ওয়াফি বা রকমারির বিরুদ্ধে বয়কটের ডাক দেওয়াকে সঠিক মনে করি না।
ওয়াফি বা রকমারির বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ক্ষোভ দেখিয়ে তাদের অনর্থক শত্রু বানানোকেও সঠিক মনে করি না।
ওয়াফি বা রকমারি কেউ আমাদের মৌলিক শত্রু না। বরং ক্ষেত্রবিশেষ তারা আমাদের সহযোগি। একটা সেকুলার রাষ্ট্রে তারা কাজ করে। তাদের অপারগতার বিষয়টিকে আমরা ভুলে গেলে চলবে না।
হাঁ, তারা একটা সাধারণ কোথাকার কোন ভুঁইফোড় নিউজপোর্টালের আলোচনায় এভাবে নত হবে এটা কাঙ্ক্ষিত না। বরং তাদের এখানে আইনীভাবে বলার মত বহুকিছুই ছিলো।
আমাদের উচিত হলো অন্যান্য ছোট ছোট বইয়ের অনলাইন শপগুলোকে শক্তিশালী করা। যেনো আমাদের কাছে বিভিন্ন অপশন থাকে। ঐ ছোটরাও বড় হয়ে ধোকাবাজ ও খোদার আসনে বসা সেকুলার রাষ্ট্রের তোপে পড়লে অন্যান্য ছোটদের এগিয়ে নিবো। এভাবে আমাদের কাজগুলো এগিয়ে নিতে হবে।
ওয়াফি বা রকমারির বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ক্ষোভ দেখিয়ে তাদের অনর্থক শত্রু বানানোকেও সঠিক মনে করি না।
ওয়াফি বা রকমারি কেউ আমাদের মৌলিক শত্রু না। বরং ক্ষেত্রবিশেষ তারা আমাদের সহযোগি। একটা সেকুলার রাষ্ট্রে তারা কাজ করে। তাদের অপারগতার বিষয়টিকে আমরা ভুলে গেলে চলবে না।
হাঁ, তারা একটা সাধারণ কোথাকার কোন ভুঁইফোড় নিউজপোর্টালের আলোচনায় এভাবে নত হবে এটা কাঙ্ক্ষিত না। বরং তাদের এখানে আইনীভাবে বলার মত বহুকিছুই ছিলো।
আমাদের উচিত হলো অন্যান্য ছোট ছোট বইয়ের অনলাইন শপগুলোকে শক্তিশালী করা। যেনো আমাদের কাছে বিভিন্ন অপশন থাকে। ঐ ছোটরাও বড় হয়ে ধোকাবাজ ও খোদার আসনে বসা সেকুলার রাষ্ট্রের তোপে পড়লে অন্যান্য ছোটদের এগিয়ে নিবো। এভাবে আমাদের কাজগুলো এগিয়ে নিতে হবে।
❤36💯6👍4
আমার “মুসলিম-অমুসলিম” বইটি যারা পড়েছেন তাদের প্রায় সকলেই বলেছেন, মূল বইয়ের সাথে সাথে আমার টীকাগুলো থেকেও তারা উপকৃত হয়েছেন।
এবারের অনূদিত “দারুল ইসলাম...” বইটির টীকা থেকে ইনশাআল্লাহ আরো বেশি উপকৃত হবেন বলেই আমার ধারণা।
এবারে বেশকিছু দীর্ঘ টীকা যুক্ত করেছি, যেগুলো বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে ভাবনার জন্য অত্যন্ত সহযোগী হবে বলেই আমি মনে করি।
ইনশাআল্লাহ, আগামীকাল নতুন বইটি নিয়ে দেখা হবে এবং কথা হবে।
এবারের অনূদিত “দারুল ইসলাম...” বইটির টীকা থেকে ইনশাআল্লাহ আরো বেশি উপকৃত হবেন বলেই আমার ধারণা।
এবারে বেশকিছু দীর্ঘ টীকা যুক্ত করেছি, যেগুলো বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে ভাবনার জন্য অত্যন্ত সহযোগী হবে বলেই আমি মনে করি।
ইনশাআল্লাহ, আগামীকাল নতুন বইটি নিয়ে দেখা হবে এবং কথা হবে।
❤27
শামাদানের কয়েকজন ভাই কীভাবে যেনো মেলায় খুজে বের করে এক কপি হাদিয়া দিয়ে গেলো। অনেক ইচ্ছে ছিলো তাদেরকে বলি, ভাই এই কপি আমি টাকা দিয়ে হাদিয়া নেই। কিন্তু শরমে বলতে পারিনি।
নিজেদের আত্মপরিচয় ঠিক রেখে এবং মৌলিক ইলমি ইস্তেদাদের প্রতি লক্ষ্য রেখে ছাত্র যামানায় এই ধরনের ছোট ছোট বিষয়ের সাথে যুক্ত থাকাকে আমি অনেক কল্যাণকর মনে করি। সময় নষ্ট না করে এধরণের ছোট ছোট পত্রিকাগুলোতে লেখা দেওয়া, ম্যানেজমেন্ট করে এমন একটি পত্রিকা বের করা, এগুলো স্বতন্ত্র যোগ্যতা, যা তালেবে ইলমদের জন্য আমি জরুরি মনে করি। এগুলো কর্মজীবনে, দাওয়াতি জীবনে অনেক কাজে লাগে।
ছাত্র যামানায় যদি আমি এমন কোনো সার্কেল পেতাম, তাহলে হয়তো লেখালেখির হাতটা আরো অনেক শক্তিশালী হতো! যাইহোক, আল্লাহ হয়তো এতেই খায়ের রেখেছেন।
শামাদারের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের কাছেই আবেদন, লেখালেখির এই চর্চাকে আরো শক্তিশালী করুন। “ভালো লেখতে পারেন” এমন ভেবে কোথাও থেমে যাইয়েন না। আল্লাহ আপনাদের কবুল করুন। আমীন।
নিজেদের আত্মপরিচয় ঠিক রেখে এবং মৌলিক ইলমি ইস্তেদাদের প্রতি লক্ষ্য রেখে ছাত্র যামানায় এই ধরনের ছোট ছোট বিষয়ের সাথে যুক্ত থাকাকে আমি অনেক কল্যাণকর মনে করি। সময় নষ্ট না করে এধরণের ছোট ছোট পত্রিকাগুলোতে লেখা দেওয়া, ম্যানেজমেন্ট করে এমন একটি পত্রিকা বের করা, এগুলো স্বতন্ত্র যোগ্যতা, যা তালেবে ইলমদের জন্য আমি জরুরি মনে করি। এগুলো কর্মজীবনে, দাওয়াতি জীবনে অনেক কাজে লাগে।
ছাত্র যামানায় যদি আমি এমন কোনো সার্কেল পেতাম, তাহলে হয়তো লেখালেখির হাতটা আরো অনেক শক্তিশালী হতো! যাইহোক, আল্লাহ হয়তো এতেই খায়ের রেখেছেন।
শামাদারের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের কাছেই আবেদন, লেখালেখির এই চর্চাকে আরো শক্তিশালী করুন। “ভালো লেখতে পারেন” এমন ভেবে কোথাও থেমে যাইয়েন না। আল্লাহ আপনাদের কবুল করুন। আমীন।
❤40👍4🥰1
Abdullah bin bashir
Photo
দার-সংক্রান্ত আলোচনার গুরুত্ব ও উপকারিতা
সাধারণ মানুষ তো সাধারণ মানুষই। বহু আলেমও সাধারণভাবে মনে করেন যে, বর্তমানে দার-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করার তেমন কোনো ফায়দা নেই।
তাদের দৃষ্টিভঙ্গি হলো, অন্যান্য "উপকারী ইলমি বিষয়গুলো"-কেই আলোচনা ও তাহকিকের বিষয় বানানো উচিত। ফলে আলোচ্য বিষয়টির যথেষ্ট জরুরত ও প্রয়োজনীয়তা থাকা সত্ত্বেও সময়ের প্রয়োজনীয়তা ও এর বাস্তবিক প্রয়োগ, এই দৃষ্টিকোণ থেকে উল্লেখযোগ্য কোনো কাজ হয়নি। বাস্তবতা হলো, দার-সংক্রান্ত আলোচনাকে গুরুত্বহীন মনে করা একটি মারাত্মক ভুল ধারণা, যা মূলত পরিবেশের প্রভাবজাত।
