ব্রাকের ইস্যুতে দুইটা কথা বলি
.
যেকোনো শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি হয় রাষ্ট্রের উপযোগী নাগরিক তৈরি করার জন্য। আমাদের রাষ্ট্রের যে সিলেবাস, সে সিলেবাস তৈরি করা হয়েছে লি*বা*রেল ও গ*ণ*তান্ত্রিক মূল্যবোধকে ধারণ করে তার উপযোগী নাগরিক তৈরি করার জন্য। ইসলামি ই*মা*রার উপযোগী নাগরিক নয়। আর ব্রাকে আজ যা হয়েছে এটাই লি*বা*রেল ও ডেমোক্রেসির আসল চিত্র! এটাই সংবিধানুযায়ী বৈধ ও একজন দেশের বৈধ সম্মানিত নাগরিক হওয়ার জন্য এই কাজ কোনো প্রতিবন্ধক নয়।
এবার যারা গ*ণ*তন্ত্রের ইসলামাইজেশনে নেমেছেন, তারা নিজেদের এই জাহালাতকে যত বুঝবেন ততই এই গভীর সমস্যার সমাধানের পথ খুজা সম্ভব হবে। অন্যাথায় গ*ণ*তন্ত্র ও লিবারেল মূল্যবোধকে ইসলামের আলোকে ব্যাখ্যা করে ইসলামাইজেশন করে ব্রাকের এগুলো দেখে মায়া কান্না করে কোনো লাভ নেই, এগুলো দেখে শুধুই হাসি পায়!
.
ব্রাকসহ এই যে দৈনিক বিভিন্ন সংকট দেখতে পাচ্ছি, হিন্দুত্ববাদের আক্রমন ও ফাহেশার যে তুফান ধেয়ে আসছে আমাদের উপর, এগুলো দেখেও যদি নিজের ইসলাহ করে উম্মাহের জন্য কিছু করার ব্যাপারে আরো বেশি অগ্রসর না হয়ে আসেন প্রত্যেকে যার যার জায়গা থেকে, তাহলে বিশ্বাস করেন আমার আপনার এই ফেসবুক পোষ্টগুলো শুধুই নিজেকে হাইলাইটস করা ও কিছু ভক্ত বৃন্দ যুগানো ছাড়া আর কিছুই না!
আসন্ন রমাজান মাস, তরুন আলেম ও দায়ী ভাইরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞা করি, এই মাসকে নিজের ইসলাহ ও সংশোধনের জন্য নিজেকে পূর্ণ ফারেগ করবো এবং পরবর্তী সময়তে তা ধরে রেখে উম্মাহের সংশোধনের জন্য নিজেকে আরো বেশি উজার করে দিবো৷
আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুক।
.
যেকোনো শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি হয় রাষ্ট্রের উপযোগী নাগরিক তৈরি করার জন্য। আমাদের রাষ্ট্রের যে সিলেবাস, সে সিলেবাস তৈরি করা হয়েছে লি*বা*রেল ও গ*ণ*তান্ত্রিক মূল্যবোধকে ধারণ করে তার উপযোগী নাগরিক তৈরি করার জন্য। ইসলামি ই*মা*রার উপযোগী নাগরিক নয়। আর ব্রাকে আজ যা হয়েছে এটাই লি*বা*রেল ও ডেমোক্রেসির আসল চিত্র! এটাই সংবিধানুযায়ী বৈধ ও একজন দেশের বৈধ সম্মানিত নাগরিক হওয়ার জন্য এই কাজ কোনো প্রতিবন্ধক নয়।
এবার যারা গ*ণ*তন্ত্রের ইসলামাইজেশনে নেমেছেন, তারা নিজেদের এই জাহালাতকে যত বুঝবেন ততই এই গভীর সমস্যার সমাধানের পথ খুজা সম্ভব হবে। অন্যাথায় গ*ণ*তন্ত্র ও লিবারেল মূল্যবোধকে ইসলামের আলোকে ব্যাখ্যা করে ইসলামাইজেশন করে ব্রাকের এগুলো দেখে মায়া কান্না করে কোনো লাভ নেই, এগুলো দেখে শুধুই হাসি পায়!
.
ব্রাকসহ এই যে দৈনিক বিভিন্ন সংকট দেখতে পাচ্ছি, হিন্দুত্ববাদের আক্রমন ও ফাহেশার যে তুফান ধেয়ে আসছে আমাদের উপর, এগুলো দেখেও যদি নিজের ইসলাহ করে উম্মাহের জন্য কিছু করার ব্যাপারে আরো বেশি অগ্রসর না হয়ে আসেন প্রত্যেকে যার যার জায়গা থেকে, তাহলে বিশ্বাস করেন আমার আপনার এই ফেসবুক পোষ্টগুলো শুধুই নিজেকে হাইলাইটস করা ও কিছু ভক্ত বৃন্দ যুগানো ছাড়া আর কিছুই না!
