প্রকাশিতব্য দারুল ইসলাম ও দারুল হারব বই থেকে,
রশিদ আহমদ গাঙ্গুহী রহিমাহুল্লাহ লেখেন,
মাসআলাটি স্পষ্ট হওয়ার পর, এখন নিজেই ভারতবর্ষের ব্যাপারে চিন্তা করে দেখুন—এখানে কাফের ও খ্রিস্টানদের আইন-কানুন কতটা শক্তি ও কর্তৃত্বের সাথে বিরাজ করছে! একজন সাধারণ ডেপুটি কমিশনারও যদি নির্দেশ জারি করে—মসজিদে জামাতের সাথে নামায আদায় করা যাবে না, তাহলে ধনী-গরিব কারোই হিম্মত নেই যে, নামায আদায় করে দেখাবে। জুমা ও দুই ইদের নামায আদায় করা, ফিকহের আরো কিছু বিধান পালন করা—এগুলো হচ্ছে তাদের বেধে দেওয়া আইনের অধীনে। তারা প্রজাদের জন্য এই বিধান জারি করে রেখেছে যে, প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্ম অনুযায়ী আমল করবে, এতে সরকারের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই।
রশিদ আহমদ গাঙ্গুহী রহিমাহুল্লাহ লেখেন,
মাসআলাটি স্পষ্ট হওয়ার পর, এখন নিজেই ভারতবর্ষের ব্যাপারে চিন্তা করে দেখুন—এখানে কাফের ও খ্রিস্টানদের আইন-কানুন কতটা শক্তি ও কর্তৃত্বের সাথে বিরাজ করছে! একজন সাধারণ ডেপুটি কমিশনারও যদি নির্দেশ জারি করে—মসজিদে জামাতের সাথে নামায আদায় করা যাবে না, তাহলে ধনী-গরিব কারোই হিম্মত নেই যে, নামায আদায় করে দেখাবে। জুমা ও দুই ইদের নামায আদায় করা, ফিকহের আরো কিছু বিধান পালন করা—এগুলো হচ্ছে তাদের বেধে দেওয়া আইনের অধীনে। তারা প্রজাদের জন্য এই বিধান জারি করে রেখেছে যে, প্রত্যেকে নিজ নিজ ধর্ম অনুযায়ী আমল করবে, এতে সরকারের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই।
মুসলিম সুলতানগণ যে নিরাপত্তা প্রদান করেছিলেন, তার নাম-নিশানাও এখন অবশিষ্ট নেই। বিবেকবান কে বলতে পারবে, বাদশা আলমগির আমাদের যে নিরাপত্তা দিয়েছিলেন, আজও আমরা ওই নিরাপত্তায় আরামে বসবাস করছি! বরং এই নতুন নিরাপত্তা কাফেরদের থেকে অর্জিত, যার অধীনে প্রজারা ভারতবর্ষে বসবাস করছে।
❤13👍3
আমার বন্ধু মফিজ মনে করে প্রথম আলো এদেশের শত্রু। ইসলামের শত্রু। কওমী আলেমদের শত্রু। এই বিষয়ে তার মনে কোনো খটকা নাই। নিয়মিত বিভিন্ন ফেসবুক পোষ্টে সে এটা অকপটে লেখে।
কিন্তু প্রথম আলোর সম্পাদক পদে চাকরি করা বন্ধুর দুলা ভাই হলো এদেশের শুভকাংখী। ইসলামের কল্যাণকামী ও কওমীর জাগ্রত সন্তান।
.
বন্ধু মফিজরে নিয়ে আমি কী করিতাম!
কিন্তু প্রথম আলোর সম্পাদক পদে চাকরি করা বন্ধুর দুলা ভাই হলো এদেশের শুভকাংখী। ইসলামের কল্যাণকামী ও কওমীর জাগ্রত সন্তান।
.
বন্ধু মফিজরে নিয়ে আমি কী করিতাম!