আলোচ্য বিষয়ের গুরুত্ব বোঝার জন্য কয়েকটি কথাই যথেষ্ট,
১। ইসলামের অসংখ্য বিধান দার-সংক্রান্ত মাসআলার সঠিক প্রয়োগের ওপর নির্ভরশীল। এক কথায় বলা যায়, শরিয়তের গুরুত্বপূর্ণ অনেক আমলই দার-সংক্রান্ত বিধানের যথাযথ বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করে।
২। ফিকহের কিতাবসমূহের অসংখ্য অধ্যায়-বিশেষত "সিয়ার” ও "মাগাজি”-সঠিকভাবে বুঝতে হলে দার-সংক্রান্ত মাসআলার গভীর জ্ঞান অপরিহার্য। অর্থাৎ, দ্বীনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু অংশের সঠিক ইলম ও অনুধাবন মূলত দার-সংক্রান্ত বিধানের যথাযথ প্রয়োগ ও বুঝের ওপরই নির্ভরশীল।
৩। কোন যুগে কোন কোন অঞ্চলে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত ছিল? সেখানে ইসলামের দাওয়াত কীভাবে পৌঁছেছিল? ইসলাম কীভাবে বিজয়ী ও কার্যকর শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিল? আবার কোন কোন অঞ্চল এই মহান নেয়ামত ও সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত ছিল এবং কেন বঞ্চিত ছিল?- এসব বিষয়-সহ এ ধরনের আরও বহু বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করা যায়। এটি ইতিহাস-সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা, যা নিজেই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও মনোযোগের দাবিদার।
বই: দারুল ইসলাম ও দারুল হারব
লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান
অনুবাদ: আব্দুল্লাহ বিন বশির
মূল্য: ১৯৮৳ (২৫%) ছাড়ে!
অর্ডার করতে ভিজিট করুন আমাদের সহ যে কোন অনলাইন প্লাটফর্মে
সাধারণ মানুষ তো সাধারণ মানুষই। বহু আলেমও সাধারণভাবে মনে করেন যে, বর্তমানে দার-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করার তেমন কোনো ফায়দা নেই।
তাদের দৃষ্টিভঙ্গি হলো, অন্যান্য "উপকারী ইলমি বিষয়গুলো"-কেই আলোচনা ও তাহকিকের বিষয় বানানো উচিত। ফলে আলোচ্য বিষয়টির যথেষ্ট জরুরত ও প্রয়োজনীয়তা থাকা সত্ত্বেও সময়ের প্রয়োজনীয়তা ও এর বাস্তবিক প্রয়োগ, এই দৃষ্টিকোণ থেকে উল্লেখযোগ্য কোনো কাজ হয়নি। বাস্তবতা হলো, দার-সংক্রান্ত আলোচনাকে গুরুত্বহীন মনে করা একটি মারাত্মক ভুল ধারণা, যা মূলত পরিবেশের প্রভাবজাত।
আলোচ্য বিষয়ের গুরুত্ব বোঝার জন্য কয়েকটি কথাই যথেষ্ট,
১। ইসলামের অসংখ্য বিধান দার-সংক্রান্ত মাসআলার সঠিক প্রয়োগের ওপর নির্ভরশীল। এক কথায় বলা যায়, শরিয়তের গুরুত্বপূর্ণ অনেক আমলই দার-সংক্রান্ত বিধানের যথাযথ বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করে।
২। ফিকহের কিতাবসমূহের অসংখ্য অধ্যায়-বিশেষত "সিয়ার” ও "মাগাজি”-সঠিকভাবে বুঝতে হলে দার-সংক্রান্ত মাসআলার গভীর জ্ঞান অপরিহার্য। অর্থাৎ, দ্বীনের গুরুত্বপূর্ণ কিছু অংশের সঠিক ইলম ও অনুধাবন মূলত দার-সংক্রান্ত বিধানের যথাযথ প্রয়োগ ও বুঝের ওপরই নির্ভরশীল।
৩। কোন যুগে কোন কোন অঞ্চলে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত ছিল? সেখানে ইসলামের দাওয়াত কীভাবে পৌঁছেছিল? ইসলাম কীভাবে বিজয়ী ও কার্যকর শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিল? আবার কোন কোন অঞ্চল এই মহান নেয়ামত ও সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত ছিল এবং কেন বঞ্চিত ছিল?- এসব বিষয়-সহ এ ধরনের আরও বহু বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করা যায়। এটি ইতিহাস-সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা, যা নিজেই অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও মনোযোগের দাবিদার।
বই: দারুল ইসলাম ও দারুল হারব
লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান
অনুবাদ: আব্দুল্লাহ বিন বশির
মূল্য: ১৯৮৳ (২৫%) ছাড়ে!
অর্ডার করতে ভিজিট করুন আমাদের সহ যে কোন অনলাইন প্লাটফর্মে
❤11
Abdullah bin bashir
Photo
ফিরাকে বাতেলে নিয়ে কাজ করতে গেলে সবচেয়ে কষ্টকর হলো, ওদের নিকৃষ্ট কু*ফ*রি ও বেদআতি আকিদা এবং সেগুলো প্রমাণে কুরআন-সুন্নাহের জঘন্যতম বিকৃতি দেখে ঈমানি গাইরাতকে নিয়ন্ত্রিত করা৷ এই বইয়ের লেখক এক্ষেত্রে খুবই চমৎকারভাবে উত্তীর্ণ হয়েছেন বলেই আমার মনে হয়েছে।
যেহেতু কু*ফ*রি সংগঠন হিযবুত তাওহিদ নোংরা আকিদাগুলো দলিলের আলোকে স্পষ্ট করা এই বইয়ের উদ্দেশ্য, তাই পুরো বইতে অযথা ট্যাগবাজি এবং রাগ-ক্ষোভকে নিয়ন্ত্রণ করে দলিলের আলোকেই আলোচনাগুলো চালিয়ে যাওয়া হয়েছে। এটা আমাদের সকলের জন্য একটি উসওয়াহ হতে পারে।
.
হিযবুত তাওহীদকে আমরা অনেক হালকাভাবে নেই। তাদের প্যান্ট-শার্ট আর অযথা কিছু কাজ দেখে ভাবি, এদের রদের জন্য আর বেশি পড়াশোনার দরকার আছে নাকি! কিন্তু বাস্তবতা হলো, আমাদের এই পড়াশোনা না করাটাই একেকটি ফিরাকে বাতেলাকে শক্তিশালী করে। আমাদের আজাইরা রদ আর গলাবাজিগুলোকে দেখিয়েই ওরা মানুষদেরকে নিজেদের ভ্রান্ত মতের দিকে আহবান করে থাকে।
তাই, সকল স্তরের দায়ী ও আলেমদের হিযবুত তাওহিদ বিষয়ক সচ্ছধারণা অত্যন্ত জরুরি। আর এই একটিই বই হতে পারে আপনার জন্য এই বিষয়ক অসংখ্য বই পড়া থেকেও বেশি উপকারী।
.