আসন্ন রমাজান মাস, তরুন আলেম ও দায়ী ভাইরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞা করি, এই মাসকে নিজের ইসলাহ ও সংশোধনের জন্য নিজেকে পূর্ণ ফারেগ করবো এবং পরবর্তী সময়তে তা ধরে রেখে উম্মাহের সংশোধনের জন্য নিজেকে আরো বেশি উজার করে দিবো৷
আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুক।
❤34👍11😁1
রমাজান উপলক্ষে আমরা প্রচুর পরিমান কুরআন পড়বো ইনশাআল্লাহ। কুরআনের খতম যত বেশি করা যায় ততই শুধু কল্যাণ। কুরআনের প্রতিটি খতমকে আমরা চাইলে বিভিন্ন নিয়তে পড়তে পারি, আল্লাহ আমার এই খতমের উসিলায় তুমি অমুক কাজটি করে দেও, অমুক নিয়ত পুরণ করে দেও ইত্যাদি। এবং প্রতি খতম শেষে নিয়তের বিষয়ের জন্য বিশেষভাবে দোয়া করবো। কারন কুরআন খতমের পর দোয়া কবুল হয়।
নিজের অন্যান্য অনেক প্রয়োজনীয় নিয়তের সাথে আমরা আরো বিশেষ যে কয়টি দিক সামনে রেখে কুরআন খতম করতে পারি—
*গাজার মুসলমানদের জন্য যেন আল্লাহ একজন সাহায্যকারী পাঠান, তাদের জন্য যেনো আসমান ও যমীনের সমস্ত খাজানা খুলে দেয়।
*উইগুর মুসলমানদের জন্য যেন আল্লাহ একজন সাহায্যকারী পাঠান।
*বাংলাদেশে হিন্দুত্ববাদি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আল্লাহ যেন এদেশের মুসলমানদের একজন যোগ্য আমিরের অধীন দান করেন।
*ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানকে আল্লাহ যেনো আরো শক্তিশালী করে এবং তাদের যেনো সমস্ত ফিতনা থেকে হিফাজত করে মুসলিম বিশ্বের সাহায্যে এগিয়ে আসার তাকফিক দান করে।
*সোমালিয়া,পাকিস্তানসহ বিশ্বের যেখানেই আমাদের মুসলিম ভাইরা কাফের আর তাগুতের বিরুদ্ধে লড়াইরত আছে আল্লাহ যেন তাদেরকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে নেন ও তাদের জন্য দুনিয়ার সকল আসবাব ও উপকরণ সহজ করে দেন এবং তাদের বিজয়কে তরান্বিত করেন।
এছাড়াও আরো বিভিন্ন নেক বিষয় সামনে রেখে আমরা কুরআন খতম করতে পারি।
নিজের অন্যান্য অনেক প্রয়োজনীয় নিয়তের সাথে আমরা আরো বিশেষ যে কয়টি দিক সামনে রেখে কুরআন খতম করতে পারি—
*গাজার মুসলমানদের জন্য যেন আল্লাহ একজন সাহায্যকারী পাঠান, তাদের জন্য যেনো আসমান ও যমীনের সমস্ত খাজানা খুলে দেয়।
*উইগুর মুসলমানদের জন্য যেন আল্লাহ একজন সাহায্যকারী পাঠান।
*বাংলাদেশে হিন্দুত্ববাদি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আল্লাহ যেন এদেশের মুসলমানদের একজন যোগ্য আমিরের অধীন দান করেন।
*ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানকে আল্লাহ যেনো আরো শক্তিশালী করে এবং তাদের যেনো সমস্ত ফিতনা থেকে হিফাজত করে মুসলিম বিশ্বের সাহায্যে এগিয়ে আসার তাকফিক দান করে।
*সোমালিয়া,পাকিস্তানসহ বিশ্বের যেখানেই আমাদের মুসলিম ভাইরা কাফের আর তাগুতের বিরুদ্ধে লড়াইরত আছে আল্লাহ যেন তাদেরকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে নেন ও তাদের জন্য দুনিয়ার সকল আসবাব ও উপকরণ সহজ করে দেন এবং তাদের বিজয়কে তরান্বিত করেন।
এছাড়াও আরো বিভিন্ন নেক বিষয় সামনে রেখে আমরা কুরআন খতম করতে পারি।
❤48🥰4🔥1
রমাজান মাস হলো রূহানিয়াত অর্জনের মাস। ইসলামকে বিজয়ের স্বপ্ন দেখা প্রতিটি দায়ী ও আলেমের জন্য এই মাসকে অন্য সকল কাজ থেকেও নিজের রূহানী শক্তি অর্জনের পিছনেই বেশি সময় ব্যয় করা উচিত। কুরআন তিলাওয়াত, ব্যক্তিগত জিকির, দরুদের আমলের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব, কোনো আল্লাহ ওয়ালার সাথে বিশেষ সম্পর্ক। তবে রমাজানে রুহানিয়াতের সবচেয়ে বড়তম একটি মাধ্যম হলো ইতিকাফের আমল। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মতের সবচেয়ে বড় আলেম, সবচেয়ে বড় দায়ী, উম্মতের ব্যাথায় সবচেয়ে বেশি কাতর, তারপরও প্রতি রমাজানে ইতিকাফ করতেন।
তাই, ইসলামকে বিজয়ী দেখা, হিন্দুত্ববাদী আগ্রাসন থেকে এদেশের মুসলমানদের মুক্ত করতে চাওয়া প্রতিটি মুমিন ও দায়ীদের উচিত রমাজানে নিজেকে অন্য কাজে ব্যস্ত না করে রূহানী শক্তি অর্জনের পিছনে বেশি সময় দেয়া ও এটা নিয়েই ফিকর করা। আর নিজের উপর এটা আবশ্যক করে নেয়া যে, আমি অবশ্যই ইতিকাফ করবো ইনশাআল্লাহ।
তাই, ইসলামকে বিজয়ী দেখা, হিন্দুত্ববাদী আগ্রাসন থেকে এদেশের মুসলমানদের মুক্ত করতে চাওয়া প্রতিটি মুমিন ও দায়ীদের উচিত রমাজানে নিজেকে অন্য কাজে ব্যস্ত না করে রূহানী শক্তি অর্জনের পিছনে বেশি সময় দেয়া ও এটা নিয়েই ফিকর করা। আর নিজের উপর এটা আবশ্যক করে নেয়া যে, আমি অবশ্যই ইতিকাফ করবো ইনশাআল্লাহ।
❤23
একজন মুমিন এমনি হবে, যত অত্যাচার আসবে তত তার ঈমান বৃদ্ধি পাবে! বহুদিন পর অনলাইনে এত দীর্ঘ বয়ান শুনলাম। আল্লাহ গুনবি সাহেবের ঈমানকে আরো বৃদ্ধি করে দেন। https://youtu.be/Xw_0S_Ux4YY?si=5oaRkAs3CDhCCazB
❤24
ইবরাহিম আ.-এর এই দোয়ার বরকতে আল্লাহ হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মত মহান নবি দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন, যিনি সমস্ত মানবকে শিরক ও তাগুতের অত্যাচার থেকে দুনিয়াকে মুক্তি দিয়েছিলেন। আজ পুরো দুনিয়ায় লিবারেলিজম, সেকুলারিজম ইত্যাদি শিরোনামে পুরো দুনিয়ায় শয়তান আর তার দোশরদের রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত, প্রতিটি মুসলিম জনপদ আজ বিধ্বস্ত! আমাদের ভুখণ্ডের উপর তুমুল বেগে ধেয়ে আসছে হিন্দুত্ববাদিদের আগ্রাসান, এই মুহুর্তে আমাদেরও দরকার একজন মুহাম্মদের যিনি শেষ নবী মুহাম্মদের হবে যোগ্য উত্তরসূরী ও মুসলিমদের জন্য ত্রাণকর্তা।
তাই এই মুবারক দোয়াটুকু উপরের অনুভূতিসহ খুব পাঠ করু, প্রতি মুনাজাতে পড়ি। আল্লাহ তাওফিক দাতা।
ছবি: তাফসিরে উসমানি, রাহনুমা
তাই এই মুবারক দোয়াটুকু উপরের অনুভূতিসহ খুব পাঠ করু, প্রতি মুনাজাতে পড়ি। আল্লাহ তাওফিক দাতা।
ছবি: তাফসিরে উসমানি, রাহনুমা
❤20👍1
ইতেকাফের প্রস্তুতি এখন থেকেই শুরু করি
.