😁28🤣3👍1
আসন্ন বইমেলায় প্রকাশিতব্য "দারুল ইসলাম ও দারুল হারব" বই থেকে,
সিরিয়ান বিখ্যাত আলেম ও শারজাহ ইউনিভার্সিটির ইসলামি অনুষদের সাবেক অধ্যাপক ড. শায়খ উসমান জুমআ যমিরিয়্যাহ রহিমাহুল্লাহের অভিমত হলো, তৃতীয় স্বতন্ত্র দারের ধারণাটি সর্বপ্রথম উঠে আসে প্রাচ্যবিদদের আলোচনায়। অতপর সেটাকে প্রসিদ্ধি দেন শায়খ আবু যাহরা। শায়খ উসমান জুমআ লেখেন,
وذهب بعض الكاتبين المعاصرين إلى أن دار العهد دار مستقلة متميزة عن دار الإسلام ودار الحرب ، فهي قسم ثالث . وكان من أول من ألمح إلى استقلال هذه الدار أصحاب "دائرة المعارف الإسلامية" من المستشرقين حيث جاء فيها : إلى جانب دار الحرب ودار الإسلام تعترف بعض المذاهب بوجود قسم ثالث هو دار الصلح، أو دار العهد التي لا تكون تحت الحكم الإسلامي، ولكنها في حال تبعية للإسلام ... والأرجح أن هذه الفكرة بصورة غامضة كانت أيضاً الأساس الذي قبلت فيه العلاقات مع الدول المسيحية والمبنية على معاهدات باعتبار أنها أمر ممكن ، والموقف الشرعي بالنسبة لهذه المسألة وَضَعَه الماوردي من الناحية الرسمية ... وإن هذا الموقف شاذ غامض... ثم ألمح إلى شيء من هذا أيضاً نجيب أرمنازي ، ثم عمق هذا الاتجاه بعد ذلك الشيخ محمد أبو زهرة. (أصول العلاقات الدولية، ص 349)
‘সমকালীন কিছু লেখক মনে করেন, “দারুল আহদ” দারুল ইসলাম ও দারুল হারব থেকে স্বতন্ত্র একটি পৃথক শ্রেণি; অর্থাৎ দারুল আহদ হলো তৃতীয় একটি শ্রেণি। প্রাচ্যবিদদের মধ্যে “দায়িরাতুল মাআরিফিল ইসলামিয়্যাহ”-এর লেখকরাই সর্বপ্রথম দারুল আহদ একটি স্বাতন্ত্র দার এই দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে—
“দারুল ইসলাম ও দারুল হারবের পাশাপাশি কিছু মাযহাব তৃতীয় একটি শ্রেণির দারের অস্তিত্বও স্বীকার করে। সেটি হলো—দারুস সুলহ বা দারুল আহদ। এই ভূখণ্ড ইসলামী শাসনের অধীন নয়; তবে ইসলামের সঙ্গে এক ধরনের অধীনতামূলক সম্পর্কের মধ্যে থাকে।… অস্পষ্টভাবে হলেও, এই ধারণাটিই এমন একটি ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছিল, যার ওপর খ্রিস্টান রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক সম্পর্ককে একটি সম্ভবপর বিষয় হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছিল। এ বিষয়ে শরয়ি অবস্থান আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারণ করেন ইমাম মাওয়ারদি। তবে তাঁর এই শরয়ি অবস্থান ছিল শায ও অস্পষ্ট।” ... পরবর্তীতে শায়খ মুহাম্মদ আবু যাহরা এই চিন্তাধারাকে আরও গভীরতা ও বিস্তার দান করেন।’—উসুলুল আলাকতিদ দাওয়ালিয়্যাহ, পৃ. ৩৪৯