এই বইটি হিযবুত তাওহিদের রদে লেখা হলেও সংশ্লিষ্ট অনেক বিষয়ে এত চমৎকার ইলমি আলোচনা সমৃদ্ধ। যেমন, মিউজিক সংক্রান্ত বিষয়, নারীর চেহারা পর্দার অন্তর্ভুক্ত কি না, ইলহামের মাধ্যমে কোনো বিষয় সাব্যস্ত হওয়া, ইত্যাদি বিভিন্ন ইলমি বিষয়ে চমৎকার মুদাল্লাল আলোচনা করেছেন। আলোচনাগুলো অনেক সমৃদ্ধ এবং ইলমি ফাওয়ায়েদে ভরপুর।
.
ওলামায়ে কেরামের কাছে এই কিতাবড়া থাকা উচিত। বিশেষ করে নোয়াখালী জেলার সকল আলেমের জন্য তো এটা সংগ্রহ করা ও বারবার পড়া আবশ্যক মনে করি।
যেহেতু কু*ফ*রি সংগঠন হিযবুত তাওহিদ নোংরা আকিদাগুলো দলিলের আলোকে স্পষ্ট করা এই বইয়ের উদ্দেশ্য, তাই পুরো বইতে অযথা ট্যাগবাজি এবং রাগ-ক্ষোভকে নিয়ন্ত্রণ করে দলিলের আলোকেই আলোচনাগুলো চালিয়ে যাওয়া হয়েছে। এটা আমাদের সকলের জন্য একটি উসওয়াহ হতে পারে।
.
হিযবুত তাওহীদকে আমরা অনেক হালকাভাবে নেই। তাদের প্যান্ট-শার্ট আর অযথা কিছু কাজ দেখে ভাবি, এদের রদের জন্য আর বেশি পড়াশোনার দরকার আছে নাকি! কিন্তু বাস্তবতা হলো, আমাদের এই পড়াশোনা না করাটাই একেকটি ফিরাকে বাতেলাকে শক্তিশালী করে। আমাদের আজাইরা রদ আর গলাবাজিগুলোকে দেখিয়েই ওরা মানুষদেরকে নিজেদের ভ্রান্ত মতের দিকে আহবান করে থাকে।
তাই, সকল স্তরের দায়ী ও আলেমদের হিযবুত তাওহিদ বিষয়ক সচ্ছধারণা অত্যন্ত জরুরি। আর এই একটিই বই হতে পারে আপনার জন্য এই বিষয়ক অসংখ্য বই পড়া থেকেও বেশি উপকারী।
.
এই বইটি হিযবুত তাওহিদের রদে লেখা হলেও সংশ্লিষ্ট অনেক বিষয়ে এত চমৎকার ইলমি আলোচনা সমৃদ্ধ। যেমন, মিউজিক সংক্রান্ত বিষয়, নারীর চেহারা পর্দার অন্তর্ভুক্ত কি না, ইলহামের মাধ্যমে কোনো বিষয় সাব্যস্ত হওয়া, ইত্যাদি বিভিন্ন ইলমি বিষয়ে চমৎকার মুদাল্লাল আলোচনা করেছেন। আলোচনাগুলো অনেক সমৃদ্ধ এবং ইলমি ফাওয়ায়েদে ভরপুর।
.
ওলামায়ে কেরামের কাছে এই কিতাবড়া থাকা উচিত। বিশেষ করে নোয়াখালী জেলার সকল আলেমের জন্য তো এটা সংগ্রহ করা ও বারবার পড়া আবশ্যক মনে করি।
❤21
শাহ ইসমাইল শহিদ রহিমাহুল্লাহ বলেন,
"সালতানাতে কুফর" বলতে কোনো ভূখণ্ডে কাফের শাসনকে বোঝানো হয়নি। বরং এর দ্বারা উদ্দেশ্য সেই সম্প্রদায়, যারা নিজেদেরকে মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত বলে দাবি করে। কিন্তু প্রকাশ্যে কুফর আবশ্যক করে এমন কাজকর্মে লিপ্ত থাকে। শরিয়তের বিধানের বিরোধিতা ও বিদ্বেষ তাদের মধ্যে এতটাই স্পষ্ট হয়ে উঠে যে, তাদের ওপর কুফর ও মুরতাদ হওয়ার হুকুম প্রযোজ্য হয়ে যায়।
যেমন কিছু মানুষের প্রকৃতিই হয় নাস্তিকতাপ্রবণ ও জিন্দিক স্বভাবের। যদিও তারা নিজেদের মুসলিম বলে পরিচয় দেয়; কিন্তু বাস্তবে তারা আল্লাহ ও রাসুল, দ্বীন ও ধর্ম এবং কিয়ামতের ওপর বিশ্বাস রাখে না। তারা দুনিয়ার উত্থান আর পতনকেই সৌভাগ্য ও দুর্ভাগ্যের মাপকাঠি মনে করে এবং জাঁকজমক, প্রতিপত্তি ও ধনসম্পদ অর্জনকেই আসল কৃতিত্ব গণ্য করে।
সূত্র: দারুল ইসলাম ও দারুল হারব
"সালতানাতে কুফর" বলতে কোনো ভূখণ্ডে কাফের শাসনকে বোঝানো হয়নি। বরং এর দ্বারা উদ্দেশ্য সেই সম্প্রদায়, যারা নিজেদেরকে মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত বলে দাবি করে। কিন্তু প্রকাশ্যে কুফর আবশ্যক করে এমন কাজকর্মে লিপ্ত থাকে। শরিয়তের বিধানের বিরোধিতা ও বিদ্বেষ তাদের মধ্যে এতটাই স্পষ্ট হয়ে উঠে যে, তাদের ওপর কুফর ও মুরতাদ হওয়ার হুকুম প্রযোজ্য হয়ে যায়।
যেমন কিছু মানুষের প্রকৃতিই হয় নাস্তিকতাপ্রবণ ও জিন্দিক স্বভাবের। যদিও তারা নিজেদের মুসলিম বলে পরিচয় দেয়; কিন্তু বাস্তবে তারা আল্লাহ ও রাসুল, দ্বীন ও ধর্ম এবং কিয়ামতের ওপর বিশ্বাস রাখে না। তারা দুনিয়ার উত্থান আর পতনকেই সৌভাগ্য ও দুর্ভাগ্যের মাপকাঠি মনে করে এবং জাঁকজমক, প্রতিপত্তি ও ধনসম্পদ অর্জনকেই আসল কৃতিত্ব গণ্য করে।
সূত্র: দারুল ইসলাম ও দারুল হারব
❤19🔥3😢2
ইনশাআল্লাহ, এই মেলাতেই আসবে। মোহতামিম সাহেবদের জন্যই বইটা বেশি দরকার, বাকি তারা কী পড়বে? যাইহোক, তারা না পড়ুক, মাদরাসার সাথে সম্পৃক্ত বা সম্পৃক্ত হতে চান, এমন সবার পড়া উচিত। মাদরাসায় আন্তরিকতার সাথে দান করেন, তাদেরও পড়া উচিত, এবং আদবের সাথে ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে সেগুলোর বিষয়ে কথা বলা উচিত।
.
মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান সাহেবের খাস শাগরেদ ও কাজের সহযোগী মাওলানা রেজা সাহেব প্রায় বিভিন্ন পিডিএফ আমাকে পাঠান। কিন্তু কখনোই কোনো পিডিএফ দিয়ে বলেননি, বইটা অনুবাদ হওয়া দরকার। কখনোই না। কিন্তু যেদিন আহকামে মাদারেসের পিডিএফটা দিলেন, সেদিন বললেন, মুফতি সাহেবের অনেক ইচ্ছে এই বইটা উপমহাদেশে বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ হোক। কারণ, মাদরাসাগুলোই যদি শরয়ি দিকনির্দেশনার আলোকে পরিচালিত হতে না পারে, তাহলে পুরো সমাজ কীভাবে পরিচালিত হবে?