পবিত্র রমাজান মাসের অন্যতম বিশেষ একটি আমল হলো ইতেকাফ করা। সৃষ্টির সাথে সকল সম্পর্ক ছিন্ন করে রবের সাথে সম্পর্ক গভির করার একটি অন্যতম মাধ্যম হলো ইতেকাফ। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলো এই মহান বিধানটি নিয়ে আমাদের গাফলতের কোনো শেষ নেই! সাধারণ মুমিন তো আছেই অনেক দায়ী ও আলেম-তালেবে ইলমদেরও এই বিধানটি পালনে অনাগ্রহী দেখা যায়! এমন বহু দীনদরদি ভাই আছেন যিনি পুরো জীবনে একবারও ইতেকাফ করেননি! হায় আফসোস!!
অথচ উম্মতের সবচেয়ে বড় আলেম, সবচেয়ে বড় দায়ী, দীন রক্ষার সবচেয়ে ভড় জিম্মাদার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনে কখনোই ইতেকাফ ছুটেনি!
এজন্য দীনের দায়ী ভাই যারা আছি, যারা দীনের বিজয়ের স্বপ্ন দেখি, চাই তিনি জেনারেল হোন বা তালেবে ইলম বা আলেম, তারা নিজেদের জন্য এই ইতেকাফকে আবশ্যক করে নেই। সকল ব্যস্ততা গুছিয়ে ফেলি সামনের এই সাতআটদিনের মধ্যে। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুক। আমীন।
.
পবিত্র রমাজান মাসের অন্যতম বিশেষ একটি আমল হলো ইতেকাফ করা। সৃষ্টির সাথে সকল সম্পর্ক ছিন্ন করে রবের সাথে সম্পর্ক গভির করার একটি অন্যতম মাধ্যম হলো ইতেকাফ। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলো এই মহান বিধানটি নিয়ে আমাদের গাফলতের কোনো শেষ নেই! সাধারণ মুমিন তো আছেই অনেক দায়ী ও আলেম-তালেবে ইলমদেরও এই বিধানটি পালনে অনাগ্রহী দেখা যায়! এমন বহু দীনদরদি ভাই আছেন যিনি পুরো জীবনে একবারও ইতেকাফ করেননি! হায় আফসোস!!
অথচ উম্মতের সবচেয়ে বড় আলেম, সবচেয়ে বড় দায়ী, দীন রক্ষার সবচেয়ে ভড় জিম্মাদার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনে কখনোই ইতেকাফ ছুটেনি!
এজন্য দীনের দায়ী ভাই যারা আছি, যারা দীনের বিজয়ের স্বপ্ন দেখি, চাই তিনি জেনারেল হোন বা তালেবে ইলম বা আলেম, তারা নিজেদের জন্য এই ইতেকাফকে আবশ্যক করে নেই। সকল ব্যস্ততা গুছিয়ে ফেলি সামনের এই সাতআটদিনের মধ্যে। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুক। আমীন।
❤34🥰2
আকসা জ্বলছে, জ্বলছে সেখানের লাখো মানুষ, জ্বলছে সাথে পুরো পৃথিবীর হাজারো মুসলিমদের অন্তর! দূর্বল মুমিন কিছু না করতে পেরে দু হাত তুলে আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করছে! কিন্তু আসছে না আল্লাহর দরবার থেকে কোনো নুসরাহ! অন্তর পেরেশান, বিভিষিকাময় মৃত্যুর একেকটি দৃশ্য কলিজা ছিড়ে ফেলছে! কিন্তু আসছে না, আল্লাহর কোনো গায়েবি সাহায্য!
আসলে বাস্তবতা হলো, আল্লাহর নুসরাহ এভাবে আসে না, কারণ আমরা আবরাহার যুগে নেই! আমরা হলাম সর্বশেষ নবির উম্মত, যাদের উপর দীনের দাওয়াত, আমর বিল মারুফ ও জিহাদের বিধানের মত মহান সব দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমেই মূলত আল্লাহ এই উম্মাহকে নুসরাত ও গায়েবি সাহায্যের ওয়াদা করেছে! অথচ আমরা এগুলো ছেড়ে দিয়েই বসে আছি আসমানের দিকে চেয়ে গায়েবি সাহায্যের!
যাইহোক, এগুলো এমন আলাপ যা আমরা অনেকেই প্রতিনিয়ত শুনি, কিন্তু আজ একটি বিষয় বলার ইচ্ছে হলো, একটি চিন্তা দীর্ঘদিন থেকেই মাথায় এলোমেলোভাবে শুধু ঘুরপাক খাচ্ছে, মনে হলো, মাথার বোঝাটা কোথাও বলে হালকা করি।
ফিলিস্তিনের বিষয়ে একটা নির্মম বাস্তবাত হলো, যেদিন থেকে আমরা আকসার থেকে বেশি সিরিয়ান মুজাহিদ আর সেখানের মানুষের জন্য বেশি চিন্তিত হবো ও সেখানের মুজাহিদের নুসরতের জন্য ফতোয়া সার্বজনীন ফতোয়া দিবো, তাঁদের জন্য সকল সম্পদ উতসর্গ করার ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয়ী হবো সেদিন থেকে আকসার আকাশের পরিবর্তন ধীরে ধীরে শুরু হবে। নির্মম আর তিতা হলেও এটাই সত্য! সিরিয়া আর সিরিয়ার মুজাহিদের হাতেই হবে আকসার মুক্তি, এছাড়া আর কারো হাতেই তা সম্ভব নয়, এই বাস্তবাতা আমাদের স্বীকার করতেই হবে, এবং এই বাস্তবতার উপরেই আমাদের উঠে আসতে হবে। মুসলমানদের চিরশত্রু ইরানের হাত ধরে নয়, নয় ফিলিস্তিনের পাশে থাকা, তুরষ্ক, জর্ডান বা লিবিয়ার মত মুসলিম নামধারী তাগুত, মুনাফিক বা দুনিয়ালোভি শাসকদের হাতে, আকসার মুসলমানদের মুক্তির একটাই পথ সিরিয়ায় মুসলমানদের বিজয়!