সিরিয়ান বিখ্যাত আলেম ও শারজাহ ইউনিভার্সিটির ইসলামি অনুষদের সাবেক অধ্যাপক ড. শায়খ উসমান জুমআ যমিরিয়্যাহ রহিমাহুল্লাহের অভিমত হলো, তৃতীয় স্বতন্ত্র দারের ধারণাটি সর্বপ্রথম উঠে আসে প্রাচ্যবিদদের আলোচনায়। অতপর সেটাকে প্রসিদ্ধি দেন শায়খ আবু যাহরা। শায়খ উসমান জুমআ লেখেন,
وذهب بعض الكاتبين المعاصرين إلى أن دار العهد دار مستقلة متميزة عن دار الإسلام ودار الحرب ، فهي قسم ثالث . وكان من أول من ألمح إلى استقلال هذه الدار أصحاب "دائرة المعارف الإسلامية" من المستشرقين حيث جاء فيها : إلى جانب دار الحرب ودار الإسلام تعترف بعض المذاهب بوجود قسم ثالث هو دار الصلح، أو دار العهد التي لا تكون تحت الحكم الإسلامي، ولكنها في حال تبعية للإسلام ... والأرجح أن هذه الفكرة بصورة غامضة كانت أيضاً الأساس الذي قبلت فيه العلاقات مع الدول المسيحية والمبنية على معاهدات باعتبار أنها أمر ممكن ، والموقف الشرعي بالنسبة لهذه المسألة وَضَعَه الماوردي من الناحية الرسمية ... وإن هذا الموقف شاذ غامض... ثم ألمح إلى شيء من هذا أيضاً نجيب أرمنازي ، ثم عمق هذا الاتجاه بعد ذلك الشيخ محمد أبو زهرة. (أصول العلاقات الدولية، ص 349)
‘সমকালীন কিছু লেখক মনে করেন, “দারুল আহদ” দারুল ইসলাম ও দারুল হারব থেকে স্বতন্ত্র একটি পৃথক শ্রেণি; অর্থাৎ দারুল আহদ হলো তৃতীয় একটি শ্রেণি। প্রাচ্যবিদদের মধ্যে “দায়িরাতুল মাআরিফিল ইসলামিয়্যাহ”-এর লেখকরাই সর্বপ্রথম দারুল আহদ একটি স্বাতন্ত্র দার এই দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে—
“দারুল ইসলাম ও দারুল হারবের পাশাপাশি কিছু মাযহাব তৃতীয় একটি শ্রেণির দারের অস্তিত্বও স্বীকার করে। সেটি হলো—দারুস সুলহ বা দারুল আহদ। এই ভূখণ্ড ইসলামী শাসনের অধীন নয়; তবে ইসলামের সঙ্গে এক ধরনের অধীনতামূলক সম্পর্কের মধ্যে থাকে।… অস্পষ্টভাবে হলেও, এই ধারণাটিই এমন একটি ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছিল, যার ওপর খ্রিস্টান রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক সম্পর্ককে একটি সম্ভবপর বিষয় হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছিল। এ বিষয়ে শরয়ি অবস্থান আনুষ্ঠানিকভাবে নির্ধারণ করেন ইমাম মাওয়ারদি। তবে তাঁর এই শরয়ি অবস্থান ছিল শায ও অস্পষ্ট।” ... পরবর্তীতে শায়খ মুহাম্মদ আবু যাহরা এই চিন্তাধারাকে আরও গভীরতা ও বিস্তার দান করেন।’—উসুলুল আলাকতিদ দাওয়ালিয়্যাহ, পৃ. ৩৪৯
