এর যুগে পরিভাষাগুলো ব্যবহৃত না হলেও পরবর্তী ফুকাহারা কেন এগুলোকে ফিকহের আলোচনায় এনেছেন?…
❤11
❤6
Abdullah bin bashir
Photo
‘ধর্ম প্রত্যেকের ব্যক্তিগত বিষয়' কথাটির উপর্যুক্ত ফলাফল থেকে অবশ্যম্ভাবী আরেকটি ফলাফল বেরিয়ে আসে-সামাজিক জীবনে নেকি ও গুনাহ সমপর্যায়ের। অর্থাৎ নেকি কামানো বা গুনাহে লিপ্ত হওয়া সামাজিক জীবনে একটি অনর্থক আলাপ!
নেকি ও গুনাহ সত্তাগতভাবে কোনো বিষয় নয়; বরং প্রত্যেকের জীবনে যে যেটাই গ্রহণ করুক, উভয়টি সমাজজীবনে সমস্তরের।
সেক্যুলার রাষ্ট্রে একজন মানুষ কুরআনের হাফেজ হয়ে আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়ে এলে যেমন সম্মানের অধিকারী হয়ে রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা পেতে পারে, তেমনি কোনো নারী বেহায়াপনার সর্বোচ্চ কোনো মডেল শোতে পুরস্কার জিতে এলে সেও রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা পেতে পারে।
সমাজ ও রাষ্ট্রের দৃষ্টিতে এখানে কোন কাজটি নেকি আর কোনটি গুনাহ, সেটা দেখার বিষয় নয়। আর নেকি ও গুনাহের ভিত্তিতে কাউকে রাষ্ট্র সম্মান করা ও অসম্মান করার অর্থই হলো, ধর্মকে ব্যক্তি পরিসর থেকে বের করে এনে সামাজিকভাবে আলাদা মূল্যায়ন করা, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র যা করার অধিকার রাখে না। পৃথিবীর প্রতিটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের চিত্র এটিই। প্রতিবছর নায়ক-নায়িকা-গায়িকাদের জাতীয় পুরস্কারে ভূষিত করছে, আবার আলেমদেরও দেশের প্রচার-প্রসার কাজে অবদান রাখার কীর্তিস্বরূপ রাষ্ট্রীয় সম্মানে কৃতার্থ করছে। এই নীতি কুরআনের নিম্নোক্ত আয়াতের সম্পূর্ণ বিপরীত,
وَلَا تَسْتَوِي الْحَسَنَةُ وَلَا السَّيِّئَةُ
ভালো ও মন্দ সমান নয়।
সুতরাং এই নীতিকে স্বীকার করার অর্থ হলো কুরআনের এ-জাতীয় সকল আয়াত অস্বীকার করা।
.
ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা: দুই জীবনদর্শনের সংঘাত
অধ্যায় : সেক্যুলারিজম
নেকি ও গুনাহ সত্তাগতভাবে কোনো বিষয় নয়; বরং প্রত্যেকের জীবনে যে যেটাই গ্রহণ করুক, উভয়টি সমাজজীবনে সমস্তরের।
সেক্যুলার রাষ্ট্রে একজন মানুষ কুরআনের হাফেজ হয়ে আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়ে এলে যেমন সম্মানের অধিকারী হয়ে রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা পেতে পারে, তেমনি কোনো নারী বেহায়াপনার সর্বোচ্চ কোনো মডেল শোতে পুরস্কার জিতে এলে সেও রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা পেতে পারে।
সমাজ ও রাষ্ট্রের দৃষ্টিতে এখানে কোন কাজটি নেকি আর কোনটি গুনাহ, সেটা দেখার বিষয় নয়। আর নেকি ও গুনাহের ভিত্তিতে কাউকে রাষ্ট্র সম্মান করা ও অসম্মান করার অর্থই হলো, ধর্মকে ব্যক্তি পরিসর থেকে বের করে এনে সামাজিকভাবে আলাদা মূল্যায়ন করা, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র যা করার অধিকার রাখে না। পৃথিবীর প্রতিটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের চিত্র এটিই। প্রতিবছর নায়ক-নায়িকা-গায়িকাদের জাতীয় পুরস্কারে ভূষিত করছে, আবার আলেমদেরও দেশের প্রচার-প্রসার কাজে অবদান রাখার কীর্তিস্বরূপ রাষ্ট্রীয় সম্মানে কৃতার্থ করছে। এই নীতি কুরআনের নিম্নোক্ত আয়াতের সম্পূর্ণ বিপরীত,
وَلَا تَسْتَوِي الْحَسَنَةُ وَلَا السَّيِّئَةُ
ভালো ও মন্দ সমান নয়।
সুতরাং এই নীতিকে স্বীকার করার অর্থ হলো কুরআনের এ-জাতীয় সকল আয়াত অস্বীকার করা।
.
ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা: দুই জীবনদর্শনের সংঘাত
অধ্যায় : সেক্যুলারিজম
❤21😢6🔥2👌1
জীবনে প্রথমবারের মত সফলভাবে ঘটকালীর কাজ করলাম। আলহামদুলিল্লাহ।
অবিবাহিত যুবক ভাইয়েরা! কীসে তোমায় আমার মুরিদ হতে বাধা দিচ্ছে?
সুতরাং, অবিবাহিত যুবকেরা, ইমেলে বায়োডাটা দিয়ে বিকাশে নক করবা। তারপর দেখা করতে আসবা।
অবিবাহিত যুবক ভাইয়েরা! কীসে তোমায় আমার মুরিদ হতে বাধা দিচ্ছে?
সুতরাং, অবিবাহিত যুবকেরা, ইমেলে বায়োডাটা দিয়ে বিকাশে নক করবা। তারপর দেখা করতে আসবা।
😁21👎5🥴3👍1😢1
এবার বইমেলায় অনেকেই আমার অনূদিত দার সংক্রান্ত বইটি সংগ্রহ করেছেন। অনেকে মেলায় স্টলে দেখা করে তারপর বই নিয়েছেন। সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। এমন ভারী টপিকের বই এত এত মানুষ সংগ্রহ করবেন তা আমি ধারণা করিনি।
সাধারণত যখনই কোনো মাদরাসার তালেবে ইলম বইটি সংগ্রহ করে আমার থেকে দোয়া বাক্য লেখিয়ে নিতে এসেছে, জিজ্ঞাসা করেছি, কোন জামাতের ছাত্র। যাদেরকে শরহে বেকায়ার নীচে পেয়েছি—সংখ্যাটা অবশ্যই অনেক অল্প—স্পষ্ট করেই বলেছি, এখন কেনো এই বই সংগ্রহ করছেন? এগুলো কী এখনই পড়ার সময়? এখন তো মৌলিক ইস্তেদাদের সময়।
আলহামদুলিল্লাহ, অনেকেই বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন। অনেককে সাথে সাথে বইটি ফিরত নেওয়ার ব্যবস্থা করে অন্য জরুরি বই সংগ্রহের জন্য বলেছি।
প্রকাশক কয়েকবারই আঁড়চোখে তাকিয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ, একবারের জন্যও কিছু বলেনি। এজন্য আমি তার শোকরগুজার।
প্রতিটি বই বিক্রি হলে আমি পার্সেন্টেজ লাভ পাবো, তারপরও এই কাজগুলো কেনো করলাম বা কেনো নিয়মিত করি?
কারণ, আমি চাই না, আমাদের এই অল্প সংখ্যক পাঠকগুলো নষ্ট হোক।
পাঠক নষ্ট হওয়ার অনেকগুলো কারণের একটি অন্যতম হলো অপ্রয়োজনীয় বা এখন প্রয়োজন নেই এমন বই সংগ্রহ করা। যখন বইয়ের পিছনে আপনার অনেক টাকা চলে যায়, কিন্তু বইগুলো আপনার তেমন কাজে আসে না, তখন পাঠক সামনে বই সংগ্রহের আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।
আরেকটি বিষয় হলো, দার সংক্রান্ত বলেন বা আধুনিক পশ্চিমা সভ্যতার সমস্যাগুলো বলেন, আমরা চাই এগুলো তালেবে ইলমরা বাসিরাতের সাথে বুঝুক, জযবার সাথে না৷ আর বাসিরাতের সাথে বুঝা তখনই সম্ভব, যখন ইলমি ইসতিদাদ মজবুত হবে।
আল্লাহ আমাদের এই ক্ষুদ্র বইয়ের জগতটিকে টিকিয়ে রাখুক।
সাধারণত যখনই কোনো মাদরাসার তালেবে ইলম বইটি সংগ্রহ করে আমার থেকে দোয়া বাক্য লেখিয়ে নিতে এসেছে, জিজ্ঞাসা করেছি, কোন জামাতের ছাত্র। যাদেরকে শরহে বেকায়ার নীচে পেয়েছি—সংখ্যাটা অবশ্যই অনেক অল্প—স্পষ্ট করেই বলেছি, এখন কেনো এই বই সংগ্রহ করছেন? এগুলো কী এখনই পড়ার সময়? এখন তো মৌলিক ইস্তেদাদের সময়।
আলহামদুলিল্লাহ, অনেকেই বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন। অনেককে সাথে সাথে বইটি ফিরত নেওয়ার ব্যবস্থা করে অন্য জরুরি বই সংগ্রহের জন্য বলেছি।
প্রকাশক কয়েকবারই আঁড়চোখে তাকিয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ, একবারের জন্যও কিছু বলেনি। এজন্য আমি তার শোকরগুজার।
প্রতিটি বই বিক্রি হলে আমি পার্সেন্টেজ লাভ পাবো, তারপরও এই কাজগুলো কেনো করলাম বা কেনো নিয়মিত করি?