আর বেশি কিছু বলতে পারছি না, হাত শুধু থেমে থেমে আসছে! আল্লাহ আমাদের বাস্তবতা বুঝার তাওফিক দান করুক,
আসলে বাস্তবতা হলো, আল্লাহর নুসরাহ এভাবে আসে না, কারণ আমরা আবরাহার যুগে নেই! আমরা হলাম সর্বশেষ নবির উম্মত, যাদের উপর দীনের দাওয়াত, আমর বিল মারুফ ও জিহাদের বিধানের মত মহান সব দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমেই মূলত আল্লাহ এই উম্মাহকে নুসরাত ও গায়েবি সাহায্যের ওয়াদা করেছে! অথচ আমরা এগুলো ছেড়ে দিয়েই বসে আছি আসমানের দিকে চেয়ে গায়েবি সাহায্যের!
যাইহোক, এগুলো এমন আলাপ যা আমরা অনেকেই প্রতিনিয়ত শুনি, কিন্তু আজ একটি বিষয় বলার ইচ্ছে হলো, একটি চিন্তা দীর্ঘদিন থেকেই মাথায় এলোমেলোভাবে শুধু ঘুরপাক খাচ্ছে, মনে হলো, মাথার বোঝাটা কোথাও বলে হালকা করি।
ফিলিস্তিনের বিষয়ে একটা নির্মম বাস্তবাত হলো, যেদিন থেকে আমরা আকসার থেকে বেশি সিরিয়ান মুজাহিদ আর সেখানের মানুষের জন্য বেশি চিন্তিত হবো ও সেখানের মুজাহিদের নুসরতের জন্য ফতোয়া সার্বজনীন ফতোয়া দিবো, তাঁদের জন্য সকল সম্পদ উতসর্গ করার ব্যাপারে দৃঢ় প্রত্যয়ী হবো সেদিন থেকে আকসার আকাশের পরিবর্তন ধীরে ধীরে শুরু হবে। নির্মম আর তিতা হলেও এটাই সত্য! সিরিয়া আর সিরিয়ার মুজাহিদের হাতেই হবে আকসার মুক্তি, এছাড়া আর কারো হাতেই তা সম্ভব নয়, এই বাস্তবাতা আমাদের স্বীকার করতেই হবে, এবং এই বাস্তবতার উপরেই আমাদের উঠে আসতে হবে। মুসলমানদের চিরশত্রু ইরানের হাত ধরে নয়, নয় ফিলিস্তিনের পাশে থাকা, তুরষ্ক, জর্ডান বা লিবিয়ার মত মুসলিম নামধারী তাগুত, মুনাফিক বা দুনিয়ালোভি শাসকদের হাতে, আকসার মুসলমানদের মুক্তির একটাই পথ সিরিয়ায় মুসলমানদের বিজয়!
আর বেশি কিছু বলতে পারছি না, হাত শুধু থেমে থেমে আসছে! আল্লাহ আমাদের বাস্তবতা বুঝার তাওফিক দান করুক,
❤24👍3
হিউম্যানিজম_এক_মুলহিদানা_আকিদা.pdf
2.6 MB
হিউম্যান রাইটস, মানবধিকার—ইত্যাদি সুন্দর সুন্দর শিরোনামে পশ্চিমা সভ্যতার ধারকবাহকরা মুসলমানদের মাঝে কত ভয়ংকর সব কুফরের প্রচার করছে আর পরিভাষাগুলোর সঠিক মর্ম না বুঝার কারণে কত মুসলমান এমনকি কত আলেমগণ কী ধোকায় না লিপ্ত! কেউ কেউ তো এটাও বলেন হিউম্যানিটির ধারণা তো ইসলামই সর্বপ্রথম পেশ করেছে! বিদায় হজের ভাষন ছিলো মানবিধাকের উৎস! নাউজুবিল্লাহ! হায় মুসলমান শাব্দিক কিছু মিলের কারনে কত বড় কুফরি বলে যাচ্ছি! কত উদাসিন আজ আমরা!
এ কুফরির ভয়াবহতা সম্পর্কে আলহামদুলিল্লাহ স্বল্প হলেও আলেমরা ও বিভিন্ন দায়ী ভাইরা লেখছেন। সম্প্রতী পাকিস্তানের অন্যতম গ্রহণযোগ্য ও শ্রেষ্ঠতম প্রতিষ্ঠান জামিয়া ইসলামিয়া বানুরীটাউনের মুখপাত্র "মাসিক বাইয়িনাতে" মাওলানা মুহাম্মদ আহমদ হাফেজ নামক এক আলেমের দুই পর্বের একটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয় "হিউম্যানিজম আউর হিউম্যান রাইটস; মুলহিদানা আফকার কা তায়েরানা মুতালাআ" নামে। চমৎকার এই প্রবন্ধটি আমি প্রতিটি তালেবে ইলম ও আলেমকে পড়ার জন্য 'পা'ধরা অনুরোধ করবো। আল্লাহর ওয়াস্তে সময়ের এই ভয়ংকর কুফরি সম্পর্কে জানুন ও উম্মতকে জানান।
এ কুফরির ভয়াবহতা সম্পর্কে আলহামদুলিল্লাহ স্বল্প হলেও আলেমরা ও বিভিন্ন দায়ী ভাইরা লেখছেন। সম্প্রতী পাকিস্তানের অন্যতম গ্রহণযোগ্য ও শ্রেষ্ঠতম প্রতিষ্ঠান জামিয়া ইসলামিয়া বানুরীটাউনের মুখপাত্র "মাসিক বাইয়িনাতে" মাওলানা মুহাম্মদ আহমদ হাফেজ নামক এক আলেমের দুই পর্বের একটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয় "হিউম্যানিজম আউর হিউম্যান রাইটস; মুলহিদানা আফকার কা তায়েরানা মুতালাআ" নামে। চমৎকার এই প্রবন্ধটি আমি প্রতিটি তালেবে ইলম ও আলেমকে পড়ার জন্য 'পা'ধরা অনুরোধ করবো। আল্লাহর ওয়াস্তে সময়ের এই ভয়ংকর কুফরি সম্পর্কে জানুন ও উম্মতকে জানান।
🔥10❤8🥰1
Abdullah bin bashir
হিউম্যানিজম_এক_মুলহিদানা_আকিদা.pdf
আলহামদুলিল্লাহ, বাংলাভাষার অন্যান্য পাঠকের প্রতি লক্ষ্য রেখে আমি প্রবন্ধটির দুই পর্বই নিজের মত করে অনুবাদ করেছি। ইনশাআল্লাহ খুব শীঘ্রই তা প্রকাশ করবো। সকলের কাছে দোয়া চাই, আল্লাহ যেনো কাজটি কবুল করে। এই সামান্যকাজটুকু আমার আখিরাতে নাজাতের উসিলা হয়।