❤7
আসন্ন বইমেলায় প্রকাশিতব্য "দারুল ইসলাম ও দারুল হারব" বই থেকে,
চতুর্থ ত্রুটিটি হলো, যেভাবে এসব দেশকে “দারুল হারব” বলার ক্ষেত্রে ক্ষতির আশঙ্কা তুলে ধরা হচ্ছে, একইভাবে এগুলোকে “দারুল ইসলাম” বলার মধ্যেও ক্ষতি রয়েছে। বরং এর আরও বেশি ক্ষতি রয়েছে। প্রথমত এতে শরয়ি পরিভাষাকে নিয়মবহির্ভূতভাবে পরিবর্তনের পথ উন্মুক্ত হয়ে যাবে।
চতুর্থ ত্রুটিটি হলো, যেভাবে এসব দেশকে “দারুল হারব” বলার ক্ষেত্রে ক্ষতির আশঙ্কা তুলে ধরা হচ্ছে, একইভাবে এগুলোকে “দারুল ইসলাম” বলার মধ্যেও ক্ষতি রয়েছে। বরং এর আরও বেশি ক্ষতি রয়েছে। প্রথমত এতে শরয়ি পরিভাষাকে নিয়মবহির্ভূতভাবে পরিবর্তনের পথ উন্মুক্ত হয়ে যাবে।
দ্বিতীয়ত, এগুলোকে দারুল ইসলাম বলার পর মুসলমানরা তাদের প্রকৃত দায়িত্ব সম্পর্কে গাফেল ও উদাসীন হয়ে পড়বে। তাদের দায়িত্ব ছিল, এই দেশগুলোকে প্রকৃত ও সত্যকারের অর্থে ইসলামি আদর্শের কেন্দ্র ভূমিতে পরিণত করা; কিন্তু আগেভাগেই যদি একে “দারুল ইসলাম” বলা প্রচলিত হয়ে যায়, তবে সাধারণ মানুষ বলবে, যা আগে থেকে “দারুল ইসলাম”, তাকে নতুন করে দারুল ইসলাম বানানোর কী অর্থ? যেহেতু শরয়ি দৃষ্টিকোণ থেকে এর অবস্থান “দারুল ইসলাম” হিসেবেই স্বীকৃত, তাই আমাদের দায়িত্ব তো পালন হয়েই গেছে।
❤7
দারুল ইসলাম ও দারুল হারবের প্রুফ ও সেটাপের পর ফাইল আমার কাছে পাঠানো হয় শেষবার দেখে দেওয়ার জন্য। কথা ছিলো তারা যে কারেকশনগুলো দিছে সেগুলো ঠিক করে দিবো। কিন্তু ফাইল হাতে পাওয়ার পর অতিরিক্ত আরো প্রায় ৬টা বড় টীকা যুক্ত করেছি কয়েকদিন সময় লাগিয়ে। প্রকাশক বন্ধু ক্ষেপে আছে। বই আরো আগেই চলে আসার কথা আর এদিকে আমার নাকি ঢঙই শেষ হইতেছে না!
ফাইল জমা দেওয়ার সময় সেটাপ ম্যানের চেহারা তো দেখি নাই। ‘কয়েকটা জিনিষ ঠিক করে দিয়েন’ এমন মেসেজের উত্তরে শুধু ‘জি ইনশাআল্লাহ' বলে চুপ মেরে গেছে। মনে মনে কী বলছে তা আল্লাহই জানে। আমিও ভয়ে ভয়ে উত্তরে কিছু বলি নাই।
এতকিছুর পরেও এখন আরো কিছু টীকা যুক্ত করতে মনে চাচ্ছে।
এটা এখন বলা ঠিক হবে কি না, বুঝতেছি না৷ ‘তোমার ফাইল তুমিই নিয়ে যাও, তোমার এই ঢঙের ফাইল আমার পক্ষে ছাপা সম্ভব না’ এমন কিছু যদি বলে দেয়, তাহলে আমার কী হবে? এই মূহুর্তে আমি প্রকাশক পাবো কই?