সেদিনই নিয়ত করে ফেলেছিলাম, বইটিই আমিই অনুবাদ করবো। কিন্তু আমার গাফলতি আর গুনাহের কারণে মহান কাজটি আমার দ্বারা হলো না। তবে, আল্লাহর কাছে এতটুকু শুকরিয়া, অল্প হলেও কাজটির সাথে আমার একটা সম্পর্ক ও পরিশ্রম রয়েছে।
.
বইটি অনুবাদ করেছেন, আমাদের মাদরাসাতি আলী রা.-এর সাবেক ছাত্র মাওলানা জাহিদ। আল্লাহ তাকে কবুল করুন।
.
মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান সাহেবের খাস শাগরেদ ও কাজের সহযোগী মাওলানা রেজা সাহেব প্রায় বিভিন্ন পিডিএফ আমাকে পাঠান। কিন্তু কখনোই কোনো পিডিএফ দিয়ে বলেননি, বইটা অনুবাদ হওয়া দরকার। কখনোই না। কিন্তু যেদিন আহকামে মাদারেসের পিডিএফটা দিলেন, সেদিন বললেন, মুফতি সাহেবের অনেক ইচ্ছে এই বইটা উপমহাদেশে বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ হোক। কারণ, মাদরাসাগুলোই যদি শরয়ি দিকনির্দেশনার আলোকে পরিচালিত হতে না পারে, তাহলে পুরো সমাজ কীভাবে পরিচালিত হবে?
সেদিনই নিয়ত করে ফেলেছিলাম, বইটিই আমিই অনুবাদ করবো। কিন্তু আমার গাফলতি আর গুনাহের কারণে মহান কাজটি আমার দ্বারা হলো না। তবে, আল্লাহর কাছে এতটুকু শুকরিয়া, অল্প হলেও কাজটির সাথে আমার একটা সম্পর্ক ও পরিশ্রম রয়েছে।
.
বইটি অনুবাদ করেছেন, আমাদের মাদরাসাতি আলী রা.-এর সাবেক ছাত্র মাওলানা জাহিদ। আল্লাহ তাকে কবুল করুন।
❤25
এখন পর্যন্ত সিরাত নিয়ে ইমরান রাইহান তার সবচেয়ে সেরা আলোচনাটা করে ফেলেছেন।
সামনে হয়তো আরও ভালো আলোচনা আসবে। তবে এখন পর্যন্ত এটাই সবচেয়ে সেরা আলোচনা। আলেম, তালিবুল ইলম, জেনারেল—সবার জন্য অবশ্যই শোনার মতো আলাপ। এই আলোচনা গত ৩ বছরে তার সিরাতকেন্দ্রিক ট্রান্সফরমেশনের সুস্পষ্ট দলিল।
বারাকাল্লাহু ফিহ।
©মাহমুদ সিদ্দিকি
https://youtu.be/IoukQaxee04?si=voKO1pCdXOsTAg_X
সামনে হয়তো আরও ভালো আলোচনা আসবে। তবে এখন পর্যন্ত এটাই সবচেয়ে সেরা আলোচনা। আলেম, তালিবুল ইলম, জেনারেল—সবার জন্য অবশ্যই শোনার মতো আলাপ। এই আলোচনা গত ৩ বছরে তার সিরাতকেন্দ্রিক ট্রান্সফরমেশনের সুস্পষ্ট দলিল।
বারাকাল্লাহু ফিহ।
©মাহমুদ সিদ্দিকি
https://youtu.be/IoukQaxee04?si=voKO1pCdXOsTAg_X
YouTube
নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব
Enjoy the videos and music you love, upload original content, and share it all with friends, family, and the world on YouTube.
❤28🔥10👍1
আমাদের মাঝে একটি ব্যাপক প্রচলিত হলো, ভারতবর্ষকে সর্বপ্রথম দারুল হা*ব ফতোয়া দেন শাহ আব্দুল আজিজ দেহলবি রহিমাহুল্লাহ। অর্থাৎ, ইংরেজরা ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল দখল করার পর। কিন্তু ভারতের বিখ্যাত মুহাক্কিক নুরুল হাসান রাশেদ কান্ধলবি হাফিজাহুল্লাহের তাহকিক মতে এই কথার কোনো ইলমি ভিত্তি নেই। তার মতে, ইংরেজরা ভারতবর্ষে আসারও বহু আগে শাহ ওলিউল্লাহ মুহাদ্দেসে দেহলবি ও সে সময়ের আলেমগণ ভারতের তৎকালীন পরিবেশ দেখে ভারতলে দারুল হা*ব ফতোয়া দেন। বিস্তারিত জানতে আমার অনূদিত ও সদ্য প্রকাশিত “দারুল ইসলাম ও দারুল হা*ব” বইটির প্রথম পরিশিষ্ট।
হযরত নুরুল হাসান রাশেদ কান্ধলবি সাহেব লেখেন,
//এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট করা প্রয়োজন। যখন আলেমদের ভারতকে দারুল হারব ঘোষণার প্রাথমিক ফতোয়াগুলো আলোচনা করা হয় এবং ভারতীয় উপমহাদেশের ধর্মীয়, বুদ্ধিবৃত্তিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসে সেগুলোর প্রভাব মূল্যায়ন করা হয়, তখন সাধারণত বলা হয় যে, তাদের এই সংগ্রাম ও প্রচেষ্টা ছিল কেবল ইংরেজদের বিরুদ্ধে এবং তাদের রাজনৈতিক চিন্তার মূল লক্ষ্যও ছিল ইংরেজ শাসনের বিরোধিতা। কিন্তু এ ধারণার পক্ষে কোনো শক্তিশালী ইলমি ভিত্তি নেই।
বাস্তবে তাদের ফতোয়াগুলো জারি হয়েছিল এমন সব ক্ষমতালোভী শক্তি এবং অত্যাচারী বলয়ের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের কারণে, যারা ইংরেজদের এ ভূখণ্ডে আগমনেরও আগে মুসলমানদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছিল। তাদের কারণে মুসলমানদের সম্মান, জীবন ও সম্পদ সর্বক্ষণ ছিল হুমকির মুখে। যে যখন ইচ্ছা মুসলমানদের হত্যা করত, তাদের নারীদের সম্ভ্রমহানি ঘটাত এবং তাদের ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করত।
আলেমদের প্রথম ও মৌলিক ফতোয়াগুলো মূলত এসব পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করেই প্রদান করা হয়েছিল। হজরত শাহ ওলিউল্লাহ ও হজরত মির্জা মাজহার জানেজানার রচনায় এ বিষয়ে সুস্পষ্ট বক্তব্য রয়েছে। হজরত শাহ আবদুল আজিজের ফতোয়াতেও এর ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তাই এসব ফতোয়াকে কেবল ইংরেজ শাসনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে দেখা ন্যায়সংগত নয়।//
হযরত নুরুল হাসান রাশেদ কান্ধলবি সাহেব লেখেন,
//এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট করা প্রয়োজন। যখন আলেমদের ভারতকে দারুল হারব ঘোষণার প্রাথমিক ফতোয়াগুলো আলোচনা করা হয় এবং ভারতীয় উপমহাদেশের ধর্মীয়, বুদ্ধিবৃত্তিক ও রাজনৈতিক ইতিহাসে সেগুলোর প্রভাব মূল্যায়ন করা হয়, তখন সাধারণত বলা হয় যে, তাদের এই সংগ্রাম ও প্রচেষ্টা ছিল কেবল ইংরেজদের বিরুদ্ধে এবং তাদের রাজনৈতিক চিন্তার মূল লক্ষ্যও ছিল ইংরেজ শাসনের বিরোধিতা। কিন্তু এ ধারণার পক্ষে কোনো শক্তিশালী ইলমি ভিত্তি নেই।
বাস্তবে তাদের ফতোয়াগুলো জারি হয়েছিল এমন সব ক্ষমতালোভী শক্তি এবং অত্যাচারী বলয়ের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের কারণে, যারা ইংরেজদের এ ভূখণ্ডে আগমনেরও আগে মুসলমানদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছিল। তাদের কারণে মুসলমানদের সম্মান, জীবন ও সম্পদ সর্বক্ষণ ছিল হুমকির মুখে। যে যখন ইচ্ছা মুসলমানদের হত্যা করত, তাদের নারীদের সম্ভ্রমহানি ঘটাত এবং তাদের ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করত।