❤33👍5✍1
Forwarded from Kaisar Ahmad (E+G+E)
ইয়াহুদিদের_লাল_গরু_বৃত্তান্ত_ও_আল_আ_কে_তৃ_্পল_নির্মাণ_এবং_দাজ্জালের.pdf
5.7 MB
ইয়াহুদিদের লাল গরু বৃত্তান্ত ও আল আ...কে তৃ...্পল নির্মাণ এবং দাজ্জালের আগমন- কায়সার আহমেদ.pdf
❤18
চেতনা প্রকাশন থেকে সদ্য প্রকাশিত প্রচলিত ইসলামি ব্যাংকিং বইয়ের শেষে বানুরীটাউনের বর্তমান ইফতা বিভাগের জিম্মাদার মুফতি রফিক আহমেদ বালাকোটি সাহেবের একটি গুরুত্বপূর্ণ লেখা যুক্ত করা হয়েছে। লেখাটি ইসলামি ব্যাংকের প্রবক্তাদের অসংখ্য প্রশ্নের উত্তর হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। বিশেষত, ব্যাংক নিয়ে কথা বললেই যারা ‘বিকল্প দেখান’ বলে একটা অজুহাত দাঁড় করিয়ে রেখেছে তাদের জন্য এটা অনেক বড় একটি হাদিয়া।
❤30
আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের মাদরাসাতু আলী রা.তে রমাজান পরবর্তী শিক্ষাবর্ষে ইফতা বিভাগে মেহনতী, এক বছরের জন্য নিজেকে ওয়াকফ করবে এমন সীমিতি কিছু তালেবে ইলম ভাইদের দাখেলা নেয়া হবে। আসন সংখ্যা ১২ থেকে সর্বোচ্চ পনেরোজন। ৭ শাওয়াল দাখেলা ইমতিহান হবে।
এবং মাদানী নেসাব প্রথম বর্ষেও ২০ থেকে সর্বোচ্চ ৩০ জনের মত স্বল্প কিছু তালেবে ইলম ভাইদের দাখেলা নেয়া হবে।
সকল দোস্ত-আহবাবদের কাছে খাসভাবে দোয়া চাই। আল্লাহ যেনো আমাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠানে কিছু মেহনতি, যোগ্য ও প্রকৃত ওয়ারেসে নবী হতে ইচ্ছুক এমন তালেবে ইলমের ব্যবস্থা করে দেন, যারা তাফাক্কুহ ফিদ্দিন অর্জন করে এই বিশাল সংকটের মুহূর্তে উম্মতকে সঠিক পথ ও পদ্ধতিতে রাহনুমা করতে পারে।
এবং মাদানী নেসাব প্রথম বর্ষেও ২০ থেকে সর্বোচ্চ ৩০ জনের মত স্বল্প কিছু তালেবে ইলম ভাইদের দাখেলা নেয়া হবে।
সকল দোস্ত-আহবাবদের কাছে খাসভাবে দোয়া চাই। আল্লাহ যেনো আমাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠানে কিছু মেহনতি, যোগ্য ও প্রকৃত ওয়ারেসে নবী হতে ইচ্ছুক এমন তালেবে ইলমের ব্যবস্থা করে দেন, যারা তাফাক্কুহ ফিদ্দিন অর্জন করে এই বিশাল সংকটের মুহূর্তে উম্মতকে সঠিক পথ ও পদ্ধতিতে রাহনুমা করতে পারে।
❤19👍6
দুই অঙ্গনের দুজন মহব্বতের মানুষ,
দুজনের পক্ষ থেকে সময়ের অতি প্রয়োজনীয় দুটো বই,
দুজনই লিখিত বিষয় দুটোতে অভিজ্ঞ ও শাস্ত্রজ্ঞ!
সংগ্রহের প্রথম তালিকায় থাকা দুটো বই,
এতসব গুণের দুটো বইয়ের লেখকদ্বয়ের পক্ষ থেকে হাদিয়া এসেছে। আল্লাহ লেখকদ্বয়দের কবুল করে নিক, বইদুটোকে উম্মাহের জন্য ব্যাপকভাবে কবুল করে নিক। আমীন।
দুজনের পক্ষ থেকে সময়ের অতি প্রয়োজনীয় দুটো বই,
দুজনই লিখিত বিষয় দুটোতে অভিজ্ঞ ও শাস্ত্রজ্ঞ!
সংগ্রহের প্রথম তালিকায় থাকা দুটো বই,
এতসব গুণের দুটো বইয়ের লেখকদ্বয়ের পক্ষ থেকে হাদিয়া এসেছে। আল্লাহ লেখকদ্বয়দের কবুল করে নিক, বইদুটোকে উম্মাহের জন্য ব্যাপকভাবে কবুল করে নিক। আমীন।
🥰42❤28🔥4👍3
"ত্রিশ হাজার শহীদ, সত্তর হাজার আহত এবং বিশ লক্ষ গৃহহীন ফিলিস্তিনি যদি উম্মাহকে জাগাতে না পারে, তাহলে আমার কথা (খুতবাহ) কী প্রভাব ফেলবে? আমি আর কী বলবো এবং কাকে বলবো? আপনারা কাতার সোজা করুন, নামাজে দাঁড়াই।"
ফিলিস্তিনি শায়খ মাহমুদ আল হাসানাত তাঁর সংক্ষিপ্ততম খুতবায়
©
ফিলিস্তিনি শায়খ মাহমুদ আল হাসানাত তাঁর সংক্ষিপ্ততম খুতবায়
©
😢64💔13❤1
প্রচন্ড গরম পড়ছে, সকলের অবস্থাই বেশ খারাপ, এই গরমের প্রচণ্ডতা থেকে বাঁচতে অনেক ভাই ধুমছে ফ্রিজের ঠাণ্ডা পানি খাচ্ছেন, যেটাকে আমি খুবই বাজে কাজ মনে করি, এটা আপনাকে গরম থেকে সাময়িক বাচালেও আরো বিভিন্ন ক্ষতি বয়ে আনবে। তাহলে এই তীব্র গরমে কী করবেন? এক্ষেত্রে আমার ছোট্ট অভিজ্ঞতার আলোকে পরামর্শ হলো, মাটির কলস। মাটির কলসে পানি রেখে খান, দেখবেন তীব্র গরমেও পানি একদম শীতল থাকবে। এবং মাটির কারনে অনেক জীবানুও মুক্ত থাকবে।
❤24👍2