অথবা ‘বন্ধু কাজের প্রতি তোমার এই আগ্রহ দেখে তোমায় নাস্তা করাতে মনে চাচ্ছে, আসো, একটা রেস্টুরেন্টে বসি’ এটা বলে নিয়ে গিয়ে বিল আমার হাতে ধরিয়ে দেয় তখন আমার কী হবে? বইয়ের পাওয়া টাকা তো নাস্তার বিলেই শেষ হয়ে যাবে? আনার পোলা-মাইয়ার কী হবে? তারা কী খেয়ে বাঁঁচবে?
এমন পরিস্থিতিতে কী এগুলো বলা ঠিক হবে? আপনাদের কী পরামর্শ?
ফাইল জমা দেওয়ার সময় সেটাপ ম্যানের চেহারা তো দেখি নাই। ‘কয়েকটা জিনিষ ঠিক করে দিয়েন’ এমন মেসেজের উত্তরে শুধু ‘জি ইনশাআল্লাহ' বলে চুপ মেরে গেছে। মনে মনে কী বলছে তা আল্লাহই জানে। আমিও ভয়ে ভয়ে উত্তরে কিছু বলি নাই।
এতকিছুর পরেও এখন আরো কিছু টীকা যুক্ত করতে মনে চাচ্ছে।
এটা এখন বলা ঠিক হবে কি না, বুঝতেছি না৷ ‘তোমার ফাইল তুমিই নিয়ে যাও, তোমার এই ঢঙের ফাইল আমার পক্ষে ছাপা সম্ভব না’ এমন কিছু যদি বলে দেয়, তাহলে আমার কী হবে? এই মূহুর্তে আমি প্রকাশক পাবো কই?
অথবা ‘বন্ধু কাজের প্রতি তোমার এই আগ্রহ দেখে তোমায় নাস্তা করাতে মনে চাচ্ছে, আসো, একটা রেস্টুরেন্টে বসি’ এটা বলে নিয়ে গিয়ে বিল আমার হাতে ধরিয়ে দেয় তখন আমার কী হবে? বইয়ের পাওয়া টাকা তো নাস্তার বিলেই শেষ হয়ে যাবে? আনার পোলা-মাইয়ার কী হবে? তারা কী খেয়ে বাঁঁচবে?
এমন পরিস্থিতিতে কী এগুলো বলা ঠিক হবে? আপনাদের কী পরামর্শ?
😁10❤3👎1
...এটিও একটি বাস্তব সত্য যে, মাদরাসাগুলোর ভেতরে ঘটে যাওয়া সমস্ত ত্রুটি-বিচ্যুতির দায়ভার কেবল মুহতামিমের ওপর চাপিয়ে দেওয়া কোনোভাবেই সমীচীন নয়। আসল সত্য হলো—মুহতামিম নাজেম মুদাররিস এবং অন্যান্য স্টাফদের প্রত্যেকেই নিজ নিজ ক্ষমতা ও এখতিয়ার অনুযায়ী দায়িত্বশীল। বুখারি শরিফসহ অন্যান্য কুতুবে সিহাহ-এর প্রসিদ্ধ হাদিস দ্বারা স্পষ্ট যে, প্রতিটি মানুষই নিজ নিজ ক্ষেত্রে রাখাল বা তত্ত্বাবধায়ক এবং প্রত্যেকেই তার অধীনস্থদের ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হবে। অতএব মুহতামিম হোক বা অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ—মাদরাসার কোনো ত্রুটি দূর করতে কিংবা সেখানে সংস্কার সাধনে যার যতটুকু ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে, তার নিজের সামর্থ্য ও শক্তি অনুযায়ী সেই দায়িত্ব অবশ্যই পালন করা উচিত।
-
আহকামে মাদারেস (প্রকাশিতব্য ইনশাআল্লাহ)
.
মাদরাসার সাথে সংশ্লিষ্ট কেউ বইটা মিস দিয়েন না।
-
আহকামে মাদারেস (প্রকাশিতব্য ইনশাআল্লাহ)
.
মাদরাসার সাথে সংশ্লিষ্ট কেউ বইটা মিস দিয়েন না।
❤15