আলেমদের প্রথম ও মৌলিক ফতোয়াগুলো মূলত এসব পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করেই প্রদান করা হয়েছিল। হজরত শাহ ওলিউল্লাহ ও হজরত মির্জা মাজহার জানেজানার রচনায় এ বিষয়ে সুস্পষ্ট বক্তব্য রয়েছে। হজরত শাহ আবদুল আজিজের ফতোয়াতেও এর ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তাই এসব ফতোয়াকে কেবল ইংরেজ শাসনের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে দেখা ন্যায়সংগত নয়।//
❤19
মাদরাসা প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা এবং সেখানে পঠন-পাঠন—দীনি শিক্ষার প্রসারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে বিষয়টি একই সঙ্গে বেশ স্পর্শকাতরও। এখানে সামান্য বিচ্যুতিও কখনো কখনো ডেকে আনতে পারে মারাত্মক সমস্যা।
বর্তমানে দীনি মাদরাসাগুলোর অগ্রযাত্রার পথে যে নানা প্রতিবন্ধকতা ও সংকট দেখা দিচ্ছে, তার অন্যতম কারণ হলো—মাদরাসা পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে শরিয়তের নির্দেশনাকে যথাযথ গুরুত্ব না দেওয়া। ফলে অনেক মাদরাসাই তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে।
তাই সময়ের প্রয়োজন ছিল, শরিয়তের আলোকে মাদরাসা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা তুলে ধরা।
‘আহকামে মাদারেস’ সেই প্রয়োজনকে সামনে রেখেই একটি প্রয়াস। মাদরাসার শিক্ষা, পরিচালনা, প্রশাসন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, দায়িত্ব-কর্তব্য ও ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে।
বই: আহকামে মাদারেস (মাদরাসা পরিচালনা সংকট, সমাধান ও শরয়ি নীতিমালা)
লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান
অনুবাদ: মাওলানা জাহিদ হাসান
প্রচ্ছদ মূল্য: ২৪০৳
প্রি-অর্ডার মূল্য: ১৬৮৳
বধাইয়ের ধরণ: পেপারব্যক
অর্ডার করতে চেতনার পেইজ অথবা যেকোনো অনলাইন শপে মেসেজ করুন।
বর্তমানে দীনি মাদরাসাগুলোর অগ্রযাত্রার পথে যে নানা প্রতিবন্ধকতা ও সংকট দেখা দিচ্ছে, তার অন্যতম কারণ হলো—মাদরাসা পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে শরিয়তের নির্দেশনাকে যথাযথ গুরুত্ব না দেওয়া। ফলে অনেক মাদরাসাই তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে।
তাই সময়ের প্রয়োজন ছিল, শরিয়তের আলোকে মাদরাসা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা তুলে ধরা।
‘আহকামে মাদারেস’ সেই প্রয়োজনকে সামনে রেখেই একটি প্রয়াস। মাদরাসার শিক্ষা, পরিচালনা, প্রশাসন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, দায়িত্ব-কর্তব্য ও ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে।
বই: আহকামে মাদারেস (মাদরাসা পরিচালনা সংকট, সমাধান ও শরয়ি নীতিমালা)
লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান
অনুবাদ: মাওলানা জাহিদ হাসান
প্রচ্ছদ মূল্য: ২৪০৳
প্রি-অর্ডার মূল্য: ১৬৮৳
বধাইয়ের ধরণ: পেপারব্যক
অর্ডার করতে চেতনার পেইজ অথবা যেকোনো অনলাইন শপে মেসেজ করুন।
❤11
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
চাঁদপুর তিনমোহনার পাড়ে মাটিতে শুয়ে আছি। সাথে আছে চাঁদ, মুগ্ধতায় ভরা বাতাস আর নাতে রাসুল।
❤26
উসমানি খেলাফতের শেষ সময়ের শাইখুল ইসলাম শায়খ মুস্তফা সবারি রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু ১৩৭৩ হি.) তার জগৎবিখ্যাত "মাওকিফুল আকলি ওয়াল ইলমি" গ্রন্থের টীকায় লেখেন,
دار الإسلام في عرف الفقهاء تطلق على البلاد التي يحكم فيها بقوانين الإسلام، ويسمى خلافها دار الحرب موقف العقل و العلم والعالم ١/ ٣٦، ط. دار الكتب العلمية، الطبعة الأولى - ١٤٤٢ هـ)
ফকিহগণের পরিভাষামতে দারুল ইসলাম ওই দেশগুলোকে বলা হবে যা পরিচালিত হয় ইসলামি আইন অনুযায়ী। এর বিপরীত যা আছে সব দারুল হারব।
উক্ত কিতাবেরই অপর এক টীকায় তিনি লেখেন,
وقد قلنا في مقدمة الكتاب: إن مدار الفرق بين دار الإسلام، ودار الحرب على القانون الجاري أحكامه في تلك الديار، كما أن فصل الدين عن السياسة معناه أن لا تكون الحكومة مقيدة في قوانينها بقواعد الدين . (موقف العقل و العلم والعالم (٢٥٠/٤)
ভূমিকায় আমি যা বলেছি, দারুল ইসলাম ও দারুল হারবের মাঝে পার্থক্যের মূল ভিত্তি হলো রাষ্ট্রসমূহের মাঝে বিদ্ধমান আইনকানুন। যেমন ধর্মকে রাষ্ট্র থেকে আলাদা করার অর্থই হলো রাষ্ট্রটি তার আইনকানুনে দ্বীনের বিধানমতে চলতে বাধ্য নয়।
...
সূত্র : দারুল ইসলাম ও দারুল হারব
دار الإسلام في عرف الفقهاء تطلق على البلاد التي يحكم فيها بقوانين الإسلام، ويسمى خلافها دار الحرب موقف العقل و العلم والعالم ١/ ٣٦، ط. دار الكتب العلمية، الطبعة الأولى - ١٤٤٢ هـ)
ফকিহগণের পরিভাষামতে দারুল ইসলাম ওই দেশগুলোকে বলা হবে যা পরিচালিত হয় ইসলামি আইন অনুযায়ী। এর বিপরীত যা আছে সব দারুল হারব।
উক্ত কিতাবেরই অপর এক টীকায় তিনি লেখেন,
وقد قلنا في مقدمة الكتاب: إن مدار الفرق بين دار الإسلام، ودار الحرب على القانون الجاري أحكامه في تلك الديار، كما أن فصل الدين عن السياسة معناه أن لا تكون الحكومة مقيدة في قوانينها بقواعد الدين . (موقف العقل و العلم والعالم (٢٥٠/٤)
ভূমিকায় আমি যা বলেছি, দারুল ইসলাম ও দারুল হারবের মাঝে পার্থক্যের মূল ভিত্তি হলো রাষ্ট্রসমূহের মাঝে বিদ্ধমান আইনকানুন। যেমন ধর্মকে রাষ্ট্র থেকে আলাদা করার অর্থই হলো রাষ্ট্রটি তার আইনকানুনে দ্বীনের বিধানমতে চলতে বাধ্য নয়।
...