মুসলিম সমাজের বিবর্তনিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া আর রূপান্তরের মধ্য দিয়ে তৈরী হওয়া যে স্বভাবজাত নিজস্ব সংকট
আর অপরদিক কুফ্ফারের স্বার্থগত উন্মাদনার মধ্য দিয়ে সৃষ্ট ব্যবস্থাকে মুসলিম সমাজে আরোপ করার সংকট- এ দুটো বিষয় এক নয়।
ইসলামের মূদ্রানীতিতে স্বর্ণ-রৌপ্য আর 'ফুলুসে নাফেকা'র কয়েনের মাঝে ফিকহি সাদৃশ্য আর বৈসাদৃশ্যের আলাপ কোনোভাবেই প্রচলিত বৈশ্বিক মুদ্রাব্যবস্থার সঙ্গে ইসলামি মুদ্রানীতির সঙ্গে সাদৃশ্য এবং বৈসাদৃশ্যের বয়ান সর্বদিক থেকে এক হতে পারে না।
দুটো বিষয়ের পটভুমি প্রেক্ষাপট এক না।
আমরা বলছিনা বর্তমান মুদ্রানীতি ও পদ্ধতি পুরোটাই শুধুমাত্র কন্সপাইরেসির ফসল। কিন্তু দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি, কুচক্রী গোপনশক্তি সামাজিক সংকট থেকে ফায়দা হাসিল করতে তাদের হীন স্বার্থে বরাবরই কন্সপাইরেসি করেছে। প্রচলিত মুদ্রাবিজ্ঞান, মুদ্রানীতি, মুদ্রাব্যবস্থা হলো বিবর্তনিক আর্থসামাজিক সংকট ও সুবিধাবাদী দাজ্জালিচক্রের কন্সপাইরেসির অনাকাঙ্ক্ষিত সহবাসের ফসল।
প্লাবনে গাঁ ভেসে যাচ্ছে, ওলামাদের ফিকহি ইজতিহাদ তৎক্ষনাৎ আত্মরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় কৌশল প্রস্তাবনা করেছে। দ্বীনের মৌলিক ثوابت কে ধারণ করেই সাময়িক ضرورة এর সাথে সমন্বয় করেছে।
আফসোস তাদের জন্য যারা এটাকে স্থায়ী মনে করেছে। প্লাবনের মূল কারণ চিহ্নিতকরণ ও তার রহস্য উদঘাটনে ব্রতী হলেন না। সাময়িক সিস্টেমের গড্ডালিকায় নিজেরই ভেসে গেলেন।
আফসোস তাদের জন্যও, যারা ইজতিহাদের সাধনাকে পাত্তাই দিলেন না। যে ইজতিহাদ মুসলিম সমাজের অস্থিরতাকে সাময়িক কিছুটা উপশম করেছে।
যদিও তা রুখসত যার চেয়ে আযীমতই অগ্রাধিকার হওয়ার কথা। সে আযীমতের পথই দেখাচ্ছে বৈশ্বিক প্রতিরোধকামী ইসলামি শক্তি বা তায়েফায়ে মানছুরাহ্। তাত্ত্বিকভাবে যারা এ আযীমতকে প্রমোট করছে সংখ্যায় তারা কম কিন্তু দিনশেষে তারাই বিজয়ী হবে।
উম্মাহ্ এখন নিরীহ অবস্থায় নেই, তায়েফায়ে মানছুরাহ্'র সীমানা বাড়ছে, গ্লোবাল ব্যবস্থার যুগ শেষে উত্তরাধুনিকতার যুগ শুরু হয়ে গেছে অনেক পশ্চিমাদের ভাষায়।
সংস্কারবাদী চিন্তকদের জন্য সু-সংবাদ আছে স্বয়ং শাইখুল ইসলাম আল্লামা ত্বকী উসমানির মুদ্রা-সংক্রান্ত লেখাতেই।
أن هذا النظام لم ترس قواعده بعد، كنظام أبدي خالد، وهنالك أصوات في كل بلد، للعودة إلى جعل الذهب كأساس للنظام المالي، حتى وللعودة إلى "قاعدة سبائك الذهب" فإن الدول لا تزعم أنفسها مستغنية عن الذهب إطلاقا، بل تجتهد للإكثار من رصائدها الذهبية كأوثق احتياطي يفيدها في انقلابات الظروف المتغيرة
শাইখ বলেন ;
স্থায়ী ব্যবস্থা হিসেবে স্বীয় মৌলিক নীতিমালা তৈরী করতে পারেনি বিদ্যমান এ সিস্টেম এবং স্বর্ণের দিকে প্রত্যাবর্তনের আওয়াজ সর্বত্র....
©শায়খ হারুন ইজহার হাফিজাহুল্লাহ
আর অপরদিক কুফ্ফারের স্বার্থগত উন্মাদনার মধ্য দিয়ে সৃষ্ট ব্যবস্থাকে মুসলিম সমাজে আরোপ করার সংকট- এ দুটো বিষয় এক নয়।
ইসলামের মূদ্রানীতিতে স্বর্ণ-রৌপ্য আর 'ফুলুসে নাফেকা'র কয়েনের মাঝে ফিকহি সাদৃশ্য আর বৈসাদৃশ্যের আলাপ কোনোভাবেই প্রচলিত বৈশ্বিক মুদ্রাব্যবস্থার সঙ্গে ইসলামি মুদ্রানীতির সঙ্গে সাদৃশ্য এবং বৈসাদৃশ্যের বয়ান সর্বদিক থেকে এক হতে পারে না।
দুটো বিষয়ের পটভুমি প্রেক্ষাপট এক না।
আমরা বলছিনা বর্তমান মুদ্রানীতি ও পদ্ধতি পুরোটাই শুধুমাত্র কন্সপাইরেসির ফসল। কিন্তু দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি, কুচক্রী গোপনশক্তি সামাজিক সংকট থেকে ফায়দা হাসিল করতে তাদের হীন স্বার্থে বরাবরই কন্সপাইরেসি করেছে। প্রচলিত মুদ্রাবিজ্ঞান, মুদ্রানীতি, মুদ্রাব্যবস্থা হলো বিবর্তনিক আর্থসামাজিক সংকট ও সুবিধাবাদী দাজ্জালিচক্রের কন্সপাইরেসির অনাকাঙ্ক্ষিত সহবাসের ফসল।
প্লাবনে গাঁ ভেসে যাচ্ছে, ওলামাদের ফিকহি ইজতিহাদ তৎক্ষনাৎ আত্মরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় কৌশল প্রস্তাবনা করেছে। দ্বীনের মৌলিক ثوابت কে ধারণ করেই সাময়িক ضرورة এর সাথে সমন্বয় করেছে।