কারণ, আমি চাই না, আমাদের এই অল্প সংখ্যক পাঠকগুলো নষ্ট হোক।
পাঠক নষ্ট হওয়ার অনেকগুলো কারণের একটি অন্যতম হলো অপ্রয়োজনীয় বা এখন প্রয়োজন নেই এমন বই সংগ্রহ করা। যখন বইয়ের পিছনে আপনার অনেক টাকা চলে যায়, কিন্তু বইগুলো আপনার তেমন কাজে আসে না, তখন পাঠক সামনে বই সংগ্রহের আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।
আরেকটি বিষয় হলো, দার সংক্রান্ত বলেন বা আধুনিক পশ্চিমা সভ্যতার সমস্যাগুলো বলেন, আমরা চাই এগুলো তালেবে ইলমরা বাসিরাতের সাথে বুঝুক, জযবার সাথে না৷ আর বাসিরাতের সাথে বুঝা তখনই সম্ভব, যখন ইলমি ইসতিদাদ মজবুত হবে।
আল্লাহ আমাদের এই ক্ষুদ্র বইয়ের জগতটিকে টিকিয়ে রাখুক।
❤24
মেধাবী আলেমদের বিশেষ করে ফারাগাতের পর দীর্ঘ সময় আহলে ইলম ও আহলে দিল মনীষীদের সোহবত গ্রহণ করা উচিত।
পাশাপাশি নিয়মিত নির্বাচিত মুতালা অব্যাহত রাখা জরুরি। বিশেষ করে যে যেই ময়দানে কাজ করছে অন্তত সেই বিষয়ে।
নিজেকে সোহবত, পরামর্শ ও মুতালার উর্ধ্বে মনে করলে কোত্থেকে যে বিচ্যুতি চলে আসে টেরই পাওয়া যায় না। ব্যক্তি নিজেও টের পায় না। তার অনুসারীরাও না।
আমরা সোহবতও হারিয়েছি। মুতালাও করছি না। আরো ভয়ঙ্কর হলো, কোনটারই প্রয়োজন অনুভব করি না। চারপাশে ইলমের নানা আয়োজন ও আহলে ইলমের মুবারক উপস্থিতি অথচ আমরা নির্বিকার - এ আচরণ ভোগাবে আমাদের। ব্যক্তিজীবনেও, জাতীয় পর্যায়েও।
©মাওলানা সাইফুল ইসলাম
পাশাপাশি নিয়মিত নির্বাচিত মুতালা অব্যাহত রাখা জরুরি। বিশেষ করে যে যেই ময়দানে কাজ করছে অন্তত সেই বিষয়ে।
নিজেকে সোহবত, পরামর্শ ও মুতালার উর্ধ্বে মনে করলে কোত্থেকে যে বিচ্যুতি চলে আসে টেরই পাওয়া যায় না। ব্যক্তি নিজেও টের পায় না। তার অনুসারীরাও না।
আমরা সোহবতও হারিয়েছি। মুতালাও করছি না। আরো ভয়ঙ্কর হলো, কোনটারই প্রয়োজন অনুভব করি না। চারপাশে ইলমের নানা আয়োজন ও আহলে ইলমের মুবারক উপস্থিতি অথচ আমরা নির্বিকার - এ আচরণ ভোগাবে আমাদের। ব্যক্তিজীবনেও, জাতীয় পর্যায়েও।
©মাওলানা সাইফুল ইসলাম
❤32👍11
আমার কাছের এক আত্মীয় অনলাইন বিজনেস শুরু করেছে। কুয়েত থেকে বেশকিছু অরজিনাল প্রডাক্ট দিয়ে শুরু করেছে।
যাদের এগুলোতে আগ্রহ আছে, দেখতে পারেন। আমাদের বাসার জন্য দুটো প্রডাক্ট নিয়েছি, বেশ ভালোই।
https://www.facebook.com/share/1YfEXtDGxG/
যাদের এগুলোতে আগ্রহ আছে, দেখতে পারেন। আমাদের বাসার জন্য দুটো প্রডাক্ট নিয়েছি, বেশ ভালোই।
https://www.facebook.com/share/1YfEXtDGxG/
❤12