সূত্র : দারুল ইসলাম ও দারুল হারব
❤19👍4
ইমাম ইবনে জামায়ার দৃষ্টিতে “শরীয়াহ” ও তা প্রয়োগ
.
এক.
ইমাম ইবনে জামায়াহ রহিমাহুল্লাহ তার জগত বিখ্যাত “তাহরিরুল আহকাম” গ্রন্থে রাষ্ট্রে শরীয়াহ বলতে কী বুঝায়, এবং তার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করেছেন। প্রথমে তিনি একটু দারুল ইসলামে খেলাফত, খলিফা, মন্ত্রী, ইমারাতে আম্মাহ, খাসসাহ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি ইমামের দায়িত্ব আলোচনায় লেখছেন, দারুল ইসলামে ইমামের প্রথম দায়িত্ব শরিয়াহ প্রতিষ্ঠা করা, এরপর স্বতন্ত্র একটি অধ্যায় কায়েম করে শরিয়াহ কী, এবং তার বাস্তবায়ন সমাজে কীভাবে তা নিয়ে আলাপ করেন।
.
ইবনে জামায়াহ রহিমাহুল্লাহ প্রথমে শরিয়ার পরিচয় তুলে ধরেন এভাবে,
الشريعة هي: المحجة التي جاء بها الرسول ﷺ وسنها، وأوجب اتباعها وصونها، وهي إلى الله أقصد سبيل؛ لأن مبناها على الوحي والتنزيل. والخير كله في اتباعها، والشر كله في ضياعها
শরিয়ত হলো সেই সুস্পষ্ট পথ, যা রাসুলুল্লাহ ﷺ নিয়ে এসেছেন, প্রতিষ্ঠা করেছেন, অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছেন এবং যার সংরক্ষণের দায়িত্ব দিয়েছেন। এটি আল্লাহর দিকে পৌঁছার পথ; কারণ এর ভিত্তি ওহি ও নাজিলকৃত বিধানের ওপর প্রতিষ্ঠিত। এর অনুসরণেই রয়েছে যাবতীয় কল্যাণ, আর এর বিনষ্টির মধ্যেই রয়েছে যাবতীয় অকল্যাণ।
শরিয়ার এই পরিচয় ভালো করে অনুধাবন করতে পারলে আমাদের সমাজে শরিয়াহের উপর করা বহু আপত্তির জবাব দেওয়া সম্ভব। এই পরিচয় থেকেই অনেক আপত্তির জবাব চলে আসে। আমরা রাষ্ট্রে শরিয়াহ চাই বলতে কী বুঝাই, তা ইবনে জামায়ার ইবারত থেকে স্পষ্ট।
.
দুই.
এরপর ইবনে জামায়াহ রহিমাহুল্লাহ আলোচনা করেছেন, দুনিয়াতে এই মহান শরিয়াহের রক্ষক কে তা নিয়ে। তিনি লেখেন,
وقد جعل لها حماة يقيمون منارها ، وحملة يحفظون شعارها ،
فحماتها الملوك والأمراء، وحفاظها هم الأئمة العلماء.
আল্লাহ শরিয়তের জন্য এমন কিছু রক্ষক নির্ধারণ করেছেন, যারা এর দীপশিখা প্রজ্বলিত রাখেন এবং এমন কিছু বাহক নির্ধারণ করেছেন, যারা এর নিদর্শন সংরক্ষণ করেন। এর রক্ষক হলেন রাজা ও শাসকগণ, আর এর সংরক্ষণ ও বহনের দায়িত্বে রয়েছেন আলেমগণ।
এটা থেকে স্পষ্ট শরিয়াহ রক্ষার দায়িত্ব শুধুই আলেমদের নয়। বরং মুসলিম শাসকগণও এর রক্ষক। এখান থেকে আরেকটি অর্থও চাইলে বের করা সম্ভব, শরিয়াহর রক্ষণাবেক্ষণের জন্য শুধু ইলমই যথেষ্ট নয়, শক্তিরও প্রয়োজন রয়েছে।
.
তিন.
দারুল ইসলামে শরিয়াহর আকাঙ্খা, শরিয়াহের মূল্যবান ও নিয়মকানুনগুলো কীভাবে বাস্তবায়ন হবে, সে বিষয়ে ইবনে জামায়াহ রহিমাহুল্লাহ মত দেন, পাঁচ ধরনের বিষয় সমাজে প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সমাজে শরিয়াহ বাস্তবায়ন হবে।
১। শরিয়াহ অনুযায়ী আদালত প্রতিষ্ঠা করা।
২। মানুষেত দৈন্দিন জীবনের যাবতীয় বিষয়ে আরোপিত বিষয়ে ইসলামের সঠিক সমাধানের জন্য ফতোয়া বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা।
৩। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের কাজ-কর্মে শরিয়াহ অনুযায়ী চলছে কি না, আল্লাহর হক, বান্দার হক বা আল্লাহ ও বান্দার হকের সমন্বয়ে যা আছে, সেগুলো মানুষ সঠিকভাবে পালন করছে কি না, সেটার দেখবালের জন্য আমর বিল মারুফ নাহি আনিল মুনকার বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা।
৪। ওয়াকফের সম্পদ সঠিকভাবে ব্যবহার হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে তদারকির জন্য আলাদা বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা।
৫। এতিম, দরিদ্র, মানসিক ভারসাম্যহীন, এককথায় সমাজের অসহায় লোকদের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আলাদা বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা।
এই পাঁচও বিভাগ কীভাবে কাজ করবে, কাদের এই বিভাগগুলোতে নিয়োগ দেওয়া যাবে, কার কর্মপরিধি কতটুকু, সে সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেছেন।
সমাজে শরিয়াহ বাস্তবায়নের জন্য দারুল ইসলামের শাসকের জন্য ইবনে জামায়াহ রহিমাহুল্লাহ এই পাঁচটি বিভাগকে জরুরি হিসেবে নির্ধারণ করেছেন।
.
এক.
ইমাম ইবনে জামায়াহ রহিমাহুল্লাহ তার জগত বিখ্যাত “তাহরিরুল আহকাম” গ্রন্থে রাষ্ট্রে শরীয়াহ বলতে কী বুঝায়, এবং তার প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করেছেন। প্রথমে তিনি একটু দারুল ইসলামে খেলাফত, খলিফা, মন্ত্রী, ইমারাতে আম্মাহ, খাসসাহ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি ইমামের দায়িত্ব আলোচনায় লেখছেন, দারুল ইসলামে ইমামের প্রথম দায়িত্ব শরিয়াহ প্রতিষ্ঠা করা, এরপর স্বতন্ত্র একটি অধ্যায় কায়েম করে শরিয়াহ কী, এবং তার বাস্তবায়ন সমাজে কীভাবে তা নিয়ে আলাপ করেন।
.
ইবনে জামায়াহ রহিমাহুল্লাহ প্রথমে শরিয়ার পরিচয় তুলে ধরেন এভাবে,
الشريعة هي: المحجة التي جاء بها الرسول ﷺ وسنها، وأوجب اتباعها وصونها، وهي إلى الله أقصد سبيل؛ لأن مبناها على الوحي والتنزيل. والخير كله في اتباعها، والشر كله في ضياعها
শরিয়ত হলো সেই সুস্পষ্ট পথ, যা রাসুলুল্লাহ ﷺ নিয়ে এসেছেন, প্রতিষ্ঠা করেছেন, অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছেন এবং যার সংরক্ষণের দায়িত্ব দিয়েছেন। এটি আল্লাহর দিকে পৌঁছার পথ; কারণ এর ভিত্তি ওহি ও নাজিলকৃত বিধানের ওপর প্রতিষ্ঠিত। এর অনুসরণেই রয়েছে যাবতীয় কল্যাণ, আর এর বিনষ্টির মধ্যেই রয়েছে যাবতীয় অকল্যাণ।
শরিয়ার এই পরিচয় ভালো করে অনুধাবন করতে পারলে আমাদের সমাজে শরিয়াহের উপর করা বহু আপত্তির জবাব দেওয়া সম্ভব। এই পরিচয় থেকেই অনেক আপত্তির জবাব চলে আসে। আমরা রাষ্ট্রে শরিয়াহ চাই বলতে কী বুঝাই, তা ইবনে জামায়ার ইবারত থেকে স্পষ্ট।
.