আফসোস তাদের জন্য যারা এটাকে স্থায়ী মনে করেছে। প্লাবনের মূল কারণ চিহ্নিতকরণ ও তার রহস্য উদঘাটনে ব্রতী হলেন না। সাময়িক সিস্টেমের গড্ডালিকায় নিজেরই ভেসে গেলেন।
আফসোস তাদের জন্যও, যারা ইজতিহাদের সাধনাকে পাত্তাই দিলেন না। যে ইজতিহাদ মুসলিম সমাজের অস্থিরতাকে সাময়িক কিছুটা উপশম করেছে।
যদিও তা রুখসত যার চেয়ে আযীমতই অগ্রাধিকার হওয়ার কথা। সে আযীমতের পথই দেখাচ্ছে বৈশ্বিক প্রতিরোধকামী ইসলামি শক্তি বা তায়েফায়ে মানছুরাহ্। তাত্ত্বিকভাবে যারা এ আযীমতকে প্রমোট করছে সংখ্যায় তারা কম কিন্তু দিনশেষে তারাই বিজয়ী হবে।
উম্মাহ্ এখন নিরীহ অবস্থায় নেই, তায়েফায়ে মানছুরাহ্'র সীমানা বাড়ছে, গ্লোবাল ব্যবস্থার যুগ শেষে উত্তরাধুনিকতার যুগ শুরু হয়ে গেছে অনেক পশ্চিমাদের ভাষায়।
সংস্কারবাদী চিন্তকদের জন্য সু-সংবাদ আছে স্বয়ং শাইখুল ইসলাম আল্লামা ত্বকী উসমানির মুদ্রা-সংক্রান্ত লেখাতেই।
أن هذا النظام لم ترس قواعده بعد، كنظام أبدي خالد، وهنالك أصوات في كل بلد، للعودة إلى جعل الذهب كأساس للنظام المالي، حتى وللعودة إلى "قاعدة سبائك الذهب" فإن الدول لا تزعم أنفسها مستغنية عن الذهب إطلاقا، بل تجتهد للإكثار من رصائدها الذهبية كأوثق احتياطي يفيدها في انقلابات الظروف المتغيرة
শাইখ বলেন ;
স্থায়ী ব্যবস্থা হিসেবে স্বীয় মৌলিক নীতিমালা তৈরী করতে পারেনি বিদ্যমান এ সিস্টেম এবং স্বর্ণের দিকে প্রত্যাবর্তনের আওয়াজ সর্বত্র....
©শায়খ হারুন ইজহার হাফিজাহুল্লাহ
❤14👍3
সম্ভবত ২৮ রমাজানের ফজরের পরের কথা। স্বপ্নে দেখতেছি, আমি মসজিদে নববিতে ফজর পড়তে যাচ্ছি, নীচ তলায় জায়গা না পেয়ে ২৩ নাম্বার গেটের সিড়ি দিয়ে ছাদের দিকে যাচ্ছিলাম, হঠাৎ দূর থেকে দুটো কালো পাগড়ি দেখে চমকে উঠলাম, স্বপ্নের মাঝেই বুঝতেছিলাম আমার বুকের ধুকধুকানি বেড়ে গেছে, দ্রুত ভীড় ঠেলে সেদিকে গেলাম, যা সন্দেহ করলাম তাই, দুজন আফগান শান্ত ভঙ্গিতে ফজরের জামাত ধরার জন্য ছাদের দিকে যাচ্ছে। ছুটলাম তাদের পিছনে এক অজানা শংকা নিয়ে—এরা আফগান সাধারণ জনগন না... !
স্বপ্নটা এতটা বাস্তব ছিলো যার রেশ আমার মনে এখনো রয়ে গেছে। এরপর দেখলাম আমি তাদের সাথে দাঁড়িয়েই ফজর পড়লাম। সলাত শেষ করেই উত্তেজনা ধরে রাখতে না পেরে তাদেরকে সালাম দিয়ে মুসাফা করলাম, জিজ্ঞাসা করলাম, আপনারা কী ইমারাত ইসলামিয়া থেকে এসেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ’ খুব সুন্দর একটি মুসকি দিয়ে একজন বললেন। স্বপ্নে দেখা হাসির সে সৌন্দর্যতা আমি এখনো অনুভব করি।
‘আপনারা উর্দু জানেন’ জিজ্ঞাসা করলে তারা না সূচক জবাব দিলো। মনটা একদম খারাপ হয়ে গেলো। বললাম আরবী পারেন কি না, বললো অল্প কিছু পারি। স্বপ্নের ভিতর কিছু প্রশ্নের একধরনের তাড়াহুড়ো অনুভব করলাম, যে প্রশ্নগুলোর উত্তর জেগে থেকে বারবার জানতে চাই, সে প্রশ্নগুলোই স্বপ্নে ভীড় করতে থাকলো মনে। প্রথমেই জিজ্ঞাসা করলাম আপনারা কী তা-লে*বা]ন? একে অপরের দিকে তাকিয়ে হাসলো, আমাকে জিজ্ঞাসা করলো আপনি কী করেন, বললাম, একটি মাদরাসায় পড়াই। খুব খুশি হলো তারা। একজন বললো, জি, আলহামদুলিল্লাহ, আমরা সেটা যা আপনি জিজ্ঞাসা করেছেন।
যদি বাস্তবে সাক্ষাত হতো, তাহলে কী করতাম জানি না, স্বপ্নের ভিতর আমি সরাসরি জিজ্ঞাসা করলাম, আপনাদের সাথে আল-কা*য়*দার সম্পর্ক কী, আমাদের দেশের একদল আলেম, যাদের মধ্যে অনেক মুখলিস মানুষও আছে, তারা বলে থাকে, আপনারা সঠিক তবে তারা গোমরাহ। এটা শুনে দুজনই ইন্না-লিল্লাহ পড়লো, আফসোস করলো দীর্ঘক্ষণ! আমি স্বপ্নের বেশ অবাক হলাম, তারা এত বেশি ইন্না-লিল্লাহ আর নাউজুবিল্লাহ কেন পড়তেছে! একজন বললো, আলহামদুলিল্লাহ আমাদের এই দুইজামাতের মাঝে কোনো পার্থক্য নেই, আমরা উভয়েই একই আমীরের হাতে বাইয়াতবদ্ধ। আমাদের উভয়েরই উদ্দেশ্য এক, ইলায়ে কালিমাতুল্লাহ, হাঁ তবে আমরা বিভিন্ন মাসলাহাতের কারনে নিজেদের সম্পর্ককে গোপন রাখি এতটুকুই। এরপর স্বপ্নে আরো কিছু কথা হলো, যা মনে নেই এখন। পাশের আরেকজন বললো, আপনাদের দেশের কিছু আলেমদের এই অবস্থান বড় দুঃখজনক!