দুই.
এরপর ইবনে জামায়াহ রহিমাহুল্লাহ আলোচনা করেছেন, দুনিয়াতে এই মহান শরিয়াহের রক্ষক কে তা নিয়ে। তিনি লেখেন,
وقد جعل لها حماة يقيمون منارها ، وحملة يحفظون شعارها ،
فحماتها الملوك والأمراء، وحفاظها هم الأئمة العلماء.
আল্লাহ শরিয়তের জন্য এমন কিছু রক্ষক নির্ধারণ করেছেন, যারা এর দীপশিখা প্রজ্বলিত রাখেন এবং এমন কিছু বাহক নির্ধারণ করেছেন, যারা এর নিদর্শন সংরক্ষণ করেন। এর রক্ষক হলেন রাজা ও শাসকগণ, আর এর সংরক্ষণ ও বহনের দায়িত্বে রয়েছেন আলেমগণ।
এটা থেকে স্পষ্ট শরিয়াহ রক্ষার দায়িত্ব শুধুই আলেমদের নয়। বরং মুসলিম শাসকগণও এর রক্ষক। এখান থেকে আরেকটি অর্থও চাইলে বের করা সম্ভব, শরিয়াহর রক্ষণাবেক্ষণের জন্য শুধু ইলমই যথেষ্ট নয়, শক্তিরও প্রয়োজন রয়েছে।
.
তিন.
দারুল ইসলামে শরিয়াহর আকাঙ্খা, শরিয়াহের মূল্যবান ও নিয়মকানুনগুলো কীভাবে বাস্তবায়ন হবে, সে বিষয়ে ইবনে জামায়াহ রহিমাহুল্লাহ মত দেন, পাঁচ ধরনের বিষয় সমাজে প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সমাজে শরিয়াহ বাস্তবায়ন হবে।
১। শরিয়াহ অনুযায়ী আদালত প্রতিষ্ঠা করা।
২। মানুষেত দৈন্দিন জীবনের যাবতীয় বিষয়ে আরোপিত বিষয়ে ইসলামের সঠিক সমাধানের জন্য ফতোয়া বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা।
৩। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের কাজ-কর্মে শরিয়াহ অনুযায়ী চলছে কি না, আল্লাহর হক, বান্দার হক বা আল্লাহ ও বান্দার হকের সমন্বয়ে যা আছে, সেগুলো মানুষ সঠিকভাবে পালন করছে কি না, সেটার দেখবালের জন্য আমর বিল মারুফ নাহি আনিল মুনকার বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা।
৪। ওয়াকফের সম্পদ সঠিকভাবে ব্যবহার হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে তদারকির জন্য আলাদা বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা।
৫। এতিম, দরিদ্র, মানসিক ভারসাম্যহীন, এককথায় সমাজের অসহায় লোকদের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য আলাদা বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা।
এই পাঁচও বিভাগ কীভাবে কাজ করবে, কাদের এই বিভাগগুলোতে নিয়োগ দেওয়া যাবে, কার কর্মপরিধি কতটুকু, সে সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেছেন।
সমাজে শরিয়াহ বাস্তবায়নের জন্য দারুল ইসলামের শাসকের জন্য ইবনে জামায়াহ রহিমাহুল্লাহ এই পাঁচটি বিভাগকে জরুরি হিসেবে নির্ধারণ করেছেন।
❤10🔥10
বিশিষ্ট কালামি আলেম ড. সাইদ ফুদাহ হাফিজাহুল্লাহ লেখেন,
فكون الشعب في أغلبه مسلما، فاختار لذلك أحكامًا إسلامية، لا يكفي أن يجعل الدولة إسلامية أصلاً، ولا يحل مشكلة الدولة، ولا يجعل الطريقة الديمقراطية إسلامية في جوهرها، لأن أخذ الأحكام في الدولة ينبغي أن يكون باعتبار كونها ناشئة من الإسلام والشريعة الإسلامية، ولو حصل أن اتفق وجود دولة أحكامها غير مخالفة للشريعة الإسلامية، ولكنها لم تعتبر عدم المخالفة للإسلام شرطًا في أخذ أحكامها في الدستور، بل أجازت ذلك ولكن حصل أنها لم تخالفه في مدة معينة، لما كان ذلك كافيًا لوصف الدولة بأنها إسلامية، ولما صح أن يقال إن هؤلاء قد أقاموا دولة إسلامية، أو أنهم قاموا بالواجب عليهم من إقامة الدولة
জনসংখ্যার অধিকাংশ মুসলিম হওয়ায় যদি কোনো রাষ্ট্র ইসলামি কিছু বিধান গ্রহণও করে, তাতে রাষ্ট্রটি মূলত ইসলামি রাষ্ট্র হয়ে যায় না; রাষ্ট্রের সমস্যারও সমাধান হয় না। এমনকি এর ফলে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিটিও মৌলিকভাবে ইসলামি হয়ে যায় না। কারণ রাষ্ট্রে কোনো বিধান গ্রহণের ভিত্তি হতে হবে—উক্ত বিধানটি ইসলাম ও ইসলামি শরিয়তের থেকে সৃষ্ট, এই ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত কি না।
ধরা যাক, কোনো রাষ্ট্রের গৃহীত বিধানগুলো শরিয়তবিরোধী নয়; কিন্তু সংবিধানে বিধান গ্রহণের ক্ষেত্রে ইসলামবিরোধী না হওয়াকে শর্ত হিসেবে ধরা হলো না। বরং ইসলামবিরোধী বিধান গ্রহণেরও সুযোগ রাখা হলো। এখন একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বাস্তবে যদিও গৃহীত কোনো বিধানই ইসলামের বিরোধী না হয়, তবুও এটুকু রাষ্ট্রটিকে ইসলামি রাষ্ট্র হিসেবে আখ্যায়িত করার জন্য যথেষ্ট হবে না। এটাও বলা যাবে না যে, তারা ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছে কিংবা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার যে দায়িত্ব তাদের ওপর ছিল, তারা তা পালন করেছে।
فكون الشعب في أغلبه مسلما، فاختار لذلك أحكامًا إسلامية، لا يكفي أن يجعل الدولة إسلامية أصلاً، ولا يحل مشكلة الدولة، ولا يجعل الطريقة الديمقراطية إسلامية في جوهرها، لأن أخذ الأحكام في الدولة ينبغي أن يكون باعتبار كونها ناشئة من الإسلام والشريعة الإسلامية، ولو حصل أن اتفق وجود دولة أحكامها غير مخالفة للشريعة الإسلامية، ولكنها لم تعتبر عدم المخالفة للإسلام شرطًا في أخذ أحكامها في الدستور، بل أجازت ذلك ولكن حصل أنها لم تخالفه في مدة معينة، لما كان ذلك كافيًا لوصف الدولة بأنها إسلامية، ولما صح أن يقال إن هؤلاء قد أقاموا دولة إسلامية، أو أنهم قاموا بالواجب عليهم من إقامة الدولة
জনসংখ্যার অধিকাংশ মুসলিম হওয়ায় যদি কোনো রাষ্ট্র ইসলামি কিছু বিধান গ্রহণও করে, তাতে রাষ্ট্রটি মূলত ইসলামি রাষ্ট্র হয়ে যায় না; রাষ্ট্রের সমস্যারও সমাধান হয় না। এমনকি এর ফলে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিটিও মৌলিকভাবে ইসলামি হয়ে যায় না। কারণ রাষ্ট্রে কোনো বিধান গ্রহণের ভিত্তি হতে হবে—উক্ত বিধানটি ইসলাম ও ইসলামি শরিয়তের থেকে সৃষ্ট, এই ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত কি না।
ধরা যাক, কোনো রাষ্ট্রের গৃহীত বিধানগুলো শরিয়তবিরোধী নয়; কিন্তু সংবিধানে বিধান গ্রহণের ক্ষেত্রে ইসলামবিরোধী না হওয়াকে শর্ত হিসেবে ধরা হলো না। বরং ইসলামবিরোধী বিধান গ্রহণেরও সুযোগ রাখা হলো। এখন একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বাস্তবে যদিও গৃহীত কোনো বিধানই ইসলামের বিরোধী না হয়, তবুও এটুকু রাষ্ট্রটিকে ইসলামি রাষ্ট্র হিসেবে আখ্যায়িত করার জন্য যথেষ্ট হবে না। এটাও বলা যাবে না যে, তারা ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছে কিংবা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার যে দায়িত্ব তাদের ওপর ছিল, তারা তা পালন করেছে।
🔥6❤3
ড. সাইদ ফুদাহ আরো বলেন,
وإذا لم يكن عندنا القدرة على ذلك، لظروف عالمية معينة، ولضعفنا الظاهر، ولتكالب الناس علينا، فلا يصح لنا أن نحرف هذه المفاهيم لتكون قريبة إلى المفاهيم العلمانية، بما يؤدي إلى إسباغ صفات إسلامية على ما هو غير إسلامي.
ولا يشترط للمسلم لكي يعيش في دولة أن تكون الدولة إسلامية، فكثير من المسلمين يعيشون في دول غربية وشرقية، والجميع مطبق على أنها غير إسلامية. وكذلك لا يصح أن نقول على الدول العربية إنها دول إسلامية، واصفين النظام بالإسلامي مغالطين في ذلك لاعتمادنا على أن أكثر أفراد الشعب مسلمون ومن أين يأتي التلازم بالحكم على الدولة بالإسلامية المجرد كون أفرادها مسلمين، والحال أنها غير حاكمة بالإسلام، مصرحة بأنها تتخذ المناهج الغربية في الحكم في دستورها وقوانينها غير خالصة منها ما هو موافق للإسلام ومنها ما هو مخالف؟!
বৈশ্বিক পরিস্থিতি, আমাদের প্রকাশ্য দুর্বলতা এবং চারদিক থেকে আমাদের উপর শত্রুর আক্রমণ এসকল কারণে আমাদের যদি ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করার সামর্থ্য না থাকে, তবুও আমাদের জন্য ইসলামি রাষ্ট্রের ধারণাকে এমনভাবে বিকৃত করা সঙ্গত নয়, যাতে তা ধর্মনিরপেক্ষ ধারণার কাছাকাছি চলে আসে। কারণ, এর ফলে যা ইসলামি নয়, তার ওপরও ইসলামি বৈশিষ্ট্য আরোপ করা হবে।
কোনো মুসলিম কোনো রাষ্ট্রে বসবাসের করলেই সেই রাষ্ট্র ইসলামি হওয়া আবশ্যক হয়ে যায় না। বহু মুসলিম পশ্চিমা ও প্রাচ্যের বিভিন্ন রাষ্ট্রে বসবাস করে, অথচ সেসব রাষ্ট্র ইসলামি নয়—এ বিষয়ে সবাই একমত।
একইভাবে, আরব রাষ্ট্রগুলোকে ইসলামি রাষ্ট্র বলাও সঠিক নয়। অধিকাংশ নাগরিক মুসলিম—এই যুক্তিতে সেখানকার রাষ্ট্রব্যবস্থাকে ইসলামি আখ্যা দেওয়া নিছক বিভ্রান্তি। জনগণ মুসলিম হলেই রাষ্ট্র ইসলামি, এটা কোনো অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক নয়। আর এসব রাষ্ট্র ইসলাম অনুযায়ী শাসিতও নয়; বরং তাদের সংবিধান ও আইনেই স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে তারা শাসনব্যবস্থায় পশ্চিমা পদ্ধতি অনুসরণ করে। আর এসব আইনও ইসলামের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়; এর কিছু বিধান ইসলামের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, আবার কিছু বিধান ইসলামের পরিপন্থী।
وإذا لم يكن عندنا القدرة على ذلك، لظروف عالمية معينة، ولضعفنا الظاهر، ولتكالب الناس علينا، فلا يصح لنا أن نحرف هذه المفاهيم لتكون قريبة إلى المفاهيم العلمانية، بما يؤدي إلى إسباغ صفات إسلامية على ما هو غير إسلامي.
ولا يشترط للمسلم لكي يعيش في دولة أن تكون الدولة إسلامية، فكثير من المسلمين يعيشون في دول غربية وشرقية، والجميع مطبق على أنها غير إسلامية. وكذلك لا يصح أن نقول على الدول العربية إنها دول إسلامية، واصفين النظام بالإسلامي مغالطين في ذلك لاعتمادنا على أن أكثر أفراد الشعب مسلمون ومن أين يأتي التلازم بالحكم على الدولة بالإسلامية المجرد كون أفرادها مسلمين، والحال أنها غير حاكمة بالإسلام، مصرحة بأنها تتخذ المناهج الغربية في الحكم في دستورها وقوانينها غير خالصة منها ما هو موافق للإسلام ومنها ما هو مخالف؟!
বৈশ্বিক পরিস্থিতি, আমাদের প্রকাশ্য দুর্বলতা এবং চারদিক থেকে আমাদের উপর শত্রুর আক্রমণ এসকল কারণে আমাদের যদি ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করার সামর্থ্য না থাকে, তবুও আমাদের জন্য ইসলামি রাষ্ট্রের ধারণাকে এমনভাবে বিকৃত করা সঙ্গত নয়, যাতে তা ধর্মনিরপেক্ষ ধারণার কাছাকাছি চলে আসে। কারণ, এর ফলে যা ইসলামি নয়, তার ওপরও ইসলামি বৈশিষ্ট্য আরোপ করা হবে।
কোনো মুসলিম কোনো রাষ্ট্রে বসবাসের করলেই সেই রাষ্ট্র ইসলামি হওয়া আবশ্যক হয়ে যায় না। বহু মুসলিম পশ্চিমা ও প্রাচ্যের বিভিন্ন রাষ্ট্রে বসবাস করে, অথচ সেসব রাষ্ট্র ইসলামি নয়—এ বিষয়ে সবাই একমত।
একইভাবে, আরব রাষ্ট্রগুলোকে ইসলামি রাষ্ট্র বলাও সঠিক নয়। অধিকাংশ নাগরিক মুসলিম—এই যুক্তিতে সেখানকার রাষ্ট্রব্যবস্থাকে ইসলামি আখ্যা দেওয়া নিছক বিভ্রান্তি। জনগণ মুসলিম হলেই রাষ্ট্র ইসলামি, এটা কোনো অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক নয়। আর এসব রাষ্ট্র ইসলাম অনুযায়ী শাসিতও নয়; বরং তাদের সংবিধান ও আইনেই স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে তারা শাসনব্যবস্থায় পশ্চিমা পদ্ধতি অনুসরণ করে। আর এসব আইনও ইসলামের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়; এর কিছু বিধান ইসলামের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, আবার কিছু বিধান ইসলামের পরিপন্থী।
❤13👍2