আমি খুব দ্রুত জিজ্ঞাসা করলাম, তাহলে টি*টি-পি*কে কী আপনারা সঠিক মনে করেন? দুজনই আমার প্রশ্ন শুনে হেসে দিলো, হাসির মাঝে আমার প্রশ্ন শুনে খুব মজা পেয়েছে এমন একটা ভাব ছিলো। একজন বললো, তারা তো আমাদেরই একটি জামাত, এই জামাতের অর্ধেকের মত তো আমাদেরই আফগান সাথী! আমি আবারো বললাম, তাহলে একদল আলেম কেন আপনাদের কেন সঠিক বলে আর তাদেরকে ভুল? সে আবারো আফসোস করতে লাগলো, এবার আরো বেশি দুঃখ নিয়ে। স্বপ্নের মাঝে আমি তাদের দুজনের দুঃখ দেখে পেরেশান হলাম, তারা কেন এমন কষ্ট পাচ্ছে আমার প্রশ্নগুলো শুনে। এরমাঝেই লক্ষ্য করলাম এশরাকের সময় হয়ে গেছে, তারা এশরাকের নামাজে দাঁড়িয়ে গেলো আর আমি মসজিদে নববীর ছাদে বসে দেশের ঐ সকল আলেমদের জন্য খুব ব্যথিত মনে সবুজ গম্বুজের দিকে চেয়ে আছি, এমন মধুর সময়ে হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে গেলো! খেয়াল করে দেখলাম, আমি নিজের বিছানায় শুয়ে আছি!
স্বপ্নটা এতটা বাস্তব ছিলো যার রেশ আমার মনে এখনো রয়ে গেছে। এরপর দেখলাম আমি তাদের সাথে দাঁড়িয়েই ফজর পড়লাম। সলাত শেষ করেই উত্তেজনা ধরে রাখতে না পেরে তাদেরকে সালাম দিয়ে মুসাফা করলাম, জিজ্ঞাসা করলাম, আপনারা কী ইমারাত ইসলামিয়া থেকে এসেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ’ খুব সুন্দর একটি মুসকি দিয়ে একজন বললেন। স্বপ্নে দেখা হাসির সে সৌন্দর্যতা আমি এখনো অনুভব করি।
‘আপনারা উর্দু জানেন’ জিজ্ঞাসা করলে তারা না সূচক জবাব দিলো। মনটা একদম খারাপ হয়ে গেলো। বললাম আরবী পারেন কি না, বললো অল্প কিছু পারি। স্বপ্নের ভিতর কিছু প্রশ্নের একধরনের তাড়াহুড়ো অনুভব করলাম, যে প্রশ্নগুলোর উত্তর জেগে থেকে বারবার জানতে চাই, সে প্রশ্নগুলোই স্বপ্নে ভীড় করতে থাকলো মনে। প্রথমেই জিজ্ঞাসা করলাম আপনারা কী তা-লে*বা]ন? একে অপরের দিকে তাকিয়ে হাসলো, আমাকে জিজ্ঞাসা করলো আপনি কী করেন, বললাম, একটি মাদরাসায় পড়াই। খুব খুশি হলো তারা। একজন বললো, জি, আলহামদুলিল্লাহ, আমরা সেটা যা আপনি জিজ্ঞাসা করেছেন।
যদি বাস্তবে সাক্ষাত হতো, তাহলে কী করতাম জানি না, স্বপ্নের ভিতর আমি সরাসরি জিজ্ঞাসা করলাম, আপনাদের সাথে আল-কা*য়*দার সম্পর্ক কী, আমাদের দেশের একদল আলেম, যাদের মধ্যে অনেক মুখলিস মানুষও আছে, তারা বলে থাকে, আপনারা সঠিক তবে তারা গোমরাহ। এটা শুনে দুজনই ইন্না-লিল্লাহ পড়লো, আফসোস করলো দীর্ঘক্ষণ! আমি স্বপ্নের বেশ অবাক হলাম, তারা এত বেশি ইন্না-লিল্লাহ আর নাউজুবিল্লাহ কেন পড়তেছে! একজন বললো, আলহামদুলিল্লাহ আমাদের এই দুইজামাতের মাঝে কোনো পার্থক্য নেই, আমরা উভয়েই একই আমীরের হাতে বাইয়াতবদ্ধ। আমাদের উভয়েরই উদ্দেশ্য এক, ইলায়ে কালিমাতুল্লাহ, হাঁ তবে আমরা বিভিন্ন মাসলাহাতের কারনে নিজেদের সম্পর্ককে গোপন রাখি এতটুকুই। এরপর স্বপ্নে আরো কিছু কথা হলো, যা মনে নেই এখন। পাশের আরেকজন বললো, আপনাদের দেশের কিছু আলেমদের এই অবস্থান বড় দুঃখজনক!
আমি খুব দ্রুত জিজ্ঞাসা করলাম, তাহলে টি*টি-পি*কে কী আপনারা সঠিক মনে করেন? দুজনই আমার প্রশ্ন শুনে হেসে দিলো, হাসির মাঝে আমার প্রশ্ন শুনে খুব মজা পেয়েছে এমন একটা ভাব ছিলো। একজন বললো, তারা তো আমাদেরই একটি জামাত, এই জামাতের অর্ধেকের মত তো আমাদেরই আফগান সাথী! আমি আবারো বললাম, তাহলে একদল আলেম কেন আপনাদের কেন সঠিক বলে আর তাদেরকে ভুল? সে আবারো আফসোস করতে লাগলো, এবার আরো বেশি দুঃখ নিয়ে। স্বপ্নের মাঝে আমি তাদের দুজনের দুঃখ দেখে পেরেশান হলাম, তারা কেন এমন কষ্ট পাচ্ছে আমার প্রশ্নগুলো শুনে। এরমাঝেই লক্ষ্য করলাম এশরাকের সময় হয়ে গেছে, তারা এশরাকের নামাজে দাঁড়িয়ে গেলো আর আমি মসজিদে নববীর ছাদে বসে দেশের ঐ সকল আলেমদের জন্য খুব ব্যথিত মনে সবুজ গম্বুজের দিকে চেয়ে আছি, এমন মধুর সময়ে হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে গেলো! খেয়াল করে দেখলাম, আমি নিজের বিছানায় শুয়ে আছি!
❤27👍3😱2😢1
বর্তমান আফগানিস্তানের শিক্ষামন্ত্রী আব্দুল বাকী হক্কানী সাহেবের ইসলামি সিয়াসাত বিষয়ে অসাধারণ একটি কাজ। বইটি নিয়ে আমার সংক্ষিপ্ত মূল্যায়ন।
https://www.facebook.com/share/p/5jm8ees9QZ8S4r9N/?mibextid=oFDknk
https://www.facebook.com/share/p/5jm8ees9QZ8S4r9N/?mibextid=oFDknk
❤23👍1🥰1